Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প343 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – ১৬

    ষোড়শ অধ্যায়

    ‘মণি…মণি…শুনতে পাচ্ছিস?’

    ডাকটা কোথা থেকে ভেসে আসছে আগমনী নিজেও বুঝতে পারে না। নহর ডাকছে কি? কিন্তু তা হয় কী করে? ও তো মারা গেছে।

    গভীর রাতে ঘুম ভেঙে আগমনী বিছানার উপর উঠে বসে। চারদিকটা একবার ভালো করে দেখে নেয়। ডাকটা আসছে ছাদ থেকে। ছোটবেলায় লোডশেডিং হলে বাবা আর মা হাতপাখা নিয়ে ছাদে চলে যেত। তারপর ওখান থেকে এমন করেই ডাকত ওকে। আজকের গলাটাও চেনা লাগল যেন।

    বাইরে পা বাড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে এক ছুটে ও ছাদে চলে আসে। নাহ্, ছাদেও তো কেউ নেই। অথচ স্পষ্ট শুনেছে কেউ ওকে ডাকছে। আশ্চর্য ব্যাপার তো!

    দূরে উঁচু বাড়িগুলোর মাথায় তালগাছের পাতা নড়ে উঠছে৷

    বাবা যে আগের মতো মাঝরাতে ছাদ থেকে ডাকতে পারে সেটাতে তেমন অবাক হয়নি আগমনী। তার চেয়ে বেশি অবাক লেগেছে বাবার ডাক শুনে ছাদে চলে এল বলে।

    এই ছাদ থেকে ওর ছোটবেলার খেলার মাঠটা দেখা যায়৷ কালীপুজো গেছে কয়েকমাস আগে। ওই সময় পাড়ার ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে গিয়ে ওখানে বাজি পোড়ায়। আগমনী ছোটবেলায় একাই ছাদে বাজি পোড়াত। কখনও হাতে রংমশাল জ্বেলে ছাদের একদিক থেকে আর একদিক ছুটে যেত। আগুনের রঙিন ফুলঝুরি উড়ে পড়ত ছাদের মেঝেতে। তবে তুবড়ি জ্বালানোর সময় বাবার হাত ধরে থাকত। বাবা বলত তুবড়ি ভারি ডেঞ্জার জিনিস, যখন তখন ফেটে যেতে পারে। তখন ওদের বাড়ির পাশের ফুটপাথে জটা পাগলা বলে একটা খ্যাপা লোক শুয়ে থাকত। বাজি ফাটলেই সে চিৎকার করে এন্তার খিস্তি করত বাবাকে বাজির গন্ধে নাকি তার ঘুম হতো না৷

    মাঝে মাঝে আগমনীর মনে হয় মানুষের জীবনও ওই তুবড়ির মতো। কেউ দু’চারটে ফুল্কি দিয়েই জ্বলে শেষ হয়ে যাবে, কেউ অনেকক্ষণ আলো দেবে, মিটারখানেক উঁচুতে উঠবে, সরসর করে আগুনের আওয়াজ হবে। কিন্তু সবাই শেষ অবধি ওই ভেঙে চেতরে পড়ে থাকা খোলটা। সবাই অবহেলায় ছাদে গড়াগড়ি খাবে।

    আগমনীও কি দিনদিন জটা পাগলা হয়ে যাচ্ছে? বাজির গন্ধ, মানুষের জীবন পুড়ে শেষ হয়ে যাওয়ার গন্ধ ওর একদম সহ্য হয় না আজকাল। পালিয়ে যাবার জায়গাও পায় না। চারিদিকে কালীপুজো…কোথায় লুকাবে?

    ‘মণি…’ আবার পিছন ফিরে তাকায় আগমনী। এবার সত্যি মা এসে দাঁড়িয়েছে ওর পেছনে। কত রাত হবে এখন? দেড়টা না নিশ্চয়। মায়েরও মনে হয় মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেছে।

    ‘তুই এত রাতে ছাদে কী করছিস?’

    কাঁধ ঝাঁকায় আগমনী, ‘কী জানি, মনে হল কেউ ডাকছে৷’

    মা ধীর পায়ে ওর পাশে এগিয়ে আসেন। চোখ রগড়ে ঘুম মুছতে মুছতে বলেন, ‘তোর মনটা ভালো নেই, নারে?

    ‘তোমারও তো মন মাঝে মাঝে ভালো থাকে না। আমি আর কখন জানতে পারি, বলো?

    আগমনী জানে মা ইচ্ছা করেই নহরের কথা আর জিগ্যেস করে না ওকে। বাবার কথাও জিগ্যেস করে না। এক এক করে আর কারো কথাই জিগ্যেস করা যাবে না ওকে।

    ‘সব সময় সবকিছু বলতে হয় না৷ এই যে তুই আমার সঙ্গে থাকিস, রাতে আমার পাশে ঘুমাস, এটাতেই আমার মন ভালো হয়ে যায়।’

    ‘আমি না থাকলে কে থাকবে?’ কঠিন শোনায় মেয়ের গলা। অমৃতা একটু চমকে যান। হেসে বলেন, ‘এই প্রশ্নটা তো আমি করব তোকে, তুই আমাকে করবি কেন?

    ‘কেন করব না? ‘

    ‘উঁহু, ছেলেমেয়েরা এই প্রশ্নটা বাবা-মাকে করতে পারে না৷’

    আগমনীর মনে হয় দূরে আবার কালীপুজো শুরু হয়েছে। কারা যেন আবার রংমশাল হাতে মাঠময় ছুটে বেড়াচ্ছে। তার গন্ধ বয়ে আসছে এতদূর। ‘আমি আর তোমার সঙ্গে থাকব না মা৷’

    ‘থাকবি না মানে?’ অমৃতা অবাক হন।

    ‘জানি না, কয়েকটা কলেজ শর্টলিস্ট করেছি। চান্স পেলে হস্টেলের ব্যবস্থা হয়ে যাবে।’

    তুই বাইরে পড়তে যেতে চাইলে আমি তোকে বাধা দেব না৷ কিন্তু আমার সঙ্গে থাকবি না কেন?’

    আগমনী কথাটার উত্তর দেয় না। বাজির গন্ধ কেন ভালো লাগে না সেটা যারা বাজি পোড়ায় তাদের কী করে বোঝানো যায়? ভয়ের কি কোনও মাপকাঠি হয়? আশঙ্কায় পালিয়ে যেতে চাওয়া মানুষদের কাপুরুষত্বের ওজন আছে কোনও?

    ‘আমার জন্য তোমার কষ্ট হবে মা?’

    হুট করেই মণি ঘুরে তাকায় মায়ের দিকে। চোখটা ছলছল করে ওঠে একবার।

    অমৃতা হাসেন, ‘এ দুনিয়ায় সব সম্পর্কের একটা মজা আছে জানিস। তুমি যেই হও না কেন, যত বড় মানুষই হও না কেন, সব সম্পর্কের দুটো দিকে একদিন না একদিন তোমাকে বসতেই হবে। দুটো চরিত্রের মেক আপ মুখে লাগিয়ে অভিনয় করতে হবে। শুধু মাঝখানে কিছুটা সময় থাকবে। যদি একসঙ্গে দু’দিকে বসা যেত তাহলে পৃথিবীতে কেউ কাউকে ছেড়ে চলে যেত না।’

    ‘তোমাকে আমি কোনওদিন দুঃখী দেখতে চাইনি মা৷’ আগমনী মায়ের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

    ‘আর আমি তোকে কোনওদিন দুঃখী মা দিতে চাইনি মণি…’ মেয়ের মাথায় হাত রেখে দূরে ঘুমন্ত মফস্বলের দিকে আঙুল দেখিয়ে অমৃতা বললেন, ‘ভালোবাসা যেমনই হোক, মা-মেয়ে, দাদা-বোন, স্বামী-স্ত্রী যাই হোক, ভালোবাসা শুধু আর একটা মানুষকে যতটা সম্ভব কম দুঃখ দিয়ে একসঙ্গে থাকার খেলা। আমি তোর আর নিজের জীবনটা যতটা কম সম্ভব দুঃখ রেখে কাটিয়ে এসেছি এতদিন…’

    Romance

    দু’হাতে মাকে জড়িয়ে ধরে মায়ের বুকে মাথা রাখে আগমনী। ওর চোখ জলে ভরে আসে।

    ‘আমি তোমার সঙ্গে আর থাকব না মা…’ অমৃতার শাড়ির আঁচলে মুখ ঢেকে যায় মেয়েটার। গলা বুজে আসে।

    অমৃতা হাসেন, ‘মা বিড়াল বড় হলে বাচ্চাকে ছেড়ে দেয়। পরে কোথাও দেখা হলে আর চিনতেই পারে না। আমিও তেমন করে নাহয় চিনতে পারব না তোকে, কেমন?’

    আগমনীর কানে কথাটা গেছে কিনা বোঝা যায় না। আগের কথাটাই আবার ফিরে আসে তার মুখে, ‘আমি তোমার সঙ্গে আর থাকব না মা।…’

    অমৃতা বুঝতে পারেন কথাটা মুখস্ত করে ফেলতে চাইছে আগমনী। শব্দগুলোর যন্ত্রণা ভুলতে চাইছে বারবার উচ্চারণ করে। ও জানে এর থেকে ভালো যন্ত্রণা ভোলার জায়গা আর নেই কোথাও। ভাঙাচোরা জীবনের যেটুকু সম্বল হাতের মুঠোয় আগলে রেখেছিল মেয়েটা সেটুকু ছেড়ে দিতে গিয়ে মুঠো বন্ধ করে ফেলছে বারবার।

    মেয়ের সামনে হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন অমৃতা, দু’গালে হাত রাখেন ধীরে, ‘ওই কথাটা মুখস্ত হয়ে গেলে সত্যি কথাটা বলবি একবার? মুখস্ত করার জন্য না। আর কোনওদিন বলতে পারবি না বলে…’

    ‘আমার তুমি ছাড়া আর কেউ নেই মা…।’

    হুট করেই মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে কেঁদে ফেলে আগমনী। বারুদের, বাজির গন্ধটা বেড়ে ওঠে ভয়ানক। আগমনীর মনে হয় ওর নাক বন্ধ হয়ে আসবে। মরে যাওয়ার আগে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মতো মায়ের শরীর আঁকড়ে ধরে ও।

    মাকে জড়িয়ে ধরলে মানুষের শরীর থেকে মৃত্যুর গন্ধ মুছে যায়। তবে পৃথিবীর অন্য সব সম্পর্কের মতো মা আর মৃত্যু নিজেদের মধ্যেও জায়গা বদলে নেয় ক্রমাগত। লড়তে লড়তে একসময় একে অপরকে জড়িয়ে ধরে…

    ক্লাস টুয়েলভের রেজাল্ট বেরোনোর পর যখন বাবা প্রথম বলল, কলেজের খোঁজ খবর করতে তখন প্রথম একটা ব্যাপার বুঝতে পেরেছিল সাম্য। ছোটবেলার দিনগুলো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া আচারওয়ালার গাড়ির মতো। সে ভরদুপুরে অনেকক্ষণ ধরে গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে চিৎকার করে, ‘আমের আচার…কুলের আচার…চালতার আচার…’

    গৃহস্থ তখন সবে থালায় দুপুরের ভাত বেড়েছে। খাওয়া থেকে উঠে আচারের পেছনে ছোটার ইচ্ছা থাকে না তার। আচারওয়ালাও খাঁচার মতো কাচের গাড়ি নিয়ে হেঁটে চলে যায় তপ্ত রাস্তা দিয়ে৷

    খাওয়া শেষ করেই গৃহস্থের মনে হয় খাওয়া-দাওয়ার পর খানিক চালতার আচার হলে মন্দ হত না। সত্যি তো একটু আগেই এক আচারওয়ালা হেঁকে গেছে বাড়ির পাশ দিয়ে। সে ওমনি ভিতর ঘর থেকে বারান্দায় ছুট লাগায়। তারস্বরে চিৎকার করে ডাকতে থাকে, ‘আচার, ও আচার, শুনছ? ‘

    কিন্তু ততক্ষণে আচারওয়ালা তার কাচের গাড়ি নিয়ে বহুদূর হেঁটে চলে গেছে। গৃহস্থের আর চালতার আচার খাওয়া হয় না। অগত্যা মন খারাপ করে সে পাশবালিশ জড়িয়ে ভাতঘুম দেয়।

    টুয়েলভ পাস করার পর সাম্যর মনে হয় ওর ছোটবেলাটাও চালতার আচারের গাড়ি করে অনেক দূর হেঁটে চলে যাচ্ছে। দূর থেকে তার ডাক ভেসে আসছে এখনও, কিন্তু শত ডাকাডাকি করেও তাকে আর ফিরিয়ে আনতে পারবে না ও।

    এই মুহূর্তে আগমনীর সঙ্গে আর ওদের তিনজনের তেমন যোগাযোগ নেই। ওর এইচএসের রেজাল্ট কেমন হয়েছে সেটাও ওরা জানে না৷ রেজাল্ট বেরোনোর পর ওরা ঠিক করেছিল, তিনজন মিলে একবার নহরের কবরটা দেখে আসবে।

    এর আগে কবরস্থান দেখেনি ওরা। যেমন সাম্যর এখনও পাহাড় দেখা হয়নি, খুঁটির এখনও জিটিএ ফোরের সিডি কেনা হয়নি, তেমনি কবরস্থানও কেবল ফেলুদার গল্পে আর সিনেমায় দেখেছে ওরা। সেখানে গেলেই আজব সব ঘটনা ঘটে, কেউ না কেউ পেছন পেছন আসে। গাছের মগডাল থেকে কারা যেন হাঁক দিয়ে ঘাড়ের কাছে স্পর্শ বুলিয়ে যায়। এসব গল্পের বইতে পড়েছিল বেদান্ত। আসলে কবরস্থানে এসব কিছুই হয় না। বড় হলে মৃত্যুও নিজের রূপকথা গুটিয়ে নেয়।

    কবরস্থানের ভিতরে এসে খানিক খোঁজাখুঁজি করতেই নহরের সমাধিটা খুঁজে পেল ওরা। মাটির উপরে খানিকটা জায়গা মাটি দিয়ে ঢিপি মতো করা আছে। তার মাথার দিকে একটা সমাধি ফলক বসানো। সেখানে বড় করে নহরের জন্ম তারিখ মৃত্যুদিন আর নাম লেখা আছে। তারই একদিকে একটু জায়গা খুঁজে নিয়ে বসে পড়ে ওরা তিনজন।

    জায়গাটা অসম্ভব রকমের শান্ত আর নিস্তব্ধ। গোটা কবরস্থান জুড়ে অচেনা গাছপালার সার। তার ফাঁক দিয়ে ছেঁড়া ছেঁড়া রোদ এসে পড়েছে। মাটির গন্ধ চারদিকে। ঝিরঝির করে একটা ঝিঁঝি মাটির মধ্যে লুকিয়ে একটানা ডেকে চলেছে। বেদান্তর মনে হয় যেন নহরকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে ওই ঝিঁঝিটাকে কেউ রেখে গেছে। ব্যাপারটা ভালো লাগে না ওর। নহর যদি থাকত কতরকম কথা বলতে পারত, কত নতুন নতুন ঘটনা ঘটত, ওর উপর রাগ করা যেত, খিল্লি করা যেত, খোলা মাঠের উপর অকারণ দৌড়াদৌড়ি করা যেত। তার বদলে এই ঝিঁঝিটা কেবল তিরতির করে শুধু ডাকতেই পারে।

    সমাধির উপর থেকে একটা মাটির ঢেলা নিয়ে হাওয়ায় ছুড়ে দেয় ব্যাদা৷

    একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে ওর বুক থেকে, ‘মণির কী খবর রে?’ সাম্য ঘাড় নাড়ে, ‘ফোন করলে আর উত্তর দেয় না। কী হয়েছে জানি না। আমি একবার দুবার ফোন করেছিলাম, ধরেনি।’

    ‘আর তোর মেঘা সরকার?’

    মাটির দিকে চেয়েই ঠোঁট ওলটায় সাম্য, ‘মুসৌরি গিয়ে থেকে কোনও খবর নেই। আজকাল তো লোকে অর্কুট আর ইউজ করছে না তেমন। মনে হয় বন্ধ হয়ে যাবে। ফেসবুক ফেসবুক করে মাতামাতি করছে সব।’

    ‘সেটা কী?’

    ‘ওই ওরকমই, কেমন যেন সাদাটে সাদাটে। আমি একবার খুলেছিলাম, ভালো লাগে না শালা।’ মাটির উপর থেকে ঘাস ছিঁড়ে নেয় সাম্য, ‘জয়েন্টের র‍্যাঙ্ক ভালো এসেছে। বাবা বলল, পয়সা খরচ করে কোনও একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হয়ে যেতে।’

    ‘তুই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বি?’

    ‘হ্যাঁ, স্কোপ বেশি। তাছাড়া সল্টলেকের আশেপাশে অনেকগুলো কলেজ আছে…তবে সেমেস্টার ফি অনেক। সিগারেট ফিগারেট ছেড়ে দিতে হবে ভাই।’

    ‘আর মেঘার কী হবে?’

    সাম্য কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে, একসময় মুখ তুলে বলে, ‘কলেজে উঠলে একটা ফোন কিনে দেবে বলেছে বাবা৷ ওখান থেকে ওর সঙ্গে যোগাযোগ করে নেব। ফোন নম্বর তো নেই আমার কাছে। তোর মৌসুমির কী হল?’

    মাথা নাড়ে খুঁটি, ‘ও কোন কলেজে ভর্তি হবে জানি না। মাঝে দু’একদিন মেসেজে কথা হয়েছিল, কাটিয়ে দিয়েছি।’

    বেদান্ত কোথায় যেন শুনেছিল মানুষকে নাকি ছ’ফুট মাটির তলায় কবর দেওয়া হয়। সাম্য যে হারে লম্বা হচ্ছে তাতে ও একদিন না একদিন ঠিক ছ’ফুট হয়ে যাবে।

    চারপাশটা একবার ভালো করে দেখে নেয় ও। বেশিরভাগ কবরের উপরেই সমাধিফলক নেই। একসময় হয়তো ছিল, তারপর অযত্নে ভেঙে কোথায় হারিয়ে গেছে। মানুষ বলতে যে শরীরটা আমরা বুঝি, রক্ত মাংসের ডেলাকে ছুঁয়ে দেখি তা ক্ষয়ে যেতে শুরু করলেই তার উপর জমাট বাঁধা অনুভূতি মুছতে শুরু করে। দোর্দণ্ডপ্রতাপ অনুভূতিরা তখন কেবল মাটি হয়ে অন্য মাটির সঙ্গে মিশে যায়।

    পকেট থেকে একটা ছবি বের করে খুঁটি। ওদের পাঁচজনের ছবি। সাম্যর ক্যামেরাতে তোলা। সবার কাছেই এক কপি করে আছে, কেবল ব্যদা নিজেরটা কাউকে দেখাতে চায় না৷ কীসব নাকি করে রেখেছে ছবিতে। সমস্ত ব্যাপারটা ওরা বোঝেনি। কেবল ওই ছবির উপর আঙুল ফুটো করে এক ফোঁটা রক্ত ফেলতে হয়েছে ওদের। তবে কেউ আপত্তি করেনি। অজ্ঞান ব্যাঙের পেটে ছুরি চালাতে গিয়ে হাত কাঁপার দিন পেরিয়ে এসেছে ওরা।

    ছবিটা সমাধির উপরে রেখে দেয় খুঁটি। বিড়বিড় করে বলে, ‘আমাদের পাঁচজনের আর একসঙ্গে হওয়া হবে না, না রে?’

    ‘চারজনেরই হওয়া হবে কিনা জানি না৷ স্কুল লাইফ শেষ ভাই। যে যার নিজের মতো ছড়িয়ে যাব।’

    ফটোতে হাসিখুশি পাঁচটা মুখের দিকে চেয়ে ছিল সাম্য। একে অপরের কাঁধে হাত রাখা। নহরের স্পর্শের মধ্যে একটা উষ্ণতা ছিল। দ্রুত মন ভালো হয়ে যেত সকলের।

    ‘আমার কী মনে হত জানিস?’ ব্যাদা ছবির দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে বলে।

    ‘কী?’

    ‘নহর আর জ্যোতি বসু কোনওদিন মরবে না। দুজনেই শালা মৃত্যুর একেবারে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছিল, কিন্তু মুখ দেখে মনেই হত না দুনিয়ায় মৃত্যু ফিত্যু বলে কিছু আছে৷ অথচ দেখ, দুজনেই কেমন পট করে একই বছর মরে গেল।’

    উঁচু হয়ে থাকা মাটির উপর ধীরে ধীরে হাত বোলাচ্ছিল সাম্য, একসময় হঠাৎ করেই মুখ তুলে বলে, ‘আমার মা বলে কবরের পাশে গিয়ে মানুষকে ডাকলে সে শুনতে পায়। তবে সাড়া দিতে পারে না…’

    ‘বলে দেখ, যদি শুনতে পায়।’

    সাম্য শুকনো হাসি হাসে। তারপর নিচু হয়ে মুখ নিয়ে যায় মাটির উঁচু হয়ে থাকা স্তূপটার উপরে, ‘ইনা, শুনছিস?’

    ছ’ফুট মাটির তলা থেকে কোনও শব্দ আসে না।

    সাম্য মুখ তোলে, ‘কিন্তু কী বলব?’

    ‘যা বলতে ইচ্ছা করছে বলে ফেল।’ ব্যাদা বলে।

    সাম্য মনে মনে কী যেন ভেবে নেয়। একবার মাথা চুলকায়, তারপর ধীরে ধীরে বলে, ‘তোর কুকুরটাকে আমি এই ক’দিন খেতে দিয়েছি ভাই। কিন্তু আর দিতে পারব না৷ স্কুল ছেড়ে দিচ্ছি তো, হয়তো অন্য কেউ দেবে। তুই চিন্তা করিস না।’

    সাম্য মুখ তুলে সরে এসে খুঁটিকে ইশারা করে। সে আগে থেকেই ভেবে রেখেছিল, এবার সে মুখটা কবরের কাছে নিয়ে আসে ধীরে ধীরে, ‘তুই পেত্নি হয়েছিস না শাকচুন্নি কে জানে, কিন্তু যদি গাছের দরকার হয় আমাদের বাড়ির পাশেই একটা শ্যাওড়া গাছ আছে…’

    ‘ওখান থেকে জানলা দিয়ে তোকে জাঙিয়া পাল্টাতে দেখা যায়, প্লিজ, অন্য কোথাও ব্যবস্থা কর!’

    কটমট করে ব্যাদার দিকে তাকায় খুঁটি, আবার কবরের দিকে মুখ করে, ‘আর কিছু করিস না করিস, এই হারামজাদাটার ঘাড় মটকে দে।’

    ‘সদ্য মেয়েটা মারা গেছে, তাকেও ঘাড় মটকানোর সুপারি দিচ্ছিস। নির্লজ্জ!’ ব্যাদা ধমকে ওঠে।

    ‘বেশি বকবক করলে তোর সুপারি মটকে দেওয়ারও সুপারি দেব শালা৷ চুপ কর…’

    ব্যাদা আর কথা না বাড়িয়ে চুপ করে যায়। খুঁটি জামার হাতায় মুখ মুছে আবার মাটির কাছে ঠোঁট নামিয়ে আনে, ‘শোন, তোর জন্য খুব মন কেমন করে…’

    ঝিঁঝিটা এখনও আগের মতোই ডেকে চলেছে৷ যেন গোটা পরিবেশটাকে একার দায়িত্বে সে নিস্তব্ধ হতে দিচ্ছে না।

    ‘স্কুলের বেঞ্চে বসতে গেলে এখনও মনে হয় তুই দরজা দিয়ে ঢুকে পাশে এসে বসবি, স্কেল আনতে ভুলে যাবি, তারপর হেসে আমার দিকে চেয়ে হাত বাড়িয়ে বলবি, ‘তোর স্কেলটা দে না খুঁটি…’ তোকে ছাড়া ভালো লাগছে না…’

    খুঁটি একটু সরে বসতে সাম্য আবার মুখটা কবরের কাছে নিয়ে যায়, ‘আচ্ছা গেছিস ঠিক আছে, তবে মাটির তলায় ভালো মেয়ে থাকলে খোঁজ দিস তো। আমাদের ব্যাদা তো উপরে কিছু সুবিধা করতে পারল না… ‘

    ‘এই শালা…’ বেদান্ত দুঃখ দুঃখ মুখ করে বসেছিল, এবার সে খেপে ওঠে, ‘মাটির তলায় তোর শ্বশুর থাকে বে, চাষিরা মাটি থেকে যে আলু তুলে আনে সেটা তোর শ্বশুরের পচা আলু…’

    খুঁটি হাত তোলে, ‘আহ্, সাম্য চুপ কর…’

    ব্যাদা ভর্ৎসনা করে, ‘কবরস্থানে এসেও খিল্লি করছে শুয়োরটা।’

    সাম্য মুখ বাঁকায়, ‘হুঁ, লাইব্রেরিতে সেক্স করা লোকের ব্যাটা আবার কবরস্থান নিয়ে জ্ঞান দিতে এসেছে।’

    এবার ব্যাদা তেড়ে যায় ওর দিকে, ‘শালা আমার বাপ লাইব্রেরিতে সেক্স করেছে কে বলেছে তোকে? নিজের চোখে দেখেছিস?’

    ‘ছ্যাঃ…’ সাম্য ঘেন্নায় শিউরে ওঠে, ‘তোর বাপকে সেক্স করতে দেখার আগে হাতির শুঁড় কড়িকাঠে ঝুলিয়ে গলায় দড়ি দেব।’

    রাগ সপ্তমে ওঠে ব্যাদার। হাতের কাছে একটা মাটির ঢেলা খুঁজে পায় সে, সেটা তুলে নিয়েই ছুড়ে দেয় সাম্যর দিকে। ঢেলাটা ওর গায়ে লেগে ধুলো হয়ে যায়। সাম্য সাবধান করে, ‘দেখ, ওটা নহরের মাটি। দিয়া সেনের দাদার ভয়ে তোর খসে যাওয়া বীরবল নয়, যে একে ওকে ছুড়ে মারবি!’

    খুঁটি মাটি ছেড়ে উঠে পড়ে৷ হাত বাড়িয়ে ব্যাদার হাতটা ধরে ফেলে দাঁত কিড়মিড় করে, ‘আহ্, তখন থেকে বলেছি এটা একটা শান্তির জায়গা…’ নরম গলায় বাকি কথাটা খুঁটি শেষ করে, ‘শান্তির ছেলের নয়…’

    ব্যাদা চুপ করে যাচ্ছিল। দুম করে তার মুখটা ঘুরে যায় খুঁটির দিকে। প্রচণ্ড রাগে মুখ লাল হয়ে যায়, ওর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পড়তে বলে, ‘তুই আমায় নোংরা কথা বললি খুঁটির বাচ্চা!’

    সাম্য উৎসাহে চিৎকার করে ওঠে, ‘বেশ করেছে বলেছে। ওর মুখে তো তোর বাপ গল্পের বইয়ের পাতা গুঁজে দেয়নি যে চুপ করে থাকবে। দু’হাতে আবার নহরের কবর থেকে মাটির ঢেলা তুলে দুজনের দিকে ছুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বেদান্ত। কিন্তু দুজনকে একসঙ্গে টিপ করায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সাম্য ছুটে কিছুদূর পালিয়ে যায়। ব্যাদা ওকে তাড়া করে।

    Books & Literature

    কবরস্থানের উপর কিছুক্ষণ একটা ছোটখাটো ঝড় বয়ে যায়। মাটির ঢেলা এদিক থেকে ওদিক উড়ে যায়। কখনও গাছের ডালপালা ঝরে পড়ে। যেসব কবরের উপরে কেউ যত্নে ফুল রেখে গেছিল সেগুলো পায়ের তলায় থেঁতো হয়ে যায়।

    ফাঁকা কবরস্থান ওদের চিৎকার চেঁচামিচিতে ভরে ওঠে। গাছের ডাল বেয়ে দুপুরের ভাতঘুম সেরে বেরিয়ে আসা কাঠবিড়ালি কাণ্ড দেখে সুড়সুড় করে আবার গর্তে ঢুকে যায়।

    ধুলো কাদা মেখে ক্লান্ত হয়ে আবার যখন নহরের সমাধির কাছে ফিরে আসে ওরা তখন কারো জামাকাপড়ই আর আস্ত নেই। সাম্যর কানের পাশে গাছের পাতা ঘামে লেপ্টে আছে। বুকের কাছে একটা বোতাম ছেঁড়া। খুঁটির মুখময় ব্যাদার নখের দাগ। বেদান্তর জামার মাঝ বরাবর কাদা লেপে দিয়েছে কেউ। হাতের বেশ কয়েক জায়গায় ছড়ে গেছে।

    তিনজনে ক্লান্ত হয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে আবার আগের জায়গায় এসে বসে পড়ে। খানিকক্ষণ সেইভাবে হাঁপানোর পর ওদের শরীর ঠান্ডা হয়ে আসে। ওরা জামার হাতায় মুখের ঘাম মুছে নেয়।

    ব্যাদা হাত বাড়িয়ে নহরের সমাধির মাটিতে হাত বুলায়, বুকের দমটা চেপে জামার ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে বলে, ‘ধুর শালা, তোদের ছাড়া আর ভালো লাগছে না ভাই।’

    ‘আমারও…’ সাম্য সামনে ঝুঁকে পড়ে বলে৷

    ‘পাঁচজনের গ্রুপ ছিল, তার মধ্যে দুজন চলে গেলে আর কী থাকে বল তো?’ খুঁটির স্বর কাতর শোনায়।

    বেশ কিছুক্ষণ সেভাবেই বসে থাকে ওরা। সূর্যের আলো আগের থেকে বেড়ে উঠেছে এখন। কোথা থেকে যেন হালকা স্বরে আজানের শব্দ ভেসে আসছে। প্রিয় বন্ধুর সমাধির পাশে বসে ছোটবেলার শেষ রেলগাড়ির কুঝিকঝিক শব্দ শুনতে পায় ওরা। ধীরে ধীরে মিলিয়ে আসছে আওয়াজটা। এক জীবনের মতো…চিরকালের মতো…

    ‘আমরা সবসময় বন্ধু থেকে যাব নহর…ঠিক আছে?’ সাম্য মুখ নামিয়ে বলে।

    ব্যাদা হাত বাড়িয়ে পিঠের ব্যাগটা টেনে আনে। ওর এমপিথ্রি প্লেয়ারটা বার করে নহরের সমাধির উপরে রেখে চালিয়ে দেয়। আস্তে আস্তে একটা গান চলতে শুরু করে তাতে। বহুদিন আগের এক বিকেলের মতো নহরের পাশেই শুয়ে পড়ে ওরা তিনজন। তারপর মাথার নিচে হাত রেখে ছেঁড়া ছেঁড়া আকাশের দিকে চেয়ে এক মনে শুনতে থাকে সেই গান…

    বুড়ো মাঝির নৌকায়

    বসে সারাটা দুপুর

    যুবরাজের ঘোড়া

    আর রাজকন্যার নুপুর।।

    চলে গেল স্রোতে ভেসে

    জানি না কোন দূর দেশে…

    সাম্য, খুঁটি আর বেদান্ত বুঝতে পারে ওদের শরীরের থেকে ঠিক ছ’ফুট নিচে ঠিক ওদেরই মতো একটা সতেরো বছরের মেয়ে শুধু ঘুমিয়ে নেই, ওদের শৈশব আর কৈশোরকেও কেউ মেয়েটার সঙ্গে মাটির তলায় সযত্নে শুইয়ে দিয়ে গেছে। মেয়েটার মতো তারও কিছুদিন রক্তমাংসের শরীরটা থাকবে। তারপর ক্ষইতে ক্ষইতে শুধু হাড় পড়ে থাকবে। তারপর সেটাও তলিয়ে যাবে কালের অতলে।

    নিজেদের শৈশবের সমাধির উপরে চিত্ হয়ে শুয়ে ওরা আকাশের দিকে চেয়ে থাকে শূন্য দৃষ্টিতে….

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে
    Next Article কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026

    কালীগুণীন ও বজ্র-সিন্দুক রহস্য – সৌমিক দে

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }