Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিমির প্রেম – রকিব হাসান

    রকিব হাসান এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিমির প্রেম – ৭

    সাত

    তিন মাস হলো বাচ্চার বয়েস। লম্বা হয়েছে তিরিশ হাত। ওজন সাত টন, অর্থাৎ প্রায় দুশো মন। রীতিমতো একটা দৈত্য, অথচ এখনও দুগ্ধপোষ্য শিশু। তিন মাসে বেশ কাহিল হয়ে পড়েছে মা-তিমি। কারণ রাবারে সঞ্চিত চর্বিকে খাবারে পরিণত করে নিজের শরীরের জ্বালানী যেমন জোগাড় করতে হয়েছে, বাচ্চার জন্যে দুধও সরবরাহ করতে হয়েছে। নীল তিমির মতো ডানা তিমিরা ও বাচ্চা হওয়ার পর ছয় মাস প্রায় উপোসই থাকে। সেই ক্রিল-অঞ্চলে আবার যাওয়ার আগে খাবার বলতে তার বরাতে বিশেষ কিছু জোটে না। ছয় মাসের আগে যায় না যে তার কারণ আছে। তখন শীতকাল। গিয়ে কোন লাভ নেই। প্রচণ্ড শীতে চারদিকে শুধু বরফ আর বরফ। খাবারের চিহ্নও মেলে না।

    বাচ্চাটার জখম ভাল হয়ে গেছে। উপকূল ছেড়ে তাই আরও দক্ষিণে চলতে শুরু করেছে মা-তিমি। দক্ষিণ আটলাণ্টিক অতিক্রম করে দক্ষিণ মেরুর ক্রিল- অঞ্চলে পৌঁছতে পৌঁছতে গরমকাল এসে যাবে। সেপ্টেম্বরের মোটামুটি তৃতীয় সপ্তাহে সূর্য বিষুব সংক্রান্তি অতিক্রম করে দক্ষিণায়নের পথে যাত্রা শুরু করলেই কি করে যেন টের পেয়ে যায় তিমিরা। সারা শরীর চনমন করে ওঠে। পুরুষ তিমি সঙ্গে থাকলে তিমিনীকে ডেকে তখন বলে, ‘সময় হয়েছে, চলো যাই।’

    অবাক হয় না তিমিনী, জানতে চায় না কোথায় যেতে বলা হচ্ছে। তারও  জানা আছে কোথায় যেতে হবে।

    দলে দলে দক্ষিণে রওনা দেয় তিমিরা। যাবে বরফের দেশে। সেই যেখানে আছে সাদা বরফের ভাসমান পাহাড়, আছে লক্ষ-কোটি পেঙ্গুইন তিমিদের সঙ্গে তাল মিলিয়েই যেন সূর্যও চলতে থাকে মকর সংক্রান্তির দিকে।

    উপকূলের তিন-চার মাইল দূর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে মা ও ছেলে। রোজ তিরিশ-চল্লিশ কিলোমিটার এগোয়। পারলে মাটির আরও কাছ ঘেঁষে এগোত। পারে না তার কারণ, সৈকতের কাছাকাছি পানি কম, এতবড় শরীর নিয়ে নড়াচড়া মুশকিল, তাছাড়া সেখানে জেলে ডিঙির ভিড়। মানুষকে এড়িয়ে চলে দানবেরাও।

    মন্টিভিডিওর কাছাকাছি এসে মোড় নিয়ে দক্ষিণ-পুবে চলল দুজনে। মহীসোপান অতিক্রম করে করে এতদিনে গভীর সাগরে পড়েছে। ভূগোলের ছাত্র হলে এবং মানুষের লেখা বই পড়লে জানত ওরা, জায়গাটার নাম আর্জেন্টিনা বেসিন। আরও দুটো নাম আছে এর, গর্জনশীল চল্লিশা ও অশ্ব-অক্ষাংশ। ভূগোলের ছাত্র না হয়েও একটা কথা ঠিকই জানে মা-তিমি, পানির গভীরতা এখানে পনেরো থেকে বিশ হাজার ফুট। সাগর এখানে ভীষণ অশান্ত। সদা-চঞ্চল, সদা-উচ্ছ্বাসে ভরা এক চিরযৌবনা নতর্কী যেন।

    সাগরের এই এলাকাটা মা-তিমির খুব প্রিয়। সে কথা জানে না বাচ্চা ছেলে। জানার কথাও নয় তার। এখানে এলেই মায়ের রক্ত চঞ্চল হয়ে ওঠে। মধুযামিনীর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গা। পাঁচ বছর আগে এখানেই দেখা হয়েছিল খোকার বাপের সঙ্গে। তখন ওর ভরা যৌবন। তেল চকচকে নিটোল দেহ। ঘুরে বেড়ায় একা একা। ভাল লাগে না, কিছুই ভাল লাগে না তার তখন। সঙ্গীর প্রয়োজন, একথা বুঝতে পারে না তরুণী তিমি, কিন্তু সারাক্ষণ মনে হয়, কি যেন চাই, কিছু একটা, যা তার এই ভাল-না-লাগাকে দূর করে দেবে।

    হঠাৎই একদিন দূর থেকে শব্দ-তরঙ্গের মাধ্যমে ভেসে এলো এক অদ্ভুত মাদকতা ভরা ডাক।

    কে ডাকে এমন করে? অবাক হয় তিমিনী। কেন ডাকে? কি চায়?

    দূরত্বটা ঠিক আন্দাজ করতে পারে না তিমিনী। এজন্যে তাকে দোষ দেয়া যায় না। ডাকটা এসেছে ছয়-সাতশো কিলোমিটার দূর থেকে। দক্ষিণ আটলান্টিকের পানির নিচ দিয়ে দিকে দিকে শব্দ-তরঙ্গ ছুঁড়ে দিচ্ছিল পুরুষ তিমিটা। তারই একটা তরঙ্গ তিমিনীর রাডারের পর্দায়ও এসে ধাক্কা দেয়। এক ধরনের পুলক, এক ধরনের শিহরণ অনুভব করল সে। বুঝতে পারছে না কেন এমন লাগছে তার। সাড়া দিয়ে বসল নিজের অজান্তেই।

    ছোটবেলায় বাপ-মায়ের সঙ্গেই থাকে ডানা তিমি। এক পরিবারে তিন- চারজন, বাপ-মা এবং একটি কি দুটি সন্তান। এই পরিবারকে বলে পড়, অবশ্য মানুষের ভাষায়, তিমিরা কি বলে কে জানে। আদৌ ওদের বলার প্রয়োজন পড়ে কিনা তাই বা কে জানে। মানুষের মতো অত নিয়ম-কানুন আর জটিলতার মধ্যে তো জড়াতে যায় না ওরা। নাম-ধামেরও নিশ্চয় থোড়াই পরোয়া করে।

    বাচ্চারা বড় হয়। যৌবনে পা দেয়। বারো-তেরো বছর বয়েসেই মা হওয়ার উপযুক্ত হয়ে যায় মেয়ে-তিমি।

    একটা কঠোর নিয়ম মেনে চলে তিমিরা। রক্তের সম্পর্কের কারও সঙ্গে ভুলেও মিলিত হয় না। যৌবনে পা দিয়ে দৈহিক চাহিদা অনুভবের সঙ্গে সঙ্গে পড় ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে তরুণ-তরুণীরা। তখন তারা বেপরোয়া, উদ্দাম ।

    অন্যান্য জানোয়ারের মতো তাৎক্ষণিক উত্তেজনায় যাকে পায় তার সঙ্গেই মিলিত হয় না ওরা। সাময়িক যৌন উত্তেজনার বশে হুট করে কিছু করে বসে না। অনেক সময় নিয়ে, ভেবে-চিন্তে তারপর জোড় বাঁধে। তিমি সমাজে জোড়া ভাঙার নিয়ম নেই। একবার বাঁধলে একজন আরেকজনের সঙ্গে থেকে যায় আমৃত্যু। বিবাহ-বিচ্ছেদ বলে কিছু নেই ওদের সমাজে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে কোন তিমিনী পর পুরুষের সঙ্গে ব্যাভিচার করে না।

    দুজনেই দুজনের দিকে এগোতে লাগল ওরা, অবিশ্বাস্য দ্রুতগতি। ঘণ্টায় গড়ে বিশ-পঁচিশ কিলোমিটার গতিতে ছুটছে দুজনে। দেখা হলো এক সময়। পরিচয় হলো, প্রণয় হলো, হলো পরিণয়।

    তারপর কেটেছে দীর্ঘ পাঁচ-পাঁচটা বছর। বড় কম সময় নয়। ক্রিল-অঞ্চলে যাতায়াতের পথে পাঁচ বছরে অন্তত দশ বার এই অশান্ত অশ্ব-অক্ষাংশ অতিক্রম করেছে খোকার বাপ-মা। আজ খোকার সঙ্গে সাগরের এই এলাকাটা পার হতে গিয়ে মায়ের স্মৃতিতে প্রথম যৌবনের সেই মিলন মধুর মুহূর্তগুলো ভেসে উঠল। আর সেই সূত্রে বহুবারের মত আরেকবার মনে পড়ে গেল স্বামীর মৃত্যুর ঘটনাটাও। মর্মান্তিক! এর জন্যে দায়ী তাদের চেয়ে অনেক অনেক ছোট দুপেয়ে কিছু নিষ্ঠুর জীব।

    মাত্র মাস পাঁচেক আগে বিধবা হয়েছে মা-তিমি। দক্ষিণ মেরুর ক্রিল-অঞ্চলে থেকে ফিরছিল। খোকা তখন পেটে। চলতে চলতে স্ত্রীর কাছ থেকে একটু দূরে সরে গিয়েছিল স্বামী। হঠাৎ শব্দ-তরঙ্গের মাধ্যমে টের পেল সামনে প্রকাণ্ড কি একটা পানিতে ভাসছে। এটা পানির কোন জীব নয়, তবু পানিতেই থাকে। চেনে ওকে তিমি-মা। ওদের ভাষায় কি বলে জানা নেই, তবে মানুষের ভাষায় জাহাজ।

    মাঝ সাগরে এমন আজব জীবের সাক্ষাৎ ওরা প্রায়ই পায়। তারা কোন ক্ষতি করে না। পাশ কাটিয়ে চলে যায়। কিন্তু কিছু কিছু আছে যারা যায় তো না-ই বরং দেখা পেলেই তাড়া করে। বোঝার উপায় নেই কোনটা করবে, আর কোনটা করবে না। কাজেই সতর্ক হওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করল তিমি-মা। সঙ্গীকে হুঁশিয়ার করার জন্যে একটা শব্দ-তরঙ্গ ছেড়ে দিল। কিন্তু জবাব পাওয়ার আগেই এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দে কানের পর্দা ফেটে যাবার উপক্রম হলো তার। শব্দ লক্ষ্য করে প্রাণপণে ছুটে গেল তিমি-মা।

    কিন্তু এ কি দৃশ্য! তার অসীম বলশালী জীবন-সঙ্গী, যার প্রতাপে কোন হাঙ্গর, খুনী তিমি ওদের ধারে কাছে ঘেঁষতে সাহস পেত না, সেই মহা পরাক্রমশালী সম্রাট নিথর ভাসছে পানিতে! তা-ও চিৎ হয়ে! দেখেই বুঝল মা- তিমি, মারা গেছে তার স্বামী।

    যদি তখনও বেঁচে থাকত খোকার বাপ, যদি অন্তিম মুহূর্তে জীবন সঙ্গিনীর একটু সান্ত্বনার প্রত্যাশী হয়ে থাকত, তাহলে মা তিমি তার কাছে ছুটে যেত। কিন্তু মৃত্যুকে সে চেনে। তাই মৃত স্বামীর চেয়ে সন্তানের ভাবনাই বেশি ভেবেছিল সে। পালিয়ে এসেছিল। দশ কোটি বছর ধরে একটানা রাজত্ব করে আজ দুপেয়ে কিছু ক্ষুদে জীবের ভয়ে পালিয়ে আসতে হয় তাদের। না এসে উপায় নেই। মহাশত্রু অসীম ক্ষমতাশালী।

    অতীত দিনের কথা ভাবতে ভাবতে খোকাকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে মা-তিমি কখনও পানিতে ডুবে কখনও ভেসে খুনসুটি করতে করতে মায়ের সঙ্গে সঙ্গে চলেছে বাচ্চাটা। পানির গভীরে এখন বেশ ডুব দিতে পারে সে, এক ডুবে দুশে মিটার নেমে যায়। মাঝে মাঝে মায়ের কাছে বায়না ধরে, আরও গভীরে যাবে পাতালের রাজ্যে কি আছে দেখবে। মানব শিশুর মতো তারও কি ধারণা, পানির একেবারে নিচের তলায় আছে শঙ্ক-কড়ি-প্রবাল ঘেরা রাজপ্রাসাদ, সেখানে মুক্তোর ঝালর ঝোলান সোনার পালঙ্কে শুয়ে ঘুমায় সমুদ্র-রাজের কন্যা?

    যেতে দিতে রাজি হয় না মা-তিমি। অঙ্ক না জানলেও প্রকৃতির কাছে শিখেে সে বেশি গভীরে গেলে পানির প্রচণ্ড চাপ সইতে পারবে না খোকা। কিন্তু তর্ রোজ রোজ বায়না ধরে ছেলে। শেষে একদিন রাগই হলো মায়ের। বলল, ‘যা না গিয়ে দেখ না কেমন লাগে!’

    অনুমতি পেয়ে তক্ষুনি রওনা দিল খোকা, কিন্তু পালিয়ে এলো প্ৰায় সঙ্গে সঙ্গেই।

    মা-তিমি জিজ্ঞেস করে, ‘এলি কেন? দেখলি না?’

    ‘না মা, আর যাব না। ওরেব্বাপরে, সে কি চাপ! জান বেরিয়ে যেতে বসেছিল!’

    দিন যায়। এরই মধ্যে একদিন এক কাণ্ড হলো। সূর্য তখন অস্ত যাচ্ছে। লক্ষ লক্ষ হাতছানি দিয়ে অস্তগামী সূর্যকে বিদায় জানাচ্ছে যেন অশ্ব-অক্ষাংশের উত্তাল সাগর। একটু আগে একটা জাহাজ পশ্চিমে চলে গেছে, তার নিঃশ্বাসের কালে ধোঁয়া পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি। এক্কা-দোক্কা খেলছে যেন এক ঝাঁক উড়ুক্কু মাছ, তড়াক তড়াক করে লাফিয়ে উঠছে, ঝুপ ঝুপ করে নেমে আসছে পানিতে। খোশ মেজাজে দক্ষিণে চলেছে মায়ে-ছেলেতে হঠাৎ কোথাও কিছু নেই, ডানা দিয়ে খোকাকে এক থাপ্পড় মারল মা-তিমি। পরক্ষণেই ডাইভ দিল। মাথা নিচু করে খাড়া নেমে চলল সাগরের গভীরে। এই সঙ্কেতের অর্থ বোঝে খোকা। যত্ন করে শিখিয়েছে তাকে মা। এই সঙ্কেত পাওয়া মাত্র আর দেরি করা চলবে না, মায়ের সঙ্গে সঙ্গে যেতে হবে তক্ষুণি।

    ডুবছে তো ডুবছেই। মায়ের সঙ্গে একেবারে লেপ্টে আছে খোকা। খেলাটা প্রথমে ভালই লাগল খোকার, কিন্তু খানিক পরেই টের পেল, না, এ তো খেলা নয়? কোন বিপদের গন্ধ পেয়েছে নিশ্চয় মা। কিন্তু কি বিপদ? মা-তো ভয় পায় না কাউকে?

    ভুল করেছে খোকা। তার মা-ও কিছু কিছু জিনিসকে ভয় পায়। টের পেয়েছে মা-তিমি, দক্ষিণ থেকে সোজা এদিকে এগিয়ে আসছে এক ঝাঁক খুনী তিমি। দল ছুট দু-একটা খুনী তাকে দেখলে পালানোর পথ পায় না। কিন্তু আসছে এক ঝাঁক, এগারোটা। এতগুলোর সঙ্গে একলা পারবে না সে।

    নেমেই চলেছে ওরা। দুশো কিলোমিটার, সোয়া দুশো, আড়াইশো, তিনশো-নাহ্ আর পারে না খোকা। হাজার ফুট নামার পর রীতিমতো শ্বাস কষ্ট হতে লাগল তার। এত নিচে এর আগে কখনও নামেনি সে। মনে হচ্ছে বিশাল সাঁড়াশি দিয়ে চেপে ধরা হয়েছে তাকে। যে কোন মুহূর্তে ফেটে যাবে বুক। কিন্তু উপায় নেই। মায়ের হুকুম। অমান্য করার সাহস তার নেই।

    হাজার ফুট নেমে থামল মা-তিমি। একটা শব্দ-তরঙ্গ ছেড়ে দিল সোজা ওপর দিকে। তারপর উঠতে শুরু করল, খাড়া নয়, কোণাকুণি, পঞ্চাশ ডিগ্রী কোণ করে।

    কিন্তু এই কষ্টের মানে কি? এতে তো উঠতে বেশি সময় লাগবে? বুঝতে পারছে না খোকা। সে তো আর জানে না তার মা পানি-গতিবিদ্যায় একজন বিশারদ। আরও দশ-বারো মিনিট পরে যখন ভেসে উঠবে ওরা, খুনী তিমির ঝাঁকটা তখন পৌঁছে যাবে ওরা দুজনে যেখানে ডুব মেরেছিল সেই খানটায়। পৌঁছেই মা-তিমির ছুঁড়ে দেয়া শব্দ-তরঙ্গ গ্রহণ করবে। খোঁজাখুঁজি করবে ওখানেই। কল্পনাও করবে না ওদেরকে কায়দা করে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গেল পানির জগতের অসামান্য বুদ্ধিমান বিশালদেহী দুটো প্রাণী। খুনী তিমিদের অনেক পেছনে গিয়ে ভাসবে মা-তিমি। কাজেই তার শ্বাস ফেলার সময় ফোয়ারা নজরে পড়বে না খুনীদের। এমন বুদ্ধিমত্তার তুলনা একমাত্র মানুষের সঙ্গেই করা চলে।

    খোকার দম শেষ। ডুব দেয়ার আগে জানত না, নইলে আরও অনেক বেশি অক্সিজেন জমা করে নিত রক্তকণিকায়। পানির তলায় সেই কখন থেকে আছে। ভীষণ কষ্ট হচ্ছে ওর। বাতাস চাই এখন। বাতাস। বাতাস অক্সিজেন মেশানো তাজা বাতাস।

    সহ্য ক্ষমতার শেষ সীমা অতিক্রম করল। মরিয়া হয়ে মায়ের সঙ্গ ত্যাগ করল খোকা। খাড়া উঠে যেতে শুরু করল। তৈরিই ছিল মা। এই ভুলটা করবে ছেলে, জানা ছিল তার। ধাঁ করে ছুটে এসে ডানা দিয়ে প্রচণ্ড এক থাপ্পড় কষাল ছেলের মুখে। ব্যথায় টনটন করে উঠল খোকার মুখ। তীব্র যন্ত্রণা। কিন্তু এরপর যতই কষ্ট হোক আর মায়ের অবাধ্য হলো না সে। বুঝতে পারল, নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাকে যন্ত্রণা দিতে বাধ্য হচ্ছে মা। কিন্তু কেন? কি কারণ।

    ক্রমেই কমছে পানির চাপ। দেহটা বাঁকা করে ওপরে উঠছে তিমি-মা, সঙ্গে খোকা। শেষ পর্যন্ত ভুস করে ভেসে উঠল পানির ওপরে। খোলা আকাশের নিচে খোলা বাতাসে পৌঁছেছে ওরা। বুক ভরে শ্বাস নিল খোকা। আহ্ কি আরাম! ঘন ঘন সাত-আটবার শ্বাস নিয়ে শক্তি-সঞ্চারী অক্সিজেন ছড়িয়ে দিল সারা দেহের রক্তকণিকায়। এদিক ওদিক কোথাও খুনীদের দেখতে পেল না মা। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।

    এতক্ষণে খোকাকে কাছে টেনে নিয়ে ডানা দিয়ে আদর করল মা-তিমি। মুখের যেখানটায় থাপ্পড় মেরেছিল সেখানে ডানা বুলাতে বুলাতে তিমির ভাষায় জিজ্ঞেস করল যেন, ‘মেরেছি বলে রাগ করেছো, বাপ?’

    জবাবে মায়ের পেটে এক ঢুঁ মারল বাচ্চাটা।

    উঁচু-মানের কিছু শব্দ-তরঙ্গ উত্তর দিকে ছুঁড়ে দিল মা-তিমি। দেখাদেখি খোকাও তাই করল। খুনী তিমিগুলোর দেহে প্রতিহত হয়ে প্রতিধ্বনি ফিরে এল ওদের প্রখর শ্রুতিতে। শব্দ তরঙ্গটা ভিন্ন জাতের। শব্দের পার্থক্য বুঝে নিল খোকা। মনে রাখল। সামান্যতম ভুল হলে চলবে না। টিকতে পারবে না এই কঠিন পৃথিবীতে।

    বিচিত্র কিছু শব্দ করল মা-তিমি। খোকাকে যেন বলল, ‘ওগুলো খুনী তিমি। আমাদের যম! মনে থাকবে তো?’

    ‘থাকবে!’ ঘাড় নেড়ে সায় দিল যেন খোকা।

    ‘বলো তো কটা তিমি আছে ঝাঁকে?’

    ‘দশটা।’

    ‘হয়নি। আবার গুণে দেখো।’

    আবার শব্দ তরঙ্গ ছুঁড়ল খোকা। ইতিমধ্যে আরও এগিয়ে গেছে খুনী তিমির দল। তবু বোঝার চেষ্টা করল। তারপর বলল, ‘দশ নয় মা, এগারোটা।’

    খুশি হলো মা-তিমি। তার শিক্ষা সার্থক হয়েছে। বলল, ‘মনে রাখবি, এই হলো আমাদের দুই নম্বর শত্রু!’

    ডানা তিমির শত্রু মোট তিন জাতের। প্রথম দুটো ওদের নিজেরই প্রজাতির।একটা নারহোয়েল, সুযোগ মতো পেলে অনেক সময় আক্রমণ করে বসে। দ্বিতীয় শত্রুটা খুনী তিমি। ঝাঁক বেঁধে চলে। দলছুট কোন ডানা তিমিকে পেলেই আক্রমণ করে, অনেকটা বুনো কুকুরের মত। ছিঁড়ে-খুঁড়ে খেয়ে ফেলে। সময় মতো টের পেলে এই দুই জাতের শত্রুর হাত থেকে অনেক সময় পালিয়ে বাঁচতে পারে তিমি, রেহাই পেয়ে যায়। কিন্তু তৃতীয় শত্রুর খপ্পরে একবার পড়লে আর রেহাই নেই। মুহূর্তে প্রাণটা খোয়াতে হয়। সেই শত্রু হলো মানুষ, তিমি শিকারির দল।

    বিপদে কি করে রক্ষা পেতে হয় এই তিন মাসেই খোকাকে সব শিখিয়েছে মা-তিমি, তিন নম্বর শত্রুর ব্যাপারটা বাদে। এই শত্রুকে কি করে ঠেকাতে হয়, নিজেরই জানা নেই তার, ছেলেকে শেখাবে কি?

    আবার এগিয়ে চলল দুজনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাতালঘরের পিশাচ – অনীশ দাস অপু
    Next Article মাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }