Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই লোকটা!

    প্ল্যান করা হচ্ছিল অনেকদিন ধরেই৷ কিন্তু কিছুতেই সেটা কাজে লাগানো যাচ্ছিল না৷ কারণ একটাই৷ তিনজনের একসঙ্গে ছুটি নেওয়াটা আর কিছুতেই হয়ে উঠছিল না৷ মৈনাক কলেজে পড়ায়৷ তার ছুটি নিয়ে মোটেই সমস্যা নেই৷ পুজোয় তো এমনিতেই লম্বা ছুটি৷ গরমের সময় পরীক্ষার খাতা দেখা থাকলেও ছুটি নিতে খুব বেশি সমস্যা হয় না৷ প্রতীক ব্যাংকে চাকরি করে৷ মার্চ মাস ছাড়া অন্য সময় আগে থেকে ঠিক করে নিলে তারও ছুটি নেওয়া খুব একটা অসুবিধা নয়৷ ঝামেলা হল শান্তনুকে নিয়ে৷ তার চাকরি আইটি সেক্টরে৷ একে তো ডিউটি শিফটের কোনো মাথামুন্ডু নেই৷ ছুটি পাওয়াও ভারী কঠিন৷ তারমধ্যে শান্তনুর এমন একটা হাবভাব যেন সে অফিসে না গেলে অফিসের কাজকর্মই লাটে উঠবে৷ এদিকে আবার বেড়াতে যাওয়ার ইচ্ছেটিও ষোলো আনার ওপর আঠারো আনা৷ ফলে আলাপ-আলোচনা, জায়গা বাছা সব হয়ে গেলেও দিনটা আর কিছুতেই ঠিক করা যাচ্ছিল না৷

    শেষ পর্যন্ত অবশ্য হয়েছে৷ এবার পুজো বেশ দেরিতে৷ পুজোর বেড়ানো শেষ করে লোকজন যখন বাড়িমুখো তখনই ওরা চাপবে ট্রেনে৷ কালীপুজোর এক সপ্তাহ আগে বেরিয়ে ঠিক ভাইফোঁটার পরের দিন ফেরা৷ গন্তব্য গাড়োয়াল হিমালয়৷ প্রথমে নৈনিতাল৷ সেখান থেকে কৌশানি, তারপর বিনসর, চকোরি, শেষে পিথোরাগড় হয়ে ফেরা৷ প্রতীকের ইচ্ছে ছিল মাঝখানে আলমোড়াতেও একদিন থেকে যাওয়ার৷ কিন্তু সেটা আর সম্ভব হয়নি৷ যাওয়া-আসা নিয়ে এগারো দিনের ট্যুর৷

    মৈনাক, শান্তনু আর প্রতীক আসলে স্কুলের বন্ধু৷ কিন্তু একই পাড়ায় থাকে বলে স্কুল পাশ করে যাওয়ার পরেও বন্ধুত্বে কোনো ছেদ পড়েনি৷ ছোটবেলায় বেশ কয়েকবার তিনবাড়ির সবাই মিলে একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়া হয়েছে৷ কলেজে পড়ার সময় তারা তিনজনে লম্বা ট্যুর করেছে৷ চাকরি পাওয়ার পর অবশ্য এবারই প্রথম একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়া৷

    তিনজনে খুব বন্ধু হলেও স্বভাব-চরিত্র অনেকটাই আলাদা রকম৷ মৈনাক ধীর-স্থির, শান্ত প্রকৃতির, মাথা ঠান্ডা ছেলে৷ তবে একটু আলসে ধরনের৷ চট করে কিছু করে ফেলা তার দ্বারা হয় না৷ প্রতীক আবার ভারী চটপটে, সপ্রতিভ৷ যে কোনো জায়গায়, অচেনা লোকজনের সঙ্গে জমিয়ে ফেলতে তার জুড়ি নেই৷ তুলনায় শান্তনু বেশ খানিকটা নাক উঁচু, সামান্য হামবাগ ধরনের৷ যদিও সেটা কখনোই বিপজ্জনক মাত্রায় নয়৷ আর শান্তনুর বেশ রসবোধ আছে৷ মজার মজার আজগুবি কথা বলে সে অন্যদের দিব্যি হাসাতে পারে৷ তিনজনে একসঙ্গে থাকলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেও কোনো অসুবিধা হয় না৷ হাওড়া থেকে রাত পৌনে দশটায় ছাড়ে কাঠগোদাম এক্সপ্রেস৷ তাতেই রিজার্ভেশন করা ছিল৷ বাড়ি থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যেই ব্যাগপত্র গুছিয়ে বেরিয়ে পড়ল তিনজনে৷ ব্যাগ বলতে অবশ্য একটি করে পিট্টু মানে বড়সড় রুকস্যাক৷ বেশি জিনিসপত্র নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার পক্ষপাতী নয় কেউই৷ ট্যাক্সি ধরে সোজা হাওড়া স্টেশন৷ তিনজনেই মোটামুটি ভালো চাকরি করছে৷ তাই এসি টু-টিয়ারেরই টিকিট কাটা হয়েছে৷ ট্রেন প্ল্যাটফর্মে দিলে, নম্বর মিলিয়ে উঠে পড়া গেল৷ চারজনের একটা ক্যুপেতে, দুটো লোয়ার বার্থ প্রতীক আর শান্তনুর৷ শান্তনুর ওপরের বার্থটা মৈনাকের৷ প্রতীকের সঙ্গে একজন মাঝবয়সি ভদ্রলোক৷ সন্ধে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরোনো হয়েছে৷ রাত্তিরের খাবার তো আর খেয়ে আসা যায়নি৷ তাই ট্রেন ছাড়তেই সবার ব্যাগ থেকে বেরিয়ে পড়ল প্লাস্টিকের ঢাকনা দেওয়া কৌটো৷ লুচি, মুরগির কষা, আলুর দম আর চমচম৷ খাওয়া-দাওয়া সেরে, খানিকক্ষণ গল্পগুজব হল৷ কামরার বেশির ভাগ লোকই অবশ্য ততক্ষণে, কম্বল মুড়ি দিয়ে বালিশে মাথা রেখেছে৷ বড় আলো নিভে গেছে৷ পর্দা টেনে দেওয়া হয়েছে৷ অন্যরা বিরক্ত হতে পারে ভেবে শুয়ে পড়ল তিনজনেই৷

    পরের দিন সকালে উঠে শুরু হল টুকটাক আড্ডা৷ ট্রেন তখন চলছে বিহারের ভিতর দিয়ে৷ চারপাশে রুক্ষ জমি৷ মাঝে-মধ্যে ছোট ছোট গ্রাম৷ কুয়োতলা৷ ঝিরঝিরে নদী৷ এসি কামরার মোটা কাচের ভিতর থেকে সবই বেশ মনোরম, চোখ জুড়ানো৷ সেদিনটা ট্রেনেই কাটবে৷ পরের দিন সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ কাঠগোদাম পৌঁছানোর কথা৷ সেখান থেকে গাড়ি নেওয়া হবে৷ গাড়িতে করে সব জায়গা ঘুরে আবার কাঠগোদামে ফিরে এসে গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হবে৷ হোটেল অবশ্য সব জায়গাতেই বুক করা আছে৷ এখন যেহেতু ইন্টারনেটেই সব করা যায়, তাই আগে থেকেই বুকিং সেরে ফেলতে অসুবিধা হয়নি৷ ট্রেনটা চলছিল ভালোই৷ কিন্তু দুপুরের পর হঠাৎ একটা অজানা ছোট্ট স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ল৷ আধঘণ্টা-একঘণ্টা, গাড়ির নড়ার কোনো লক্ষণ নেই৷ লোকজনের কাছে জানা গেল, সামনের লাইনে কোথায় নাকি ফিশ-প্লেট খোলা ছিল৷ সময়মতো নজরে আসায় দুর্ঘটনা কিছু ঘটেনি৷ কিন্তু লাইনটা পরীক্ষা করা হচ্ছে আর কোথাও কোনো গণ্ডগোল আছে কিনা দেখার জন্য৷ সেটা হয়ে গেলে তবেই গাড়ি ছাড়বে৷ বদ্ধ কম্পার্টমেন্টে বসে থাকাটা খুবই বিরক্তিকর৷ তিন বন্ধুই তাই প্ল্যাটফর্মে নেমে এদিক-ওদিক ঘুরে-ফিরে দেখছিল৷ দেখার অবশ্য বিশেষ কিছুই নেই৷ নেহাতই ছোট একটা স্টেশন৷ টিনের চালা দেওয়া স্টেশন মাস্টারের ঘর৷ তার ওপাশে দুটো-চারটে মাটির বাড়ি৷ লোকজনও বিশেষ নেই৷ একটা দেহাতি বউ ছেলে কোলে ঘোমটা টেনে বসে আছে৷ সঙ্গের লোকটা সম্ভবত তার বর৷ পান চিবোচ্ছে আর পায়চারি করছে৷ হাঁটতে হাঁটতে তিন বন্ধু প্ল্যাটফর্মের প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে, এমন সময় নজরে পড়ল, প্ল্যাটফর্মটা যেখানে ঢালু হয়ে গেছে ঠিক তার আগেই বসে আছে একটা ভিখারি৷ সর্বাঙ্গে একটা ময়লা সাদা কাপড় জড়ানো৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও বোঝা যায় বেশ হৃষ্টপুষ্ট চেহারা৷ একমাথা ঝাঁকড়া চুল৷ প্রতীকরা কাছে যেতেই খ্যানখেনে গলায় বলে উঠল, দয়া লাগে বাবা৷ দোদিন সে খানা নেহি খায়া৷ পাঁচঠো রূপয়া দে দো গরিবকো৷

    বেড়াতে বেরোলে মানুষের মন এমনিতেই খুশি থাকে৷ তা ছাড়া মৈনাকের আবার দয়ার শরীর৷ সে পকেটে হাত দিয়েছিল৷ কিন্তু শান্তনু তার হাত চেপে ধরে বলল, মোটেই দিবি না৷ দিব্যি নধর চেহারাখানা৷ খেটে খেতে পারে না? কুঁড়ের হদ্দ৷ ভিক্ষা করে অন্যের পয়সায় থাকার অভ্যাস৷ এইসব পরগাছাকে একটুও প্রশ্রয় দিতে নেই৷

    কথা বলতে বলতে ভিখারিটাকে ছাড়িয়ে তিনজনেই এগিয়ে গেছিল খানিকটা৷ হঠাৎ দেখা গেল সিগন্যাল সবুজ হয়েছে৷ গাড়ি ছাড়বে৷ তাড়াহুড়ো করে ফেরার সময়, হয়তো খানিকটা অনিচ্ছাতেই শান্তনুর পায়ে লেগে ভিখারিটার সামনে রাখা খুচরো পয়সার বাটিটা গেল উলটে৷ কিন্তু তখন আর পিছন ফিরে তাকানোর সময় নেই৷ তিনজনেই দৌড়ে এসে কামরায় উঠতে না উঠতেই ট্রেন ছেড়ে দিল৷ প্রতীক আর মৈনাক ভিতরে চলে গেলেও শান্তনু দরজাতেই দাঁড়িয়ে ছিল৷ ট্রেন ধীরে ধীরে চলছে৷ দূর থেকেই শান্তনু দেখল ভিখারিটা কীরকম যেন অদ্ভুতভাবে খুচরোর বাটিটার ওপর উপুড় হয়ে কিছু একটা করছে৷

    কামরার দরজাটা যখন ভিখারিটাকে পেরোচ্ছে, তখন লোকটা হঠাৎ চোখ তুলে তাকাল শান্তনুর দিকে৷ তার দু-চোখে একটা অসম্ভব জ্বলজ্বলে হিংস্র দৃষ্টি৷ শান্তনুর বুকের ভিতরটা কীরকম যেন অজানা আতঙ্কে শিরশির করে উঠল৷

    রাত তখন বেশ গভীর৷ ট্রেন চলছে প্রচণ্ড গতিতে৷ কামরায় সবাই গভীর ঘুমে৷ ক্যুপেতে আজ ওরা তিনজন৷ কারণ প্রতীকের ওপরের বার্থে যিনি ছিলেন তিনি বিকেল নাগাদ নেমে গেছেন৷ কীরকম একটা অস্বস্তিতে হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেল শান্তনুর৷ আধো অন্ধকারে চোখ খুলতেই মনে হল, তার উলটোদিকের ওপরের খালি বার্থটায় কে যেন শুয়ে আছে৷ তাহলে কি মাঝখানে কোনো প্যাসেঞ্জার উঠেছে? ভালো করে তাকাল শান্তনু৷ নাঃ, বার্থ তো ফাঁকা৷ আবার চোখ বুজতেই শুরু হল অস্বস্তি৷ বারেবারেই মনে হচ্ছে, ওই বার্থটাতে আপাদমস্তক সাদা কাপড় মুড়ি দিয়ে কে যেন শুয়ে আছে৷ অথচ চোখ খুললে দেখা যাচ্ছে না৷ শান্তনুর কেমন যেন মনে হচ্ছে সাদা কাপড় মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা লোকটার সঙ্গে দুপুরে দেখা ভিখারিটার চেহারার মিল আছে৷ তার একবার ইচ্ছে হল প্রতীককে ডাকে৷ কিন্তু ব্যাপারটা এতই আজগুবি যে শেষ পর্যন্ত না ডেকে উলটোদিক ফিরে শুল এবং অনেকক্ষণ অস্বস্তিতে ছটফট করে শেষ পর্যন্ত ঘুমিয়েও পড়ল৷

    পরদিন সকালবেলায় ঝকঝকে রোদে অবশ্য রাতের সবকিছুই ভারী অবাস্তব আর হাস্যকর ঠেকল শান্তনুর৷ নামার সময় হয়ে এসেছে৷ প্রতীকের তাগাদায় জিনিসপত্র যেটুকু যা বার করা হয়েছিল গুছিয়ে ব্যাগে পুরে ফেলল সবাই৷ ট্রেন মোটামুটি সময়মতোই কাঠগোদাম পৌঁছোল৷ সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে নৈনিতাল৷ লেকের ধারেই হোটেল বুক করা হয়েছে৷ বেশ কনকনে ঠান্ডা৷ জিনিসপত্র রেখে তখনই চারিদিকে এক চক্কর দিয়ে আসা হল৷ তারপর সন্ধের মুখে হোটেলে ফিরে গরম কফির সঙ্গে চিকেন পকোড়া খেয়ে দিলখুশ হয়ে গেল তিনজনেরই৷ পাহাড়ি জায়গায় এমনিতেই লোকে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ে৷ তার ওপর দু-রাত ভালো করে ঘুম হয়নি৷ তাই রাতের খাওয়া সেরে কম্বলের তলায় ঢুকে একটু গল্পগুজবের পরই নাক ডাকতে লাগল প্রতীকের৷ মৈনাকেরও হাই উঠছে দেখে আলোটা নিভিয়ে শুয়ে পড়ল শান্তনু৷ একটা মস্ত ডাবল বেড রুমে একস্ট্রা কট ঢুকিয়ে তিনজনের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে৷ ঘরটার চারপাশেই মস্ত মস্ত কাচের জানলা ভারী পর্দা দিয়ে ঢাকা৷ তবে ঘরটা যাতে পুরোপুরি অন্ধকার না হয়ে যায়, তাই প্রতীক একটা জানলার পর্দা খানিকটা সরিয়ে রেখেছে৷

    পাশের দুটো খাটে দুই বন্ধুই ঘুমোচ্ছে৷ কিন্তু ক্লান্তিতে চোখ ভারী হওয়া সত্ত্বেও শান্তনুর কিছুতেই ঘুম আসছে না৷ বারবার তার চোখ চলে যাচ্ছে ওই পর্দা সরানো জানলাটার দিকে৷ এরকম করতে করতেই বোধহয় একটু চোখটা লেগে এসেছিল৷ হঠাৎ চটকা ভেঙে শান্তনুর মনে হল ঘরটা যেন একটু বেশি অন্ধকার৷ চমকে জানলার দিকে তাকাতেই দেখতে পেল, একটা লোক দাঁড়িয়ে আছে, সাদা কাপড় জড়ানো একটা লোক৷ নিজের অজান্তেই গলা দিয়ে একটা আর্তনাদ বেরিয়ে এল শান্তনুর৷ আওয়াজটা হতেই জানলা ফাঁকা৷ কেউ কোথথাও নেই৷ কিন্তু ততক্ষণে তার চিৎকারে মৈনাক ঘুম ভেঙে উঠে বসেছে৷

    কী রে, কী হয়েছে?

    বন্ধুর উদ্বিগ্ন প্রশ্ন শুনে শান্তনু বলল, মনে হল ওই জানলাটার সামনে কেউ যেন দাঁড়িয়েছিল৷

    অচেনা জায়গা৷ শান্তনুর কথা শুনে তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠল মৈনাক৷ প্রতীকেরও ঘুম ভেঙে গেছে৷ জ্যাকেটটা গায়ে গলিয়ে জানলার কাছে গিয়ে সেটা খুলে ভালো করে চারপাশটা দেখে মৈনাক বলল, দূর, তুই ঘুমের ঘোরে ভুল দেখেছিস৷ এপাশে তো কিছুটি নেই৷ নীচে সোজা খাদ নেমে গেছে৷ কারুর পক্ষে এই জানলার সামনে এসে দাঁড়ানোই সম্ভব নয়৷

    জানলাটা বন্ধ করে পর্দাটা টেনে দিল মৈনাক৷ তিনজনেই শুয়ে পড়ল আবার৷ ঘুমিয়ে পড়ল শান্তনুও৷ গভীর ঘুম নয়, ছেঁড়া ছেঁড়া৷ পরদিন সকালে উঠে নিজেও একবার জানলাটা খুলে দেখল৷ ঠিকই বলেছে মৈনাক৷ তাহলে কি কোনো পাখি-টাখি উড়ে যাচ্ছিল? রাতচরা পাখির চওড়া ডানার ছায়া পড়েছিল জানলায়? কিন্তু সে তো ঘুমোয়নি৷ জেগেই ছিল৷ বেশ স্পষ্ট দেখেছে একটা মানুষের অবয়ব৷ আবছা অন্ধকারে মনে হচ্ছিল গায়ে যেন সাদা কাপড় জড়ানো৷ জোর করে মাথা ঝাঁকিয়ে ব্যাপারটাকে মন থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করল শান্তনু৷ নৈনিতালে আজই তাদের শেষদিন৷ ভালো করে ঘুরে দেখে নিতে হবে সবকিছু৷ উলটোপালটা চিন্তায় মন ভারী হয়ে থাকলে চলবে না৷

    সেদিন রাতে জানলার সব পর্দা ভালো করে টেনে শোয়া হয়েছিল৷ রাতে আর কোনো গণ্ডগোল হয়নি৷ শান্তনুরও ঘুম হয়েছিল ভালোই৷ পরদিন সকালে জলখাবার খেয়েই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়া হল কৌশানির দিকে৷ যাওয়ার পথে একপাশে ঘন সবুজ পাহাড়৷ অন্যপাশে খাদ৷ মাঝে মাঝে নেমে আসছে রুপোলি ঝরনা৷ পরিষ্কার ঝকঝকে নীল আকাশ৷ কনকনে ঠান্ডা হাওয়া৷ সব মিলিয়ে দারুণ লাগছিল তিনজনেরই৷ মাঝে দু-একবার নেমে ছবিও তোলা হল৷ কৌশানি যখন পৌঁছানো হল তখন বারোটা বেজে গেছে৷ খিদেও পেয়েছে জোরে৷ কিন্তু মুশকিল হল যে হোটেলটা তারা বুক করে এসেছে সেটা অপেক্ষাকৃত নতুন৷ তাই ড্রাইভার আগেই জানিয়ে দিয়েছিল সে হোটেলটা চেনে না৷ তাতে অবশ্য চিন্তার কিছু নেই৷ কৌশানি নেহাতই ছোট একটা ট্যুরিস্ট স্পট৷ একটু খোঁজ করলেই পাওয়া যাবে ধরে নিয়ে গাড়িটা দাঁড় করানো হল একটা বাজার মতো জায়গায়৷ ছোট-খাটো দোকান-পাট৷ ফল, সবজি, জামা-কাপড় সবই বিক্রি হচ্ছে৷ স্থানীয় লোকজনই ঘোরাফেরা করছে৷ শান্তনু হিন্দিটা ভালো বলে৷ তাই সে গাড়ি থেকে নেমে একটা লোককে হোটেলের নাম আর ঠিকানাটা বলল৷ কিন্তু সে লোকটা হয় আনাড়ি না হয় হিন্দিও ঠিকমতো বোঝে না৷ তাই কোনো কথা না বলে মাথা নেড়ে চলে গেল৷ বাধ্য হয়েই শান্তনু আরও একটু এগিয়ে গিয়ে একজন বয়স্ক দোকানদারকে হোটেলের ঠিকানা লেখা কাগজটা দেখালে, তিনি অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই চিনতে পারলেন৷ বলেও দিলেন, বড় রাস্তা বরাবর আরও খানিকটা এগোলে, বাঁ হাতে পাহাড়ে ওঠার একটা পথ আছে৷ সেটা ধরে ওপরে উঠে একটু গেলেই হোটেল সামারিটান৷ খুশি হয়ে তাঁকে ধন্যবাদ দিয়ে ফিরে আসছে শান্তনু৷ একটু দূরে গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে৷

    হঠাৎ রাস্তার পাশে তাকিয়ে সাংঘাতিক চমকে গেল শান্তনু৷ একটা ছোট বাড়ি৷ রাস্তা থেকে একটা কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হবে৷ সিঁড়ির পাশেই বসে আছে একটা ভিখারি৷ ময়লা সাদা কাপড়ে সর্বাঙ্গ ঢাকা৷ ট্রেনের দরজা থেকে শান্তনু যেমন দেখেছিল, ঠিক সেইরকমভাবে উপুড় হয়ে আছে পয়সার বাটিটার ওপর৷ মুখটা দেখা যাচ্ছে না৷ দিনের বেলা৷ চারপাশে লোকজন৷ তবু শান্তনুর মনে হল তার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাবে৷ কোনোদিকে না তাকিয়ে সে ছুটল গাড়ির দিকে৷ প্রতীক আর মৈনাক তো তাকে ওইভাবে ছুটে আসতে দেখে অবাক৷ কোনোরকমে একটু শ্বাস নিয়ে শান্তনু ভয়ার্ত গলায় বলে উঠল, সেই লোকটা রে….৷

    কোন লোকটা? অবাক হয়ে জানতে চাইল প্রতীক৷

    সেই স্টেশনের ভিখারিটা৷ সেই যে পয়সার বাটিটা আমার পা লেগে উলটে গেল৷

    কী বলছিস পাগলের মতো! সে এখানে আসবে কোথা থেকে! তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি?

    শান্তনু চোখ বিস্ফারিত করে বলে, না আমি দেখেছি রে৷ ঠিক দেখেছি৷ সেই লোকটাই…৷

    আচ্ছা চল, আমরাও দেখব৷

    গাড়ি থেকে নেমে আসে প্রতীক আর মৈনাক৷ তিনজনে মিলে এগোয়৷ শান্তনু একটু পিছনে৷ কাঠের সিঁড়িটার সামনে আসে৷ সিঁড়ির পাশে একজন মোটাসোটা বয়স্ক মহিলা বসে আছেন৷ হাতে একটা কুলোতে কিছু মশলাপাতি৷ মহিলা সেগুলো বেছে পরিষ্কার করছেন৷

    কোথায় দেখেছিলি?

    এই তো এখানেই বসেছিল৷

    মৈনাক এগিয়ে গিয়ে ভাঙা হিন্দিতে মহিলার সঙ্গে দু-চার কথা বলে জেনে নেয় যে তিনি প্রায় একঘণ্টা হল এখানে বসে মশলা বাছছেন৷ এর মধ্যে অন্য কেউ আসেনি৷

    গাড়ির ড্রাইভারের সামনে তিনজনের কেউই কোনো কথা বলেনি৷ কিন্তু হোটেলে ঢুকে জামাকাপড় বদলানোর পর প্রতীক বলল, কী ব্যাপার বল তো শান্তনু? তোর হঠাৎ এরকম মনে হল কেন?

    হঠাৎ মনে হয়নি রে৷ ক-দিন ধরেই মনে হচ্ছে৷ ইনফ্যাক্ট আমার মনে হচ্ছে লোকটা আমাকে ফলো করছে৷ সারাক্ষণ আড়াল থেকে আমার ওপর নজর রাখছে৷

    কিন্তু সেটা কি সম্ভব? লোকটা একটা ভিখারি৷ আমরা ট্রেনে করে এতদূর চলে এসেছি৷ কীভাবে লোকটা এখানে আসতে পারে তুই নিজেই বল?

    আমি তো বুঝতে পারছি যে বাস্তবে এটা সম্ভব নয়৷ কিন্তু মনে হচ্ছে৷ বলতে পারিস সিক্সথ সেনস কাজ করছে৷

    তোমার সিক্সথ সেনসটাকে এবার ফিফথে নামিয়ে আনো গুরু৷ পঞ্চ ইন্দ্রিয়ই যথেষ্ট৷ তার বেশি ঈশ্বর যখন দেননি তখন প্যাঁচ কষে লাভ নেই৷ আমার মনে হচ্ছে প্রতীক, শান্তনুর বোধহয় প্রোটিন ডায়েট কম হচ্ছে৷ আমরা রোজ মুরগি খাচ্ছি তো৷ মুরগিটা আজকাল প্রায় ঘাসপাতার মতোই হয়ে গেছে৷ আজ দুপুরে মাটন কারি বলি৷ তাহলেই দেখবি ব্যাটার ভুলভাল দেখা কমে যাবে৷

    মৈনাকের কথা শুনে হো হো করে হেসে ওঠে প্রতীক আর শান্তনু দুজনেই৷ ব্যাপারটা তখনকার মতো মিটে যায়৷

    কৌশানিতে দু-দিন থেকে সেখান থেকে বিনসর৷ জঙ্গলের ভিতর টিলার ওপরে গাড়োয়াল বিকাশ নিগমের ট্যুরিস্ট লজ থেকে অপূর্ব সূর্যোদয়৷ রাস্তার দু-ধারে রকমারি ফুলের শোভা৷ শুকনো ওক গাছের মাথার ওপর বসে থাকা সোনালি ঈগল৷ সব মিলিয়ে বেড়ানোর আনন্দ এমন জমজমাট হয়ে ওঠে যে শান্তনুর মন থেকে ভয়ের কালো ছায়াটা অনেকটাই সরে যায়৷

    বিনসরের পরের গন্তব্য চকৌরি৷ এখানেও বুকিং ছিল গাড়োয়াল বিকাশ নিগমের ট্যুরিস্ট লজেই৷ তবে ঘর পাওয়া যায়নি৷ ডরমিটরিতে তিনটে বেড৷ চকৌরিতে পৌঁছোনো হল দুপুর নাগাদ৷ লজের বারান্দা থেকেই দেখা যায় দিকচক্রবাল জুড়ে বরফে ঢাকা হিমালয়ের ধ্যানমগ্ন মূর্তি৷ বেলা হয়ে গেছে বলে বরফের চূড়া কিছু কিছু জায়গায় মেঘে ঢাকা৷ সামনে যতদূর চোখ যায় সবুজ চা-বাগান৷ তার মাঝে মাঝে ছোট ছোট লাল টালির বাংলো৷ চারিদিক শান্ত, শুনশান৷ শুধু অজানা পাখির ডাক আর চিলের তীক্ষ্ণ স্বর৷ লজের ম্যানেজার বলে দিয়েছিলেন সন্ধের পর বাংলোর হাতার বাইরে না বেরোতে৷ এদিকটা লেপার্ড বেরোয় প্রায়ই৷ তাই দুপুরের খাওয়া সেরেই তিনজনে পুরো এলাকাটা এক চক্কর দিয়ে এল৷ সন্ধে নামতে প্রথমটায় বারান্দায় বসা হলেও একটু পরেই অবশ্য ঘরে ঢুকে যেতে হল৷ কারণ ঠান্ডা বাড়ছে দ্রুত৷ রাত ন’টা নাগাদ একজন বেয়ারা এসে জানাল ডাইনিং হলে খাবার দেওয়া হয়েছে৷ শান্তনুর একটু ঘুম ঘুম পাচ্ছিল৷ সে তাই কম্বলের ভিতরে ঢুকেছিল৷ প্রতীক আর মৈনাক তাকে তৈরি হতে বলে ডাইনিং হলের দিকে এগোল৷ শান্তনুও মিনিট দশেকের মধ্যেই সোয়েটার, জ্যাকেট চাপিয়ে দরজায় তালা লাগিয়ে খাবার ঘরের দিকে রওনা দিল৷ লম্বা একটা করিডর৷ তার এক মাথায় শান্তনুদের ডরমিটরি৷ অন্য মাথায় ডাইনিং হল৷ পুরো করিডরটাই টিউব লাইটের আলোয় আলোকিত৷ একটু ঘুম ঘুম চোখ হাঁটছে শান্তনু৷ উলটোদিক থেকে আর একটি লোক আসছে৷ একদম কাছাকাছি আসতেই লোকটা চোখ তুলে তাকাল আর শান্তনুর মনে হল তার শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল৷ লোকটার গায়ে একটা সাদা কাপড় জড়ানো, ঝাঁকড়া চুল৷ চোখদুটো অদ্ভুত জ্বলজ্বলে৷

    কীভাবে যে হেঁটে ডাইনিং হল পর্যন্ত পৌঁছল শান্তনু নিজেই বোধহয় ঠিক জানে না৷ মৈনাক আর প্রতীক ততক্ষণে খেতে শুরু করেছে৷ শান্তনুর ফ্যাকাশে মুখ তারা লক্ষ করেনি৷ শান্তনুও কেন জানি বন্ধুদের কিছু বলতে পারল না৷ মনে হল, যদি ওরা হাসাহাসি করে৷ একবার তো বোকা হতেই হয়েছে৷ তাই চুপচাপ খাওয়া শেষ করে ফিরে এল ঘরে৷ ততক্ষণে চারিদিক নিঃঝুম হয়ে এসেছে৷ ঘড়িতে রাত মোটে দশটা৷ কিন্তু মনে হচ্ছে যেন মধ্যরাত৷ জামাকাপড় বদলে শুয়ে পড়া হল৷

    কম্বলের ওমে আর আরামে মাখামাখি হয়ে ঘুমিয়েই পড়েছিল শান্তনু৷ কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই কী একটা প্রবল অস্বস্তিতে তার ঘুম ভেঙে গেল৷ ডরমিটরিতে ছটা বেড৷ তারমধ্যে তিনটে খালি৷ তিনটে খাটে পরপর তারা তিন বন্ধু শুয়েছে৷ বিশাল ঘরটার চারপাশে বড় বড় কাচের জানলা৷ পর্দার কোনো বালাই নেই৷ শান্তনুর পায়ের কাছে যে জানলাটা সেটা দিয়ে বাইরের গেটটা দেখা যায়৷ কী একটা অজানা কারণে ওই জানলাটা থেকে চোখ ফেরাতে পারছিল না শান্তনু৷ একটু পরেই দেখা গেল, গেট দিয়ে একটা লোক ঢুকছে৷ হাতে একটা লণ্ঠন৷ তার অস্পষ্ট আলোয় বোঝা যাচ্ছে লোকটার গায়ে একটা সাদা কাপড় জড়ানো৷ চুলগুলো ঝাঁকড়া৷ লোকটা বারান্দার সিঁড়ি বেয়ে উঠে এসে জানলাটার সামনে দাঁড়াল৷ লণ্ঠনটা উঁচু করে ঘরের ভিতর কী যেন দেখার চেষ্টা করল৷ শান্তনু বুঝতে পারছে ও কী খুঁজছে৷ লোকটা আস্তে আস্তে এগোচ্ছে৷ প্রতিটা জানলার সামনে দাঁড়াচ্ছে৷ লণ্ঠন তুলে দেখছে৷ এবার দরজার সামনে এসেছে৷ দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ শান্তনু জানে৷ ক্যাঁচ করে একটা হালকা শব্দ৷ এক ঝলক ঠান্ডা হাওয়া বুঝিয়ে দিল দরজাটা খুলে গেছে৷ পায়ের শব্দটা এগিয়ে আসছে৷ শান্তনুর খাটের পাশে এসে থামল৷ প্রাণপণ চেষ্টা করেও চোখটা বুজতে পারছে না শান্তনু৷ লণ্ঠনটা তুলে ধরছে লোকটা৷ আলোটা পড়ছে তারই মুখের ওপর৷ সেই দুটো ভয়ংকর জ্বলজ্বলে চোখ৷ আলোটা আরও একটু উঠল৷ শান্তনু বিস্ফারিত চোখে দেখল সাদা চাদরটা সরে গেছে৷ লণ্ঠনটা ধরা আছে কনুইয়ের খাঁজে৷ হাতের বাকি অংশটা নেই৷ ততক্ষণে অন্য হাতটাও তুলে ধরেছে ভিখারিটা৷ সেটাও কনুইয়ের কাছ থেকে কাটা৷

    বিকট একটা চিৎকার করে ছুটে খাট থেকে নামতে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেছিল শান্তনু৷ তারপর আর কিছু তার মনে নেই৷ প্রতীকদের পিথোরাগড় যাওয়া হয়নি৷ সাংঘাতিক অসুস্থ শান্তনুকে নিয়ে কোনোরকমে প্লেনে করে ফিরে এসেছিল কলকাতায়৷ তার প্রবল জ্বর আর ভুল বকা দেখে চকৌরির ডাক্তার সেরকমই পরামর্শ দিয়েছিলেন৷ কলকাতায় ফেরার পরও প্রায় দিন সাতেক সময় লেগেছিল সুস্থ হয়ে উঠতে৷ সেরে ওঠার পর শান্তনু জানতে পেরেছিল সে নাকি ডরমিটরির দরজার কাছে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল৷ লজের চৌকিদার, যে সারারাত লণ্ঠন আর লাঠি নিয়ে ঘুরে ঘুরে চারিদিক পাহারা দেয় সেই প্রথম শান্তনুকে ওই অবস্থায় দেখতে পায়৷ বন্ধুরা তাকে বিশেষ কিছু জিজ্ঞাসা করেনি৷ কিন্তু শান্তনু নিজেই অনেকবার ভেবে দেখেছে, সে কি তাহলে ওই চৌকিদারকেই দেখেছিল? কিন্তু চৌকিদার বন্ধ ঘরের ভিতর ঢুকবে কী করে? তথ্য-প্রযুক্তি কেন্দ্রের কর্মী শান্তনু দত্ত কোনো বিজ্ঞানসম্মত উত্তর খুঁজে পায়নি৷ তবে রাস্তাঘাটে গরিব, অসহায় মানুষ কিংবা ভিখারিকে তাচ্ছিল্য করার অভ্যাসটা সে বদলে ফেলেছে৷

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }