Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প90 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে – ৭

    ৭

    একটু আগে চাঁদ উঠেছে। আলো এখনো স্পষ্ট হয় নি। স্বপ্ন স্বপ্ন আলো। নবনী এবং শাহেদ হাঁটছে। নবনী তার অভ্যাসমতো মাটির দিকে তাকিয়ে হাঁটছে। পায়ের নিচে চকচকে সাদা বালি। নবনীর মনে হচ্ছে চিনির দানার উপর দিয়ে হাঁটছে। খানিকটা বালি এনে জিভে ছোঁয়ালে মিষ্টি লাগবে। নবনী নিচু হয়ে কিছু বালি হাতে নিল। শাহেদ বলল, ‘কী করছ?’

    ‘কিছু করছি না। বালি নিয়ে খেলছি। তুমি হাতে নিয়ে দেখ কী ঝকঝকে বালি! হাত পাত, তোমার হাতে কিছু বালি দিয়ে দি।’

    শাহেদ বলল, ‘শ্রাবণীর মধ্যে তো আছেই, তোমার মধ্যেও অনেক ছেলেমানুষি আছে।’

    নবনী বলল, ‘আমাদের সবার মধ্যেই আছে। তোমারও আছে।’

    ‘থাকলেও চাপা পড়ে আছে। পাথর চাপা।’

    ‘পাথরটা সরিয়ে ফেল। তারপর আমার সঙ্গে কিছু ছেলেমানুষি কর।

    শাহেদ হাসতে হাসতে বলল, ‘কী করতে বলছ?’

    তোমার যা করতে ইচ্ছা হয় কর। জুতা খুলে ফেলে চল আমরা ঐ চরে চলে যাই। মাঝখানে পানি খুব অল্প। হাঁটু-পানিও না।’

    ‘চল যাই।’

    তারা চরে গিয়ে উঠল। চরের বালি আরো পরিষ্কার। ঝকঝক করছে। নবনী বলল, ‘তোমার কাছে কি মনে হচ্ছে না সাদা চাদর বিছানো?’

    ‘আমার কাছে বালি বিছানো বলেই মনে হচ্ছে। ছেলেরা বাই নেচার প্রাকটিক্যাল ধরনের হয়। কল্পনাবিলাস ছেলেদের এমনিতে কম। আমার আরো কম। আমি হলাম ব্যবসায়ী মানুষ।

    ‘ব্যবসায়ী মানুষের কল্পনাশক্তি থাকে না?

    ‘খুব কম থাকে। তুমি একজন কবি-সাহিত্যিকের নাম বলতে পারবে না যে ব্যবসায়ী। চরের বালি দেখে আমার জানতে ইচ্ছে হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে এই বালি নিয়ে বিক্রি করা যায় কিনা।

    ‘কেন বাজে রসিকতা করছ? এস বসি।’

    ‘তোমার সুন্দর শাড়ি নষ্ট হয়ে যাবে না?’

    ‘হোক নষ্ট।’

    তারা পাশাপাশি বসল। নবনী হালকা গলায় বলল, ‘তুমি হঠাৎ চলে আসায় আমি যে কী পরিমাণ খুশি হয়েছি তা কোনোদিন তোমাকে বুঝিয়ে বলতে পারব না। আমার ছুটিটাই অন্য রকম হয়ে গেছে।’

    ‘তোমার ভাবভঙ্গি দেখে আমি অবশ্যি কিছু বুঝতে পারি নি। শ্রাবণী বরং অনেক হৈচৈ করেছে।’

    ‘আমি শ্রাবণীর মতো না। আনন্দিত হলেও চুপ করে থাকি। কষ্ট পেলেও চুপ করে থাকি।’

    ‘গাছের মতো?’

    ‘হ্যাঁ, গাছের মতো। নিজের আনন্দ বা দুঃখের কোনো কথাই কাউকে জানাতে ইচ্ছা করে না।’

    শাহেদ সিগারেটের প্যাকেট বের করতে করতে বলল, ‘একজন কেউ বোধহয় থাকা দরকার যাকে সব কথা বলা যায়।’

    ‘হয়তো দরকার। আমি ঠিক করেছি কি জান? আমি সারা জীবনে শুধু এক জন মানুষ রাখব যাকে সবকিছু বলব। কখনো দ্বিতীয় কেউ থাকবে না।’

    ‘সেই ভাগ্যবান এক জনটি কি আমি?’

    নবনী ছোট করে নিশ্বাস ফেলে বলল, ‘এখনো ঠিক জানি না।’

    ‘এখনো জানি না মানে!’

    ‘সত্যি জানি না।’

    ‘যে ছেলেটিকে তুমি দুদিন পর বিয়ে করতে যাচ্ছ তাকে তুমি সব কথা বলতে পারবে না?’

    ‘হয়তো পারব। কিন্তু আমি এখনো জানি না। স্বামী হলেই তাকে সব কথা বলা যায় তা তো না। বেশিরভাগ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কিন্তু অনেক দূরত্ব থাকে। আমার বাবা-মাকে দিয়েই দেখি—তাঁরা দীর্ঘদিন পাশাপাশি বাস করছেন। রাতের পর রাত একই খাটে ঘুমাচ্ছেন। বাবার অসুখ হলে মা রাত জেগে সেবা করছেন। কিন্তু কী ভয়ঙ্কর দূরত্ব তাঁদের মধ্যে! আমার ধারণা, মা সারা জীবন এমন কাউকে পান নি যাকে সব কথা বলতে পারেন, আবার বাবাও হয়তো কাউকে পান নি যাকে সব বলতে পারেন।’

    ‘তাঁদের হয়তো দরকার নেই।’

    ‘হ্যাঁ, তাও হতে পারে। তাদের হয়তো প্রয়োজন নেই কিন্তু আমার আছে। আমি একজন কাউকে আমার সব কথা বলতে চাই।’

    শাহেদ সিগারেটে লম্বা টান দিয়ে বলল, ‘আমাকে বিবেচনার মধ্যে রাখতে পার। তোমার সব গোপন কথা শুনতে হলে কী সব গুণাগুণ থাকতে হবে তা অবশ্যি জানি না।’

    ‘তুমি আমার কথাগুলি খুব হালকাভাবে নিচ্ছ।’

    ‘হালকাভাবে নিচ্ছি না নবনী। আমি খুব সিরিয়াসলি নিচ্ছি। তোমাকে আমি ঠিক বুঝতে পারি না।’

    ‘বুঝতে না পারার মতো কী করলাম?’

    ‘অনেক কিছুই তুমি কর। তুমি আমাকে কনফিউজ করতে চাও।’

    ‘একটা উদাহরণ দাও!’

    ‘থাক, উদাহরণ দিতে চাচ্ছি না।’

    নবনী বলল, ‘তোমার কিছু মনে পড়ছে না বলে উদাহরণ দিতে পারছ না। মনে পড়লে নিশ্চয়ই দিতে।

    শাহেদ বলল, ‘মনে পড়লেও দিতাম না। উদাহরণ দেয়া মানে ঝগড়া করা। এখানে আমি ঝগড়া করতে চাই না। আমি অন্য কিছু চাই।’

    নবনী ক্ষীণ গলায় বলল, ‘কী চাও?’

    তোমার মনে আছে নিশ্চয়ই তুমি বলেছিলে, আমি যা চাব তাই পাব।’

    নবনী বলল, ‘চল উঠা যাক। আমাদের নিতে আসছে।

    ‘কে নিতে আসছে?’

    ‘রহমত ভাই আসছে— ঐ দেখ।’

    নবনী উঠে দাঁড়াল। রহমত লম্বা লম্বা পা ফেলে এদিকেই আসছে। শাহেদ বলল, ‘ওকে চলে যেতে বল। আমার বসে থাকতে ভালো লাগছে। বসি আরো কিছুক্ষণ।’

    নবনী বলল, ‘আমার বসে থাকতে ভালো লাগছে না। শীত লাগছে।’

    শাহেদ বলল, ‘মনে হচ্ছে হঠাৎ তুমি আমার উপর রেগে গেছ। তোমাকে রাগানোর মতো কিছু কি করেছি?’

    নবনী জবাব দিল না। ডাকবাংলোর দিকে হাঁটতে শুরু করল। পেছনে পেছনে শাহেদ আসছে। চাঁদের আলো এখন আরো পরিষ্কার হয়েছে। অস্পষ্ট ছায়া ছায়া ভাব দূর হয়েছে।

    .

    ঘরে ঢুকে নবনী দেখল জাহানারা শোবার ঘর অন্ধকার করে শুয়ে আছেন। তাঁর মাথার চুলে বিলি করে দিচ্ছে মিলু বুয়া। নবনী বলল, ‘কী হয়েছে?’ জাহানারা বললেন, ‘মাথা কেমন জানি করছে। তোরা খেয়ে নে। আমি উঠতে পারব না।’

    ‘বেশি খারাপ লাগছে, মা?’

    জাহানারা জবাব দিলেন না। নবনী বলল, ‘ডাক্তারকে খবর দিতে বলব?’

    জাহানারা বিরক্ত গলায় বললেন, ‘কাউকে খবর দিতে হবে না। তুই যা।’

    নবনী বের হয়ে এল। জাহানারা মিলুকে দরজা বন্ধ করে দিতে বললেন। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হয়ে গেল।

    রাতে শ্রাবণীও কিছু খেল না। তার নাকি গলা ব্যথা করছে। খাবার টেবিলে জামিল সাহেবও গম্ভীর হয়ে বসে রইলেন। নবনী বলল, ‘তোমারও কি শরীর খারাপ লাগছে বাবা?’

    ‘না, আমার শরীর ঠিকই আছে। তোর মাকে নিয়ে সমস্যা। রাতে ঘুমায় না। জেগে বসে থাকে। কাল রাত তিনটার সময়ে উঠে দেখি সে ডাইনিং হলে বসে আছে। উলের কি যেন বানাচ্ছে। আমি বললাম, কী বানাচ্ছ? সে বলল, কিছু না।’

    নবনী বলল, ‘নতুন জায়গায় মার ঘুম আসে না।’

    জামিল সাহেব তিক্ত গলায় বললেন, ‘নতুন জায়গা পুরাতন জায়গা কিছু না—কোনো জায়গাতেই তার ঘুম আসে না। বাড়িতেও তো ঘুমায় না।’

    শাহেদ বলল, ‘ভালো কোনো ডাক্তার-টাক্তার দেখানো দরকার মনে হয়।’

    জামিল সাহেব বললেন, ‘ভালো ডাক্তারের তো অভাব নেই। প্রচুর আছে। দেশে আছে। বিদেশে আছে। দেখাতে না চাইলে কীভাবে কী করব! ছুটি কাটাতে এসে যদি এমন অসুখ-বিসুখের যন্ত্রণায় পড়ি তাহলে ভালো লাগে? রান্না ছাড়াও তো এই পৃথিবীতে আরো কাজকর্ম আছে!’

    নবনী বলল, ‘বাবা, তুমি বেশি রেগে যাচ্ছ।’

    ‘আমি খুব কম রেগেছি, মা, খুবই কম। আমি সবাইকে সবার মতো থাকতে দেই। কারোর ছুটি নষ্ট করতে চাই না। আমার থিওরি হল—বেড়াতে এসেছি। বেড়াতে এসে যে যেভাবে আনন্দ পেতে চায়—পাক। তোর মা রান্নাঘরে দরজা বন্ধ করে বসে থাকতে চাচ্ছে— থাক। শ্রাবণী একবার রাত তিনটার সময় একা একা নদীর পাড়ে গেল। আমি রাগ করেছি, কিন্তু কিছুই বলি নি। এখন শুনলাম সে একটা মই জোগাড় করেছে— ছাদে উঠবে। ছাদ এমন কী জিনিস যে মই এনে উঠতে হবে?’

    নবনী হেসে ফেলল। মেয়ের হাসিমুখ দেখে জামিল সাহেবও কিছুক্ষণের মধ্যে হেসে ফেললেন। শাহেদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘পারিবারিক অনেক সমস্যা তোমার সামনেই আলাপ করলাম। তোমাকে পরিবারের এক জন ধরি বলেই তা করেছি। আমি আমার সমস্যা বলে বেড়াই না। ইচ্ছাও করে না। সময়ও নেই।’

    শাহেদ প্রসঙ্গ পাল্টাবার জন্য বলল, ‘এত জায়গা থাকতে আপনি এখানে ছুটি কাটাতে কেন এসেছেন, চাচা?’

    ‘যুবক বয়সে একবার এখানে এসেছিলাম। পাখি শিকারের জন্যে এসেছিলাম। এই ডাকবাংলোয় ছিলাম। এখান থেকে দশ মাইল দূরে ‘মাহিন্দার জলা’ নামে একটা বিলের মতো আছে। সেখানে পাখি শিকারের জন্যে গিয়েছিলাম। অদ্ভুত দৃশ্য! আবারো সেই দৃশ্য দেখার জন্যেই এসেছি। দৃশ্য কি দেখব—যন্ত্রণায়-যন্ত্রণায় অস্থির!’

    ‘এবারো কি পাখি শিকারে যাবেন?’

    ‘পাগল হয়েছ। মন্ত্রী হয়ে পাখি শিকারে গেলে উপায় আছে? সব পত্রিকায় ফ্রন্ট পেজে ছবি চলে যাবে। তবে তোমরা যাও, দেখে আস। পাখি শিকারের দরকার নেই। ব্যাপার কি দেখে আস। থানার একটা স্পিডবোট আছে। নষ্ট ছিল। ঠিক করেছে। কাল ভোরে তোমাদের নিয়ে যাবে।’

    ‘আপনি যাবেন না?’

    ‘না, আমি যাব না। আমি সঙ্গে থাকলে তোমরা মন খুলে হৈচৈও করতে পারবে না। তাছাড়া এদিকে আমার কিছু কাজও আছে।’

    শাহেদ বলল, ‘বেড়াতে এসেছেন, এখন আবার কাজ কি? আপনিও চলুন। সবাই মিলে হৈচৈ করে আসি।’

    জামিল সাহেবের খাওয়া হয়ে গেছে। তিনি হাত ধুতে ধতে বললেন, ‘আমি যেতাম। পাখি দেখার জন্যেই এসেছি। কিন্তু এখন যদি যাই—আমাকে একা যেতে হবে। নবনীর মাকে সঙ্গে নেয়া যাবে না। এই ভাবে যাওয়া যায় না।

    শাহেদ বলল, ‘আমরা উনাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজি করব।’

    ‘পারবে না। পৃথিবীর সব কাজ পারবে। এই কাজটা পারবে না। আমার অ্যাডভাইস হচ্ছে—চেষ্টা করতেও যেও না। তার মেজাজ এখন আকাশে উঠে আছে। চেষ্টা করতে যাবে, সে একটা বিশ্রী কাণ্ড করবে। আমি চাই না এখন একটা বিশ্রী কাণ্ড হোক। নবনী!

    ‘জ্বি বাবা।’

    ‘তোর মাকে কিছু খাওয়াতে পারিস কিনা দেখ। সে দুপুরেও কিছু খায় নি।

    .

    জাহানারার ঘরের দরজা বন্ধ। তিনি দরজা খুললেন না। ভেতর থেকে মিলু বলল, ‘আফা, আপনেরে চইল্যা যাইতে বলছে।’ নবনী বলল, ‘ঠাণ্ডা পানি এনেছি মা। দরজা খোল। পানিটা রেখে যাই।’ জাহানারা কঠিন গলায় বললেন, ‘পানি লাগবে না। তুই ঘুমাতে যা।’

    .

    নবনী ঘুমাতে এল অনেক রাতে। বারটা পার করে। শ্রাবণী জেগে আছে। গভীর মনোযোগে বই পড়ছে। গল্পের বই না, পাঠ্যবই। সব গল্পের বই সুটকেসে ঢুকিয়ে তালা দিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন শুরু হয়েছে পাঠ্যবইয়ের পালা। নবনী বলল, ‘এখনো জেগে আছিস! তোর না গলাব্যথা?’

    শ্রাবণী বলল, ‘শুধু গলাব্যথা না আপা। জ্বর এসেছে। কপালে হাত দিয়ে দেখ।’

    নবনী কপালে হাত দিল। আসলেই জ্বর। বেশ জ্বর। নবনী বলল, ‘তুই এই জ্বর নিয়ে দিব্যি পড়াশোনা করে যাচ্ছিস?’

    ‘হুঁ। আমি কোনো কিছুকেই পাত্তা দেই না। তাছাড়া আমার হচ্ছে ভালুক জ্বর। এই আছে এই নেই। তোমার সঙ্গে খানিকক্ষণ গল্প করে যখন বিছানায় শুতে যাব তখন দেখবে জ্বর নেই।’

    ‘তুই কি কিছু খাবি? খিদে লেগেছে?’

    ‘না। তেঁতুলের আচার খেতে ইচ্ছে হচ্ছে। সেটা তো এখানে পাওয়া যাবে না। কাল চেয়ারম্যান চাচাকে বলব।’

    নবনী খাটে বসতে বসতে বলল, ‘তুই খুব সুখে আছিস।’

    শ্রাবণী বলল, ‘হ্যাঁ সুখে আছি। আমাকে কেউ অসুখী করতে পারবে না। আমাকে অসুখী করা খুব কঠিন। তুমি আমার মতো না। তোমাকে এক সেকেন্ডে অসুখী করা যায়।’

    ‘চুপ কর তো। আয়, ঘুমাতে আয়।’

    শ্রাবণী বাতি নিভিয়ে ঘুমাতে গেল। বোনকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘আজ আমরা খানিকক্ষণ গল্প করব। কেমন আপা?’

    ‘আচ্ছা। গল্প কর, আমি শুনি।’

    ‘শাহেদ ভাই আসায় ভালোই হয়েছে। তোমার সঙ্গে আমি খানিকক্ষণ গল্প করার সুযোগ পাচ্ছি।’

    ‘এমনিতে বুঝি আমার সঙ্গে গল্প করার সুযোগ পাস না?’

    ‘উঁহু, পাই না। রাতে পাশাপাশি শুয়ে গল্প করার অন্যরকম আনন্দ। আচ্ছা আপা, আজ নাকি তুমি ঐ মাস্টার সাহেবের খোঁজে গিয়েছিলে?’

    ‘কে বলল?’

    ‘আমি অনুমান করছি। চেয়ারম্যান চাচা বললেন, তুমি বটগাছের কাছে গিয়েছিলে। সেখান থেকে ধারণা করলাম, তুমি নিশ্চয়ই ইংরেজির অধ্যাপকের সন্ধানে গিয়েছ।’

    ‘আমি গাছটাই দেখতে গিয়েছিলাম—কারো সন্ধানে যাই নি।

    ‘রেগে যাচ্ছ কেন, আপা? সাধারণ কথা বলছি—তুমি রেগে যাচ্ছ। ঐ ভদ্রলোক সম্পর্কে তোমার এক ধরনের কৌতূহল আছে বলেই আবারো তুমি বটগাছটার কাছে গিয়েছ। তুমি মনে মনে আশা করছিলে যে বটগাছের কাছে ঐ ভদ্রলোকের দেখা পেয়ে যাবে।’

    ‘আমি এমন কিছুই ভাবি নি। তুই কি মনের ডাক্তার হয়ে গেছিস?’

    শ্রাবণী হালকা গলায় বলল, ‘আমাদের সমস্যা কি জান আপা? আমরা বেশিরভাগ সময়ই জানি না আমরা কী চাই। যেটা চাই বলে মনে হয় আসলে সেটা চাই না। তুমি তীব্রভাবে শাহেদ ভাইয়ের সঙ্গ কামনা করছ। এটা এক ধরনের ভ্রান্তিও হতে পারে। হয়তো তুমি অন্য কিছু চাচ্ছ—বুঝতে পারছ না।’

    নবনী বিরক্ত হয়ে বলল, ‘এইসব কথা তুই কোন উপন্যাস থেকে বলছিস?’

    শ্রাবণী খিলখিল করে হেসে ফেলল। নবনী বলল, ‘হাসি বন্ধ কর। রাগে গা জ্বলে যাচ্ছে।’

    শ্রাবণী আরো শব্দ করে হেসে উঠল। অনেক কষ্টে হাসি থামিয়ে বলল, ‘তোমার রাগ আমি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছি। এই যে শাহেদ ভাইয়ের কথাই ধর। শিক্ষিত, বুদ্ধিমান, কৃতী এবং সুপুরুষ একজন মানুষ। নিজের উপর তাঁর প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস। তাঁর ধারণা, নিজেকে তিনি ভালো করেই জানেন। আসলে কিন্তু জানেন না।’

    ‘তার মানে কি?’

    ‘আমার ধারণা—তোমার চেয়ে আমি—আমি শ্রাবণী চৌধুরী তাঁর কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চট করে রেগে যেও না আপা—প্রমাণ দিচ্ছি। আমি এই শীতের মধ্যে তাকে কুয়োর পানিতে গোসল করতে বললাম, তিনি যথারীতি গোসল করে ঠাণ্ডা বাধালেন। আমি বললাম, শাহেদ ভাই কুয়োতলায় চা খেতে খুব ভালো লাগে। উনি রেগুলার সেখানে চা খাওয়া শুরু করলেন। বিকেলে আমরা ব্যাডমিন্টন খেলছিলাম। তুমি চুপচাপ একা বসে ছিলে। তিনি তোমাকে ফেলে আমার সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতেই আনন্দ পাচ্ছিলেন। খেলাটা তাঁর কাছে জরুরি ছিল না। আমার সঙ্গটা অনেক জরুরি ছিল। এই যে তিনি সব কাজকর্ম ফেলে এখানে ছুটে এলেন তার পেছনে তোমার যতটা ভূমিকা, আমার ধারণা—আমার নিজের ভূমিকা অনেক বেশি।’

    নবনী বলল, ‘তোর জ্বর অনেক বেড়েছে। তুই অসুস্থ মেয়ের মতো কথা বলছিস। এসব সুস্থ কোনো মেয়ের কথা না। এসব হল বিকারগ্রস্ত মেয়ের কথা। সমস্যা শাহেদের না, সমস্যা তোর।’

    শ্রাবণী হাই তুলতে তুলতে বলল, ‘আমার কোনোই সমস্যা নেই, আপা। আমার সমস্যা থাকলে এত সহজে এইসব কথা তোমাকে বলতে পারতাম না। সমস্যা কোথায় আমি তোমাকে ধরিয়ে দিলাম। আমি যা বলছি তা যে জ্বরের ঘোরে অসুস্থ হয়ে বলছি তাও কিন্তু না। আমি যা বলেছি তা প্রমাণ করে দিতে পারব।’

    ‘কীভাবে?’

    কাল আমাদের তিনজনের পাখি শিকারে যাবার কথা। শেষ মুহূর্তে আমি বলব, ‘যাব না। তখন দেখবে শাহেদ ভাই বলবেন, থাক, বাদ দাও। যাওয়া বাতিল হয়ে যাবে।

    নবনী ক্ষীণ স্বরে বলল, ‘তুই এমন সব অদ্ভুত কথা বলছিস কেন রে শ্রাবণী? তোর কী হয়েছে?’

    ‘আমার কিছুই হয় নি, আপা। যা সত্যি আমি তাই বলছি।’

    ‘যা সত্যি তা তুই বলছিস না। দিনরাত গল্পের বই পড়ে পড়ে তোর মাথা অন্য রকম হয়ে গেছে। তুই বানিয়ে বানিয়ে প্রচুর মিথ্যা কথা বলছিস। এখানে কোনো ইংরেজ মহিলার কবর নেই। তুই আমাকে বললি, কবর আছে—আমি খোঁজ নিলাম ….

    নবনী থেমে গেল। আর কথা বলা অর্থহীন। শ্রাবণী ঘুমিয়ে পড়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article নীল অপরাজিতা – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }