Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেতুল বনে জোছনা – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প158 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. নিস্তরঙ্গ দিঘিতে ছোট্ট ঢিল

    নিস্তরঙ্গ দিঘিতে ছোট্ট ঢিল পড়লেও অনেকক্ষণ ঢেউ ওঠে। সেই অর্থে ইমাম সাহেবের মৃত্যুতে বিরাটনগরে যে ঢেউ ওঠার কথা সেই ঢেউ উঠল না। ঐ দিনই কাকতালীয়ভাবে যোগাযোগ মন্ত্রী চলে এলেন। বিরাটনগর-রোয়াইলবাজার সড়কে মগরা নদীতে পুল হবে, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। আগে কয়েকবার তারিখ দিয়েও মন্ত্রী আসতে পারেন নি। এবারে তাই হুট করে চলে এসেছেন।

    মন্ত্রীর আগমন বিশাল ঘটনা। সেই আগমন যদি হেলিকপ্টারের মতো বাহনে হয় তাহলে তো কথাই নেই। বিরাটনগরে যে আলোড়ন উঠল তার তুলনা নেই। বিশাল এক পক্ষী পাখা ঘুরাতে ঘুরাতে নামছে। তার শব্দে পৃথিবী কাঁপছে। বিরাটনগরের লোকজনের জন্যে তুলনাহীন অভিজ্ঞতা। মন্ত্রীর হেলিকপ্টার দুপুর বারটায় এসে পৌছল। তিনি ভিক্তিপ্ৰস্তর স্থাপন করে বিরাটনগর হাইস্কুলের মাঠে এক ভাষণ দিলেন। জনতা মন্ত্রমুগ্ধের মতো ভাষণ শুনল। যোগাযোগ মন্ত্রীর যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলার কথা না, যেহেতু স্কুলের মাঠে ভাষণের ব্যবস্থা সেহেতু তিনি শিক্ষার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কেও কিছু কথা বললেন এবং স্কুল ফান্ডে নগদ দশ হাজার টাকা ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দান করলেন। গ্রামের মানুষজন তালি দিতে দিতে হাত ব্যথা করে ফেলল।

    বক্তৃতা পর্বের শেষে চায়ের ব্যবস্থা। সেই ব্যবস্থা চেয়ারম্যান জহির খাঁর বাড়িতে। জহির খাঁ অতি অল্প সময়ের নোটিশে চা পানের বিপুল আয়োজন করে ফেললেন। এমন ব্যবস্থা যে মন্ত্রী পর্যন্ত বলতে বাধ্য হলেন–প্রত্যন্ত গ্রামেও দেখি ভালো ব্যবস্থা করেছেন! আমি তো এ রকম আশাই করি নি। মন্ত্রী আশা করেন নি। এ রকম আরেকটি কাজ জহির খাঁ করলেন–গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে সোনার ঢেঁকি উপহার দিলেন। মন্ত্রীর প্রথমবার আসার তারিখেই জহির খাঁ ঢাকা থেকে পাঁচ ভরি সোনার ঢেঁকি বানিয়ে এনেছিলেন। সেটা শুধু যে কাজে লাগল তা না। অনেকখানি কাজে লাগল। মন্ত্রী তিনবার বললেন—বাহ জিনিসটা সুন্দর তো। শুধু যে সুন্দর তা-না, টেকি শাশ্বত বাংলার প্রতীক। সাধারণত মন্ত্রী শ্রেণীর কাউকে কোনো উপহার দিলে সেই উপহার বেশিক্ষণ হাতে রাখা নিয়ম না। ছবি তোলা হয়ে গেলেই উপহার অন্য কারোর হাতে তুলে দেয়া হয়। সোনার ঢেঁকির ক্ষেত্রে সে রকম হলো না। ফটোগ্রাফারের ছবি তোলার পরও মন্ত্রী উপহার হাতে বসে রইলেন। হেলিকপ্টারে ওঠার সময়ও তার হাতে উপহারটা দেখা গেল।

    হেলিকপ্টারের উত্তেজনার পাশে ইমাম সাহেবের মৃত্যু তেমন কিছু না। পর পর দুটি উত্তেজনা মানুষ নিতে পারে না। বড় ধরনের একটি উত্তেজনাতেই মানুষ ঝিমিয়ে পড়ে। এ রকম ঝিমিয়ে পড়া অবস্থায় ইমাম সাহেবের লাশ নিয়ে নাটক শুরু হলো। মন্ত্রী চলে যাবার পর রোয়াইল বাজার থানার ওসি কিছু হস্থিতম্বি করলেন। তিনি ঘোষণা করলেন, ডেডবডি দেখে তার মনে হচ্ছে না। আত্মহত্যা। কেউ খুন করে ঝুলিয়ে রেখেছে। কঠিন তদন্ত হবে। তদন্তে রুই কাতলা বের হয়ে পড়তে পারে। প্রয়োজনে আসল খবর বের করার জন্যে থানায় নিয়ে ট্ৰিটমেন্ট দেয়া হবে। হন্বিতান্বিতে তেমন কাজ হলো না। জহির খাঁ ওসিকে ডেকে বললেন, খামাখা প্যাচাল করবা না। সুরতহাল টাল কী করতে হয় ব্যবস্থা কর। ডেডবডি মধুপুর পাঠায়ে দিতে হবে।

    ওসি সাহেব ধমক খেয়ে মিইয়ে গেলেন। ধমক এমন লোকের কাছ থেকে এসেছে যার বাড়িতে মন্ত্রী কিছুক্ষণ আগে খাওয়া দাওয়া করেছেন। হেলিকপ্টারে ওঠার আগে আগে কোলাকুলি করেছেন। যে সব মৃত্যু অর্থকরী না, পুলিশ সেসব মৃত্যুর বিষয়ে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। পুলিশ উৎসাহ হারিয়ে ফেলল। ওসি সাহেব বিমর্ষ মুখে বললেন–সুরতহালের জন্যে ডেডবডি নেয়ার ব্যবস্থা করছি। থানা থেকে ভ্যানগাড়ি আসবে। আত্মীয়স্বজন কেউ যেন যায়। সুরতহালের ফিস আছে। হাজার দুই টাকা যেন সাথে নেয়।

    পুলিশের ভ্যান সে রাতে এসে পৌঁছোল না।

    মতি সারারাত ইমাম সাহেবের পাশে রইল। রাত ন’টা দশটা পর্যন্ত তার সঙ্গে লোকজন ছিল–একে একে সবাই বিদায় হয়ে গেল। মরা মানুষ ফেলে রেখে গেলে শিয়াল-কুকুর খেয়ে ফেলবে। মতির বিরক্তির সীমা রইল না। অন্যদের মতো সেও কেন চলে গেল না? এ রকম বোকামিটা করল কীভাবে? তার একমাত্র ভরসা সঙ্গে গাজা ভরা সিগারেট আছে। গাজার ধোয়ায় টান দিয়ে যে-কোনো পরিস্থিতি পার করে দেয়া যায়। সমস্যা একটাই খালিপেটে থাকলে চলবে না। পেট ভর্তি থাকতে হবে।

    ইমাম সাহেবের লাশ। তার ঘরের চৌকির ওপর রাখা আছে। কম্বল দিয়ে লাশটা ঢাকা। গন্ধ সহজে বের হবে না। মতি বাড়ির দরজা জানালা বন্ধ করে। দিয়েছে। শিয়াল কুকুরের ঘরে ঢোকার পথ বন্ধ। সে বসে আছে। উঠানে। উঠানের দু’মাথায় দুটা হারিকেন জ্বালিয়েছে। অগ্নিবন্ধন। জিন, ভূতের দুই দিক থেকেই আসা বন্ধ।

    মতি এক ফাঁকে ইমাম সাহেবের রান্নাঘরও দেখে এসেছে। চাল আছে, ডাল আছে, পিয়াজ রসুন আছে। তেলের শিশিতে তেলও আছে। ক্ষিধাটা ভালোমতো লাগলে চাল ডাল মিশিয়ে খিচুড়ি বসিয়ে দিতে হবে। পেট ভরা থাকলে ভয় কম লাগে। সঙ্গে গাঁজার সিগারেট আছে ছয়টা। একেকটার দাম পড়েছে দশ টাকা করে। ছটা ষাট টাকা। মতি মূলমূলি করে পঞ্চাশ টাকায় কিনেছে। এইসব হলো আরাম করে খাওয়ার জিনিস। তার এমনই কপাল মারা লাশের পাশে বসে সব কটা পুরিয়া শেষ করতে হবে। বেহুদা পঞ্চাশ টাকা চলে গেল।

    প্রথম গাঁজার পুরিয়া খেয়ে মতির দুঃখবোধ কেটে গেল। মায়াবোধ প্রবল হলো। তার কাছে মনে হলো–ইমাম সাহেব আহারে বেচারা! মরে পড়ে আছে। নিকট-আত্মীয় পর-আত্মীয় কেউ নেই। ইমাম সাহেবের মতো একজন নামাজি ভালো মানুষের পাশে কে আছে? আছে মতির মতো দুষ্টলোক। যে ঈদের নামাজ ছাড়া অন্য কোনো নামাজে সামিল হয় না। মাঝে মধ্যে তওবা করে পাপমুক্ত অবশ্যি হয়। সে অবশ্যি বুঝে, তওবাটা করে সে আল্লাহপাককে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করছে। মতির ধারণা আল্লাহপাকও ব্যাপারটা বুঝেন, তবে বুঝেও চুপ করে থাকেন। এই জন্যেই তিনি রহমানুর রহিম।

    মৃত্যুর পর মতির কঠিন শাস্তি হবে এটা সে জানে। যে পড়ে থাকে বাজারের মেয়েছেলের বাড়িতে তাকে আল্লাহপাক আদর করে বলবেন–‘ওরে মতি যা বেহেশতে ঢোক। তাম্বুর নিচে হরপরী আছে। যারে যারে পছন্দ হয় সাথে নিয়া সরুবান তহুরা খা। যত ইচ্ছা খা।’ তা হবে না। আগুনে তাকে পুড়তেই হবে। দু একটা ভালো কাজ সে যে করে নাই তা-না। করেছে। তবে খারাপ কাজের তুলনায় ভালো কাজ এতই নগণ্য যে দোজখের আগুন থেকে সেই পুণ্য তার একটা কেনি আংগুলও বাচাতে পারবে না।

    এই যে ইমাম সাহেবকে সে পাহারা দিচ্ছে এটা তো একটা ভালো কাজ। কারণ লোকটা ভালো। চেয়ারম্যান সাব লোকটাকে কানো ধরে চক্কর দেয়ায়েছেন–অন্যায় করেছেন। নির্দোষ লোকের শাস্তি হয়েছে। দোষীও হইতে পারে। মানুষ চেনা বড় কঠিন। সবাই তাকে ভালো মানুষ জানে, আসলে সে বিরাট চোর। মরজিনার নাকফুল চুরি করে কুড়ি টাকায় বেচেছিল। অবশ্য এই টাকাটা সে জরিনার পেছনেই খরচ করেছে। আধা কেজি গরম জিলাপি কিনে খাইয়েছে। নিজে একটাও খায় নি।

    হাসানকে জিজ্ঞেস করলে জানা যায়।

    হাসান নিশ্চয়ই মিথ্যা কথা বলবে না। তবে হাসানকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছা করে না। যদি হাসান বলে ঘটনা সত্য তখন কী হবে? মৃত মানুষের খারাপ কিছু নিয়ে আলোচনা করতে নাই। মৃত মানুষকে নিয়ে ভালো ভালো কথা বলতে হয়। এটাই নিয়ম। মতি মরে গেলে কেউ কি তাকে নিয়ে একটা ভালো কথা বলবে। মনে হয় না।

    মতি দ্বিতীয় সিগারেটটা ধরাল। জিনিস খারাপ দেয় নাই–এক নম্বর জিনিসই দিয়েছে। মনে ফুর্তির ভাব আসি আসি করছে–হয়তো এসেও যাবে। জস্পেশা খিদে জানান দিচ্ছে। এক ফাঁকে খিচুড়ি বসায়ে দিতে হবে। ডিম পাওয়া গেলে ভালো হতো। একটা দুটা খিচুড়ির মধ্যে ছেড়ে দিলে স্বাদ যা হয় তার কোনো তুলনা নাই। তেতুল গাছের নিচে খচমচ শব্দ হচ্ছে। মতি কৌতূহলী হয়ে তাকাচ্ছে। সাধারণ অবস্থায় থাকলে ভয় লাগত। এখন সে সাধারণ অবস্থায় না। শিয়াল-টিয়াল হবে। মরা মানুষের গন্ধ পেয়ে উঁকি ঝুঁকি মারছে। হাতের কাছে একটা লাঠি রাখা দরকার। শিয়ালের পাল মারা মানুষ একবার খেতে শুরু করলে আধাপাগল হয়ে যায়, তখন জীবিত মানুষ খেতে চায়। ঘরের ভেতরও খচমচ শব্দ হচ্ছে। বেড়া ভেঙে কোনো শিয়াল কি ভিতরে ঢুকে পড়েছে? ঢুকে পড়লে কিছু করার নাই। খাওয়া দাওয়া করে যা থাকে তাই কবরে ঢুকিয়ে দিতে হবে। মতি আরেকটা সিগারেট ধরাল। মৌতাতটা মোটামুটি জমছে। মনে ফুর্তির ভাব চলে এসেছে। এটা কিছুতেই নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। মতি গুনগুন করে গান গাওয়ার চেষ্টা করতে লাগল। এই পরিস্থিতিতে ধমীয় গান গাইতে পারলে ভালো হতো। ‘চলো যাই মন্দিনা’ ধরনের গান। সে রকম গান একটাও মনে পড়ছে না। সে মাথা দুলাতে দুলাতে সিনেমার গান শুরু করল। এই সিনেমাটা সে মর্জিনাকে নিয়ে নেত্রকোনার হলে দেখে এসেছে। খুবই ট্রাজেডি সিনেমা। মতি উদাস গলায় গাইছে–

    হাত খালি গলা খালি
    কন্যার নাকে নাক ফুল
    সেই ফুল পানিতে ফেইল্যা
    কন্যা করল ভুল।

    আবারো খচখচ শব্দ হচ্ছে। মতির হাসি পেয়ে গেল–আজি মনে হয় খচখচানির রাত। এবারের খচখচানিটা অন্য রকম। চারপেয়ে জন্তুর খচখচানি না, দু পেয়ে মানুষের শুকনো পাতার ওপর দিয়ে হেঁটে আসার শব্দ। মতি বলল, কে? বলেই দেখল ডাক্তার সাহেব। গলায় মাফলার পেঁচিয়েছেন বলে মানুষটাকে অন্যরকম লাগছে। দেখে মজা লাগছে। গাজার কারণে এটা ঘটছে। এক নম্বরি গাজার এই গুণ যা দেখা যায় ভালো লাগে। ডাক্তার সাহেব যদি মাফলার ছাড়া আসত তাহলেও দেখতে ভালো লাগত।

    মতি নাকি?

    জ্বে ডাক্তার সাব।

    কী করা?

    মরা পাহারা দেই।

    গাঁজা খাচ্ছ না-কি? বিশ্ৰী গন্ধ আসছে। তোমার গাজার অভ্যাসও আছে তা তো জানতাম না।

    মতি জবাব দিল না। লজ্জা পেয়ে মুখ নিচু করল। ডাক্তার সাহেবকে দেখে তার ভালো লাগছে। খাঁটি সোনা মানুষ বলেই এত রাতে খোঁজ নিতে এসেছে। এই মানুষটার সাইকেল চুরি করাটা খুবই অন্যায় হয়েছে। মতি ঠিক করে ফেলল অন্য কোনো জায়গা থেকে একটা ভালো সাইকেট চুরি করে ডাক্তারকে দিয়ে আসবে। তার ডাবল পাপ হবে। হলেও কিছু করার নেই। সাইকেলের অভাবে লোকটার কষ্ট হচ্ছে। সবচে’ ভালো হয় যদি পুরনো সাইকেল জোগাড় করা যায়।

    ডেডবডি থানায় নিয়ে যাবার কথা ছিল। নেয় নি?

    জ্বে না।

    ইমাম সাহেবের আত্মীয়স্বজনকে খবর দেয়া হয়েছে?

    জ্বে না। কেউ তারার ঠিকানাই জানে না। শুধু জানে বাড়ি মধুপুর।

    ভালো সমস্যা হলো তো।

    আনিস বারান্দায় উঠে এল। তার মন বেশ খারাপ হয়েছে। একটা মানুষ মারা গেছে। অথচ তার আশেপাশে কেউ নেই। একজন শুধু উঠানে বসে গাজা টানছে। মানুষ এত নিষ্ঠুর হবে কেন? না-কি সমস্যাটা ইমাম সাহেবের? বিদেশী মানুষ দীর্ঘদিন এখানে থেকেও কারো সঙ্গে মিশ খাওয়াতে পারেন নি।

    আনিস বলল, তুমি একা বসে আছ। আর কেউ নেই এটা কেমন কথা!

    মতি বলল, সবেই ভয় খাইছে। ফাঁসের মরা। আর জায়গাটাও গোরামের বাইরে পড়ছে। তারপরে ধরেন পুলিশের ঝামেলা আছে।

    খাওয়া দাওয়া করেছ মতি?

    জ্বে না। তোমার খাবার ব্যবস্থা তো করা দরকার।

    চিন্তা কইরেন না ডাক্তার সাব। ইমাম সাহেবের পাকের ঘরে চাইল ডাইল সবই আছে। খিচুড়ি বসায়ে দেব।

    তাহলে এক কাজ কর–রান্না শুরু করা। আর আমি ইমাম সাহেবের ঘর খুঁজে দেখি চিঠিপত্র থেকে ঠিকানা পাওয়া যায়। কিনা। কেউ কি খুঁজে দেখেছে?

    বলতে পারি না। সবেই ছিল মন্ত্রী নিয়া ব্যস্ত।

    ডাক্তার হারিকেন হাতে ঘরে ঢুকে পড়ল। চৌকিতে কালো কম্বলে একটা মানুষ পুরোপুরি ঢাকা। তার শরীর নষ্ট হতে শুরু করেছে। তীব্র না হলেও ভোতা ধরনের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মেডিকেল কলেজে আনিসের এক মেডিসিনের প্রফেসর জোবেদ আলি হঠাৎ হঠাৎ বিষয়ের বাইরে কথা বলতেন। গন্ধ বিষয়ে একবার দীর্ঘ এক বক্তৃতা দিলেন যে বক্তৃতা সিলেবাসে নেই–বাবারা শোন, ডাক্তার হবার আগে নাক তৈরি করা। গন্ধ নিতে শেখ। সব কিছুর গন্ধ আছে। জীবন্ত মানুষের গন্ধ আছে। আবার মৃত মানুষেরও গন্ধ আছে। অসুখের গন্ধ আছে। টাইফয়েড রোগীর গা থেকে এক রকম গন্ধ বের হয়। আবার কালাজ্বর রোগীর গা থেকে অন্য রকম গন্ধ বের হয়।, রোগের ডায়াগনেসিসে এখন গন্ধ ব্যবহার করা না। কিন্তু আমি লিখে দিচ্ছি গন্ধ-নির্ভর ডায়াগনেসিস শুরু হবে। প্রাচীন ভারতের দুই মহান চিকিৎসক চরক এবং শুশ্রুত দুজনই রোগের ডায়াগনেসিসে গন্ধের গুরুত্ব দিয়েছেন। ভারতের ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ও দাবি করতেন তিনি রোগের গন্ধ পেতেন।

    জোবেদ আলি স্যারের মাথা কিঞ্চিৎ খারাপ ছিল। একদিন ভালোমানুষের মতো ক্লাস নিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে একগাদা ডরমিকম ট্যাবলেট খেয়ে মারা গেলেন। মৃত্যুর আগে নোট লিখে গেলেন। নোটটা অন্যদের মতো না। তিনি অন্যদের মতো লিখলেন না–আমার মৃত্যুর জন্যে কেউ দায়ী না। তিনি লিখলেন–‘আমার মৃত্যুর জন্যে সবাই দায়ী। আমি নিজেও দায়ী।’

    ইমাম সাহেব কি এরকম কোনো কিছু লিখে রেখে গেছেন? তাঁর স্ত্রীর কাছে কোনো চিঠি? তার দুই কন্যার কাছে আবেগের কিছু লাইন?

    ঘরে আসবাবপত্র খুবই অল্প। টেবিলের ওপর কিছু হাদিসের বই–মেশকাত শরীফ, বোখারি শরীফ। টেবিলের ড্রয়ারে কিছু চিঠি পাওয়া গেল। সবই ইমাম সাহেবের বড় মেয়ে সকিনার লেখা। কোনো চিঠিতেই ঠিকানা নেই। অন্যের চিঠি পড়ার মানসিকতা আনিসের নেই–তারপরেও একটা চিঠি পড়ে ফেলল। সকিনা তার বাবাকে লিখেছে—

    আপনি শরীরের দিকে খিয়াল রাখিবেন। আপনার জন্য সবসময় আমার মন কাব্দে। প্রতি রাতে আজেবাজে খোয়াব দেখি। বাবাগো আমি আপনার পায়ে ধরি আপনি নিজের প্রতি যত্ন নেন। আপনার বুকে ব্যথা হয়–কেন আপনি ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলেন না?…

    আনিস ছোট্ট করে নিঃশ্বাস ফেলল। ইমাম সাহেবের সঙ্গে তার অনেকবারই দেখা হয়েছে। তিনি তার বুকের ব্যথার কথা কখনো বলেন নি। মৃত্যু এক দিক দিয়ে ভালো–যাবতীয় যন্ত্রণার অবসান। এই মানুষটা এখন আর বুকের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছে না।

    মতিকে একা রেখে আনিস তার বাসার দিকে রওনা হলো। রাত অনেক হয়ে গেছে তারপরেও তাকে জহির খাঁ সাহেবের বাড়িতে যেতে হবে। তিনি জরুরি খবর পাঠিয়েছেন। আনিস মনে মনে আশা করছে সে গিয়ে দেখবে–জহির খাঁ বাতি নিভিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন। মানুষটার সঙ্গে এই মুহূর্তে কথা বলতে ইচ্ছা করছে না।

    জহির খাঁ জেগেই ছিলেন। তার চক্ষু রক্তবর্ণ। প্রচুর মদ্যপান করলে তার চোখ রক্তবর্ণ হয়ে যায়। আজ সারাদিন নানা উত্তেজনার ভেতর দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে। এখন উত্তেজনা কমানোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। ডাক্তারকে দেখে তিনি আনন্দিত গলায় বললেন–তুমি ছিলা কোথায়? বাসা তালা বন্ধ। তিনবার তোমার কাছে লোক পাঠায়েছি।

    আনিস কিছু বলল না। সে ইমাম সাহেবের বাড়িতে গিয়েছিল এই কথাটা তার বলতে ইচ্ছা করছে না।

    এখন আবার তোমার খোঁজে বদিরে পাঠায়েছি।

    ডেকেছেন কী জন্যে? শরীর খারাপ?

    শরীর কিঞ্চিৎ খারাপ কিন্তু তার জন্যে তোমাকে ডাকি নাই–গল্পগুজব করার জন্যে ডেকেছি। বস।

    আনিস বসল। জহির খাঁ পানের বাটা থেকে পান নিয়ে মুখে দিতে দিতে বললেন–আজকে দিনটা যে পার করতে পারছি তার জন্যে আল্লার দরবারে শুকক্লিয়া। সকাল সাতটার সময় টিএনও সাহেব এসে বললেন–‘মন্ত্রী আসবে। আপনার বাড়িতে একটু চায়ের এন্তেজাম করতে হবে।’ দেখ অবস্থা। এদিকে একজন আবার ফাঁসিতে ঝুলে পড়েছে। ফাঁসিতে কারা ঝুলে? মেয়েছেলে ঝুলে। বিবাহ হয় নাই পেটে সন্তান চলে এসেছে। তখন ফাঁসিতে ঝুললেও একটা কথা। আর তুই এক বুড়া–অন্যায় করেছিস, শাস্তি হয়েছে; ফুরায়ে গেছে। তার জন্যে ফাঁস নিতে হবে! ডাক্তার কি লাল পানি একটু খেয়ে দেখবে? নাৰ্ভ ঠাণ্ডা করে। হালকা করে দেই। বরফ দিয়ে খাও ভালো লাগবে।

    জ্বি না। আপনি খান।

    আমি তো খাচ্ছিই। এক পেগ করে খাই–মুখটা যখন পানশে হয়ে যায় তখন একটা পান খাই। মুখ ঠিক করি। তারপর আবার একটু। শোন ডাক্তার, তুমি হেনার ব্যাপারে কী করলা?

    কোন ব্যাপারে কথা বলছেন? তোমারে বললাম না, হেনার জন্যে পাত্র দেখ। খরচ আমার। ছবিও তো তুলে পাঠায়েছি। ছবি পাও নাই?

    ছবি পেয়েছি।

    পাত্রের সন্ধান কর। পাত্র যদি ক্যাশ টাকা চায় তাও দিব।

    আনিস চুপ করে রইল। জহির খাঁ গলা উঁচিয়ে বললেন–হেনা কই? আমাদের খাওন দাও।

    আনিস বলল, আমি এখন খাব না।

    জহির খাঁ বললেন, খাবে না কেন? খেয়ে এসেছ?

    জ্বি না। সারাদিন বাইরে ঘোরাঘুরি করেছি। গোসল করে তারপর খাব। আমি নোংরা শরীরে কিছু খেতে পারি না।

    আমার এখানে গোসল কর। গরম পানি করে দিবে। সাবান দিয়ে গড়লা দিয়ে গোসল কর। আমার ধোয়া লুঙ্গি আছে। অসুবিধা কিছু নাই।

    তার দরকার নেই। আচ্ছা খাবার দিতে বলুন, গোসল পরে করব।

    জহির খাঁ রাগী গলায় বললেন, গোসল পরে কেন করবা। এখনই করবা। হেনারে বলতেছি সে গরম পানি করে দিবে।–শরীরে সাবান ডলে দিবে। তুমি তো বাইরের কেউ না। তুমি আমার নিজের লোক।

    আনিস হতভম্ব হয়ে গেল। নেশাগ্ৰস্ত মানুষের কোনো কথা ধরতে নেই। তারা কী বলছে না-বলছে তার ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে নাতারপরেও জহির খাঁ এইসব কী বলছেন? হেনা কেন গায়ে সাবান ডলে দেবে?

    জহির খাঁ মুখের পান ফেলে দিয়ে তার বা পাশে রাখা গ্লাস এক চুমুকে শেষ করে মুখে আরেকটা পান নিয়ে ঝুকে এসে বললেন–একা একা গোসলের সমস্যা জান? পিঠে সাবান দেওয়া যায় না। পিঠে সাবান দেবার জন্যে লোক লাগে। এতে দোষের কিছু নাই।

    আনিস শান্ত গলায় বলল, আমি গোসল করব না। আপনি খাবার দিতে বলুন।

    জহির খাঁ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে হেনাকে ডেকে খাবার দিতে বললেন।

    হেনা মেয়েটাকে আজ আরো সুন্দর লাগছে। সে আজ শাড়ি পরে নি, জরি দেওয়া ঘাঘড়া জাতীয় পোশাক পরেছে। ঘাঘড়ার রং কালো বলে হেনার গায়ের রং খুব ফুটেছে। লম্বা বেণি করেছে। চোখে কাজল দিয়েছে। গায়ে গয়নাও আছে। প্রথম দিনে গায়ে কোনো গয়না ছিল না।

    জহির খাঁ আনিসের দিকে তাকিয়ে আছেন। তার চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ। নেশাগ্ৰস্ত মানুষ এমন তীক্ষ্ণ চোখে তাকাতে পারে না। তাদের চোখের মণি ডাইলেটেড থাকে। আনিসের মনে হলো প্রচুর মদ্যপান করা সত্ত্বেও এই লোকটি মাতাল না। নিজের ওপর তার পূর্ণ দখল আছে। সে কি আনিসকে নিয়ে কোনো খেলা খেলছে? খেলোয়াড় মানুষ চুপ করে থাকতে পারে না। তাকে সব সময় খেলতে হয়। প্ৰতিপক্ষ না পেলে তারা প্ৰতিপক্ষ তৈরি করে নেয়।

    ডাক্তার!

    জ্বি।

    তুমি আমার দিকে তাকায়ে আছ কেন? কী দেখ?

    কিছু দেখি না।

    ইমামের মৃত্যুর জন্য তুমি কি মনে মনে আমাকে দায়ী করছ?

    না। প্রত্যক্ষভাবে আপনি দায়ী না। তবে পরোক্ষভাবে আপনার ভূমিকা আছে।

    জহির খাঁ সোজা হয়ে বসলেন। শীতল গলায় বললেন–এখন যে কথাটা তুমি বললা–এরকম কথা আর বলব না। একটা কথা সব সময় খেয়াল রাখবা। আমি দুষ্ট প্রকৃতির লোক এবং রাগী লোক। দুষ্ট লোক সাধারণত রাগী হয় না, তবে আমি রাগী। নাও খাওয়া দাওয়া কর।

    হেনা হাত ধোয়ার পানি এনেছে। আনিস হাত ধোয়ার জন্যে বারান্দায় গেল। হাত ধুতে গিয়ে তার মনে হলো–প্রচণ্ড ক্ষিধে পেয়েছে।

    আনিস একা খাচ্ছে। প্লেটে খাবার তুলে দেয়ার জন্যে হেনা পাশে দাঁড়িয়ে আছে। সে গায়ে কোনো সুগন্ধি মেখেছে। খাবারের গন্ধের সঙ্গে এই গন্ধ যাচ্ছে না।

    আয়োজন ভালো। মন্ত্রীর জন্যে করা আয়োজন খারাপ হবার কথা না। রুই মাছের বড় পেটি। পোলাও। খাসির মাংসের রেজালা। আস্ত মুরগির রোষ্ট।

    আনিস আরাম করেই খাচ্ছে। মনে হচ্ছে জ্বর নেমে গেছে। জ্বর নেমে গেলে খুব খিদে পায়।

    ডাক্তার।

    জ্বি।

    খানা কেমন হয়েছে?

    ভালো হয়েছে।

    গন্যমান্য সবাইরে বলেছিলাম। সবাই এসেছিল, শুধু একজন আসে নাই। বল দেখি কে আসে নাই?

    বলতে পারছি না।

    আজিজ মিয়া আসে নাই। খবর নিয়েছি সে গিয়েছে গৌরীপুর। গৌরীপুর কেন গিয়েছে জান?

    জ্বি না।

    আড়ং-এর জন্যে ষাঁড়। কিনতে গিয়েছে। আমার সাথে পাল্লা দিতে চায়। আমি ষাঁড় কিনেছি তারও ষাঁড় কিনা লাগবে। দেখি সে কি ষাঁড় কিনে।

    জহির খাঁ আরেকটা পান মুখে দিলেন।

    ইমাম সাহেবের কবর হলো তার পরদিন সন্ধ্যায়। কবর ঠিক না, গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেওয়া। মধ্যনগর গ্রামের হুজুর ফতোয়া দিলেন–অপঘাতে মৃত্যুর জানাজার বিধান নাই। লাশ কবরে নামানোর সময় অনেকেই চোখের পানি ফেলে। ইমাম সাহেবের ক্ষেত্রে শুধু মতি ভেউ ভেউ করে কিছুক্ষণ কাঁদল। গাঁজার নেশার কারণে ঘটনোটা ঘটল। ছয় পুরিয়া শেষ হবার পর সে আরো চারটা পুরিয়া এনেছে। এবারে দাম বেশি পড়েছে। চার পুরিয়ার জন্যে পঞ্চাশ টাকা দিতে হয়েছে। টাকাটা সে পেয়েছে ইমাম সাহেবের তোষকের নিচে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতোমাকে – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article জনম জনম – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }