Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিতলি – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প110 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩ . রাহুল

    সেইদিন রাহুলকে তিতলি খোলখুলি জিগ্যেস করেছিল। পা থেকে জুতো দুটো খুলে নিয়ে দূরে ছুঁড়ে দিয়ে বেরুনোর জন্য প্রস্তুত রাহুলকে হঠাৎ জড়িয়ে ধরে তিতলি বলেছিল—’জুতো থাক। বোসো। আজ যেতে হবে। না। প্লিজ বোসো। একটা কথা আছে। খুব জরুরি কথা! মোস্ট আর্জেন্ট। প্লিজ রাহুল। স্টে হোম।’

    রাহুল অবাক হয়ে বলল—’কাজে যাচ্ছি—যেতে হবে না মানে?’

    ‘মানে সিক লিভ নাও। সত্যি সত্যিই তো তোমার শরীর-মন সুস্থ নেই। সত্যি সত্যিই তো তোমার বিশ্রাম চাই। আর তোমার মনিব তো তুমি নিজেই।’

    ‘কী আবার হয়েছে আমার? কীসের বিশ্রাম?’ তিতলির কথাটা উড়িয়েই দিয়েছিল রাহুল।

    ‘বোসো, রাহুল। বেরিও না। আজ আমাকে একটা কথা বলতেই হবে। অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি। কবে তোমাকে ধরতে পারব। আজকে ধরেছি। প্লিজ , নিজের জন্যে আমার জন্যে—আজ সিক রিপোর্ট করো।’ রাহুলের দু-হাত জড়িয়ে ধরেছিল তিতলি।

    আর রাহুল খুব বিরক্ত হয়ে হাত ছড়িয়ে নিয়েছিল। সেই হাত ছাড়িয়ে নেওয়ার মধ্যেই উত্তরটা পেয়ে গিয়েছিল তিতলি। তবুও বলেছিল, যেটা বলবে বলে স্থির করে রেখেছিল সেদিন।

    ‘তুমি ওই সম্পর্কের মধ্যে গিয়ে কী খুঁজছিলে, রাহুল, কী চাইছিলে ওখানে, যেটা আমাদের সম্পর্কের মধ্যে পাচ্ছিলে না?’

    ‘থাক না! ওসব পার্ট তো চুকেবুকে গেছে—’

    ‘না, থাকবে না। জেনির সঙ্গে সম্পর্ক শেষ মানেই কিন্তু ওসব পাট চুকেবুকে যাওয়া নয়। ওর শেকড়টা তো থেকেই যাবে। রাহুল আমাদের ভাবতেই হবে এটা হল কেন? আমাকে বলো, তুমি কেন জেনির কাছে গেলে? কীসের আশায়? কী পাওনি বলে? কেবল লাক্সারির জন্যে? ভালোবাসা যথেষ্ট না।’

    তিতলি বসে পড়েছে মেঝেয়। সাদা ভালুকের লোমশ চামড়ার নরম কার্পেটটার ওপরে। রাহুলের দুই হাঁটুতে তিতলির দুটো হাত। রাহুল পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বের করল। প্যাকেট খুলে একটা সিগারেট বের করল। অন্য পকেট থেকে লাইটার—রাহুলের দীর্ঘ পেশিবহুল শরীর কঠিন হয়ে আছে। একটুও রিল্যাক্সড নয়।

    রাহুল কথা বলে না। প্যাকেটের ওপরে সিগারেটটা আস্তে আস্তে ঠুকতে থাকে। ঠুক…ঠুক…ঠুক…

    মৃদু সেই শব্দটুকু তিতলির স্নায়ুকেন্দ্র বিপুল আঘাত দেয়। তিতলি ওকে সিগারেট ছাড়াতে চেষ্টা করছে। এটা স্পষ্টতই সেই প্রয়াসের বিরোধিতা ঘোষণা।

    রাহুল সোজাসুজি কথা কওয়ার মানুষই নয়। স্বল্পভাষী। তিতলির বিপরীত স্বভাব তার।

    ‘টেল মি, রাহুল, হোয়াট ওয়েন্ট রং?’

    ‘স্টপ ইট, তিতলি। আই কান্ট স্ট্যান্ড দিস ”নৌটংকি” এনি লংগার। অ্যান্ড আই মাস্ট গো টু ওয়ার্ক। লেট মি গো।’

    ‘রাহুল! আই ওয়ান্ট টু নো। আই ওয়ান্ট টু আন্ডারস্ট্যান্ড—সো দ্যাট ইট ডাজ নট হ্যাপেন আগেইন! নেভার আগেইন।’

    রাহুল এবারে সিগারেটটা ধরাল। একটি দীর্ঘ টান মেরে, ধীরেসুস্থে ধোঁয়া উড়িয়ে বলল, ‘ইউ উইল নেভার আন্ডারস্ট্যান্ড। লেট মি গো নাউ।’

    আস্তে তিতলির হাতটা হাঁটু থেকে সরিয়ে দিয়ে উঠে সোজা হয়ে দাঁড়াল সে। আস্তে হলেও স্পর্শের মধ্যে মায়া ছিল না রাহুলের। ছিল বিরক্তি। স্পর্শের ভাষাই তিতলিকে বলল, ‘ইট উইল হ্যাপেন আগেইন, অ্যান্ড আগেইন। অ্যান্ড আগেইন।

    তিতলি সরে এসে শূন্য সোফাতে মুখ গুঁজল।

    দরজা বন্ধ হবার শব্দ। রাহুল বেরিয়ে গেছে।

    .

    এমি বলল, ‘এভাবে চলে না। তোমরা দুজনে একসঙ্গে একই বাসাতে বসবাস করছ, যে যার মতো চলছ, কথা কইছ না কেউ কারুর সঙ্গে—একজন অপরাধ বোধে ভুগছে, আরেকজন রাগে-দু:খে নীরব—এভাবে কোনও সম্পর্ক টেকে না। হয় ছিঁড়ে ফেলো বাঁধন, দুজনে মুক্ত হয়ে নতুন পার্টনার খুঁজে নাও—নয়তো কথা বলো। স্পষ্ট করে জেনে বুঝে নাও কী হয়েছিল, কোন ছিদ্র বুজিয়ে ফেলতে হবে।’

    এমির কাজই কাউন্সেলিং যদিও সে তিতলির কাউন্সেলর নয়। প্রতিবেশিনী, শুভার্থিনী। ঠিক ‘বান্ধবী’ বলা যায় কিনা তিতলি বোঝে না। এমি বয়সে অনেক বড়। প্রায় ওর মা হতে পারত। এমি চেষ্টা করেছে, কিন্তু রাহুল কথা বলবার পাত্র নয়। অতএব এমি বলছে, তিতলি নিজেই কথা বলুক।

    ‘শোনো তিতলি। সম্পর্ক ভাঙা-জোড়া হামেশাই হচ্ছে—কতগুলো ভাঙা সহজেই জোড়া লাগানো যায়। একটা অ্যাফেয়ার বরং ভালোই। কষ্টি পাথরে যাচাই হয়ে যায় সম্পর্কটা। তারপরে যখন আবার জোড়া লাগে, তখন একেবারে এয়ারটাইট কমপার্টমেন্ট—পুরোপুরি সিকিওর রিলেশনশিপ। তেমনিই কিন্তু কতগুলো ভাঙন কিছুতেই জোড়া লাগে না। এবার জুড়লে তো, তারপর আবার আর একটা অ্যাফেয়ার হবে। আবার হয় তো টেনেটুনে ধরে আনা গেল। আবার জোড়া লাগালে—কিন্তু না:। আবার পালাবে। সেসব ক্ষেত্রে ইট ইজ বেটার টু পার্ট।—বিকজ দেয়ার ইজ নো রিলেশনশিপ বিটুইন দ্য ট্যু।’

    তিতলি শুনছিল মন দিয়ে। তার হাতে ছিল এমির মায়ের উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া কাটগ্লাসের গেলাসে চিলড হোয়াইট ওয়াইন। হাতের গেলাস ছাড়াও এমির লম্বা আঙুলে ছিল লম্বাটে একটি সিগারেট।

    ‘নো এমি! নো সিগারেটস—হোয়েন উই টক! ইটস অ্যান অ্যান্টিসোশ্যাল অ্যাক্ট, ইউ নো।’

    এমি সঙ্গে সঙ্গে লজ্জিত হয়ে সিগারেটটা গুঁজে দিল অ্যাশট্রেতে। কিন্তু মুখে বলল—’ইটস ভেরি লাইট,—লাইট মিন্ট ফ্লেভারড।’

    ‘হ্যাভ আ রিয়াল মিন্ট ইনস্টেড’—তিতলি ব্যাগ খুলে এক প্যাকেট ‘লাইফসেভার’ বের করে।

    ‘নো ক্যানডিজ ফর মি—থ্যাংক ইউ সুইটহার্ট—বাট থিংক ওভার ইট, তিতলি। স্পিক টু রাহুল। দিজ ইজ নো লাইফ টুগেদার। হোয়েন ইউ আর বোথ ফ্রি, সিট ডাউন ফর আ টক।’

    .

    দুজনেই ফ্রি, এরকম সময় ঈশ্বর তাদের সপ্তাহের মধ্যে দেবেন না। দুজনে শুধু উইক এন্ডে ফ্রি থাকে। কিন্তু জেনির ঘটনার পর থেকে রাহুল আর তিতলির মধ্যে অবশ্য প্রয়োজনীয় বাক্যবিনিময় ছাড়া কোনও কথাবার্তাই হয় না। প্রচণ্ড গুমোট চলছে বাড়িতে। দম বন্ধ হয়ে আসছে। এমি ঠিকই বলেছে। এটা দুজনের কোনও দ্বৈত জীবন নয়।

    *

    রাহুলের সঙ্গে তিতলির বিয়ে হয়নি, কেন না ওদের বিবাহে রুচি নেই। রাহুলও সৎপাত্র, তিতলিও সৎপাত্রী। তিতলি সারা সপ্তাহ পাগলের মতো ব্যস্ত থাকে ল্যাব নিয়ে। আর রাহুল ব্যস্ত তাদের ব্যাবসা নিয়ে। তার বাবা-মা, দিদি-জামাইবাবু এদেশেই সকলে থাকেন। সিন্ধি পরিবার। রাহুলদের একটা পারিবারিক ইলেকট্রিক্যাল গুডসের কোম্পানি আছে। আর আছে একটা চেন অফ মোটেলস। সুদর্শন সুস্বাস্থ্য সচ্চরিত্র ছেলে। হঠাৎ কী যে হল! জেনি এসে ওদের সাড়ে চার বছরের সংসার যেন ধসিয়ে দিয়ে গেল। জেনি এসেছিল কানাডা থেকে, ফিরেও গেছে স্বস্থানে, স্বামী-পুত্রের কাছে। শুধু রাহুল আর তিতলির জীবনটা আর একরকম রইল না। নাইন-ইলেভেনের পর যেমন নিউইয়র্ক।

    .

    রাহুলের চোখে যেন মায়াকাজল পরিয়ে দিয়েছিল জেনি। সে এসেছিল ‘সাউথ’ থেকে ‘মেটিরিয়্যাল’ সংগ্রহ করতে—কানাডায় ফিরে গিয়ে উপন্যাস লিখবে। উপন্যাস লিখে নাকি কোটি টাকা উপার্জন করে সে, যদিও তার নাম খুব বেশি লোকে জানে না। জেনি লেখে রোমান্স। তার স্বামীপুত্র তার উপরেই নির্ভরশীল। স্বামী-পুত্র তো এসেছিল, জেনির ফিরে যাবার ঠিক মুখে। স্বামীটি যেন সেক্রেটারি-কাম-আয়া-কাম-বাটলার-কাম-কুক-কাম-ড্রাইভার—কম্বাইন্ড হ্যান্ড স্ত্রী দেখতে যদিও সাধারণত জনগণ অভ্যস্ত, কিন্তু এমন কম্বাইন্ড হ্যান্ড স্বমী চট করে চোখে পড়ে না। রাহুল তাকে দেখে জেনির বিষয়ে কিছু বুঝেছিল কিনা কে জানে।

    .

    এমির কথামতো তিতলি চেষ্টা করেছিল। কথা বলবার চেষ্টা করেছিল রাহুলের সঙ্গে। কিছুতেই হয়ে ওঠেনি। রাহুল সুযোগ দেয়নি সহজ হবার। কথাটা পাড়বার মতো আবহাওয়া গড়ে ওঠেনি। শেষ পর্যন্ত যেটা করা উচিত ছিল না, ঠিক সেটাই ঘটিয়ে ফেলল তিতলি।

    মরিয়া হয়ে। ডেসপারেটলি রাহুলকে আটকাল একটা সন্ধ্যাবেলায়। সে বেরুচ্ছিল কাজে। সেজেগুজে তৈরি হয়ে জুতোর ফিতে বাঁধছে, তিতলি জুতো দুটো পা থেকে টেনে নিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলে দিল।

    .

    সব শুনে এমির মুখটা খুব দু:খী দু:খী হয়ে গেল। অনেকক্ষণ কোনও কথা বলতে পারল না এমি। তারপরে বলল—’জানো তিতলি অনেক সময়ে হয় কী, প্রেম যদি সত্য হয় তাহলে এই একটা বাইরের ধাক্কা লেগে সেটা আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে। ভিত্তিটা সত্যের ওপর দাঁড়ায়। ছেলেরা, অনেক সময়ে মেয়েরাও, চোখের সামনে যেটা রয়েছে, তা দেখেও দেখতে পায় না। হয় তাদের দৃষ্টির দুর্বলতা, নয় তাদের মনোযোগ নেই, বা দেখবার ইচ্ছে নেই, কিংবা চিনে নেবার শক্তি নেই। বোঝে না, অথবা হৃদয়াবেগের মূল্য বোঝে না। আবার কেউ কেউ ঠিক হৃদয়াবেগকে ভয় পায়। তাদের মন:সংযম বা আত্মবীক্ষণের অভাব আছে, যে জন্য তারা সমস্যাগুলোর সামনে যেতেই ভয় পায়, সমস্যাগুলোকে বিশ্লেষণ করতেই সাহস পায় না, ফলে সমাধানও হয় না কোনওদিনই। এমন দম্পতিরা হামেশাই একত্র থাকে—একসঙ্গে থাকলেও তারা বিচ্ছিন্নই। এক সংসারে থেকেও দুজনেই একা। আবার এমনও দেখেছি, কখনও দুজন দুজনের সঙ্গে কোনওদিনই কোনওভাবেই জোড়ে মেলেনি, অথচ দিব্যি একসঙ্গে ছিল, হঠাৎ একটা বাইরের প্রণয় ঝড়ের মতো এসে, সব ওলটপালট করে দিয়ে তাদের সত্যের সামনাসামনি দাঁড় করিয়ে দেয়। তারপর তারা হয় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, নইলে নতুন করে চেষ্টা করবে শুরু করতে, পুনরারম্ভ। তখন দুজন দুজনের কাছে যথাসাধ্য সত্যি কথা বলবে, দুজনে দুজনের কাছে স্পষ্ট, স্বচ্ছ, নিরভিমান হবার চেষ্টা করবে—ফলে যে সম্পর্কটি তৈরি হবে সেটি গভীর, সৎ অমূল্য। সেটিই টেকসই। প্রকৃত প্রণয় গ্রন্থিবাঁধা হবে এবারে। আর যদি তা না হয়, যদি সম্পর্কটা ভেঙেই যায় তো যাক না। সেটাই ভালো। দুজনের হয় তো দু-দিকে যাত্রাপথ সরে গেছে। একই গন্তব্য আর নেই তাদের—সেক্ষেত্রে তো আলাদা আলাদা যাত্রা করাই মঙ্গল। তাই না?’ এমি মিষ্টি হেসে চিজ-ডিপ আর গাজরের টুকরোগুলো এগিয়ে দেয়। অন্যমনে তুলে নেয় তিতলিও।

    ‘আরেকটু ওয়াইন দিই?’ তিতলি বাধ্য মেয়ের মতো গেলাস এগিয়ে দেয়। এটুকু এমির বিলাস। অত্যন্ত পরিশ্রমের জীবন তার। প্রিজনের কাউন্সেলিং করে সে। তারই মধ্যে সন্ধেবেলা একটু ভালো ওয়াইন নিয়ে বসে গল্পগাছা—তিতলির সঙ্গে। মাঝে মাঝে ফ্রান্সিসও যোগ দেয়। ওপাশের বাড়ির ছোকরা কালো ছেলেটি। এমি যেন এদের সবার গার্জেন হয়ে বসেছে নিজে নিজেই। ফ্রান্সিসও তিতলির কলেজে পড়াচ্ছে, তার বিষয় মিউজিক। সবাই একই হাউজিংয়ে থাকে।

    .

    এমি বলছিল—’রাহুল যদি নিজে এগিয়ে আসত, ও যদি নিজে থেকে ব্যাপারটা স্বচ্ছ করে নিতে চাইত, ব্যাখ্যা খুঁজত, সহজ করে নিতে চাইত, সেটাই শ্রেষ্ঠ হত। কিন্তু সেটা করতে হলে যতটা মনোবল চাই, সেটা ওর নেই। কিন্তু কথার চেয়ে কাজের ভাষাটাই বেশি জোরালো। রাহুল তো ফিরে এসেছে। সেই ভাষাটাই আমরা পড়ব।’

    ‘ফিরে কি এসেছে? সেটাই তো বুঝতে পারছি না। অন্য একটি নারীর কাছে যে সে চলে গিয়েছিল, সেটাই তো একটা ভাষা এমি—সেই ভাষাটাই পড়তে পেরেছি—বাড়িতে এসে থাকা মানেই আমার কাছে ফেরা নয়। আমার কাছে সে ফেরেনি এমি। আই ওয়ান্ট আ ক্লিন ব্রেক। হি শুড মুভ আউট।’

    এমি চুপ করে থাকে, তারপর বলে,—’জেনি ওয়াজ আ ভেরি স্পেশাল কেস। সে তো সাধারণ মেয়ে নয়, ক্রিয়েটিভ রাইটার, তার একটা আলাদা গ্ল্যামার ছিল। তার সাজপোশাক অন্য, ডিজাইনার ক্লোদস পরত, তার হাঁটাচলা অন্য রকম—রাহুল তো সমাজের ওই স্তরের মেয়েদের সঙ্গে মেশেনি কখনও। জেনিও রাহুলকে পেয়ে অত সুপুরুষ, ‘টল-ডার্ক-হ্যান্ডসাম’ প্রিন্স অব ইন্ডিয়াটিকে হাতে পেয়ে যা খুশি তাই করেছে—দে ওয়্যার লিভিং আ ড্রিম টুগেদার। দে ক্যান নেভার বি হ্যাপি টুগেদার ইন রিয়্যাল লাইফ, তিতলি।’

    ‘আমি ওসব জানি না এমি, আমি কেবল খাঁটি কথা জেনে গেছি, রাহুল আর কোনওদিন আমাকে নিয়ে সুখী হবে না। সারাক্ষণ আমাকে ও তুলনা করছে জেনির সঙ্গে। জেনির হাতের অর্থ হিসেবহীন, তার যা খুশি সে তাই করতে পারে—আজ রাহুলকে নিয়ে লাসভেগাস উড়ে যাচ্ছে, দিনভর রাতভর যত খুশি জুয়া খেলছে, কাল উড়ে যাচ্ছে নিউ অরলিন্সে, সারারাত জ্যাজ শুনছে—পুঁতির মালা ছুড়ে দিচ্ছে দলবদ্ধ কিশোরীদের—যারা তাদের বক্ষ অনাবৃত করছে এক লহমার জন্য—এটা নিউ অরলিন্সের একটি প্রিয় খেলা—যা ওর স্বপ্ন ছিল, জেনি সব পূরণ করেছে। রাহুলের ন্যাচারালি এখন আমাকে বোরিং লাগছে। ভালোবাসলে এমন হয় না। হতেই পারত না। হি হ্যাজ নো লাভ লেফট ফর মি।’

    ‘টু ব্যাড! আই ফিল স্যরি ফর রাহুল। হি বিকেম আ টয়-বয় ফর হার। জাস্ট আপ্লে-থিং। অ্যান্ড লস্ট হিজ ট্রু লাভ। কিন্তু তুমি উঠে পড়ো, তুমি উঠে দাঁড়াও, তোমার জীবনযাত্রার পথে এটা কোনও বাধা নয়—বরং একটা মোড় ঘোরবার সুযোগ, স্টার্ট আফ্রেশ। ডোন্ট ড্র্যাগ ইট অন—ইটস ফিনিশড। ইটস ওভার।’

    কিন্তু ফ্রান্সিস বলল—’ইউ ক্যান নেভার টেল। জেনির কাছে রাহুল তো কোনও পুরুষ নয়, ও শুধু একটা আইডিয়া। জেনি রোমান্স লেখে। মেটিরিয়্যাল কালেক্ট করতে এসেছিল, রাহুল ওর সেই মেটিরিয়্যাল। ব্যস, আর দ্বিতীয়বার সে ফিরে তাকাবে না রাহুলের দিকে। প্রত্যেক সামারেই নিশ্চয় ও কাউকে-না-কাউকে জোগাড় করে। দেখলে না, স্বামী সঙ্গে আসে না, একদম শেষে এসে নিয়ে যায়? সবই বিজনেসের ব্যাপার—বেচারা রাহুল ওর টোপ গিলল, পুয়োর রাহুল। কয়েকটা মাস যাক, মায়ার জালটা কাটুক, ওর পা বাস্তবের মাটিতে পড়ুক—রাহুল ফিরবে। সবটাই জেনির হাতেগড়া ব্যাপার ছিল।’

    তিতলি কিন্তু ফ্রান্সিসের সঙ্গে একমত হতে পারল না।

    ‘না ফ্রান্সিস। লোভটা তো রাহুলের মধ্যেই ছিল। জেনি না হলে ওটা হত জুডি, জুডি না হলে জিল। জেনে রেখো, জেনির জন্যে একটা সিট খালি ছিল ওর জীবনে, নইলে সে এসে বসত কোথায়? আমার জীবনে তো কেউ ঢুকতে পারেনি এখনও?’

    ‘বাট জেনি ওয়াজ হিজ ফেয়ারি গডমাদার, তিতলি, শি ফুলফিলড হিজ এভরি উইশ।—এভরি ড্রিম।’

    ‘অ্যান্ড দেন শি ফ্লু আওয়ে।’

    এমি বলে ওঠে’ ‘সেলফিশ ওম্যান—আমি বলছি, এ সবই ওর নেক্সট বইয়ের মধ্যে ঢুকবে। আয়্যাম টেলিং ইউ, শি ইউজড হিম।’

    ‘কিন্তু তিতলি। তুমি তো রিয়্যাল, তুমি তো বাস্তব, জেনি স্বপ্ন, জেনি ক্ষণস্থায়ী। জেনি মুছে যাবে। গিভ হিম টাইম—তুমি দ্যাখো, হি উইল কাম হোম টু ইউ।’—ফ্রন্সিস কিন্তু হাল ছাড়ে না।

    তিতলি একটু হাসে।

    —’থ্যাংকস, ফ্রান্সিস, ইউ টু আর আ ড্রিমার। তুমিও স্বপ্ন দ্যাখো, তুমি শিল্পী, তোমার তো এরকম মনে হবেই। বাট আয়্যাম নট অ্যান আর্টিস্ট। আমি মনে করছি রাহুলের সঙ্গে একত্রে বাস করা আমার পক্ষে অস্বাস্থ্যকর। এতে মন অন্ধকার হয়ে থাকে। ইটস ডিপ্রেসিং। ইটস আন-হেলথি। আই ওয়ান্ট সাম লাইট ইন মাই লাইফ। আমি ভাবছি দেশে ফিরে যাব।’&&

    ‘দেশে? ইন্ডিয়ায়? চাকরি ছেড়ে?’

    ‘না:। আজকের দিনে টেনিওর্ড পাওয়া পাকা চাকরি কেউ ছাড়ে? ভাবছি ছুটি নিয়ে যাব এক সেমেস্টারের জন্যে। ওখানে মা আছেন। মা’র জন্যে একটা ফ্ল্যাট কিনে দিতে চাই। মাকে ওল্ড এজ হোম থেকে তুলে এনে বাড়িতে রাখতে চাই। তখন প্রথম ক’টা মাস মা’র সঙ্গে কাটিয়ে এলে মা’রও ভালো লাগবে, আমারও। দ্যাটস মাই প্ল্যান।’

    ‘গুড আইডিয়া।’ এমি মহা উৎসাহিত হয়ে ওঠে, ‘ভেরি গুড আইডিয়া ইন ফ্যাক্ট। গেট অ্যাওয়ে ফ্রম হিয়ার, গেট অ্যাওয়ে ফ্রম রাহুল। ফিরে আসবে যখন, তখন নতুন করে শুরু করবে সব। নো রাহুল, নো জেনি। জাস্ট তিতলি! অ্যান্ড হার নিউ লাইফ।’

    ‘অ্যান্ড এমি? অ্যান্ড ফ্রান্সিস?’ ফ্রান্সিস হাসতে হাসতে তিতলিকে কোলে তুলে এক পাক ঘুরিয়ে নামিয়ে দেয়। ‘আমাদেরও যেন ঠেলে ফেলে দিও না বাপু। পুরোনো স্মৃতির সঙ্গে আমরা হব সেই সেতু—বিটুইন দি ওল্ড অ্যান্ড দ্য নিউ তিতলি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইহজন্ম – নবনীতা দেবসেন
    Next Article অন্যদ্বীপ – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }