Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প38 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুর্থ অধ্যায়—প্রেতাত্মার প্রতিহিংসা

    দার্জিলিং ম্যাল থেকে যে রাস্তাটা রাজভবনের দিকে গেছে, তারই ডানদিকে ছোটো একটা বাঁধানো পথ নেমেছে। পথের প্রান্তে লাল চালার এক অতি সুদর্শন ক্যুইন-অ্যান বাংলো। বাংলোর নাম স্টেপ অ্যাসাইড। পিছনে ধাপে ধাপে জঙ্গল উঠতে উঠতে উপরের দীর্ঘ বনানীতে গিয়ে মিশেছে। দার্জিলিংয়ের দারোগা শ্রী নলিনীকান্ত চক্রবর্তী চুঁচড়োর দেশের বাড়ি বেচে সপরিবার এখানেই থাকেন। অবশ্য পরিবার বলতে তিনি আর তাঁর ষোড়শী কন্যা কল্যাণী। স্ত্রী গত হয়েছেন বছর দু-এক হল। পুলিশে দীর্ঘদিন কাজ করলেও পুলিশোচিত কর্কশতা এখনও তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। হয়তো এই স্থানের প্রকৃতির গুণে।

    তারিণীরা দার্জিলিংয়ে পা রাখা মাত্র উর্দি পরা দুই গোর্খা সেপাই কেমন করে যেন তাদের খুঁজে একেবারে পাকড়াও করে নিল। তারিণীদের মালপত্র একটা ছ্যাকরা গাড়িতে উঠিয়ে, হাতের হোল্ডঅল বয়ে নিয়ে, শেষে যখন খাবার রাখার বেতের চুপড়িটা নিয়েও টানাটানি শুরু করল, মাখনলতা ঘাবড়ে গেল একেবারে। সে গাঁয়ের মেয়ে। পার্বত্য জাতির আতিথেয়তা দূরস্থান, আগে কোনও দিন গোর্খা দেখেনি। শুরুতেই দুইজন, তায় আবার পুলিশ। ভয়ে সে কোনওমতে তারিণীর গায়ে সেঁটে রইল। তারিণী অবশ্য কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছিল। প্রিয়নাথবাবু আগেই বলেছিলেন, নলিনীকান্ত অতীব অতিথিবৎসল। বিশেষ করে তারিণী যখন তাঁর দেশের বাড়ির লোক, তখন আপ্যায়নে কিছু বাড়াবাড়ি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বাড়িতে নলিনীবাবু নিজে উপস্থিত ছিলেন। তারিণীরা পৌঁছোতেই এগিয়ে এসে তাঁদের অভ্যর্থনা করলেন। কল্যাণী মেয়েটির স্বভাবও ভারি মধুর। বয়সে মাখনের প্রায় সমবয়সি হবে। সে দৌড়ে এসে মাখনের হাত ধরে, “তুমি এসো সই। আমার ঘরে এসো”, বলে প্রায় টেনে নিয়ে চলে গেল। মাখনের এখনও বিস্ময় কাটেনি। সে কী করবে বুঝতে না পেরে দু-একবার তারিণীর মুখপানে ব্যর্থ চেয়ে থেকে কল্যাণীর অনুগামিনী হল।

    নলিনীবাবুর চোখের ইশারায় ঘরের ভিতর থেকে দুইজন চাকর এসে মালপত্র নিয়ে কোথায় উধাও হল কে জানে। তারিণী খেয়াল করল, তারাও এই পার্বত্য জনজাতির। নলিনীবাবু পাহাড়ে থেকে একেবারে পাহাড়ি বনে গেছেন। ঘরের ভিতরটা অবশ্য ইউরোপীয় কায়দায় সাজানো। মেঝেতে পারস্যের কার্পেট, আবলুস কাঠের সোফা, অটোমান চৌকি, ইজিচেয়ার, সাইডবোর্ড আর টেবিল। সেই টেবিলে মার্বেলের শিশু কিউপিড তির-ধনু নিয়ে দাঁড়িয়ে। অপূর্ব সেই মূৰ্তি দেওয়ালে নলিনীবাবুর মৃতা স্ত্রীর বড়ো একটি অয়েলপেন্ট ছবির সঙ্গে কোরেজিও-র ম্যাগডেলিন, তিশিয়ানের ভেনাস আর লিওসিয়রের হরিণের অলিওগ্রাফ শোভা পাচ্ছে। এক কোণে রাখা সেতার দেখে মালুম হয় বাড়িতে সংগীতচর্চাও হয়। হয়তো কল্যাণীই এটা বাজায়।

    “ঘন্টাখানেকের মধ্যে তৈরি হয়ে এই ঘরে চলে এসো হে। বহুদিন পরে দেশের লোকের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া যাবে।” বলে তারিণীকে অব্যাহতি দিলেন নলিনীবাবু। অতিথিশালাটিও মনোরম। খান দুই ইটের উপর বসানো খাট। তাতে ওঠার জন্য কাঠের একধাপ সিঁড়ি। বিছানায় তকতকে সাদা জাজিম, পশনের কাজ করা বিলিতি টৌকো বালিশ, আর গুটিয়ে রাখা মশারিতে গোলাপি রেশমের ঝালর। পাশে উঁচু জলচৌকিতে ঢাকা দেওয়া দুইটি জলের গেলাস, পানের ডিবে, মশলার কৌটা, পিকদানি আর পাট করা গামছা। দুইখানি ফুলদানিতে টাটকা ফুলের তোড়া। ঘরে হালকা ধুনো আর চন্দনের গন্ধ। প্রিয়নাথ যথার্থই বলেছিলেন, “অতিথি সৎকারের জন্য রায়বাহাদুর খেতাব দেওয়া হলে সেটা নলিনীবাবুই পাবেন।”

    হাত পা ধুয়ে কলকাতার টমাস সাহেবের দোকান থেকে কিছুদিন আগেই কেনা সাহেবি পোশাক পরে তারিণী যখন নিচে বৈঠকখানা ঘরে নামল, ততক্ষণে নলিনীকান্ত একেবারে জমিয়ে বসেছেন। টেবিলে ডিক্যান্টার, মদের বোতল আর গেলাস রাখা। সঙ্গে পোর্সেলিনের প্লেটে নানা অচেনা খাবারদাবার।

    “চলে তো নাকি?”-র উত্তরে তারিণী করজোড়ে জানাল, “একেবারেই চলে না।” ফলে তার জন্যে চা আনতে আদেশ হল। অতি ধীরে গেলাসে চুমুক দিতে দিতে গল্প শুরু করলেন নলিনীকান্ত। কীভাবে তিনি পুলিশে এলেন, কীভাবে প্রিয়নাথের সঙ্গে লালবাজারে আলাপ, টমসন সাহেব এই পার্বত্য জাতিকে বশে রাখতে নলিনীকেই কেন বেছে নিলেন দার্জিলিংয়ের জন্য ইত্যাদি। নলিনীকান্তর গল্প করার ঢং-টি বেশ আকর্ষণীয়। ফলে কখনোই অপর পক্ষ ক্লান্ত হয় না। অন্যদিকে ঘরের ভিতর থেকে অবরুদ্ধ হাসির আওয়াজ শুনে তারিণী বুঝতে পারছিল, কল্যাণীর সঙ্গে মাখনের অপরিচয়ের প্রাথমিক বাধাটুকু দূর হয়েছে। বেশ খানিক নিজের কথা বলে আচমকা যেন সংবিৎ ফিরল দারোগাবাবুর।

    “প্রিয়নাথ চিঠিতে তোমার খুব প্রশংসা করেছে। তুমি নাকি প্রাইভেট ডিটেকটিভ? সত্যি? কোন একটা গুরুতর কেসে নাকি গোটা পুলিশ বিভাগ আতান্তরে পড়েছিল, তোমার সহায়তায় সেই কেস সলভ হয়েছে! ব্যাপারটা কী খুলে বলো দেখি।”

    খানিক মাথা নিচু করে তারিণী বললে, “আজ্ঞে আমায় ক্ষমা করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট টমসন সাহেব, প্রিয়নাথবাবু আর বিলেত থেকে আসা সাইগারসন সাহেবের কাছে আমি কথা দিয়েছি। এই কেসের কথা কারও সঙ্গে আলোচনা করা যাবে না। তবে এককথায় যদি বলতে বলেন, তবে এটুকু বলতে পারি, কলকাতায় এক অদ্ভুত ভূতের উপদ্রব হয়েছিল। আমি সেই ভূতকে পাকড়াও করেছি।” বলে যেন খুব একটা হাসির কথা বলছে, এভাবে নিজেই হো হো করে হেসে উঠল।

    নলিনীবাবুর দিকে চোখ পড়তেই সে হাসি থেমে গেল নিজে থেকেই। এতক্ষণ সোফায় প্রায় এলিয়ে বসেছিলেন তিনি। এবার উঠে বসেছেন। সামান্য ঘোলাটে হয়ে যাওয়া চোখ জ্বলজ্বল করছে। হাতের গেলাসটা পাশে রেখে তারিণীর দিকে সোজা তাকিয়ে তিনি শুধু একটাই কথা বললেন, “মাই গওড়!” বলেই দুই হাতে মাথা চেপে ধরে বসে রইলেন।

    তারিণী অপ্রস্তুত। বুঝতে পারছে না কী বলবে। সে কি ভুল কিছু বলে ফেলল? মিনিটখানেক এইভাবে থাকার পর নিজে থেকেই মাথা তুললেন নলিনী দারোগা। কথা শুরু করতেই তারিণীর মনে হল এ এক অন্য মানুষ। এতক্ষণের সদালাপী গৃহস্বামী যেন মুহূর্তে ভোল পালটে থানার এক দায়িত্বশীল আধিকারিকে পরিণত হয়েছেন।

    “শোনো তারিণী। তোমায় আমি কিছু ঘটনা বলতে চাই। তোমার সেই ভূতের ব্যাপারে আমার সম্যক ধারণা নেই ঠিকই, তবে তা নিয়ে যে বিরাট আলোড়ন উঠেছিল, সেই ঢেউয়ের কিছুটা এই পাহাড়ের উপরে বসেও আমরা টের পেয়েছি। আমি জানি এই কেস এমন কিছু, যাতে আমাদের ইংরাজ বাহাদুরের গদি টলে গেছিল। শুধু জানতাম না সেই কেসে তুমিও ছিলে। যাই হোক, তোমায় যখন পেয়েছি, তোমার সঙ্গে কিছু কথা ভাগ করে নিতে চাই। আমি বুঝেছি, গোপন কথা গোপন রাখতে তুমি সক্ষম। তবে একটাই অনুরোধ, আমি এখন যা বলব, তাকে এক প্রৌঢ়ের ভ্রম বা কুসংস্কার ভেবে উড়িয়ে দিয়ো না। আমি যা বলছি, তা আমার জ্ঞান-বুদ্ধি মতে সত্য।”

    “বলুন।”

    “তুমি জেফোর নাম শুনেছ?”

    “আজ্ঞে না।”

    “না শোনারই কথা। তবে শুরু থেকে শুরু করি। গোটা ঘটনার সূত্রপাত আজ থেকে বছর তিনেক আগে। আমি তখন লালবাজার থেকে সবে ট্রান্সফার হয়ে দার্জিলিং এসেছি। সঙ্গে স্ত্রী-কন্যা। চার্জ নেবার কিছুদিন পরেই শুনলাম বোংবস্তির একটা কার্মি বউ নিখোঁজ। কার্মি এখানকার একটা উপজাতি। শান্ত প্রকৃতির। তিব্বত থেকে নেপাল হয়ে এখানে এসে থাকে। কোনও ঝামেলায় যায় না। যে মেয়েটি হারিয়েছে, সে ওদের সর্দারের স্ত্রী। অপরূপা সুন্দরী। খোঁজ শুরু হল। বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর আসত সে মেয়েকে নাকি দেখা গেছে। ছোটোলাটের তখন কলকাতায় থাকার সময়। ফলে ফোর্সেও বেশি লোক নেই। তবু হাতেগোনা কয়েকজনকে নিয়ে খবর পেলেই আমি ছুটে যেতাম। কোথাও কিছু নেই। শেষ পর্যন্ত…” বলে থেমে গেলেন দারোগা সাহেব। যেন সেই পুরোনো কথাই মনে করছেন, এমনভাবে খানিক ঘরের সিলিং-এর দিকে তাকিয়ে আবার শু করলেন, “একদিন খবর এল, বডি পাওয়া গেছে। সেদিন কনকনে ঠান্ডা। এদিকে বৃষ্টি হচ্ছে। ঘুম স্টেশনের কাছে এক জঙ্গলে গিয়ে দেখি ফুলের মতো সুন্দর সেই মেয়েটিকে কে বা কারা যেন অকথ্য অত্যাচার করে গলা টিপে মেরে ফেলে রেখে গেছে। শরীরে একটুকরো কাপড় নেই। নিম্নাঙ্গ রক্তে মাখামাখি। আমরা মৃতদেহ মর্গে নিয়ে পোস্টমর্টেম করতে চাইলাম। পারলাম না। কার্মিরা দিল না। ওদের কেন যেন মনে হয়েছিল এই সব কিছুর পিছনে উইলিয়ামসন সাহেব দায়ী, আর পুলিশ ইচ্ছে করে সব জেনেও সাহেবকে আড়াল করছে।”

    “এই উইলিয়ামসন সাহেব কে?”

    “জর্জ উইলিয়ামসন। এখানেই একটা বিরাট চা বাগান আছে। গ্লেনডেল টি এস্টেট। তার সিকিভাগের মালিক।”

    নামটা শুনেই চমকে উঠল তারিণী। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে দুবার এই এস্টেটের নাম শুনল সে। দারোগাবাবু বলেই চলেছিলেন, “চরম লম্পট, মাতাল। পাক্কা শয়তান যাকে বলে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে এই কেসে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে পুলিশের কিছু করার ছিল না।”

    “ওরাই বা সাহেবকে সন্দেহ করল কেন?”

    “মেয়েটি সাহেবের চা বাগানে কাজ করত। সাহেব বহুবার তার ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করেছেন। সুবিধে করে উঠতে পারেনি। কার্মিদের বিশ্বাস, সাহেবই মেয়েটির সর্বনাশ করেছেন। তারপর নিজের কুকীর্তি ঢাকতে মেয়েটাকে খুন করেন।

    “সেক্ষেত্রে পোস্টমর্টেম করলে তো সত্যিটা বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা ছিল।”

    “তা ছিল, কিন্তু ওরা সেই পথে গেল না। বদলে যেটা করল সেটা আরও ভয়ানক।”

    “কী সেটা?”

    “আমি জানি না, তুমি বিশ্বাস করবে কি না, কিন্তু আমি করি। তিব্বতি কিছু গূঢ় তান্ত্রিক আচার আছে। কালা জাদু। যাতে মানুষের চরম ক্ষতি করা যায়। ওরা সেই মৃতদেহ নিজেদের বস্তিতে বয়ে নিয়ে যায়। তারপর সবার চোখের আড়ালে সর্দার আর কয়েকজন পুরোহিত মিলে মেয়েটিকে কবর দিল। তবে সাধারণ কোনও পদ্ধতিতে না। কবর দেবার আগে ওরা মেয়েটাকে জেফো বানিয়ে দিল।”

    “জেফো কী?”

    “তিব্বতি ভাষায় জেফো মানে সুন্দরী মেয়ে। এক্ষেত্রে মৃতদেহকে মন্ত্র পড়ে সোজা খাড়া করে কবর দেওয়া হয়। মাথা নিচে পা উপরে। কবর দেবার সময় মৃতদেহের কানে বলে দেওয়া হয়, কার কার উপর সে প্রতিশোধ নেবে। প্রতিটা প্রতিশোধে কবরের মধ্যে সেই দেহ একটু একটু করে ঘুরতে থাকে। প্রতিশোধ নেওয়া শেষ হলে দেখা যায় মৃতদেহ শায়িত অবস্থায় আছে।”

    “এসব আপনি সত্যিই বিশ্বাস করেন!”

    “করি। মৃতদেহ যেদিন পাওয়া যায়, সেদিন কার্মিরা বাদে সেখানে তিনজন ছিল। আমি, ডাক্তার বেঞ্জামিন হান্টার আর উইলিয়ামসন সাহেব। মৃতদেহ দেখেই কার্নি সর্দার উইলিয়ামসনকে আক্রমণ করতে যায়। আমার আদেশেই তাকে জেলে পোরা হয়। নইলে অবস্থা কন্ট্রোল করা যেত না। অবশ্য চব্বিশ ঘণ্টা বাদেই তাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। ছাড়া পেয়েও ও চিৎকার করে বলছিল, পাপের শাস্তি নেমে আসবেই। ওর মতো আমাদের প্রিয় মানুষরাও বেঘোরে প্রাণ হারাবে। ও আমাদের পিছনে জেফো লেলিয়ে দেবে। এই অভিশাপের অর্থ বুঝলাম ঠিক এক বছর বাদে।”

    “কীরকম?”

    “আমার এখনও সেই দিনটা মনে আছে। বছর দু-এক আগের কথা। সকাল থেকে প্রচণ্ড বৃষ্টি। আকাশ থেকে যেন ঘড়া ঘড়া জল ঢালছে। সাবিত্রী, আমার স্ত্রী সকালে খেতে বসে কিছু খেল না। জিজ্ঞাসা করতে বলল, কিছু হয়নি। সারাদিন কেমন একটা গুম হয়ে রইল। তখন কি জানতাম আসন্ন মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে সে? সন্ধে থেকে শুরু হল ভেদবমি আর পেটে অসহ্য যন্ত্রণা। অত বৃষ্টিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কী ঝামেলা বোঝোই তো, তাও নিয়ে গেলাম। ডাক্তার হান্টার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কিছু করা গেল না। শেষরাতে সাবিত্রী চলে গেল।”

    নলিনীবাবুর চোখে জল টলটল করছে। আস্তিনে মুছে ধীরে ধীরে বললেন, “সেদিন সকাল থেকেই মনে একটা কাঁটা বিঁধে ছিল। এক বছর আগে ওইদিনই সেই কার্মি মেয়েটার দেহ পাওয়া যায়।”

    দুজনেই চুপ। শুধু পাশের ঘর থেকে কল্যাণী আর মাখনের গলা ভেসে আসছে। তারিণী বুঝতে পারে না কী বলে সান্ত্বনা দেবে এই প্রৌঢ়কে। কিছু বলার আগে তিনি নিজেই আবার শুরু করলেন, “প্রথমে ভাবলাম কাকতালীয়। গত বছর আবার সেই দিনে মৃত্যু নামল এই শৈলশহরে। ডাক্তার হান্টারের স্ত্রীকে ঘাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেল খাদের মধ্যে। কেউ বলল দুর্ঘটনা। কেউ বলল হয়তো দুষ্টু লোকে ঠেলে ফেলে দিয়েছে। আমি জানতাম আসলে কী হচ্ছে। প্রেতাত্মা তার প্রতিশোধ নিচ্ছে কড়ায় গন্ডায়। দুই বছরে দুজন। এবার কি তবে…”

    যেন তাঁর কথার উত্তর দিতেই বাইরের পোর্টিকোতে একটা ঘোড়ার গাড়ি থামার শব্দ শোনা গেল। সঙ্গে সঙ্গে কেউ একটা ছুটে আসার আওয়াজ। উর্দিধারী এক গোর্খা কনস্টেবল ঘরে ঢুকেই নেপালি ভাষায় কী যেন বলল। তারিণী পরিষ্কার দেখতে পেল দারোগাবাবুর মুখ রক্তশূন্য হয়ে গেছে। ক্ষীণ কণ্ঠে তিনি নেপালিতেই তাকে কিছু একটা নির্দেশ দিলেন। তারপর তারিণীর দিকে চেয়ে বললেন, “সম্পূর্ণ বন্ধ ঘরে উইলিয়ামসন সাহেবের স্ত্রীর লাশ পাওয়া গেছে… তোমায় আগেই বলেছিলাম… আমাকে এখুনি বেরোতে হবে ওদের বাড়ি ক্যামেলিয়ায়… সঙ্গে খাবে নাকি?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল
    Next Article মায়াজাতক – অমৃতা কোনার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    August 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }