Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤷

    দরজার ওপাশে

    বাড়িটার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় শমিতের মনে হল, বারান্দায় কে যেন দাঁড়িয়ে আছে৷

    ভালো করে দেখা যাচ্ছে না৷ একটা থামে আড়াল হয়ে আছে৷ গাছের ঝাঁকড়া ডাল-পাতার ছায়া পড়ে কেমন যেন একটা আলো-ছায়ার লুকোচুরি ভাব৷ তাই ওটা কী মানুষ নাকি অন্য কিছুর ছায়া ঠিক বোঝা যাচ্ছে না৷ যদিও শমিতের মনে হচ্ছিল ওটা মানুষই৷ কেউ একজন থামের দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে কিছু করছে৷ সাদা রঙের জামা-কাপড় পরা বলে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে৷

    প্রায় ছয়মাস হতে চলল, শমিত এই গৌরীপুর গ্রামের শিবনাথ বসু উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলার মাস্টারমশাই হয়ে এসেছে৷ স্কুলটা গ্রামের একেবারে শেষপ্রান্তে৷ বেশ বড় ইংরোজি এল আকৃতির একখানা দোতলা বাড়ি৷ সামনে অনেকখানি খোলা জায়গা৷ পিছনে দুটো বড় বড় খেলার মাঠ৷ একটাতে বড় ছেলেরা ফুটবল-ক্রিকেট খেলে৷ অন্যটা থাকে নীচু ক্লাসের বাচ্চাদের দখলে৷ শীতের সময় স্পোর্টস হয়৷ আশপাশের গোটা দু-তিন গ্রামের মধ্যে এই একটাই হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, মানে বারো ক্লাস পর্যন্ত পড়ানো হয়৷ তাই ছাত্রসংখ্যাও নেহাত কম নয়৷ প্রতি ক্লাসে প্রায় জনা পঞ্চাশেক ছাত্র৷ তাদের অনেকেই আবার ভারী বিচ্ছু৷ শমিত এদিকে ভালোমানুষ, গোবেচারা ধরনের লোক৷ তাই ছাত্ররা তাকে মানে না মোটেই৷ সবাইকে সামলে, পড়া বোঝাতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই হিমশিম খেতে হয়৷ ব্যাপারটা তার ভালো লাগে না মোটেই৷ কিন্তু কিছু করার নেই৷ শমিতের বাবা মারা গেছেন অল্পবয়সে৷ মা কষ্টেসৃষ্টে মানুষ করেছে তাকে৷ সে পাশ করে চাকরি পেয়েছে বলে মা ভারী খুশি৷ স্কুলে পড়াতে তার ভালো লাগছে না, অসুবিধা হচ্ছে বললেই মা যেন কেমন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে৷ তাড়াতাড়ি ছেলের গায়ে-পিঠে হাত বুলিয়ে বলতে থাকে, দেখিস বাবা, ভালো লাগছে না বলে যেন আবার দুম করে চাকরিটা ছেড়ে দিস না৷ প্রথম প্রথম ওরকম সবার লাগে৷ আর ছোট ছেলেপুলেরা তো একটু দুষ্টু হবেই৷ স্কুলের মাস্টারমশাই যখন হয়েছিস তখন তো ওটুকু মেনে নিতেই হবে৷ তুই বরং এক কাজ কর৷ ক্লাসে যখন যাবি, তখন মুখখানা একেবারে আষাঢ়ের মেঘের মতো গম্ভীর করে রাখিস আর হাতে একখানা ছড়ি নিস৷ তাহলেই দেখবি ছাত্ররা ভয় পাবে৷

    মায়ের টোটকায় অবশ্য লাভ হয়নি কিছুই৷ কারণ শমিতের মুখটা এমন আহ্লাদে, ভালোমানুষ গোছের, যে সে গম্ভীর হওয়ার চেষ্টা করলেও কেউ তাকে ভয় পায় না৷ আর হাতে ছড়ি নিয়েও কোনও লাভ নেই৷ কারণ ছড়ি দিয়ে কোনও ছাত্রকে মারতে হবে ভাবলেই শমিতের কান্না পেয়ে, হাত-পা পেটের মধ্যে ঢুকে যায়৷ অতএব সে কোনওটারই চেষ্টা করেনি৷ তবে মা ভয় পেয়ে গেছে বুঝে মাকেও আর কিছু বলেনি৷

    যদিও মা-কে ছাড়া আর কাউকে কিছু বলার সুযোগ তার নেই৷ কারণ ছোটবেলা থেকেই মুখচোরা হওয়ায় শমিতের বন্ধু-বান্ধব বেশ কম৷ স্কুলে পড়ার সময় ছেলেদের সঙ্গে মারামারি, ঝাঁপাঝাঁপি কোনওটাই সে পারত না৷ ক্লাসরুমের এককোণে এমনভাবে গুটিয়ে বসে থাকত যে অনেকসময় মাস্টারমশাইরা তাকে খেয়ালই করতেন না৷ অথচ পড়াশোনায় সে যে খুব খারাপ ছিল তা কিন্তু নয়৷ কলেজে ওঠার পর দু-একজনের সঙ্গে একটু বন্ধুত্ব হয়েছিল৷ কিন্তু তারাও এখন চাকরি নিয়ে নানা জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে৷ যোগাযোগ তেমন নেই৷ মনের দুঃখ নিজের মনেই চেপে রাখতে রাখতে শমিত কেমন যেন একটু মনমরা, বিষণ্ণ হয়ে থাকত সবসময়ই৷

    কিন্তু মাস খানেক আগে একটা অদ্ভূত ঘটনা ঘটল৷ শমিতের বাড়ি থেকে স্কুলে আসার যে পথটা, সেটাই গ্রামের মূল রাস্তা৷ দু’ধারে হাট-বাজার, বাড়ি-ঘর, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র সবই আছে৷ গৌরীপুর এমনিতে বেশ বর্ধিষ্ণু গ্রাম৷ রাস্তায় সাইকেল, ভ্যানরিকশা এমনকি মোটরসাইকেলেরও অভাব নেই৷ তার বাড়ি থেকে স্কুলটা বেশ দূর৷ হেঁটে যেতে প্রায় কুড়ি মিনিট লাগে৷ আর রাস্তার দু’ধারে গাছপালা তেমন নেই বলে, গরমের দিনে বেশ কষ্টই হয়৷ কিন্তু উপায় তো নেই৷ কারণ গ্রামদেশে পায়ে হেঁটে যাওয়াটাই রেওয়াজ৷ রিকশার চল নেই তেমন৷ তবে হাঁটার কষ্ট ছাড়াও আর একটা অসুবিধাও শমিতের ছিল৷ স্কুলের ছাত্ররাও সবাই একই পথে হেঁটে যায়৷ যাওয়ার সময় সবারই তাড়া৷ ঘণ্টা পড়ে গেলে হেডস্যারের বকা খেতে হবে৷ কিন্তু ছুটির পরে যখন ছেলেরা গল্প করতে করতে ফেরে, তখনই হয় ঝামেলা৷ অপছন্দের স্যার কাউকে রাস্তায় দেখলে প্রায়ই তার উদ্দেশে টুকটাক মন্তব্য ছুড়ে দেয় ছাত্ররা৷ কে বলছে বোঝার উপায় নেই৷ কিন্তু যাকে বলা হচ্ছে তার অস্বস্তি বাড়বেই৷ শমিতকে লক্ষ করে প্রায়ই এরকম মুখরোচক মন্তব্য উড়ে আসত বলে সে চেষ্টা করত, স্কুল ছুটি হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পরে বেরোতে, যাতে ছাত্রদের মূল দঙ্গলটা এগিয়ে যায়৷

    এরকমই একদিন বেরিয়েছে৷ সেদিন আবার ভয়ংকর রোদ আর গরম৷ অতখানি রাস্তা হেঁটে যেতে হবে ভেবেই গায়ে যেন জ্বর আসছে তার৷ এমন সময় স্কুলের বিহারি দারোয়ান হনুমান প্রসাদ বলল, মাস্টারবাবু আপনার বাড়ি তো পিরপাড়ায়৷ তা আপনি অত ঘুরে বড় রাস্তা দিয়ে যান কেন? শর্টকাটে গেলেই তো পারেন৷

    শমিত তো অবাক৷ স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার কোনও শর্টকাট রাস্তা আছে বলেই তার জানা নেই৷ হনুমান প্রসাদকে জিজ্ঞাসা করতে জানা গেল, গেট দিয়ে বেরিয়ে খানিকটা এগোলে লিচুবাগানের পাশ দিয়ে বাঁহাতে যে রাস্তাটা ঢুকেছে, সেটাই একটু এঁকেবেঁকে গিয়ে ওঠে পিরপাড়ার মুখে৷ ওই পথ দিয়ে গেলে সময় অনেক কম লাগে৷ তবে রাস্তাটা ফাঁকা বলে অনেকে যেতে চায় না৷ শমিত মুখচোরা হলেও ভীতু নয়৷ তা ছাড়া চোর-ডাকাতের ভয় তো আর নেই৷ তার পকেটে বড়জোর পঞ্চাশ টাকা আছে৷ সে নিতে আর কে আসবে৷ তাই সে ঠিক করে ফেলল ওই নতুন রাস্তা দিয়েই আজ বাড়ি ফিরবে৷

    মস্ত লিচুবাগান৷ বড় বড় লিচুগাছে ভর্তি৷ গরমের দিনে টুকটুকে লাল লিচু, গাছ ভরে পেকে থাকায় চমৎকার দেখাচ্ছে৷ বাগানটা পাঁচিল দিয়ে ঘেরা৷ তার পাশ দিয়েই ঢুকেছে রাস্তাটা৷ কিছুটা এগিয়েই মনটা বেশ ভালো হয়ে গেল শমিতের৷ রাস্তা ফাঁকা৷ কদাচিৎ দু-একটা লোক দেখা যাচ্ছে৷ কিন্তু চারপাশটা ভারী সুন্দর৷ দু’ধারে বড় বড় মহানিম, অশ্বত্থ আর অর্জুন গাছ৷ গাছের ছায়ায় চারদিকটা ঠান্ডা হয়ে আছে৷ মাঝে-মধ্যে নানারকম পাখির ডাকও শোনা যাচ্ছে৷ শমিত মনে মনে ঠিক করে ফেলে এবার থেকে সে প্রতিদিনই এই রাস্তা দিয়েই বাড়ি ফিরবে৷

    লিচুবাগান পেরিয়ে খানিকটা যাওয়ার পর রাস্তাটা ডানদিকে বেঁকেছে৷ সেদিকে কিছুটা যাওয়ার পর কিন্তু চমকে উঠল শমিত৷ রাস্তার ধারেই একটা পেল্লায় চক-মেলানো দোতলা বাড়ি৷ সঙ্গে নানারকম গাছ-গাছালিতে ভর্তি বিশাল বাগান৷ বাড়িটা অবশ্য খুবই পুরোনো এবং ভগ্নপ্রায়৷ দরজা-জানলা সব বন্ধ৷ জানলার কাঠের রং জ্বলে গেছে৷ পাল্লায় ফাট ধরেছে৷ সিঁড়ির জাফরিতে মাঝে মাঝেই বুড়োমানুষের ফোকলা মুখের মতো বড় বড় ভেঙে যাওয়া কাচের ফাঁক৷ দেওয়ালের নানা জায়গায় মাথা তুলেছে রকমারি গাছের চারা৷ তাদের অনেকে আবার দিব্যি ডালপালাও মেলে দিয়েছে৷ বাড়িটাতে কোনও মানুষজন থাকে বলে মনে হয় না৷ জংধরা গেটেও তালাবন্ধ৷ কিন্তু তবু শমিত গেটের সামনে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ ধরে বাড়িটাকে দেখল৷ তার কেমন যেন মনে হচ্ছিল বাড়িটা এতদিন ধরে তার অপেক্ষায় ছিল৷ তাকে দেখে ভারী খুশি হয়েছে৷ সেদিন বাড়ি ফিরে নিজের কাজকর্ম করতে করতেও শমিতের বারবারই বাড়িটার কথা মনে পড়ছিল৷

    তারপর থেকে শমিত প্রতিদিনই স্কুল থেকে ফেরার সময় বাড়িটার সামনে কিছুক্ষণ দাঁড়ায়৷ বাড়িটা যেন ক্রমশ তার বন্ধু হয়ে উঠেছে৷ যেদিন স্কুলে ছাত্ররা তাকে খুব বেশি উত্ত্যক্ত করে, কিংবা অন্য মাস্টারমশাইরা অপদস্থ করতে চায়, সেদিন শমিত তার মনের সব দুঃখ বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে উজাড় করে দেয়৷ সারাদিন যা ঘটেছে সব সে মনে মনে বলে, আর তার মনে হয় বাড়ির দেওয়াল-দরজা-জানলা সব যেন স্থির হয়ে গভীর মনোযোগের সঙ্গে তার প্রতিটি কথা শুনছে, তার দুঃখে দুঃখিত হচ্ছে৷ এমনকী এই সময়টায় একেক দিন এমন একটা শিরশিরে ঠান্ডা হাওয়া বাগানের গাছপালার মধ্যে দিয়ে বয়ে এসে শমিতকে ছুঁয়ে যায় যে শমিতের মনে হয়, আসলে বাড়িটা যেন তার মাথায় সান্ত্বনার হাত বুলিয়ে দিচ্ছে৷ অদ্ভুত ব্যাপার হল, এরকম একটা প্রাসাদের মতো ভাঙা বাড়ি যে গ্রামে আছে, সে ব্যাপারে শমিত কিন্তু কোনওদিন কারুর কাছে কিছু শোনেওনি৷ তাই বাড়িটা যে আসলে কার, কারা থাকত এখানে সেসব কিছুই সে জানে না৷ জানার খুব একটা আগ্রহও তার নেই৷

    গত প্রায় একমাস, রোজই স্কুল থেকে ফেরার সময় শমিত বেশ কিছুক্ষণ বাড়িটার সামনে কাটায়৷ তবে কোনওদিনই ভিতরে কোনও মানুষজন দেখেনি৷ ভাঙা গেটটা ঠেলাঠেলি করে খুলে ভিতরে কেউ আছে কিনা দেখার চেষ্টাও অবশ্য সে করেনি৷ তাই আজ গোল গোল থাম দেওয়া বারান্দায় কেউ দাঁড়িয়ে আছে মনে হওয়ায় সে একটু আশ্চর্যই হল৷ বাড়িটা কি তাহলে পরিত্যক্ত নয়? বাসিন্দারা মাঝে মাঝে এখানে এসে থাকে? কথাটা ভেবে একটু মনখারাপই হয়ে গেল শমিতের৷ এই ক’দিনের মধ্যেই বাড়িটার ওপর তার কেমন যেন একটা অধিকার জন্মে গেছে৷ তাই বাড়ির অন্য ভাগীদার থাকতে পারে এই ভাবনাটাই তার একটুও পছন্দ হচ্ছিল না৷

    পরদিন ওই রাস্তা দিয়ে আসার সময় শমিত একটু আশায় আশায় ছিল যে সে হয়তো ভুল দেখেছে৷ কিন্তু সেদিন আর কোনও সংশয় থাকল না৷ বাড়ির গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই শমিত দেখতে পেল বারান্দায় এক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন৷ বেশ লম্বা, স্বাস্থ্যবান চেহারা৷ ধুতি পরা৷ খালি গা৷ সাদা ধপধপে পৈতেটা গায়ে ঝুলছে৷ আশ্চর্য ব্যাপার, ভদ্রলোক যেন শমিতের জন্যই অপেক্ষা করছিলেন৷ তাকে দেখেই সোজা এগিয়ে এসে বললেন, আসুন আসুন ভিতরে আসুন, আজ তো মিটিংয়ের জন্য স্কুল ছুটি হতে অনেকটা দেরি হল…..

    হেডস্যার অন্য মাস্টারমশাইদের নিয়ে একটা মিটিং করেছেন৷ স্কুল থেকে বেরোতে তাই সত্যিই বেশ খানিকটা দেরি হয়েছে শমিতের৷ ভদ্রলোক সেটা জানেন দেখে একটু চমক লাগল৷ কিন্তু ততক্ষণে বাড়িটার ভিতরে ঢুকতে পারবে জেনে তার এত আনন্দ হচ্ছিল যে ওই ভাবনাটা বিশেষ গুরুত্ব পেল না৷

    বাগানের ভিতর দিয়ে বেশ খানিকটা নুড়ি পাথর ঢালা পথ ৷ তারপর দু’ধাপ সিঁড়ি উঠে গোল বারান্দা৷ সেখানে দুটো ধুলোমাখা পুরোনো কাঠের চেয়ার পাতা রয়েছে৷ তারই একটাতে শমিতকে বসতে বললেন ভদ্রলোক৷ বারান্দা ঘিরে বেশ কয়েকটা দরজা৷ সবগুলোই ভিতর থেকে বন্ধ৷ যদিও ভিতরে কোনও লোক আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না৷ কারুর কোনও সাড়াশব্দও পাওয়া যাচ্ছে না৷ শমিত খেয়াল করল সারা রাস্তা সে নানারকম পাখির ডাক শুনতে শুনতে এলেও, এই বাগানের ভিতরটা কিন্তু আশ্চর্যরকম নিস্তব্ধ৷ কোথাও কোনও পাখি কিংবা কাঠবিড়ালির ডাক শোনা যাচ্ছে না৷ এমনকী ঝিঁঝিঁ পোকারাও কোনও অজানা কারণে একেবারে চুপ করে আছে৷

    আমার নাম যশোনাথ গাঙ্গুলি…….

    ভদ্রলোকের গলার আওয়াজ বেশ ভরাট, গম্ভীর৷ কথা বলার মধ্যে একধররনের রাশভারী ব্যক্তিত্ব আছে৷

    কিছুদিন ধরেই লক্ষ করছি যে আমার বাড়িটা আপনার বেশ পছন্দ হয়েছে৷ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আপনি মনের কথা চালাচালি করেন৷ বাড়িটাকে আপনার বেশ নিজের নিজের মনে হয়….সবটাই আমার বেশ ভালো লেগেছে৷ আসলে এই বাড়িটা তো আমার নিজেরও খুব প্রিয়৷ এটাকে ছেড়ে আমি কোথাও যেতে পারি না৷ তাই আপনার বাড়িটা পছন্দ হয়েছে জেনে বেশ ভালো লাগছিল৷

    এই বাড়িটার সম্বন্ধে শমিত কোনও দিন কাউকে একটি কথাও বলেনি৷ এমনকি, তার মাও এবিষয়ে কিছু জানে না৷ অথচ ভদ্রলোক কীরকম অনায়াসে তার মনের কথা জেনে বসে আছেন দেখে অবাক লাগছিল শমিতের৷ কিন্তু সেকথা না তুলে সে জিজ্ঞাসা করল, আপনি কি বরাবর এখানেই থাকেন? বাড়ির সব দরজা-জানলা বন্ধ থাকে দেখে আমি ভেবেছিলাম….

    কী মুশকিল! এখানে থাকব না তো যাব কোথায়? এটা তো আমার পৈতৃক বাড়ি৷ আমার দাদুর বাবা, রাজা দীনেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলি এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন৷ রাজা অবশ্য তিনি ছিলেন না৷ তবে বড় জমিদার ছিলেন৷ আশপাশের অন্তত গোটা দশেক গ্রাম নিয়ে তাঁর জমিদারি চলত৷ পরে যদিও সরকার সব জমি-জমা, সম্পত্তি কেড়ে নেয়৷ তবে এই বাড়িটাকে অনেকদিন পর্যন্ত লোকে রাজবাড়িই বলত৷ কিন্তু জমিদারি চলে গেলে কি আর সেই বোলবোলাও থাকে? আমাদের অবস্থাও আস্তে আস্তে পড়তে শুরু করেছিল৷ জমানো টাকা বসে খেলে তো আর বেশিদিন থাকে না৷ তাই একসময় পয়সা-কড়ি শেষ হয়ে গেল৷ অবস্থা বেগতিক দেখে আশ্রিত আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সব পালাল৷ শেষ পর্যন্ত টিঁকে ছিলাম আমার মা-বাবা আর আমি৷ আমি গাঙ্গুলি বংশের শেষ সন্তান৷ আর ছিল এই বাড়িটা৷ যদিও যত্নের অভাবে বাড়ির অবস্থাও গাঙ্গুলি বংশের মতোই৷ নাহলে এমন বাড়ি তখন এই তল্লাটে কারও ছিল না৷ জয়পুর থেকে শ্বেতপাথর এনে বাড়ির মেঝে করা হয়েছিল৷ মেহগিনি কাঠের আসবাবে ঘর ভর্তি ছিল৷ সবই আপনাকে দেখাব একটু একটু করে৷ আমি আসলে সবকিছুই একটু ধীরে-সুস্থে করাটা পছন্দ করি৷ গুরুত্বপূর্ণ কাজে তাড়াহুড়ো করাটা আমার স্বভাববিরুদ্ধ৷

    সেদিন যশোনাথের সঙ্গে কথাবার্তা বলে ফিরে এসে নিজেকে কেমন যেন চাঙ্গা লাগছিল শমিতের৷ মনটা যেন হালকা, খুশি-খুশি৷ মা-কে চা বানাতে বলে, ঘরে জামাকাপড় ছাড়তে গিয়ে শমিত হঠাৎ লক্ষ করল, তার নাকের নীচে রোমের রেখা ঘন হয়ে আছে৷ এমনিতে সে ক্লিন-শেভেনড৷ প্রতিদিন সকালে নিখুঁত করে দাড়ি কামায়৷ অনেকসময় রাতেও আর একবার শেভ করে৷ তাহলে এই গোঁফটা গজাল কখন? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভালো করে দেখতে দেখতে শমিত ঠিক করল গোঁফটা সে রেখেই দেবে৷ যশোনাথ গাঙ্গুলির বেশ পুরুষ্টু গোঁফ আছে৷ ওরকম গোঁফ তারও যদি গজায় তাহলে মন্দ হবে না৷

    যশোনাথ গাঙ্গুলির সঙ্গে এখন রোজই দেখা হয় শমিতের৷ সত্যি কথা বলতে কী, কতক্ষণে দেখা হবে, তার জন্য সে মনে মনে রীতিমতো ছটফট করে৷ স্কুলের ক্লাস শেষ হলে আর একমুহূর্ত দাঁড়ায় না৷ হেডস্যার কোনও হুকুম করলে রীতিমতো বিরক্ত হয়৷ যশোনাথ গাঙ্গুলিও অবশ্য রোজই শমিতের জন্য অপেক্ষা করেন৷ শমিত গেলে তাকে নিয়ে বাড়ির ভিতরটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখান৷ আশ্চর্যের ব্যাপার বাড়ির বাইরেটা ওরকম ভাঙাচোরা হলেও ভিতরটা একদম অন্যরকম৷ বারান্দার ওই বন্ধ দরজাগুলো পেরিয়ে ভিতরে ঢুকলেই চারপাশটা একদম বদলে যায়৷ তখন পায়ের তলায় ঝকঝক করে হালকা গোলাপি মার্বেলের মেঝে৷ ছাদ থেকে ঝোলানো ঝাড়বাতির আলো ঠিকরে পড়ে বেলজিয়ান গ্লাসের মস্ত আয়নায়৷ ভেলভেটের গদি দেওয়া মেহগিনি কাঠের সোফায় বসে শমিত দেখতে পায় লম্বা টানা বারান্দায় সার সার ঝুলছে রকমারি পাখির খাঁচা৷ হলুদ ঝুঁটি দেওয়া সাদা ধপধপে কাকাতুয়া দাঁড়ে বসে একমনে আখরোটের খোলা ভাঙছে৷

    বাড়িটা কিন্তু ফাঁকাও নয় মোটেই৷ যশোনাথ গাঙ্গুলি ছাড়া আর কোনও মানুষকে যদিও শমিত দেখেনি কোনওদিন৷ কিন্তু লোকজন যে আছে বুঝতে অসুবিধা হয় না৷ অস্পষ্ট কথাবার্তা, মেয়েদের শাড়ির খসখস, গয়নার টুংটাং, খড়মের খটখট, রান্নার ছ্যাঁকছোঁক সবই শোনা যায়৷ যশোনাথ তাকে একেকদিন একেকটা ঘর ঘুরিয়ে দেখান৷ সেইসব ঘরেও যে কিছুক্ষণ আগেই অন্য মানুষ ছিল, তারা আসবে বলে পাশের ঘরে উঠে গেছে বুঝতে অসুবিধা হয় না৷ তবে অতিথির জন্য সবসময়ই তারা ঘরে কিছু না কিছু উপহার রেখে যায়৷ কোনওদিন মোরাদাবাদি রেকাবিতে গন্ধরাজ ফুল, কোনওদিন আবার রুপোর গ্লাসে ঘোলের সরবত৷ শমিতের মনে হয় এবাড়ির সকলেই যেন তাকে ভারী পছন্দ করে, তার জন্য অপেক্ষায় থাকে৷ তার নিজেরও বাড়িটার প্রতি আকর্ষণ দিনে দিনে বাড়ছে৷ ছেড়ে যেতে যেন ইচ্ছেই করে না৷ কথাটা সে একদিন যশোনাথকে বলেও ফেলেছিল৷ যশোনাথ একটু সময় স্থির চোখে তার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, একটু ধৈর্য ধরুন৷ সেই ব্যবস্থাই তো হচ্ছে৷

    কথাটার মানে অবশ্য শমিত বুঝতে পারেনি৷ তবে এটা সে বুঝেছে প্রতিদিন এই রাজবাড়িতে যাওয়ার ফলে তার নিজের মধ্যেও কিছু বদল হয়েছে৷ নাকের ওপর সেই হালকা রোমের রেখাটি এখন বেশ পুরুষ্টু গোঁফের আকার নিয়েছে৷ শমিতের বয়স প্রায় তিরিশ৷ এই বয়সে মানুষ আর বাড়ে না মোটেই৷ কিন্তু শমিতের মনে হচ্ছে হঠাৎ-ই সে বেশ ইঞ্চি দুয়েক লম্বা হয়ে গেছে৷ অভ্যস্ত জামা-কাপড়গুলোও কেমন যেন ছোট-ছোট ঠেকছে৷ আর একটা মজার ব্যাপার হল যে মা আজকাল আর তার গলা চিনতে পারে না৷ সেদিন সে বাজার নিয়ে ফিরে বাইরে থেকে এক হাঁক দিতে মা তো ভয়-টয় পেয়ে একশা৷ শমিতকে সামনে দেখেও কেমন যেন বিশ্বাস করতে পারছে না৷ বারবার বলছে, তোর গলাখানা এমন গেরামভারী মতো হয়ে গেল কী করে রে খোকন! চেহারাটাও কেমন যেন মুশকো মত হয়েছে……

    মায়ের কথা শুনে বেশ মজাই লেগেছিল শমিতের৷ কিন্তু সেদিন স্কুলে গিয়েও সে বুঝতে পারল যে কিছু একটা বদল হয়েছে৷ ছেলেরা আজকাল আর তার ক্লাসে তেমন দুষ্টুমি করে না৷ একটু যেন ভয়ই পায় তাকে৷

    সেদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় যশোনাথ গাঙ্গুলিকে কথাটা বলতে, তিনি আবারও একইরকম ঠান্ডা হেসে বললেন, পরিবর্তনই তো জগতের নিয়ম৷ আমারও তো বেশ কিছু পরিবর্তন হয়েছে৷ আপনি বোধহয় খেয়াল করেননি৷

    কথাটা শুনে ভদ্রলোককে ভালো করে দেখে শমিতের মনে হল, সত্যিই তো৷ প্রথমদিন যেমনটি দেখেছিল, তার থেকে অনেকটাই চেহারা বদলে গেছে যশোনাথের৷ মোটা গোঁফজোড়া উধাও৷ লম্বা মানুষটি হঠাৎ-ই যেন একটু খাটো হয়ে গেছেন৷ মুখে জমিদারসুলভ গাম্ভীর্যের বদলে একটা যেন গোবেচারা ভাব৷ ব্যাপারটা কী করে ঘটল ভাবার চেষ্টা করছে শমিত, এমন সময় যশোনাথ বললেন, আপনার তো এই বাড়ি ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না বলেছিলেন, তাই আপনি যাতে এখানেই থাকতে পারেন সে ব্যাপারে আমি আমার মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলাম৷ তাঁরা দুজনেই রাজি হয়েছেন৷ বাড়ির অন্যান্যদেরও আপত্তি নেই…তাই আমরা ঠিক করেছি যে এবার থেকে আপনি এই বাড়িতেই থাকবেন৷ তবে রাজবাড়িতে তো এরকম হুট করে আসা যায় না৷ তাই আমাদের পুরোহিত মশাই দিন-ক্ষণ দেখে নিয়েছেন৷ আগামী মঙ্গলবার অমাবস্যা পড়েছে৷ সেদিন ঠিক মধ্যরাতে এই বাড়িতে আপনার অভিষেক হবে৷ কিন্তু কাউকে একথা জানানো চলবে না৷ আপনি ঠিক সময়ে একলা, গোপনে এখানে চলে আসবেন৷

    কথাটা শুনে, শমিতের মনে হচ্ছিল সে যেন নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছে না৷ কিন্তু তবু মনের উচ্ছ্বাস চেপে বলল, কিন্তু আমার মা তো একলা থাকতে পারবেন না৷ তাঁকে নিয়ে আসব তো?

    তাঁকে নিয়ে আসতে হবে না৷ চিন্তা করবেন না৷ তাঁর সব দায়িত্ব আমার৷

    মঙ্গলবার গভীর রাতে, নিঃশব্দে নিজের বিছানা ছেড়ে উঠল শমিত৷ পাশের ঘরে মা অঘোরে ঘুমোচ্ছে৷ পাছে ঘুম ভেঙে যায়, তাই চুপিচুপি দরজা টেনে বেরিয়ে এল রাস্তায়৷ অমাবস্যার রাত৷ চারিদির ঘুরঘুট্টি অন্ধকার৷ মাঝে-মধ্যে দূর থেকে দু-একটা কুকুরের ডাক শোনা যাচ্ছে৷ শমিতের কিন্তু ভয় লাগছিল না একটুও৷ সে যেন কেমন হাওয়ায় ভর দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে গন্তব্যের দিকে৷ আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে রাজবাড়ির সামনে এসেই চমকে উঠল শমিত৷ গোটা বাড়িটা আলোয় ঝলমল করছে৷ চারিদিক ফুল দিয়ে সাজানো৷ হালকা সানাইয়ের শব্দও শোনা যাচ্ছে৷ গেট পেরিয়ে ভিতরে ঢুকল শমিত৷ বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে সে আয়নায় নিজের মুখ দেখেনি৷ নাহলে বুঝতে পারত, তাকে এখন অবিকল প্রথমদিনের যশোনাথ গাঙ্গুলির মতো দেখতে লাগছে৷

    যশোনাথ বারান্দায় দাঁড়িয়েছিলেন৷ শমিতকে দেখে বললেন, আসুন, সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করছে…….

    বারান্দার দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে গেল শমিত৷ যশোনাথ কিন্তু ঢুকলেন না৷ দরজা বন্ধ হয়ে গেল৷ বাগানে নেমে এলেন যশোনাথ৷ পুরোনো, ভেঙে পড়া, চারপাশে গাছ গজানো রাজবাড়ির দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে থেকে, ভাঙা গেটটা খুলে রাস্তায় বেরিয়ে এসে ফিরতি পথে ধরলেন৷ তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে একটু ঘুমিয়ে নেওয়া দরকার৷ কাল সকালেই তো আবার স্কুলে গিয়ে ছাত্র ঠ্যাঙাতে হবে৷

    —

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }