Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডানাওলা মানুষ – বিনোদ ঘোষাল

    বিনোদ ঘোষাল এক পাতা গল্প253 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রতি রবিবার

    উঃ প্রথমটায় যা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম, বাব্বাহ! আহা, আমার কী দোষ? জীবনে প্রথমবার প্লেনে চাপলে সবারই কমবেশি ভয় লাগে। লাগে না? আচমকা মাটি ছেড়ে সাঁই করে যখন ওপরে উঠল আমি তো ভয়েতে সিঁটিয়ে শক্ত করে ওর হাত চেপে ধরেছিলাম। আমি জানলার ধারে বসেছিলাম নীচে দেখব বলে। ও তখন আমার হাতের ওপর আলতোভাবে হাত রাখতেই ভয় অনেকটা কেটে গিয়েছিল। ও মানে?

    আমার বর, আবার কে? ও অবশ্য আমার মতো এই প্রথম বার প্লেনে চাপেনি। প্রত্যেক মাসে দু-তিনবার করে ফ্লাইটে আজ দিল্লি কাল বম্বে করে বেড়াতে হয় অফিসের কাজে। দুবার আমেরিকাও গেছে। আমি তো শুনে ঠিক করেই রেখেছি এরপর যখন আবার যাবে আমাকেও নিয়ে যেতে বলব। যেতেই হবে নিয়ে। ওই দেশটাকে দেখার শখ সেই ছোট্ট থেকে। ও ‘MNC’-তে উচ্চপদে কর্মরত 29/5’9” সুদর্শন ব্রাহ্মণ’। এত ফর্সা ছেলে আমি খুব কম দেখেছি। মাথা ভরতি ঘন কালো চুল। দাড়ি কামালে গালের রং হালকা সবুজ হয়ে যায়। এত সুন্দর লাগে তখন দেখতে। ওর গা থেকে সবসময় নরম সুন্দর একটা গন্ধ বের হয়। একটু পাশে থাকলে আমার গায়েও লেগে যায় গন্ধটা। কীসের গন্ধ কে জানে? আমিও তো পারফিউম মাখি, কিন্তু এমন সুন্দরভাবে গন্ধ বের হয় না তো! এখন দুজন যাচ্ছি বম্বে। সেখানে দু-দিন থেকে তারপর গোয়া যাব হনিমুনে। হি-হি! এই তো ক’দিন আগেই বিয়ে হয়েছে আমাদের। পরশু অষ্টমঙ্গলা সেরে আজই বেরিয়ে পড়েছি দুজনে। এরপর নইলে ও আবার ছুটি পাবে না। এত দূরে কোথাও বেড়াতে জীবনে প্রথম যাচ্ছি। আনন্দে-ভয়ে কেমন যেন করছে শরীরে। অস্থির অস্থির। মুম্বই পৌঁছেই মাকে ফোন করার কথা মনে রাখতে হবে—হবে—হবে। খুব চিন্তায় আছে আমার জন্য। সারাজীবনই চিন্তা আমাকে নিয়ে ছিল। প্লেনের ভেতরটা এত সুন্দর! খুব সুন্দর দেখতে একটা এয়ার হোস্টেস একটু আমাকে কফি দিয়ে গেল। মুখে সবসময় হাসি। আমার বরের দিকে একটু যেন বেশি ঝুঁকেই দিল কফির কাপটা। যাহ আমার যত রাজ্যের উলটোপালটা ভাবনা। আমি জানলা দিয়ে নীচে তাকালাম। ই-শ! নীচে সব গুঁড়িগুঁড়ি এইটুকুন হয়ে গেছে। এত্ত উঁচুতে উঠে গেছি!

    রাস্তা-ঘাট-জমি-মানুষ-নদী-পাহাড়-সমুদ্র সব ছোট্ট-ছোট্ট…আমি ‘অনূর্ধ্বা তেইশ। পরমাসুন্দরী, কনভেন্ট এডুকেটেড’…ভাবতেই বুকের ভেতরটা থিরথির করে উঠল। আমি সঙ্গে সঙ্গে নীচে চোখ নামিয়ে ফেললাম।

    আমার স্বামীর বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে বিশাল বড় গয়নার দোকান। দোকানের নাম বললেই সবাই চেনে। চারদিকে খুব অ্যাড দেন তো। সারাদিনে দোকানে সাদা হলুদ আলো কাচের দেওয়ালে ঝলমল করে। ও ’43/5’1”’, আমার থেকে একটু বেঁটে। সে হোক গে। গায়ের রংটাও…তা যাক গে। চেহারাটা বিশাল ইয়ে…মানে…ধুৎ, অত দেখলে চলে! গোটা দিন দোকানে টেবিলে ফ্যানের সামনে বসে (এখনও এসি লাগায়নি, খুব হিসেবি)। বিনবিন করে ঘামে। পাঞ্জাবির পিঠ, বগলের চারপাশ, ঘাড়ের খাঁজ ঘামে জ্যাবজ্যাব করে। কার্তিক ঠাকুরের মতো চুল। জুলফির পাশে কিছু পাকা। গলায় সোনার চেন—নাভি পর্যন্ত ঝোলানো। ডান হাতের আঙুলে চারটে আর বাঁহাতে দুটো মোটা মোটা পাথর বসানো সোনার আংটি। আমার গায়েও গয়না ভরতি। ‘উ: কলিতে নিজস্ব বাড়ি’ ওদের। যেমন বড় তেমনি পুরোনো। বাড়িটার ভেতরে পা রাখলেই কেমন একটু ঘুম ঘুম আলস্যমাখা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ। দোতলায় যাওয়ার আবছা অন্ধকার সিঁড়ি। চৌখুপি উঠোনের এক পাশে কলতালায় ডাঁই করা থাকে এঁটো বাসন, অতবড় বাড়িটা গরমকালের দুপুরের মতো চুপচাপ সবসময়। শুধু কাজের মাসি এলে বাসনের শব্দে একটু জেগে ওঠে। এ-বাড়ির অনেক শরিক, অনেক ঘর কিন্তু এরা ছাড়া আর কেউই থাকে না এ বাড়িতে। দরজায় দরজায় তালা ঝোলে। এদের ফ্যামিলি খুব রক্ষণশীল। বাড়ির বউদের একা একা বাইরে বেরোনো নিষেধ। এখানে আমি টায় টায় তিরিশ। আমি ‘প: ব: স্বর্ণবণিক, প্রকৃত ফরসা সুন্দরী।’ বিয়েতে এদের ‘কোনও দাবি নেই’ থাকলেও বাবাকে ঢের দিতে হয়েছিল। আমার এই স্বামী সারাদিন ধরে নিক্তির ওজন আর নোট গুনতে গুনতে কেমন যেন ল্যাদাঠে মেরে গেছে। রসকষ নেই। রাত্তিরবেলা…যাকগে। আমার ‘ছবি সহ পত্রালাপ’ হয়েছিল। সেই সবুজ রঙের শাড়ি পরা পোস্টকার্ড সাইজ ফটোটা, যেটা সব জায়গায় পাঠাই, ওটাই পাঠিয়েছিলাম। ওদের পছন্দ হয়ে গিয়েছিল। তারপর কথাবার্তা, বিয়ে, সব ঝটপট। ওরা জানে না আমি ডিভোর্সি। বিয়ের আগে বলাই হয়নি। জানতেও পারবে না কোনওদিন। আমার বিয়ে তো হয়েছে উত্তরপাড়ায় মামাবাড়ির থেকে। আমার নিজের বাড়ি দিয়ারার পাড়াপ্রতিবেশীরা জানেই না আমার এই বিয়ের কথা। কাজেই এরা জানবে কী করে? ওরা জানে আমি ফার্স্ট হ্যান্ড। কিন্তু আমার না লুকোতে ভয় লাগে। তবু চেপে থাকি।…কিন্তু আমার মেয়েটা? আমার ছয় বছরের মেয়ে?…নাহ, আমি আবার নীচে তাকাই।

     

     

    আমার এই হাজব্যান্ডের ‘বাৎসরিক আয় ছ-লাখ’। ওর ‘পূর্বের স্ত্রী অ্যাকসিডেন্টে মৃত’। ‘কলিতে দুটি দ্বিতল বাড়ি’। একটা বাড়ি অবশ্য ভাড়া দেওয়া, বহুদিনের। ও ‘কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার 30/5’6”, ওর প্রথম বিয়ের দু-বছরের মধ্যেই প্রথম বউটা মারা গিয়েছিল। কীভাবে মারা গিয়েছিল এখনও জানি না। ইচ্ছেও নেই জানার। কী দরকার ওসব ঘাঁটিয়ে। এই তো বেশ আছি। ওরা ‘বিধবা নয় ডিভোর্সি কাম্য’ বলেছিল। ‘ঘরোয়া স্লিম ন্যূনতম গ্র্যাজুয়েট প্রকৃত সুন্দরী ফোনে যোগাযোগ সকাল 7-9।’ সঙ্গে সঙ্গে বাবাকে দিয়ে ফোন করিয়েছিলাম। আমার হাইট, ফিগার, গায়ের কালার, চুল, নখ, দাঁত, মাড়ি সবক’টা জিনিস ওদের পছন্দ হয়েছিল। এইবারে আমি কিন্তু গোপন করিনি যে আমি ডিভোর্সি। কেনই বা করব। ওরা তো চেয়েইছিল। আর আমার তো কোনও দোষ ছিল না। ভালোবেসে আজকাল কে না বিয়ে করে? আমাদের পাড়ারই ছিল ছেলেটা। বন্ধুরা আমায় খুব বোঝাত ছেলেটা খারাপ, অপদার্থ, ওর পাল্লায় পড়িস না। মরবি। ছেড়ে দে। আমি ছাড়তে পারিনি। লুকিয়ে বিয়ে করার বছর দেড়েকের মধ্যে মেয়েকে কোলে সমেত ও-ই আমাকে ছেড়ে দিয়েছিল। মধ্যবিত্ত ফ্যামিলিতে নিজের ইচ্ছেয় বিয়ে করা ‘প্রকৃত ঘরোয়া’ মেয়ে লাথি খেয়ে বাপের বাড়িতে ব্যাক টু প্যাভিলিয়ন হলে যেভাবে থাকে সেভাবেই ছিলাম। তবু তো মেয়েটা স্কুলে যেত। দুটো ভালোমন্দ খেত-পরত। বাবা-মাকে একটুও দোষ দিই না। তারাও একসময় দুজনে অনেক বুঝিয়েছিল আমাকে। শুনিনি, কিচ্ছু শুনিনি। ভালোবাসা শুধু কানা নয়, কালাও। বাড়ির সামনে বাবার ব্যাকডেটেড স্টেশনারি দোকানটা টিবি রুগির মতো হাঁফাতে হাঁফাতে পা ঘষটাতে ঘষটাতে চলে। ভাইটা এবছর সেকেন্ড ইয়ারে। এতগুলো পেট। এই দোকানের আর পোস্টাপিসের সামান্য ইন্টারেস্টে এ-যুগে কাঁহাতক পারা যায়?

     

     

    কিচ্ছু গোপন করিনি। সব বলেছি আমার এই কর্তাকে। বিয়েতে এদেরও ‘কোনও দাবি নাই’ ছিল। সত্যি সত্যি কিচ্ছু নেয়ওনি। একদম শাঁখা-সিঁদুর আর একটা শাড়ি আর বাবার অনেক জোরাজুরিতে ও একটা আংটি নিতে রাজি হয়েছিল। বিয়ের ক’দিন আগেই একটা গাড়ি কিনেছে। স্যান্ট্রো। সিলভার কালার। দা-রু-ণ দেখতে। সিটের প্লাস্টিক কভারগুলো আমি খুলতে দিইনি। খুললেই তো ধুলো জমবে সিটে। যা ধুলো কলকাতায়, বাপরে! বউভাতের পরদিন রাত্রেই নতুন গাড়িটায় দুজনে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। ভিক্টোরিয়ার পাশ দিয়ে রেড রোডে উঠে শাঁ শাঁ করে যখন যাচ্ছিল না গাড়িটা উফ! কেমন যেন লাগছিল কী বলব! ও-ই ড্রাইভ করছিল। কার স্টিরিয়োতে স্যাক্সোফোন (এই নামটা ওর থেকে জেনেছি) আর হু-হু করে ছুটে যাওয়া, শিরশির করছিল আমার শরীর। অবশ্য দু-দিন পরেই বুঝেছি ও আমার দিকে খুব একটা ঘেঁষে-টেঁষে না। কে জানে কেন! অন্য কোনও প্রেমিকা-টেমিকা আছে বোধহয়। হয়তো কোনও চাপে পড়ে তাকে বাদ দিয়ে আমার মতো একজনকে বিয়ে করতে হয়েছে। না কি অন্য কোনও কারণ! যার জন্য আগের বউটা মরেছে কি না কে জানে?—মরুক গে। আমি মাথা ঘামাই না বাবা। এত দিনের মধ্যে কোনওদিনও রাত্রে আমায় একবার ছুঁয়েও দেখেনি ও। আমিও হ্যাংলামো করিনি কখনও। ওসব ইচ্ছে-টিচ্ছে আর আমার নেই। কবে হাপিস হয়ে গেছে। বাবার ঘাড়ের ওপর মেয়েকে নিয়ে চেপে বসে নেই এই-ই যথেষ্ট। আমাকে পছন্দ না অপছন্দ তা নিয়ে ভাবি-টাবি না। এরা ডিভোর্সি চেয়েছিল কিন্তু ‘নি:সন্তান নির্দায়’। আমার মেয়ে আমার দায় নয়। তাই বাধ্য হয়ে একেও ছেড়ে দিই।

     

     

    ভাবতেই পারিনি জীবনে কখনও এই ভ্যাজভেজে WB ছেড়ে USA যাব। আমেরিকার যেখানে আমরা থাকি সে জায়গাটার নামটা এখনও অবশ্য জানা হয়নি। সে আর জানতে কতক্ষণ। আমি ‘স:/ অস: ডিভোর্সি সন্তানসহ’, কোনও কিছুতেই এদের ‘আপত্তি নাই’। আমি ‘বিদেশে থাকতে ইচ্ছুক’ ‘স্মার্ট অনূর্ধ্বা পঁয়ত্রিশ’ সুতরাং যোগাযোগের সঙ্গে সঙ্গে ‘রেজিস্ট্রি বিবাহ’। তারপরেই প্লেনে করে সোজা এইখানে। আমার কর্তার বয়সটা একটু যা বেশি। ছাপান্ন। খাঁটি আমেরিকান। ওর ঠাকুমা নাকি বাঙালি ছিল। এখন যদিও ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে কথা বলি ওর সঙ্গে, তবে শিগগিরই বাংলাটা শিখিয়ে দেব। ইনি ‘প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী’। এরও আগে বিয়ে হয়েছিল। এক বছর পরেই ক্যাচাং হয়ে গেছে। আগের পক্ষের ছেলেটার বয়স আঠাশ। সে অবশ্য বাপের সঙ্গে থাকে না। আমিও একবারও দেখিনি তাকে। আমি কিন্তু আগেই বুঝতে পেরেছিলাম যে বুড়ো, বউ নয় একজন কাজ করবার বিশ্বস্ত আয়া খুঁজছে। আমার কোনও ব্যাপার নেই। মেয়েটাকে একটা ভালো স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছি। কত সুন্দর সুন্দর বই, স্কুলের ইউনিফর্মটা দারুণ দেখতে। স্কুলে এই বয়স থেকেই কম্পিউটার শেখায়। এ দেশের ব্যাপার-স্যাপারই আলাদা। ওর মুখে তো সব সময় শুধু কম্পিউটারে নতুন কী শিখল তার গল্প। রোজ একটা ঝকঝকে বাসে চেপে স্কুলে যায়। স্কুলেরই বাস। টিফিনে রোজ কেক, বিস্কুট, ক্যাডবেরি…ও খু-উ-ব খুশি। বাড়িতে ওর আবার নিজের ঘর রয়েছে। এইটুকুন মেয়ে তার আবার ঘর হি-হি…। এখনও অবশ্য লোকটাকে বাবা বলে মেনে নিতে পারেনি। সে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।

     

     

    কিন্তু এদেরকে ভালো করে চিনিই না। শুনেছি এদেশের সবাই না কি হাই তুলতে তুলতে বউ পালটায়। বুড়োর এ বয়সেও দারুণ রস। আমার বিচ্ছিরি লাগলেও উপায় নেই।…আচ্ছা, দু-দিন পর আমি পুরোনো হয়ে গেলে পর আমাকে মেয়ে সমেত খেদাবে না তো? হুট করে ছেড়ে দিলে মেয়েকে নিয়ে এই অচেনা বিদেশ বিভুঁইয়ে তখন যাব কোন চুলোয়?—দরকার নেই বাবা অত লোভ করে। তার থেকে নিজের দেশে থাকাই ভালো।

    নাহ, এই এবারে আমি কিন্তু সত্যি সত্যিই খু-উ-ব সুখী। এমনিতে আমার বর বেশ সোজাসাপটা। কোনও সাতে-পাঁচে থাকে না। সারাদিন বইপত্তর, ছাত্রছাত্রী নিয়ে থাকে। ‘স: চা:’ স্কুল টিচার। স্কুল থেকে হাজার তিরিশ পায়। কম কী! জীবনে বিয়ে না কি করবেই না ঠিক করেছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত বন্ধুদের আপ্রাণ চেষ্টায় বেয়াল্লিশ বছর বয়সে বাবুর বিয়েতে মতি হয়। সাংঘাতিক ‘ধার্মিক এবং আদর্শবান’। আমিও ‘সদ্বংশজাত ব্রাহ্মণ ভক্তিমতী নিরামিষাশী উদারমনস্কা অনূর্ধ্বা চৌত্রিশ, বিএ’। পাশটা অবশ্য করিনি, ব্যাক পেয়েছিলাম আর বসিনি তারপর। সে রেজাল্ট তো আর দেখতে চাইবে না। আমি ‘অমুক ঠাকুরের আশ্রিতা (অগ্রগণ্যা ছিল) মোটামুটি সুশ্রী’। ও ‘5’7” স: চা: সন্তানসহ ডিভোর্সি চলিবে’ বলে আমি ভীষণ সুখী হতে যাচ্ছিলাম কিন্তু…বক্স নং, আমি বক্স নম্বরে আর চিঠি পাঠাই না। এ পর্যন্ত অনেক টাকা স্ট্যাম্প আর ‘অফেরৎ যোগ্য পোস্টকার্ড সাইজ রঙিন ছবির’ জন্যে গেছে। একটারও উত্তর পাইনি কোনওদিন। এর থেকে ‘টেলি নং’ ভালো। চটপট ‘না চলবে না’ শোনা যায়। অপেক্ষায় শুকিয়ে বসে থাকতে হয় না। বাড়ির ঠিকানা দেওয়া থাকলে তবু মাঝেমধ্যে পাঠিয়ে ফেলি কখনও। তিনটে টিউশনি করি ছোট ক্লাসের। মাসে মোট সাড়ে পাঁচশোর মধ্যে মেয়ের স্কুলের মাইনে, ভ্যানভাড়া, খাতাপত্র, বই, পেনসিল, ওয়াটার বোতল, জুতো, আমার নিজের টুকটাক…এরপর কত আর ভগবানের উত্তর পাওয়ার আশায় স্বর্গে চিঠি পাঠাব। বাবার কাছে এসবের জন্য হাত পাততে লজ্জা লাগে।

     

     

    রবিবারের গোটা দুপুরটা আমার এইভাবে কেটে যায় ‘পাত্রী চাই’-এর মধ্যে। আমার চোখ চেটে বেড়ায় টিক দেওয়া, টিক না দেওয়া, শেড দেওয়া প্রত্যেকটা শব্দকে। মা শুকনো মুখে একটু পরপর জিগ্যেস করে, ‘কি রে পেলি কিছু?’ আমি যত সম্ভব হালকাভাবে উত্তর দিই, ‘নাহ।

    এবারে দেয়নি তেমন কিছু।’

    দুপুর গড়াতে থাকে। আমিও হাঁফিয়ে পড়তে থাকি। চোখ ব্যথা করে। মাদুরের ওপর আমার পাশে শুয়ে থাকা ডটপেন শুকনো মুখে পড়ে থাকে। কোনও লাইনের ওপর দাগ কাটতে পারে না। আমি স:/অস:, প্রকৃত ঘরোয়া/ চাকুরিরতা, অনূর্ধ্ব তেইশ/ পঁয়ত্রিশ, অতীব ফর্সা/ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণা, পরমাসুন্দরী/মোটামুটি সুশ্রী, পূ: ব:/প: ব:, ব্রাহ্মণ/ মুসলিম সুন্নি, গন্ধবণিক/নম:শূদ্র, যুক্তিবাদী/ভক্তিমতী, আমি কনভেন্ট এডুকেটেড/ন্যূনতম উ: মা:, আমি ফার্স্ট হ্যান্ড কিংবা বিধবা/ডিভোর্সি, আমি সকাল 8-10 টা ফোনে যোগাযোগ’ আমি ‘ছবি ছাড়া পত্রালাপ নিষ্প্রয়োজন’—স-ও-ব, সব কিছু। শুধু নির্দায় নই। আমার ছয় বছরের মেয়েটা। সবাই বলে কী হয়েছে তাতে। বোর্ডিংয়ে রেখে দিবি। আজকাল এমন তো হামেশাই হচ্ছে। আমি পারব না। আমি পারব না। আমি ওর একমাত্র…। আমাকে একমুহূর্ত চোখের আড়াল হতে দেয় না। সরকারি স্কুল থেকে আকাশি রঙের মোটা টেরিকটের ইউনিফর্ম পরে ঘামে চ্যাটপ্যাচে হয়ে বাড়ি ফিরে আমাকে খোঁজে। না পেলে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। এত ভয় কেন কে জানে! যত বড় হচ্ছে তত যেন ভিতু হচ্ছে। আমি পারব না ওকে ছেড়ে…।

     

     

    বিকেল হয়ে আসে। আমার মেয়ে ঘুম থেকে উঠেই বলে, ‘মা খেলতে যাচ্ছি।’ আমিও কাগজটাকে ভাঁজ করে রেখে উঠে পড়ি। আবার সামনের রবিবার।

    সুখী গৃহকোণ

    নভেম্বর ২০০৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকৃত্তিবাস রহস্য – বিনোদ ঘোষাল
    Next Article রূপনগরের পিশাচিনী – বিনোদ ঘোষাল

    Related Articles

    বিনোদ ঘোষাল

    রূপনগরের পিশাচিনী – বিনোদ ঘোষাল

    November 3, 2025
    বিনোদ ঘোষাল

    কৃত্তিবাস রহস্য – বিনোদ ঘোষাল

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }