Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৯ ইকবালকে গ্রেফতার করতে দুজন কনষ্টেবল

    ইকবালকে গ্রেফতার করতে দুজন কনষ্টেবলকে পাঠানোর সময় দশ জন কনস্টেবলকে পাঠানো হয়েছিল জুগ্‌গাত্ সিংকে গ্রেফতার করতে। তারা জুগ্‌গাত্‌-এর বাড়িতে গিয়ে বাড়ির চতুর্দিক ঘিরে রইল। রাইফেলসহ কনস্টেবলরা পাশের বাড়ির ছাদের ওপর বসে জুৰ্গাত্র-এর বাড়ির দিকে তাক করে রইল। এরপর রিভলবারসহ ছয়জন কনস্টেবল বাড়ির মধ্যে গিয়ে প্রবেশ করল। জুগ্‌গাত্‌ সিং খাটিয়ার ওপর ঘুমিয়ে ছিল। তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত একটা ময়লা চাদর দিয়ে ঢাকা। সে নাক ডাকিয়ে ঘুমাচ্ছিল। দুই রাত ও একদিন সে জঙ্গলে কাটিয়েছে খাদ্য ও আশ্রয় ছাড়াই। ঐ দিন ভোর রাতেই সে বাড়ি ফিরেছে। তার ধারণা, ঐ সময় গ্রামের সব লোক ঘুমিয়ে থাকবে এবং তাকে কেউ দেখতে পাবে না। কিন্তু গ্রামের লোক সতর্ক প্রহরায় ছিল। তার আগমনের সাথে সাথে তারা পুলিশকে খবর দেয়। তবু তারা অপেক্ষায় ছিল জুগ্‌গাত্‌-এর খাওয়া ও ঘুমিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত। তার মা বাইরে গিয়েছিল। ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে।

    জুগ্‌গাত্ সিং-এর পায়ে বেড়ি এবং ডান হাতে হাতকড়া লাগিয়ে দেয়া হলো। তখনও সে ঘুমিয়ে। পুলিশরা তাদের রিভলভারের খাপ থেকে রিভলবার বের করে নিল। রাইফেলধারী পুলিশরাও বাড়ির আঙ্গিনায় এসে জমায়েত হলো। তারা বন্দুকের বাট দিয়ে জুগ্‌গাত্‌কে গুতা মারল।

    ও জুগ্‌গা, উঠে পড়, সন্ধ্যা হয়ে এলো যে!

    দেখ, কিভাবে সে শূকর ছানার মতো ঘুমিয়ে আছে। কি ঘটে যাচ্ছে তার কোন খেয়াল নেই।

    চোখ রাগড়াতে রাগড়াতে জুগ্‌গা ক্লান্তভাবে উঠে বসল। দার্শনিক উদাসীনতায় সে তার হাতের কড়া ও পায়ের বেড়ি দেখল। তারপর সে তার দুবাহু প্রসারিত করে জোরে হাই তুলল। ঘুমে তার চোখ বুজে এল। সে বসেই ঝিমুতে লাগল।

    জুগ্‌গাতু সিং-এর মা বাড়িতে এসে দেখল তার বাড়ির উঠেন অস্ত্ৰধারী পুলিশে ভর্তি। সে দেখল তার ছেলে খাটিয়ার ওপর বসে আছে। তার মাথা রয়েছে হাতকড়া বাঁধা হাতের ওপর। তার চোখ বন্ধ। সে তার কাছে ছুটে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরল। তার হাতের মধ্যে নিজের মাথা রেখে সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল।

    জুগ্‌গাত্ সিং তন্দ্রাচ্ছন্নভাব থেকে জেগে উঠল। সে তার মাকে পিছনের দিকে জোর করে সরিয়ে দিল।

    তুমি কাঁদছো কেন?, সে বলল। তুমি তো জানো ঐ ডাকাতিতে আমি জড়িত ছিলাম না।

    কিন্তু তার কান্না থামল না। সে এ কাজ করেনি। সে কিছুই করেনি। ভগবানের নামে শপথ করে বলছি, সে কিছুই করেনি।

    তা হলো খুনের রাতে সে কোথায় ছিল? হেড কনস্টেবল জিজ্ঞাসা করল। সে রাতে সে নিজের ক্ষেতে ছিল। সে ডাকাত দলের সাথে ছিল না। আমি শপথ করে বলছি, সে ছিল না।

    সে একটা বদমায়েশ। সন্ধ্যার পর তার গ্রামের বাইরে যাওয়া নিষেধ। এ কারণে হলেও তাকে আমাদের গ্রেফতার করতে হবে। সে তার লোকদের দিকে তাকিয়ে বলল, ঘর ও তার চারপাশে তল্লাশি কর। হেড কনষ্টেবলের সন্দেহ ছিল যে, জুগ্‌গাত সিং তার নিজের গ্রামে। ঐ ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। কারণ এ ধরনের ঘটনা সাধারণত ঘটে না।

    চারজন কনস্টেবল ঘর ও তার চারপাশে তল্লাশির কাজে লেগে গেল। তারা টিনের বাক্স খুলে সব জিনিস বের করল। খড়ের গাদা টেনে নামিয়ে ফেলল। ঘরের আঙ্গিনায় খড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিল। এর মধ্য থেকে বেরিয়ে এল বর্শাটি।

    আমার মনে হয় তোমার চাচা এটা এখানে রেখে দিয়েছে, জুগ্‌গার মাকে লক্ষ্য করে রসিকতা করে বলল হেড কনষ্টেবল। এর ধারাল অংশ কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখ। এতে রক্তের দাগ লেগে থাকতে পারে।

    এতে কিছুই নেই, জুগ্‌গার মা চিৎকার করে বলল, ক্ষেতে ফসল নষ্ট করতে আসা শুয়োর মারতে সে এটা রেখেছিল। আমি শপথ করে বলছি, সে নির্দোষ।

    আমরা দেখব, আমরা অবশ্যই দেখব। হেড কনস্টেবল জুগ্‌গার মায়ের কথায় আমল না দিয়ে বলল, তুমি বরং ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে উপস্থাপনের জন্য তার নির্দেষিতার প্রমাণ তৈরি রাখ।

    বৃদ্ধ মহিলাটি তার কান্না থামাল। তার কাছে প্রমাণ আছে। এক প্যাকেট ভাঙ্গা চুড়ি। সে জুয়াকে এ কথা বলেনি। এ কথা তাকে বললে রাগে ও অপমানে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠত। এখন তার পায়ে বেড়ি, হাতে কড়া। এখন তার শুধু মেজাজ খারাপ হওয়ার কথা।

    দাঁড়াও পুলিশ ভাই, আমার কাছে প্রমাণ আছে।

    রংয়ের কাগজ দিয়ে মোড়া একটা প্যাকেট নিয়ে এল। সে কাগজের মোড়া খুললো। এর মধ্যে দেখা গেল নীল ও লাল রংয়ের ভাঙ্গা কাচের চুড়ি। এর মধ্যে দু’টো চুড়ি অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। হেড কনস্টেবল এগুলো হাতে নিল।

    এর থেকে কি প্রমাণ পাওয়া যায়?

    খুন করার পর ডাকাতরা এগুলো ঘরের আঙ্গিনায় ছুড়ে মারে। তাদের সাথে না যাওয়ার জন্য তারা জুগ্‌গাকে অপমানিত করে। দেখ! বৃদ্ধা মহিলা তার হাত প্রসারিত করে বলল, আমি বৃদ্ধা। আমি কাচের চুড়ি পরি না। তাছাড়া এগুলো এতই ছোট যে, আমার হাতে পরা যাবে না।

    তাহলে জুগ্‌গা অবশ্যই জানে ঐ ডাকাতদের। চুড়ি নিক্ষেপ করার সময় তারা কি বলেছিল? হেড কনস্টেবল জিজ্ঞাসা করল।

    না, তারা কিছুই বলেনি। জ্বপ্নাকে তারা শুধু অপমানিত করেছিল…।

    জুগ্‌গা তার মায়ের কথার মাঝে বলল, তুমি কি মুখ বন্ধ করবে? কারা ডাকাত আমি জানিনে। আমি যা জানি তা হলো, ঐ ডাকাতদের সাথে আমি ছিলাম না।

    তোমার জন্য চুড়ি রেখে দিয়েছে কারা? হেড কনষ্টেবল জিজ্ঞাসা করল। তার মুখে মৃদু হাসি দেখা গেল।

    জুগ্‌গা তার মেজাজ ঠিক রাখতে পারল না। হাতকড়া পরানো হাতটা সে উঁচু করে হেড কনষ্টেবলের হাতের মধ্যে রাখা চুড়ির দিকে নিক্ষেপ করল সজোরে। কোন মায়ের বেজন্ম ছেলে আমাকে লক্ষ্য করে চুড়ি ছুড়েছে? কোন…।

    কনষ্টেবলরা জুগ্‌গাত্‌কে ঘিরে ধরল। তারা তাকে থাপ্পড় মারল এবং জুতো দিয়ে লাথি মারতে লাগল। জুগ্‌গা খাটিয়ার ওপর বসে তার হাত দিয়ে মাথা ঢেকে রাখল। তার মা তার কপাল চাপড়ে পুনরায় কান্না শুরু করল। সে পুলিশের কর্ডন ভেদ করে ছেলের কাছে আছড়ে পড়ল।

    তাকে মেরো না। তোমাদের ওপর গুরুর অভিশাপ নেমে আসবে। সে নির্দোষ। এটা আমার অপরাধ। মারতে হয় আমাকে মার।

    জুগ্‌গাকে মারা বন্ধ হলো। হেড কনস্টেবল তার হাতের তালুতে আটকে যাওয়া কাচের টুকরা বের করল। রক্তের দাগ মুছে ফেলল রুমাল দিয়ে।

    সে জুগ্‌গার মাকে লক্ষ্য করে বেশ কৰ্কশভাবেই বলল, তোমার ছেলের নির্দেষিতার প্রমাণ হিসাবে এগুলো রেখে দাও। তোমার শয়তান ছেলের কাছ থেকে আমরা আমাদের পদ্ধতিতে আসল কথা জেনে নেব। পাছায় কয়েকটা বেত পড়লে সে কথা বলবে। এরপর অন্য পুলিশদের দিকে তাকিয়ে বলল, নিয়ে চল। ওকে।

    জুগ্‌গাত্ সিংকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো। তার হাতে হাতকড়া, পায়ে বেড়ি। তার মায়ের কান্না তখনও থামেনি। সমানে সে কপাল ও বুক চাপড়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থাতেও জুগ্‌গার আচরণে আবেগের কোন লক্ষণ দেখা গেল না। তার বিদায়ী কথা ছিল এ রকম :

    আমি তাড়াতাড়ি ফিরে আসব। বর্শা রাখার জন্য ও গ্রাম থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য তারা আমাকে কয়েক মাসের বেশি আটকে রাখতে পারবে না। বিদায়।

    জুগ্‌গা যেমন ক্ষণিকের মধ্যে তার মেজাজ খারাপ করে ফেলেছিল, ঠিক তেমনি দ্রুত তার মেজাজ ঠাণ্ডা হয়ে এলো। সে চুড়ির ঘটনা ভুলে গেল। ঘরের আঙ্গিনার বাইরে পা দিয়েই সে পুলিশ প্ৰহারের কথা ভুলে গেল। পুলিশের প্রতি তার কোন বিদ্বেষ নেই বা তাদের কোন ক্ষতি করারও ইচ্ছা নেই। অন্যান্য মানুষের মতো তারা মানুষ নয়। তাদের কোন স্নেহ-মমতা নেই। অনুরাগ নেই। নেই কোন শক্ৰতা। তারা শুধুই ইউনিফর্ম পরা মানুষ-মানুষ যাদের এড়িয়ে চলতে চায়।

    জুগ্‌গাত্ সিং-এর মুখ ঢেকে রাখার কোন প্রয়োজন ছিল না। কারণ সারা গ্রামের লোক তাকে চেনে। সে গ্রামের পথ ধরে হাটছিল হাসতে হাসতে। কাউকে দেখতে পেলে হাতকড়া পরা হাত দিয়ে অভিবাদন জানাচ্ছিল। পায়ে বেড়ি থাকায় তাকে হাঁটতে হচ্ছিল আস্তে আস্তে। তার পদক্ষেপ ছিল ছন্দপূর্ণ। সে তার পাতলা সরু মোচে তা দিয়ে প্রকাশ করল, তার কোন চিন্তা নেই। পুলিশের দিকে তাকিয়ে সে ব্যঙ্গোক্তিও করুল অশ্লীল ভাষায়।

    নদীর ধারে এসে দুজন পুলিশসহ ইকবাল জুগ্‌গাত্ সিং-এর দলের সাথে মিশলেন। তারা সবাই উজান মুখে ব্রিজের দিকে চলল। হেড কনস্টেবল ছিল সবার আগে। অস্ত্ৰধারী পুলিশ ছিল বন্দীর পাশে ও পিছনে। পুলিশদের খাকি ও লাল ইউনিফর্মের মাঝে ইকবালকে ভাল করে দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু জুগ্‌গাত্ সিং-এর ঘাড় ও মাথা দেখা গেল পুলিশের পাগড়ির ওপর। মনে হলো, মাঝখানে হাতিসহ ঘোড়ার একটা মিছিল। হাতিটা লম্বা চওড়া, ধীর গতিসম্পন্ন এবং তার পায়ে বেড়ি। হাঁটার সময় ঝন ঝন শব্দ হচ্ছিল। ঐ শব্দ যেন সজ্জিত অনুষ্ঠানের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছিল!

    কেউ কথা বলার মেজাজে ছিল বলে মনে হলো না। পুলিশরাও অস্বস্তিতে ভুগছিল। তারা বুঝতে পেরেছে যে, তারা হয় একটা আর না হয় দুটা ভুল করেছে। একজন সমাজকর্মকে গ্রেফতার করা তাদের মারাত্মক ভুল হয়েছে এবং এজন্য তাদের সাংঘাতিক বিড়ম্বনা হতে পারে। তিনি যে নির্দোষ তা তার উদ্ধত আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অবশ্য অন্য যে কোন মামলা দায়ের করা যেতে পারে। শিক্ষিত লোকের ব্যাপারে এ ধরনের চালাকির আশ্রয় প্রায়ই নিতে হয়। জুগ্‌গাত্ সিংকে গ্রেফতার করা অবশ্য ঠিক হয়েছে। কারণ সে রাতে গ্রামের বাইরে গিয়ে নিঃসন্দেহে আইন ভঙ্গ করেছে। কিন্তু নিজের গ্রামের এক বাড়িতে ডাকাতির কাজে সম্ভবত সে অংশ গ্ৰহণ করেনি। বিরাট দেহ নিয়ে ঐ কাজে গেলে সহজেই লোকে তাকে চিনে ফেলত। এ কথাও সত্য যে, ইকবাল ও জুগ্‌গাত্ সিং এই প্রথম একে অপরের সাথে মিলিত হলো।

    ইকবাল নিজেকে অপমানিত বোধ করলেন। জুগ্‌গাত্ সিংকে দেখার পর তাঁর মনে হয়েছিল যে, রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি নিজে হাতকড়ি লাগাবার অনুরোধ করেছিলেন এই কারণে গ্রামবাসী তাঁকে দেখে এই ধারণা নিক যে, তিনি কতটা মৰ্যাদার অধিকারী। সামাজিক স্বাধীনতার ঐ হাল দেখে গ্রামবাসীরা নিশ্চয়ই ক্ষুব্ধ হতো। কিন্তু পুরুষরা তাঁর দিকে বিস্ময়ভরা দৃষ্টিতে তাকাল আর মেয়েরা অবগুণ্ঠনের ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে একে অপরকে জিজ্ঞাসা করল, লোকটা কে? জুগ্‌গাত্ সিংকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়া দলের সাথে তিনি যখন মিশলেন তখন তাঁর পুলিশের সেই উপদেশের (আপনি মুখ ঢেকে নিন। অন্যথায় সনাক্তকরণ প্যারেডে সবাই আপনাকে চিনে ফেলবে) কথা মনে হলো। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে রামলালের খুনের সাথে জড়িত থাকার কারণে। এমন নিবুদ্ধিতা তাঁর বিশ্বাস হয় না। প্রত্যেকেই জানে যে, রামলাল খুন হওয়ার পর তিনি মানো মাজরায় আসেন, এমনকি পুলিশের সাথে একই ট্রেনে। খুন হওয়ার সময় তিনি এখানে ছিলেন না, এ কথার সাক্ষ্য তারাও দিতে পারবে। হাস্যকর এই ঘটনা বলার ভাষা নেই। কিন্তু পাঞ্জাবী পুলিশ সেই ধরনের পুলিশ নয় যারা ভুল করে স্বীকার করে যে, ভুল করা হয়েছে। তারা যে কোন অভিযোগ দায়ের করবে: ভবঘুরে, অফিসারদের কাজে বাধা দান বা অনুরূপ অন্য কোন অভিযোগ। এর বিরুদ্ধে অবশ্যই তিনি আপ্ৰাণ লড়বেন।

    ঐ দলের মধ্যে জ্বগ্নাত্ সিং-এর মনে কোন ভাবান্তর দেখা দিল না। এই ঘটনায় সে যেন কিছুই মনে করেনি। আগেও সে গ্রেফতার হয়েছে। সে বাড়িতে যত দিন কাটিয়েছে প্রায় ততদিন সে জেলে কাটিয়েছে। পুলিশের সাথে তার সম্পর্ক বলা যায় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত। পুলিশের দশ নম্বর খাতায় তার পিতা আলম সিং-এর নাম ছিল। অসৎ চরিত্রের লোকদের কাজের ফিরিস্তি এই খাতায় থাকে। খুন করে ডাকাতি করার দায়ে আলম সিং দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তার ফাঁসি হয়। উকিলের পয়সা যোগাড় করতে জুৰ্গাত্ সিং-এর মাকে সব সম্পত্তি বন্ধক দিতে হয়। সম্পত্তি ফেরত আনার জন্য জুগ্‌গাত সিংকে টাকার যোগাড় করতে হয় এবং ঐ বছরেই সে টাকা ফেরত দিয়ে জমি ছাড়িয়ে নিয়েছে। কিভাবে সে ঐ টাকা যোগাড় করেছে কেউ তার প্রমাণ দিতে পারবে না। বছর শেষেই পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়। তার নাম খাতার দশ নম্বরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সরকারীভাবে তাকে অসৎ চরিত্রের লোক বলে ঘোষণা করা হয়। তার অগোচরে লোকে তাকে দশ নম্বর বলে ঠাট্টা করে।

    জুগ্‌গাত্‌ সিং তার পাশের বন্দীর দিকে কয়েকবার তাকিয়ে দেখল। সে তার সাথে আলাপ করতে চাইল। কিন্তু ইকবালের সেদিকে খেয়াল ছিল না। তাঁর দৃষ্টি ছিল সামনের দিকে নিবদ্ধ। তিনি যেন হাঁটছিলেন ক্যামেরাসচেতন একজন নায়কের মতো করে যার দৃষ্টি ক্যামেরার লেন্সের দিকেই প্রসারিত। জুগ্‌গাত্‌ সিং আর ধৈর্য রাখতে পারল না।

    শুনুন। আপনি কোন গ্রাম থেকে আসছেন? কপট হেসে জুগ্‌গাত্ সিং জিজ্ঞাসা করল। হাসির সময় তার সামনের দাঁতগুলো দেখা গেল। মাঝের একটা দাঁত সোনা দিয়ে বাঁধানো।

    ইকবাল ফিরে তাকালেন, কিন্তু হাসির জবাব দিলেন না। আমি কোন গ্রামের বাসিন্দা নই। আমি দিল্লী থেকে এসেছি। কৃষকদের সংগঠিত করার জন্য আমাকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু লোকগুলো সংগঠিত হোক সরকার এটা চায় না।

    জুগ্‌গাত্ সিং ভদ্র হয়ে গেল। ঘনিষ্ঠ লোকের সাথে লোকে যেভাবে কথা বলে সে ধরনের কথা থেকে সে বিরত রইল। আমরা শুনেছি আমরা এখন স্বাধীন, সে বলল। দিল্লীতে এখন মহাত্মা গান্ধীর সরকার, তাই না? আমাদের গ্রামে লোকে এ রকমই বলে।

    হ্যাঁ। ইংরেজরা চলে গেছে। কিন্তু তাদের স্থান দখল করেছে ধনী ভারতীয়রা। স্বাধীনতা থেকে তুমি বা তোমার গ্রামের লোক কি পেয়েছে? বেশি রুটি বা বেশি কাপড়? ইংরেজরা যে হাতকড়া ও বেড়ি পরাত তোমাদের, সেই হাতকড়া তোমার হাতে, সেই বেড়ি তোমার পায়ে। এর বিরুদ্ধে আমাদের সংগঠিত হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে। এই শৃঙ্খল ছাড়া আমাদের আর কিছুই হারাবার নেই। ইকবাল শেষের কথাটা খুব জোর দিয়ে বললেন। তিনি তাঁর দু’হাত মুখের কাছে এনে একটা বড় রকমের বাঁকুনি দিলেন। তাঁর প্রকাশভঙ্গি এমনই যেন ঐ আন্দোলন হাতকড়া ভেঙ্গে ফেলবে!

    পুলিশরা পরস্পরের দিকে তাকাল।

    জুগ্‌গাত্‌ সিং তার পায়ের বেড়ির দিকে তাকাল। হাতকড়ার সাথে সংযুক্ত লোহার রডটাও সে তাকিয়ে দেখল।

    আমি একটা বদমায়েশা। সব সরকারই আমাকে জেলে ঢোকায়।

    কিন্তু, ইকবাল বেশ ক্রুদ্ধভাবেই তার কথায় বাধা দিয়ে বললেন, কে তোমাকে বদমায়েশ বানিয়েছে? সরকার। সরকার আইন প্রণয়ন করে এবং রেজিস্টার, জেলার ও পুলিশ রাখে ঐ আইন বলবৎ করার জন্য। কাউকে তাদের পছন্দ না হলে তাদের আইনে সে হয় অসৎ চরিত্রের লোক, অপরাধী। আমি কি করেছি …

    না বাবু সাহেব, সহস্যে জুগ্‌গাত্‌ সিং বলল, এটাই আমাদের ভাগ্য। এটা আমাদের কপালে ও হাতের রেখায় লেখা আছে। আমি সব সময় কিছু করতে চেয়েছি। জমি চাষ করার সময় বা ফসল ঘরে তোলার সময় আমি ব্যস্ত থাকি। যখন কোন কাজ থাকে না তখনও আমি কাজ করতে উদ্‌গ্ৰীব থাকি। সুতরাং আমি কিছু কাজ করি এবং তা সব সময় হয়ে যায় অপরাধমূলক কাজ।

    এ সময় তারা ব্রিজের নিচ দিয়ে পার হয়ে রেষ্ট হাউসের নিকটবর্তী হলো। জুগ্‌গাতু সিং-এর আত্মপ্রসাদের কথা শুনে ইকবালের মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। একজন গ্ৰাম্য অসৎ চরিত্রের লোকের সাথে তর্ক করে তিনি সময় নষ্ট করতে চাইলেন না। তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের জন্য সব কথা জমা রাখতে চাইলেন। সব কথা তিনি তাঁকে ইংরেজীতে বলবেন-সে সব কথা তিনি কিভাবে বলবেন সেই চিন্তাই তাঁকে পেয়ে বসল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }