Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিমির বিদার – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প248 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিমির বিদার – ২১

    ২১

    পরদিন বেলা বারোটা নাগাদ মাসিমা অর্থাৎ দীপুর মাকে মহাজন হাউজের দরজার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেল পুলিশ। সত্য খবরটা দিল। মহেন্দ্রর ফ্লাস্কে কফির তলানিতে নাকি অ্যালজোলাম পাওয়া গেছে। মাসিমাই নিজে হাতে দুই ভাইয়ের টিফিন করে দিতেন। ফ্লাস্কে কফি ভরে দিতেন। এগুলো সবই ছিল ওঁর ডিউটি। আমি সোজা দীপুদের বাড়ি চলে গেলাম। মণি কলেজে যায়নি। চুপ করে বসে আছে। বলল— দাদা আর মুক্তা থানায় গেছে। ছোট ভাইকে কোনও খবর দেওয়া হয়নি। কাগজে নামটা দেখে যদি আসে।

    মণি আমাকে দেখে বলল— এ সব কী হচ্ছে রুণুদা? কিডন্যাপ, দাঙ্গা…এ সব কী? মা কারও খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিতে পারে তুমি বিশ্বাস করো! —ওর মুখে একটা শক-খাওয়া ভাব, কান্না নেই।

    আমি মাথা নাড়ি, তারপর বলি— আমি হাসির সঙ্গে প্রেম করেছি, তাকে লুকিয়ে রেখেছি, এটাই কি তুই বিশ্বাস করিস?

    —না—এবার চোখের জল মুছতে মুছতে মণি বলল, আমি সামসুলদা, রমজান চাচা এদের অনেক বোঝাতে চেষ্টা করেছিলাম— ওরা বোঝেনি।

    —শামু? শামু কিছু বলেনি?

    —না, কেমন গুম হয়ে ছিল।

    আমি জানি কেন। শামু ভাল করেই জানত হাসির সঙ্গে আমার কিছু নেই। কিন্তু ও বোধহয় ভাবছিল হাসিকে বাঁচাবার জন্যে ও যে আমাকে বারবার রিকোয়েস্ট করছিল, তার ফলে ওকে কোনওভাবে পালাতে এবং লুকিয়ে থাকতে আমি সাহায্য করেছি।

    —কী হবে রুণুদা? মাকে…এভাবে…মা একেবারে ভেঙে পড়বে।

    —আমি যাচ্ছি, সত্য প্রকাশ পাবেই!

    —এখনও… এখনও আশা করো রুণুদা— এখানে সত্যের কোনও স্থান আছে? সত্য প্রকাশ পায়?

    —তুই ভাব মণি, তোকে ভাবতে বারণ করছি না। কিন্তু মাথাটা ঠিক রাখ। বিপদে কেউ হাতে পায়ে কাজ করবে, কাউকে শান্ত মাথায় ভাবতে হয়। অন্যদের শান্ত করতে হয়, সেবাও করতে হয়। আমি যাচ্ছি।

     

     

    —আমাকে একটা খবর দিও।

    —কেউ না কেউ আসবেই। হয় আমি, নয় ওরা কেউ।

    আমি, মণি, মুক্তা, দীপু, শামু, সত্য, পানু— আমরা সব একসঙ্গে বেড়ে উঠেছি। নিমকি শিমকি বেঁটেদা— এরাও। হয়তো সামাজিক স্তর বিন্যাসের ভিন্ন পরতে। কিন্তু এক সঙ্গে। আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা মূলত ভাই-বোনের। আমি অন্তত কখনও পাড়ার মেয়েদের দিকে অন্য চোখে তাকাইনি। জানি না এটা অস্বাভাবিক কি না। কিন্তু আমরা যারা জীবনসংগ্রামে এইভাবে সর্বক্ষণ লিপ্ত, তাদের যৌবনের ওই অংশটা জাগেনি, জাগলেও আমরা হয়তো জিতেন্দ্রিয়। হয়তো। তেমন তেমন হলে আমাদের হাত আমাদের শান্ত করে, কারও সঙ্গে ইনভলভ্‌ড হওয়ার কথা কল্পনাও করতে পারি না। আমরা খালি চেষ্টা করে যাচ্ছি— কীভাবে মানুষের মতো খেয়ে, পরে, চিকিৎসিত হয়ে, প্রিয়জনদের খাইয়ে, পরিয়ে, অসুখে চিকিৎসা করিয়ে একটা সুস্থ সচ্ছল সামাজিক পরিচয় নিয়ে বাঁচব, ও সব চিন্তা আরও অনেক অনেক পরে। আমাদের কাছে এই প্রেমে পড়া, হিড়িক দেওয়া, শারীরিক ভাবে লিপ্ত হবার জন্যে আকুলি-বিকুলি এগুলোই অস্বাভাবিক লাগে। সত্য যখন সাহা বাড়ির শিবানীর প্রেমে পড়ল, এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে ইলোপ করল— আমরা যতই বন্ধু হই কেউ তাকে আশ্রয় দিইনি, মদত করিনি। নিজেরা অনর্থক ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ব এ চিন্তা যে একেবারে ছিল না তা নয়, কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিল একটা ধিক্কারবোধ, আত্মসম্মান যেটুকু ভদ্র দরিদ্রের সবে-ধন নীলমণি সেটুকু বিকিয়ে যাওয়ার গ্লানি। ইসস্ সত্যটা এই কীর্তি করতে পারল? ওরা সাত ভাই বোন, ও সবার বড়, বাবা গণাদার দোকানে সেলসম্যান। মা কোনও এক নারীসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে সেলাই-বোনা করেন, সত্যর পরের ভাই ব্রত প্রচুর কাঠ-খড় পুড়িয়ে স্রেফ মেধার জোরে ‘টেকনিক্যাল স্কুলে’ পড়ছে, বোনগুলোও সেলাই করে, আচার তৈরি করে মায়ের সঙ্গে, কে সেভেন, কে এইট পর্যন্ত পড়ে ছেড়ে দিয়েছে। প্রেম করে ইলোপ-টিলোপ যদি তারা করত তবে ব্যাপারটা বোধগম্য হত। কারণ মেয়েগুলোর তো কোনও জীবন ছিল না। ভবিষ্যৎ ছিল না! বিয়ে ছাড়া শেষ পর্যন্ত যেহেতু মেয়েদের গতি নেই, সেহেতু যেন তেন প্রকারেণ একটা বিয়ের ব্যবস্থা নিজেরা করে নিলে ওদের দোষ দেওয়া যেত না। কিন্তু ওরা নিয়মিত আচার আর সোয়েটার বানিয়ে যেতে থাকল। আর ওদের সবার বড় দামড়া গো-খোরটা বড়লোকের মেয়ে নিয়ে পালাল। এখন সাহারা সত্যকে অ্যাকসেপ্ট করেছে কিন্তু ওর ফ্যামিলিকে করেনি। সাহাদের মদের ব্যবসায় সত্য যুক্ত আছে কিন্তু শিবানী একবারের বেশি কখনও শ্বশুরবাড়ি যায়নি, সত্য কিছু সাহায্য ওঁদের করতে পারে কি না, করে কি না তাতে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

     

     

    আমি যে এতদিন ধরে মণিকে পড়াচ্ছি— প্রেম হতে পারত তো! টিউটর আর ছাত্রী। দু’জনেরই অল্প বয়স। একেবারে টিপিক্যাল কেস! কিন্তু কই, হয়নি তো! মণিটা ওর ফিজিক্স-কেমিস্ট্রিতে চুবে থাকত। ইংরেজিটা আমাকে দেখাত নিয়মিত। তখন রেগুলার বকুনি খেত— তুই আবার বিগিনিং বানান ভুল করেছিস? বলেছি না ‘বাই’ আর ‘উইথ’-এর ব্যবহারে তফাত আছে! কথাটা ইনডিসক্রিমিনেটলি, ‘ন্যান্টলি’ নয়। বাংলা চিরকালই ও খুব ভাল জানত। ও বরং আমাকে জ্ঞান দিত। —রুণুদা প্লিজ ‘সাথে’টা বোলো না, স্ট্যান্ডার্ড বাংলাতে ‘সঙ্গে’টাই অ্যাকসেপ্টেড। সারা রবীন্দ্রনাথ খুঁজে দেখো কোথাও গদ্যে ‘সাথে’র ব্যবহার নেই। গানে, কবিতায় প্রচুর আছে। কিন্তু কোনও ভাল বাংলা গদ্যে সে তুমি রবীন্দ্রনাথই বলো, আর বুদ্ধদেব বসুই বলো—‘সাথে’ পাবে না। বুদ্ধদেব তো পুরো বাঙাল ছিলেন, ছিলেন না?

    আমি যদি বলতাম আর তোদের গেলুম, খেলুম, হালুম হুলুম, নেবু, নঙ্কা, নুচি…?

    —শুধু শুধু ভাষা নিয়ে ঝগড়া কোরো না রুণুদা, গেলুম-খেলুম রবীন্দ্রনাথও লিখে গেছেন। উনিই আমাদের ফাইন্যাল রেফারেন্স। কিন্তু তা সত্ত্বেও গেলাম, খেলামটাই এখন স্ট্যান্ডার্ড বলে মানা হয়, আমার বাবা পর্যন্ত নুচি বলতেন, আমার দিদিমাকে ‘আঁব’ বলতে শুনেছি ‘আম’কে। কিন্তু আমরা আর বলি কি? একটা আদান-প্রদানের মধ্য দিয়েই স্ট্যান্ডার্ড বাংলা তৈরি হয়ে উঠেছে।

     

     

    থানার পথ ধরি। দেখি শামু আসছে। কথা বলতে সত্যি বলতে কী আমার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু শামুই বলল— দীপুর মায়ের খবরটা শুনেছিস তো!

    —হ্যাঁ, যাচ্ছি তো!

    —আমি ওর জামিনের ব্যবস্থা করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেবে।

    —তুমি! জামিন?

    —কেন, আমি বন্ধুর মায়ের জন্য এটুকু করতে পারি না?

    —কী জানি! কী পারো আর কতটুকু পারো। —আমি উদাস ভাবে রাগ লুকিয়ে, যথাসম্ভব রাগটাকে সামান্য অভিমানের চেহারা দিয়ে বলি— তা কেসটা কী? ওঁকে অ্যাট অল ধরেছে কেন?

    —ড্রাইভার মদনলাল সাক্ষ্য দিয়েছে, ছোটসাহেব গাড়িতে হেলান দিয়ে ঘুমোচ্ছিলেন, ও কোনওদিন কোনও সাহেবকেই এ ভাবে ঘুমোতে দেখেনি। ফ্লাস্কে কফি তখনও একটু পড়ে ছিল। ওরা কেমিক্যাল অ্যানালিসিস করে ঘুমের ওষুধ পেয়েছে। এতদিন ছোট মহাজন ফেরেননি বলে ওরা ওয়েট করছিল। এক মাস আগে মুক্তিপণের টাকা দেওয়া হয়ে গেছে। অথচ ছোট মহাজন ফিরছিলেন না। খুব ওয়ারিড ছিল পুলিশ। ফেরা মাত্র অ্যাকশন নিতে শুরু করেছে।

     

     

    —বলো কী? এক মাস আগে টাকা দেওয়া হয়ে গেছে! মহাজনদের তো নরকযন্ত্রণায় কেটেছে! ফেরত দিলই যদি তো আরও আগে দিল না কেন? পাঁচ কোটি র‍্যানসম কি চালাকি কথা!

    —বোধহয় ফিজিক্যাল কন্ডিশান অত খারাপ ছিল বলে দেয়নি। বাঁচবে কি না বাঁচবে!

    —না বাঁচলে কি ওরা মুক্তিপণের টাকাটা ফেরত দিত?

    —দিত হয়তো, ওদেরও একটা এথিক্‌স্‌ আছে।

    —তা ভাল, তুমি ভাল জানবে।

    —কেন? এ কথা কেন বললে? শামু অদ্ভুতভাবে মারমুখো হয়ে বলল।

    —তোমার চেয়ে ভাল করে একথা কেউ জানে না শামু! নিজে সত্য জেনেও বন্ধুর ওপর হামলা যে রুখতে পারে না, চায় না, এথিকস-টেথিকস তো তারই জানবার কথা!

     

     

    —আরে ছোড়ো ইয়ার। গুসসা মৎ হোনা। হয়ে গেছে ঝোঁকের মাথায় একটা অন্যায়। আমি কী করতুম বলো? যদি কিছু বলতে যেতুম ওই হারামি কামিনা রমজান আমাকে ছাড়ত না কি! —যাই হোক, হাসিটা যেখানেই থাক, মনে হচ্ছে ভালই আছে। বেশ ভেবেচিন্তে কাজটা করেছে। ও যদি একটা ভাল ছেলেকে শাদি করে নিয়ে থাকে— তাতেও আমার আপত্তি নেই। ভাবতে পারিস রমজান আলির দোসরা বিবি জাহানারা চাচি, চাচার ছেলে বিইয়ে বিইয়ে শয্যা নিয়েছে। এখন ফ্রেশ মেয়ে খুঁজছে, নিজের মেয়ের বয়সি। আর আমরা —উঃ!

    —ভাল, তোমরা কী? ক্রীতদাস— হাসিনা লিখেছিল, —কেন?

    —আরে তোকে বলতে বাধা কী? অনেক টাকা ওর কাছে আমাদের ধার-দেনা রয়েছে। শুধতে পাচ্ছি না কিছুতেই। মাকে এসে বললে— হাসিকে দিন, নইলে আমার বাল-বাচ্চাগুলো কে মানুষ করবে, হাসিকে আমি নবাবের বেগমের হালে রাখব। মা-ও রাজি হয়ে গেল। টাকার জন্যে রমজান চাচা জাহানারা চাচি দু’জনের কাছ থেকেই তো গাল খেতে হত মাকে! দু’বেলা!

     

     

    —এ কথা একবারও মনে হল না, এই ভুল বোঝাবুঝি থেকে একটা মারদাঙ্গা লাগল। এতগুলো মানুষ মারা গেল, বাচ্চাগুলো অনাথ হল! মনে হল না?

    —ইয়াকিন কারো ইয়ার বোমাগুলো কে টপকালে, আমি জানি না।

    —বোমা তো তোরাই বাঁধিস। তুই আর গদা। তোদের গুদোম ঘরে এত বোমা জমা আছে শামু যে কোনওদিন একটা আগুনের ফুলকি পড়লে গোটা পাড়াটা উড়ে যাবে।

    —আরে মহা মুশকিল তো! চল, এক্ষুনি চল আমার বাড়ি। কোথায় বোমার গুদাম, চল নিজের চোখে দেখে আসবি।

    —আমার সাধ্য কী সে-সব বার করি। —বলে আমি মুখ ফিরিয়ে নিই।

    মাসিমা জামিনে ছাড়া পেলেন কিন্তু মহাজনদের বাড়ির কাজটা ওঁর গেল। লজ্জায় উনি যেতেই চাইছিলেন না। আমরা বোঝালাম না গেলেই ওঁকে ওঁরা অপরাধী ভাববেন। সাহস করে উনি শেষ পর্যন্ত গিয়েছিলেন। কিন্তু এ এস বলেছেন ওঁকে আর তাঁদের দরকার নেই।

     

     

    ঠিক আছে— লেট ল’ টেক ইটস কোর্স।

    দীপুরা, এবং আমরাও বৃহত্তর পাড়াতে খানিকটা একঘরে হয়ে রয়েছি। বদনাম একবার রটলে, গায়ে আলকাতরা লাগার মতো, চিটে আর উঠতে চায় না। মানুষকে জনা জনা ধরে কত বোঝানো যায়। আর বোঝাবই-বা কেন? বিশুদা সুদ্ধু একদিন ডেকে বললেন— কাজটা তুই ভাল করিসনি রুণু। বিচক্ষণতা দেখাতে পারিসনি।

    —যা আমি করিনি, তার জন্যে কৈফিয়ত দিতে আমি আর পারব না বিশুদা।

    —তোর আজকাল খুব তেল হয়েছে।

    —বিনা দোষে এভাবে অপমান করলেও জবাব দেব না?

    —বিনয় শেখ, তা নয়তো ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

    —বিনয় অর নো বিনয়, ভবিষ্যতে বালব জ্বলার চান্স দেখতে পাচ্ছি না।

     

     

    জগাদা একদিন রাস্তায় ধরল— কী রে রুণু, আজকাল খুব মস্তান হয়েছিস।

    আমি খুব শান্তভাবে বলি— তোমার চেয়েও?

    —আমি? তোর তো আস্পদ্দা কম নয়। মস্তানি রুখতে আমি প্রাণটা ছাড়া এখনও পর্যন্ত সবই দিয়েছি, তা জানিস?

    আমি বললাম— ও ছার প্রাণ গেলেই বা কী! থাকলেই বা কী।

    —তুত্তুই এ কথা বললি? বলতে পারলি? জগাদার সরু মুখটা আরও লম্বা হয়ে গেছে। চোখ দুটো বড় বড়।

    —ও সব ছাড়ো। আটকালে কেন? পড়াতে যাচ্ছি!

    —ওই মেয়ে-ফুসলোনো, দাঙ্গাবাজির পরেও তোর টুইশানগুলো আছে?

    —আমি আর মেয়ে-ফুসলোনোর মতো হিরোইক কাজ করতে পারলাম কোথায়? তুমি চেষ্টা করলে পারতে কারণ, বাড়িক্কে একটা গোটা বাড়ি ফুসলোনোর অভিজ্ঞতা তোমার আছে!

     

     

    —মানে? তুত্তুই বলতে পারছিস এ কথা? কর্পোরেশনের নিয়ম ভাঙলে ইস্টেপ নেব না?

    —নিশ্চয় নেবে, এ এলাকার কাউন্সিলর-এর টিকিটটা পেতে হলে তো তোমাকে কাজটুকু দেখাতেই হবে। তবে তোমার আই কিউ যা তাতে করে চাকলাদার বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে না দিলে— টিকিটটা বোধহয় আর পাওয়া হয়ে উঠত না।

    মুখটা ছাইয়ের মতো হয়ে গেল জগাদার। বললে— চাকলাদার বলেছে তোকে? মিথ্যেবাদী, জোচ্চোর…

    —রাজনীতি করতে গেলে তোমাকে এর চেয়ে সংযত হতে হবে জগাদা। আই কিউ না হলেও চলে কিন্তু আর কিউ মানে রি-অ্যাকশন কোশেন্টটা ঠিকঠাকমতো থাকা দরকার। চলি…

    প্রায় মাথার চুল খামচানো অবস্থায় জগা মিত্তিরকে পেছনে রেখে আমি এগিয়ে চলি, টুম্পাদের বাড়ির দিকে। টুম্পা-তুলতুলদের ট্যুইশানটা কোনও অজ্ঞাত কারণে বাতিল হয়নি। ছেলেমেয়ে দুটির বাবা আজকাল প্রায়ই পড়ার ঘরে এসে কিছুক্ষণ বসে থাকেন। মাঝে মাঝে ছেলের দিকে এমন কটমট করে তাকান যে আমারই হৃৎকম্প হয়।

     

     

    অরবিন্দদা বললে— ব্রেভ ইয়াং ম্যান তোর গাট্‌স্ আছে। ওয়েল-ডান।

    —কোনটা!

    —ওই বৃদ্ধস্য তরুণী ও তৃতীয়া ভার্যার ব্যাপারটা বন্ধ করা!

    আমার এত রাগ হয়ে যায় যে আর কিউটা আমারই গণ্ডগোল হয়ে যায়। ঠাণ্ডা স্বরে বলি— ব্রেভ ওল্ড ম্যান, তোমারও গাট্‌স্‌ আছে। ওয়েল ডান!

    —মানে?

    —মানে তুমিই ভাল জানো। রাদার তুমি-ও…আচ্ছা চলি।

    পেছনে দুটো চোখ থাকলে দেখতে পেতাম কী ধরনের আর কিউ ও মুখে খেলা করছে। তবে এমন মাংস মুখে যে কোনও ভাবের খেলাই চট করে দেখা যায় না।

     

     

    আর নিতাই ভটচায? এরা যদি চলে ডালে ডালে সে চলে পাতায় পাতায়। তিনটে সেক্রেটারির একটাকে দিয়ে ডেকে পাঠাল। খাস কামরায় তলব হল। উঠে দাঁড়িয়ে হাত ধরে ঝাঁকুনি দিল নিতাই ভটচায। খাস বিলিতি কায়দায় একেবারে। তারপরে বলল— কংগ্র্যাচুলেশনস।

    —কীসের জন্যে?

    —কীসের জন্যে? তোর বিনয় দেখলে তোর বাবার কথা মনে পড়ে যায় রুণু। অজিতদাও এমনি ছিলেন।

    আমি চুপ করে থাকি।

    —নেতারা তো শুধু একটা ছকে কাজ করে যায়। এত মিটিং, সেশন, এত জনসংযোগ করতে হয় যে প্রাণ একেবারে কণ্ঠাগত। একটু সময় বার করতে পারি না আমরা যে সোসাইটির কথা একটু আলাদা করে ভাবব। সে-দিক থেকে দেখতে গেলে সমাজ সংস্কারকরাই আসল। সোসাইটির মধ্যে থেকে, তলা থেকে তাকে বদলায়, চেষ্টা করে অন্তত, সাফল্য হয়তো সেই মুহূর্তেই আসবে না, কিন্তু ইন দা লং রান আসতে বাধ্য। হয়তো সেটা দেখতে আমরা থাকব না। কিন্তু তোর অল্প বয়স। তুই দেখে যাবি।

    আমি চুপ করে থাকি। কোথাকার জল কোথায় গড়ায় দেখি।

    —এই যে পতিতদার পেনশনটা করে দিলি, এটা দুর্দান্ত কাজ।

    আমি বলি— আমি করিনি, তোমার জ্ঞাতিশত্রু বিশু মল্লিক করেছে কাজটা।

    —ধুর ও কী করবে! তুই যে বার বার গেলি, ইয়াং ম্যান দেখলে ঘুষখোরগুলো ভয় পেয়ে যায়। এখন তো সব জায়গাতেই ওদের রাজত্ব! কোটি কোটি টাকা… কোটি কোটি টাকা এক শিক্ষাবিভাগ থেকেই হাপিস করে দিলে রে! পুরো দেশটা লুঠেরাদের হাতে চলে গেল। সে যাক, দাঙ্গা একটা বাধল তোকে উপলক্ষ করে। ডোন্ট মাইন্ড রুণু, শামুর বোনটাকে তুই অজ্ঞাতবাসে সাহায্য করেছিস, করছিস কি না জানি না। আমি অত কানপাতলা নই। যদি না করে থাকিস ভাল, করে থাকলে আরও ভাল। কিন্তু দাঙ্গাটা থামালি, দাঙ্গার ভিকটিমদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিস। বেঁটে তোর কথা খুব বলছিল। আলম বলে ছোকরা সেও দেখলাম তোর গুণ গাইছে। বললে— রুণুবাবুকে যে না-পাক ভাববে সে নিজে না-পাক। …আমি তোর ব্যাপারটা দেখছি। ইউ শুড বি প্লেসড সামহোয়্যার যেখানে তুই প্রপারলি ইউটিলাইজড হবি। ও হ্যাঁ এ এস মহাজন অ্যান্ড ফ্যামিলি তোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ একেবারে। সত্যিকারের হৃদয়বান ছেলে… ওকে দেখলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর ভরসা হয়।

    আমি এতক্ষণ চুপ করে শুনছিলাম। দীর্ঘ জ্বালাময়ী শেষ হলে জিজ্ঞেস করি—‘হৃদয়বান’ ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম’ কথাগুলো কি ওঁরাই ব্যবহার করলেন?

    —তা কি আমি করলাম?

    —না, ওঁরা এতটা ভাল বাংলা জানেন— বলেন জানতাম না। সব সময়েই ইংরেজি মিশিয়ে কথা বলেন দেখি।

    —য়ু আর রাইট। আমি নিজের অজান্তেই ওঁদের কথাগুলো ট্রানস্লেট করে নিয়েছি। বুঝলি?

    বুঝলাম, এবার উঠি নিতাইকাকা! ট্যুইশন আছে তো!

    —এই যে, পড়িয়ে শুনিয়ে ছেলে-মেয়েগুলোকে মানুষ করে তোলার ব্রত নিয়েছিস, এটাই কি কম মহৎ? পশ্চিমবাংলায় তো স্কুল-কলেজ সব উচ্ছন্নে গেছে। পরিকল্পিতভাবে পুরো ইনফ্রাস্ট্রাকচারটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে এরা।

    —ব্রত ট্ৰত নয় নিতাইকাকা, তুমি ভুল করছ— আমি বলি— না করলে বাড়িতে হাঁড়ি চড়বে না। তাই করতে বাধ্য হচ্ছি। নইলে কে শালার পাথর ঘষে ঘষে গর্ত করবার চেষ্টা করে!

    আমি বুঝতে পারছি একটা বিপজ্জনক ব্যাপার ঘটছে। আমার সেই কালো পাথরের দেয়াল! সেই সীমার দেয়াল? তাতে একটা চিড় ধরেছে। ঠিক বিদ্যুতের রেখা আকাশে যেমন আঁকাবাঁকা আলোর আঁকি-বুকি কেটে দেয় তেমনই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদিদিমাসির জিন – বাণী বসু
    Next Article ট্রেকার্স – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }