Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিতলি – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প110 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. তিতলি-২

    আমার মাঝে মাঝে বয়েসের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেদিন অর্জুনের সঙ্গে দেখা হবার পর থেকে বিশেষ করে। অর্জুনকে একটু ক্লান্ত লেগেছিল সেদিন, একটু বুঝি পড়ন্ত। অথচ আমার তো একটুও পড়ন্তবেলার কথা মনে হয় না? আয়নার সামনে দাঁড়ালেও একজন যুবতিকে দেখি, বুকের অভ্যন্তরে তাকালেও একজন যুবতিকে দেখি। সেদিন, শিরা-ধমনির সমস্ত লাফালাফি স্তব্ধ করে, শান্ত মনে যখন ভাবছিলাম, ট্যাক্সিতে আসতে আসতে, তখন মনে হচ্ছিল, অজুর্নের সঙ্গে আমার বুঝি অনেকখানি বয়েসের তফাত হয়ে গেছে। ও যেন প্রৌঢ়ত্বে পা দিয়েছে। আমার নিজেকে প্রৌঢ় বলে মনে হয় না। বয়েসের হিসেব কষা অনেকদিনই ছেড়ে দিয়েছিলাম। রাহুলের সঙ্গে যখন থেকে আছি। রাহুল আমার চেয়ে বছর কয়েকের ছোট,—যদিও দেখলে উলটোটাই মনে হবে। কিছুতেই আমাকে বয়েসের প্রসঙ্গ তুলতে দিত না রাহুল—আমি যতই ওর ওপরে সর্দারি করতে চাইতাম বয়েসে বড় বলে, তত ও আমাকে তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দিত, আমার চেয়ে মাথার অনেকটা উঁচু বলে, গায়ে অনেক বেশি বল রাখে বলে।

    মেল-ইগোর ক্লাসিক উদাহরণ।

    অর্জুন আমার ক্লাসমেট ছিল না। দু-ক্লাস উঁচুতে পড়ত। অর্জুনদা বলাটাই উচিত হত, কিন্তু অর্জুন নিজেই বলেছিল ও দাদা, দিদি, মাসি, পিসি এসব ডাক পছন্দ করে না। নামটা তো আছে ডাকবার জন্যেই। কলেজে কেউই ওকে অর্জুনদা বলত না—ও সকলকেই নাম ধরে সম্বোধন করতে শিখিয়েছিল। পুরোনো বাড়ির ছেলে হলে কী হবে, ওর মনটা চিরকালই সবায়ের আগে আগে চলত। অর্জুন ইংল্যান্ডে চলে যাবার পরের বছর আমি আমেরিকাতে যাবার সুযোগ পেলাম। আর তার দুবছরের মধ্যেই সব শেষ।

    প্রথমে চিঠি বন্ধ।

    তারপর ফোন বন্ধ।

    তারপর ফোন ধরাও বন্ধ।

    তারপর ঠিকানা বদল।

    দেশ, ঘর বদল।

    .

    ছোট্ট মোবাইল ফোনটা অনেকক্ষণ ধরে সুর করে বাজছে। স্নানঘর থেকে প্রায় ছুটে এল তিতলি।

    ‘হ্যালো? হ্যালো? তিতলি? তিতলি বলছিস? আমি, আমি—’

    ‘বুঝেছি বল।’

    ‘তোরা নিশ্চয়ই ভীষণ ব্যস্ত?’

    ‘তা একটু ব্যস্ত তো বটেই।’

    ‘আমি একটু দেখা করতে চাই।’

    ‘চৈতন্যমঠে আসছিস তো? দেখা হবে একুশে।’

    ‘ওরকম না। তার আগে। আলাদা করে একটু দেখা। তোদের বাড়িতে যেতে পারি? কিংবা তুই যদি একটু বাইরে কোথাও—’

    ‘অর্জুন, আয়্যাম রিয়্যালি টু মাচ বিজি। আই ডোন্ট হ্যাভ দ্য টাইম।’

    ‘রাগ করে আছিস। রাগ তো করবারই কথা। আমার কথাগুলোও একটু বলতে দে? এত বছর ধরে যে কথাগুলো মাথার মধ্যে বুকের মধ্যে বয়ে বয়ে বেড়চ্ছি, সেগুলো একবার বলে ফেলতে সুযোগ দে তিতি।’

    ‘বাড়ি থেকে বেরোনো খুব মুশকিল। বাড়িতেই কথা বলতে পারিস।’

    ‘সংকু? মিতু? ওরা তো থাকবে।’

    ‘একজন গেস্ট হাউসে, অন্যজন শ্বশুরবাড়িতে।’

    ‘তুই একলা রয়েছিস?’

    ‘সর্ট অফ। বন্ধুরা আসে, রিলা মৌসুমি, ওরা আসে রোজই। দিদিও এসে সারাদিনই থাকে। তাছাড়া তুই প্রিভেসি চাইলেই আমিও যে প্রিভেসি চাইব তার তো মানে নেই? আমার তো মনে হয় ওদের থাকাই ভালো। সেইসব দিনে তো ওরা সবাই ছিল। রিলা, শিবুদা,—এখন হঠাৎ ওদের নিয়ে অস্বস্তি হচ্ছে কেন?’

    ‘তিতি, তুই কিছুই শুনিসনি কী?’

    ‘কী শুনব?’

    ‘আমাদের যে অনেক বছর ডিভোর্স হয়ে গেছে? শুনেছিস?’

    ‘সো? হোয়াই ইজ দ্যাট ইম্পর্ট্যান্ট টু মি? ইটস ইওর বিজনেস। ইওর লাইফ। নাথিং টু ডু উইথ মি।’

    ওদিকে অর্জুন চুপ করে থাকে। তারপর ম্রিয়মান কন্ঠস্বরে বলে, ‘না তিতি, ওটা সবটা তোর মনের কথা নয়। হতে পারে না। ঠিক ঠিক কথা বলছিস না তুই। রাগের কথা বলছিস।’

    ‘অর্জুন, আই মাস্ট গো ব্যাক টু মাই ওয়ার্ক। আর ইউ ফিনিশড?’

    ‘নো। প্লিজ , তিতলি প্লিজ ।—প্লিজ লিসন—আই হ্যাভ আ ফিউ ইমপর্ট্যান্ট থিংস টু টেল ইউ। একটা দিন সময় দে। প্লিজ —’

    ‘একটা দিন। আর ইউ ক্রেজি? এক ঘণ্টা হতে পারে। আফটার অল দিস ইজ ওভার। কাজের পর আই ক্যান গিভ ইউ অ্যান আওয়ার—বাট নট নাউ।’

    অর্জুনের গলার স্বর পালটে যায়—’বাট আই ওয়ান্ট ইট নাউ! দেখা যখন হয়েছে, তখন কয়েকটা কথা তোকে বলতেই হবে আমার। আই মাস্ট টক টু ইউ। নাউ। টু-ডে। এক্ষুনি, ইফ পসিবল। বাট এনি টাইম উইল স্যুট মি ফাইন।’

    সেই ছেলেবেলার মতোই জেদি রয়ে গেছে। গোঁয়ার—গোঁ ধরলে ছাড়বে না। রাগের বদলে হাসি পেয়ে গেল তিতলির।

    ‘ও-কে—দেন, আই গেস আই কুড ডু ইট রাইট অ্যাওয়ে। এক্ষুনি স্নান করে এলাম। এখনও কেউ আসেনি। সবাই খেয়ে উঠে আসবে।’

    ‘থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ, তিতি—এখনই চলে আসছি তবে। ইন হাফ অ্যান আওয়ার।’

    এক কাপ কফি নিয়ে বারান্দাতে এসে বসল তিতলি। এত সুন্দর বারান্দাটা মা’র দেখাই হল না। উলটোদিকে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট দেখা যায়। রাত্রে এই রাস্তা আর ওই বিদ্যালয় সব মুছে গিয়ে থাকে বিন্দু বিন্দু আলো—জ্যোতিষ্কের মতো জ্বলে অন্ধকারে—যেন অনন্ত আকাশ—দিনের আলোয় সবকিছু অত্যন্ত দীনদরিদ্র, সব সীমারেখা স্পষ্ট, সব আকার-প্রকার রহস্যবিহীন। রাত্রি ভালো লাগে তিতলির।

    এই ফ্ল্যাটটা দিনের বেলায় ভালো এত সবুজ দেখা যায় বলে। বাগান, গাছপালা দিয়ে ঘেরা। আর রাতে ভালো সব কিছু মুছে যায় বলে। শুধু কিছু স্তব্ধ আলো, কিছু গাড়ির চলন্ত আলো। তিতলি খাতা বের করে টিক দিতে থাকে। কাকে কাকে কার্ড দেওয়া গেছে। কাকে কাকে দেওয়া বাকি। আর বিশেষ বাকি নেই।

    বেশি তো আত্মীয়স্বজন নেইও ওদের চেনা। দিদির শ্বশুরবাড়ি, মামাবাড়ি, মাসিরা, বন্ধুবান্ধব। বাপের বাড়ির দিকে তো বড়পিসিমা ছাড়া কেউ নেই। বড়পিসিমা বাবার বড়দিদি, তিনি থাকেন শ্রীরামপুরে। ওঁর চিঠিটা দেবদাই কুরিয়ার দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। বড়পিসিমা তো পারবেন না, পানুদা,-বৌদিরা কেউ আসবেন।

    কিছু কিছু চিঠি পোস্টে যাচ্ছে। ঠিক নিমন্ত্রণ নয়, জানান দেওয়াই উদ্দেশ্য—এঁরা কলকাতার বাইরে থাকেন—মৎস্যমুখীতে যাদের আশা করছে না তিতু-মিতু। রাহুলকে কি চিঠি পাঠাবে একটা?

    কী হবে?

    চিঠি তো বাংলায় হয়েছে।

    রাহুল জানবে না।

    দিদি বলেছিল তবু পাঠানো উচিত ইংরেজিতে একটা নোট লিখে—’এতদিন একসঙ্গে ঘর করলি, একটা খবরও দিবি না?’

    রাহুলের নামে একটা কার্ড লিখে ফেলল তিতলি। সঙ্গে দু-লাইন। Ma passed away, She couldn’t move into her new apartment. The memorial services will be held on the 21st. and the dinner on the 23rd.

    ঘণ্টা বাজল।

    কলম রেখে, কার্ডগুলোর ওপরে একটা ভারী বই চাপিয়ে দরজার দিকে চলল তিতলি। দরজার সামনে এসে এক মুহূর্ত স্থির হয়ে দাঁড়াল, নিশ্বাস নিল।

    তারপর দরজা খুলল।

    ‘কী রে? দ্যাখ, কীরকম চটপট চলে এসেছি।’ হইহই করে মিতুল ঢুকে আসে। একাই একটা দলের মতো।

    ‘কী অবস্থা? আজ ক’টা জায়গায় যাওয়া? আর কী? সবই প্রায় শেষ। হাতে দিনও আছে মাত্র তিনটে।’ তারপর মিতুল ভালো করে তিতলির মুখখানা দ্যাখে।

    ‘কী হল আবার? শরীর খারাপ নাকি?’

    ‘না। বোস দিদি। বলছি। কফি খাচ্ছি। তুই খাবি? নাকি একটু পরে খাবি? আবার করব। এক্ষুনি অর্জুন আসবে?’

    মিতুল এসেই বসে পড়েছে সোফাতে। মিতুলের উচ্ছ্বসিত ভাব হঠাৎ চুপসে যায়।

    ‘কে আসবে বললি? অর্জুন?’ তারপর একটু সময় নিয়ে—’অর্জুন এখানে?’

    ‘হ্যাঁ এখানে। ফোন করেছিল। আসতে চায়। ইনফ্যাক্ট এখুনি আসবে। তোদের কথাও বলছিল।’

    ‘মা’র কথা জানল কী করে?’

    ‘আমি বলেছি। আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল গতকাল। ব্যাংকে কার্ড দিলাম।’

    ‘আমাকে তো বলিসনি?’

    ‘না:। কী বলতাম? এই তো শুনলি। এবার স্বচক্ষে দেখবি।’

    ‘আমি এসে পড়ে অসুবিধে হয়ে গেল না তো?’

    ‘কী যে বলিস! বেঁচে গেছি তুই এলি বলে। ওর অসুবিধে হলে হবে। আমার খুবই সুবিধে হল।’

    ‘আসছে কেন?’

    ‘কিছু জরুরি কথা বলবে বলে।’

    ‘তুই শুনবি? তিতু? তোর কি শোনা উচিত, ওর জরুরি কথাগুলো, এই দশবছর পরে? তোর জীবনটাকে একদম ঘেঁটে দিয়েছে ছেলেটা। তুই রাহুলকে কেন শুধু ছাড়লি বল তো, জগতের সবাই অর্জুন নয়।’

    ‘দিদি, রাহুলের কথা তো তুই জানিস না—ও এত লোভী, এত ইমম্যাচিওর, ওর সঙ্গে আমি আর সম্পর্ক রাখতে পারব না। এর ভেতর অর্জুন নেই। অর্জুন একাই দুর্বল নয় রে দিদি। ছেলেগুলো সবাই একটু দুর্বল নয় রে দিদি। ছেলেগুলো সবাই বড্ড দুর্বল, আর বড্ড লোভী হয় দেখলাম।’

    ‘অ্যাই। জেনেরালাইজ করবি না তো তিতু। বাবার কথা ভাব। অশোককে দেখ। দাদাভাইও তো আছে সামনে। সব ছেলেরাই কিন্তু বিশ্বাসভঙ্গ করে না। তোর লাকটা খারাপ। তার চেয়েও খারাপ লাক তোর বয়ফ্রেন্ডদের। হাতের চাঁদ পায়ে ঠেলেছে অর্জুন। রাহুলের কী ব্যাপার, তা তুমিই জানো। সে তো বাবা এখনও ওই ফ্ল্যাটেই আছে, তুমিই ওকে ছেড়ে চলে এসেছ—ব্যাপারটা কী? আজ আমাকে সব কিছু খুলে বলতে হবে। তুই সমানে ঢেকেঢুকে vague আর mysterious করে রাখছিস রাহুলের ঘটনানা। ছেলেটা তো ভালো—আমরা সবাই দেখেছি। সবারই পছন্দ—’

    ডোরবেল বেজে ওঠে।

    মিতুল-তিতলি মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে। চোখে চোখে কী কথা হয় দুই বোনে, তিতলি বসে থাকে, মিতুল উঠে যায় দরজা খুলতে।

    ‘মিতুল।’

    ‘এসো অর্জুন।’

    অর্জুন ঢুকে আসে মিতুলের পিছনে পিছনে। আজ পরনে সাদা পায়জামা আর আকাশি নীল রঙের খদ্দরের পাঞ্জাবি—তাতে সাদা রং দিয়ে কিছু উড়ন্ত বলাকা আঁকা—আর বলাকার সারির উপরে চার ছত্র কবিতা—’যদিও সন্ধ্যা নামিছে মন্দ মন্থরে—সব সংগীত গেছে ইঙ্গিতে থামিয়া—যদিও সঙ্গী নাহি অনন্ত অম্বরে—যদিও ক্লান্তি আসিছে অঙ্গে নামিয়া…’ আর বলাকার নীচে দু-ছত্র…’তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর, এখনি অন্ধ, বন্ধ কোরো না পাখা।’

    ‘শ্রাবন্তীর পাঞ্জাবি?’ তিতলি কথা শুরু করে।

    ‘হ্যাঁ, ওই, একটা এক্সিবিশন হচ্ছিল।’

    ‘কে কিনে দিল?’ মিতুলের প্রশ্ন।

    ‘কে আবার দেবে? নিজেই কিনেছি।’

    ‘সুন্দর বানায়। না? কেয়া-চৈতালি?’

    ‘অভি-র জন্যে যে টি-শার্টটা কিনেছি সেটা আরও সুন্দর। কালোতে সোনালি দিয়ে হাইরাইজ অ্যাপার্টমেন্ট আঁকা, এই তোদেরই মতন। আর লেখা ‘কলিকাতা চলিয়াছে নাড়িতে নাড়িতে’—একটা ল্যাম্প পোস্টও আঁকা আছে।—খুব সুন্দর, আর Kolkata লেখা। অভির ভীষণ পছন্দ।’

    ‘অভি?’ মিতুলই কথা চালাচ্ছে।

    ‘আমার ছেলে। অভিমন্যু।’

    ‘কত বড় হল?’

    ‘বড়? প্রায় আমার মাথায় মাথায়। কিন্তু বয়েস বেশি নয়। বারো চলছে।’

    ‘ওর মা কোথায়?’

    ‘কেপটাউনে।’

    ‘তোমাদের খবর লোকমুখেই শুনতে পাই।’

    ‘আমার কোনও খবর নেই।’

    ‘তাহলে কী বলতে এসেছ আজ?’

    ‘পুরোনো কথা। যে কথাগুলো তোমাদের বলা হয়নি।’

    ‘কফি খাবি?’ তিতলির কথায় একটু প্রাণবন্ত দেখায় অর্জুনকে।

    ‘কফি করছিস? দে তবে।’

    তিতলি উঠে যায়।

    ‘আমাদের জীবনটা খেলাচ্ছলে কেটে গেল মিতুল। কোথাও পৌঁছুল না।’

    ‘সেরকম তো কথা ছিল না। নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই তো জীবন আরম্ভ করেছিলে। তুমিই তো তীরে গিয়ে তরী ডুবিয়ে দিলে অর্জুন।’

    ‘সবাই খুব মাতাল ছিলাম সেদিন। একত্রিশে ডিসেম্বরের পার্টির রাত্রি। কোথা থেকে যে কী হয়ে গেল না।….’

    ‘তুমি কী করেছিলে?’ মিতুল অদ্ভুত একটা প্রশ্ন করে বসে।

    অর্জুন কোনও উত্তর দিল না।

    চুপ করে সামনে টেবিলটার ধোঁয়াটে কাচের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল।

    তিতলি ট্রেতে তিন কাপ কফি, আর বিস্কিট এনে টেবিলে রাখল। সবাইকে হাতে হাতে তুলে দিল কফির কাপ—’দুধ? চিনি?’

    ‘নো থ্যাংক ইউ’ অস্ফুটে উচ্চারণ করে অর্জুন মুখটা কাপের দিকে নামায়।

    ‘দ্যাখো, গরম!’ প্রায় চেঁচিয়ে ওঠে তিতলি।

    ‘ঠিক আছে—’ চোখ তুলে হাসে অর্জুন। ‘মুখ যা পোড়ানোর, আগেই তো পুড়িয়ে বসে আছি।’

    দু-এক চুমুক কফি পানের পরে অর্জুনই নিস্তব্ধতা ভাঙে।

    ‘জীবনটা বড্ডই আমার হাত ফসকে পালিয়ে যেতে চায় মিতুল। বারবার দেখছি, চাই এক, হয় আর এক। তোমরা তো জানো কী চেয়েছিলুম আর কী পেয়েছি।’

    ‘সেটা কী অদৃষ্টের দোষ অর্জুন? না মানুষের? আমি পুরুষকারে বিশ্বাসী।’

    ‘পুরুষকার?’ অদ্ভুত একটা হাসি ফুটে উঠল অর্জুনের ঠোঁটে আর চোখে।—

    ‘একদিন তো আমিও ভাবতুম পুরুষকারই মানুষের কর্ম কিন্তু জীবনে পরের পর যা ঘটে যেতে দেখলুম তাতে অদৃষ্টে অবিশ্বাস করবার উপায় নেই আর।’

    তিতলি কিছুই বলে না। কফির কাপে আস্তে আস্তে চামচে নেড়ে টুংটুং শব্দ করে যায়। মিতুল ভুরু কুঁচকে বলে,—’শব্দটা বন্ধ কর!’

    তিতলি চামচে আর নাড়ায় না।

    ‘এই তো আমাদের দুজনকেই দ্যাখো না, আমাদের মধ্যে যেটা ঘটে গেল, সেটা পুরুষকার, না অদৃষ্ট ছিল?’

    ‘তুমি কী বলতে চাইছ অর্জুন? যে নেহাত তোমার অদৃষ্টদোষেই তুমি তিতলিকে জিল্ট করে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছিলে? তাতে তোমার নিজস্ব কোনও দায়িত্ব ছিল না? এটাই বলছ তো?’

    তিতলি বলে, ‘থাক না, দিদি। যা হয়েছে হয়েছে—এখন ওসব নিয়ে আর ভাবি না। ভাবতেও চাই না।’

    অর্জুন চুপ করে থাকে। খানিক নি:শব্দতার পরে মিতুলের দিকে চেয়ে অর্জুন বলল, ‘যদি বলি, হ্যাঁ, তাই? আমার অদৃষ্টদোষে সেই রাত্রে, একত্রিশে ডিসেম্বরের পার্টিতে আমরা সকলেই প্রবল মাতাল হয়ে পড়েছিলাম এবং কী করে কী হয়ে গিয়েছিল বুঝতেও পারিনি। যে ছেলেটাকে তোমরা চেনো, সেই ছেলেটা কখনও মাতালও হয়নি, স্ত্রী-সঙ্গমও করেনি। অথচ ওই রাত্রে কী যে ঘটে গেল আমি জানি না। ওই মাতাল অর্জুনকে আমিও চিনি না। একে অদৃষ্টও ছাড়া কী বলব? প্রচণ্ড মাতাল হয়ে তো আমরা সারারাত বেহেড—সকালে আমাদের দুজনকে একত্রে ঘুমন্ত আবিষ্কার করল অনিলার দাদা। তারপরেই অনিলার প্রেগন্যান্সি। এবং আমার জীবনে পড়ল পূর্ণচ্ছেদ।’ মিতুল কিছু বলল না।’

    তিতলি চুপ।

    ‘আমি তোকে কি লিখতুম তিতু? লজ্জায়, ঘেন্নায় তোকে ফোন করা, চিঠি লেখা বন্ধ করে দিলুম। এত বড় দুর্ঘটনার পরে আমার পালাবার পথও বন্ধ করে দিল ওরা। অনিলা জেদ ধরে বসল বাচ্চাটা রাখবে, অ্যাবর্ট করাবে না। বাড়িতে ফোন করে ওর বাবাকেও জানিয়ে দিল। আমার বাবাকেও। ওর বাবা চলে এলেন, আমাকে জবরদস্তি বিয়ে দেবেন বলে। আমার বাবার হার্ট অ্যাটাক হল।’

    ‘জবরদস্তি করতে হবে না।’ আমি বললুম, ‘আমার সন্তানের দায়িত্ব আমিই নেব।’ এ ছাড়া কিই বা করতে পারতাম আমি সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে?’

    তখনও সেভাবে কিছুই জানা হয়নি অনিলা সম্বন্ধে। ধীরে ধীরে জানলাম যে সে সুস্থ স্বাভাবিক মেয়ে নয়। মাঝে মাঝে একেবারে অসুস্থ হয়ে মানসিক রোগের হাসপাতালে যেতে হয় ওকে। ওর প্রচণ্ড ইন্ডিয়া-বিদ্বেষ, ইন্ডিয়ান-বিদ্বেষ, এসবই সেই মনোরোগের অঙ্গ।—সেসব জানতে অনেকদিন দেরি হয়েছিল।

    বিয়ে হল লন্ডনেই। অভিমন্যু জন্মাল। আমি তারই মধ্যে পাস করে একটা চাকরি খুঁজতে লাগলুম।

    বাচ্চা জন্মানোর কিছুদিন পরেই অনিলা দেশে যাবার জন্যে অস্থির হয়ে পড়ল। সেখানে ওদের কাজের লোকজন আছে। বাচ্চা ধরবার লোক পাবে। আমাকে সুদ্ধু নিয়ে দেশে চলল। সেখানে আমার জন্য অনেক চাকরি নাকি পড়ে রয়েছে।

    আমার মা-বাবা-ঠাকুরদা-ঠাকুমা সবাই রইলেন কলকাতায়। আমি চললুম কেপটাউনে। অনিলাদের সেখানে বিশাল ব্যাবসার রাজ্যপাট। সত্যি আরামের অপরিসীম বিলাসের জীবন। আমিও গিয়েই কাজ পেয়ে গেলুম। ওখানকার একটা কলেজের লেকচারার। ক্রমশ অভিমন্যুই হয়ে দাঁড়াল আমার জীবনের কেন্দ্র। প্রায় মাতৃহীন শিশু বললেই চলে। সন্তানের প্রতি অনিলার যেমন অতিরিক্ত আগ্রহ এসেছিল তার জন্মের আগে, তেমনিই অনাগ্রহ এসে গেল জন্মের পরে। অভি-কে সহ্যই করতে পারত না অনিলা। কী একটা আক্রোশ ছিল ওর প্রতি।’

    হঠাৎ ওকে থামিয়ে দিয়ে তিতলি বলল—

    ‘অনিলা—অনিলা করছিস যে বড়? লন্ডনে তো নীলা বলতিস।’

    ‘বলতুম। সেইটেই ওর ডাকনাম। ডাকনামে ডাকতে আর প্রবৃত্তি হয় না।’ একটু থেমে বলল —’ওর অত্যাচারের রকমটা অস্বাভাবিক! অভিকে নিয়ে পালিয়ে না এলে—’

    শিউরে উঠে চুপ করে যায় অর্জুন।

    ‘একটা ভুলের মাসুল সারাজীবন ধরে গুনতে হবে একজন মানুষকে? আর অভি? সে তো শিশু—সে বেচারি কী দোষ করেছিল, যে তার জীবনে এত জটিলতা, এত বেদনা, এত বঞ্চনা এসে পড়বে? তবুও তুমি ”পুরুষকার” শব্দটা উচ্চারণ করবে, মিতুল?’

    মিতুল চুপ।

    ‘মাপ চাইবার সাহস আমার নেই যেভাবে তিনজন মানুষের জীবনে আমি অশেষ যন্ত্রণা এনেছি—তিতলির, অভি-র এবং আমার নিজের।—তাতে করে ”ক্ষমা কর”, ইত্যাদি ওজনদার কথা উচ্চারণ করতেও মুখে বাধে।’

    তবু বলছি। তিতলি মনে রাগ-দু:খু পুষে রাখিসনি। তাতে জীবন তেতো হয়ে যায়। ক্ষমা করে দিলে নিজেরই মুক্তি। দেখবি জীবনের স্বাদ পালটে যায়।’ অজুনের স্বর ক্লান্ত শোনায়। একটু চুপ থেকে আবার অসহায়ভাবে বলল—

    ‘তিতলি তুই তো আমাকে চিনিস। তুই বিশ্বাস কর, আমার কিছুই মনে নেই রে। কিছু স্মৃতি নেই। আমার স্মৃতিতে সেই রাত্রি ছিল শুধু মদের।’

    কাপগুলো কুড়িয়ে নিয়ে মিতুল এবারে উঠে দাঁড়ায় ট্রে হাতে।

    ‘থাকগে। ওসব পুরোনো কথা আর ঘেঁটে কী হবে। যা হবার হয়ে ফুরিয়ে গেছে। অভিমন্যু এসে গেছে তো কলকাতায়, মাসিমার কাছে মানুষ হচ্ছে। এটাই বড় কথা। তিতলি ঠিকই থাকবে। ওর জন্য ভাবিস না। আমরা সবাই খুব শক্ত ধাতুর তৈরি।’ মিতুল হেসে চলে যায়। তিতলি উঠে গিয়ে পরদাগুলো টেনে দিতে থাকে।

    ‘চল তিতলি, ভাত খেয়ে নিবি এবারে। তোর বন্ধুরা সব এসে পড়বে।’ মিতুল ওঘর থেকে বলে, ‘আমাদের সঙ্গে তোকে খেতে বলতে পারছি না অর্জুন—তিতলির তো অশৌচ চলছে, হবিষ্যি করছে, একুশে শ্রাদ্ধের দিন আমাদের সঙ্গে ভোগপ্রসাদ খেয়ে যাস। আর তেইশে ‘মৎস্যমুখী’-তে অভিমন্যুকে অবশ্যই নিয়ে আসিস। আমাদের সঙ্গে খেয়ে যাবে।’ ট্রে রেখে বেরিয়ে আসে মিতুল।

    ‘কোন স্কুলে পড়ছে ও?’

    ‘ডন বস্কোতে দিয়েছি। কিন্তু ওর বাংলা পড়ায় খুব মন-টন আছে দেখি। মায়ের কাছে গল্প শুনে শুনে এটা হয়েছে। ফেলুদা, প্রফেসর শংকু, সব পড়ে।’

    ‘মা’র কথা বলে না?’ মিতুলের কৌতূহল চরিতার্থ করে অর্জুন।

    ‘না: মা’র স্মৃতি তো সুখের নয়। ভীতিপ্রদ।’

    অর্জুন সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়, তিতলির দিকে একবার দেখে নেয় আড়চোখে, তারপর মিতুলকে বলে—

    ‘তোমরা দুজনেই ছিলে ভালো হল। একা তিতলি থাকলে ওরও কষ্ট হত। আমরাও অসুবিধা হত বলতে…। আসি মিতুল, তিতলি আসি—একুশ তারিখে দেখা হবে।’

    .

    অর্জুন চলে যাবার পরে মিতুল হঠাৎ বলে উঠল,—’রাহুলের সঙ্গে অমন হুট করে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে এলি কেন, তা জানি না। ফিরে গিয়ে ওটা ফের reactivate করবার চেষ্টা করবি। রাহুল তো চমৎকার ছেলে। তোকে খুব যত্ন করত, ভেরি কেয়ারিং—’

    ‘দিদি, তোমাকে তো বললাম। ও ভয়ানক ইমম্যাচিওর, অ্যান্ড হি হ্যাড লেট মি ডাউন। এতটা যখন শুনলি তখন বাকিটাও বলছি শোন। এক ক্যানেডিয়ান রোমান্স রাইটার অর্থাৎ চিপ প্রেমের কাহিনির কর্মার্শিয়াল রাইটার—সিরিয়াস সাহিত্যসাধক নয়—এসেছিল আমাদের শহরে রোমান্সের মেটেরিয়্যাল খুঁজতে—রাহুলটা এত বোকা, নিজেই তার মেটেরিয়্যাল হয়ে গেল। তার সঙ্গে উন্মত্ত হয়ে দুটো মাস স্বপ্নের মধ্যে কাটিয়ে এখন তার আমাকে আর ভালোই লাগছে না। ঘরসংসারে আর তার মন নেই। আমিও বোরিং হয়ে গেছি। সে কেবল বাহামায় আর লাসভেগাসে আর নায়াগ্রায় ছুটে বেড়াতে চায়। আমিও এই বয়েসে ওরকম হালকা পলকা চরিত্রের পুরুষকে আমার জীবনে আর চাই না দিদি। সো আই সেইড,—’গুড বাই—ফাইন্ড আপ্লেস ফর ইওরসেলফ ইন দিজ ফিউ মান্থস।’ ওর হাতে সময় আছে। আমি ফিরতে চাই পরিচ্ছন্ন ফাঁকা ফ্ল্যাটে। আই ওয়ান্ট নো সাইনস অফ অ্যানাদার ট্রেইটর ইন মাই লাইফ। মোস্ট মেন আর ট্রেইটরস।’

    ‘এ কথা ঠিক নয় তিতু। আবার ওই সব বলছিস? তোকে না এক্ষুনি বললাম বাবার কথা মনে কর। অশোকের কথা, দাদার কথা, ইউ মাস্ট স্টপ থিংকিং নেগেটিভ। থিংক পজিটিভ, তিতু। প্লিজ , থিংক পজিটিভ! উই মাস্ট থিংক পজিটিভ টু গেট পজিটিভ রেজাল্টস ফ্রম আওয়ার অ্যাকশনস ইন লাইফ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহজন্ম – নবনীতা দেবসেন
    Next Article অন্যদ্বীপ – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }