Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশরীরীর ইঙ্গিত

    লন্ডন থেকেই গেস্ট হাউসটা বুক করেছিল অরিন্দম৷ আজকাল ইন্টারনেটের দৌলতে এই একটা মস্ত সুবিধা হয়েছে৷ পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় বসে, যেখানে ইচ্ছা হোটেল বুক করা যায়, ট্রেনের টিকিট কাটা যায়, টেলিফোনের বিল দেওয়া যায় এমনকি ট্যাক্সি পর্যন্ত ভাড়া করে ফেলা যায়৷ একমাসের জন্য কলকাতায় আসতে হবে৷ ভবানীপুরের শরিকি বাড়ির ঘর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে, বছর তিনেক বন্ধই ছিল৷ এরমধ্যে অরিন্দম কলকাতায় আসেনি৷ প্রিয়া এসেছিল৷ কিন্তু কলকাতায় নয়৷ সোজা চলে গেছিল বাপেরবাড়ি শিলিগুড়িতে৷ কিন্তু এবার তো আর সেরকম চলবে না৷ কলকাতাতেই থাকতে হবে৷ অনেক চেষ্টা চরিত্রের পর অবশেষে বাড়ি বিক্রির ব্যবস্থা হয়েছে৷ সেজন্য সই-সাবুদ যা করার সেসব করতে হবে৷ প্রোমোটার বাড়িটা কিনে ফ্ল্যাট বানাবে৷ অরিন্দমের ভাই-বোনেরা কেউ ফ্ল্যাট নেবে, কেউ আবার টাকা নিতেই আগ্রহী৷ অরিন্দম অবশ্য ফ্ল্যাটই নেবে৷ কারণ প্রিয়ার খুব ইচ্ছা, কলকাতায় একটা নিজেদের থাকার জায়গা অন্তত থাকুক৷ দু-চারবছর অন্তর দেশে আসলে সেখানেই ওঠা যাবে৷ মা এখনও বেঁচে আছে বলে নিশ্চিন্তে শিলিগুড়ি যাওয়া যায়৷ ভাইদের সংসারে কী হবে তার তো কোনও নিশ্চয়তা নেই৷ তাহলে তো দেশের সঙ্গে সম্পর্কই চুকিয়ে ফেলতে হবে৷ সুতরাং হ্যাপা বেড়েছে অরিন্দমের৷ ফ্ল্যাট যারা নেবে, তাদের জন্য একটি করে ভাড়া বাড়ির ব্যবস্থা করেছেন প্রোমোটার৷ মা-বাবার যাবতীয় জিনিসপত্র সেখানে ভরে ফেলতে হবে, বাড়ি ভাঙা শুরু করার আগেই৷ এর মধ্যে আবার উত্তরপাড়ায় মামাতো বোনের বিয়ে আছে৷ সেখানেও দিন তিনেকের ধাক্কা৷ সব মিলিয়ে একমাস তো লাগবেই৷

    অগত্যা ভরসা ইন্টারনেট৷ হোটেলে একমাস থাকাটা বড্ড বেশি খরচের৷ তাছাড়া খানিকটা বিরক্তিকরও৷ তাই হোম স্টে বা গেস্ট হাউস ধরনের কিছু পাওয়া যায় কিনা দেখছিল অরিন্দম৷ দেখা গেল গেস্ট হাউসটাই সুবিধাজনক৷ কারণ সেখানে নিজস্ব রান্নাঘর এবং বাসনপত্রের ব্যবস্থা থাকে৷ ঘরের কাজকর্ম করে দেওয়ার জন্য লোকও পাওয়া যাবে এজেন্সি থেকে৷ বেশ খানিকটা বাছাবাছি করে শেষপর্যন্ত অরিন্দম আর প্রিয়া দুজনেরই পছন্দ হল যোধপুর পার্কের একটা গেস্ট হাউস৷ ভাড়া যদিও একটু বেশি, কিন্তু ব্যবস্থা খুব ভালো৷ বেশ বড় একটা বেডরুম৷ তার সঙ্গে মস্ত লিভিং-ডাইনিং৷ রান্নাঘর, বাথরুম, ব্যালকনি৷ পুরোপুরি ফার্নিশড৷ অপলা আর অঙ্কুর দুজনেই যাবে না৷ দুই ভাই-বোনে বাড়িতে থাকবে৷ চিন্তার কিছু অবশ্য নেই৷ কারণ দুজনেই স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে কলেজে ঢুকে গেছে৷ নিজেদের দায়িত্ব নিজেরা নিতে পারে৷ ছেলে-মেয়ে যাচ্ছে না বলে একটার বেশি বেডরুম দরকারও নেই অরিন্দমদের৷

    গেস্ট হাউসের মালকিন শীলা মিত্র৷ ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলে বেশ ভালো লাগল অরিন্দমের৷ মহিলা রীতিমত সফিস্টিকেটেড৷ পরিশীলিত উচচারণে গুছিয়ে কথা বলেন৷ কথা বলার ভঙ্গিটিও চমৎকার৷ শীলা মিত্রর কাছে জানা গেল, গেস্ট হাউসটা আসলে একটা ফ্ল্যাট৷ পাঁচতলা বাড়িটিতে মোট আটটি ফ্ল্যাট আছে৷ তার মধ্যে দুটি শীলা মিত্রের৷ তিনি নিজে চারতলায় থাকেন আর দোতলার ফ্ল্যাটটা গেস্ট হাউস হিসাবে ভাড়া দেন৷ এর আগে এই গেস্ট হাউসে যাঁরা থেকেছেন তাঁদের পরিচয় এবং থাকার অভিজ্ঞতাও ইন্টারনেটে ছিল৷ সেগুলো ভালো করে খুঁটিয়ে দেখে বোঝা গেল শীলা মিত্র গেস্ট হাউস হিসাবে এই ফ্ল্যাট ভাড়া দিচ্ছেন গত বছর দেড়েক৷ এরমধ্যে যাঁরা এখানে বিভিন্ন সময় এসে থেকেছেন তাঁরা প্রায় সবাই বিদেশি৷ দু-একজন বেড়াতে এসেছেন, তবে বেশিরভাগই এসেছেন কোনও কাজে৷ কানাডার এক সাহেব তো প্রায় তিনমাস ছিলেন৷ ফ্ল্যাটের ব্যবস্থাপনায় সকলেই খুশি৷ কারুর কোনও বিরূপ অভিজ্ঞতা নেই৷ নিশ্চিন্ত হয়েই তাই টাকা পাঠিয়ে দিল অরিন্দম৷

    নভেম্বর মাসে কলকাতায় ঠান্ডা পড়ে না৷ কিন্তু বাতাসে শীতের একটা চোরাটান থাকে৷ ইংল্যান্ডের শীতে অভ্যস্ত অরিন্দমদের কাছে সেটা নেহাতই তুচ্ছ হলেও জ্বালাপোড়া গরম নেই বলে নিশ্চিন্ত৷ এয়ারপোর্ট থেকে একটা ট্যাক্সি ধরে সোজা যোধপুর পার্ক৷ রাস্তায় আসতে আসতে জানলা দিয়ে বাইরে কলকাতা শহর৷ গত তিন বছরে বদলে গেছে অনেকটাই৷ নতুন উড়ালপুল, বহুতল, পাঁচতারা হোটেলের সঙ্গে অনেকদিনের চেনা যানজট৷ অ্যাপ ক্যাবের জিপিএস-এর দৌলতে গেস্ট হাউস খুঁজে পেতে অসুবিধা হল না৷ চাবি ছিল কেয়ারটেকারের কাছে৷ দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে খুশি হল প্রিয়া৷ চমৎকার আলো-হাওয়া খেলানো ফ্ল্যাট৷ ঢোকার মুখে ছোট্ট একটু করিডর পেরিয়ে শোবার ঘর৷ সঙ্গে অ্যাটাচড বাথরুম৷ পাশেই রান্নাঘর৷ তার লাগোয়া বেশ বড় ডাইনিং স্পেস৷ ডাইনিং-এর থেকে চার-ধাপ নেমে লিভিং রুম৷ মাঝখানটা ব্যালকনির মতো রেলিং দিয়ে ঘেরা৷ লিভিং রুমটা ভারি সোফা দিয়ে সাজানো৷ দেওয়ালে একটা বেশ বড়ও টেলিভিশনও রয়েছে৷ রিমোট টিপতেই চালু হয়ে যায় টিভি৷ নিশ্চিন্ত হয় অরিন্দম৷ রাতে লিভারপুলের খেলা আছে৷ মিস করলে বেজায় বিরক্ত লাগত৷

    জিনিসপত্র গুছিয়ে একটু থিতু হয়ে বসার পর সন্ধে নাগাদ শীলা মিত্র এলেন দেখা করতে৷ গলা শুনে মহিলাকে যেরকম মনে হয়েছিল, সামনে থেকে দেখেও ধারণাটা বদলাল না৷ মাঝারি উচ্চতার ছিপছিপে চেহারা৷ মাথার চুল অধিকাংশই সাদা৷ সাজ-পোশাকে মার্জিত রুচির ছাপ৷ তবে মুখ আর চোয়ালের গড়নে একধরনের কাঠিন্য আছে যার থেকে মনে হয় মহিলা নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সহজে সরেন না৷ কিছুক্ষণ একথা-সেকথার পর অরিন্দম বলল, আপনার গেস্ট হাউস তো খুব পুরোন নয় দেখলাম৷ মাত্র বছর দেড়েক হল শুরু করেছেন….তার আগে কি ফ্ল্যাটটা ভাড়া দিতেন? মানে আমি জানতে চাইছি এভাবে গেস্ট হাউস ভাড়া দেওয়াটা কি লাভজনক? আসলে আমার নিজেরও ভবিষ্যতে দরকার হতে পারে তো৷ যেজন্য এবার কলকাতায় আসা আর কী৷ তো ফ্ল্যাট তৈরি হলে সেটা তো ফাঁকাই পড়ে থাকবে৷

    লাভ জনক কিনা হিসেব করিনি৷ তবে নির্ঝঞ্ঝাট নিঃসন্দেহে৷ ভাড়া দিয়ে দেখেছি, তার হাজারো ঝামেলা৷ আমি একলা মানুষ৷ এত কিছু সামলানো অসম্ভব৷ সেজন্যই ভেবে দেখলাম এটা সুবিধাজনক৷ তাছাড়া ভাড়াটে যদি একবার গেড়ে বসে তখন তাকে তুলতে হলে অনেক কাঠ-খড় পোড়াতে হয়৷ আজকাল তাই কলকাতায় অনেকেই গেস্ট হাউস প্রেফার করছে….৷ আপনারা তো প্রায় একমাস থাকছেন৷ কাজকর্ম নিশ্চয় আছে৷ এছাড়া প্ল্যান কী? আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি যাবেন নিশ্চয়ই৷

    আত্মীয়-স্বজন আমাদের কলকাতায় খুব বেশি নেই৷

    প্রশ্নটা শীলা মিত্র প্রিয়াকে করেছিলেন৷ তাই সেই উত্তর দেয়৷

    যাঁরা আছেন তাঁদের সঙ্গে তো দেখা করতেই হবে৷ আর আমার বাপের বাড়ির লোকজন সব শিলিগুড়িতে৷ কিন্তু আমার খুব ইচ্ছা এবার কলকাতায় কয়েকটা ভালো নাটক দেখার৷ কলেজে পড়ার সময় আমরা দুজনেই খুব নাটকের ভক্ত ছিলাম৷ বহুরূপীর নাটকের ফার্স্ট ডে, ফার্স্ট শো দেখতে যেতাম৷ অথচ দেখুন কতদিন নাটক দেখা হয় না৷ তাই ঠিক করেছি এবার যখন থাকা হচ্ছেই তখন মন ভরে নাটক দেখে নেব৷

    প্রিয়ার কথা শুনে দৃশ্যতই খুশি হন শীলা, তাই নাকি৷ তাহলে তো আপনাদের সঙ্গে অনেক গল্প হবে আমার৷ আমিও নাটক খুব ভালোবাসি৷ একসময় নিয়মিত করতাম৷ এখনও যোগাযোগ আছে৷ তাই নিয়ে দিদির সঙ্গে কত অশান্তি৷ যাক গে, বাদ দিন ওসব কথা৷ আপনারা চাইলে কলকাতায় এখন কী কী ভালো নাটক হচ্ছে সে খবর বরং আমি দিয়ে দেব৷

    ভদ্রমহিলার কথাবার্তা বেশ না?

    খাওয়া-দাওয়া শেষ৷ রাত পোশাক পরে চুলে চিরুণি চালাতে চালাতে কথাগুলো বলল প্রিয়া৷ কিন্তু উত্তর না পেয়ে পিছনে তাকিয়ে দেখে অরিন্দম নেই৷ লিভিং রুমে টিভি চলছে৷ শব্দ পাওয়া যাচ্ছে৷ শোবার ঘর থেকে উঁকি মেরে প্রিয়া দেখল বসার ঘরের সোফায় অরিন্দম বসে আছে৷ দশটা না বাজতেই টিভির সামনে বসেছে দেখে একটু বিরক্ত হয়েই চুল আঁচড়ানো শেষ করল প্রিয়া৷ মুখটা চড়চড় করছে বলে সবে ময়েশ্চারাইজারের বোতল থেকে হাতে ঢেলেছে, এমন সময় লাগোয়া বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল অরিন্দম৷ চমকে গিয়ে আর একটু হলে হাত থেকে বোতল পড়ে যাচ্ছিল প্রিয়ার৷

    তুমি এখানে?

    মানে? অরিন্দমও ততোধিক অবাক৷

    তুমি বাথরুমে ছিলে? আমি যে দেখলাম তুমি বসার ঘরের সোফায় বসে আছো!

    কী বলছো পাগলের মতো!

    হ্যাঁ গো, আমি স্পষ্ট দেখেছি৷ বসার ঘরের সোফায় কেউ বসে আছে৷ আমি ভেবেছি তুমি৷

    হেসে ফেলে অরিন্দম, এসো আমার সঙ্গে, দেখি কোথায় কাকে বসে থাকতে দেখেছো৷

    দুজনে বেরিয়ে আসে ডাইনিং রুমে৷ সোফা ফাঁকা৷ কেউ কোত্থাও নেই৷ এবার একটু অপ্রস্তুত হয় প্রিয়া, না, মানে আমার তো চোখে চশমা ছিল না৷ তাই লোক চিনতে ভুল হতে পারে৷ কিন্তু আমার মনে হচ্ছে স্পষ্ট দেখলাম সোফায় কেউ বসে আছে৷

    ঘরে যখন আমি আর তুমি ছাড়া কেউ নেই, তখন তৃতীয় ব্যক্তি আসবে কোথা থেকে শুনি৷ যাক গে, তুমি শুয়ে পড়ো৷ আমি এবার সত্যিই সোফায় গিয়ে বসব৷ একটু পরে খেলা শুরু হবে৷

    প্রিয়া ঘুমিয়ে পড়েছে. অরিন্দম মন দিয়ে খেলা দেখছে৷ খুবই টেনসড সিচুয়েশন৷ লিভারপুল রীতিমত চাপে৷ যে কোনওসময় গোলে বল ঢুকে যেতে পারে৷ অরিন্দমের চোখ-মন সবই একেবারে টেলিভিশনের পর্দায় নিবিষ্ট৷ কিন্তু তার মধ্যেও হঠাৎ মনে হল ওপরের ডাইনিং স্পেসটায় রেলিং ধরে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে৷ চমকে তাকাল অরিন্দম৷ কেউ কোত্থাও নেই৷ কিন্তু কেমন যেন একটা অস্বস্তি হচ্ছে৷ মনে হচ্ছে যেন ঘরে আর একজন কেউ আছে৷ দেখতে না পাওয়া গেলেও তার অদৃশ্য উপস্থিতি অনুভব করা যাচ্ছে৷ ফ্যান চলছে না৷ জানলাও বন্ধ৷ কিন্তু হঠাৎ ডাইনিং টেবিলের ঢাকার কোণাটা সামান্য একটু নড়ে উঠল৷ যেন পাশ দিয়ে কেউ যাওয়ার সময় গায়ে লেগেছে৷ অরিন্দম বেশ সাহসী, ডাকাবুকো ছেলে৷ কিন্তু তাও কিছুতেই মন দিতে পারছে না খেলায়৷ মাঝে মাঝেই এপাশ-ওপাশ তাকিয়ে দেখছে৷ শেষ পর্যন্ত বসে থাকতে আর ইচ্ছে করল না৷ অনেকক্ষণ প্লেন জার্নি হয়েছে৷ তারপর ভালো করে বিশ্রামও হয়নি৷ তাই জেট-ল্যাগের জন্যই সম্ভবত এরকম হ্যালুশিনেশন হচ্ছে৷ মনে মনে কথাটা ভেবে খানিকটা নিশ্চিন্ত হয়ে টিভি বন্ধ করে নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ল অরিন্দম৷

    পরদিন সকালে অবশ্য মনে ছিল না কিছুই৷ সারা সকালটাই কাটল ভবানীপুরে৷ প্রোমোটারের সঙ্গে কথাবার্তা৷ আত্মীয়দের মধ্যে আলোচনা৷ এসব সারতে সারতেই দুপুর গড়িয়ে গেল বিকেলে৷ খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল তুতো এক দিদির বাড়িতে৷ সন্ধে নাগাদ ফ্ল্যাটে যখন ফেরা হল তখন দু-জনেই হা-ক্লান্ত৷ খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে তাড়াতাড়ি ডিনার সেরে তাই একেবারে কম্বলের তলায়৷ মাঝে অবশ্য ছেলে-মেয়ের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে একবার৷ ঘুমিয়ে পড়েছিল অরিন্দম৷ হঠাৎ প্রিয়ার ধাক্কায় ধড়মড় করে উঠে বসল৷ খাটের পাশে দাঁড়িয়ে থরথর করে কাঁপছে প্রিয়া৷ অরিন্দমকে জেগে উঠতে দেখে ফ্যাসফেসে গলায় বলল, বসার ঘরের সোফায় কে যেন বসে আছে৷ আমি ঠিক দেখেছি৷ কোনও ভুল নেই….বড় সোফাটায় বসেছিল….আমার পায়ের শব্দ শুনে ঘাড় ঘোরাল….মুখ দেখতে পাইনি….

    কী বলছ যা…তা

    খাট থেকে নেমে ঘরের আলো জ্বালে অরিন্দম৷ করিডরে গিয়ে খাবার ঘর, বসার ঘরের আলো জ্বেলে দেয়৷ কোথাও কিছু নেই৷ সব দরজাও ভিতর থেকে বন্ধ৷ বাইরে থেকে কারুর আসারও কোনও উপায় নেই৷ ঘরে ফিরে এসে দেখে কেমন যেন গুটিসুটি হয়ে খাটের ওপর বসে আছে প্রিয়া৷ ভয়ের ছায়া এখনও চোখে-মুখে৷

    ভয় পেয়ো না৷ ঘুম চোখে ভুল দেখতেই পারো….কী দেখেছো বলো তো ঠিক করে৷

    ভুল আমি দেখিনি৷ ইনফ্যাক্ট কালও আমি ঠিকই দেখেছিলাম৷ একই জায়গায় বসেছিল৷ আমি ভাবলাম চশমা পরিনি বলে গণ্ডগোল হয়েছে৷ কিন্তু তা নয়…ঘুমিয়ে পড়েছিলাম কিন্তু৷ হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেল৷ তুমি তো জানো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে আমার জল তেষ্টা পায়৷ কিন্তু কাল বোতলটা বেডসাইড টেবিলে রাখতে ভুলে গেছিলাম৷ তাই উঠেছিলাম, ডাউনিং টেবিল থেকে একটা জলের বোতল আনব বলে৷ দরজা দিয়ে বেরিয়ে দেখি, বসার ঘরটা কেমন যেন একটা নীলচে-রূপোলি আলোয় ভরে আছে৷ অন্ধকার ঘরে টিভি চললে যেরকম হয় না, ঠিক সেরকম৷ অথচ টিভিটা কিন্তু বন্ধ৷ আমি অবাক হয়ে এগিয়ে যেতেই দেখতে পেলাম৷ সোফার ওপর বসে ছিল….

    ভয়ে শিউরে উঠে চুপ করে গেল প্রিয়া৷

    কে বসেছিল? মহিলা না পুরুষ কিছু বুঝতে পেরেছ?

    মহিলা৷ বয়স্কই মনে হল৷ মাথার চুলগুলো কাঁচাপাকা৷ আমার পায়ের শব্দ পেয়ে মুখটা ঘোরাল৷ কিন্তু মুখটা দেখতে পেলাম না৷ মুখের ওপর ছায়া-ছায়া অন্ধকার৷

    বাকি রাতটা আর ঘুম এলো না দুজনেরই৷ আলো জ্বালিয়ে জেগে কাটল৷ পরদিন কথাটা শীলা মিত্রকে বলবে ভেবেছিল অরিন্দম৷ কিন্তু দিনের আলোয় ব্যাপারটা এত অবাস্তব লাগছিল যে ভাবনাটা কাজে পরিণত করা গেল না৷ প্রিয়া চাইছিল অন্য কোথাও শিফট করতে৷ কিন্তু সেটাও বেশ কঠিন ব্যাপার৷ প্রথমত এখানে টাকা দেওয়া হয়ে গেছে৷ হঠাৎ ছেড়ে দিলে নিশ্চিত টাকা ফেরত দেবে না৷ তাছাড়া এরকম হুটপাট করে পছন্দমত জায়গাই বা কী করে পাওয়া যাবে? তাই নানারকম ভাবনা-চিন্তা করতে করতেই কয়েকটা দিন কেটে গেল৷ এরমধ্যে অবশ্য আর কিছু ঘটেনি৷ প্রিয়া কিংবা অরিন্দম কেউই অবশ্য আর রাতে ঘরের বাইরে যায় না৷ তবে দিনের বেলা তো নয়ই, সন্ধের পরও আর কোনও আগন্তুককে দেখা যায়নি৷ তাই অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়েছিল দুজনে৷ কে জানে হয়তো চোখের ভুলই৷ এরমধ্যে বাড়ির কাজও বেশ খানিকটা এগিয়েছে৷ মাঝখানে দুদিন উত্তরপাড়ায় বোনের বিয়েতে কাটিয়ে, শিলিগুড়ি যাওয়া হল৷ সেখানেও চার-পাঁচদিন কাটল বেশ হৈচৈ করে৷ শিলিগুড়ি থেকে ফেরা দুপুরের ফ্লাইটে৷ এয়ারপোর্ট থেকে আসার সময়ই দেখা গেল আকাশ মেঘে ঢেকে গেছে৷ বিকেলের পর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়া শুরু হল৷ ওয়েদার রিপোর্ট বলছে নিম্নচাপ৷ সন্ধের পর ঝড়-বৃষ্টি দুই-ই বাড়বে৷

    রাতে খিচুড়ি বানিয়েছিল প্রিয়া৷ ফুলকপি-কড়াইশুঁটি দিয়ে৷ সঙ্গে মাখন আর ডিমভাজা৷ রাতের খাবার খেয়ে অভ্যাসমত কফি নিয়ে বসেছিল দুজনে৷ টেলিভিশনে একটা পুরোন ইংরাজি ছবি হচ্ছে৷ অল্পবয়সী অড্রে হেপবার্ন৷ দুজনেরই আগে দেখা৷ তাই আলগাভাবে পর্দায় চোখ রেখে নিজেদের মধ্যে কথা বলছে টুকটাক৷ ছেলে-মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথাও হয়েছে একটু আগেই৷ হঠাৎ কেমন যেন একটা অস্বস্তি হল অরিন্দমের৷ মনে হল করিডরের দরজাটা খুলে কেউ যেন ভিতরে ঢুকে এল৷ চমকে পিছন ফিরে তাকাল প্রিয়াও৷ কেউ কোথাও নেই৷ কিন্তু স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে ঘরের মধ্যে কেউ এসেছে৷ পাপোশে পা ঘষে এগিয়ে আসছে৷ প্রিয়া আঁকড়ে ধরেছে অরিন্দমকে৷ পাশ দিয়ে চলে গেল কেউ৷ গিয়ে বসল সিঙ্গল সোফাটায়৷ দেখা যাচ্ছে না কাউকে৷ কিন্তু সোফার মাঝখানটা দেবে গেল নিজে থেকেই৷ অরিন্দম বুঝতে পারছে তার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে৷ সামনের টেবিলে কফির কাপটা রাখা আছে৷ কিন্তু হাত বাড়িয়ে নেওয়ার সাহস হচ্ছে না৷ হঠাৎ ঝড়াম করে বাইরের দিকের একটা জানলা খুলে গেল৷ হু হু করে ভিতরে ঢুকে এল একঝলক ঠান্ডা কনকনে হাওয়া৷ আর সেই হাওয়ার দাপটেই যেন দপ করে একসঙ্গে নিভে গেল সবগুলো আলো৷ অদ্ভূতভাবে জানলাটা আবার বন্ধ হয়ে গেল দড়াম করে৷ ঘুটঘুটে অন্ধকার ঘর৷ কোনওরকমে মোবাইলটা জ্বালতে যাচ্ছিল অরিন্দম কিন্তু তার আগেই হাত টেনে ধরল প্রিয়ার৷ ঘরে কোথাও কারেন্ট নেই৷ কিন্তু টিভিটা চালু হয়েছে৷ ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে কতগুলো ছবি৷ অবাক হয়ে দেখতে থাকে অরিন্দম আর প্রিয়া৷ পর্দায় দেখা যাচ্ছে তাদের এই বসার ঘরটাই৷ ঠিক একইরকম ভাবে সাজানো, শুধু পর্দাগুলো আলাদা৷ সোফায় বসে আছেন একজন বয়স্ক মহিলা৷ টিভি দেখছেন৷ হাতে রিমোট৷ মাঝে মাঝেই চ্যানেল ঘোরাচ্ছেন৷ দরজা খুলে ভিতরে এলেন শীলা মিত্র৷ একটা চকোলেট ব্রাউন রঙের ওপর হলুদ ফুল চাপের শাড়ি পরেছেন৷ কাঁধে ব্যাগ৷ ভদ্রমহিলা একবার পিছন ফিরে তাকিয়ে একটু অবাক হয়ে কী যেন বললেন৷ তারপর আবার টিভির পর্দায় চোখ৷ শীলা মিত্রও কথা বলতে বলতে এসে দাঁড়ালেন মহিলার পিছনে৷ তাঁর ডান হাতে একটা কিছু রয়েছে৷ আচমকা হাতের জিনিসটা দিয়ে মহিলার মাথায় খুব জোরে আঘাত করলেন শীলা৷ ফটাস করে খুলি ফেটে যাওয়ার আওয়াজ হল৷ রক্ত ছিটকে এল চারিদিকে৷ মহিলার মাথাটা হেলে পড়ল৷ বোঝাই যাচ্ছে শরীরে আর প্রাণ নেই৷ তাও ভালো করে আর একবার দেখে নিয়ে শীলা মিত্র বেসিনের কাছে গিয়ে প্রথমে হাতের মুগুরের মতো জিনিসটা ভালো করে ধুলেন৷ শাড়িতে যেখানে রক্ত লেগেছিল সেগুলোও ধুয়ে নিলেন৷ তারপর মুগুরটা ব্যাগে ভরে, আইহোল দিয়ে একবার বাইরেটা ভালো করে দেখে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন দরজাটা টেনে দিয়ে৷

    আলো জ্বলে উঠেছে ঘরের৷ টিভিতে আবার অড্রে হেপবার্ন ফিরে এসেছে৷ সোফায় হতভম্বের মতো বসে আছে প্রিয়া আর অরিন্দম৷ উল্টোদিকের সিঙ্গল সোফাটা এখন খালি৷ অদৃশ্য মানুষটি তাদের অজান্তেই উঠে চলে গেছেন৷

    সারারাত ঘুমোয়নি দুজনের কেউই৷ যদিও আর কোনও অশরীরী উপস্থিতি কোথাও বোঝা যায়নি৷ কিন্তু তবু পরস্পরকে প্রায় আঁকড়ে ধরে জেগেই কাটিয়েছে৷ ভোরের আলো ফুটতে প্রিয়া উঠে চা করল দু-কাপ৷ চা নিয়ে খাবার টেবিলে বসে অরিন্দম বলল, এখন তাহলে কী করা যায়?

    আগে তো আজ গিয়ে কোনও হোটেলে উঠি৷ তারপর ভাবব….

    মাথা নাড়ল অরিন্দম, না, সেটা করা উচিত হবে না৷ ওই ভদ্রমহিলা, তিনি যেই হোন না কেন খুব সচেতনভাবেই আমাদের ছবিটা দেখিয়েছেন, যাতে ওনার খুনি ধরা পড়ে৷ আমাদের আগে এই গেস্ট হাউসে যারা থেকেছে, তারা প্রায় সবাই বিদেশি৷ তাই তারা কিছু দেখতে পায়নি৷ কারণ মহিলা জানতেন তাদের দেখিয়ে কোনও লাভ নেই৷

    কী ভয়ঙ্কর ব্যাপার! শীলা মিত্রের মতো একজন সফিস্টিকেটেড মহিলা কীনা খুনি! আমার তো চোখে দেখেও বিশ্বাস হতে চাইছে না৷

    এখন এ ব্যাপারে একটি কথাও বোলো না৷ আগে পুরোটা জানতে দাও৷ আমার মনে হয় বাড়ির কেয়ারটেকারের কাছ থেকেই কিছু খবর পাওয়া যাবে৷

    আমেরিকান ফ্ল্যাগের ছবি দেওয়া টি-শার্ট আর একটা বিস্কুটের বাক্স৷ হাতে পেয়ে দারুণ খুশি হয়ে একগঙ্গা গল্প করল কেয়ার টেকার বনমালী৷ প্রায় বছর আষ্টেক এই বাড়িতে চাকরি করছে সে৷ তার কাছেই জানা গেল শীলা মিত্র আর ইলা বসু ছিলেন দুই বোন৷ তাঁদেরই বাবার বাড়ি ছিল এখানে৷ বাড়ি ভেঙে ফ্ল্যাট তৈরি হয়৷ শীলা আর ইলা দোতলায় মুখোমুখি ফ্ল্যাটে থাকতেন৷ ইলা বিবাহিত ছিলেন৷ তবে ছেলেপুলে ছিল না৷ স্বামী মারা যান বছর দশেক আগে৷ ইলা নিজে ভালো চাকরি করতেন৷ থাকতেনও বেশ স্বচ্ছল ভাবেই৷ শীলা বিয়ে করেননি৷ ছোট-খাটো চাকরি করেছেন৷ তাঁর নেশা ছিল নাটক করা৷ তাই নিয়েই নাকি মেতে থাকতেন একসময়৷ বছর দুয়েক আগে ইলা বসু হঠাৎ খুন হন৷ নিজের ঘরেই মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়েছিল তাঁকে৷ শীলা তখন বাড়িতে ছিলেন না৷ সেদিন সকালেই দক্ষিণেশ্বরে গেছিলেন পুজো দিতে৷ ফিরে এসে দেখেন এই ঘটনা৷ পুলিশ অনেক চেষ্টা করেছিল৷ পুলিশ কুকুরও এসেছিল৷ কিন্তু কিছু পাওয়া যায়নি৷ এরপর শীলা দিদির ফ্ল্যাটটা গেস্ট হাউস হিসাবে ভাড়া দিয়ে দেন৷ পরে ওপরতলার গুপ্তাজির ফ্ল্যাট ছেড়ে দিলে নিজে চারতলায় চলে গিয়ে দোতলার ফ্ল্যাটটা বিক্রি করে দেন৷

    দেখুন, আপনার কথাগুলো আমি বুঝতে পারছি, কিন্তু মুশকিল হচ্ছে ভৌতিক ঘটনার ভিত্তিতে পুলিশ তো আর কিছু করতে পারে না৷ শীলা মিত্র যে খুনটা করেছেন এর স্বপক্ষে তো আমার কাছে কোনও প্রমাণ নেই৷ আপনার কাছেও নেই৷

    যাদবপুর থানার অফিসার পূর্বাচল কর-এর সঙ্গে বসে কথা বলছিল অরিন্দম৷ ভদ্রলোক বেশ মন দিয়েই সবকথা শুনেছেন৷ যদিও বিশ্বাস করেছেন কীনা সেটা মুখ দেখে বোঝার জো নেই৷ তবে গুরুত্ব যে দিয়েছেন সেটা প্রশ্নের ধরনে বোঝা গেল৷

    আপনারা কি নিশ্চিত যে খুনের ঘটনার সময় শীলা মিত্র বাড়িতে ছিলেন না?

    একশো শতাংশ৷ ইলা বসুর কেস আমিই হ্যান্ডেল করেছিলাম৷ আমি বলছি আপনাকে, সকালে শীলা মিত্র বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান৷ দক্ষিণেশ্বর গেছিলেন৷ সেরকম মাঝে মাঝে যেতেন৷ বাসের টিকিটও সঙ্গে ছিল৷ শীলা যখন বেরোন তখনও ইলা বসু বেঁচে৷ দুই বোনের বাড়িতে একই ঠিকে লোক কাজ করত, সে তখন ইলার বাড়িতে কাজ করছিল৷ সারাদিনে শীলা আর বাড়িতে ফেরেননি৷ বিকেলে কাজের লোকটিই আবার এসে দরজা ধাক্কায়৷ ইলা বসু না খোলায় দরজা ভাঙা হয়৷ শীলা ফিরেছিলেন তারও পরে৷ বাড়ির গেটে সিসিটিভি আছে৷ আমরা খুব ভালো করে চেক করেছি৷ কারণ শীলাই ছিলেন প্রাইম সাসপেক্ট, ইলা বসুর মৃত্যুতে তিনিই সবথেকে বেশি লাভবান হবেন৷ তাছাড়া দুই বোনের বাড়ির ডুপ্লিকেট চাবি দুজনের কাছে থাকত৷ তাই সুযোগও ওনার বেশি ছিল৷ কিন্তু প্রমাণ করা যায়নি৷

    আমাকে একবার ফুটেজটা দেখাতে পারেন?

    হ্যাঁ নিশ্চয়…

    মনিটরে মন দিয়ে ফুটেজটা দেখছে অরিন্দম৷ গেট দিয়ে বিভিন্ন লোক ঢুকছে-বেরোচ্ছে৷ কাজের মাসি, কুরিয়র সার্ভিসের লোক, দুটি বাচ্চা মেয়ে, একজন বয়স্ক ভদ্রলোক….হঠাৎ চমকে ওঠে অরিন্দম৷ হাতের ইশারায় পজ করতে বলে ছবিটাকে৷ একজন মহিলা ঢুকছেন গেট দিয়ে৷ খুব বেশি বয়স নয়৷ চুলে বড় খোঁপা করা৷ সানগ্লাস পরেছেন৷ ছিপছিপে চেহারা৷ পরনে একটা বড় বড় ফুল ছাপ শাড়ি৷

    ইনিই শীলা মিত্র….

    কী বলছেন আপনি! ইনি তো অনেক কমবয়সী একজন মহিলা….

    পূর্বাচলবাবু ঈষৎ বিরক্ত৷ কিন্তু অরিন্দম নাছোড়বান্দা, আমি বলছি আপনাকে ইনিই শীলা মিত্র৷ খুন করার সময় উনি এই শাড়িটা পরেছিলেন আমি দেখেছি৷ আপনি ভুলে যাচ্ছেন, উনি কিন্তু দীর্ঘদিন নাটক করেন৷ মেক-আপে চেহারা বদলে ফেলা ওনার পক্ষে অসম্ভব নয়৷ আপনি খোঁজ নিন ভালো করে….

    নিজের নাটকের দলের মহলাঘরেই মেক-আপ করেছিলেন শীলা৷ দলের লোকজনরা উত্তরবঙ্গে গেছে নাটক করতে৷ তাই ঘর যে ফাঁকা থাকবে তিনি জানতেন৷ শীলা যে এসেছিলেন তার সাক্ষী দিল উল্টোদিকের চা-ওলা৷ ঘটনাটা তার মনে আছে, কারণ শীলার অভ্যাস এক ভাঁড় চা খেয়ে ভিতরে ঢোকা৷ কিন্তু সেদিন তিনি চা-এর দোকানে দাঁড়াননি৷ চা-ওলা শীলাকে বেরোতে দেখেনি৷ ফুলফুল ছাপ শাড়িটাও জামা-কাপড় রাখার ট্রাঙ্কের মধ্যে পাওয়া গেল৷ খুনের মামলা তামাদি হয় না৷ তাই পূর্বাচল করের উদ্যোগেই শীলাকে আটক করে টানা জেরা করায় শেষপর্যন্ত খুনের কথা স্বীকার করলেন তিনি৷ টাকা-পয়সার বড্ড টানাটানি ছিল৷ দিদির ফ্ল্যাটটা পেলে আর্থিক স্বাচ্ছল্য আসবে জানতেন৷ তাছাড়া নাটক নিয়ে ইলা বারবার খোঁচা দিতেন বলে রাগও ছিল৷ সব মিলিয়েই খুনের পরিকল্পনা৷

    আপনার প্ল্যানিং কিন্তু নিঁখুত ছিল৷ আমাদের ঘোল খাইয়েই দিয়েছিলেন….

    পূর্বাচল করের দিকে একবার কঠিন দৃষ্টিতে তাকিয়ে শীলা মিত্র বললেন, তাই নাকি৷ তাহলে কোন গোয়েন্দা শেষপর্যন্ত ক্লু দিল আপনাদের?

    কে দিল জানেন? আপনার দিদি, প্রয়াত শ্রীমতি ইলা বসু৷

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }