Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ডেভিড কপারফিল্ড – চার্লস ডিকেন্স

    চার্লস ডিকেন্স এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডেভিড কপারফিল্ড – ৫

    ০৫. জীবনের পথে একা

    জীবনের পথে একা

    মার্ডস্টোন অ্যাণ্ড গ্রিনবির মালগুদামটি নদীর কিনারে। একটা সরু গলির একেবারে শেষ প্রান্তে। গুদামের পরেই গলিটা খাড়া নিচে নেমে শেষ হয়েছে। নদী পর্যন্ত গিয়ে। গুদামঘরটা জরাজীর্ণ। ইঁদুরে ভরা। শত বছরের ময়লা আর আবর্জনায় ভরা। প্রথম দিন সকালে কয়েকটি ছেলের সঙ্গে দেখা হলো। ওদের সাথে কাজ করতে হবে আমাকে। আমরা মদের বোতল ধােয়ামোছা করলাম। ভাঙাগুলোকে বাতিল করলাম। লেবেল এটে দিলাম ভালগুলোর গায়ে। ছিপি। লাগালাম। পিপের মধ্যে বোতলগুলোকে সাজিয়ে রাখলাম।

    সাড়ে বারোটায় মি. গ্রিনবি আমাকে হাতের ইশারায় ডেকে নিয়ে গেলেন তার অফিসে। গিয়ে দেখলাম মোটাসোটা মাঝবয়েসী একজন লোক বসে আছেন। সেখানে। লোকটার মাথা ডিমের মত মসৃণ। চুলের নাম-গন্ধ নেই!

    ইনি হলেন মি. মিকবার, বললেন মি. গ্রিনবি।

    লোকটা বললেন, হ্যাঁ, ওটাই আমার নাম। তুমি বোধহয় ডেভিড কপারফিল্ড-আমার বাড়িতে যার থাকার কথা। পোশাক-আশাক মলিন হলেও তার কথাবার্তায় বেশ দিল-দরিয়া ভাব। লোকটি আরও বললেন যে সন্ধ্যায় তিনি আসবেন আমাকে নিতে। মালগুদাম থেকে খুব কম সময়ে তার বাড়ি যাবার পথটি আমাকে দেখিয়ে দেবেন।

    যথাসময়ে তিনি এলেন। হাতমুখ ধুয়ে গেলাম তার সঙ্গে। বাড়িটা তারই মত মলিন। নিচতলায় কোন আসবাব নেই। জানালাগুলো বন্ধ। উদ্দেশ্য, প্রতিবেশী ও পাওনাদারদের ধােকা দেয়া। তারা যাতে মনে করে যে বাড়িতে কেউ নেই। মিসেস মিকবার এবং তাঁদের চারটি ছোট্ট ছেলেমেয়ের সাথে তিনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন।

    ওখানে থাকতে লাগলাম। মিকবার পরিবার খুব সদয় ব্যবহার করতে লাগল আমার সঙ্গে। কিন্তু তবু এটা তো সত্য যে এই পৃথিবীতে আমার কেউ নেই। নেই কোন বন্ধু, বা মুরুব্বি। বিশাল ভীতিকর লণ্ডন শহরে আমি এক অপরিচিত ছোই বালক।

    কাজ করি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। ক্লান্তি, হতাশা আর অবসাদে ভরে যায় মন। ভয় হয় স্কুলে যা কিছু শিখেছি সবই বুঝি ভুলে যাব। মদের বোতল ধােয়ার সময় পানির সাথে মিশে যায় আমার অশ্রু। চেষ্টা করি আমার কান্না যেন অন্য। ছেলেরা দেখতে না পায়।

    মিকবাররা আমার প্রতি সদয়। সব সময় টাকা-পয়সার টানাটানি লেগে থাকলেও তারা আমাকে নিজেদের খাবারের ভাগ দিতে চান। শীতের রাতে তাদের সঙ্গে আগুনের পাশে বসতে ডাকেন। মিকবারদের দেনা অনেক। দিনের যে-কোন সময় পাওনাদাররা এসে হানা দেয়। কেউ কেউ রীতিমত চোটপাট করে। মিকবারদের একমাত্র উপায় হয়ে দাঁড়ায় তাদের যে গুটিকয়েক আসবাবপত্র আছে সেগুলো বন্ধক রাখা। তাই কাজ থেকে ফিরে একটা ছোট টেবিল বা খানকয় চেয়ার, কিংবা একটি কম্বল নিয়ে যাই বন্ধকী দোকানে এবং নিয়ে আসি কয়েকটা শিলিং। কিন্তু অবস্থা যত খারাপই হোক, মি. মিকবার সব সময় বলেন, উপায় কিছু একটা হবেই।

    অদ্ভুত লোক এই মিকবাররা। মিসেস মিকবার একদিন বললেন, ওর পাওনাদারগুলো ওকে সময় দেবে না। না দিলে না দিক। যা হবার তাই হবে। পাথর থেকে তো রক্ত বের করা যাবে না! মি. মিকবারের কাছ থেকেও এখন ওরা কিছু বের করতে পারবে না।

    বেচারী মিসেস মিকবার! স্বামীকে সাহায্যের চেষ্টা তিনি করেছেন। বাড়িতে ছোট্টমণিদের জন্য মিসেস মিকবারের বোর্ডিং হাউস লিখে একটা সাইনবোর্ড লাগিয়েছেন। কিন্তু ছোট্টমণিরা কেউ আসেনি।

    এক একদিন অবস্থা চরমে উঠত। সকাল সাতটায় এক পাওনাদার এসে হাজির হত। হিংস্র চেহারা। মুখে ময়লা লেগে আছে। লোকটা মুচি। সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে সে চিৎকার জুড়ে দিত, বেরিয়ে এসো। তুমি বাড়িতেই আছ। আমার পাওনা মিটিয়ে দাও। লুকিয়ে থেকো না। শুনছ? ছোটলোকের মত লুকিয়ে আছ। কেন? জোচ্চোর! ইতর! ডাকাত! এসময় মি. মিকবার দুঃখে অপমানে ভেঙে পড়তেন। আত্মহত্যার ভঙ্গি করতেন। এমন ভাব দেখাতেন যেন ক্ষুর দিয়ে। নিজের গলা কাটবেন। কিন্তু লোকটা বিদায় নেয়ার আধঘণ্টা পরেই দেখা যেত মি. মিকবার গুনগুন করে গান করতে করতে মনোযাগ দিয়ে নিজের জুতোয় রঙ লাগাচ্ছেন। মিসেস মিকবারকেও দেখা যেত বেশ হাসিখুশি। চায়ের চামচ বন্ধক রেখে আনা টাকায় খাসির মাংসের চপ আর মদ কিনে মনের সুখে গিলছেন।

    অবশেষে মি. মিকবার গ্রেফতার হলেন। একদিন খুব ভোরে তাকে কিংসবেঞ্চ জেলে নিয়ে যাওয়া হলো। ঋণ শোধ করতে না পারা পর্যন্ত সেখানে বন্দী থাকবেন। তার পরিবারকে সঙ্গে থাকার অনুমতি দেয়া হলো।

    আমি একটা দশ বছরের ছেলে। পেট ভরে খেতে পাই না। গায়ে ভাল জামাকাপড় নেই। এ অবস্থায় কেমন করে লণ্ডনে থাকব—এসব ভেবে ভয় পেলেন মিসেস মিকবার। তাই তিনি আমার জন্যে জেলের কাছেই সস্তায় একটা ঘর খুঁজে দিলেন। এতে কাজ থেকে ফিরে এসে তাদের সঙ্গে আমার দেখা করার সুবিধে হলো।

    মি. মিকবার কিছু একটা উপায়ের অপেক্ষায় বসেছিলেন। অবশেষে সেই উপায়টা হলো। তার এক ধনী আত্মীয় মারা গেছেন অস্ট্রেলিয়ায়। কিছু টাকা রেখে গেছেন মি. মিকবারের জন্য। তিনি স্থির করলেন ধার-দেনা শোধ করে সপরিবারে চলে যাবেন অস্ট্রেলিয়ায়।

    তারা না থাকলে লণ্ডনে থাকার ইচ্ছা আমার হলো না। হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল মা আর পেগোটির মুখে শোনা আমার খামখেয়ালী দাদীটির কথা। আমি মেয়ে না হয়ে ছেলে হয়ে জন্মেছি বলে রাগ করে যিনি ডাক্তারের মাথায় বনেট ছুঁড়ে মেরেছিলেন। সিদ্ধান্ত নিলাম, দুনিয়াতে তিনিই আমার একমাত্র প্রকৃত আত্মীয়। কাজেই তাকে খুঁজে বের করব। তার কাছে আশ্রয় চাইব। কিন্তু তিনি কোথায় থাকেন জানি না। তাই মিস বেটসি কোথায় থাকেন জানতে চেয়ে চিঠি লিখলাম পপগোটিকে।

    সঙ্গে সঙ্গে জবাব এল পেগোটির। সে জানাল মিস বেটসি থাকেন ডোভারে। চিঠির সাথে পেলাম তার পাঠানো একটা আধ-গিনি।

    ভাবলাম আধ-গিনিতে একটা একা গাড়ি ভাড়া করে আমার ছোট্ট জামাকাপড়ের বাক্সটি সহ চলে যাব ডোভারে। কিন্তু যে লোকটার গাড়ি ভাড়া করলাম সে আমার আধ-গিনি আর বাক্সটা সহ গাড়ি নিয়ে ছুটে চলে গেল।

    আমি যত জোরে সম্ভব ছুটলাম তার পেছনে। কিন্তু ধরতে পারলাম না। কাদার মধ্যে পড়ে গেলাম হাঁপাতে হাঁপাতে, কাদতে কাদতে। হপ্তার মজুরি পাঁচ শিলিং ছাড়া আর কিছুই রইল না আমার কাছে। এই পয়সায় ডোভারের ভাড়া হবে না। অগত্যা পায়ে হেঁটেই চললাম। রাতগুলো কাটাতে লাগলাম কারও খড়ের গাদায়, কিংবা মাঠে।

    ছয় দিনের শেষে পকেট একদম খালি হয়ে গেল। আমি তখন ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত, পথের শ্রমে ক্লান্ত। আমার জুতোগুলো আর জুতোর মত নেই। লণ্ডন ছাড়ার পরে চুলে আর চিরুনির আঁচড় পড়েনি। যে সামান্য কাপড়-চোপড় ছিল গায়ে সেগুলো শতচ্ছিন্ন। ভাল কাপড় যা ছিল সব বন্ধক দিয়ে ফেলেছি।

    অবসন্ন অবস্থায় পৌঁছলাম ডোভারে। এক গাড়োয়ান মিস বেটসির বাড়িটা দেখিয়ে দিল আমাকে। ছোট্ট পাহাড়-চূড়ায় সুন্দর ছিমছাম কটেজ।

    আমার পোশাক আর চেহারা খুবই বিশ্রী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় দরজায় ঘা দিতেও ভয় হলো। তাই দাঁড়িয়ে রইলাম গেট-এর সামনে। কিছুক্ষণ পরে একজন লম্বা, ছিপছিপে, পাকাচুলো মহিলা বেরিয়ে এলেন দরজা খুলে। হাতে বাগানে কাজ করার দস্তানা আর খুরপি।

    আমার ওপর নজর পড়তেই বললেন, ভাগো হিয়াসে! ছেলেদের এখানে ঢুকতে দেয়া হয় না। এরপর সোজা তিনি নেমে গেলেন বাগানে। নিচু হয়ে একটা শেকড় খুঁড়ে তুলতে লাগলেন।

    দাদী বেটসি, শুনুন দয়া করে, বললাম আমি তার কাছে এগিয়ে গিয়ে। ভয়ে। কাঁপতে কাঁপতে। আমি আপনার নাতি, ডেভিড কপারফিল্ড।

    ও গড! বলে তিনি ধপাস করে বসে পড়লেন বাগানের রাস্তার ওপর।

    মা মারা যাবার আগে আপনার কথা বলতেন, বুঝিয়ে বললাম আমি। মায়ের মৃত্যুর পর থেকে আমাকে চরম অবহেলা করা হয়েছে। অন্যায় দুর্ব্যবহার করা হয়েছে আমার প্রতি। তাই পালিয়ে এসেছি আপনার কাছে। দিনের পর দিন হেঁটেছি। শোবার জন্যে বিছানা পাইনি… এ পর্যন্ত বলার পর আর কথা বেরুলো না আমার মুখ দিয়ে। একটি সপ্তাহের অসহায়তা, দুঃখ কষ্ট উন্মত্ত কান্না হয়ে ঝরে পড়ল আমার কণ্ঠ থেকে।

    অত্যন্ত দ্রুতবেগে উঠে দাঁড়ালেন মিস বেটসি। আমাকে নিয়ে গেলেন ঘরের মধ্যে। সোফায় শুইয়ে একটা শাল গুঁজে দিলেন মাথার নিচে। গ্লাসে ভরে কি একটা এনে খাইয়ে দিলেন। তারপর হাঁক দিলেন, মি. ডিক, একটু আসুন এদিকে। আমি আপনার পরামর্শ চাই।

    সঙ্গে সঙ্গে ঘরে এলেন এক সৌম্যদর্শন ভদ্রলোক। মুখে বন্ধুত্বপূর্ণ হাসি, কিন্তু চোখে এক অদ্ভুত ধরনের উদাসী উজ্জ্বলতা। হাবভাব তার ছেলেমানুষী।

    মি. ডিক, আমার কিছু ভাল পরামর্শ দরকার, বললেন মিস বেটসি। এই বাচ্চাটা হলো ডেভিড কপারফিল্ড। আমার মৃত ভাইপোর ছেলে। সে পালিয়ে এসেছে। আমি একে নিয়ে কি করব?

    কেন, আমি হলে একে…গোসল করাব, বললেন মি. ডিক চটপট, তারপরে খাওয়াব।

    গোসল করলাম। তারা আমাকে মি. ডিকের একটা শার্ট আর ট্রাউজার পরিয়ে গায়ে দুতিনটা শাল জড়িয়ে দিলেন। আমাকে কেমন পোটলার মত দেখাচ্ছিল জানি না, তবে খুব গরম লাগল। সোফায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

    ঘুম ভাঙল ঘণ্টাকয়েক পরে। দাদীকে বললাম মি. মার্ডস্টোনের সঙ্গে মায়ের দুর্ভাগ্যজনক বিয়ে এবং আমার সঙ্গে তার দুর্ব্যবহারের কাহিনি।

    ব্যাটা আস্ত খুনী! বললেন দাদী।

    পরদিন দাদী আমাকে বললেন যে তিনি মি. মার্ডস্টোনকে, তাঁর ভাষায় মি, মার্ডারকে চিঠি লিখেছেন।

    আতঙ্কিত হয়ে আমি জিজ্ঞেস করলাম, উনি কি জানেন আমি কোথায় আছি?

    আমি তাকে জানিয়ে দিয়েছি, জবাব দিলেন তিনি।

    আমাকে কি ফিরে যেতে হবে তার কাছে?

    জানি না। সেটা দেখা যাবে পরে, বললেন তিনি।

    আমার নাস্তা খাওয়ার পরে মিস বেটসি বললেন, তুমি ওপর তলায় গিয়ে মি. ডিককে গুড মর্নিং বলে এসো। তার একটা লম্বা নাম আছে-রিচার্ড ব্যাবলি। কিন্তু ওই নামে তাকে ডেকো না। তিনি ওই নামটা সহ্য করতে পারেন না। কাজেই খুব সাবধান। তাকে মি. ডিক ছাড়া আর কিছু ডেকো না।

    গেলাম দোতলায়। দেখলাম তিনি তার বই-কোন এক লর্ডের স্মৃতিকথারচনায় ব্যস্ত। বইটা তিনি লিখছেন দশ বছর ধরে। কিন্তু কয়েক পৃষ্ঠা পরে পরেই। রাজা চার্লস-এর হত্যাকাণ্ড বর্ণনা না করে বেশিদূর এগোতে পারেন না। দাদী আমাকে পরে বুঝিয়ে দেন যে এটা তার নির্দোষ অসুখের একটি লক্ষণ।

    কলমটা রেখে দিয়ে তিনি বলে উঠলেন, হ্যা! চলছে কেমন দুনিয়াটা? আরে বোকা, এটা হচ্ছে পাগলা দুনিয়া! হেসে উঠলেন তিনি। হাসিটা একটু অদ্ভুত। এর পর তিনি আমাকে তার ঘুড়ি দেখালেন। মস্ত ঘুড়ি। অন্তত সাত ফুট উঁচু!

    কেমন মনে হয় ঘুড়িটা? জিজ্ঞেস করলেন গর্বিত ভাবে।

    জবাব দিলাম, সুন্দর ঘুড়ি।

    আমি বানিয়েছি, বললেন মি. ডিক। আমরা, তুমি আর আমি, এটা ওড়াব।

    কিন্তু আমার বাইরে যাবার মত কাপড় ছিল না। তাই সেদিন আমাদের ঘুড়ি ওড়ানো হলো না।

    নিচে নেমে আসার পরে দাদীকে জিজ্ঞেস করলাম, মি. ডিকের মাথায়…কি কোন গোলমাল আছে?

    গোলমাল ঠিক নয়! বললেন মিস বেটসি। মি. ডিক আমার এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়। তাঁর পরিবার তাকে পাগল বলে। তার ভাই চেয়েছিল তাঁকে আজীবন পাগলা গারদে বন্দী করে রাখতে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম তিনি সুস্থ। দশ বছর আগে তাকে নিয়ে আসি আমার কাছে। সেই থেকে তিনি আমার। সেরা বন্ধু এবং বুদ্ধিদাতা।

    পরের কয়েকটা দিন দাদী আর মি. ডিক খুব সদয় ব্যবহার করলেন আমার সঙ্গে। অনেকটা সময় আমরা একত্রে কাটালাম পরম সুখে। অতীতকে প্রায় ভুলে। গেলাম। তারপর মনে পড়ল যে দাদী মি. ও মিস মার্ডস্টোনকে তার সঙ্গে দেখা। করতে আসার জন্যে বলেছেন। আবার আতঙ্ক গ্রাস করল আমাকে।

    অপেক্ষা করতে লাগলাম মি. ও মিস মার্ডস্টোনের ভয়ঙ্কর মুখ আবার দেখার।

    একদিন দুপুরে দাদী বসে ছিলেন জানালার পাশে। দাদী অত্যন্ত রাশভারী ও কঠোর স্বভাবের মানুষ। হঠাৎ তিনি গাধা! গাধা! বলে চেঁচিয়ে উঠলেন। চমকে। উঠে দেখলাম একটা গাধা ঢুকে পড়েছে বাগানে। বাড়ির সামনেকার ছোট্ট ঘাসেছাওয়া জায়গাটায় দাঁড়িয়ে আছে। পরিচারিকা জানেট ধরার চেষ্টা করছে গাধাটাকে। এমন সময় মার্ডস্টোনরা ঘোড়া হাঁকিয়ে এসে ওই জায়গাটা মাড়িয়ে নামলেন বাড়ির সামনে।

    ঘাসে-ছাওয়া ওই জায়গাটা দাদীর বড় প্রিয়। তিনি রেগে গেলেন। মুঠো ধরা হাত জানালার দিকে ছুঁড়ে তিনি বললেন, ভাগো হিয়াসে! কেন এসেছ এখানে? কোন সাহসে এসেছ বিনা হুকুমে?

    আমি তাকে জানালাম কারা এসেছেন।

    ওরা যে-ই হোক, পরোয়া করি না। অনধিকার প্রবেশ সহ্য করব না।

    জানেট এসে জানাল যে মার্ডস্টোনরা এসেছেন।

    কাঁপতে কাঁপতে বললাম, আমি চলে যাব, দাদী?

    না, স্যার। নিশ্চয়ই না, বলে আমাকে তিনি ঠেলে নিয়ে দাঁড় করিয়ে দিলেন তার কাছে, ঘরের কোনায়। ওখানে দাঁড়িয়ে দেখলাম মি. ও মিস মার্ডস্টোন ঘরে প্রবেশ করলেন।

    ওহো, আপনারা? কার বিরুদ্ধে আপত্তি করছি তা প্রথমে খেয়াল করিনি। তবে ওই ঘাসটা মাড়াতে আমি কাউকে দিই না। সে যে-ই হোক, বললেন দাদী।

    অপরিচিতদের জন্য নিয়মটা একটু অসুবিধাজনক, বললেন মিস মার্ডস্টোন।

    তাই নাকি?

    আবার ঝগড়া বেধে যাবে মনে করে মি. মার্ডস্টোন তাড়াতাড়ি বললেন, মিস ট্রটউড!

    মাফ করুন, বললেন দাদী। আপনিই সেই মি. মার্ডস্টোন যিনি আমার ভাইপো ডেভিডের বিধবা বৌটাকে বিয়ে করেছিলেন?

    হ্যাঁ, আমি, বললেন মি. মার্ডস্টোন।

    মাফ করবেন, কথাটা বলতেই হচ্ছে, মন্তব্য করলেন দাদী। বেচারি মেয়েটিকে আপনি বিয়ে না করলেই অনেক ভাল হত। জানেট, মি. ডিককে আমার সালাম জানিয়ে বললা যে তিনি একটু নিচে এলে আমি খুশি হব।

    মি. ডিক এলেন। পরিচয় করিয়ে দিলেন দাদী, মি. ডিক একজন পুরানো ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তার বিচার বুদ্ধির ওপর আমি নির্ভর করি।

    মিস ট্রটউড, আপনার চিঠি পেয়ে লিখিত জবাব না দিয়ে নিজেই এলাম। এই ছেলেটা তার বন্ধুদের কাছ থেকে এবং কাজ ছেড়ে পালিয়ে এসেছে।

    ওর আচরণ অত্যন্ত কেলেঙ্কারিজনক, যোগ করলেন মিস মার্ডস্টোন।

    ছেলেটি আমাদেরকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। ভীষণ একগুঁয়ে এবং বদমেজাজী।

    হ্যাঁ, সায় দিয়ে বললেন মিস মার্ডস্টোন। দুনিয়ার সেরা পাজি ছেলে এটা।

    হুম, তারপর? বললেন দাদী।

    মিস্টার মার্ডস্টোন বললেন, আমি এসেছি ওকে নিয়ে যেতে। ওকে কিভাবে মানুষ করতে হবে সে বিষয়ে আমার নিজস্ব মতামত আছে। আমার সঙ্গতি কতটা তা-ও ভেবে দেখতে হবে। আমি ছেলেটাকে আমার এক বন্ধুর হেফাজতে একটা সম্মানজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েছিলাম। সেটা ওর পছন্দ হয়নি। ও পালিয়ে যায়। ভবঘুরের মত ঘেঁড়া ন্যাকড়া পরে দুনিয়া ঘুরে আপনার কাছে এসে ধর্না দেয়। আপনি যদি প্রশ্রয় দেন তবে পরিণামের জন্য আমি দায়ী হব না।

    আপনার আর কিছু বলার আছে? প্রশ্ন করলেন দাদী।

    শুধু এটুকু, মিস ট্রটউড! ওকে ফিরিয়ে নিয়ে যাব। যেভাবে যা ঠিক মনে করব সেভাবে গড়ে তুলব। এখন আপনি যদি ওকে প্রশ্রয় দেন, তাহলে আমার দরজা চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাবে।

    রাবিশ! গর্জে উঠলেন মিস বেটসি। আপনাদের একটা কথাও আমার বিশ্বাস হয়নি। আপনারা দুজন খুনী ছাড়া আর কিছুই নন। মিষ্টি কথা বলে ভুলিয়ে ভালিয়ে বোেকা বিধবা মেয়েটাকে বিয়ে করেছেন। তারপর মানসিক যন্ত্রণা দিয়ে, নিষ্ঠুরতা দিয়ে বেচারীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছেন। দশ বছরের একটা ছেলেকে জীবিকার জন্যে কাজ করতে পাঠিয়েছেন এক জঘন্য গুদামে। আর নিজেরা আরামে বাস করছেন ওদের বাড়িতে। মা-র মৃত্যুর পর বাড়িটার আসল। মালিক ডেভিড। ওটা ওর বাবার কেনা। এই অপরাধে শাস্তি হওয়া উচিত আপনাদের। তবে এ ব্যাপারে যা করার ডেভিডই করবে। আমি হস্তক্ষেপ করব না।

    এবার আমার দিকে ফিরলেন দাদী। জিজ্ঞেস করলেন, ডেভিড, তুমি ফিরে যেতে চাও এদের সঙ্গে?

    দাদী, আমাকে ফিরে যেতে বলবেন না, বললাম আমি। ওরা কেউ আমাকে পছন্দ করেনি। দয়া-মায়া দেখায়নি কোনদিন। ওরা আমার মা-কে সুখ দেয়নি। পেগোটিকে শান্তি দেয়নি। আমাকে চরম হেনস্তা করেছে। ওদের সঙ্গে যেতে বাধ্য করবেন না আমাকে।

    চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল মি, মার্ডস্টোনের। ক্রদ্ধভাবে আমার দাদীর দিকে আঙুল তুলে বললেন, এখানে আমি এসেছি এই প্রথম ও শেষ বারের মত। হয় ডেভিডকে নিয়ে যাব, যেমন ভাল মনে করি সেরকম ব্যবহার করব, নতুবা তাকে রেখে যাব আপনার কাছে। আপনার সঙ্গে থেকে গেলে তার ব্যাপারে আমার আর কিছুই করার থাকবে না।

    মি. ডিক, বললেন আমার দাদী, আমরা এই বাচ্চাটিকে নিয়ে কি করব?

    মি. ডিক ভাবলেন। একটু দ্বিধা করলেন। তারপরে হেসে বললেন, নতুন সুট বানানোর জন্য ওর মাপ নেয়ার ব্যবস্থা করব।

    ধন্যবাদ, মি. ডিক, বললেন দাদী। তারপর মি. ও মিস মার্ডস্টোনের দিকে ফিরে বললেন, শুভ দিন, স্যার। শুভ দিন, ম্যাডাম। আপনাদেরকে যদি আবার কখনও দেখি আমার দরজায়, ঘুসি মেরে আপনার বনেট ফেলে দিয়ে পায়ে মাড়িয়ে দেব!

    ওরা চলে যেতেই আমি ছুটে গিয়ে দাদী বেটসির গলা জড়িয়ে ধরে তাকে চুমু দিলাম। তারপর মি. ডিকের সাথে হ্যাণ্ডশেক করে তাকে ধন্যবাদ দিলাম।

    এইভাবে শুরু হলো আমার নতুন জীবন। নামও নতুন হলো। দাদী আমাকে ট্রটউড কপারফিল্ড নামে ডাকতে লাগলেন।

    দুজন নতুন অভিভাবক হলো আমার। দুজনেরই মন খাঁটি সোনার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স
    Next Article বাংলার পল্লীগীতি – চিত্তরঞ্জন দেব

    Related Articles

    চার্লস ডিকেন্স

    এ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    দ্য পিকউইক পেপার্স – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    অলিভার টুইস্ট – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }