Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিমির বিদার – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প248 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিমির বিদার – ১৭

    ১৭

    ক’দিন খুব জ্বর এসেছে। জ্বর-ফর আমার কখনও হয় না। কোনও অসুখই আমার ধারে কাছে ঘেঁষে না। স্বাস্থ্য কিংবা মাসল বাতিক আমার নেই। সকাল বেলায় আধঘণ্টা ফ্রি-হ্যান্ড করি, তারপর কয়েকটা যোগাসন। সর্বাঙ্গাসন, পশ্চিমোত্তান, জানুশিরাসন, পদহস্তাসন, শেষে পদ্মাসনে বসে খানিকটা মনঃসংযোগ। এ আমার বহু দিনের অভ্যেস। দেড়তলার ঘরখানা একেবারে একলার জন্যে পাওয়ায় আমার এই সুবিধেটা হয়েছে। যতক্ষণ বাইরে আছি যেমন স্বাধীনভাবে কাটাতে পারি, বাড়িতেও যতক্ষণ থাকি আমি স্বাধীন। এই ঘরটায়। ঘরটা আমার মনের মতো করে সাজিয়ে রাখি। দেয়ালে একটা, দরজার পেছনে একটা— দুটো পোস্টার। দেয়ালেরটা একটা নিসর্গ দৃশ্য— পাহাড়, পাহাড়তলি, পাইন বন, নুড়ির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া জলধারা, পেছনে আকাশটা নীল। এইটা দেখতে আমার ভাল লাগে, ৮ ফুট উচ্চতার ঘরে, পোস্টারের ওই পাহাড় যেন আরও অনেকটা উচ্চতা নিয়ে আসে। উচ্চতা, শীতলতা, বিস্তার, ক্লেদহীন বাতাস। কলেজে পড়বার সময়ে দু’বার এক্সকার্সনে গিয়েছিলাম বন্ধুদের সঙ্গে। একবার দার্জিলিং আর একবার পুরী। খুব সম্ভব এই ছবিটা আমাকে দার্জিলিঙের সেই উজ্জ্বল নীল শীতের আকাশ, ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘায় নিয়ে যায়। ঘরে ঢুকেই আমি সুইচ টিপে আলোটা আগে জ্বেলে দিই। খাটের ওপর বসে পড়ি। তার পর দেয়াল জোড়া ওই নিসর্গের দিকে চেয়ে থাকি। প্রথম টুইশানির মাইনে পেয়ে ষাট টাকা দিয়ে ওটা কিনেছিলাম। বাঁধানো-টাঁধানো হয়নি, জাস্ট সেলোটেপ দিয়ে আটকানো। মাঝে মাঝে ফটাস করে খুলে যায়, তখন আবার ফ্রেশ সেলোটেপ লাগাতে হয়।

    দ্বিতীয় পোস্টারটা আমার দরজার পেছন দিকে আটকানো। অর্থাৎ দরজা বন্ধ করলে তবে দেখতে পাই। এটা অত বড় নয়। ল্যান্ডস্কেপটার অর্ধেক। মারাদোনা। সবুজ মাঠ, অস্পষ্ট জনতার রঙিন উঠে দাঁড়ানো, মাঝখানে মারাদোনার ডান পা সটান মাটির সঙ্গে ৩০ ডিগ্রি কোণে উঠে গেছে, সাদা-কালো বলটা দূরে গোলপোস্টের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে। গোলকিপার একটা শূন্যে উড়ন্ত লম্বা রেখা; প্রাণপণ চেষ্টা করেছে, কিন্তু রুখতে পারেনি।

    এই ছবিটাও আমাকে কেমন উল্লাসে ভরে দেয়। যেন ওই জনতার মধ্যে আমি আছি। সব সময়ে ওই রকম উল্লাসে উল্লম্ফনে। মারাদোনার পায়ের তলার ওই ত্রিশ ডিগ্রি কোণে আছি। বলটার জ্যোতিষ্কের মতো ছুটে যাওয়ায় আছি। গোলকিপারের সটান ঊর্ধ্ব ঝাঁপে আছি। আর সমস্তর মধ্যে থেকে দুরন্ত হিরো-ওয়রশিপে শুষে নিচ্ছি মারাদোনার শক্তি, মারাদোনার কৌশল, তার প্রতিভা, তার শ্রেষ্ঠতা।

    খুব যত্ন করি আমি ঘরটার। একটা পেডেস্ট্যাল ফ্যান আছে ঘরে, বউদি দিয়েছিল। দুটো জানলা, আমি ওগুলোতে সস্তা লনের মৃদু হলুদ রঙের পর্দা লাগিয়ে রাখি। দু’দিকেই তারের আটসাঁট বাঁধনে বাঁধা। আমি যদি ইচ্ছে করি ওরা সরবে, হাওয়া ইচ্ছে করলে সরবে না। একটা তক্তপোশ আছে, একজনের চেয়ে একটু বেশিই ধরে যায় তাতে। মাঝে মাঝে রিন্টি এসে শোয় তাই। রিন্টি শুলে সে-রাতটা আমার খুব ভাল কাটে, গল্পে, বাচ্চার স্পর্শে, প্রশ্নে, ঘ্রাণে। রিন্টিটা আমার ন্যাওটা খুবই। কিন্তু ওই যে! বহুৎ মা-ন্যাকরা। তাই অনেক দিন আমার কাছে শুয়ে গল্প করতে করতে হয় তো ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু মাঝরাতে আমাকে ঠেলে তোলে— কাকু ও কাকু, ছোট বাইরে। ছোট বাইরে যেতে হলে কয়েক ধাপ উঠে দোতলার কলঘরে যেতে হবে, এই সুযোগটাই ও নেয়। কলঘর থেকে বেরিয়ে শুট করে মা-বাবার ঘরে ঢুকে যায়।

     

     

    তক্তপোশে একটা পাতলা তোশক তার ওপর একটা একটু হেভি চাদর পাতা থাকে। তলায় একটা নরম চাদর ওপরে আবার বেড কভার, এত বিলাসিতা আমার পোষায় না। দেয়ালে একটা আলনা আটকানো আছে, তাতে আমি হ্যাঙারে করে আমার শার্ট-প্যান্ট, ইভন গেঞ্জি পায়জামা, ঝুলিয়ে রাখি। সব আমার নিজের কাচা, ইস্ত্রি করা, খুব মাঝে মাঝে লন্ড্রিতে দিই।

    একটা বেঁটে আলমারি আছে ঘরটায়। এটা আমার ঠাকুর্দার। কোনও নিলাম টিলাম থেকে কিনেছিলেন বোধহয়। ভাল টিক-উডের আসবাব। কখনও পোকা-মাকড় হতে দেখিনি। এর ভেতরের দুটো তাকে আমার যাবতীয় সম্পত্তি। এবং এর মাথাটা আমি টেবিল হিসেবে ব্যবহার করি। একটা পলিথিনের টেবল ক্লথ দিয়ে ঢাকা থাকে ওপরটা, পাশে একটা কাঠের চেয়ার। দেয়ালে একটা খোঁদল করা তাকে কিছু বই থাকে, পত্র-পত্রিকা থাকে। দুটো মোল্ডেড চেয়ারও এক কোণে থাকে, কেউ এলে, বসেটসে। ঘরটা আমি নিজে ঝাঁট দিই। নিজে মুছি। লাল মেঝে টুকটুক করে সব সময়ে। বাড়িতে কোনও চৌকো কিছু এলে তার কার্ডবোর্ডের বাকসোটা আমি ঘরের কোণে ওয়েস্টপেপার বক্স হিসেবে ব্যবহার করি। এই। আর একটা কথা— ঘরে আমি কক্ষনো সিগারেট খাই না। বিশ্রী গন্ধ একটা নিচু ঘরের সিলিং থেকে ঝোলে। সিগারেট খেতে হলে ছাদ। কলঘরে আগে খেতাম। বউদি আপত্তি করাতে সেটা বন্ধ করতে হয়েছে। সত্যিই, আমি একটা স্মোকার হয়েও যদি আমার ঘরে সিগারেটের গন্ধ সইতে না পারি, তা হলে এক চিলতে কলঘরে একজন নন-স্মোকার মেয়ে কী করে সইবে! মা-বাবা-দাদা কখনও বলেনি, চালিয়ে যাচ্ছিলাম, বউদিই একদিন আমাকে ডাক দিল— রুণু শোনো।

     

     

    তখন নতুন বউদি। বাড়িতে একটা গোটা মেয়ে বন্ধু হাসছে, খলখল করে কথা বলছে, ব্যাপারই আলাদা। ডাকতেই বাধ্য ছেলেটির মতো গিয়ে দাঁড়াই। কলঘরের দরজাটা হাট করে খোলা, —কী ব্যাপার, বউদি?

    —তুমি গিয়েছিলে তো!

    —কেন? গন্ধ-টন্ধ বেরোচ্ছে না কী? আচ্ছাসে জল ঢেলেছি তো! —আমার লজ্জায় লাল হবার জোগাড়।

    বউদি বলল— জল ঢেলেছ কিন্তু তোমার চারমিনারের গন্ধ ভাই হাজার জলে হাওয়ায়ও যায় না। প্লিজ, কলঘরে সিগারেট খেয়ো না।

    আমি খুব বুঝদার মানুষ। সঙ্গে সঙ্গে বুঝে যাই। কোনও ইগোমূলক বিদ্রোহ আমার মধ্যে ফণা তোলে না। তা ছাড়া দোতলার কলঘর প্রতিদিন পরিষ্কার করাটাও আমার একটা অভ্যেস। এটাও নাকি আমার বাপ-ঠাকুর্দার থেকে পেয়েছি। মা বলে— তোর ঠাকুর্দা? তখন তো ইট পাতা, টালির চালের একটা দু’ কামরার ঘর, তো সেখানকার টিনের ঢাকনা দেওয়া কলঘরও তোর ঠাকুর্দা নিজে হাতে পরিষ্কার করতেন রোজ। তোর বাবাকে তো তুই নিজেই দেখেছিস।

     

     

    —আচ্ছা মা, নিজের বলতে কি আমার কিছুই নেই! বাথরুম পরিষ্কার করা পিতৃ-পিতামহ থেকে প্রাপ্ত। ছবি আর হলুদ রং ভালবাসা মাতা এবং মাতামহ থেকে প্রাপ্ত, চেহারাটা দাদার মতো।

    —কেন সিগারেট? সিগারেটটা তোর একদম নিজের।—মা হাসত।

    জ্বর-ফর আমার হয় না। রোদে-জলে-ঝড়ে হরদম ঘুরছি। ছাতা-ফাতাও পোষায় না। গত পরশু একটা মুষলধার নেমেছিল। এমন মাঠের মাঝখান, মানে ময়দানে যে কোথাও আশ্রয় নিতে পারিনি। পুবে হাওয়া দিচ্ছে, খাচ্ছি। গাঢ় কালো মেঘ গুমগুম করতে করতে এগিয়ে আসছে, দেখছি। প্রাণে ফুর্তি জেগেছে আর কী। এত ছোট ঘরে, সরু গলিতে, অপরিসর ঘিঞ্জি এলাকায় থাকি যে, মাঝে মাঝে ময়দানে এসে না বসলে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। আর যে-দিন আসি, সে-দিন আর উঠতে ইচ্ছে করে না। চা-অলারা বিরক্ত করে, এক ভাঁড় হয়তো খেয়েছি, তবু আরও খেতে হবে। ঝালমুড়ি, বাদাম ভাজা এসব হেঁকে হেঁকে কাছ দিয়ে ঘুরে ঘুরে যায়। এক ঠোঙা হয়তো চিনেবাদাম কিনলাম। কুটকুট করে অনেকক্ষণ চলে বলে এটা আমার পছন্দ। সন্ধেটা গাঢ় হয়ে গেলেই কিন্তু মেয়েদের উৎপাত শুরু হয়ে যায়।

     

     

    —যাবেন?

    আমি চুপ।

    —বলে দিন না হ্যাঁ কি না।

    —না।

    —চলুন না বাবা, বেশি নোব না।

    —এই যে বললেন হ্যাঁ কি না বলে দিতে!

    প্রায় ভেংচির মতো একটা মুখভঙ্গি করে মক্কেল কেটে পড়ে।

    আবার কিছুক্ষণ পরে আসবে শার্ট-প্যান্ট পরা মিচকে টাইপের একটা লোক। এসে পাশে বসে পড়বে। সিগারেট ধরাবে। উশখুশ করবে। তারপর খাপ খুলবে।

     

     

    —ওয়েট করছেন কারওর জন্য?

    —না।

    —তবে?

    —তবে কী?

    —কম্প্যানি চাই, কম্প্যানি! ভাল কলেজ গার্ল আছে। এই ধরুন সবে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ঢুকেছে কলেজে। ভাল লাগবে গ্যারান্টি দিতে পারি।

    এক তাড়া দিই—উঠবেন! এখান থেকে?

    আরও একটু রাত হলে অনেকদিন পুলিশ এসে ধরে। রুক্ষ গলায় বলে—কী ব্যাপার? ময়দানে সেঁটে গেছেন যে দেখছি!

     

     

    —তাতে আপনার কী? ময়দানটা আপনার?

    —কোন ময়না আসবে?

    —এলে আপনার দিকে উড়িয়ে দেব।

    —আরে মশাই, এসব জায়গা সন্ধে সাতটার পরে ডেঞ্জারাস। উঠে চলে যান।

    —কী আছে আমার, যে নেবে? সস্তা একটা ডিজিটাল ঘড়ি, এক প্যাকেট সিগারেট, একটা দেশলাই।

    —প্রাণটা তো আছে?

    —তা আছে, তা শুধু-শুধু প্রাণটা নিয়ে নেবে বলছেন! মেয়ে নই যে শরীরটা নেবে।

    —আপনি তো আচ্ছা আহাম্মক! আমি সার্জেন্ট বলছি জায়গাটা ভাল নয়, উঠে পড়ুন। আপনি তবু স্টিক করে থাকবেন! আর একটা কথা ছেলেদের শরীরও নেয়, এমন ঘটনাও দেখছি। আজ ভাই উঠে যান।

     

     

    তো গত পরশু মেঘ দেখতে দেখতে দেখতে দেখতে হঠাৎ দেখি বড় বড় চার পাঁচ ফোঁটা গায়ে পড়ল। এত বড় স্ফটিকের মতো দানাগুলো যে রীতিমতো চাপ পড়ল গায়ে। ব্যাপক লাগল। উঠে দাঁড়িয়ে হাওয়া যে-দিক থেকে বৃষ্টি তাড়িয়ে নিয়ে আসছে সে-দিকে পিঠ পেতে দাঁড়াই। আয় বিষ্টি ঝেঁপে ধান দেবো মেপে। আয় বিষ্টি। আর কোথায় যায়! সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো একটা জলের তোড় আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। কনকনে, বরফের মতো ঠাণ্ডা ওই ছুরির ফলার মতো ধারালো, দাঁতে-নখে বৃষ্টির হাত থেকে ছাড়া পাবার জন্যে এবার দৌড়োই। দৌড়োতে দৌড়োতে বাস স্টপ পর্যন্ত পৌঁছে যাই। কোথাও কোনও ছাদ মেলেনি। তখন আমাকে নিংড়োলে পুরো একটা জাহ্নবী বেরোবে। সেই ভাবেই ভিড় বাসে দমসম হয়ে, লোকের গালাগাল খেতে খেতে বাড়ি এসেছি। বাড়ি আসার পথে আবার হাঁটুসমান ময়লাজল ঠেলেছি। বাড়ি এসে চান। জামা-কাপড় কাচা, আপাতত বৃষ্টিহীন ছাদে একটা সিগারেট এক কাপ গরম চা। তারপরই হ্যাঁচ্চো! যাচ্চলে আপাতত এইটুকুতেই ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করলে হবে?

    রাত্তিরে দুধ রুটি খেয়ে শুয়ে পড়ি। মাঝরাত থেকে জোর কাঁপুনি। চাদরটা তুলে গায়ে দিই। তারপর তোশকটাও তুলে মুড়ি দিই। সকালে দরজায় দুমদাম ঘা। মাতৃদেবী। কী রে! ন’টা বেজে গেছে। কী হল? মুখ চোখ লাল?—দেখি।

     

     

    —দেখতে হবে না, এসেছে।

    —কী?

    —ম্যালেরিয়া।

    তা অবশ্য ম্যালেরিয়া নয়, ফুলু। হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেয়েছি ইনফ্লুয়েঞ্জিনাম থার্টি। ক্যালপল খেয়েছি। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ছে। চ্যাট চ্যাট করছে বিছানা। যাচ্ছেতাই লাগছে।

    রিন্টি লাফাতে লাফাতে ঢুকল—কাকু তোমার চিঠি। তোমার চিঠি। তার পেছন পেছন অনিবার্যভাবে তার মা —রিন্টি, কাকুর ঘাড়ে পড়বে না। খবর্দার বলছি।

    —চিঠি? আমার চিঠি? জীবনে কখনও আমার নামে কোনও চিঠি আসেনি। এল তাই ব্যাপারটা খেয়াল হল। তেইশ বছর সাত মাস সতেরো দিনের জীবনে একটাও চিঠি পাইনি! কী আশ্চর্য! চিঠি লিখেছি। পোস্ট কার্ড। মাকে দার্জিলিং থেকে…পুরী থেকে,—পৌঁছনো সংবাদ, তার সঙ্গে প্রকৃতিমুগ্ধতা! কিন্তু পাওয়ার সুযোগ কখনও হয়নি। বন্ধুরা সব আশেপাশেই থাকে। কলেজের বন্ধুরা? প্রায় যোগাযোগহীন। যে যার জীবনসংগ্রামে। এত চিঠি ছেড়েছি, একটাও ইনটারভিউয়ের চিঠি আজ পর্যন্ত আসেনি। আ-মা-র চিঠি?

     

     

    উঠে বসি। রিন্টির হাত থেকে কোনওমতে খামটা উদ্ধার করে দেয় আমাকে বউদি। —ইনটারভিউ?

    আমি ছোট আয়তাকার সাদাটে খামটা দেখাই, ওপরে কালি দিয়ে লেখা আমার নাম-ঠিকানা, যেন নামাবলির ছাঁদের লেখা মাত্রা টেনে টেনে। বলি—তুমিও যেমন! এমন খামে ইনটারভিউয়ের চিঠি আসে? টাইপ্‌ড্‌ নয়। কিছু নয়।

    বউদি দাঁড়িয়ে থাকে, রিন্টি দরজা বন্ধ করে। হাতে রবারের বল, মারাদোনা-দর্শনে মগ্ন হয়ে যায়—আমি জ্বরকম্পিত হাতে জীবনের প্রথম চিঠি খুলি।

    —আপনি বলেছিলেন প্রতিরোধ আমাকেই করতে হবে, আমার ফ্যামিলিকেই। আপনারা কেউ, আপনি, পারবেন না। আমার ফ্যামিলি ক্রীতদাস। পারবে না। প্রতিরোধ করলাম।

    কোনও সম্বোধন নেই। কোনও সই নেই। জাস্ট দু’ লাইনের চিঠি।

    —দ্যাখো তো বউদি, মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছি না।

     

     

    বউদি উল্টে-পাল্টে দেখল। বলল—লেখার ছাঁদটা! আরে এ তো হাসির লেখা! তারপর আমার জ্বরো বিছানায় বউদি হতবুদ্ধির মতো বসে পড়ে। —হাসি কেন এই চিঠি লিখল? তোকে?

    আমায় শামুর প্রস্তাব, তার রাগ, হতাশা মনে পড়ে যায়—তা-ও তুই আমার বোনটাকে রমজানের থাবা থেকে বাঁচাবি না?

    বউদি বলল—মনে পড়েছে রুণু। ওকে বিয়ে করার জন্যে ওই রমজানটা খেপে উঠেছে বলে আমি তোকে, পাড়ার ছেলেদের কিছু করতে বলেছিলাম। তুই ওদের নিয়মকানুনের দোহাই দিয়ে বলেছিলি—ওদেরই রুখতে হবে এটা। তোদের কিছু করবার নেই! কথাটা আমি হাসিকে বলেওছিলাম, কেন না পাড়ার ছেলেদের, স্পেশ্যালি তোর সাহায্য ও মুখ ফুটে চেয়েছিল।

    আমি উঠে দাঁড়াই, আলনার দিকে হাত বাড়াই, শার্টটা আমার হাতে; বউদি দু’ হাত দিয়ে আমাকে আটকায়—কী করছিস রুণু? কোথায় যাচ্ছিস? তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে? জ্বরে টলছিস! তা ছাড়া এই চিঠি, ওদের বাড়ি… ভয়ানক রিস্‌কি হয়ে যাবে…

     

     

    —তুমি বুঝছ না বউদি, মেয়েটা যদি ছারপোকা মারার ওষুধ-ফসুদ খেয়ে থাকে, এখনও গেলে বাঁচানো যাবে। দিস ইজ টেরিবলি সিরিয়াস। তুমি মেয়ে, তুমিই ভাবো। আর কী উপায় ওর থাকতে পারে!

    বউদি বলল—দাঁড়া দাঁড়া। একটু—একটু ভাবতে দে। রুণু তোর কালকেও চার জ্বর উঠেছিল। প্যারাসিটামল খেয়ে খেয়ে কমছে, আবার বাড়ছে, টাইফয়েড কি ভাইর‍্যাল ফিভার এখনও বোঝা যাচ্ছে না। শোন, তুই পারবি না। আমি…আমি যাচ্ছি।

    —তুমি? তুমি কোথায় যাবে? পাগল নাকি! কখনও গিয়েছ? শনিতলার কাছে? এটা আরও রিস্‌কি। তা ছাড়া এটা আমার দায়। আমার দায়িত্বহীন কথাবার্তার ফল। তুমি কেন…

    বউদি বলল—মেয়েটা আমার ছাত্রী! ছাত্রীদের জন্যে আমরা… আচ্ছা, তুই জামা কাপড় পর। দু’জনেই যাব। নে রেডি হ।

    বলে বউদি বেরিয়ে গিয়ে বাইরে থেকে দরজাটা বন্ধ করে দিল।

    দমাদ্দম করে দরজায় ঘা মারতে থাকি আমি। শরীর টলে, মুখ টক বিস্বাদ জলে ভরে যায়, তারপরে হঠাৎ ভেতর থেকে একটা অদ্ভুত ভয়ংকর অচেনা অসুখ পাক খেয়ে খেয়ে উঠে আসে, ব্যাঙের ছাতার মতো মাথার দিকে ছড়িয়ে যায়, আমি কিছু ধরবার প্রাণপণ চেষ্টা করি। মারাদোনার বল নিয়ে আমি দরজার গোড়ায় আছড়ে পড়ি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদিদিমাসির জিন – বাণী বসু
    Next Article ট্রেকার্স – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }