Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তবুও টুনটুনি তবুও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প128 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিউটি পার্লার

    বিউটি পার্লার

    দরজায় কলিংবেলের টুং-টাং শব্দ শুনে টুনি দরজা খুলে দেখে ফারিহাপু দাঁড়িয়ে আছে। টুনি শান্ত টাইপের মানুষ, আনন্দ বা রাগ কখনোই বাড়াবাড়ি করে প্রকাশ করতে পারে না। ফারিহাপুকে দেখে তার খুবই আনন্দ হলেও সেটা সেভাবে প্রকাশ পেল না, সে শুধু মুখে হাসি ফুটিয়ে বলল, “ফারিহাপু! তুমি?”

    “হ্যাঁ, আমি।”

    “কতদিন পরে তোমাকে দেখছি।”

    ফারিহাপু মাথা নাড়ল; বলল, “হ্যাঁ। অনেক দিন পর তোমাদের বাসায় এসেছি।”

    ফারিহাপু ভিতরে ঢুকে সোফায় বসতে বসতে বলল, “কী করব বলো! কাউন্সেলিং করতে করতে সময় পাই না।”

    টুনি একটু অবাক হয়ে বলল, “কাউন্সেলিং? তুমি কাকে কাউন্সেলিং করো ফারিহাপু?”

    “আর কাকে! তোমার ছোটাচ্চুকে।”

    “ছোটাচ্চুকে?” টুনি প্রথমে একটু অবাক হলো, তারপর ফিক করে একটুখানি হেসে ফেলল।

    ফারিহাপু অবশ্যি মোটেও একটুখানি হাসল না, হাসতে হাসতে প্রায় গড়াগড়ি খেতে লাগল; বলল, “মানুষ জীবনেও এ রকম একটা ঘটনা শুনেছে? যার কোম্পানি তাকে সেখান থেকে বরখাস্ত করে দিয়েছে? ঘটনাটা শুনে হাসিতে আমার পেট ফেটে যাচ্ছিল কিন্তু আমি তো আর তোমার ছোটাচ্চুর সামনে হাসতে পারি না। বেচারা তাহলে মনে কষ্ট পাবে।”

    টুনি মাথা নাড়ল; বলল, “হ্যাঁ, ছোটাচ্চুর খুব মন খারাপ হয়েছিল। কিন্তু আমরা খুব খুশি হয়েছি। কোম্পানি দেওয়ার পর ছোটাচ্চু আস্তে আস্তে অন্য রকম হয়ে যাচ্ছিল!”

    ফারিহাপু ষড়যন্ত্রীদের মতো এদিক-সেদিক তাকিলে গলা নামিয়ে বলল, “আমিও খুব খুশি হয়েছি, কিন্তু সম্পূর্ণ অন্য একটা কারণে।”

    “কী কারণে ফারিহাপু?”

    “আমি ভাবতাম তোমার ছোটাচ্চু মানুষটা হচ্ছে একেবারে নরমসরম লুতুপুতু মানুষ। কিন্তু সে যে মারামারিও করতে পারে সেইটা আমি প্রথম আবিষ্কার করলাম।” ফারিহাপু আবার হি হি করে হাসতে লাগল, হাসতে হাসতে প্রায় তার চোখে পানি এসে গেল, কোনোমতে হাসি থামিয়ে বলল, “শুধু কি মারামারি? মারামারি করে একেবারে হাজতবাস। চোর, ডাকাত, পকেটমারদের সাথে সহাবস্থান”-কথা শেষ করে ফারিহাপু আবার হি হি করে হাসতে থাকে।

    ফারিহাপু হাসি থামিয়ে বলল, “যাও দেখি, তোমার ছোটাচ্চুকে খবর দাও, বলো আমি এসেছি।”

    টুনি ভেতরে গিয়ে দেখল ছোটাচ্চুর ঘর ফাঁকা, সেখানে কেউ নেই। ঝুমু খালা খবর দিল ঘণ্টা খানেক আগে ছোটাচ্চু নাকি সেজেগুঁজে বের হয়ে গেছে। টুনি ফিরে এসে ফারিহাপুকে জানাল যে ছোটাচ্চু নেই। একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুমি যে আসছ সেটা ছোটাচ্চু জানে না?”

    ফারিহাপু মাথা নেড়ে বলল, “নাহ্! আমি তাকে একটা সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলাম, সে জন্যে বলিনি। এই জীবনে যতবার কাউকে সারপ্রাইজ দিতে গিয়েছি ততবার ধরা খেয়েছি।”

    “কী নিয়ে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলে ফারিহাপু?”

    “তোমাকে দেখাই।” বলে ফারিহাপু তার ব্যাগ থেকে একটা কার্ড বের করে দেখাল, “এই দেখো।”

    টুনি চোখ বড় বড় করে বলল, “ড্রাইভিং লাইসেন্স! তুমি গাড়ি চালাতে পারো?”

    ফারিহাপু বুকে থাবা দিলে বলল, “অবশ্যই পারি! এমনি এমনি কি ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়েছে নাকি! আর তোমাকে একটা জিনিস জানিয়ে রাখি।”

    “কী জিনিস?”

    “যে ঢাকা শহরে গাড়ি চালাতে পারে সে পৃথিবীর যেকোনো জায়গাতে গাড়ি চালাতে পারে। কাজেই ধরে নাও এই ড্রাইভিং লাইসেন্সটা হচ্ছে সারা পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় গাড়ি চালানোর লাইসেন্স!”

    ফারিহাপু ড্রাইভিং লাইসেন্সটা ব্যাগের ভিতরে রাখতে রাখতে বলল, “সারপ্রাইজটা যেহেতু মাঠে মারা গিয়েছে, তাহলে একটু ফোন করে দেখি শাহরিয়ার সাহেব কোথায় আছেন।”

    ফারিহাপু তার ফোন বের করে ছোটাচ্চুকে ফোন করল, ছোটাচ্চু নিশ্চয়ই ফারিহাপুর ফোন পেলে খুব উত্তেজিত হয়ে যায়, তাই জোরে জোরে কথা বলে। টুনি তাই ফোন না ধরেও ছোটাচ্চুর গলা শুনতে পেল, “আরে ফারিহা তুমি?”

    “হ্যাঁ আমি।”

    “তুমি কোত্থেকে?”

    “তোমার বাসা থেকে। তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দিতে এসেছিলাম, এসে নিজে সারপ্রাইজ খেলাম।”

    “কী সারপ্রাইজ?”

    “বলে দিলে কি সারপ্রাইজ থাকবে নাকি? তুমি কোথায়?”

    “মুন্সীগঞ্জ।”

    “মুন্সীগঞ্জ মুন্সীগঞ্জে কী করো?”

    “আমার এক বন্ধুর বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে এসেছি। ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করতে হচ্ছে।”

    “কী রকম ক্রাইসিস?”

    “বর শেরওয়ানি আর পাজামা পরে এসেছে। পাজামার ফিতা ছিঁড়ে গেছে।”

    ফারিহাপু মাথা নাড়ল। বলল, “বিশাল ক্রাইসিস। ম্যানেজ করো। ঠিক আছে, তুমি ফিরে এসো তখন কথা হবে।”

    ফোন শেষ করে ফারিহাপু টুনির দিকে তাকাল, বলল “আমার হাতে এখন কয়েক ঘণ্টা সময়। কী করি বলো তো?

    টুনি বলল, তুমি গাড়ি চালাতে পারো, গাড়ি চালিয়ে শাঁই শাঁই করে কোথাও চলে যাও। বইয়ের দোকান, ছবির এক্সিবিশন, চিড়িয়াখানা, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, কত কী আছে।”

    “তুমি যে জায়গাগুলোর নাম বলেছ সেখানে একা একা যেয়ে কোনো আনন্দ নাই। একা একা যেতে হয় বোরিং জায়গায়। যে রকম বাজার করতে, না হলে ইলেকট্রিক বিল দিতে, না হলে বিউটি পার্লারে।”

    টুনি অবাক হয়ে বলল, “বিউটি পার্লার? আমি তো ভেবেছিলাম বিয়ের সময় মেয়েরা বিউটি পার্লারে সাজে।”

    “বিয়ের সময় তো সাজেই, এমনিতেও যায়। বড়লোক মেয়েরা বিউটি পার্লারে গিয়ে একজন আরেকজনের সাথে শাড়ি-গয়নার গল্প করে, না হলে একজন আরেকজনের কুটনামি করে!”

    “তুমি যাও?”

    “মাঝে মাঝে যাই। যখন দেখি চুলগুলো ত্যানার মতো হয়ে গেছে, না হলে মুখের চামড়া কার্পেটের মতো খসখসে হয়ে গেছে, তখন যাই। বিউটি পার্লারে খুব স্মার্ট কয়টা মেয়ে আছে, তারা কীভাবে কীভাবে জানি ঠিক করে দেয়।”

    ফারিহাপু তখন হাত দিয়ে নিজের চুলগুলো পরীক্ষা করল, মুখে হাত বুলাল, তারপর ব্যাগ থেকে ছোট আয়না বের করে নানা অঙ্গভঙ্গি করে নিজের মুখ পরীক্ষা করতে লাগল। তারপর হতাশভাবে মাথা নেড়ে বলল, “নাহ্, আমার চেহারা আস্তে আস্তে ডাইনি বুড়ির মতো হয়ে যাচ্ছে।”

    টুনি বলল, “কী বলছ ফারিহাপু! তোমার চেহারা খুবই সুইট!”

    “ওইটাই তো সমস্যা। যাদের চেহারা ভালো তাদেরকে বলে সুন্দরী। আর যাদের চেহারা ফার্নিচারের মতো তাদেরকে ভদ্রতা করে বলে সুইট।”

    টুনি হেসে ফেলল, বলল, “না, আমি মোটেও সে জন্যে বলিনি–”

    ফারিহা টুনির কথা শেষ করতে দিল না, বলল, “আমি তোমার সাথে ঠাট্টা করছিলাম, চেহারা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। আমি কী দেখেছি জানো?”

    “কী?”

    “যে মানুষটাকে আমার ভালো লাগে তার চেহারা যে রকমই হোক, তাকে দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। অর্থাৎ মানুষ ভালো হলেই তার চেহারা ভালো।”

    টুনি মাথা নাড়ল। ফারিহাপু কথটা ঠিকই বলেছে। ফারিহাপু উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “কিন্তু যেহেতু আমি মানুষটা তত ভালো না, তাই বিউটি পার্লারে গিয়ে ফেসিয়াল করে আসি। অন্তত মুখের চামড়াটা জুতোর চামড়ার মতো থাকবে না।”

    টুনি জিজ্ঞেস করল, “ফেসিয়াল কী?”

    ফারিহাপু বলল, “ও, ফেসিয়াল কি তুমি জানো না?”

    “নাহ।”

    “মুখে একধরনের মাস্ক পরে বিশ-ত্রিশ মিনিট বসে থাকতে হয়। মুখের চামড়া পরিষ্কার হয়।”

    ফারিহাপু চলে যেতে যেতে থেমে গিয়ে বলল, “তোমার এখন কোনো কাজ আছে?”

    টুনি মাথা নাড়ল, বলল, “না, নাই।”

    “তাহলে চলো আমার সাথে। বিউটি পার্লারের ভিতরে কী হয় নিজের চোখে দেখে আসবে। তারপর কোনো একটা ফার্স্টফুডের দোকানে কিছু খেয়ে নেব। তোমার আম্মুর কাছ থেকে পারমিশান নিয়ে আসো। যাও।”

    .

    কিছুক্ষণ পরেই দেখা গেল লাল একটা গাড়িতে ফারিহাপুর পাশে বসে টুনি যাচ্ছে। ফারিহাপু নিজে সিট বেল্ট পরেছে, টুনিকেও পরিয়েছে। ফারিহাপুর গাড়িতে সিট বেল্ট না পরে কেউ নাকি উঠতে পারবে না। এই সিট বেল্টটা কেমন জানি টুনির গলায় ফাঁসের মতো আটকে আছে, এ ছাড়া কোনো সমস্যা নাই।

    টুনি আবিষ্কার করল ফারিহাপু খুব ভালো গাড়ি চালায়, ঢাকা শহরে ভিড়ের ভিতর দিয়ে এক রিকশার পাশ দিয়ে অন্য স্কুটারকে পিছনে ফেলে বাসকে পাশ কাটিয়ে গাড়ি চালানো খুব সহজ কথা না। টুনি খুব বেশি গাড়িতে ওঠেনি কিন্তু যখনই কারো গাড়িতে উঠেছে মনে হয়েছে ড্রাইভার বুঝি কাউকে ধাক্কা লাগাবে, শেষ মুহূর্তে গাড়ি হঠাৎ ব্রেক করে থামিয়েছে। ফারিহাপু সেটা করে না, কেমন যেন শান্তিমতো গাড়ি চালায়।

    ফারিহাপু একটা শপিং মলের নিচে গাড়ি পার্ক করল, তারপর টুনিকে নিয়ে শপিং মলের উপরে উঠে গেল। ছয়তলায় একটা বিউটি পার্লার, দরজায় ইংরেজি এবং বাংলায় লেখা “পুরুষ মানুষের প্রবেশ নিষেধ।” টুনি বেশ অবাক হলো, এ রকম জায়গা আছে সে জানত না। ফারিহাপুকে জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা ফারিহাপু, এই সাইনটা দেখে পুরুষ মানুষ রাগ করে না?”

    “করে নিশ্চয়ই। করলে করুক।”

    ফারিহাপু দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকল, ভিতরে এয়ারকন্ডিশন করা বেশ আরামের ঠান্ডা ঠান্ডা একটা ভাব। ফারিহাপু ঢুকতেই কম বয়সের ছোটখাটো একটা মেয়ে হাসি হাসি মুখে বলল, “আপা! এতদিন পরে আসলেন? আমাদেরকে ভুলে গেছেন?”

    ফারিহাপু বলল, “না না, ভুলব কেন? বাচ্চা কেমন আছে?”

    “বাচ্চার কথা বলবেন না। যত দিন যাচ্ছে তত বান্দরের বাচ্চার মতো হয়ে যাচ্ছে। এক সেকেন্ড শান্ত হয়ে বসে না।”

    “গুড!” ফারিহাপু বলল, “ছোট বাচ্চা যদি শান্ত হয়ে ভ্যাবলার মতো বসে থাকে তাহলে কেমন করে হবে?”

    মেয়েটি ফারিহাকে একটা কাউন্টারে নিয়ে গেল, সেখানে ফারিহাপু খানিকক্ষণ কথা বলল, তখন আরেকজন মেয়ে ফারিহাপুকে পাশের ঘরে নিয়ে এলো। সেখানে সারি সারি বিছানা, সেখানে নানা রকম মহিলা শুয়ে আছে। তাদের কারো কারো মুখে সাদা মাস্ক, শুধু চোখ দুটো দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ দেখলে চমকে উঠতে হয়, মনে হয় ছোট, বড়, মাঝারি অনেকগুলো ভূত শুয়ে আছে। তাদের দেখে টুনির হঠাৎ কেমন জানি হাসি উঠে গেল।

    ফারিহাপু ভেতরে কোথায় গিয়ে একটা অদ্ভুত গাউন পরে এলো, তখন টুনি বুঝতে পারল কেন বাইরে বড় বড় করে লেখা “পুরুষের প্রবেশ নিষেধ”। ফারিহাপু বিছানায় মাথাটা একটু উঁচু করে শুয়ে পড়ল, তখন একজন মহিলা একটা বাটিতে করে আলু ভর্তার মতো কিছু একটা নিয়ে এসে তার মুখে লাগাতে শুরু করল। টুনি একটু অবাক হয়ে দেখল ফারিহাপু দেখতে দেখতে অন্য বিছানায় শুয়ে থাকা মহিলাদের মতো ভয়ংকর হয়ে গেল, দুটো চোখ আর নাকের গর্ত ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না, মনে হয় একটা ভূত শুয়ে আছে।

    টুনি কাছে দাঁড়িয়ে আগ্রহ নিয়ে সবকিছু লক্ষ করছিল। ফারিহাপু বলল, “টুনি, তুমি ইচ্ছে করলে সোফায় গিয়ে বসতে পারো। এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।”

    টুনি বলল, “একটু দেখি কীভাবে ফেসিয়াল করা হয়।”

    যে মেয়েটি ফারিহাপুর মুখে আলু ভর্তার মতো জিনিসগুলো লাগাচ্ছিল সে হেসে বলল, “কেন? তুমি কি বিউটি পার্লার দেবে?”

    টুনি কিছু বলার আগেই ফারিহাপু বলল, “না না, টুনি বিউটি পার্লার দেবে না, সে বড় হয়ে ডিটেকটিভ হবে। এখনই সে কত কেস সলভ করছে। আপনি জানেন? পত্রিকায় টুনির উপর আর্টিকেল পর্যন্ত বের হয়েছে।”

    ফারিহাপুর কথা শুনে টুনি লজ্জা পেয়ে গেল, বলল, “ইশ! ফারিহাপু তুমি কী যে বলো!”

    ঠিক তখন ফারিহাপুর পাশের বিছানাটাতে মোটামুটি পাহাড়ের মতো বড় একজন মহিলা এসে ধপাস করে শুয়ে পড়ল। মহিলাটির চেহারায় কিছু একটা গোলমাল আছে, গোলমালটা কী টুনি ঠিক করে ধরতে পারল না। ঠোঁটের কটকটে লিপস্টিক নাকি মাথার উপর উঁচু করে রাখা চুল, নাকি থামের মতো বড় বড় হাত-পা কোনটা সমস্যা টুনি বুঝতে পারল না।

    মহিলার শরীরের ভারে বিছানাটা কাঁচক্যাচ করে উঠল এবং মহিলা ফাটা বাঁশের মতো শব্দ করে হুংকার দিল, বলল, “কে আছিস?”

    টুনির ভুরু কুঁচকে উঠল। মহিলাটা যে শুধু দেখতে বিদঘুঁটে তা নয়, তার ব্যবহারও বিদুঘটে। পার্লারে এসে কাউকে তুই করে বলা যায় না। সবাই এখানে কাজ করে, তাদের আপনি করে বলতে হবে। বয়সের বড় পার্থক্য থাকলে এবং অনেক দিন থেকে চিনলে মায়া করে তুমিও বলা যেতে পারে কিন্তু তুই কখনো বলা যায় না।

    মহিলাটার ভাষার কারণেই মনে হয় কেউ এলো না। তখন সে আবার চিৎকার করল, “আমার কাছে কে আসবি? কেউ নাই নাকি?”

    তখন একজন মেয়ে খুবই মুখ ভার করে এলো। জিজ্ঞেস করল, “কী করাবেন? ফেসিয়াল নাকি আমলা?”

    “এত কষ্ট করে হেয়ার ড্রেসার দিয়ে চুল ড্রেসিং করেছি, এখন আমলা করব নাকি? মাথার মাঝে ঘিলু নাই?”

    মেয়েটা অপমানটা সহ্য করে বলল, “শুধু ফেসিয়াল?”

    “ফেসিয়াল আর ম্যানিকিউর।” বলে মহিলাটি হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে ফোঁস ফোঁস করে নিশ্বাস নিতে লাগল।

    পার্লারের মেয়েটি বাটিতে ফেসিয়ালের আলু ভর্তার মতো জিনিসটা ঘুটতে ছুঁটতে নিয়ে এসে মহিলাটির মুখের মাঝে লাগাতে থাকে এবং ঠিক কী কারণ কে জানে, হঠাৎ করে টুনির শরীরটা ঘিনঘিন করতে থাকে। দেখতে দেখতে মহিলাটির চেহারাটাও রাক্ষসের মতো হয়ে গেল। অন্যদের থেকে এই মহিলাটির চেহারা আরো বিকট দেখাতে থাকে তার মোটা মোটা ঠোঁটের জন্যে। লিপস্টিক দিয়ে লাল করে রাখায় সেগুলো কেমন জানি রক্ত খেয়ে মোটা হয়ে থাকা জোঁকের মতো দেখাতে থাকে।

    মুখে মাস্ক লাগানোর পর অন্য আরেকটি মেয়ে এসে তার হাতের নখ কাটতে থাকে, মোটা মোটা গোবদা গোবদা আঙুলে ময়লা নখ, কাটতে গিয়ে মেয়েটির নিশ্চয়ই ঘেন্না লাগছে। চাকরি করার জন্যে একজনকে কত কী করতে হয়-আরেকজনের নখ পর্যন্ত কেটে দিতে হয়। কেন এই মহিলা নিজের নখ নিজে কাটতে পারে না?

    নখ কাটতে গিয়ে হঠাৎ করে নিশ্চয়ই কোথাও একটু খোঁচা লেগেছে। মহিলাটি তখন বিকট গলায় চিৎকার করে উঠল, শুনে মনে হতে লাগল কেউ বুঝি তার পেটে চাকু মেরেছে! হাতটা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে দিল। সেই গালিগালাজের ভাষা এত অশালীন যে শুনে টুনির কান পর্যন্ত লাল হয়ে ওঠে।

    তখন ফারিহাপু তার ভূতের মতো চেহারা নিয়ে হঠাৎ লাফ দিয়ে উঠে বসে মহিলাটির দিকে তাকিয়ে বলল, “এই যে মহিলা, আপনি পেয়েছেনটা

    কী? এটা কী ধরনের ভাষায় কথা বলছেন? ভদ্র ভাষায় কথা বলেন।”

    ফারিহাপুর কথায় মনে হলো মহিলার মুখের ভেতর কেউ পেট্রোল বোমা মেরে দিয়েছে, পাহাড়ের মতো মহিলা তার বিশাল শরীর নিয়ে উঠে বসে ফারিহাপুর দিকে তাকিলে বলল, “কে? তুমি কে? আমাকে দ্ৰ ভাষায় কথা বলা শেখানোর জন্যে তুমি কে?”

    ফারিহাপু মহিলার থেকেও জোরে বলল, “আমি কেউ না। কিন্তু এইখানে সব ভদ্রমহিলা আর ভদ্র মেয়েরা আছে। আপনি একজন এমপ্লয়ির সাথে এই ভাষায় কথা বলতে পারবেন না।”

    পাহাড়ের মতো মহিলা বলল, “আমার ইচ্ছা হলে বলব। একশ’বার বলব। ইচ্ছা হলে আরো খারাপ ভাষায় কথা বলব, তোমার কী? আমি কি এখানে মাগনা সার্ভিস নেই? আমি পয়সা দিয়ে সার্ভিস নেই।”

    ফারিহাপু বলল, “পয়সা দিলেই সবকিছু হয়ে যায় না। মানুষকে সম্মান করে কথা বলতে হয়। আপনার সম্মানবোধ না থাকতে পারে-আমাদের আছে। আমাদের সামনে আপনি এই ভাষায় এমপ্লয়িদের সাথে কথা বলতে পারবেন না।”

    “আমি বলব, তুমি কী করবে?” মহিলাটি এবারে লাফ দিয়ে বিছানা থেকে নেমে ফারিহাপুর বিছানার কাছে গেল, মনে হয় এখন মহিলাটি বুঝি ফারিহাপুকে একটা ঘুষি মেরে দেবে।

    ঠিক তখন টুনি মহিলার কানে একটি অত্যন্ত বিচিত্র জিনিস দেখতে পেল এবং হঠাৎ করে তার চোখ অবিশ্বাসে বিস্ফারিত হয়ে গেল। টুনি তখন এক লাফ দিয়ে ফারিহাপু এবং মহিলার মাঝখানে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলল, “ফারিহাপু সাবধান! এ কিন্তু পুরুষ মানুষ।”

    চিৎকার-চেঁচামেচিতে এমনিতেই পুরো পার্লারের সবাই এদিকে তাকিয়ে ছিল। টুনির কথা শুনে এবারে সবাই আতঙ্কের মতো একটা শব্দ করল।

    ফারিহাপু অবাক হয়ে বলল, “পুরুষ মানুষ!”

    টুনি মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ। দেখছ না কানে চুল? শুধু পুরুষ মানুষের কানে চুল হয়, মেয়েদের হয় না।”

    ফারিহাপু বলল, “কী বলছ তুমি!”

    “সত্যি বলছি। মেয়েদের দুটো এক্স ক্রোমোজোম থাকে, ছেলেদের একটা এক্স আরেকটা ওয়াই। শুধু ওয়াই ক্রোমোজোম থাকলে কানে চুল হয়। এই দেখো, কানে চুল। তার মানে পুরুষ।”

    পার্লারের যে মেয়েটি নখ কেটে দিচ্ছিল সে এবারে লাফ দিয়ে পিছনে সরে এসে বলল, “ছিঃ ছিঃ ছিঃ।”

    সবাই ধরে নিয়েছিল পাহাড়ের মতো মহিলা প্রতিবাদ করে কিছু একটা বলবে, কিন্তু মহিলা হঠাৎ করে চুপ করে গেল, তার মুখ দিয়ে শব্দ বের হলো না। পাশের বিছানা থেকে একজন মহিলা গাউন দিয়ে শরীরটা ভালো করে ঢেকে ঢুকে বলল, “আপনি পুরুষ?”

    মহিলা আমতা আমতা করে কিছু একটা বলে হঠাৎ করে যেটা করল তার জন্যে কেউ প্রস্তুত ছিল না। পার্লারের মেয়েটাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে কয়েকটা লাফ দিয়ে ঘর থেকে বের হবার চেষ্টা করে দরজায় ধাক্কা খেয়ে হুড়মুড় করে নিচে পড়ল। কোনোমতে লাফ দিয়ে উঠে আবার ছুটে পালানোর চেষ্টা করল, ঠিক তখন তেজি চেহারার একটি মেয়ে খপ করে তার চুল ধরে ফেলতেই তার মাথা থেকে পুরো চুলটা খুলে বের হয়ে টাক মাথা বের হয়ে এলো। কী বীভৎস একটি চেহারা! মাথায় টাক, মুখে ফেসিয়াল এবং মোটা মোটা লাল ঠোঁট।

    মানুষটা আবার ছুটে পালাতে গিয়ে তার গাউনে পা প্যাচিয়ে গেল এবং সে দড়াম করে একটা আলমারিতে ধাক্কা খেল। আলমারির কাঁচ ভাঙার শব্দের সাথে সাথে ঝনঝন করে কৌটা ক্রিম আর কাঁচের বোতল নিচে এসে পড়ল। মানুষটা কীভাবে জানি তার গাউনটা মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় হাঁচড়পাঁচড় করে সেটা খুলে ফেলল, নিচে একটা খাকি হাফ প্যান্ট। সেই অবস্থায় কোনোভাবে লাফ দিয়ে উঠে ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে সে ছুটতে থাকে। পার্লারের কয়েকটা তেজি মেয়ে “ধর ধর” বলে চিৎকার করতে করতে তার পিছনে ছুটতে থাকে।

    খালি গায়ে টাক-মাথার রোমশ একজন মানুষ খাকি একটা হাফ প্যান্ট পরে শপিং মলের ভিতর দিয়ে ছুটে যাচ্ছে, যার মুখে ফেসিয়াল মাস্ক এবং ঠোঁটে লিপস্টিক এবং যার পিছনে কয়েকটা মেয়ে তাকে ধরার জন্যে ছুটে যাচ্ছে-এর থেকে বিচিত্র দৃশ্য আর কী হতে পারে?

    .

    ফারিহাপু যখন টুনিকে নিয়ে পার্লার থেকে বের হয়ে যাচ্ছিল তখন পার্লারের যে কয়জন মহিলা এবং মেয়ে ছিল সবাই টুনির সাথে একটা করে সেলফি তুলল। শুধু তা-ই না, দুজনকে তার অটোগ্রাফ দিতে হলো। কাউন্টারে ফারিহাপুকে বিল দিতে হলো না, ম্যানেজার মহিলাটি বলল, “আপনার বিলটি আমরা দিয়ে দিচ্ছি।”

    তারপর টুনির দিকে তাকিয়ে বলল, “এই যে ছোট ডিটেকটিভ, তোমার যেদিন বিয়ে হবে সেদিন আমাদের কাছে এসো, আমরা তোমাকে সাজিয়ে দেব। সব খরচ আমাদের।

    টুনি ঠোঁট উল্টে বলল, “আমি কখনো বিয়ে করবই না!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযখন টুনটুনি তখন ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }