Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প121 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৩ সেন্ট মেরি কিন্ডারগার্টেন স্কুল

    ২.৩

    সেন্ট মেরি কিন্ডারগার্টেন স্কুল নামটি যত ভারী, সেই তুলনায় স্কুলটি বেশ ছোট। একটি দোতালা বাড়ির একতলার পাঁচখানা ঘর ভাড়া নিয়ে স্কুলটি চলে। বাড়ির মালিক আর তাঁর স্ত্রী, দুজনেই বুড়ো-বুড়ি, থাকেন দোতলায়। তাদের তিন ছেলেমেয়েই থাকে বিদেশে। একটি মাত্র কাজের লোক, তারও বয়েস প্রায় ষাট।

    একতলার ঘরগুলি ছাড়া পেছন দিকে রয়েছে একটা বেশ বড় উঠোন, তার একপাশে অনেকগুলি ফুলের টব। সেদিকেই দুটো বাথরুম, আর একটা ছোট ঘর, সঙ্গে এক টুকরো বারান্দা। সেই ঘরে থাকে সেই স্কুলের আয়া লক্ষ্মীমণি, বারান্দায় তার রান্নাঘর।

    স্কুলের এক দারোয়ান ও একজন বেয়ারাও আছে। বেয়ারাটি রাত্তিরে থাকে না, দারোয়ানটি স্কুলের একটা ঘরেই শোয়।

    স্কুলটি বড় রাস্তার ওপরে নয়, একটা গলির মধ্যে, তবে সেখান দিয়ে দুটো গাড়ি পাশাপাশি যেতে পারে। গলিটা যেখানে বড় রাস্তায় পড়েছে, সেখানে একটি পুরোনো আমলের রেস্তোরাঁ, চপ কাটলেট বিক্রি হয়।

    সকালের দিকে এ রেস্তোরাঁয় বিশেষ কেউ আসে না। এখন বেলা এগারোটা, শুধু একটা টেবিলে তিনজন ব্যক্তি বসে আছে অনেকক্ষণ ধরে। দেখলে সাধারণ ভদ্রলোক বলেই মনে হবে। কোনও সন্দেহ করারই উপায় নেই যে এই তিনজনের মধ্যে দুজনই বেশ উচ্চপদের পুলিশ অফিসার, অন্যজনের বয়েস কম হলেও এসেছে দিল্লি থেকে।

    ঘণ্টাখানেক কেটে গেছে, শুধু-শুধু বসে থাকা যায় না, কাপের পর কাপ চা অর্ডার দিয়ে যাচ্ছেন এঁরা।

    বর্ধন বললেন, আর কতক্ষণ বসে থাকব? আর কত চা খাব? একটা চিংড়ির কাটলেট খেলে মন্দ হত না। ওহে কবির, দ্যাখো না, চিংড়ির কাটলেট পাওয়া যায় কিনা। তুমি দাম দেবে।

    দোকানের মালিক বসে আছেন এক কোণের কাউন্টারে। কবির সেই দিকে চেয়ে বললেন, তিনটে চিংড়ির কাটলেট পাঠিয়ে দিন না।

    মালিক ঘড়ঘড়ে গলায় বললেন, কাটলেট এখনও তৈরি হয়নি। কেক খাবেন?

    বর্ধন ফিসফিস করে বললেন, ওই কেকগুলো কতদিনের বাসি, তা কে জানে। এত বেলাতেও চিংড়ির কাটলেট তৈরি হয় না, এ দোকান চালাবে কী করে? এ দোকান উঠে গিয়ে এখানে ওষুধের দোকান হল বলে!

    দুর্লভ বলল, কেন, ওষুধের দোকান কেন? অন্য কোনও দোকানও হতে পারে।

    বর্ধন বললেন, আমি দেখেছি, ওষুধের দোকানের কোনও মার নেই। যে পাড়াতেই খোলো, ঠিক চলবে, সব সময়ে দোকানে ভিড়।

    বর্ধন হেসে বললেন, সেই ছাত্র বয়েসের পর আর কখনও…সে কতকাল আগের কথা, আমাদের নর্থ ক্যালকাটায় এরকম অনেক চায়ের দোকান ছিল…এ স্কুলটার কখন ছুটি হবে?

    খুব সম্ভবত বারোটায়।

    আরও এক ঘণ্টা এখানে বসে থাকতে হবে?

    স্যার, আপনার মতন একজন এত বড় অফিসার এই সামান্য একটা কেস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন, এ কথা শুনলেও তো কেউ বিশ্বাস করবে না। আপনি আর কেন বসে থাকবেন? যা করবার, আমরা দুজনেই ম্যানেজ করব।

    কেন যে মাথা ঘামাচ্ছি, তা আমি নিজেই জানি না। মানবিকতা বনাম আইন। একটা অসহায় মেয়েকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে দেওয়া কিংবা তাকে জেলে পাঠানো। সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কঠিন। তবে কী জানো, এখানে বসে থাকতে বেশ মজাও লাগছে। যেন ছেলেবেলায় ফিরে গেছি। যে কাজ সাধারণ একজন সাব ইনস্পেকটরের করার কথা, সে কাজ নিয়ে বসে আছি আমরা তিনজন। মেয়েটি যদি দোষী না হয়, তাহলেও তার জীবনটা নষ্ট করে দেওয়ার অধিকার কি আমাদের আছে?

    আরও দুকাপ করে চা পান করার পর স্কুলে ছুটির ঘণ্টা বাজল।

    এই টেবিল থেকে স্কুলের প্রবেশদ্বারটি স্পষ্ট দেখা যায়। এর মধ্যে অনেক গার্জেন এসে ভিড় করেছেন সেখানে। তাদের মধ্যে মহিলাই বেশি।

    কলকল করতে করতে বেরিয়ে আসতে লাগল ছেলেমেয়েরা। সঙ্গে-সঙ্গে রাস্তাটা যেন বর্ণময় হয়ে উঠল। বাচ্চাদের ঝলমলে হাস্যময় মুখ, মায়েদের কতরকম শাড়ির রং।

    বর্ধন বললেন, মায়ের হাত ধরে একটা পাঁচ বছরের শিশু হাঁটছে, এটা পৃথিবীর একটা অন্যতম সুন্দর দৃশ্য। আমি এসে ভালোই করেছি। কতদিন একসঙ্গে এত বাচ্চা দেখিনি। আমার নাতনির কথা মনে পড়ছে। তার বয়েস চার বছর, দূর বিদেশে থাকে, আমি শুধু কমপিউটারে ছবি দেখি।

    নানারকম রিকশা, গাড়িতে রাস্তাটা ভরতি হয়ে গেল।

    আবার মিনিট দশেকের পর সব খালি।

    এবার বেরুলেন শিক্ষয়িত্রীরা। মোট পাঁচজন। তারও একটু পরে প্রধান শিক্ষিকা।

    কবির বললেন, ওই যে আমার বন্ধুর স্ত্রী বিশাখা। ওঁকে কি ডাকব? ওঁর সঙ্গে আগে কথা বলব?

    কয়েক মুহূর্ত চিন্তা করে বর্ধন বললেন না, থাক। এখনই ওঁকে কিছু বলার দরকার নেই। আগে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে দেখি। কী যেন ওর নাম, সরস্বতী না কালী?

    লক্ষ্মীমণি। আমরা কি এবার স্কুল বাড়িটার মধ্যে ঢুকব?

    সেটাও বোধহয় ঠিক হবে না। তুমি একা গিয়ে ওকে ডেকে আনতে পারবে?

    তা পারব। কিন্তু আমরা কোথায় কথা বলব? এই চায়ের দোকানে?

    ধ্যাৎ! তা আবার হয় নাকি? তোমার অফিসেও বোধহয় নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে না। কেউ না কেউ উঁকিঝুঁকি মারবে!

    দুর্লভ সিং খানিকটা বিরক্তভাবেই বলল, আমরা ওকে নিয়ে এত চিন্তা করছি কেন? এটা আমাদের অফিশিয়াল ডিউটি। ওকে অফিসে ডেকে নিয়ে জেরা করাই তো স্বাভাবিক। আমরা কি শুধু-শুধু সময় নষ্ট করছি না?

    কবির বললেন, ইয়েস, আমাদের কিছুটা সময় নষ্ট হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু আমরা এতটা সাবধান হচ্ছি, তার কারণ, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি, যাতে ওকে বাঁচানো যায়। এখানকার সবাই জানে, একটা গ্রামের গরিব পরিবারের স্বামী-পরিত্যক্তা মেয়ে, অসহায় কিন্তু সৎ, এই স্কুলে আয়ার কাজ করছে। এই কাজ পেয়ে লক্ষ্মীমণি সুস্থভাবে বাঁচার অধিকার পেয়েছে। ওকে যে পাচারকারিরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল, তারপর অনেক ঘাটের জল খেয়েছে, কিছুদিন বেশ্যাবৃত্তিও করেছে বাধ্য হয়ে, তা একবার জানাজানি হয়ে গেলে, সঙ্গে-সঙ্গে ওর চাকরি যাবে। ওর সামনে তখন আর দুটি মাত্র রাস্তা খোলা থাকবে। হয় বেশ্যাবৃত্তিতে আবার ফিরে যাওয়া অথবা আত্মহত্যা করা। কেউ কেউ আত্মহত্যাও করে। গত মাসেই এরকম একটা কেস হয়েছে।

    বর্ধন নিঃশব্দে মাথা নাড়লেন।

    দুর্লভ বলল, কিন্তু ও যদি একটা খুনের ব্যাপারে জড়িত থাকে, তাহলে তো ওকে শাস্তি পেতেই হবে। ওকে দয়া দেখাবার কি অধিকার আছে আমাদের?

    কবির বললেন, শাস্তির যোগ্য হলে শাস্তি পেতেই হবে। ক্ষমা করার অধিকার আমাদের নেই, তা জানি। কিন্তু সত্যি সত্যি ও সেই অপরাধ করেছে কিনা, তা আগে এস্টাব্লিশ করা দরকার। সেইজন্যই আমরা যতদূর সম্ভব সাবধানে এগোতে চাই। একটা পুরুষমানুষকে থানায় ডেকে নিয়ে জেরা করলে মানুষ কিছু মনে করে না। কিন্তু একটা মেয়েকে…মানুষের মনে একবার সন্দেহ ঢুকলে আর যায় না।

    বর্ধন রাস্তার দিকে তাকিয়ে বললেন, স্কুল বাড়ি থেকে এখন যে বেরিয়ে আসছে, সে

    কবির এক পলক দেখেই বললেন, ওই তো লক্ষ্মীমণি!

    বর্ধন বললেন, এই রে, ও কোথায় যাচ্ছে?

    কবির বললেন, হাতে একটা থলে। খুব সম্ভবত বাজারে। তরকারি-টরকারি কিনবে।

    বর্ধন বললেন, বারোটা বেজে গেছে। এখন কেউ বাজারে যায়? এখন কী পাবে?

    কবির বললেন, স্যার, গরিব মানুষরা এই সময়েই বাজারে যায়। এখন ঝড়তি-পড়তি জিনিস পাওয়া যায় সস্তায়। একটু-একটু পচা মাছ বিক্রি হল জলের দরে।

    বর্ধন উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আরে, ও বাজারে ঢুকে পড়লে আমরা আর ওকে পাব কী করে? ওকে এক্ষুনি ধরতে হবে।

    টেবিলের ওপর চায়ের দাম রেখে ওঁরা হুড়মুড়িয়ে বেরিয়ে এলেন বাইরে।

    লক্ষ্মীমণি ওঁদের সামনে দিয়েই চলে গেল।

    তিনজন হাঁটতে লাগলেন তার পিছু পিছু।

    কয়েক পা গিয়েই থেমে গিয়ে বর্ধন বললেন, একটা মেয়েকে ফলো করব আমরা তিনজন মদ্দা, পাড়ার লোক আমাদেরই না মেয়ে-ধরা মনে করে পিটুনি দিতে শুরু করে।

    নিজের রসিকতায় তিনি নিজেই জোরে হেসে উঠলেন।

    কবির বললেন, আপনারা দাঁড়ান স্যার, আমি ওর সঙ্গে কথা বলছি।

    তিনি এগিয়ে গেলেন দ্রুত পায়ে।

    লক্ষ্মীমণি এক জায়গায় রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছে। কবির তার পাশে এসে যেন হঠাৎ দেখতে পেয়েছেন, এই ভাবে বললেন, আরে, তুমি সেই লক্ষ্মীমণি না? আমায় চিনতে পারছ?

    লক্ষ্মীমণি মোটেই ভয় পেল না কবিরকে দেখে। খুব স্বাভাবিকভাবে বলল, কেন চিনব না! আপনিই তো সেই সাহেব, আমার প্রাণ বাঁচিয়েছেন!

    ঝট করে ঝুঁকে সে কবিরের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল।

    কবির বললেন, তুমি তো একটা চাকরি করো, তাই না? এখানেই থাকো?

    লক্ষ্মীমণি বলল, হ্যাঁ, সাহেব, ইস্কুলেই আমাকে থাকার একটা জায়গা দিয়েছে। আমি আর যাব কোথায়?

    তুমি একাই থাকো?

    জি। নিজেই বেঁধেবেড়ে খাই।

    এখন বাজারে যাচ্ছ?

    জি, দেখি যদি কিছু চুনো মাছ পাই। আজ আমার সোয়ামি দেশ থেকে রাতে আসবে। আমার হাতের রান্না খেতে চায়। যেদিন আসে, খেয়েদেয়েই যায়।

    কবির একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। এর স্বামী একে বিক্রি করে দিয়েছিল। কোনওক্রমে উদ্ধার পেয়ে এ ফিরে এসেছে, কিন্তু এর স্বামী-শাশুড়ি আর একে ফেরত নেবে না। নিজেদের সংসারে স্থান দেওয়ারও প্রশ্ন নেই। তবু সেই স্বামীটি এর সঙ্গে দেখা করতে আসে, এখানে খেয়ে যায়, কিছু টাকাও নেয় বোধহয়। মানুষ আর কত নির্লজ্জ হৃদয়হীন হতে পারে। আর বাঙালি মেয়েরা সহ্য করে নেয় সবকিছু।

    কবির বললেন, শোনো, তোমার সঙ্গে একটু দরকার আছে। তুমি আমাদের কাছে যা স্টেটমেন্ট, মানে ইয়ে যে এজাহার দিয়েছিলে, তার সবটা লিখে রাখা হয়নি। আমাদের রেকর্ড রাখতে হয়। তাই তুমি চলো আমার সঙ্গে, বেশি না, ঘণ্টাখানেকের জন্য। আমার সঙ্গে গাড়িতে উঠবে?

    লক্ষ্মীমণি এস্তভাবে বলল, না, না সাহেব, আপনার সঙ্গে গাড়িতে যেতে পারব না। এদিককার দোকানের লোকেরা আমাকে চেনে, তারা কে কী ভাববে! কোথায় যেতে হবে বলুন, আমি নিজেই চলে যাব।

    কবির বললেন, সেটাই ভালো। তুমি বরং, এখান থেকে ওই বাসে ওঠো। টিকিট কাটার সময় বলবে, ন্যাশনাল লাইব্রেরি। বলতে পারবে? জাতীয় গ্রন্থাগার, এটা মনে রাখতে পারবে? আচ্ছা থাক, বলবে চিড়িয়াখানা। সেখানে বাস থামলেই নেমে পড়ো। ভালো করে জিগ্যেস করে চিড়িয়াখানায় নামবে।

    লক্ষ্মীমণি ঘাড় হেলিয়ে বলল, আচ্ছা।

    কবির ওর বাসে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন রাস্তার এপারে।

    সেই বাসে চিড়িয়াখানায় পৌঁছবার আগেই কবিরদের গাড়ি সেখানে উপস্থিত। লক্ষ্মীমণি বাস থেকে নামতেই কবির বললেন, এবার তুমি গাড়িতে ওঠো, এখানে কেউ তোমায় চিনবে না।

    সে গাড়িতে ওঠার পর বর্ধন বললেন, হুঁ, তোমারই নাম পদ্ম? বয়েস তো বেশি না? তোমার দুটো ছেলেমেয়ে থাকে কী করে?

    লক্ষ্মীমণি হি হি করে হেসে উঠল।

    কবিরও মৃদু হেসে বললেন, স্যার, এর নাম পদ্ম নয়, লক্ষ্মী। ওর বয়েস প্রায় বত্রিশ। এই বয়েসের মেয়ের দুটি ছেলেমেয়ে তো থাকতেই পারে। গ্রামের এইসব মেয়ের তো বিয়েই হয় চোদ্দ-পনেরো বছর বয়সে।

    বর্ধন বললেন, চাইলড় ম্যারেজ? ভেরি ব্যাড, ভেরি ব্যাড।

    এর মধ্যেই ঠিক করা হয়েছিল, বসা হবে বর্ধন সাহেবের বাড়িতে। গাড়ি ঢুকল গেট দিয়ে। বিশাল কমপ্লেক্স। পঁচাশিখানা ফ্ল্যাট, বর্ধনেরটা চোদ্দ তলায়।

    লিফট দিয়ে ওপরে উঠে আসার পর লক্ষ্মীমণি একেবারে থ। কোনও বাড়ির এত উঁচুতলায় সে কখনও আসেনি। জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইল।

    বর্ধন বললেন, ওই যে দেখতে পাচ্ছ, গঙ্গা? আর ওই সেতুটার নাম বিদ্যাসাগর ব্রিজ।

    লক্ষ্মীমণি এবার বলল, গঙ্গা নদী? রোজ ঘুম থেকে উঠেই আপনি মা গঙ্গাকে দেখতে পান? তা হলে আপনার খুব পুণ্য হয়।

    বর্ধন বললেন, পুণ্য? কী জানি। পুলিশের চাকরিতে তো শুধু পাপই জমে ওঠে।

    খাওয়ার ঘরে গোল টেবিলটাতেই বসা হল। লক্ষ্মীমণি কিছুতেই এত বড়-বড় সাহেবদের সামনে চেয়ারে বসবে না, সে দাঁড়িয়েই থাকতে চায়।

    বর্ধন ধমক দিয়ে তাকে জোর করে বসালেন।

    তারপর তিনি বললেন, সকাল থেকে চা খেয়ে আমাদের পেট ঢোল হয়ে গেছে, আর চা চলবে না। এখন ডিউটির সময় বিয়ারও খাওয়া যাবে না। সুতরাং কিছু অফার করছি না।

    দুর্লভ বলল, স্যার, আগে আমাদের কাজটা সেরে নেওয়া হোক।

    কবির বললেন, শোনো লক্ষ্মী, আমি তোমায় কয়েকটা প্রশ্ন জিগ্যেস করব। বাংলায় বলে তারপর এনাকে ইংরিজিতে বুঝিয়ে দেব। তোমার সঙ্গে যখন আমার শেষ কথা হয়, তখন তুমি আমাকে দুটো-একটা মিথ্যে বলছিলে কী?

    সবাইকে অবাক করে দিয়ে, অস্বীকার না করে, সঙ্গে-সঙ্গে সে উত্তর দিল, তা বলেছি। বোধহয়!

    কবির বললেন, কেন বলেছিলে, আমরা তো তোমার ওপর কোনও জোর-টোর করিনি?

    লক্ষ্মী বলল, কী জানি কেন। মাঝে-মাঝে মুখ দিয়ে এমনিই বেরিয়ে আসে। তা ছাড়া সব সত্যি কথা বললে অনেকে বিশ্বাস করে না।

    বর্ধন এক হাতে নিজের থুতনি ঘষতে ঘষতে বললেন, তা ঠিক, সত্যিটাই অনেক সময় বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। সামটাইমস টুথ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যান ফিকশান।

    কবির জিগ্যেস করলেন, কলকাতায় ফিরে আসার আগে, তুমি দিল্লির রাজেন্দ্রনগরের একটা বাড়িতে ছিলে। তাই তো?

    হ্যাঁ বাবু, সেটা বেশ বড় বাড়ি। পাকা বাড়ি। রান্নাঘরের পাশে ফিরিজ ছিল।

    সে বাড়ি ছাড়লে কেন?

    ওরে বাবারে, সে বাড়িতে একদিন যে একটা মানুষ খুন হল। ভাবলেও এখন গায়ে কঁটা দেয়। একজন বাবু আর একজন বাবুকে গুলি করে খুন করল। তারপর সে খুনিবাবুটা দুমদুম করে গুলি চালাতে-চালাতে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এল। তাই দেখে ভয়ে আমি দৌড় লাগালাম। আমার জামা কাপড় সব ফেলে–

    দুর্লভ বলল, এটাও ঠিক নয়। সহদেব আচারিয়া গুলিতে খুন হয়নি। তার বডিতে কোনও বুলেট উন্ড ছিল না, মাথাভরতি কাঁচ।

    কবির লক্ষ্মীকে জিগ্যেস করলেন, তুমি যে বাইজিটির কাছে কাজ করতে, তার ঘরেই খুন হয়েছিল। তুমি তখন ছিলে সে ঘরে? খুনটা নিজের চোখে দেখেছ?

    না, আমি তখন ঘরের বাইরে। গুলির আওয়াজ শুনেছি। তারপর একটা বাবু বন্দুক হাতে বেরিয়ে এল।

    সেই দুই বাবুর চেহারা তোমার মনে আছে? কেমন চেহারা ছিল?

    বাবুদের চেহারা যেমন হয়। সুন্দর মতন, ফরসা, একজনের মাথা-ভরতি চুল, অন্যজনের। একটু-একটু টাক। একজন সিল্কের পাঞ্জাবি পরা, হাতে একটা লোহার বালা। অন্যজন প্যান্টুল আর জামা

    যার হাতে লোহার বালা, সে-ই তো খুন হল?

    না, না। অন্য বাবুটা। যার হাতে লোহার বালা, সেই তো ঘর থেকে বেরিয়ে এসেও গুলি চালাতে লাগল, আমি তখন ভয়ে এক কোণে

    দুর্লভ বলে উঠল, রং রং। সহদেব আচারিয়ার হাতেই লোহার বালা ছিল। খুন হয়েছে। সে। ডেডবডিতেও সেই লোহার বালা ছিল।

    কবির লক্ষ্মীকে জিগ্যেস করলেন, তোমার ঠিক মনে আছে? সিঁড়ি দিয়ে কে নেমে এসেছিল?

    লক্ষ্মী ঘাড় কাৎ করে জোর দিয়ে বলল, স্পষ্ট মনে আছে বাবু, ঘরের মধ্যে অন্য লোকটা মরে পড়ে রইল, আর এই লোকটা ধুতি আর কুর্তা পরা, ধুতি খুলে গেছে, ষাঁড়ের মতন চাঁচাতে চাচাতে সিঁড়ি দিয়ে নামছে। এই বাবুটাকে তো আগেও দু-তিনবার দেখেছি ও বাড়িতে, সেই লোহার বালা পরত। একদিন ওই লোহার বালা দিয়ে সোডার বোতলের ছিপি খুলেছিল।

    কবির এবার মুখ ফিরিয়ে দুর্লভকে জিগ্যেস করলেন, ডেডবডির পোশাক কী ছিল?

    দুর্লভ মাথা নেড়ে বলল, ধুতি কুর্তা। হাতে লোহার বালা।

    কবির বললেন, তা হলে, অ্যাকরডিং টু লক্ষ্মী, যে খুন হয়েছিল, সে শিউলাল ঝা। কিন্তু শিউলাল তো খুন হয়নি। সে কয়েকদিন পরে নিজেই এসেছিল থানায়–

    দুর্লভ বলল, খুন তো হয়েছিল একজন, সেটা শিওর। ডেডবডি পাওয়া গেছে। সময়টাও মিলে গেছে।

    বর্ধন বললেন, সব কিছুই যে গুলিয়ে যাচ্ছে হে।

    টেবিলের ওপর রাখা একটা কাচের জার থেকে তিনি একটা গেলাশে জল ঢালতে গেলেন। জলভরতি ভারী জারটা তিনি ধরে রাখতে পারলেন না, সেটা পড়ে গেল মেঝেতে। বিকট শব্দে সেটা টুকরো-টুকরো হয়ে গেল, জল গড়াতে লাগল চারদিকে।

    বর্ধন বললেন, এঃ হে, হে। মনার মা, মনার মা

    একজন স্থূলাঙ্গিনী মহিলা বেরিয়ে এলেন ভেতর থেকে। বর্ধন কিছু বলার আগেই তিনি বকুনি দিয়ে বললেন, আবার ভেঙেছেন? এই নিয়ে তিনটে ভাঙল একমাসে। কী করে করেন!

    বর্ধন একটু অপ্রস্তুত ভাবে বললেন, পড়ে গেল, কী করব। একটা ঝটা আনো–

    এর মধ্যেই লক্ষ্মীমণি পাশের বাথরুমে ঢুকে একটা ঝাটা আর একটা ঘর মোছা ন্যাতা গোছের নিয়ে এল। পরিষ্কার করতে শুরু করল উবু হয়ে বসে।

    বর্ধন তাকে বললেন, আরে, আরে, তুমি ওসব কী শুরু করলে? ওঠো-ওঠো।

    লক্ষ্মীমণি অবাক হয়ে বলল, পরিষ্কার করব না? ভাঙা কাঁচ, যদি পায়ে ফোটে!

    মনার মা রান্নাঘরে কিছু একটা চাপিয়ে এসেছিল, সেটা সামলে আবার ফিরে আসার মধ্যেই লক্ষ্মীমণি নিপুণ হাতে সব কাঁচ একপাশে সরিয়ে জল মুছে ফেলেছে।

    কবির তাকে বললেন, ঠিক আছে, হয়েছে। এবার উঠে বসো

    দুর্লভ বলল, স্যার, এবার আমি ওকে জেরা করতে পারি? তুম হিন্দি সামঝো?

    লক্ষ্মী বলল, হিন্দি? একটু একটু।

    দুর্লভ হিন্দিতে জিগ্যেস করল, তুমি গীতা চাওলা বলে কারুকে চেনো?

    দু-দিকে মাথা নেড়ে লক্ষ্মীমণি বলল, না।

    তুমি যার কাছে কাজ করতে, তার নাম কী?

    জানেমন বিবি।

    নাম ভাঁড়িয়ে থাকতে পারে। তার চেহারা কেমন?

    পাতলা পানা। খুব ফরসা। কোমরটা খুব সরু আর বুকের এই জাগাটা, বেশ চওড়া। ঠোঁট সব সময় লাল। মাথার চুল একটু কুঁকড়া কুঁকড়া।

    গীতা চাওলার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে। তার ঘরে একজন খুন হয়েছিল। তুমি বললে, হাতে বালা পরা সহদেব আচারিয়া তার দোস্ত শিউলাল ঝা-কে খুন করে পালিয়ে যায়। এটা ঠিক নয়। শিউলাল ঝা বেঁচে আছে। তা হলে তুমি মিথ্যে বলছ কেন?

    মিথ্যে তো বলিনি। যা দেখেছি, তাই বললাম। ধুতি পরা বাবুটাকেই আমি বন্দুক হাতে সিঁড়ি দিয়ে নামতে দেখলাম।

    ঠিক আছে। সেটা আমরা পরে সম্ভ করব। সেই খুনের ঘটনার পর তুমি ওই বাড়িতে কতদিন ছিলে?

    থাকি নাই তো? ভয়ে দৌড় দিছি।

    কবির বললেন, তুমি স্টেটমেন্ট দিয়েছিলে, ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা দৌড়ে বেরিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে আশ্রয় চেয়েছিলে। এখন দেখা যাচ্ছে, তোমার এ কথাটাও সত্যি নয়।

    লক্ষ্মীমণি চুপ করে রইল।

    দুর্লভ বলল, অফ কোর্স মিথ্যে কথা। রেকর্ডে আছে, ওই ঘটনার সাতদিন পর দিল্লি পুলিশ একটা স্মাগলারদের ডেন রেইড করে পাঁচটি বাংগালি মেয়েকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে একজন ছিল সরিফন বিবি। এখন অবশ্য শোনা যাচ্ছে, সরিফন বিবি আগেই ডেড। তার বদলে এই মেয়েটি ছিল সেই দলের মধ্যে।

    কাচের জারটি ভাঙার লজ্জা কাটিয়ে ওঠবার জন্য বর্ধন নিজেই এবার জিগ্যেস করলেন, তুমি পুলিশের কাছে নিজে ধরা দাওনি?

    লক্ষ্মী বলল, না।

    বর্ধন আবার বললেন, তবে, এই মিথ্যেটি বলেছিলে কেন?

    বড়বাবু, পুলিশের কাছে কি নিজে যাওয়ার সাহস আছে। পুলিশের নামেই তো বুকটা কাঁপে। ওই সব খুন-জখমের ব্যাপার দেখে বুকটা ধড়াস-ধড়াস করছিল। আমি আর গোলাপি নামে আর একজন দৌড়ে-দৌড়ে রাস্তায় এদিক-ওদিক ঘুরি। গোলাপি বলল, সে আগে একটা বাড়িতে কাজ করত, সেখানে গেলে থাকা যাবে, তাই একটা অটো রিকশা চেপে চলে গেলাম সেখানে। সেখানেই লুকিয়ে ছিলাম। সাতদিন পর পুলিশ আমাদের উদ্ধার করে। পুলিশ তখন খুনের কথা কিছু বলে নাই, আমরাও মুখ খুলি নাই।

    দুর্লভ বলল, স্যার, ওর এই কথাটাও মিথ্যে। খুনের পর আরও অন্তত চারদিন এই মেয়েটি সেই বাড়িতেই ছিল। এর ঘরের মেঝেতেই মেঝেটা খুঁড়ে লাশটা পুঁতে রাখা হয়েছিল। একটা খাট পেতে ঠান্ডা মাথায় এ সেখানে শুয়ে থেকে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়েছিল।

    কবির বলেন, এটাই সত্যি, তাই না?

    লক্ষ্মীমণি খানিকটা বিভ্রান্ত ভাবে বলল, আমি? সেখানে শুয়েছিলাম? না, না, আমি না, আমি না। সরিফন হতে পারে। সরিফন আমাদের সঙ্গে পালায়নি।

    সরিফন বিবি? তুমি যে বলেছিলে, সরিফনকে তুমি চেন না? সরিফন তোমাদের সঙ্গে একই বাড়িতে ছিল। আগে তো একবারও বলনি?

    লক্ষ্মীমণি তিনজনের মুখের দিকে পর্যায়ক্রমে তাকিয়ে বলল, বলি নাই ঠিকই। যখন ও লাইনে ছিলাম, তখন আমাদের বারবার করে শিখায়ে দিয়েছিল, একজন কেউ ধরা পড়লে কিছুতেই অন্যদের নাম বলবে না। পুলিশ জিগ্যেস করলেও বলবে না। তা ছাড়া, আপনে বলছিলেন সরিফন বেঁচে নাই। তাই আর কিছু বলি নাই।

    দুর্লভ বলল, স্যার, যা বোঝবার বুঝে গেছি। এ মেয়ে অতি তুখোড় মিথ্যেবাদী। খুনের পর লাশটা গায়েব করার ব্যাপারে এ নিশ্চিত সাহায্য করেছে। এখন ওকে অ্যারেস্ট করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

    কবির বললেন, লক্ষ্মীমণি, আমরা আর তোমার কোনও কথায় বিশ্বাস করতে পারছি না। খুনের পরেও তুমি ওই বাড়িতে…

    লক্ষ্মীমণি এবার আর্ত গলায় চিৎকার করে বলল, না, আমি না, আমি না। বিশ্বাস করেন, মা কালীর দিব্যি। ওই বাবুটা যখন গুলি চালাইলো, তারপর আর দশ মিনিটও সেই বাড়িতে থাকি নাই। আর কোনওদিন সেদিকে যাই নাই। সরিফন ছিল, তার শরীর খারাপ, খুব জ্বর, আর ওই বাড়িতে দারোয়ানের সঙ্গে তার আশনাই ছিল, তাই সে আসতে চায় নাই।

    দুর্লভ বলল, আর কি কথা বাড়াবার দরকার আছে! এবার এই মেয়েটিকে আপনারা দিল্লি পুলিশের হাতে ছেড়ে দিন।

    কবির খানিকটা বিরক্ত ভাবেই বললেন, লক্ষ্মী, তোমাকে এখন দিল্লিতে যেতেই হবে। আমাদের আর তোমাকে আটকে রাখার উপায় নেই।

    হুহু করে চোখ ফেটে জল এল লক্ষ্মীর। সে হাউহাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলল, না, না, আমি আর দিল্লিতে যাব না! আবার আমি ওই চক্করে পড়তে চাই না। এখন আমি কত শান্তিতে আছি, আমার স্বামী আমাকে নেয় না, আমার ছেলেমেয়েকে কাছে পাই না। তবু, তবু, খেয়ে পরে মানসম্মান নিয়ে বেঁচে আছি। ইস্কুলের চাকরিটা আমার কী ভালো যে লাগে, ছোট ছোট সব দুধের ছেলেমেয়ে, তাদের মুখগুলি দেখলেও শান্তি লাগে, আমি আর কিছু চাই না–

    চেয়ার থেকে নেমে মাটিতে হাঁটুগেড়ে বসে সে হাত জোড় করে বলতে লাগল, এই কয়টা বছর, কত অপমান সয়েছি, কত মার খেয়েছি, আমার এই শরীরটা নিয়ে কত অত্যাচার হয়েছে, এখন বাবুগো, যেটুকু শাস্তি পেয়েছি, সেটুকু বাপ-মায়ের নামে কিরে কেটে বলছি, ওই খুনের ব্যাপারে আমি আর কিছু জানি না–

    অন্য তিনজন পুরুষই নীরব। তাদের মুখ পাথরের মতন।

    কাঁদতে কাঁদতে একই কথা বলতে বলতে লক্ষ্মীমণি হঠাৎ একসময় থেমে গেল। আঁচল দিয়ে চোখমুখ মুছে একেবারে শান্ত গলায় বলল, ঠিক আছে, আমারে ধরে নিয়ে যান। দুই হাত বাঁধুন। পুলিশ একবার দিল্লিতে নিয়ে গেলে আমার কী যে হবে জানি না। আমারে জেলে দিন। ফাঁসি দিন। মেয়েমানুষ হয়ে জন্মেছি, লেখাপড়া শিখিনি, পুরুষমানুষ আমাদের নিয়ে যা খুশি করতে পারে, বিয়ে করেও আবার বিক্রি করে দিতে পারে, আড়কাঠিরা যেখানে-সেখানে ঠেলে দেয়, প্রতিটি রাত্তিরেই সারা শরীরটা ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকে। কখনও মরতে চাইনি, তবু মরলেই বুঝি আসল শান্তি। আমারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন, এ পৃথিবী থেকে এক আপদ বিদায় হবে। হ্যাঁ, আমিই সেই বাবুটারে খুন করেছি। আর কেউ দোষী নয়। আমি, আমি, আমি! আমার জীবনের কোনও দাম নেই!

    বর্ধন একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, এটা যদি অভিনয় হয়, তা হলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কারটা অন্তত ওকে দেওয়া উচিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৪ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনামণির অশ্রু

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }