Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    মাইকেল মধুসূদন দত্ত এক পাতা গল্প70 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য – তৃতীয় সর্গ

    তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
    তৃতীয় সর্গ

    হেথা তুরাসাহ সহ ভীম প্রভঞ্জন—
    বায়ুকুল-ঈশ্বর,—প্রচেতাঃ পরন্তপ,
    দণ্ডধর মহারথী—তপন-তনয়—
    যক্ষদল-পতি দেব অলকার নাথ,
    সুরসেনানী শূরেন্দ্র,—প্রবেশ করিলা
    ব্রহ্মপুরী। এড়াইয়া কাঞ্চন-তোরণ
    হিরণ্ময়, মৃদুগতি চলিলা সকলে,
    পদ্মাসনে পদ্মযোনি বিরাজেন যথা
    পিতামহ। সুপ্রশস্ত স্বর্ণ-পথ দিয়া
    চলিলা দিক্পাল-দল পরম হরষে।
    দুই পাশে শোভে হৈম তরুরাজী, তাহে
    মরকতময় পাতা, ফুল রত্ন-মাল,
    ফল,—হায়, কেমনে বর্ণিব ফল-ছটা?
    সে সকল তরুশাখা-উপরে বসিয়া
    কলস্বরে গান করে পিকবরকুল
    বিনোদি বিধির হিয়া! তরুরাজী-মাঝে
    শোভে পদ্মরাগমণি-উৎস শত শত
    বরষি অমৃত, যথা রতির অধর
    বিম্বময়, বর্ষে, মরি, বাক্য-সুধা, তুষি
    কামের কর্ণকুহর! সুমন্দ সমীর—
    সহ গন্ধ,—বিরিঞ্চির চরণ-যুগল—
    অরবিন্দে জন্ম যার—বহে অনুক্ষণ
    আমোদে পূরিয়া পুরী! কি ছার ইহার
    কাছে বনস্থলীর নিশ্বাস, যবে আসি
    বসন্তবিলাসী আলিঙ্গয়ে কামে মাতি
    সে বনসুন্দরী, সাজাইয়া তার তজু
    ফুল-আভরণে। চারি দিকে দেবগণ

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    PDF
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা

     

    হেরিলা অযুত হর্ম্ম্য রম্য, প্রভাকর,
    সুমে নগেন্দ্র যথা—অতুল জগতে!
    সে সদনে করে বাস ব্রহ্মপুরবাসী,
    রমার রম-উরসে যথা শ্রীনিবাস
    মাধব! কোথায় কেহ কুসুম-কাননে,
    কুসুম-আসনে বসি, স্বর্ণবীণা করে,
    গাইছে মধুর গীত; কোথায় বা কেহ
    ভ্রমে, সদানন্দ_সম সদানন্দ মনে
    মঞ্জু কুঞ্জে, বহে যথা পীযূষ-সলিলা
    নদী, কল কল রব করি নিরবধি,
    পরি বক্ষস্থলে হেম-কমলের দাম;—
    নাচে সে কনকদাম মলয়-হিল্লোলে,
    উর্ব্বশীর বক্ষে যথা মন্দারের মালা?
    যবে নৃত্য-পরিশ্রমে ক্লান্তা সীমন্তিনী
    ছাড়েন নিশ্বাস ঘন, পূরি সুসৌরভে
    দেব-সভা! কাম—হায়, বিষম অনল
    অন্তরিত!—হৃদয় যে দহে, যথা দহে
    সাগর বাড়বানল! ক্রোধ রাতময়,
    উথলে যে শোণিত-তরঙ্গ ডুবাইয়া
    বিবেক! দুরন্ত লোভ—বিরাম-নাশক,
    হায় রে, গ্রাসক যথা কাল, তবু সদা
    অশনায় পীড়িত! মোহ—কুসুমডোর,
    কিন্তু তোর শৃঙ্খল, রে ভব-কারাগার,
    দৃঢ়তর! মায়ার অজেয় নাগপাশ!
    মদ—পরমত্তকারী, হায়, মায়া-বায়ু,
    ফাঁপায় যে হৃদয়, কুরস যথা দেহ
    রোগীর! মাৎসর্য্য—যার দুখ, পরদুখে,
    গরলকণ্ঠ!—এ সব দুষ্ট রিপু, যারা
    প্রবেশি জীবনফুলে, কীট যেন, নাশে
    সে ফুলের অপরূপ রূপ, এ নগরে

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা উপন্যাস
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই পড়ুন

     

    নারে প্রবেশিতে, যথা বিষাক্ত ভুজগ
    মহৌষধাগারে। হেথা জিতেন্দ্রিয় সবে,
    ব্রহ্মার_নিসর্গধারী, নদচয় যথা
    লভয়ে ক্ষীরতা বহি ক্ষীরোদ সাগরে!
    হেরি সুনগর কান্তি, ভ্রান্তিমদে মাতি,
    ভুলিলা দেবেশ-দল মনের বেদনা
    মহানন্দে! ফুলবনে প্রবেশিয়া, কেহ
    তুলিলা সুবর্ণফুল; কেহ, ক্ষুধাতুর,
    পাড়িয়া অমৃতফল ক্ষুধা নিবারিলা;
    কেহ পান করিলা পীযূষ-মধু সুখে;
    সঙ্গীত-তরঙ্গে কেহ কেহ রঙ্গে ঢালি
    মনঃ, হৈম তরুমূলে নাচিলা কৌতুকে।
    এইরূপে দেবগণ ভ্রমিতে ভ্রমিতে
    উত্তরিলা বিরিঞ্চির মন্দির-সমীপে
    স্বর্ণময়; হীরকের স্তম্ভ সারি সারি
    শোভিছে সম্মুখে, দেবচক্ষু যার আভা
    ক্ষণ সহিতে অক্ষম! কে পারে বর্ণিতে
    তাঁহার সদন, বিশ্বম্ভর সনাতন
    যিনি? কিম্বা কি আছে গো এ ভবমগুলে
    যার সহ তাহার তুলনা করি আমি?
    মানব-কল্পনা কভু পারে কি কল্পিতে
    ধাতার বৈভব—যিনি বৈভবের নিধি?
    দেখিলেন দেবগণ মন্দির-দুয়ারে
    বসি সুকনকাসনে বিশদবসনা
    ভক্তি—শক্তি-কুলেশ্বরী, পতিতপাবনী,
    মহাদেবী। অমনি দিক্‌পাল-দল নমি
    সাষ্টাঙ্গে, পূজিলা মার রাঙা পা দুখানি!
    “হে মাতঃ,”—কহিলা ইন্দ্র কৃতাঞ্জলিপুটে—
    “হে মাতঃ, তিমিরে যথা বিনাশেন ঊষা,
    কলুষনাশিনী তুমি! এ ভবসাগরে

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    তুমি না রাখিলে, হায়, ডুবে গো সকলে
    অসহায়! হে জননি, কৈবল্যপারিনি,
    কৃপা কর আমা সবা প্রতি—দাস তব।”
    শুনি বাসবের স্তুতি, ভক্তি শক্তীশ্বরী
    আশীষ করিলা দেবী যত দেবগণে
    মৃদু হাসি; পাইলেন দিব্য চক্ষু সবে।
    অপর আসনে পরে দেখিলা সকলে
    দেবী আরাধনা,—ভক্তিদেবীর স্বজনী,
    একপ্রাণা দোঁহে। পুনঃ সাষ্টাঙ্গে প্রণমি
    কহিতে লাগিলা শচীকান্ত কৃতাঞ্জলি-
    পুটে,—“হে জননি, যথা আকাশমণ্ডলী
    নিনাদবাহিনী, তথা তুমি, শক্তীশ্বরি,
    বিধাতার কর্ণমূলে বহ গো সতত
    সেবক-হৃদয়-বাণী। আমা সবা প্রতি
    দয়া কর, দয়াময়, সদয় হইয়া।”
    শুনিয়া ইন্দ্রের বাণী, দেবী আরাধনা—
    প্রসন্নবদনা মাতা— ভক্তিপানে চাহি,
    —চাহে যথা সূর্য্য-মুখী রবিচ্ছবি পানে—
    কহিলা,—“আইস, ওগো সখি বিধুমুখি,
    চল যাই লইয়া দিক্‌পাল-দলে যথা
    পদ্মাসনে বিরাজেন ধাতা; তোমা বিনা
    এ হৈম কপাট, সখি, কে পারে খুলিতে?”-
    “খুলি এ কপাট আমি বটে; কিন্তু, সখি,”
    (উত্তর করিলা ভক্তি) “তোমা বিনা বাণী
    কার শুনি, কর্ণদান করেন বিধাতা?
    চল যাই, হে স্বজনি, মধুর-ভাষিণি—
    খুলিব দুয়ার আমি; সদয় হৃদয়ে,
    অবগত করাও ধাতারে, কি কারণে
    আসি উপস্থিত হেথা দেবদল, তুমি।”
    তবে ভক্তি দেবীশ্বরী সহ আরাধনা

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    অমৃত-ভাষিণী, লয়ে দেবপতিদলে
    প্রবেশিলা মন্দগতি ধাতার মন্দিরে
    নতভাবে। কনক-কমলাসনে তথা
    দেখিলেন দেবগণ স্বয়ম্ভূ লোকেশে!
    শত শত ব্রহ্ম-ঋষি বসেন চৌদিকে,
    মহাতেজা, তেজোগুণে জিনি দিননাথে,
    কাঞ্চন-কিরীট শিরে! প্রভা আভাময়ী,—
    মহারূপবতী সতী,—দাঁড়ান সম্মুখে—
    যেন বিধাতার হাস্যাবলী মূর্ত্তিমতী!
    তাঁর সহ দাড়ান সুবর্ণবীণা করে,
    বীণাপাণি, স্বরসুধা-বর্ষণে বিনোদি
    ধাতার হৃদয়, যথা দেবী মন্দাকিনী
    কলকল-রবে সদা তুষেন অচল-
    কুল-ইন্দ্র হিমাচলে—মহানন্দময়ী!
    শ্বেতভুজা, শ্বেতাজে বিরাজে পা দুখানি,
    রক্তোৎপল-দল যেন মহেশ-উরসে;—
    জগৎ-পূজিতা দেবী——কবিকুল-মাতা।
    হেরি বিরিঞ্চির পাদ-পদ্ম, সুরদল,
    অমনি শচী-রমণ সহ পঞ্চ জন—
    নমিলা সাষ্টাঙ্গে। তবে দেবী আরাধনা
    যুড়ি কর কলস্বরে কহিতে লাগিলা;—
    “হে ধাতঃ, জগত-পিতঃ, দেব সনাতন,
    দয়াসিন্ধু! সুন্দ-উপসুন্দাসুর বলী,
    দলি আদিতেয়-দলে বিষম সংগ্রামে,
    বসিয়াছে দেবাসনে পামর দেবারি,
    লণ্ডভণ্ড করি স্বর্গ,—দাবানল যথা
    বিনাশে কুসুমে পশি কুসুমকাননে
    সর্ব্বভুক্! রাজ্যচ্যুত, পরাভূত রণে,
    তোমার আশ্রয় চায় নিরাশ্রয় এবে
    দেবদল,—নিদাঘার্ত্ত পথিক যেমতি

     

     

    তরুবর পাশে আসে আশ্রম-আশায়।—
    হে বিভো জগৎযোনি, অযোনি আপনি,
    জগদত্ত নিরন্তক, জগতের আদি
    অনাদি! হে সর্ব্বব্যাপি, সর্ব্বজ্ঞ, কে জানে
    মহিমা তোমার? হায়, কাহার রসনা,—
    দেব কি মানব,—গুণকীর্ত্তনে তোমার
    পারক? হে বিশ্বপতি, বিপদের জালে
    বদ্ধ দেবকুলে, দেব, উদ্ধার গো আজি।”
    এতেক নিবেদি তবে দেবী আরাধনা
    নীরব হইলা, নমি ধাতার চরণে
    কৃতাঞ্জলিপুটে। শুনি দেবীর বচন—
    কি ছার তাহার কাছে কাকলী-লহরী
    মধুকালে?—উত্তর করিলা সনাতন’
    ধাতা; “এ বারতা, বৎসে, অবিদিত নহে।
    সুন্দ উপসুন্দাসুর দৈব-বলে বলী;
    কঠোর তপস্যাফলে অজেয় জগতে।
    কি অমর কিবা নর সমরে দুর্ব্বার
    দোঁহে! ভ্রাতৃভেদ ভিন্ন অন্য পথ নাহি,
    নিবারিতে এ দানবদ্বয়ে। বায়ু-সখা
    সহ বায়ু আক্রমিলে কানন, তাহারে
    কে পারে রোধিতে,—কার পরাক্রম হেন?”-
    এতেক কহিলা দেবদেব প্রজাপতি।
    অমনি করিয়া পান ধাতার বচন-
    মধু, ব্রহ্ম-পুরী সুখতরঙ্গে ভাসিল!
    শোভিলা উজ্জ্বলতরে প্রভা আভাময়ী,
    বিশাল-নয়না দেবী! অখিল জগত
    পূরিল সুপরিমলে, কমল কাননে
    অযুত কমল যেন সহসা ফুটিয়া
    দিল পরিমল-সুধা সুমন্দ অনিলে!
    যথায় সাগর-মাঝে প্রবল পবন

     

     

    বলে ধরি পোত, হার, ডুাইতেছিলা
    তারে, শান্তি-দেবী তথা উতরি সত্বরে,
    প্রবোধি মধুর ভাষে, শান্তিলা মারুতে।
    কালের নশ্বর শ্বাস-অনলে যেখানে
    ভস্মময় জীবকুল (ফুলকুল যথা
    নিদাঘে) জীবনামৃত-প্রবাহ সেখানে
    বহিল, জীবন দান করি জীবকূলে,—
    নিশির শিশির-বিন্দু সরসে যেমতি
    প্রসূন, নীরস, মরি, নিদাঘ-জ্বলনে!
    প্রবেশিলা প্রতি গৃহে মঙ্গল-দায়িনী
    মঙ্গলা! সুশস্যে পূর্ণা হাসিলা বসুধা;—
    প্রমোদে মোদিল বিশ্ব বিস্ময় মানিয়া!
    তবে ভক্তি শক্তীশ্বরী সহ আরাধনা,
    প্রফুল্লবদনা যথা কমলিনী, যবে
    ত্বিষাম্পত্তি দিননাথ তাড়াই তিমিরে,
    কনক-উদয়াচলে আসি দেন দেখা,—
    লইয়া দিক্‌পালদলে, যথাবিধি পূজি
    পিতামহে, বাহিরিলা ব্রহ্মালয় হতে।
    “হে বাসব,” কহিলেন ভক্তি মহাদেবী,
    “সুরেন্দ্র, সতত রত থাক ধর্ম্মপথে।
    তোমার হৃদয়ে, যথা রাজেন্দ্র-মন্দিরে
    রাজলক্ষ্মী, বিরাজিব আমি হে সতত।”
    “বিধুমুখী সখী মম ভক্তি শক্তীশ্বরী,”—
    কহিলেন আরাধনা মৃদু মন্দ হাসি—
    “বিরাজেন যদি সদা তোমার হৃদয়ে,
    শচীকান্ত, নিতান্ত জানিও আমি তব
    বশীভূতা! শশী যথা কৌমুদী সেখানে।
    মণি, আভা, একপ্রাণা; লভ এ রতনে,
    অযতনে আভা লাভ করিবে, দেবেশ!
    কালিন্দীরে পান সিন্ধু গঙ্গার সঙ্গমে।”

     

     

    বিদায় হইলা তবে সুরদল, সেবি
    দেবীদ্বয়ে। পরে সবে ভ্রমিতে ভ্রমিতে,
    উত্তরিলা পুনঃ যথা পীযূষ-সলিলা
    বহে নিরবধি নদী কলকল কলে—
    সুবর্ণ-তটিনী; যথা অমরী ব্রততী,
    অমর সুতরুকুল; স্বর্ণকান্তি ধরি
    ফুলকুল ফোটে নিত্য সুনিকুঞ্জবনে,
    ভরি সুসৌরভে দেশ। হৈম বৃক্ষমূলে,
    রঞ্জিত কুসুম-রাগে,—বসিলেন সবে।
    কহিলা বাসব তবে ঈষৎ হাসিয়া,—
    “দিতিজ-ভুজ-প্রতাপে, রণ পরিহরি,
    আইলাম আমা সবে ধাতার সমীপে
    ধায়ে রড়ে,—বিধির বিধান বোধাগম!
    ভ্রাতৃভেদ ভিন্ন অন্য নাহি পথ; কহ,
    কি বুঝ সঙ্কেত-বাক্যে, কহ, দেবগণ?
    বিচার করহ সবে: সাবধানে দেখ
    কি মর্ম্ম ইহার! দুধে জল যদি থাকে,
    তবু রাজহংসপতি পান করে তারে,
    তেয়াগিয়া তোয়ঃ! কে কি বুঝ, কহ, শুনি।”—
    উত্তর করিলা যম:—“এ বিষয়ে, দেব
    দেবেন্দ্র, স্বীকারি আমি নিজ অক্ষমতা।
    বাহ-পরাক্রমে কর্ম্ম-নির্ব্বাহ যেখানে,
    দেবনাথ, সেথা আমি। তোমার প্রসাদে
    এই যে প্রচণ্ড দণ্ড, ব্রহ্মাণ্ডনাশক,
    শিখেছি ধরিতে এরে; কিন্তু নাহি জানি
    চালাইতে লেখনী, পশিতে শব্দার্ণবে
    অর্থরত্ন-লোভে—যেন বিদ্যার ধীবর।”
    “আমিও অক্ষম যম সম”—উত্তরিলা
    প্রভঞ্জন—“সাধিবারে তোমার এ কাজ
    বাসব! করীর কর যথা, পারি আমি

     

     

    উপাড়িতে তরুবর, পাষাণ চূর্ণিতে,
    চিরধীর শৃঙ্গধরে বজ্রসম চোটে
    অধীরিতে; কিন্তু নারি তুলিতে বাছিয়া
    এ সূচি, হে নমুচিসূদন শচীপতি।”—
    উত্তর করিলা তবে স্কন্দ তারকারি
    মৃদু স্বরে;—“দেহ, ওহে দেবকুলপতি,
    দেহ অনুমতি মোরে, যাই আমি যথা
    বসে সুন্দ উপসুন্দ,—দুরন্ত অসুর।
    যুদ্ধার্থে আহ্‌বানি গিয়া ভাই দুই জনে।
    শুনি মোর শঙ্খধ্বনি রুষিবে অমনি
    উভয়; কহিব আমি—‘তোমাদের মাঝে
    বীরশ্রেষ্ঠ বীর যে, বিগ্রহ দেহ আসি।’
    ভাই ভাই বিরোধ হইবে এ হইলে।
    সুন্দ কহিবেক আমি বীর-চূড়ামণি;
    উপসুন্দ এ কথায় সায় নাহি দিবে
    অভিমানে। কে আছে গো, কহ, দেবপতি,
    রথীকুলে, স্বীকারে যে আপন ন্যূনতা?
    ভাই ভাই বিবাদ হইলে, একে একে
    বধিব উভয়ে আমি বিধির প্রসাদে—
    বধে যথা বারণারি বারণ-ঈশ্বরে।”
    শুনি সেনানীর বাণী, ঈষৎ হাসিয়া
    কহিতে লাগিলা দেব যক্ষকুলরাজা
    ধনেশ;—“যা কহিলেন হৈমবতীসুত,
    কৃত্তিকাকুলবল্লভ, মনে নাহি লাগে।
    কে না জানে ফণী সহ বিষ চিরবাসী?
    দংশিলে ভুজঙ্গ, বিষ-অশনি অমনি
    বায়ুগতি পশে অঙ্গে—দুর্ব্বার অনল।
    যথায় যুঝিবে সুন্দাদুর দুষ্টমতি,
    নিষ্কোষিবে অসি তথা উপসুন্দ বলী
    সহকারী; উভয়ের বিক্রম উভয়।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    গ্রন্থাগার সেবা
    পিডিএফ

     

    বিশেষত, কূট-যুদ্ধে দৈত্যদল রত।
    পাইলে একাকী তোমা, হে উমাকুমার,
    অবশ্য অন্যায়যুদ্ধ করিবে দানব
    পাপাচার। বৃথা তুমি পড়িবে সঙ্কটে,
    বীরবর! মোর বাণী শুন, দেবপতি
    মহেন্দ্র; আদেশ মোরে, ধনজালে বেড়ি
    বধি আমি—যথা ব্যাথ বধয়ে শার্দ্দুল,
    আনায়-মাঝারে তারে আনিয়া কৌশলে—
    এ দুষ্ট দনুজ দোঁহে! অবিদিত নহে,
    বসুমতী সতী মম বসু-পূর্ণাগার[১],
    যথা পঙ্কজিনী ধনী ধরয়ে যতনে
    কেশর,—মদন[২] অর্থ। বিবিধ রতন—
    তেজঃপুঞ্জ, নয়নরঞ্জন, রাশি রাশি,
    দেহ আজ্ঞা, দেব, দান করি দানবেরে।
    করি দান সুবর্ণ—উজ্জ্বল বর্ণ, সহ
    রজত, সুশ্বেত যথা দেবী শ্বেতভুজা।
    ধনলোভে উন্মত্ত উভয় দৈত্যপতি,
    অবশ্য বিবাদ করি মরিবে অকালে—
    মরিল যেমতি দ্বন্দ্বি, হায়, মন্দমতি!
    সহ সুপ্রতীক ভ্রাতা লোভী বিভাবসু!”—
    উত্তর করিলা তবে জলেশ বরুণ
    পাশী;—“যা কহিলে সত্য, যক্ষকুলপতি,
    অর্থে লোভ; লোভে পাপ; পাপ—নাশকারী
    কিন্তু ধন কোথা এবে পাবে, ধনপতি?
    কোথা সে বসুধা শ্যামা, সুবসুধারিণী
    তোমার? ভুলিলে কি গো, আমরা সকলে
    দীন, পত্রহীন তরু হিমানীতে যথা,
    আজি! আর আছে কি গো সে সব বিভব?
    আর কি—কি কাজ কিন্তু এ মিছা বিলাপে?
    কহ, দেবকুলনিধি, কি বিধি তোমার?”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বুক শেল্ফ
    Books
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক

     

    কহিতে লাগিলা তবে দেব পুরন্দর
    অসুরারি;—“ভাসি আমি অজ্ঞাত সলিলে
    কর্ণধার, ভাবনায় চিন্তায় আকুল,
    নাহি দেখি অনুকূল কূল কোন দিকে!
    কেমনে চালার তরী বুঝিতে না পারি?
    কেমনে হইব পার অপার সাগর?
    শূন্যতূণ আমি আজি এ ঘোর সমরে।
    বজ্রাপেক্ষা তীক্ষ্ণ মম প্রহরণ যত,
    তা সকলে নিবারিল এ কাল সংগ্রামে
    অসুর। যখন দুষ্ট ভাই দুই জন
    আরম্ভিলা তপঃ, আমি পাঠানু যতনে
    সুকেশিনী উর্ব্বশীরে; কিন্তু দৈববলে
    বিফলবিভ্রমা বামা লজ্জায় ফিরিল,—
    গিরিদেহে বাজি যথা রাজীব! সতত
    অধীর সুধীর ঋষি যে মধুর হাসে,
    শোভিল সে বৃথা, হায়, সৌদামিনী যথা
    অন্ধজন প্রতি শোভে বৃথা প্রজ্বলনে!
    যে কেশে নিগড় সদা গড়ে রতিপতি;
    যে অপাঙ্গবিষানলে জ্বলে দেব-হিয়া;—
    নারিল সে কেশপাশ বাঁধিতে দানবে!
    বিফল সে বিষানল, হলাহল যথা
    নীলকণ্ঠ-কণ্ঠদেশে! কি আর কহিব—
    বৃথা মোরে জিজ্ঞাসহ, জলদলপতি।”
    এতেক কহিয়া দেব দেবেন্দ্র বাসব
    নীরবিলা, আহা, মরি, নিশ্বাসি বিষাদে!
    বিষাদে নীরব দেখি পৌলোমীরঞ্জনে,
    মৌনভাবে বসিলেন পঞ্চ দেব রথী।
    হেন কালে—বিধির অদ্ভুত লীলাখেলা।
    কে পারে বুঝিতে গো এ ব্রহ্মাণ্ডমগুলে?—
    হেন কালে অকস্মাৎ হইল দৈববাণী।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন বুক
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    “আনি বিশ্বকর্ম্মায়, হে দেবগণ, গড়
    বামায়,—অঙ্গনাকুলে অতুলা জগতে।
    ত্রিলোকে আহরে যত স্থাবর, জঙ্গম,
    ভূত, তিল তিল সবা হইতে লইয়া,
    সৃজ এক প্রমদারে—ভব-প্রমোদিনী।
    তা হতে হইবে নষ্ট দৃষ্ট অমরারি।”—
    তবে দেবপতি, শুনি আকাশ-সম্ভবা
    ভারতী, পবন পানে চাহিয়া কহিলা,—
    “যাও তুমি, আন হেথা, বায়ুকুল-রাজা,
    অবিলম্বে বিশ্বকর্ম্মা, শিল্পীকুলরাজে!”
    শুনি দেবেন্দ্রের বাণী, অমনি তখনি
    প্রভঞ্জন শূন্যপথে উড়িলা সুমতি
    আণ্ডগ;—কাঁপিল বিশ্ব থর থর করি
    আতঙ্কে, প্রমাদ গণি অস্থির হইলা
    জীবকুল, যথা যবে প্রলয়ের কালে,
    টঙ্কারি পিনাক রোষে পিনাকী ধূর্জ্জটি
    বিশ্বনাশী পাশুপত ছাড়েন হুঙ্কারে।
    চলি গেলা পবন, পবনবেগে দেখ
    শূন্যপথে! হেথা ব্রহ্মপুরে পঞ্চ জন
    ভাসিলা—মানস সরে রাজহংস যথা—
    আনন্দ-সলিলে সদানন্দের সদনে!
    যে যাহা ইচ্ছিলা তাহা পাইলা তখনি।
    যে আশা, এ ভবমরুদেশে মরীচিকা,
    ফলবতী নিরবধি বিধির আলয়ে!
    মাগিলেন সুধা শচীকান্ত শান্তমতি;
    অমনি সুধালহরী বহিল সন্মুখে
    কলরবে। চাহিলেন ফল জলপতি;
    রাশি রাশি ফল আসি সুবর্ণ-বরণ—
    পড়িল চৌদিকে। যাচিলেন ফুল দেব-
    সেনানী; অযুত ফুল, স্তবকে স্তবকে

    বেড়িল শুরেন্দ্রে যথা চন্দ্রে তারাবলী।
    রত্নাসন মাগি তাহে বসিল। কুবের—
    মণিময় শেষের অশেষ দেহোপরি
    শোভিলেন যেন পীতাম্বর চিন্তামণি।
    ভ্রমিতে লাগিলা যম মহাহৃষ্টমতি,
    যথা শরদের কালে গগনমগুলে,
    পবন-বাহনারোহী, ভ্রমে কুতূহলী
    মেঘেন্দ্র, রজনীকান্ত-রজঃকান্তি হেরি,—
    হেরি রত্নাকারা তারা,—সুখে মন্দগতি!
    এড়াইয়া ব্রহ্মপুরী, বায়ুকুল-রাজা
    প্রভঞ্জন, বায়ুবেগে চলিলেন বলী
    যথায় বসেন বিশ্বোপান্তে মহামতি
    বিশ্বকর্ম্মা। বাতাকারে উড়িলা সুরথী
    শূন্যপথে, উথলিয়া নীলাম্বর যেন
    নীল অম্বুরাশি। কত দূরে ত্বিষাম্পতি
    দিনকান্ত রবিলোকে অস্থির হইলা
    ভাবি দুষ্ট রাহু বুঝি আইল অকালে
    মুখ মেলি। চন্দ্রলোকে রোহিণীবিলাসী
    সুধানিধি, পাণ্ডুবর্ণ আতঙ্কে স্মরিয়া
    দুরন্ত বিনতাসুতে,—সুধা-অভিলাষী!
    মুদিলা নয়ন হৈম তারাকুল ভয়ে,
    ভৈরব দানবে হেরি যথা বিদ্যাধরী,
    পঙ্কজিনী তমঃপুঞ্জে; বাসুকির শিরে
    কাঁপিলা ভীরু বসুধা; উঠিলা গর্জ্জিয়া
    সিন্ধু, দ্বন্দ্বে রত সদা, চির-বৈরি হেরি;—
    সাজিল তরঙ্গ-দল রণ-রঙ্গে মাতি।
    এ সবে পশ্চাতে রাখি আঁখির নিমিষে
    চলি গেলা আশুগতি। ঘন ঘনাবলী
    ধায় আগে রড়ে ঝড়ে, ভূত-দল যথা
    ভূত-নাথ সহ। একে একে পার হয়ে

    সপ্ত অব্ধি, চলিলা মরুৎকুলনিধি
    অবিশ্রান্ত, ক্লান্তি, শান্তি, সবে অবহেলি
    চলে যথা কাল। কত দূরে যমপুরী
    ভয়ঙ্করী দেখিলেন ভীম সদাগতি।
    কোন স্থলে হিমানীতে কাঁপে থরথরি
    পাপি-প্রাণ, উচ্চৈঃস্বরে বিলাপি দুর্ম্মতি;—
    কোন স্থলে কালাগ্নেয়-প্রাচীর-বেষ্টিত
    কারাগারে জ্বলে কেহ হাহাকার রবে
    নিরবধি; কোথাও বা ভীম-মূর্ত্তি-ধারী
    যমদূত প্রহারয়ে চণ্ড দণ্ড শিরে
    অদয়; কোথাও শত শকুনি-মণ্ডলী
    বজ্রনখা, বিদরিয়া বক্ষঃ মহাবলে,
    ছিন্ন ভিন্ন করে অন্ত্র; কোথাও বা কেহ,
    তৃষায় আকুল, কাঁদে বসি নদী-তীরে,
    করিয়া শত মিনতি বৈতরণী-পদে
    বৃথা,—না চাহেন দেবী দুরাত্মার পানে,
    তপস্বিনী ধনী যথা—নয়নরমণী—
    কভু নাহি কর্ণদান করে কামাতুরে—
    জিতেন্দ্রিয়া! কোথাও বা হেরি লক্ষ লক্ষ
    উপাদেয় ভক্ষ্যদ্রব্য, ক্ষুধাতুর প্রাণী
    মাগে ভিক্ষা ভক্ষণ—রাজেন্দ্র-দ্বারে যথা
    দরিদ্র,—প্রহরী-বেত্র আঘাতে শরীর
    জরজর। সতত অগণ্য প্রাণিগণ
    আসিতেছে দ্রুতগতি চারি দিক্ হতে,
    ঝাঁকে ঝাঁকে আসে যথা পতঙ্গের দল
    দেখি অগ্নিশিখা,—হায়, পুড়িয়া মরিতে!
    নিস্পৃহ এ লোকে বাস করে লোক যত।
    হায় রে, যে আশা আসি তোষে সর্ব্বজনে
    জগতে, এ ছরম্ভ অনন্তকপুরে গতি-
    রোধ তার! বিধাতার এই সে বিধান

    মরুস্থলে প্রবাহিণী কভু নাহি বহে।
    অবিরামে কাটে কীট; পাবক না নিবে।
    শত-সিন্ধু-কোলাহল জিনি, দিবানিশি,
    উঠয়ে ক্রন্দনধ্বনি কর্ণ বিদরিয়া।
    হেরি শমনের পুরী, বিস্ময় মানিয়া
    চলিলা জগৎপ্রাণ পুনঃ দ্রুতগতি
    যথায় বসেন দেব-শিল্পী। কতক্ষণে
    উত্তরমেরুতে বীর উত্তরিলা আসি।
    অদূরে শোভিল বিশ্বকর্মার সদন।
    ঘন ঘনাকার ধূম উড়ে হর্ম্ম‍্যোপরি,
    তাহার মাঝারে হৈম গৃহাগ্র অযুত
    দ্যোতে, বিদ্যুতের রেখা অচঞ্চল যেন
    মেঘাবৃত আকাশে, বা বাসবের ধনু
    মণিময়! প্রবেশিয়া পুরী বায়ুপতি
    দেখিলেন চারি দিকে ধাতু রাশি রাশি
    শৈলাকার; মূর্ত্তিমান্ দেব বৈশ্বানরে।
    পাই সোহাগায় সোণা গলিছে সোহাগে
    প্রেম-রসে; বাহিরিছে রজত গলিয়া
    পুটে, বাহিরায় যথা বিমল-সলিল-
    প্রবাহ, পর্ব্বত-সানু-উপরি যাহারে
    পালে কাদম্বিনী ধনী; লৌহ, যার তনু
    অক্ষয়, তাপিলে অগ্নি, মহারাগে ধাতু
    জ্বলে অগ্নিসম তেজ,—অগ্নিকুণ্ডে পড়ি
    পুড়িছে,—বিষম জ্বালা যেন ঘৃণা করি,—
    নীরবে শোকাগ্নি যথা সহে বীর-হিয়া।
    কাঞ্চন-আসনে বসি বিশ্বকর্ম্মা-দেব,
    দেব-শিল্পী, গড়িছেন অপূর্ব্ব গড়ন,
    হেন কালে তায় আইলা সদাগতি।
    হেরি প্রভঞ্জনে দেব অমনি উঠিয়া
    নমস্কারি বসাইলা রত্ন-সিংহাসনে।

    “আপন কুশল কহ, বায়ুকুলেশ্বর,”—
    কহিতে লাগিলা বিশ্বকর্ম্মা—“কহ বলি,
    স্বর্গের বারতা। কোথা দেবেন্দ্র কুলিশী?
    কি কারণে, সদাগতি, গতি হে তোমার
    এ বিজন দেশে? কহ, কোন্ বরাঙ্গনা—
    দেবী কি মানবী—এবে ধরিয়াছে, তোমা
    পাতি পীরিতের ফাঁদ? কহ, যত চাহ,
    দিব আমি অলঙ্কার, অতুল জগতে!
    এই দেখ নূপুর; ইহার বোল শুনি
    বীণাপাণি-বীণা, দেব, ছিন্ন-তার, খেদে!
    এই দেখ সুমেখলা; দেখি ভাব মনে,
    বিশাল নিতম্ববিম্বে কি শোভা ইহার!
    এই দেখ মুক্তাহার; হেরিলে ইহারে
    উরজ-কমলযুগ-মাঝারে, মনোজ
    মজে গো আপনি! এই দেখ, দেব, সিঁথি;
    কি ছার ইহার কাছে, ওরে নিশীথিনি,
    তোর তারাময় সিঁথি! এই যে কঙ্কণ
    খচিত রতনবৃন্দে, দেখ, গন্ধবহ।
    প্রবাল-কুণ্ডল এই দেখ, বীরমণি;—
    কি ছার ইহার কাছে বনস্থলী-কাণে
    পলাশ, রমণী-মনোরমণ ভূষণ!
    আর আর আছে যত, কি কব তোমারে?”
    হাসিয়া হাসিয়া যদি এতেক কহিলা
    বিশ্বকর্ম্মা, উত্তর করিলা মহামতি
    শ্বসন, নিশ্বাস বীর ছাড়িয়া বিষাদে;—
    “আর কি আছে গো, দেব, সে কাল এখন?
    বিশ্বোপান্তে তিমির-সাগর-তীরে সদা
    বস তুমি, নাহি জান স্বর্গের দুর্দ্দশা!
    হায়, দৈত্যকূল এবে, প্রবল সমরে,
    লুটিছে ত্রিদশালয় লণ্ডভণ্ড করি,

    পামর! ধরেন তোমা দেব অসুরারি,
    শিল্পিবর; তেঁই আমি আইনু সত্বরে।
    চল, দেব, অবিলম্বে; বিলম্ব না সহে।
    মহা ব্যগ্র ইন্দ্র আজি তব দরশনে।”
    শুনি পবনের বাণী, কহিতে লাগিলা
    দেব-শিল্পী—“হায় দেব, এ কি পরমাদ!
    দিতিজকুল উজ্জ্বলি, কোন্ মহারথী
    বিমুখিলা দেবরাজে সম্মুখ-সমরে
    বলে? কহ, কার অস্ত্রে রোধ গতি তব,
    সদাগতি? কে ব্যথিল তীক্ষ্ণ প্রহরণে
    যমে? নিরস্তিল কেবা জলেশ পাশীরে?
    অলকানাথের গদা—শৈল-চূর্ণ-কারী?
    কে বিঁধিল, কহ, হায়, খরতর শরে
    ময়ূর-বাহনে? এ কি অদ্ভুত কাহিনী!
    কোথায় হইল রণ? কিসের কারণে?
    মরে যবে সমরে তারক মন্দমতি,
    তদবধি দৈত্যদল নিস্তেজ-পাবক,—
    বিষহীন ফণী; এবে প্রবল কেমনে?
    বিশেষ করিয়া কহ, শুনি, শূরমণি।
    উত্তরমেরুতে সদা বসতি আমার
    বিশ্বোপান্তে। ওই দেখ তিমির-সাগর
    অকূল, পর্ব্বতাকার যাহার লহরী
    উথলিছে নিরবধি মহা কোলাহলে।
    কে জানে জল কি স্থল? বুঝি ছুই হবে।
    লিখিলা এ মেরু ধাতা জগতের সীমা
    সৃষ্টিকালে; বসে তমঃ, দেখ ওই পাশে।
    নাহি যান প্রভাদেবী তাহার সদনে,
    পাপীর সদনে যথা মঙ্গল-দায়িনী
    লক্ষ্মী। এত দূরে আমি কিছু নাহি জানি;
    বিশেষ করিয়া কহ সকল বারতা।”

    উত্তর করিলা তবে বায়ু-কুলপতি—
    “না সহে বিলম্ব হেথা, কহিনু তোমারে,
    শিল্পিবর, চল যথা বিরাজেন এবে
    দেবরাজ; শুনিবে গো সকল বারতা
    তাঁর মুখে। কোন্ সুখে কব, হায়, আমি,
    সিংহদল-অপমান শৃগালের হাতে?
    স্মরিলে ও কথা দেহ জ্বলে কোপানলে!
    বিধির এ বিধি তেঁই সহি মোরা সবে
    এ লাঞ্ছনা। চল, দেব, চল শীঘ্রগতি!
    আজি হে তোমার ভার উদ্ধার করিতে
    দেব-বংশ,—দেবরিপু ধ্বংসি স্বকৌশলে!”
    এতেক কহিয়া দেব বায়ু-কুলপতি
    দেব দেব-শিল্পী সহ উঠিলা আকাশে
    বায়ুবেগে। ছাড়াইয়া কৃতান্ত-নগরী,
    বসুধা বাসুকি-প্রিয়া, চন্দ্র সুধানিধি,
    সূর্য্যলোক, চলিলেন মনোরথগতি
    দুই জন; কত দূরে শোভিল অম্বরে
    স্বর্ণময়ী ব্রহ্মপুরী, শোভেন যেমতি
    উমাপতি-কোলে উমা হৈমকিরীটিনী
    শত শত গৃহচূড়া হীরক-মণ্ডিত
    শত শত সৌধশিরে ভাতে সারি সারি
    কাঞ্চন-নির্ম্মিত। হেরি ধাতার সদন
    আনন্দে কহিলা বায়ু দেব-শিল্পী প্রতি;—
    “ধন্য তুমি দেবকুলে, দেব-শিল্পি গুণি!
    তোমা বিনা আর কার সাধ্য নির্মাইতে
    এ হেন সুন্দরী পুরী—নয়ন-রঞ্জিনী।”
    “ধাতার প্রসাদে, দেব, এ শক্তি আমার”—
    উত্তরিলা বিশ্বকর্ম্মা—“তাঁর গুণে গুণী,
    গড়ি এ নগর আমি তাঁহার আদেশে।
    যথা সরোবর জল, বিমল, তরল,

    প্রতিবিম্বে নীলাম্বর তারাময় শোভা
    নিশাকালে, এই রমা প্রতিমা প্রথমে
    উদয়ে ধাতার মনে,—তবে পাই আমি।”
    এইরূপ কথোপকথনে দেবদ্বয়
    প্রবেশিলা ব্রহ্মপুরী-মন্দগতি এবে।
    কত দূরে হেরি দেব জীমূতবাহন
    বজ্রপাণি, সহ কার্ত্তিকেয় মহারথী,
    পাশী, তপনতনয়, মুরজা-বল্লভ
    যক্ষরাজ, শীঘ্রগামী দেব-শিল্পী দেব
    নিকটিয়া, করপুটে প্রণাম করিলা
    যথা বিধি। দেখি বিশ্বকর্ম্মায় বাসব
    মহোদয় আশীষিয়া কহিতে লাগিলা,—
    “স্বাগত, হে দেব-শিল্পি! মরুভূমে যথা
    তৃষাকুল জন সুখী সলিল পাইলে,
    তব দরশনে আজি আনন্দ আমার
    অসীম! স্বাগত, দেখ, শিল্পি-চূড়ামণি!
    দৈববলে বলী দুই দানব, দুর্জ্জয়
    সমরে, অমরপুরী গ্রাসিয়াছে আসি
    হায়, গ্রাসে রাহু যথা সুধাংশু-মণ্ডলী।
    ধাতার আদেশ এই শুন মহামতি।
    ‘আনি বিশ্বকর্ম্মায়, হে দেবগণ, গড়
    বামায়, অঙ্গনাকুলে অতুলা জগতে।
    ত্রিলোকে আছয়ে যত স্থাবর, জঙ্গম,
    ভূত, সবা হইতে লইয়া তিল তিল,
    সৃজ এক প্রমদারে—ভবপ্রমোদিনী।
    তাহা হতে হবে নষ্ট দুষ্ট অমরারি’।”
    শুনি দেবেন্দ্রের বাণী শিল্পীন্দ্র অমনি
    নমিয়া দিক্‌পালদলে বসিলেন ধ্যানে;
    নীরবে বেড়িলা দেবে যত দেবপতি।
    আরম্ভিলা মহাতপঃ, মহামন্ত্রবলে

    আকর্ষিলা স্থাবর, জঙ্গম, ভূত যত
    ব্রহ্মপুরে শিল্পিবর! যাহারে স্মরিলা
    পাইলা তখনি তারে। পদ্মদ্বয় লয়ে
    গড়িলেন বিশ্বকর্ম্মা রাঙ্গা পা দুখানি।
    বিদ্যুতের রেখা দেব লিখিলা তাহাতে
    যেন লাক্ষারস-রাগ। বনস্থল-বধূ
    রম্ভা উরুদেশে আসি করিল। বসতি;
    সুমধ্যম মৃগরাজ দিল। নিজ মাঝা
    খগোল নিতম্ব-বিম্ব; শোভিল তাহাতে
    মেখলা, গগনে, মরি, ছায়াপথ যথা!
    গড়িলেন বাহু-যুগ লইয়া মৃণালে।
    দাড়িম্বে কদম্বে হৈল বিষম বিবাদ;
    উভয়ে চাহিল আসি বাস করিবারে,
    উরস-আনন্দ-বনে; সে বিবাদ দেখি
    দেব-শিল্পী গড়িলেন মেরু-শৃঙ্গাকারে
    কুচযুগ। তপোবলে শশাঙ্ক সুমতি
    হইলা বদন দেব অকলঙ্ক ভাবে;
    ধরিল কবরীরূপ কাদম্বিনী ধনী,
    ইন্দ্রচাপে বানাইয়া মনোহর সিঁথি।
    জ্বলে যে তারা-রতন ঊষার ললাটে,
    তেজঃপুঞ্জ, দুইখান করিয়া তাহারে
    গড়াইলা চক্ষুদ্বয়, যদিও হরিণী
    রাখিলেক দেবপদে আনি নিজ আঁখি।
    গড়িলা অধর দেব বিম্বফল দিয়া,
    মাখিয়া অমৃতরসে; গজ-মুক্তাবলী
    শোভিল রে দস্তরূপে বিশ্ব বিমোহিয়া!
    আপনি রতি-রঞ্জন নিজ ধনু ধরি
    ভুরুছলে বসাইলা নয়ন উপরে;
    তা দেখিয়া বিশ্বকর্ম্মা হাসি কাড়ি নিলা
    তুণ তাঁর; বাছি বাছি সে তূণ হইতে

    খরতর ফুল-পর, নয়নে অর্পিলা
    দেব-শিল্পী। বসুন্ধরা নানা রত্ন-সাজে
    সাজাইলা বরবপু, পুষ্পলাবী যথা
    সাজায় রাজেন্দ্রবালা কুসুমভূষণে।
    চম্পক, পঙ্কজপর্ণ, সুবর্ণ চাহিল
    দিতে বর্ণ বরাঙ্গনে; এ সবারে ত্যজি,—
    হরিতালে শিল্পিবর রাগিলা সুতনু!
    কলরবে মধুদূত কোকিল সাধিল
    দিতে নিজ মধু-রব; কিন্তু বীণাপাণি,
    আনি সঙ্গে রঙ্গে রাগ-রাগিণীর কুল,
    রসনায় আসন পাতিলা বাগীশ্বরী!
    অমৃত সঞ্চারি তবে দেব-শিল্পি-পতি
    জীবাইলা কামিনীরে;—সুমোহিনী-বেশে
    দাড়াইলা প্রভা যেন, আহা, মূর্ত্তিমতী!
    হেরি অপরূপ কান্তি আনন্দ-সলিলে
    ভাসিলেন শচীকান্ত; পবন অমনি,
    প্রফুল্ল কমলে যেন পাইয়া, স্বনিলা
    সুস্বনে! মোহিত কামে মুরজামোহন,
    মনে মনে ধন-প্রাণ সঁপিলা বামারে!
    শান্ত জলনাথ যেন শান্তি-সমাগমে!
    মহাসুখী শিখিধ্বজ, শিখিবর যথা
    হেরি তোরে, কাদম্বিনি, অনম্বরতলে!
    তিমির-বিলাসী যম হাসিয়া উঠিলা,
    কৌমুদিনী-প্রমদায় হেরি মেঘ যথা
    শরদে! সাবাসি, ওহে দেব-শিল্পি গুণি।
    ধাতাবরে, দেখবর, সাবাসি তোমারে!
    হেন কালে,—বিধির অদ্ভুত লীলাখেলা
    কে পারে বুঝিতে গো এ ব্রহ্মাণ্ড-মণ্ডলে!—
    হেন কালে পুনর্ব্বার হৈল দৈববাণী;
    “পাঠাও, হে দেবপতি, এ রমা বামারে,

    (অনুপমা বামাকুলে)—যথা অমরারি
    সুন্দ উপসুন্দাসুর; আদেশ অনঙ্গে
    যাইতে এ বরাঙ্গনা সহ সঙ্গে মধু,
    ঋতুরাজ। এ রূপের মাধুরী হেরিয়া
    কাম-মদে মাতি দৈত্য মরিবে সংগ্রামে!
    তিল তিল লইয়া গড়িলা সুন্দরীরে
    দেব-শিল্পী, তেঁই নাম রাখ তিলোত্তমা।”—
    শুনিয়া দেবেন্দ্রগণ আকাশ-সম্ভবা
    সরস্বতী-ভারতী, নমিলা ভক্তিভাবে
    সাষ্টাঙ্গে। তৎপরে সবে প্রশংসা করিয়া
    বিদায় করিলা বিশ্বকর্মা শিল্পী-দেবে।
    প্রণমি দিক্‌পাল-দলে বিশ্বকর্ম্মা দেব
    চলি গেলা নিজ দেশে। সুখে শচীপতি
    বাহিরিলা, সঙ্গে ধনী অতুলা জগতে,—
    যথা সুরাসুর যবে অমৃত-বিলাসে
    মথিলা সাগরজল, জলদলপতি
    ভুবন-আনন্দময়ী ইন্দিরার সাথে!

    ইতি প্রতিলোত্তমাসম্ভবে কাব্যে সম্ভবো নাম
    তৃতীয় সর্গ।

    .

    [১] বসু-পূর্ণাগার—ধনপুর্ণাগার।
    [২] মদন—বিভ্রমকারী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদ্মাবতী নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    Next Article একেই কি বলে সভ্যতা? – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    Related Articles

    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    চতুর্দশপদী কবিতাবলী – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    মেঘনাদবধ কাব্য – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    হেক্‌টর-বধ – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    একেই কি বলে সভ্যতা? – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    পদ্মাবতী নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }