Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আলফ্রেড ভোলেনি

    প্রথমে ভেবেছিল পরদিন সকালে যাবে৷ কিন্তু অফিসের কাজ-কর্ম বিকেলের মধ্যে মিটে

    যাবে বুঝে, তপন ঠিক করে ফেলল শুধু শুধু রাতটা আর মেসের ঘুপচি ঘরে কাটিয়ে লাভ নেই৷ তার থেকে বিকেলের বাস ধরে যদি হলদিয়া চলে যেতে পারে, তাহলে বড়দিনের দু-দিন ছুটির সঙ্গে শনি-রবি মিলে দিব্যি একটা চারদিনের ছুটি কাটানো যাবে৷ ধর্মতলা থেকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় হলদিয়ার বাস ছাড়ে, অসুবিধা নেই কিছু৷

    কিন্তু মুশকিল হল, তার নিজের কাজ শেষ হয়ে গেলেও সেগুলো চেকিং করতে অনেকটা সময় লাগিয়ে দিলেন বিমলবাবু৷ তাই শেষ পর্যন্ত তপন যখন ছুটতে ছুটতে ধর্মতলা পৌঁছল, তখন হলদিয়ার লাস্ট বাস ছাড়ব ছাড়ব করছে৷ তাতে অবশ্য অসুবিধা নেই কিছু৷ বাসস্ট্যান্ডের কাছেই তপনের বাড়ি৷ টোটো, রিকশা সব অনেক রাত পর্যন্ত থাকে৷ তপন তাই চটপট টিকিট কেটে বাসে উঠে বসতে না বসতেই বাস ছেড়ে দিল৷ শীতকাল৷ তায় আবার বিকেল থেকে টিপির টিপির বৃষ্টি হচ্ছে৷ বাসে তাই প্যাসেঞ্জার নেই তেমন৷ ছোট ব্যাগটা গুছিয়ে রেখে আরাম করে বসল তপন৷ কলকাতায় চাকরিটা পাওয়ার পর থেকে গত একবছর প্রায় প্রতি শনি-রবিবারেই হলদিয়া যায় সে৷ কিন্তু সে হল কোনওরকমে ঠেলে-গুঁজে বাসে ওঠা৷ এরকম হাত-পা ছড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো আর মেলে না৷ সারাদিন পরিশ্রমও গেছে খুব৷ তাই জ্যাকেটের চেনটা ভালো করে টেনে দিয়ে, মাফলারটা গলায় জড়িয়ে নিয়ে চোখ বুজল৷

    কতক্ষণ ঘুমিয়ে ছিল খেয়াল নেই৷ হঠাৎ লোকজনের কথাবার্তায় ঘুমটা ভেঙে গেল৷ বাসটা দাঁড়িয়ে আছে৷ আর চারপাশের লোকজন বেশ উত্তেজিতভাবে জোরে জোরে কথা বলছে৷ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হল তপন৷ এত তাড়াতাড়ি তো হলদিয়া পৌঁছানোর কথা নয়৷ তারপরেই পাশের প্যাসেঞ্জারের চেঁচামেচিতে ব্যাপারটা বোঝা গেল৷ হলদিয়া নয় তারা এসে পৌঁছেছে মহিষাদলে৷ কিন্তু ড্রাইভার বলছে, ইঞ্জিন স্টার্ট নিচ্ছে না৷ বাস আর যাবে না৷

    বেশ খানিকটা তর্কাতর্কির পর সবাইকেই নেমে যেতে হল বাস থেকে৷ তপন পড়ল বিপদে৷ কারণ মহিষাদল থেকে তখন আর হলদিয়া যাওয়ার বাস নেই৷ এদিকে মহিষাদল এমন কিছু বড় জায়গা নয় যে চাইলেই থাকার হোটেল পাওয়া যাবে৷ তা ছাড়া হোটেলে থাকা মানে খামোখা কতগুলো টাকা খরচা৷ খানিকটা যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা, তখন হঠাৎ তপনের মনে পড়ল তার এক দূরসম্পর্কের পিসির বাড়ি আছে মহিষাদলের কাছেই গেঁওখালিতে৷ তপন অবশ্য বহু বছর সেখানে যায়নি৷ কিন্তু যোগাযোগ আছে৷ একরাতের জন্য সেখানে আশ্রয় নিলে অখুশি হবে না৷

    ফোন খুলে পিসতুতো দাদা বাপনের নম্বর ডায়াল করল তপন৷ অমন হঠাৎ করে তপন আসছে শুনে প্রথমটায় অবাক হলেও বাপনদা কিন্তু খুশিই হল৷ তবে বাপনদার কাছে জানা গেল তাদের বাড়িটা ঠিক গেঁওখালিতে নয়৷ গেঁওখালি বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার মতো ভিতরে ঢুকে এলে মীরপুর গ্রাম৷ সেখানেই পিসির বাড়ি৷ বাপনদা বলল, তপু তুই একটা টোটো ধরে মহিষাদল থেকে গেঁওখালি চলে আয়৷ টোটোটা বাজারের সামনে দাঁড়াবে৷ টোটোওলাকে বলবি মীরপুর যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিতে৷ একটাই রাস্তা৷ সোজা এসেছে৷ ভয়ের কিছু নেই৷ সোজা চলে আসবি৷ আমি যেতাম তোকে আনতে৷ কিন্তু ক’দিন আগে পা মচকে গিয়ে হাঁটতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে৷ তাও চেষ্টা করব যতটা সম্ভব এগিয়ে যেতে৷ তুই রওনা দে৷

    বাপনদার কথামতো একটা টোটো ধরে গেঁওখালি পৌঁছে গেল তপন৷ গঞ্জ জায়গা৷ বাজারের দোকান-পাট ইতিমধ্যেই বেশির ভাগ বন্ধ হয়ে গেছে৷ টোটোওলাকে বলাতে সে মীরপুরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়ে বলল, সোজা চলে যান দাদা৷ জোরে হাঁটলে আধঘণ্টাটাক লাগবে৷ ফাঁকা রাস্তা৷ তবে ভয়ের কিছু নেই৷ আমি আপনাকে পৌঁছে দিতে পারতাম৷ তবে ছেলেটার জ্বর৷ ওষুধ কিনে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে হবে৷

    গেঁওখালি বাজারের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেছে রাস্তাটা৷ ছোট ব্যাগটা কাঁধে ঝুলিয়ে রওনা দিল তপন৷ কিছুদূর পর্যন্ত দু-চারটে দোকান-পাট বাড়িঘর আছে৷ তারপর দু-পাশে চাষের জমি৷ কীসের চাষ হয়েছে, কতদূর বিস্তৃত জমি বোঝার কোনও উপায় নেই৷ কারণ কৃষ্ণপক্ষের রাত৷ আকাশে চাঁদের চিহ্ন নেই৷ তারার আলোয় চারিদিকেই শুধু অন্ধকারের সমুদ্র৷ ঝোপে-ঝাপে অবশ্য অসংখ্য জোনাকি জ্বলছে৷ মাঝে-মধ্যে দু-একটা সাইকেল পাশ কাটিয়ে পেরিয়ে যাচ্ছে৷ এ ছাড়া চারিদিক শুনশান৷ টিপটিপে বৃষ্টিটা নেই৷ কিন্তু কনকনে ঠান্ডা হাওয়া একেবারে হাড়ের ভিতর পর্যন্ত কাঁপিয়ে দিচ্ছে৷

    সাবধানে হাঁটছিল তপন৷ অচেনা রাস্তা৷ তায় আবার এরকম অন্ধকারে৷ গর্তে পা পড়ে গিয়ে বিপদ হতে কতক্ষণ৷ কিছুক্ষণ হাঁটার পর বাতাসে কেমন একটা আঁশটে, জলীয় গন্ধ ভেসে এসে নাকে লাগল৷ জলাভূমির পাশ দিয়ে গেলে যেমনটা পাওয়া যায়৷ মীরপুর গ্রামের পাশে রূপনারায়ণ নদী৷ কিন্তু রাস্তাটাও কি নদীর পাশ দিয়ে গেছে, ভাবছিল তপন৷ কেমন যেন একটু অস্বস্তিও হচ্ছিল৷ চার-পাশের পরিবেশটা কেন যেন মনে হচ্ছে হঠাৎ একটু বদলে গেছে৷ আশপাশে দু-একটা মাটির বাড়ি দেখা যাচ্ছে৷ কিন্তু তার কোনওটাতেই আলো জ্বলছে না৷ কোনও মানুষের অস্তিত্বও টের পাওয়া যাচ্ছে না৷ বাড়িগুলোর গড়নও কেমন যেন অচেনামতো৷ একটা বাড়ির দরজায় মনে হল ক্রশের মতো কী একটা ঝুলছে৷ বাপানদা আর টোটোওয়ালা দুজনেই বলেছিল, রাস্তা একটাই৷ সেটাই সোজা মীরপুর গেছে৷ কিন্তু সন্দেহ হতে শুরু করল তপনের৷ যেরকম অন্ধকার তাতে ভুল রাস্তায় চলে যাওয়া বিচিত্র কিছু নয়৷ কাউকে জিজ্ঞাসা করতে পারলে ভালো হত, কিন্তু চারপাশে কোনও মানুষজনই দেখা যাচ্ছে না৷ ভাবতে ভাবতেই দেখা গেল রাস্তার ধারে একটা বাড়িতে আলো জ্বলছে৷ এই বাড়িটাও বেশ অন্যরকম দেখতে৷ মাটির বাড়ি ঠিকই, কিন্তু সামনে একটুখানি আর্চ দেওয়া পোর্টিকোর মতো জায়গা৷ সেখান থেকে দু-ধাপ সিঁড়ি উঠে একটা ছোট বারান্দা, তারপর দরজা৷ দরজাটা অবশ্য ভিতর থেকে বন্ধ৷ কিন্তু ভিতর থেকে কথাবার্তার আওয়াজ আসছে৷ পাশে একটা জানলা, সেটা ভেজানো আছে৷

    অচেনা জায়গা৷ তাই প্রথমেই দরজায় টোকা দিতে সাহস হল না তপনের৷ সে বারন্দায় উঠে এসে সাবধানে জানলাটা একটু ফাঁক করে ভিতরে উঁকি দিল৷ ভিতরে বেশ কয়েকজন লোক রয়েছে৷ তবে তাদের দেখে তপনের মনে হল সম্ভবত কোনও নাটকের মহড়া চলছে৷ কারণ লোকগুলো সবই চাপা পায়জামা আর ওপরে ফোলা ফোলা একধরনের জামা পরেছে৷ পিরিয়ড ফিল্মে ইউরোপের মানুষজনকে যেরকম পোশাক পরতে দেখা যায় সেরকম৷ লোকগুলোর মাথায় পরচুলা আছে৷ মুখও পেইন্ট করে ধপধপে ফর্সা৷ নিশ্চিত কোনও ঐতিহাসিক নাটকই হচ্ছে৷ ঘরটা এমনভাবে সাজানো যেন একটা ছোট বিচারশালা৷ একজন লোক, সম্ভবত অপরাধী, কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন৷ বিচারকের আসনে যিনি বসে আছেন, তাঁর মুখ দেখা যাচ্ছে না৷ তবে তাঁর পাশে আরও কয়েকজন রয়েছেন যাঁরা বিচারকের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলছেন৷ ঘরটা খুব বড় নয়৷ কিন্তু নাটকে সংলাপ স্পষ্টভাবে শুনতে পাচ্ছিল না তপন৷ তবে কোনও একটা বিষয়ে যে উত্তেজিতভাবে আলোচনা হচ্ছে সেটা বোঝা যাচ্ছে৷ অপরাধী লোকটি প্রাণপণে হাত-মুখ নেড়ে তিনি যে নির্দোষ সেকথা বলতে চাইছেন৷ কিন্তু বিচারক তাতে কানও দিচ্ছেন না৷ তিনি অন্য দুজনের সঙ্গে কথা বলছেন৷ দেখে মনে হচ্ছে বিচারকের সঙ্গে এই লোকগুলোর কোনও ষড় আছে৷ সেটা বুঝতে পেরেই অন্য মানুষটি সমানে প্রতিবাদ করার চেষ্টা করছেন৷ কিন্তু লাভ হল না কিছুই৷ বিচারক হাত তুলে সাজা ঘোষণা করে দিলেন৷ তারপরই ঘটল একটা সাংঘাতিক কাণ্ড৷ একটা লোক এসে ঘ্যাচাং করে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো লোকটার ডান হাত কব্জি থেকে কেটে দিল৷ লোকটি ভয়াবহ চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে গেলেন৷ যদিও নাটকের মহড়া, কিন্তু তপনের মনে হচ্ছিল ঘটনাটা যেন সত্যিই ঘটেছে৷ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল সে৷ আর ঠিক এই সময় তার মোবাইলটা বিকট আওয়াজ করে বেজে উঠল৷ সেই আওয়াজ শুনে চেয়ারে বসে থাকা বিচারক মুখ ঘুরিয়ে জানলার দিকে তাকালেন আর অবাক হয়ে তপন দেখল মুখটা তার ভীষণ চেনা৷ যদিও কোথায় দেখেছে মনে করতে পারছে না৷

    মোবাইলের স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে লেখা আছে বা পনদা কলিং৷ তপন তাড়াতাড়ি সিঁড়ি দিয়ে নেমে রাস্তায় এসে ফোনটা ধরল৷

    কী রে কদ্দূর এলি?

    এসে গেছি তো বেশ খানিকটাই৷ কোথায় এসেছি কী করে বলব বলো তো! চারিদিকই তো ঘুরঘুট্টি অন্ধকার৷ আচ্ছা দাঁড়াও বলছি, আমি এসেছি…..

    বাড়িটার একটা বর্ণনা দেবে বলে পিছন ফিরে অবাক হয়ে তপন দেখল রাস্তার ধারটা পুরোপুরি অন্ধকার৷ বাড়ি, আলো, মহড়া সবই কেমন ভোজবাজির মতো মিলিয়ে গেছে৷ সবটাই কি তাহলে চোখের ভুল? নাকি রাস্তাটা হঠাৎ একটা বাঁক নিয়েছে বলে বাড়িটা দেখা যাচ্ছে না! অন্ধকার ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গা-টা কেমন যেন শিরশির করে উঠল তপনের৷ এদিকে ফোনের ওদিকে বাপনদা অস্থির হয়ে উঠেছে৷ তাই বাধ্য হয়েই বলল, রাস্তাটা যেখানে বাঁদিকে বেঁকেছে, সেখানে আছি….

    বুঝেছি৷ আর মিনিট দশেক লাগবে৷ এগিয়ে আয়৷ আমি গ্রামের মুখে দাঁড়িয়ে আছি৷

    রাস্তার ধারেই একটা দোকান৷ তাতে তখনও উনুনে চায়ের কেটলি বসানো৷ সামনের বেঞ্চে বসে ছিল বাপনদা৷ তপনকে দেখেই একেবারে হৈহৈ করে উঠল, যাক ভাগ্যিস বাস খারাপ হয়েছিল, তাই এতদিন বাদে পিসির বাড়ি আসা হল৷ শেষবার এসেছিলি তখন তোর ক্লাস ফোর৷ মা শুনেই দারুণ খুশি৷ বারবার বলছে কতকাল বাদে আবার তপুটাকে দেখব৷

    বড় রাস্তা থেকে পিসির বাড়ি কাছেই৷ তবে পায়ে ব্যথার জন্য খুঁড়িয়ে হাঁটছে বাপনদা৷ তাই একটু সময় লাগল৷ পিসেমশাই বর্ধিষ্ণু চাষি৷ ছড়ানো বাড়ির একপাশে ধানের গোলা৷ পিছনে পুকুর, ফলের বাগান সব মিলিয়ে জমজমাট অবস্থা৷ তপন আসছে শুনে ওইটুকু সময়ের মধ্যেই নানারকম রান্নার আয়োজন শুরু হয়ে গিয়েছে৷ নিজের একসেট ফর্সা পাজামা-পাঞ্জাবি বার করে দিয়ে বাপনদা বলল, তুই জামা বদলে টিউবওয়েলে হাত-মুখ ধুয়ে নে তপু৷ মা চা দিচ্ছে৷ হারুদা তোকে টিউবওয়েল পাম্প করে দেবে৷

    আলোয়ান গায়ে দিয়ে একটা মাঝবয়সি লোক বারান্দার একপাশে বসেছিল৷ দেখেই বোঝা যাচ্ছে বাড়ির কাজকর্ম করে৷ বাপনের কথা শুনে উঠে বাইরের দিকে গেল৷ তপনও গেল পিছন পিছন৷ বারান্দা থেকে নেমে ডান পাশে একটু গেলেই টিউবওয়েল৷ ঠান্ডা জল৷ এতক্ষণ ক্লান্তির পর হাত-মুখ ধুয়ে ভারী আরাম হল তপনের৷ কিন্তু গামছা দিয়ে মুখ মুছতে মুছতে হঠাৎ চোখ পড়ল হারুর ওপর৷ সে তখনও দাঁড়িয়ে আছে টিউবওয়েলের পাশে৷ বারান্দার আলো তেরছা হয়ে এসে পড়েছে তার মুখে৷ তপন চমকে উঠে দেখল, হারু কীরকম যেন স্থির, ঠান্ডা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে৷ আর হারুকে অবিকল সেই নাটকের মহড়ার সময় যে লোকটাকে শাস্তি দেওয়া হল তার মতো দেখতে৷

    এই হারুদা লোকটা কে গো?

    ভাত খেতে বসে বাপনদাকে জিজ্ঞাসা করল তপন৷

    আরে আমাদের গ্রামের ছেলে৷ বাবা-মা মরে গেছে৷ ওর বুদ্ধিশুদ্ধি খুব পরিষ্কার নয়৷ ডান হাতটা কমজোরি৷ আবার বুকেরও দোষ আছে৷ কাজকম্ম কিছুই করতে পারে না৷ আমাদের বাড়িতে থাকে৷ টুকটাক ফাইফরমাশ খাটে আর দু-বেলা খায়…….

    দাদার কথার উত্তরে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল তপন, কিন্তু তার আগেই বাপন বলল, শোন তপু কালকের দিনটা এখানে থেকে যা৷ একটা অদ্ভুত জিনিস দেখতে পাবি৷ এই মীরপুর গ্রাম কিন্তু এককালে পর্তুগিজদের বিজনেস সেন্টার ছিল৷ রূপনারায়ণ নদী দিয়ে ব্যবসা চলত৷ তখন অবশ্য নদীটা গ্রামের অনেক কাছে ছিল৷ তো সেই পর্তুগিজদের বংশধর বেশ কয়েকটা পরিবার এখনও এখানে রয়ে গেছে৷ অন্ধকারে দেখতে পাসনি, গ্রামে ঢোকার মুখে একটা বেশ বড় চার্চও আছে৷ বড়দিনে সেখানে পর্তুগিজ রীতি মেনে প্রার্থনা হয়৷ আর তার আগের দিন ওরা মোমবাতি আর ফুল নিয়ে গান গাইতে গাইতে কবরখানায় যায়৷ যারা মারা গেছে তাদের জন্য প্রার্থনা করে৷ সে ভারী সুন্দর দৃশ্য৷ কালকের দিনটা থেকে গেলে দেখতে পাবি৷

    নরম বিছানায়, কম্বলের ভিতর ঢুকে ঘুমিয়ে পড়েছিল তপন৷ হঠাৎ একটা গানের সুরে ঘুমটা ভেঙে গেল তার৷ কিন্তু উঠে বসে কেমন যেন একটা ধাঁধা লাগল৷ এমনিতেই অচেনা জায়গা৷ তারওপর চারপাশটা মনে হচ্ছে যেন ভীষণরকম বদলে গেছে৷ পাশের একটা চৌকিতে শুয়ে বাপনদা ঘুমোচ্ছিল৷ সেই চৌকিটাই এখন নেই৷ সামনের দরজাটা খোলা৷ বাইরে থেকে ভেসে আসছে গানের সুর৷ মন্ত্রমুগ্ধের মতো খাট থেকে নেমে দরজা দিয়ে বেরিয়ে এল তপন৷ রাস্তা দিয়ে একটা মিছিল যাচ্ছে৷ সবার হাতে মোমবাতি আর সাজিতে ফুল৷ তাদের জামা-কাপড় একেবারে অন্যরকম৷ গানের সুর আর কথাও অচেনা৷ মিছিলের পিছন পিছন হাঁটতে লাগল তপনও৷ গ্রামের একদম শেষে কবরখানা৷ মিছিলটা সেখানে গিয়ে ঢুকল৷ তাদের সঙ্গে তপনও৷ কিন্তু কবরখানায় ঢোকার পর মিছিলের লোকগুলো হঠাৎ কোথায় জানি হারিয়ে গেল৷ তপন চমকে উঠে দেখল ঘুটঘুটে অন্ধকার কবরখানায় সে একলা দাঁড়িয়ে আছে৷ ভীষণ ভয় পেয়ে ছুটে পালানোর জন্য পিছন ফিরতেই একেবারে মুখোমুখি হারুদা৷ কিন্তু সে পিসির বাড়ির ন্যালাখ্যাপা হারুদা মোটেই নয়৷ তার দু-চোখ জ্বলজ্বল করছে৷ মুখে একটা নিষ্ঠুর হিংস্র হাসি, এতদিন বাদে হাতে পেয়েছি তোকে৷ ষড়যন্ত্র করে শাস্তি দিয়েছিলি আমায়, আমার ডান হাত কেটে দিয়েছিলি, আমার বউ-মেয়ে আমাকে ছেড়ে চলে গেছিল….আজ সবকিছুর শোধ নেব আমি…….

    ফ্যাঁসফেঁসে গলায় কথাগুলো বলতে বলতে তপনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তার গলা টিপে ধরল হারুদা৷ প্রাণপণে নিজেকে ছাড়াতে চেষ্টা করছিল তপন৷ কিন্তু হারুদার শরীরে যেন হাতির বল৷ সাঁড়াশির মতো তার দশটা আঙুল চেপে বসেছে তপনের গলায়৷ দমবন্ধ হয়ে আসছে তপনের৷ তবে তারমধ্যেও সে বুঝতে পারল নাটকের মহড়ায় বিচারকের মুখটা তার চেনা লেগেছিল কারণ সেটা ছিল সে নিজে৷ প্রাণ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টায় হারুদার বুকে শেষ পর্যন্ত বোধহয় একটা ঘুসি মেরেছিল তপন৷ তাতেই হাতটা আলগা হয়ে যায়৷ তবে ততক্ষণে সে নিজেও জ্ঞান হারিয়েছে৷

    পরদিন সকালে কবরখানায় অজ্ঞান তপনকে খুঁজে পায় গ্রামের লোকেরা৷ পাশে পড়েছিল হারুদার মৃতদেহ৷ আকস্মিক উত্তেজনায় হার্টফেল, বলেছিল ডাক্তার৷ মাঝরাতে উঠে সে কেন কবরখানায় এসেছিল, সেকথা কাউকে বলতে পারেনি তপন৷ তবে বাপনের কাছে খোঁজ নিয়ে জেনেছিল, যে কবরটার পাশে সে পড়েছিল, সেটা ছিল আলফ্রেড ডি সুজা নামে এক ব্যক্তির৷ চার্চের নথি থেকে জানা যায়, বিচারকের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে আলফ্রেডকে মিথ্যে চুরির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ বিচারক আলফ্রেডের ডানহাত কেটে ফেলার হুকুম দেন৷ বিনা দোষে এরকম শাস্তি পেয়ে পাগল হয়ে যায় আলফ্রেড৷ সে নাকি সারাদিন শুধু ওই বিচারককে শাপ-শাপান্ত করতে করতে গ্রামের রাস্তায় ঘুরে বেড়াত৷ তারপর একদিন রূপনারায়ণ নদীর ধারে তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়৷

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }