Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিমির বিদার – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প248 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিমির বিদার – ১৬

    ১৬

    এ দিকে বিশুদার অনুরোধে হুগলি ডি-আই অফিসে আবার যেতে হল। দেড় মাস হতে চলল, এখনও টুঁ শব্দ নেই। পতিতকাকা শয্যা নিয়েছেন। হঠাৎ বিশুদা আমার দিকে মুখ তুলে বলল— শামুকে নিয়ে যেতে তোর অসুবিধে আছে? আমি একটু চমকে যাই। চালাক লোক, বিশুদা ঠি-ক লক্ষ করেছে।

    বলল— কী তাজ্জব কাণ্ড দ্যাখ! ডি আই পর্যন্ত এম এল এ-কে মিছে কথা বলছে, বললে পতিতপাবন সেনের অর্ডার বেরিয়ে গেছে, পূর্ত ভবনে খোঁজ নিতে। তা পতিতকাকা তো এখনও কোনও চিঠিপত্র পাননি। এদিকে বেচারি শয্যাশায়ী। যেতেও পারছেন না।

    —শামু যেতে রাজি?

    —সে ভার আমার। তুই রাজি কি না বল।

    —শামু কি হাত-ফাত তুলবে না কি?

    —আরে না না, একটু কড়কে দেবে।

    —আমি তো কিছু কম কড়কাইনি।

    —দ্যাখ! আবার আমি ফোন করেছি ডি-আইকে। বলছে ক’দিন ছুটিতে ছিল। রিসেন্ট ডেভেলপমেন্ট জানে না। তোদের পাঠাচ্ছি বলে দিয়েছি, যা কিছু দরকারি ইনফর্মেশন কি কাগজপত্র যেন তোদের হাতেই দেয়। এই নে পতিতকাকার লেটার অফ অথরিটি। আমি অ্যাটেস্ট করে আমার সিল দিয়ে দিয়েছি।

    সুতরাং শামুর সঙ্গে আবার হুগলির ট্রেনে চড়ে বসি। ট্রেনে আজ সেই তাসপার্টি নেই দেখলাম। থাকলে আজ মজা মন্দ হত না। শামু একেকটাকে একেক দিকে ছুড়ে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে দৃশ্যটা বড্ড দেখতে সাধ হচ্ছে।

    কেষ্টবাবু মুখ নিচু করে নস্যি নিচ্ছিলেন। রুমাল দিয়ে উদ্বৃত্ত নোংরা ঝেড়ে মুখ তুলেই আমাদের দেখে স্থির।

    —সেই পতিতপাবন সেনের কেস না?

    —আজ্ঞে।

     

     

    —তাঁর দু’-চারটে ভুল বেরিয়েছে, কাগজপত্র ঠিক নেই।

    —পাঁচ বছর পরে সেটা বলবার টাইম হল? —শামু ঠাণ্ডা গলায় বলল।

    —তা কী করব! কাজ কি কম না কি? প্রতিদিন হাজার হাজার টিচার রিটায়ার করছে।

    আমি বলি—কী কাগজ চাই আর?

    —উনি যে বছর এম এ দিয়েছেন তার লাস্ট ডেট।

    —তাই বুঝি? এটা লাগে?

    —না লাগলে আর বলছি কেন?

    —ওটা যদি জোগাড় করে আনা যায়ও তখন বলবেন পরীক্ষায় যে যে গার্ড দিয়েছিল, তাদের নাম চাই। সেগুলোও যদি জোগাড় হয়ে যায় তখন গার্ডদের বাপের নাম, শালার ঠিকানা, অকুপেশন এগুলোও দরকার হবে তো!

     

     

    —বাজে কথা বোলো না ছোকরা— কেষ্ট খেঁকিয়ে ওঠে— যা লাগে তাই-ই বলেছি।

    শামু হঠাৎ পকেটে হাত দিয়ে বলল—ঠিকাছে ঠিকাছে— রুণু তোরা ছেরাদ্দের সময়ে জিনিসের বদলে, মাথা-টাথা না কামালে তার বদলে বামুনকে মূল্য ধরে দিস না?

    —তা দিই।

    —এ শালাকেও মূল্য ধরে দে। পতিতকাকার চিঠিটা আমরা আজকেই হাতে হাতে নিয়ে যাব। আর ওই পূর্ত না ফূর্তর চিঠিটা আমরাই রেজিস্ট্রি ডাকে ফেলব। দে শালাকে।

    কী জিনিস বেশি ছিল শামুর গলায় আমার থেকে, জানি না, লোকটা একটাও কথা বলতে পারল না।

    —কত? কুইক।

    ঢোঁক গিলছে, ঠোঁট চাটছে লোকটা। বুঝতে পারছে না এটা ফাঁদ কি না। আশেপাশে আজ কেউ নেই। ক্লোজ দাঁড়িয়ে শামু একটার পর একটা পাঁচশো টাকার নোট বার করছে। আমি এই সময়ে টুক করে ডি-আইকে ডেকে আনি।

     

     

    —টাকা কীসের? অ্যাাঁ এত টাকা? —ডি-আই পেছন থেকে ধাক্কা খাওয়া গলায় বলে উঠলেন।

    আমি শামুরই মতো মস্তানি গলায় বললাম, ইনি পুরুত বামুন, সার মূল্য না ধরে দিলে কাজ করেন না। পতিতপাবন সেন শয্যাশায়ী। বুড়ো বয়সে দিনের পর দিন ব্যাচের পর ব্যাচ ছাত্র পড়িয়ে যাচ্ছিলেন, খাটুনিটা সহ্য হয়নি, একেবারে বিছানা নিয়েছেন। কী করি বলুন, কারওর দ্বারাই কিছু হল না, এম এল এ, ডি আই, কেউ সিধে করতে পারলেন না এই টেঁটিয়া কেরানিটাকে। আপনার সামনেই তাই এটাকে ঘুষ দিয়ে যাচ্ছি, সাক্ষী থাকুন।

    —এ কী কাণ্ড, ছি, ছি, ছি। কেষ্টবাবু!

    —আমি তো নিইনি সার।

    —জানেন আপনারা ঘুষ দেওয়াও একটা দণ্ডনীয় অপরাধ।

    —বিলক্ষণ জানি— শামু বলল, তা দেওয়ার জন্যে নয় আমায় জেল খাটান, কিন্তু নেওয়ার জন্যে এ নস্যিদানিটাকেও খাটাতে হবে। ও বলছে নেয়নি, ওর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বলছে ও নিচ্ছিল, বহুদিন ধরে নিচ্ছে। আপনি আসাতে বাধা পড়েছে। কথাটা আপনিও জানেন।

     

     

    —আপনারা বসুন বসুন। আমি নিজে এক্ষুনি চিঠি তৈরি করে দিচ্ছি।

    ঘণ্টাখানেক পরে পূর্ত ভবনের চিঠিখানা পাই, সেটা রেজিস্ট্রি করে আমরা সেই একই দোকানে এসে বসি যেখানে পতিতকাকার সঙ্গে বসে লাঞ্চ খেয়েছিলাম।

    বললাম— কী রে শামু। কী খাবি? তোর খাওয়া পাওনা।

    বলল— মাল্লু খাওয়াতে পারিস? মাল্লু? মাথাটা গরম হয়ে গেলে বুঝলি শরীরটাও গরম করতে লাগে। নইলে ব্যালান্স থাকবে না। তোর তো আবার এ সব চলে না।

    —চলবে না কেন? কিন্তু আজ নয়। আজ পতিতকাকার চিঠিটা ওঁর কাছে পৌঁছে না দেওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি নেই।

    —বহুত মায়া-দয়া তোর শরীরে, না রে রুণু? তবু আমার বোনটাকে রমজান আলির থাবা থেকে বাঁচাবি না! বোনটা মাধ্যমিক পাশ করল ফার্স্ট ডিভিশনে। আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি। জানিস তো ওকে কলেজে ভর্তি করে দিয়েছি?

     

     

    —এইটাই তো কাজের কাজ করেছিস শামু। বোনটাকে সাপোর্ট দে, বিয়ে শাদির কথা এখনই ভাবছিস কেন? রমজান আলির সাধ্য কী তোর বোনকে বিয়ে করে তুই যদি না দিস!

    —এই ক্ষমতাটা আমার নেই। কেন, কী বৃত্তান্ত তুই বুঝবি না রুণু।

    —এ কথাগুলো বলিসনি শামু, আমার খারাপ লাগে।

    চা খেতে খেতে গুম হয়ে বসে রইল শামু। কিছুক্ষণ পরে বলল —রমজান বহোৎ খতরনাক মাল আছে, তোকে সাবধান করে দিলুম রুণু। যা বাড়ি যা।

    —তুই যাবি না?

    —আমার এখানে এক দোস্ত আছে, চলে যাচ্ছি। ওর কাছে মাল পাওয়া যাবে। একসঙ্গে বসে না খেলে মজাও নেই।

    আর দিন পনেরোর মধ্যে পতিতকাকার পেনশনটা হয়ে গেল। এরিয়ার সব জমা পড়ল ওঁর অ্যাকাউন্টে। একদিন কোনওমতে কাকাকে ট্যাক্সি করে পূর্ত ভবনে নিয়ে যেতে পেরেছিলাম। বাকি যা করার আমিই করেছি। অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথম টাকা তুলে আনলাম আমিই। কাকিমাকে বললাম— কাকাকে মুরগির স্যুপ খাইয়ে যান, আর মৌসাম্বির রস।

     

     

    —আমি এমনিই সেরে গেছি রুণু। পতিতকাকা হাসিমুখে বলেন।

    —ওটা তো একটা সাময়িক ফিলিং কাকা, শরীরটার দিকে নজর দিন। নেগলেক্ট করবেন না। কাকিমা আপনারও কিন্তু চেহারা ভাল ঠেকছে না। মুরগির স্যুপটা আপনাকেও খেতে হবে।

    —অনেক ধার হয়ে গেছে, বুঝলে বাবা!

    —কত?

    —তা লাখ টাকার মতো।

    —বেশ তো শোধ দিয়ে দিন। স্যুপটাও খান। অসুবিধে তো কিছু দেখছি না।

    —তুমি আমাদের জন্যে যা করলে, জীবনে কোনওদিন ভুলব না…

     

     

    পতিতকাকা এমন করতে লাগলেন যেন আমি আমার পকেট থেকেই পেনশন, গ্র্যাচুইটিগুলো ওঁকে দিয়েছি দয়া করে। টাকাগুলো ওঁর প্রাপ্য ছিল না।

    কী জোচ্চোর এই সিস্টেম! পাঁচ বছরেরও বেশি একজন সাধারণ মাস্টারমশাই মানুষকে বসিয়ে রাখে! ভেতরটা রাগে জ্বলছে। কিছুদিন আগেই কাগজে খবর বেরিয়েছিল একজন মাস্টারমশাই এ রকম ভিক্ষে করছেন। কাগজে বেরোতে নাকি কেসটার সুরাহা হয়। না কি! কেউ তো দেখতে যাচ্ছে না সত্যি সুরাহা হয়েছে কি না! এখন, মানুষটার জীবন থেকে এতগুলো বছর যে বিনাদোষে উঞ্ছবৃত্তি করে, দুশ্চিন্তায়, দুর্ভাবনায় নিদ্রাহীন কেটে গেল, তার কমপেনসেশন দেবে কোন শালা?

    বিশুদা ঘুরন চেয়ারে এক পাক ঘুরে গিয়ে বললে— একটা মস্ত উপকার তুই করলি রুণু! তোদের মতো তরুণরা যদি এভাবে এগিয়ে আসে, তবেই সমাজটার সর্বাঙ্গীণ দুরবস্থার একটা সুরাহা হবে।

    আমার কেমন রাগ হয়ে গেল, বলি— তা তোমরা রয়েছ কী করতে? জন-প্রতিনিধি বলে কথা! ভোট দিয়ে পাঠিয়েছি। তার পরেও সমাজের সর্বাঙ্গীণ দুরবস্থার সুরাহা আমাদের মতো বেকার তরুণদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছ? বাঃ!

     

     

    —পতিতকাকার জন্যে শেষ পর্যন্ত আমায় কী করতে হয়েছে জানিস?

    —কী?

    —মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বলি— আপনাদের পার্টির লোক না হলে কি মাইনে পেনশন…এ সবও দেবেন না দাদা!—ছি ছি ছি এ কী বলছেন! উনি বললেন। —পেনশনার ভদ্রলোক কোনও পার্টিরই না। আর আমি ওঁর জন্যে বলছি। তা বিরোধী এম এল এ-র কথা তো আপনাদের ডি আই পর্যন্ত গ্রাহ্য করছে না। পাঁচ বছর পার হয়ে ছ’-বছর হতে চলল পতিতপাবন সেন পেনশন, গ্র্যাচুইটি, কোনও এরিয়ার কিচ্ছু পাননি। একটা মানুষের চলে? এ তো ধরে বেঁধে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া, নয় কি? এর চেয়ে তো পেনশন-প্রাপ্ত ষাট বছুরেদের ওপর দিয়ে একটা স্টেনগান চালিয়ে দিলেই হয়। টট্টর টট্টর টট্টর, ব্যস সব শেষ।

    উনি সঙ্গে সঙ্গে আমার সামনে হুগলি ডি-আই অফিসে ফোন করলেন। নিজে। তবে পতিতকাকার কেসটা হল।

    আমি বললাম, হ্যাঁ অন পতিতকাকাজ বিহাফ আমি, আমরা তোমার কাছে কৃতজ্ঞ বিশুদা। কিন্তু এই কৃতজ্ঞতাটারও ভেবে দেখতে গেলে কোনও মানে হয় না।

     

     

    —কেন বল তো! —বিশুদা অবাক হয়ে সামনে ঝুঁকে বসল।

    —প্রথমত পেনশনটা যে শালা আটকে ছিল, সেই কেষ্টা একটা পেটি ক্লার্ক সে সাহসটা কোত্থেকে পায়, হৃদয়-ফিদয়ের কথা ছেড়েই দিলাম। লোয়ার ডাউন একটা সিসটেমের নাট-বল্টু যখন এমন হয়, তখন দোষটা কিন্তু ওপরে যারা আছে তাদের, সে তোমার ওই মন্ত্রীই বল, আর তোমার মতো এম এল এ-ই বল।

    —আমার দোষটা কোথায় রুণু! আমি আমরা কি পাওয়ারে আছি।

    —গ্যারান্টি দিতে পারো, পাওয়ারে এলে স্বর্গরাজ্য না হোক, এ সবের প্রতিকার হবে? অন গড, তোমার ইষ্ট দেবতার দিব্যি, গ্যারান্টি দিতে পারো?

    বিশুদা কিছুক্ষণ থতমত খেয়ে রইল। জাস্ট ক’ সেকেন্ড। তারপর বলল—চেষ্টা করতে পারি, কিন্তু গ্যারান্টি কী করে দেব বল। ধর সমাজটা সর্বস্তরে পচে গেছে। রাস্তায় ময়লা ফেলতে হয় না এটুকু শেখাতেই জান চলে গেল। তার পর এত মানুষ। একেবারে থিকথিক থিকথিক করছে। কতক জন্মাচ্ছে, কতক নেবারিং স্টেট থেকে এসে যাচ্ছে, কতক আবার বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে এসে যাচ্ছে। ইনফিলট্রেশন। অনেস্টলি একটা চেষ্টা করতে পারি, তার পরেও দেখ, আমরা এক একটা দল, টিম ওয়ার্ক করি, সব কিছু দলের নির্দেশে হয়। ইনডিভিজুয়ালি কিছু করার সুযোগও কম। আমার নিজের তো ইচ্ছে করে একটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ে দিই। মানুষ জন্মাবে নির্দিষ্ট হারে, সবাইকার জীবিকার ব্যবস্থা থাকবে, কেউ কাউকে অনর্থক ঘোরাবে না, ঘুষঘাষ নেবে না, কেউ রাস্তায় ময়লা ফেলবে না, নর্দমায় প্লাস্টিক ফেলবে না। হাসপাতাল হবে স্বর্গের মতো, স্কুল-কলেজে মনুষ্যত্বের শিক্ষাও দেবে। আরও কত সাধ, স্বপ্ন দেখি, জেগে জেগে স্বপ্ন দেখি। কিন্তু দ্যাখ এত-র পরেও, পতিতকাকার কেসটা এভাবে করে দেবার পরও তোরা হয়তো আমায় ভোট দিবি না।

     

     

    —তুমি তো বলছ গ্যারান্টি দিতে পারছ না, তা হলে?

    —গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে রুণু, তুই আমার নিজের ছোট ভাইটির মতো তাই বলছি দল আছে না? নিজের দল। অন্যের দল। তুমি যেই একটু শক্ত হাতে সমস্যার মোকাবিলা করার চেষ্টা করছ, জনগণ অভিমানে মুহ্যমান, সেই সময়ে অন্য দলগুলো এই অভিমানের ফায়দা তুলবে। পদযাত্রা, আইন-অমান্য, বনধ্‌, মিটিং করে করে এসব অন্যায়, আমরা এর প্রতিবাদ করি এইসব বলে জনগণকে কনফিউজ করে দেবে! একটা ডামাডোল, হট্টগোল, তারপর আবার যে কে সেই।

    —গোলি মারো দলকে!

    বিস্ফারিত চোখে বিশুদা বলল— আমার দলকে আমায় গোলি মারতে বলছিস, তোর সাহস তো কম নয়!

    —গোলি মারো, ওয়ান অ্যান্ড অল। যারা শুধু নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি করে, ভাল কাজ করলেও করে সুদ্ধু ভোটের জন্যে, ভোটবাক্সের দিকে হ্যাংলার মতো তাকিয়ে, গোলি মারো সেই পার্টি সিস্টেমকে।

     

     

    —তো তার বদলে কোন সিস্টেম আসবে?

    —সে বড় বড় মাথারা ভাবুন। আমাদের কথা তো বড় নাইভ শোনায় কি না! আসি বিশুদা।

    বিশুদাকে মুহ্যমান রেখে আমি বেরিয়ে আসি। আরও দু’ কথা আমাদের তরফে শোনাতে পারতাম বিশুদাকে। আমার বা দীপুর এত দিনেও কিছু হল না কেন? আমরা তো একেবারে ফ্যা ফ্যা নই! দীপু বেচারি একটা স্কুলের চাকরির জন্যে হন্যে হয়ে আছে। আমার কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই। এস টি ডি, আই এস ডি বুথে চারদিক ছেয়ে গেছে এখন, আর সে ক্ষেত্রেও গদাকে আমায় তোলা দিতে হবে। কাজেই ও চিন্তাও ছেড়ে দিয়েছি। এখন বিশুদা যা জোগাড় করতে পারে। কর্পোরেশনে বিশুদার যথেষ্ট হোল্ড আছে, জগাদা বলছিল। একটা অন্তত ইন্টারভিউয়ের সুযোগও কি পেতে পারি না? আসল কথা, বিশুদা আমার বা দীপুর কারওই ভোট সম্পর্কে শিওর নয়। দাসখত লিখে দিতে হবে পায়ে, তবে যদি একটা বিস্কুট দয়া করে কুকুরের মুখে ছুড়ে দেয়। অথচ বিশুদা নিজে কী? কলেজ ড্রপ-আউট। জাস্ট গদার মতো। ছাত্র-পরিষদ করত, তারপরে যখন রাজনীতির বৃহত্তর আসরে নামল তখন কংগ্রেস ভাঙছে, ইন্দিরা-কংগ্রেস ভাঙল, বিশুদাও ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরিয়ে এল। নিতাইকাকা বিশুদার রাজনৈতিক গুরু, তার সঙ্গে বিশুদার মুখ দেখাদেখি নেই। বিশুদা তবু ভদ্রভাবে কথা বলে, নিতাইকাকা সোজাসুজি বলে— বিশে ওই ছুঁচোটা? ওর কাছে যাস নাকি? ও তো একটা ফোর-টোয়েন্টি! অথচ নিতাইকাকা নিজেই বা কী! কংগ্রেস ভাঙার সময়ে এ কংগ্রেস ও কংগ্রেস বিস্তর ঘাটের জল খেয়েছে। আদর্শ না কচু! কোন ফ্যাকশনে থাকলে খাবার সুবিধে, দাপিয়ে বেড়াবার সুবিধে এটাই দেখেছে। নিতাইকাকাও কলেজ ড্রপ-আউট। পতিতকাকার থেকে বছর দশেকের জুনিয়র। পতিতকাকাই একবার বলেছিলেন, নিতাই সব ক’টা পরীক্ষা টুকে পাশ করেছে। তার ওপর ছিল তোতলা। অথচ এখন অত ভাল বক্তৃতা দেয় কেমন করে কে জানে? মানুষ চেষ্টা করলে কী না পারে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদিদিমাসির জিন – বাণী বসু
    Next Article ট্রেকার্স – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }