Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তীর্থযাত্ৰী – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প131 Mins Read0
    ⤶

    ৪. চার্লি গালাগাল দিচ্ছিল

    চার্লি মনে মনে বোধহয় গালাগাল দিচ্ছিল। তারপর হঠাৎ ফায়ারপ্লেসের আগুনের দিকে হাঁটু মুড়ে বসে বিড়বিড় করে কয়েকটা শব্দ উচ্চারণ করল। শব্দগুলো উচ্চারণ করার সময় ওর বিশাল মাথা বারংবার ঝুঁকে পড়ছিল। মাইক এবং পার্থ অসহিষ্ণু চোখে এই দৃশ্য দেখছিল। চার্লির যেন মন্ত্র পড়া আর শেষ হচ্ছিল না। পার্থ বিরক্ত-গলায় ডাকল, চার্লি! ইশারায় তাকে অপেক্ষা করতে বলে জামার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে একটা লোহার লকেট বের করে তাতে কয়েকবার চুমু খেয়ে নিল চার্লি। তারপর সেটাকে সযত্নে আবার বুকের ভেতরে চালান করে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। পার্থ দেখল এখন আর চার্লির মুখে সেই অসহায় ভাবটা নেই। চোখাচোখি হতে হেসে বললে, চল।

    তিনটে কম্বল এবার তিনজনে জড়িয়ে নিল। তারপর একে একে প্যাসেজে চলে এল। চার্লি বলল, এই ঘরের ওপাশে আর একটা ঘর আছে। সেখানেই ডেডবডি আর অ্যান, পাশাপাশি। পার্থ টর্চ জ্বালল। দরজার পাল্লা ভেঙে হেলে রয়েছে। খুব সন্তর্পণে পা ফেলা দরকার। আলো নিভিয়ে ফেলল সে। মাইক বললো, ও যেন টের না পায় আমরা যাচ্ছি। বুঝলে?

    পার্থ বললো, টের পেলেই বা কী এসে যায়। এই বাংলো থেকে তো আর পালাতে পারবে না।

    মাইক বলল, কিছুই বলা যায় না। ওপাশের দরজা দিয়ে যে কেউ নেমে যেতে পারবে।

    তুমি পাগল হয়েছ? বাইরে এখন মাইনাস তিন-চার ডিগ্রি হবে। ওখানে পা দিলেই মৃত্যু। তাছাড়া, ওই শয়তান নেকড়েগুলোর নখের শব্দ শুনতে পাচ্ছ না? অ্যান ওই দরজা দিয়ে গেলে ওরা ছেড়ে দেবে?

    তবু আমাদের চুপচাপ যাওয়া উচিত। চার্লি তুমি মাঝখানে এস। ওকে গায়ের জোরে আনতে হবে। শব্দ না করে ওরা মাঝখানের ঘরটা পেরিয়ে এল। এঘরের পাল্লাও ভেঙেছে চার্লি। পার্থ তা দেখে নিচুস্বরে বললো, গায়ের জোরে যে কাজ হয় না তার প্রমাণ তো দেখতে পাচ্ছ।

    কাজ হতো, কাজ হতো। শুধু ওই বীভৎস ডেডবডিটা যদি না থাকত!

    চার্লি ফিসফিস করল। দরজায় দাঁড়িয়ে টর্চের আলো ফেললো পার্থ। চারপাশে একবার বুলিয়ে নিয়ে মৃতদেহের ওপর আলোটাকে স্থির রাখল। চার্লি সঙ্গে সঙ্গে একটা শব্দ করে চোখ বন্ধ করেছে। ওরা দুজন অবাক হয়ে দেখলো মৃতদেহটা একা, অ্যানের কোনো চিহ্ন নেই। মাইক ফ্যাসফেসে গলায় বললো, ও পালিয়েছে!

    পার্থ মরিয়া হয়ে ঘরের মধ্যে ঢুকল। চৌকিদারের মুখের হাড় দেখা যাচ্ছে। সে ঘরটাকে দেখে নিয়ে বলল, না, পালাতে পারে না। অ্যান নিশ্চয়ই এই বাংলোয় আছে।

    মাইক হাত নাড়ল, কিন্তু আমরা তো ভেতর থেকেই এলাম, থাকলে দেখতে পেতাম না?

    চার্লি চোখ বন্ধ করেই বলল, শি ইজ উইচ। ওই মৃতদেহটা ওকে হেল্প করছে নিশ্চয়ই। চল, এঘর থেকে বেরিয়ে যাই। আমাদের এখন আগুনের পাশে থাকা উচিত, বি কুই।

    পার্থ চিৎকার করে উঠল, তোমরা ভীতু, ভীষণ ভীতু। মেয়েটা কক্ষনো পালাতে পারে না। ওর চিৎকার শুনে নখের শব্দগুলো আচমকা থেমে গেল। পার্থ দৌড়ে মাঝখানের ঘরে চলে আসতেই বাকি দুজন তাকে অনুসরণ করলো। খাটের ওপর সেই জীর্ণ গদিটা নেই। টর্চের আলো ফেলে সেটাকে খাটের নিচে আবিষ্কার করল পার্থ। সে আর মাইক যখন প্রথম এইঘরে ঢুকেছিল তখন গদিটা খাটের ওপরে ছিল। নিশ্চয়ই অ্যান এটাকে নিচে নামিয়েছে। তার অর্থ হলো ওরা যখন এইঘর দিয়ে নিঃশব্দে পাশের ঘরের দরজায় গিয়েছিল তখন অ্যান ওই তক্তাপোষের নিচে গদি পেতে লুকিয়েছিল। ওরা ওপাশের ঘরে ঢুকে যেতেই সে লুকোন জায়গা ছেড়ে পালিয়েছে। সঙ্গীদের এতো বিশদ না বুঝিয়ে পার্থ ঝটপট প্যাসেজে চলে এল। মুখে বললো, ও নিশ্চয়ই এখানে আছে। তার টর্চের আলো প্যাসেজের শেষপ্রান্তে পৌঁছে গেল। তিনটে লোক বিজয়দর্পে সেখানে গিয়ে উপস্থিত হল। পার্থ ডাকল, অ্যান, আমরা এসেছি। ভেতর থেকে কেউ সাড়া দিল না। পার্থ চার্লিকে বলল, স্টোরটা ভালো করে খুঁজে দ্যাখো। এখানে অনেক হাবিজাবি জিনিস রয়েছে। মেয়েটাকে এখানেই খুঁজে পাবে।

    চার্লি কথাটা শুনে মাইকের দিকে তাকাল। স্পষ্টতই তার ভেতরে ঢোকার একটুও ইচ্ছে নেই। তাকে ইতস্তত করতে দেখে পার্থ বললো, কী হলো? তুমি কি অ্যানের ওপর তোমার দাবি ছেড়ে দিচ্ছ?

    তৎক্ষণাৎ কাজ হলো। স্টোর রুমের ভেতরে ঢুকে গেল চার্লি পার্থর হাত থেকে টর্চটা ছিনিয়ে নিয়ে। কয়েক মুহূর্ত মাত্র। জিনিসপত্র সরানোর শব্দ হলো। তারপর বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে এল সে। বিড়বিড় করে বললো, মেয়েটা নির্ঘাৎ ডাইনি নইলে ডেডবডি ওকে হাওয়া করে দেয়!

    পার্থ জিজ্ঞসা করলো, কী হলো? কী বলছ অমন করে!

    সেইসময় বাইরে নেকড়েগুলো একসঙ্গে ডেকে উঠল। পার্থর মনে হলো ওর সমস্ত শরীরে কাটা ফুটেছে। মাইক চাপা গলায় বলল, নেকড়েগুলো বোধহয় ওকে পেয়ে গেছে। অত সুন্দর মেয়েটাকে নেকড়েগুলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে। ওঃ।

    মাইকের কথায় চার্লি মাথা নাড়ল, নো। হতেই পারে না। নেকড়েগুলো আমাদের পেছনে লেলিয়ে দেবে। নিশ্চয়ই প্রতিহিংসা নিতে চাইবে। নেকড়েরা ডাইনিদের অনুচর হয়, আমি শুনেছি, বিলিভ মি।

    পার্থ কী করবে বুঝতে পারছিল না। সত্যি সত্যি নেকড়েগুলো এতক্ষণে ওপাশের দরজা ছেড়ে ঘুরে এদিকে চলে এসেছে। যেন কানের কাছেই ওরা চিৎকার শুরু করেছে! না, ভূতপ্রেতে সে বিশ্বাস করে না। মৃতদেহের স্বাদ পাওয়ায় এরকম খেপে উঠেছে জন্তুগুলো। অ্যানের সঙ্গে সে সমস্ত বিকেল পাশাপাশি কাটিয়েছে। এক বিছানায় গা লাগিয়ে থেকেছে। ও যদি ডাইনি হতো তাহলে–না, চার্লির বোকামিকে প্রশ্রয় দেবার কোনো মানে হয় না। সে টয়লেটে আলো ফেলল। কেউ নেই ওখানে। তাহলে মেয়েটা গেল কোথায়? আর এই প্রথম পার্থর শরীর সিরসির করে উঠলো। মাইকের গলা শোনা গেল, আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। চার্লির কথা যদি ঠিক হয় তাহলে আমাদের আগুনের পাশে ফিরে যাওয়া উচিত। অন্তত শরীর গরম হবে।

    নেকড়েগুলো বোধহয় এবার এপাশের দরজা আঁচড়াচ্ছে। শব্দ শুনে মনে হচ্ছে ওদের সংখ্যা এখন আরও বেড়ে গিয়েছে। তিনজন ক্লান্ত পায়ে প্যাসেজটা অতিক্রম করে শোওয়ার ঘরের দরজায় এসে পাথর হয়ে গেল। ফায়ারপ্লেসের দিকে পিঠ দিয়ে অ্যান তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    মাইক এবং পার্থ একসঙ্গে বলে উঠলো, আরে, তুমি!

    চার্লির হাত কাঁপতে লাগল। সে কোনোমতে পার্থকে আঁকড়ে ধরলো, যেও না, যেও না।

    পার্থ ঝাঁকুনি দিয়ে ওর হাত ছাড়িয়ে নিল। ওরা যখন চৌকিদারের ঘরে ছিল তখনই অ্যান সোজা এখানে চলে এসেছে। অ্যান যে তাদের দেখে একটুও খুশি হয়নি তা ওর মুখের অভিব্যক্তিতেই বোঝা যাচ্ছে। মাইক সন্দেহের গলায় জিজ্ঞাসা করল, কোথায় ছিলে তুমি?

    অ্যানের ঠোঁট সামান্য ফাঁক হলো কিন্তু সে কোনো শব্দ উচ্চারণ করল না। ওরা তখনও ঠিক দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। চার্লি হঠাৎ ওদের সরিয়ে এক পা এগিয়ে গেল, দোহাই অ্যান, যথেষ্ট হয়েছে। তুমি ওই নেকড়েগুলোকে সরিয়ে নাও, আমি প্রমিস করছি।

    আর তখনই সেই বিকট চিৎকারগুলো বন্ধ হয়ে গেল। যেন সুইচ টিপে কেউ শব্দ থামিয়ে দিল। আর নখের আওয়াজও। তারপর একটু দূরে, আরো দূরে শব্দগুলো উঠে উঠে মিলিয়ে গেল। চার্লি বড় বড় চোখে ওদের দিকে ফিরে তাকাল। ভাবখানা যেন, কী বলেছিলাম এখন বিশ্বাস করছ তো! কিন্তু পার্থ লক্ষ্য করেছিল চার্লি বলামাত্র অ্যানও খুব অবাক হয়েছে। সে ও কান পেতে শব্দটা শুনতে চেয়েছে যেন। চেয়ারে বসে দুহাত কোলে নিয়ে এখন স্তব্ধ হয়ে চেয়ে রয়েছে। পার্থ কিছু বলার আগে মাইক এগিয়ে গেল, যতসব বুজরুকি! অ্যান; ওরা তোমাকে ডাইনি ভাবছে। তুমি কি ডাইনি?

    অ্যান এবার মুখ ফেরাল। ফায়ারপ্লেসের আগুনে ওর মুখের একাংশ লালচে দেখাচ্ছে। সামান্য হাসির রেখা ফুটল কি ফুটল না, ডাইনি, এখন আমি ডাইনি হতে পারলে খুশি হতাম। গলার স্বর কাঁপছিল ওর। মাইক আরো কয়েক পা এগিয়ে ওর সামনে দাঁড়াল, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি না ওকথা, আমি জানি তুমি রক্তমাংসের মানুষ।

    তুমি আমাকে চাও? ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল অ্যান। ওর শরীরে তখনও কাঁপুনি।

    হ্যাঁ, চাই। দুহাতে অ্যানের কাঁধ আঁকড়ে ধরল মাইক, প্রথম দেখার পর থেকেই আমি তোমাকে চাইছি।

    কী ভাবে চাও? ওই দুটো লোক ড্যাবডেবিয়ে তাকিয়ে থাকবে আর তুমি আমাকে ভোগ করবে? অ্যানের চোখ মাইকের মুখের ওপর স্থির, গলার স্বরে কি অভিমান?

    মাইক মাথা নাড়ল। না, না হতে পারে না। সে মুখ ফেরাল। এক হাতে অ্যানকে বুকের ওপর টেনে নিয়ে এসে বললো, কী দেখছ তোমরা? এখন আমাদের একা থাকতে দাও!

    পার্থ বললো, মাইক! তা হয় না। আমাদের মধ্যে যে কথা হয়েছে তা তুমি ভুলে যাচ্ছো!

    মাইক চিৎকার করল, আমি কোনো কথা শুনতে চাই না, তোমরা যাও, প্লিজ।

    কথাটা শেষ হওয়ামাত্র মাত্র চার্লি চাপা গলায় বলে উঠলো, শুনলে, শুনলে ওর কথা! মেয়েটা নিশ্চয়ই ওকে বশ করেছে। এতে কোনো ভুল নেই। যেই ওর শরীরে হাত দিতে যাবে অমনি ও পাখি হয়ে যাবে।

    প্রচন্ড বিরক্তিতে পার্থ চার্লির হাতে আঘাত করল, তুমি কি অন্ধ! তুমি কি দেখতে পাচ্ছ না ও একটা সাধারণ মেয়ে। মাইক তোমার কুসংস্কারের সুযোগ নিচ্ছে। আঘাত খেয়ে চার্লির মুখে ক্রোধ জমেছিল। সে এবার অ্যানের দিকে তাকাল, তুমি বলছ ও ডাইনি নয়?

    না। মাইক, তুমি ওখান থেকে চলে এসো। পার্থ আদেশের ভঙ্গিতে বললো। অ্যানের মাথায় গাল ছোঁয়াল মাইক। তাই দেখে পার্থ দ্রুত কয়েক পা এগিয়ে এল, মাইক!!

    ও অ্যান, তুমি কি সুন্দর। কি নরম তোমার দেহ! পাগলের মতো অ্যানের শরীরে হাত বোলাচ্ছিল মাইক। হাত বাড়িয়ে ওর কাঁধ ধরে টানলো পার্থ, মাইক। তুমি চুক্তি ভাঙতে পারো না।

    এক হাতে পার্থকে ঝটকা মারল মাইক, কোনো চুক্তি আমি মানি না। গেট আউট আই সে।

    পার্থর হাত উঠল। সজোরে মাইকের চোয়ালে গিয়ে আঘাত করল সেটা। পড়ে যেতে যেতে মাইক অ্যানকে ধরে কোনোরকমে সামলাতে চাইল। দুহাতে সেইমুহূর্তে অ্যানকে কাছে টেনে নিল পার্থ। মার খেয়ে চোখ খুলতেই মাইক দেখল পার্থ অ্যানকে জড়িয়ে ধরেছে। ক্ষিপ্ত মোষের মতো সে তেড়ে গেল সামনে। আর তখনই চটপট চার্লি মাঝখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে মাইককে ঠেকাল।

    নো নো। এনাফ ফাইটিং! তার আগে আমি দেখতে চাই মেয়েটা সত্যি মেয়ে কিনা। পাতরো, তুমি ভালো করে মেয়েটাকে জড়িয়ে থাকবে। বাধা পেয়ে মাইক চার্লির দিকে তাকাল। চার্লি তখন অতি সন্তর্পণে অ্যানের দিকে এগোচ্ছে।

    একটা আঙুল তুলে চার্লি প্রথম অ্যানের গালে ছোঁয়ালো। বিরক্তিতে অ্যান মুখ ফেরাতে চার্লি মাথা নাড়লো, মেয়েমানুষ বলেই মনে হচ্ছে। পাতরো, তুমি আরও শক্ত করে ধরো, ওর বুক ছুঁয়ে দেখতে হবে। ডাইনিদের বুক থাকে না।

    তৎক্ষণাৎ অ্যান চিৎকার করে উঠলো, নো, নো, পাতরো, আমাকে বাঁচাও।

    পার্থ চোখ বড় করল, চার্লি! ডোন্ট ডু দিস। শি ইজ পারফেক্টলি অলরাইট।

    অলরাইট? বিশ্বাস করতে যেন বাধ্য হচ্ছিল চার্লি।

    হ্যাঁ। ও একটা পুরোদস্তুর মেয়ে। অ্যানকে জড়িয়ে ধরতে পার্থর খুব আরাম লাগছিল। কিন্তু চার্লি বোধহয় ওই কথায় সন্তুষ্ট হলো না। অ্যানের বুকের দিকে হাত বাড়িয়ে দিল সে। ছটপট করতে লাগল অ্যান। এবং সেইসঙ্গে ঝুঁকে পড়ে দাঁত বসিয়ে দিল চার্লির হাতে।

    মেরে ফেললো, মেরে ফেললো। প্রচণ্ড আর্তনাদ করে হাত সরিয়ে লাফাতে লাগল চার্লি। আর সেইসময় বোধহয় কিছুটা ভয়ে কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে পার্থ অ্যানকে ছেড়ে দিতেই সে ডিমঘরের দরজায় বসে হাউহাউ করে কাঁদতে লাগল। চার্লির হাতের চামড়ায় বিন্দু বিন্দু করে রক্ত ফুটে উঠলো। রক্ত দেখতে দেখতে হঠাৎ চার্লির মুখে হাসি ফুটলো, লুক। হিয়ার ইজ মাই ব্লাড। ডিপ অ্যান্ড রেড। তারপর হঠাৎ মাইকের দিকে তাকিয়ে সে বলে উঠলো, তোমার রক্ত কি রকম? এই রকম ঘন আর লাল?

    মাইক বোধহয় কোনো মতলব ভাঁজছিল, প্রশ্নটা শুনে মুখ বেঁকালো, মানুষের রক্ত একই রকম।

    মানুষ! চার্লি চেঁচিয়ে উঠলো, লুক মিস। ওই সাদা চামড়াটা শেষপর্যন্ত স্বীকার করল আমি মানুষ। সুতরাং তোমার আর আপত্তি থাকার কথা নয়। এক হাতে সে খামচে ধরল অ্যানকে।

    পার্থ সঙ্গে সঙ্গে হ্যান্ডেলটা তুলে ধরল, নো, এভাবে তুমি ওকে পেতে পারো না।

    চার্লি ঘাড় ঘুরিয়ে হ্যান্ডেলটাকে দেখল। তারপর ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে বললো, তাড়াতাড়ি বলো কীভাবে পেতে পারি।

    অ্যানের শরীরটা ধীরে ধীরে ডিমঘরে পা রাখল। ওরা তিনজন হুমড়ি খেয়ে ওর পেছনে এসে দাঁড়াল। হঠাৎ অ্যান ঘুরে দাঁড়াল, কী চাও তোমরা?

    তোমাকে। তিনটে মুখ একসঙ্গে উচ্চারণ করলো।

    তিনজনে? একসঙ্গে? কাঁপছিল অ্যান।

    ওরা তিনজন পরস্পরের দিকে তাকাল। পার্থ মাথা নাড়লো, নো, আমিই প্রথম।

    সঙ্গে সঙ্গে চার্লি বাধা দিল, না, আমিই প্রথম।

    মাইক চিৎকার করলো, হতেই পারে না, আমিই প্রথম।

    পার্থ দাঁত ঘষল, কেন? তুমি প্রথম হবে কেন? সাদা চামড়া বলে?

    চার্লি হাসলো। যেন লালা ঝরছিল তার হাসিতে, কিন্তু চামড়ার তলার রক্ত একরকম।

    এইসময় অ্যান কেঁদে উঠলো হাউমাউ করে, তোমার যা করার করো, আমি আর পারছি না। কান্নাটা ঘরের ভেতর পাক খেতে লাগল।

    চার্লি বললো, এইসব কান্নাকান্না থামাও মিস।

    অ্যান টলতে টলতে দরজার গায়ে গিয়ে সেখানে গাল চেপে ধরল, ওঃ, আমি আর পারছি না। ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগল সে।

    চার্লি এগোতে যাচ্ছিল কিন্তু বাকি দুজন তাকে বাধা দিল। পার্থ বলল, লেটস ডিসাইড, কে আগে ওকে পাবে? সে ধীরে ধীরে কার্পেটের ওপর বসল। তাকে দেখে অন্য দুজন হাঁটু গেড়ে মুখোমুখি হলো, কী ভাবে?

    পার্থ বলল, আমি টস করব। প্রথমে আমি আর চার্লি যে জিতবে তার সঙ্গে মাইকের ভাগ্য ঠিক হবে।

    সজোরে হাত নাড়ল চার্লি, ইস্পসিবল। দুবার লাক ট্রাই করতে আমি রাজি নই। আর মাইক একবারেই ওকে পেয়ে যাবে? কি বুদ্ধি তোমার?

    তাহলে? পার্থর মাথায় কিছুই ঢুকছিল না।

    এবার মাইক বলল, তাহলে ওকেই দায়িত্ব দাও। ও বলুক কাকে প্রথমে চায়।

    চার্লি মাথা নাড়ল, না, তা হয় না। পাতরো ওর সঙ্গে বিকেলবেলায় শুয়েছিল। ন্যাচারেলি ও পাতরোকে চাইতে পারে। বেটার, একটা কাজ করো। ছটা কাগজের টুকরো নাও। তার তিনটেতে ওয়ান টু থ্রি লেখ। কাগজগুলো গোল্লা পাকিয়ে এখানে ফেলে দাও। আমরা তিনজনে একটা করে গোল্লা তুলে দেখি কার ভাগ্যে কি পড়ল। বুঝতে পারলে তোমরা?

    পার্থ হাসল, গুড আইডিয়া। সে উঠে কাগজ খুঁজতে লাগল। তারপর বিস্কুটের প্যাকেট থেকে কাগজ ছিঁড়ে আবার সেখানে ফিরে এসে বাবু হয়ে বসল, কলম আছে কারো কাছে।

    মাইক হাত বাড়িয়ে রুকস্যাকটা টেনে এনে কলম বের করে এগিয়ে দিল। চার্লির যেন তর সইছিল না। পার্থ কাগজের ওপর লিখতে চেষ্টা করছিল কিন্তু ভিজে কাগজ বলে অসুবিধে হচ্ছিল। হঠাৎ মাইক বলল, যদি আমরা তিনজনে তিনটে সাদা কাগজ তুলি? যদি নম্বর দেওয়া তিনটে কাগজ পড়ে থাকে?

    সমস্যাটা মাথায় আসতেই পার্থ মুখ তুলে অ্যানকে দেখলো, তাহলে ওকে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে। আমাদের ভাগ্যে ও নেই।

    নো। চার্লি বাধা দিল, ছয়টা কাগজ নয়, তিনটেতে লেখ। আমি কোনো চান্স নিতে চাই না। কি বলো মিস? শেষ প্রশ্নটা ঠাট্টায় জড়ানো।

    কাগজে লেখা হয়ে গেলে গোল্লা পাকাচ্ছিল পার্থ। বাকি দুজন সতর্ক দৃষ্টি রাখছিল গোল্লার মধ্যে কোনো সংকেতে রেখে দিচ্ছে কি না। হঠাৎ মাইক বলল, আমার মনে হয় ওকে একবার জিজ্ঞাসা করা উচিত।

    কী জিজ্ঞাসা করবে?

    ওর কিছু চাই কি না?

    পার্থ হাসল, তুমি কি ওর ফাঁসি দিচ্ছ?

    মাইক বলল, অনেকটা তো সেইরকম। অন্তত চার্লির হাতে পড়লে।

    ওকে ওকে। চার্লি ওদের থামাল, হেই মিস, তুমি কি কিছু চাও?

    অ্যান কোনো সাড়া দিল না। চার্লি আবার প্রশ্ন করল।

    এবার অ্যান মুখ তুলল। তারপর ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল, হ্যাঁ।

    বলে ফেল কী চাও। এই ঘরে বসে আমরা তোমাকে যা দিতে পারি দেব। তার বদলে তোমার কাছে সুখ চাই, খুব কড়া ডোজের সুখ। চার্লি হাসল।

    ফ্রেস এয়ার। অ্যান চোখ খুললো, একটু টাটকা বাতাস নিতে দাও।

    টাটকা বাতাস? পার্থ অবাক হলো।

    এখানে টাটকা বাতাস কোথায় পাবে? চার্লি জিজ্ঞাসা করল।

    আমাকে একটু দরজাটা খুলতে দাও; এক মিনিটের জন্যে। মিনতি করল অ্যান ওদের দিকে তাকিয়ে।

    মাথা খারাপ। ও পালাতে চায়। পার্থ চেঁচিয়ে উঠলো।

    কোথায় পালাবে? চারধারে নিশ্চয়ই এতক্ষণে বরফ জমেছে। ও কোথায় পালাতে পারে? চার্লি উত্তর দিল।

    কিন্তু ঠাণ্ডা হাওয়া ঢুকবে। মাইক আপত্তি করল।

    তা ঢুকুক। আমাদের শরীর এখন যথেষ্ট গরম। চার্লি উদার হলো, এই যে মিস, নট মোর দ্যান এ মিনিট। যত পারো তার মধ্যে টাটকা বাতাস বুক ভরে নিয়ে তৈরি হও।

    ধীরে ধীরে দরজাটার ছিটকিনি এবং হুড়কো খুললো অ্যান। চার্লি ইশারা করতেই পার্থ গোল্লাগুলোকে সামনে গড়িয়ে দিলো। ওরা তিনজনে চিলের মতন সতর্ক চোখে গোল্লাগুলোকে ঠাওর করতে চেষ্টা করছিলো। ওর মধ্যে কোনটাতে এক নম্বর লেখা? ওই তিনটে গোল্লার বাইরে সমস্ত জগৎ ওদের কাছে মুছে গেল এক পলকে।

    দরজায় পিঠ দিয়ে অ্যান ওদের দেখল। তিনটে মানুষ বন্যজন্তুর মতো ঝুঁকে আছে। তিনরকম চামড়ার তিনটে মানুষ। নিজের অধিকার অর্জন করার জন্যে তিনটে শকুন ওৎ পেতেছে। সে নিঃশ্বাস ফেলল। আমি মেয়ে, আমি কেন মেয়ে? এই তিনটে শকুনকে ঠেকাবার সাধ্য তার নেই। যতক্ষণ এদের মুখে মুখোশ ছিল ততক্ষণ সে কিছুতেই হয়তো আপত্তি করত না। কিন্তু এখন তার ঘেন্না করছে। এদের হাত থেকে সে পালাবে কোথায়। চারধারে বরফ আর বরফ। তিনটে পুরুষের মিলিত শক্তির হাত তাকে ঠিক টেনে নিয়ে আসবে। দখল চাই, ক্ষমতা চাই। পৃথিবীর যেখানেই যা কিছু নরম তাই দখল করার জন্যে হাত বিস্তৃত হচ্ছে। আর আশ্চর্য, শরীরের চামড়ার রঙ ভিন্ন হলেও ওদের তিনটে হাতের রঙ এক, কুচকুচে কালো।

    অ্যান ফিরল। তারপর ধীরে ধীরে দরজার পাল্লা খুলল। একঝলকা হিম বাতাস তার শরীর ভিজিয়ে দিল যেন। কিন্তু চোখের সামনে গভীর অন্ধকারের বদলে নরম আলোয় মাখামাখি হয়ে গেছে পৃথিবীটা। অ্যান বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে চমকে উঠল। ওটা কী? বেথেলহেমের সেই তারা? যা জ্ঞানীদের পথ চিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিল একটা আস্তাবলে? কিন্তু এ তো তারার চেয়ে বড়। লাল বল, গড়িয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে আকাশের গায়ে। তারপরে দূরের এক পাহাড়ের চূড়োয় বলটা স্থির হলো। পরমুহূর্তেই এক আশ্চর্য রক্তরঙা চেহারা নিয়ে নিল সারা আকাশ। এপাশে তখন মাথা তুলেছে সোনার তাল। ওপাশের সেই লাল বল ক্রমশ লক্ষ মণিমুক্তাখচিত মুকুট হয়ে গেল আচমকা। ওটা কি কাঞ্চনজঙ্ঘা? অ্যান পাগলের মতো চিৎকার করে উঠল।

    তিনটে হাত তখন কাগজের গোল্লাগুলো মুঠোয় ধরেছে। চিৎকারটা শুনতেই তারা কেঁপে উঠল। এটা যেন ঠিক কোনো মানুষের গলা থেকে স্বাভাবিকভাবে আসেনি। অবাক হয়ে কার্পেটের ওপর বসা তিনজন মুখ তুলতেই দেখল দরজা জুড়ে অ্যানের শরীর। সেই শরীর সমস্ত পৃথিবী থেকে তাদের আড়াল করে রেখেছে। সেই শরীরের পাশ দিয়ে নরম সোনার আলো ঝিকমিকিয়ে এই ঘরে ঢোকার চেষ্টা করছে। দুহাত মাথার ওপর ছড়িয়ে অ্যান প্রবল আনন্দে আবার চিৎকার করে উঠল। এই চিৎকারে কোনো ভয় নেই, কোনো জাগতিক দুঃখ নেই, ঘৃণা নেই। পরম সুখে আপ্লুত না হলে মানুষের শরীরে এই শব্দ জন্ম নেয় না।

    অ্যান কি দেখছে তা ওরা জানল না। কিন্তু এদের মুঠো শিথিল হওয়ায় কাগজের গোল্লাগুলো পড়ে গেল। ওদের চোখের সামনে অ্যানের শরীর এখন সিল্যুটের চেয়েও ঝাপসা। নবীন সূর্যরশ্মি ওদের যেন অন্ধ করে দিচ্ছিল। শুধু ওরা শুনল অ্যান মন্ত্রোচ্চারণের মতো বলছে, ও, ভগবান, আমার ভগবান।

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনিকট কথা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৬ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }