Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডেভিড কপারফিল্ড – চার্লস ডিকেন্স

    চার্লস ডিকেন্স এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডেভিড কপারফিল্ড – ২

    ০২. পরিবর্তন এল আমার জীবনে

    পরিবর্তন এল আমার জীবনে

    আমার বয়স তখন আট বছর। এক রাতে পেগোটি আর আমি বসে ছিলাম। আগুনের পাশে। আর কেউ ছিল না বসার ঘরে। আমি ওকে কুমিরের গল্প পড়ে শোনাচ্ছিলাম। পড়াটা বোধহয় খুব ভাল হচ্ছিল না। কারণ, পড়া শেষ হতে দেখা গেল, পেয়গাটির ধারণা হয়েছে যে ক্রকডাইল (ওর ভাষায় ক্রর্কিনডিল) এক রকমের সজি।

    পড়া চলল আরও কিছুক্ষণ। তারপর মা এলেন এক ভদ্রলোককে সঙ্গে নিয়ে। লোকটি রোববার গির্জা থেকে ফেরার সময়ও এসেছিলেন আমাদের বাড়িতে।

    এখন জানি তার নাম মি, মার্ডস্টোন। প্রায়ই আসছেন আমাদের বাড়িতে। তাকে আমার ভাল লাগেনি। তার গলার আওয়াজও পছন্দ হয়নি আমার। মনে পড়ে, নোকটা এলেই পেগোটির মুখে-চোখে একটা অদ্ভুত ভাব ফুটে উঠত।

    পেগোটির মুখের ভাব ওরকম হচ্ছে কেন বুঝলাম না। একদিন শুনলাম মা-র সঙ্গে ওর কথা কাটাকাটি হচ্ছে চাপা স্বরে। পেগোটি ওই অচেনা লোকটির সঙ্গে মা-র মেলামেশা পছন্দ করছে না। লোকটিকেও পছন্দ হচ্ছে না ওর। মা বকছেন পেগোটিকে। বলছেন পেগোটি তার সুখ চায় না।

    ঝাপসা হয়ে আসছে স্মৃতি। মনে হয় পরের দিন। আসলে সেদিনের মাস দেড়েক পরে। পেগোটি হঠাৎ তোষামোদের সুরে আমাকে বলল, ডেভি সোনা, যাবে আমার সঙ্গে ইয়ারমাউথে? চলো না, আমার ভায়ের বাড়ি থেকে সপ্তা দুয়েক বেড়িয়ে আসি? ওখানে সাগর আছে, নৌকা আর জেলেরা আছে। আমার ভাইপো হ্যাম আছে।

    সে তো খুব মজার ব্যাপার হবে, তবে মাকে একা ফেলে আমি যেতে চাই, বললাম ওকে।

    পেগোটি বলল, তোমার মা বেড়াতে যাবেন আরেক জায়গায়। আবারও লক্ষ করলাম কথাগুলো বলতে বলতে ওর মুখে সেই অদ্ভুত ভাবটা ফুটে উঠল।

    আমাদের দুচাকার ঘোড়ার গাড়িটা বাড়ির সামনে থেকে চলল ইয়ারমাউথের পথে। দেখলাম মা যেখান থেকে হাত নেড়ে বিদায় জানাচ্ছেন আমাদেরকে, সেখানে এসে দাঁড়িয়েছেন মি. মার্ডস্টোন। তিনি কেন ওখানে, বুঝলাম না।

    গাড়ির চালক মি. বার্কিস। বন্ধু লোক। দীর্ঘ যাত্রাপথে তিনি আর পেগোটি অনেক হাসিঠাট্টা করলেন।

    ইয়ারমাউথে পৌঁছতেই নাকে লাগল মাছ, পিচ, আলকাতরা আর লবণের গন্ধ। দেখলাম নাবিকেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে চারদিকে, পাথরে ছাওয়া রাস্তায় ঝুনঝুন শব্দ তুলে চলছে গাড়ি-ঘোড়া।

    শহরেই দেখা হলো হ্যামের সঙ্গে। বিশালদেহী বলিষ্ঠ লোক। ছফুট লম্বা। কিন্তু মুখটা ছেলে মানুষের মত। আমাকে পিঠে তুলে নিয়ে এবং আমাদের ছোট বাক্সটি বগলদাবা করে চলল হ্যাম। পেপগাটি তুলে নিল আরেকটি বাক্স। গ্যাসকারখানা, নৌকার ঘাট, কামারশালা, দড়ির কারখানা পেছনে ফেলে আমরা পৌঁছলাম সাগরের তীর বরাবর একটি সমতল জায়গায়।

    মাস্টার ডেভি, ওই যে আমাদের বাড়ি! বলল হ্যাম।

    চারদিকে তাকিয়ে দেখলাম। সাগরতীরে এবং সাগরে যতদূর দৃষ্টি যায়। নদীর দিকেও দেখলাম। কিন্তু বাড়ি-টাড়ি কিছুই নজরে পড়ল না।

    একমাত্র যে জিনিসটি নজরে এল সেটি হচ্ছে একটি কালো মালবাহী বড় নৌকা, কিংবা কোন সেকেলে জাহাজ। শুকনো ডাঙায়, অনেক ওপরে। ওটার গা কেটে দরজা-জানালা বানানো হয়েছে। একটা লোহার চোঙা চিমনির মত উঁচু হয়ে রয়েছে ওটার ওপর। সেই চিমনি দিয়ে ধোঁয়া উঠছে কুণ্ডলী পাকিয়ে। এ ছাড়া বাড়ির মত আর কিছুই দেখলাম না।

    জাহাজের মত দেখতে ওই জিনিসটা নাকি? জিজ্ঞেস করলাম।

    হ্যাঁ, ওটাই, মাস্টার ডেভি, জবাব দিল হ্যাম।

    ওখানে থাকার কথা ভেবে আনন্দে উদ্বেল হয়ে উঠলাম। এতটা মাতোয়ারা বোধহয় আলাদীনের মহলে থাকার জন্যও হতাম না!

    পেগোটি বার্জের পেছন দিককার একটা ছোট্ট দুয়ার খুলে আমার শোবার ঘরটা দেখিয়ে দিল। ঘরে একটা ছোট্ট জানালাও আছে। আয়না আছে। একজন শুতে পারার মত বিছানা আছে একটা। আর আছে টেবিলের ওপর নীল মগ-এ সাগরগুল্মের তৈরি একটি ছোট ফুলের তোড়া।

    সাদা অ্যাপ্রন পরা একটি অতি ভদ্রমহিলা এবং একটি ফুটফুটে সুন্দর ছোট্ট মেয়ে অভ্যর্থনা জানাল আমাদেরকে। মেয়েটির চোখ নীল। মাথায় লম্বা কোঁকড়ানো হলদে চুল।

    পেগোটি আমাকে বলল, ইনি হচ্ছেন মিসেস গামিজ। বিধবা মহিলা। আমার ভাইয়ের সংসার দেখেন।

    আমি মিষ্টি করে হাসলাম মহিলার দিকে চেয়ে।

    আর ওই ছোট্ট মেয়েটি হলো, বলে গেল পেগোটি, এমিলি। আমার ভাইয়ের পালিত মেয়ে। ও হলো এতিম, বুঝলে ডেভি সোনা, ঠিক হ্যামের মত। আমার ভাইটি খুব ভাল। একেবারে সোনার মানুষ। হ্যাম আর এমিলি দুজনকেই তিনি পুষ্যি নিয়েছেন।

    কিছুক্ষণ পরেই মি. পেগোটি এলেন। দেখলাম যে পেগোটির কথাই ঠিক। লোকটা সত্যিই ভাল।

    পরদিন ভোরের আলো আমার ঝিনুকের খোলের ফ্রেমে বাঁধানো আয়নাটায় পড়তেই লাফিয়ে উঠলাম বিছানা ছেড়ে। ছোট্ট এমিলিকে নিয়ে চলে গেলাম বাইরে। নুড়ি পাথর কুড়াতে লাগলাম দুজনে মিলে।

    এমিলিকে বললাম আমার মায়ের কথা। বললাম আমার আর কেউ নেই মা ছাড়া। বললাম বড় হলেই মা-কে দেখাশোনা করব আমি।

    এমিলি বলল, বড় হলে সে হয়ে উঠবে একজন চমৎকার ভদ্রমহিলা। আরও বলল, মা-কে সে হারিয়েছে এবং ওর বাপ মরেছে সাগরে ডুবে।

    দুই সপ্তাহ আমরা দুজনে একত্রে কাটালাম। সাগর তীরে খেলা করলাম। হ্যামের নৌকায় চড়ে ফুর্তি করলাম, অনর্গল বকবক করে কত কথা বললাম। আমাদের বেড়ানোর মেয়াদ ফুরোবার আগেই প্রেমে পড়ে গেলাম ছোট্ট এমিলির।

    ওখানে থাকার পুরো সময়টায় বাড়ির কথা আমার খুব কমই মনে পড়ল। কিন্তু সময় কেটে গেল যেন হাওয়ার ডানায় ভর করে। এল বিদায়ের লগ্ন। চোখের জলে বিদায়ের পালা সাঙ্গ করে আমরা চললাম ইয়ারমাউথ ছেড়ে। যতই এগোতে লাগলাম বাড়ির কাছে ততই উত্তেজনা বাড়তে লাগল আমার মনে। কিন্তু ফিরতি পথে দেখা গেল যে পেগোটির মনটা খারাপ। ওর মুখে আবারও সেই অদ্ভুত ভাবটি ফুটে উঠেছে।

    মা দরজায় ছিলেন না আমাদেরকে অভ্যর্থনার জন্য। পেপগাটি আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে চলল রান্নাঘরে। এতে ঘাবড়ে গেলাম আমি।

    মা কোথায়? চেঁচিয়ে উঠলাম আমি। বাবার মত মরে যাননি তো?

    না, না, মাস্টার ডেভি, বলল পেগোটি। তোমার মা মারা যাননি। তোমার একজন নতুন বাবা হয়েছে। এসো, তার সঙ্গে দেখা করো।

    দেখা করতে আমি চাই না, বললাম চিৎকার করে।

    কিন্তু পেগোটি জোর করতে লাগল। মা-কে দেখতে চাই বলে ওর পিছু পিছু। গিয়ে ঢুকলাম বসার ঘরে। দেখলাম মা বসে আছেন আগুনের ধারে এবং তার পাশে বসে আছেন মি. মার্ডস্টোন। তিনি মাকে হুঁশিয়ার করে দিলেন নিজেকে সংযত রাখার জন্য। তাই মা ধীরে, ভীরু পায়ে এগিয়ে এলেন এবং আমাকে চুমু দিলেন। আমি হ্যাণ্ডশেক করলাম মি. মার্ডস্টোনের সঙ্গে, কিন্তু সুযোগ পাওয়া মাত্রই চলে গেলাম দোতলায়।

    দেখলাম, আমার শোবার ঘর বদলে গেছে। আমাকে এখন শুতে হবে মায়ের কাছ থেকে অনেক দূরে।

    মনটা আমার ভরে গেল বিষাদে। রুমটা একেবারে ছোট। সিলিং-এ ফাটল। জানালার কাচে ময়লা। আজেবাজে জিনিসে ভর্তি ঘরটা। আমি কাদতে লাগলাম। ছোট্ট এমিলিকে ভালবাসি গভীরভাবে। কিন্তু আমাকে নিয়ে আসা হয়েছে ওর কাছ থেকে। মা-কে ভালবাসি। মা-র কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে আমাকে। কেউ যেন আমাকে চায় না। বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়লাম।

    পরদিন সকালে মা আর পেগোটি এসে আমাকে জাগালেন। আমার মুখচোখে অশ্রুর দাগ দেখে মা জিজ্ঞেস করলেন, কি হয়েছে, ডেভি?।

    কি হয়েছে যেন জানেন না তিনি। অভিমানে মুখ ফিরিয়ে জবাব দিলাম, জানি না।

    মা পেগোটিকে দোষ দিলেন, এসব তোমার কাজ, পেগোটি। তুমি ডেভির মন বিষিয়ে তুলেছ আমার আর আমার প্রিয়জনের বিরুদ্ধে। কেমন করে, কেন এমন করলে?

    পেগোটি বলল, মিসেস কপারফিল্ড, আপনি এ মুহূর্তে যা বললেন এর জন্য খোদা আপনাকে মাফ করুক।

    এ সময় আমার কাঁধে একটি হাত পড়ল। মি. মার্ডস্টোনের হাত। আমি নেমে দাঁড়ালাম বিছানার পাশে।

    এসব কি হচ্ছে, ক্লারা? তুমি কি ভুলে গেলে যে তোমাকে দৃঢ় হতে হবে? বললেন তিনি।

    মা বললেন, খুবই দুঃখিত, এডওয়ার্ড। কিন্তু কি করব? মন নরম হয়ে যায়। চেষ্টা করি শক্ত হতে, কিন্তু…পারি না…

    তাই নাকি? শুনতে ভাল লাগল না, বলে তিনি কাছে টেনে নিলেন মা-কে। কানে কানে কি বললেন। চুমু দিলেন। মা-র মাথাটা এলিয়ে পড়ল তার কাঁধের ওপর। বুঝলাম, মা এখন তার হাতে একতাল কাদার মত। তিনি ওই কাদাকে ইচ্ছামত রূপ ও আকার দিতে পারেন। এবং দিলেনও।

    তুমি এখন নিচে যাও। ডেভিড আর আমি এক সঙ্গে আসব।

    মা বেরিয়ে যাবার পর মুখ কালো করে পেগোটির দিকে ফিরে তিনি বললেন, তোমার মনিবের নাম জানো?

    অনেক দিন ধরে তিনি আমার মনিব। আমার তো জানা উচিত, স্যার, বলল পেগোটি।

    কিন্তু ওপরে আসার সময় শুনলাম তুমি ওকে অন্য নামে ডাকছ। ওটা ওর নাম নয়। ওর নাম এখন মিসেস মার্ডস্টোন। মনে থাকবে তো?

    মাথা নুইয়ে নীরবে বেরিয়ে গেল পেপগাটি।

    এবার আমার দিকে ফিরে তিনি বললেন, ডেভিড, আমার ঘোড়া বা কুকুরটা অবাধ্য হলে আমি কি করি বলো তো?

    জানি না।

    পিটিয়ে শায়েস্তা করি। তুমি চালাক ছেলে। আশা করি, আমার কথাটার মানে বুঝতে পেরেছ।

    ওই সময় থেকে আমি ভয় ও ঘৃণা করতে লাগলাম মি. মার্ডস্টোনকে। মা আমাকে তাড়াহুড়ো করে বুকে টেনে নেন। একমাত্র তখনি-যখন লোকটি কাছে থাকে না। এ পরিবর্তন ঘটে যাবার ফলে বাড়ি আর আমার কাছে বাড়ি বলে মনে হত না। মি. মার্ডস্টোন উঠে পড়ে লাগলেন আমাদের জীবনযাত্রাকে শোধরাবার জন্য। কিন্তু আমি না পারলাম তাকে শ্রদ্ধা করতে, বা পছন্দ করতে। আমার একমাত্র আরামের স্থল হয়ে দাঁড়াল রান্নাঘর, একমাত্র প্রিয় হয়ে দাঁড়াল পেগোটির সঙ্গ।

    এর পরে গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত এসে উদয় হলেন মি. মার্ডস্টোনের বড় বোন মিস জেন মার্ডস্টোন। তিনি থাকবেন আমাদের সঙ্গে। আসামাত্রই তিনি পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন যে আমাকে তার পছন্দ হচ্ছে না। ফলে আমি প্রায় বন্দী হয়ে পড়লাম আমার ছোট্ট শোবার ঘরটায়। সেখানেই কাটতে লাগল আমার দিনগুলো মৃত বাবার কিছু পুরানো বই পড়ে।

    মিস মার্ডস্টোন মা-কে বললেন যে তিনি এসেছেন সাহায্য করতে। মা-র। কাঁধ থেকে সংসারের বোঝা নামিয়ে নিজের কাঁধে নিতে। এসব বলে মা-র চাবির গোছাটা তিনি তুলে নিলেন। ওটা আর মা ফেরত পাননি। মহিলা এখানকার জিনিস ওখানে, ওখানকার জিনিস এখানে করে বদলে দিলেন সবকিছু।

    ক্রমে আমাদের সংসারের সব কর্তৃত্ব চলে গেল মার্ডস্টোনদের হাতে। মা। একবার ক্ষীণ প্রতিবাদ করতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে গেলেন।

    মি. মার্ডস্টোন আর তাঁর বোন আমাকে বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেয়ার কথা বলাবলি করতে লাগলেন। এ বিষয়ে তারা সিদ্ধান্তে পৌছানো পর্যন্ত আমার পড়াশোনা চলতে লাগল বাড়িতে, মায়ের কাছে। সেখানে একটা পরিবর্তন হলো। আগে পড়া মুখস্থ হলে বলে শোনাতাম মাকে। কিন্তু এখন ওই লোকটা এবং তাঁর। বোন আমার পড়ার সময় হাজির থাকেন চৌকিদারের মত। ফলে যা শিখি সব ডেভিড কপারফিল্ড উধাও হয়ে যায় আমার মগজ থেকে। আমি তোতলাতে থাকি, থমকে যাই।

    ভুলব না সেসব দিনের কথা। মা-র কাছে পড়াশোনা কি সহজই না ছিল। এখন সব গোলমাল হয়ে গেল। একদিনের কথা বলি: সকাল বেলায় বই-খাতা আর স্লেট নিয়ে ভীরু পায়ে চলে গেলাম মা-র কাছে। তার একপাশে ইজিচেয়ারে বসে বই পড়ার ভান করছেন মি. মার্ডস্টোন। অন্য পাশে হাতে ইস্পাতের জপমালা নিয়ে বসে আছেন মিস মার্ডস্টোন। ওই দুজনকে দেখামাত্রই আমার মাথায় ঝিম ধরল। মগজ অবশ হয়ে গেল। মনে হলো, যা শিখেছি সবই মগজ থেকে পানির মত গড়িয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। একটা শব্দও বেরুল না আমার মুখ দিয়ে। শব্দগুলো যেন এক এক করে উড়ে গেছে ডানা মেলে। একটা বইয়ের পড়াও পারলাম না। মা-র চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। তিনি তাকিয়ে রইলেন আমার দিকে, আমি তার দিকে। আমার ঠোঁট দুটো নড়ছে নিঃশব্দে।

    চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন মি. মার্ডস্টোন। কেড়ে নিলেন বইগুলো। ছুঁড়ে মারলেন আমার গায়ে। ঘাড় ধরে কান মলে বের করে দিলেন বারান্দা থেকে।

    এইভাবে চলতে লাগল আমার লেখাপড়া দিনের পর দিন। বকেয়া পড়ার পাহাড় জমতে লাগল। এর ওপর মুখে মুখে কঠিন-কঠিন অঙ্ক দিতেন মি. মার্ডস্টোন। আমার ঘাম বেরিয়ে যেত অঙ্কগুলো নিয়ে ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে। সারাদিন ছুটি মিলত না। এমনি করে আমি একেবারে নিরেট বোকা হয়ে গেলাম। ছয় মাস ধরে চলল এরকম।

    একদিন সকালে দেখলাম মা-র মুখটা ভীষণ উদ্বিগ্ন। মি. মার্ডস্টোনের মুখটা কঠোর। তার হাতে একটি বেত। মিস মার্ডস্টোন তার ভাইকে চোখের ইশারা। করলেন। মি. মার্ডস্টোন বললেন আমাকে বেত মারা দরকার। মা-র ক্ষীণ আপত্তি তিনি গ্রাহ্য করলেন না। হাত ধরে আমাকে নিয়ে গেলেন আমার শোবার ঘরে। ওখানে যেতেই তিনি হঠাৎ আমাকে উপুড় করে ফেললেন তার হাঁটুর ওপর।

    মি. মার্ডস্টোন! মি. মার্ডস্টোন! স্যার! বলে চেঁচাতে লাগলাম আমি। মারবেন না, আমাকে মারবেন না, স্যার! পড়া শিখতে আমি চেষ্টা করেছি। কিন্তু আপনি আর মিস মার্ডস্টোন চেয়ে থাকলে আমার কিছুই মনে থাকে না!

    মনে থাকে না, না? আচ্ছা দেখা যাবে কেমন মনে থাকে না, বলে তিনি বেত দিয়ে শপাং শপাং পিটাতে লাগলেন আমাকে।

    যন্ত্রণায় চিৎকার করলাম। কত মিনতি করলাম আমাকে না মারার জন্য। কিন্তু বেত পড়তে লাগল অবিরাম। তখন আমি হঠাৎ তাঁর হাত কামড়ে দিলাম।

    তিনি এমনভাবে আমাকে পিটাতে লাগলেন যেন মেরেই ফেলতে চান। দরজার বাইরে থেকে মা আর পেপগাটির কান্না শুনলাম। তারপর তিনি চলে গেলেন। বাইরে থেকে তালা পড়ল আমার দরজায়।

    পাঁচদিন বন্দী রইলাম আমার ঘরে। মা-কে দেখারও সুযোগ দেয়া হলো না আমাকে। শেষের রাতে বিছানায় বসে দেখছিলাম, আমার ঘর আর গির্জার মাঝখানের জায়গাটিতে বৃষ্টির ধারা নামছে প্রবল বেগে। এমন সময় পেগোটি এল আমার দরজায়। চাবির ছিদ্রে মুখ লাগিয়ে ফিসফিস করে বলল, মাস্টার ডেভি, তোমাকে লণ্ডনের কাছে এক স্কুলে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু চিন্তা কোরো না। আমি তোমার মায়ের দেখাশোনা করব। ও আমাকে চুমু দিতে পারছিল না, তাই চাবির ছিদ্রে চুমু দিয়ে চলে গেল।

    সকালে আমাকে রূম থেকে বের করা হলে মা-কে দেখলাম। ফ্যাকাসে বিবর্ণ হয়ে গেছেন মা। লাল হয়ে গেছে তার চোখ দুটো। বিদায়কালে আমাকে বুকে নিতেও মাকে দিলেন না মি. মার্ডস্টোন।

    মি. বার্কিস আমার জিনিসপত্র তুলে নিলেন গাড়িতে। আমরা রওনা হলাম। মাত্র আধ মাইল গিয়েছি এমন সময় রাস্তার পাশের ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল পেগোটি। উঠে পড়ল গাড়িতে। কিছু না বলে আমাকে জড়িয়ে ধরল বুকে। কয়েকটা কেক, তিনটি শিলিং, দুটি আধা-ক্রাউন এবং মায়ের একটি চিঠি দিল। তারপর নেমে গেল গাড়ি থেকে।

    যেতে যেতে পেগোটি সম্পর্কে আমাকে অনেক প্রশ্ন করলেন মি. বার্কিস। আমি বললাম পেগোটির বিয়ে হয়নি। এতে তিনি যেন খুবই আগ্রহী হয়ে উঠলেন পেগোটির প্রতি। বললেন ওর কাছে চিঠি লিখলে আমি যেন বলি যে বার্কিস ইচ্ছুক। বার্তাটি ওই সময় বিভ্রান্ত করেছিল আমাকে। পরে আমি জানতে পারি যে বার্কিস আমাদের লক্ষ্মী পেগোটিকে বিয়ে করতে চান, কিন্তু বেশি লাজুক হওয়ায় ওকে বলতে পারছেন না।

    বার্কিসের জন্য লণ্ডন অনেক দূরের জায়গা। অত দূর তিনি যাবেন না। তাই আমাকে আরেকটি কোচে, নাইট কোচে উঠতে হলো। কিন্তু কোচ-স্টেশনে নেমে দেখলাম কপারফিল্ড বা মার্ডস্টোন নামের কোন বাচ্চাকে নেয়ার জন্য সেখানে কেউ নেই। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবতে লাগলাম হেঁটে বাড়ি ফিরে যেতে কতক্ষণ লাগতে পারে। এ সময় একজন রোগাটে তরুণ এসে প্রশ্ন করল, নতুন ছেলে কি তুমি?

    ইনি হচ্ছেন মি. মেল, আমি যে স্কুলে যাচ্ছি সেই সালেম হাউসের মাস্টারদের একজন।

    একটা উঁচু ইটের দেয়ালেঘেরা বাড়ি। গেট-এ একটা বোর্ডে লেখা রয়েছেসালেম হাউস। বেল টিপতেই ষাঁড়ের মত মোটা ঘাড়, কাঠের পা, আর খাটো চুল-অলা একটা লোক গেট খুলে দিল।

    নতুন ছেলে, বললেন মাস্টারটি।

    তিনি আমাকে একটা ঘরে নিয়ে গেলেন। সেখানে দেখলাম পেস্টবোর্ড প্ল্যাকার্ডের ওপর সুন্দর করে লিখে রাখা হয়েছে: হুঁশিয়ার, ও কামড়ায়। বোর্ডটা পড়ে আছে একটা টেবিলের ওপর।

    দেখামাত্রই আশঙ্কা করলাম যে নিচে কোথাও কুকুর আছে। লাফিয়ে উঠলাম একটা চেয়ারে। মি. মেল জিজ্ঞেস করলেন চেয়ারে উঠলাম কেন?

    বললাম, মাফ করবেন, স্যার, কুকুরটা কোথায় দেখছি।

    কুকুর? কোন্ কুকুর?

    ওটা কি কুকুর নয়?

    কোনটা?

    যেটা থেকে হুঁশিয়ার থাকতে হবে? যেটা কামড়ায়?

    না, কপারফিল্ড, বললেন তিনি গম্ভীরভাবে। ওটা কুকুর নয়, একটি ছেলে। আমার ওপর নির্দেশ, এই প্ল্যাকার্ডটা তোমার পিঠে ঝুলিয়ে দিতে হবে। শুরুতেই এরকম করতে হচ্ছে বলে আমি দুঃখিত। কিন্তু আমাকে এটা করতেই হবে।

    মি. মেল সত্যি প্ল্যাকার্ডটা ঝুলিয়ে দিলেন আমার পিঠে একটা ন্যাপস্যাকের মত।

    সে যে কী যন্ত্রণা কেউ তা কল্পনাও করতে পারবে না। যেদিকে যাই, যেদিকে ফিরি, মনে হয় কেউ যেন পেছন থেকে ওটা পড়ছে, আর হাসছে দাঁত বের করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স
    Next Article বাংলার পল্লীগীতি – চিত্তরঞ্জন দেব

    Related Articles

    চার্লস ডিকেন্স

    এ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    দ্য পিকউইক পেপার্স – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    অলিভার টুইস্ট – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }