Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেইল্যা চোরা – ওবায়েদ হক

    ওবায়েদ হক এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তেইল্যা চোরা – ৪

    ৪

    হাজতে গিয়ে ফজরের মনে হলো, কদম যদি তার চোখ গেলে দিতো, সবাই মেরে যদি তার হাত পা ভেঙ্গে দিতো, তার মাথা ফাটিয়ে দিতো তবুও তা এই হাজতে রাত কাটানোর চেয়ে ভালো হতো। লোহার গারদে আটকানো ছোটো একটি জায়গা। চারজন যে ঘরে থাকলে পায়ের সাথে পা ঠেকবে সেখানে এই ঘরে প্রায় বিশজন মানুষ আছে। তাদের সবার নিঃশ্বাসে ঘরের বাতাস আর্দ্র এবং ভারী হয়ে আছে। ঘরের এককোণা সবাই প্রাকৃতিক কাজ করার জন্য ব্যবহার করছে, সেখান থেকে উৎকট গন্ধ ভেসে আসছে, নিঃশ্বাস নেয়া দায়। কেউ কেউ সেই গন্ধ সহ্য করতে না পেরে বমি করে দিয়েছে এবং উৎকট গন্ধটা তাতে নতুন মাত্রা পেয়েছে। তার উপর দুই একজন নির্বিঘ্নে বিড়ি টেনে হাজতটাকে নিঃশ্বাস নেয়ার অনুপযোগী করে তুলেছে। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন মৃদু আলোর সেই স্থানকে পৃথিবীর নরক বলা যায়। ফজর তার আশেপাশের নরকবাসীদের দিকে চোখ বুলালো। অধিকাংশই পুলিশের আতিথেয়তায় অথবা বিড়ি গাজার নেশায় অর্ধমৃত। তাদের মধ্যে একজন মোটা চশমা পরা ভদ্রগোছের ছেলেকেও দেখা গেল। সে বমি করেছে, তাই একজন হাবিলদার তাকে লাঠি দিয়ে পেটে খোঁচা দিয়ে গেছে। খোঁচা শব্দটা ব্যবহার করলে সেই আঘাতের প্রচণ্ডতা বুঝা যায় না। পুলিশ বলে ‘গুতা’। গুতা খেয়ে ছেলেটা বোধহয় জ্ঞান হারিয়ে পড়ে ছিল কিছুক্ষণ। ফজর ভাবতে লাগলো, এমন ভদ্র ছেলে কী এমন করলো যে তাকে এই নরকে আসতে হলো। ফজর ভাবলো ছেলেটাকে একটু শুশ্রুষা করবে কিন্তু সে নিজেই নড়তে পারছে না। মায়া দেখানোর জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে অনুপযোগী স্থান এটা।

    পা দুটো ছড়িয়ে একটু শোয়ার চেষ্টা করলো ফজর। পা সোজা করতে গিয়েই পা ঠেকলো একজনের বুকে। সেই লোকটি উঠে বসলো, চেহারাটা দেখলেই ভয় ধরে যায়। লোকটির চেহারা খারাপ নয় কিন্তু কোনো কারণে যে ভয়াল একটা ব্যাপার তার চেহারায় আছে তা বোঝা যায় না। লোকটি সিগারেট টানছিল, ফজরের দিকে তাকিয়ে তুই করে সম্বোধন করে বলল, ‘কী করছস?’

    ‘মাপ করে দেন ভাই, আমি আপনেরে দেখি নাই, পা বেদনা করতাছিল, একটু ছড়াইয়া দিতে চাইছিলাম।’

    ‘এইটা তোর শ্বশুরবাড়ি পাইছোছ? পা চ্যাগাইয়া আরাম করবি। শ্বশুরবাড়ি যাইবি পরশু, তখন আরাম করিছ। আমি জিগাইলাম, কী কইরা আইছস? রেইপ কেইস?’

    ‘আমি কিছু করি নাই।’

    লোকটা হঠাৎ হো হো করে হেসে উঠলো। তারপর বলল, ‘তাইলে তোর শ্বশুর বাড়ি যাওয়া নিশ্চিত। আমি তিনডা খুন করছি, ঢাকায় যেই কোনো চিপায় গিয়াও আমার নাম কইলে চিনবো, নাদির গুন্ডা। এদিকের পুলিশ আমারে চিনে না, এই জন্যই ভিতরে বইসা আছি, একটু পরেই আমি গারদের ঐ পাশে থাকমু। এইখানে যারা কিছু করে না, তারাই ফাইসা যায়।’

    একটু থেমে তারপর আবার বলল, ‘দেইখা তো মনে হয় টাকা- পইসাও নাই, বাড়িতে জমিজমা আছে?’

    ‘ভিটাবাড়ি আছে।’

    ‘তুই শেষ। কী কাম করছ?’

    ফজর মাথা নোয়ালো, কিন্তু কিছু বলল না। নাদির গুন্ডা আবারো হো হো করে হেসে উঠলো। এই লোকটা হাসতে পারে, মন খুলে হাসে। তারপর বলল, ‘তোর নজর দেইখাই বুঝছি, তোর মতো ভ্যান্দা তো ডাকাতি করতে পারবি না, সিঁদ কাইটা চুরি করস?’

    ফজর মাথাটা নুইয়েই রাখলো। ভদ্র মানুষের ভিড়ে নিজের পরিচয় নিয়ে কখনো লজ্জিত হয়নি সে, অথচ চোরডাকাত খুনিদের মাঝে বসে সে নিজের পরিচয়ের জন্য লজ্জা পাচ্ছে। কারণ যেদিন রাতে সে মজিদের গায়ে হাত দিয়ে কসম কেটেছে, সেদিন থেকে সে নিজেকে আর চোর মনে করে না। নাদির গুন্ডা চুপ থাকতে দেখে ফজরকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘বাইত কে কে আছে?’

    ‘বউ আর পোলা আছে।’

    নাদির গুন্ডা হিংস্র মানুষ কিন্তু শুধু তার শত্রুদের জন্য। আপনজনদের জন্য তার ভালোবাসা অপরিসীম। কিন্তু সমস্যা হলো তার আপনজন বলতে কেউ নেই, পরিবার নেই তার। মা-বাবার নাম পর্যন্ত মনে নেই তার। বিয়ে করতে চেয়েছিল একবার কিন্তু পাত্রী শেষ মুহূর্তে পালিয়ে যায়। তারপর আর বিয়ে শাদির পথ মাড়ায়নি সে। কিন্তু কারো পরিবারের কথা শুনলেই মন নরম হয়ে যায় তার। নাদির গুন্ডা সিগারেটের একটা প্যাকেট ফজরের দিকে ছুড়ে মারলো। ফজর প্যাকেট হাতে নিয়ে বলল, ‘আমি তো তামুক বিড়ি খাই না।’

    নাদির শুয়ে চোখ বন্ধ করে বলল, ‘তোরে খাওয়ার লাইগা দেই নাই। কাইলকা তোরে জেলহাজতে পাঠাইবো। ঐখানে কামে লাগবো। লুঙ্গির কোঁচায় লুকাইয়া রাখিস। অহন ঠ্যাং সরা, আমি গেলে ঠ্যাং ছড়াইয়া ঘুমাইস।’

    ফজর ভেবে পেলো না, এই লোকটা কীভাবে যাওয়ার কথা বলে, তেমন কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। আর সিগারেটের প্যাকেটই বা কী কাজে লাগবে?

    একটু পরে তালা খুলে একজন হাবিলদার বলল, ‘আসেন।’

    ‘নাদির কে?’

    নাদির বের হওয়ার সময় ফজরের দিকে একটা মুচকি হাসি দিয়ে চলে গেল। লোকটাকে প্রথম যেমন হিংস্র দেখাচ্ছিলো এখন তেমন লাগছে না।

    রাত গভীর হওয়ার আগেই অনেক নরকবাসী মুক্তি পেলো। ডাকাত-খুনি সব চলে গেল, পড়ে রইলো নিরীহ ফজর আলী, চশমা পরা ছেলেটি আর গাজার নেশায় অচেতন কিছু মানুষ। চশমা পরা ছেলেটির জ্ঞান ফিরেছে, সে চোখমুখ শক্ত করে এক কোণায় বসে আছে। ফজর তার কাছে গিয়ে বলল, ‘এখন কেমন লাগতাছে?’

    ছেলেটি খুব বিরক্তি নিয়ে তাকালো কিন্তু কিছু বলল না, তার চশমার ডান দিকের কাঁচটি হাবিলদারের রুলারের আঘাতে ফেঁটে গিয়েছে। ফজর আলী একটু বিব্রত হলো কিন্তু হাল ছাড়লো না, পকেট থেকে সিগারেট বের করে সামনে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘বিড়ি খাইবেন?’

    ছেলেটির কপালে বেশ কয়েকটি ভাঁজ পড়ল, বিরক্তির মাত্রা বুঝালো যেন। ফজর আলী আরো কিছু বলার আগেই, একটা লোক এলো গারদের সামনে। লোকটা পুলিশ নয়, মধ্যবয়স্ক একজন লোক। গায়ের পোশাকে বেশ সম্ভ্রান্ত মনে হয়। লোকটিকে দেখেই ছেলেটি ধড়ফড় করে উঠলো। সামনে এগিয়ে গিয়ে বলল, ‘চাচা আমারে বের করেন, দোহাই চাচা এইখানে থাকলে বাঁচবো না চাচা। আপনি যা বলবেন আমি মাথা পাইতা নিবো।’

    লোকটি হুঙ্কার দিয়ে উঠলো, ‘শুয়োরের বাচ্চা, শরম করে না আবার আমারে চাচা ডাকতে। তুই লজিং মাস্টার হইয়া কোন সাহসে আমার মাইয়ারে লইয়া ভাগছস? আমার মাইয়াডার বয়স কম, বুঝে না, তুই হারামজাদা কোন সাহসে গেছস? তোরে আমি জেলের ভাত খাওয়ামু কুত্তার বাচ্চা।’

    লোকটি চলে গেল, ছেলেটি হাত পা এলিয়ে বসে পড়ল, তার সব আশার সলিল সমাধি ঘটলো। সে ফজরের হাতের প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট নিয়ে ঠোঁটে দিলো, কিন্তু ধরানোর জন্য কোনো আগুন পেলো না। সিগারেটটি ঠোঁট থেকে ছুড়ে ফেলে হাঁটুতে মুখ গুঁজে কাঁদতে লাগলো।

    ফজর হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়ল। ছাদের দেয়ালে পলেস্তারা ঝুলে আছে, যেকোনো সময় পড়বে। ছেলেটি এখনো কাঁদছে, মেয়েটির জন্য নিশ্চয়ই কাঁদছে না। জেলে হাজতে নিজের চিন্তা ছাড়া অন্য কারো চিন্তা মাথায় আসে না। কিন্তু ফজরের আমেনা আর মজিদের কথা মনে হলো। কী করছে তারা? মজিদ কি তার মাকে জিজ্ঞাসা করছে না বাজানের কথা? আমেনা কি বলবে ছেলেকে? ঘরে চাল ছিল না, তারা কি খেয়েছে, কী খাবে? অজান্তেই ফজরের চোখ বেয়ে জল নেমে এলো। এই হাজতের নরক পুষ্পতুল্য, আসল নরক তো তার বুকে।

    দারোগাসাহেব খুবই কৃতজ্ঞ মানুষ, জোয়ার্দারসাহেবকে রুই মাছের মাথা আর খাসির গোশতের প্রতিদান ঠিকই দিলো। ফজরের নামে স্বদ্যোগে কল্পিত চার-পাঁচটা মামলা তৈরি করে ফেলল। দারোগার খাতায় ফজরের পদোন্নতি হলো, চোর থেকে ডাকাত হলো।

    জোয়ার্দারসাহেব ভুলোমনা মানুষ। ছোটো গিন্নীর আহ্লাদে তার থানায় গিয়ে মামলা তুলে ফেলার কথা ভুলেই গেলেন। আয়েশে পান চাবাতে চাবাতে গিন্নীকে বললেন, ‘তোমার পানে এত মধু কেন? সব ভুইলা যাই, কী জানি একটা কাম আছিল মনে পড়তাছে না।’

    গিন্নী হেসে বলল, ‘মনে না পড়লে, জরুলী কিছু না। আরেক খিলি পান দেই?’

    আদালতেও একটা হাজত আছে, সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ছোটো। যারা বানিয়েছে তারা হয়তো ধারণা করেনি প্রতিদিন এত অতিথির আনাগোনা হবে। যথারীতি গাজা-বিড়ির গন্ধে নিঃশ্বাস নেয়া দায়। এখানে দাঁড়িয়ে থেকেও গায়ে গা লেগে যাচ্ছে। একজনের ঘামে আরেকজনের শরীর লেপ্টে যাচ্ছে। ফজর নাকটা উঁচিয়ে কোনোরকমে শ্বাস নিচ্ছিলো। কথাবার্তা, চিৎকার চেঁচামেচি, কান্না আর্তনাদের মাঝেও ফজর নিজের নামটা শুনতে পেলো। ‘ফজর আলী, বাপকা নাম কসর আলী, ইধার আও। তোমহারা নম্বর আয়া হায়।’

    আদালতের মধ্যেও কোলাহলটা কম ছিল না। একজন ছোটো- খাটো মানুষ একটা বড়োসড় চেয়ারে বসে আছেন, তার পেছনে একজন পেয়াদা, উপরে একটা ছবি। ছবির লোকটি আইয়ুব নয়তো ইয়াহিয়া হবে। ফজরের কাছে আইয়ুব, ইয়াহিয়া একই বস্তু। তাদের কাউকেই সে চিনে না। তারাও ফজর আলীদের চিনে না। ফজর আলী দাঁড়িয়ে সবার মুখ দেখছিল, কালো আলখেল্লা পরা লোকগুলো বেশি চেঁচামেচি করে। কে কী বলল কিছুই বুঝলো না ফজর। চেয়ারে বসা ছোটোখাটো লোকটি কি কিছু বুঝছে? তাকে কেউ কিছু জিজ্ঞাসাও করলো না, যদি কিছু না বলবে তো ডেকে আনলো কেন? ফজর আলী ভিড়ের মধ্যে আমেনা আর মজিদকে খুঁজতে লাগলো। ঘোমটা পরা কোনো মহিলা দেখলেই তার বুকটা ধক করে উঠে, বাচ্চাদের কান্না শুনলে শুধু মনে হয় মজিদ কাঁদছে। চোখগুলো ক্লান্ত হয়ে গেল, মানুষগুলো মুখস্ত হয়ে গেল কিন্তু মজিদ আর আমেনাকে খুঁজে পেল না।

    অনেকক্ষণ পরে চেয়ারে বসা লোকটি বিড়বিড় করে কী যেন বলল, যা বোঝার সাধ্য ফজরের নেই। দুইজন পুলিশ এসে ফজরকে নামিয়ে নিয়ে গেল। ফজর কিছু বুঝতে না পেরে একজনকে বলল, ‘কী কইছে?” ‘তোর নামে ডাকাতির মামলা চলবো। সাজা না হওয়া পর্যন্ত জেলে থাকবি।’

    ‘আমি তো ডাকাতি করি নাই।’

    পুলিশ দুটি হেসে উঠলো, একজন বলল, ‘সবাই তাই কয়। ট্যাকা পইশা আছে কিছু? থাকলে ক, আমার পরিচিত ভালা উকিল আছে। জামিন কইরা ফেলবো।’

    ফজর আলী ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকলো তাদের মুখের দিকে। সময়ের প্রবাহে এবং আদালতের কাঠগড়া মাড়াতে মাড়াতে ফজর

    বেশ অভ্যস্ত হয়ে গেল। কারাগার থেকে আদালতে যাওয়ার সময় রাস্তায় মিছিল দেখতো। ছেলেগুলোর গলার রগ ফুলে উঠতো, তাদের মুখে কী অদ্ভুত এক তেজ দেখা যেত। ফজর গাড়ির ফাঁক দিয়ে যতক্ষণ দেখা যায় দেখতো। একটা নাম সে প্রায় শুনতো, সেটা হচ্ছে, শেখ মুজিব। পুলিশদের জিজ্ঞাসা করতো, ‘ভাই কীসের মিছিল?’

    পুলিশরা প্রায় সময়ই কিছু বলতো না, অগ্রাহ্য করে অতি মনোযোগ সহকারে দাঁত খিলাল করতো। মাঝেমধ্যে কিছু পুলিশ উত্তর দিতো, ‘ছাত্রদের মিছিল, সামনে নির্বাচন। শেখসাহেব ক্ষমতায় আসলে নাকি গরীবের উন্নতি হইবে। পুবের টাকা পশ্চিমে যাইবে না। পুবের মানুষ চাকরি পাইবে, জোয়াতদারী, জমিদারী বন্ধ হইবে, চাষীরা জমি পাইবে।’

    মজিদের মুখ অকারণেই উজ্জ্বল হয়ে উঠতো। তার ভবিষ্যত কাটবে জেলে, কিন্তু মজিদ, মজিদকে চুরি করে খেতে হবে না। ভাবতে না ভাবতেই পাশের আরেকজন পুলিশ বলে উঠে, ‘কচু হবে, সব ক্ষমতার ধান্ধা। বেয়াদ্দপ পোলাপাইন ইসলাম ধ্বংস করার জন্য নামছে, ভারত করাইতাছে এইসব। শুক্রবারেও মসজিদে গিয়া মাথা ঠেকায় না, আছে শুধু মিছিল লইয়া।’

    ফজর এতকিছু বুঝে না, তার স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে, ভালো লাগার মতো আর কিছু নেইও তার। মানুষ যখন হতাশার চূড়ান্ত স্থানে পৌঁছে যায় তখন তার মনে আবার নতুন করে আশা জাগে। তখন সে স্বপ্ন দেখে, মনকে প্রবোধ দেয়। ফজরও ভাবছে তার মজিদ ভালোই আছে, আমেনা শক্ত মেয়ে, সে কোনো না কোনোভাবে ঠিকই সামলে নিয়েছে। কীভাবে নিয়েছে তা মজিদ ভেবে কূল পায় না কিন্তু তবুও মনে মনে সে বিশ্বাস করা শুরু করলো, মজিদ আর আমেনা ভালো আছে। মজিদ এখনো পাখির পেছনে দৌড়ে বেড়ায়, পেয়ারা গাছের ডালে এখনো ঝুলে থাকে, পুকুরে গোসল করতে করতে দুপুর পেরিয়ে যায়, তার মা তাকে ডাকে, ‘ও মজিদ মুরগী জবাই দিছি, আলু দিয়া সালুন রানছি। আয় বাপ ভাত খাইয়া যা।’ সন্ধ্যাবেলা মজিদ বসে থাকে দাওয়ায়, তার মাকে বলে, ‘মা বাজান কবে আইবো।’ ফজর এখানে ভাবনার লাগাম টেনে ধরে। সে কবে যেতে পারবে? নিজের মনে প্রশ্ন করে যায়, কিন্তু কোনো উত্তর পায় না।

    আজকে ফজরের মামলার রায়। জজসাহেব রায় দিলেন, কী দিলেন তা ফজর ছাড়া সবাই বুঝতে পারলো, কিন্তু কারো কোনো বিকার নেই। ফজর দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘কয় বছর?’

    পুলিশটি নির্বিকারভাবে বলল, ‘পাঁচ বছর, সাথে এক হাজার টাকা জরিমানা। দিতে না পারলে আরো ছয়মাস।’

    ফজর একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো, সাড়ে পাঁচ বছর। ততদিনে মজিদ অনেক বড়ো হয়ে যাবে, তাকে কি তখন চিনবে? আমেনা কি অপেক্ষা করবে? কত প্রশ্ন আসে মনে। জেলখানার কথা মনে হতেই কেন যেন নিঃশ্বাস আটকে গেল ফজরের। সাড়ে পাঁচ বছর কীভাবে থাকবে সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীল পাহাড় – ওবায়েদ হক
    Next Article রুবাইয়্যাৎ – ওমর খৈয়াম

    Related Articles

    ওবায়েদ হক

    নীল পাহাড় – ওবায়েদ হক

    July 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }