Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধ্যরাতের ছায়ামূর্তি

    ভূত মানিস তোরা?

    সামনে রাখা গরম চায়ের কাপটা তুলে ফুঁ দিচ্ছিল পল্টু৷ সুধন্যদার কথা শুনে চমকে গিয়ে চুমুক দিয়ে জিভ পুড়িয়ে ফেলল৷ মানব মুড়ির গামলাটার ভিতরে হাত চালিয়ে বাদাম আর গাঠিয়ার টুকরো খুঁজতে খুঁজতে বলল, দেখিনি তো কখনও৷ তবে আজ শ্রাবণ মাসের অমাবস্যা৷ তারপর সন্ধে থেকে ঝুপঝুপ করে বৃষ্টি পড়ছে৷ এখন এসব কথা না তোলাই ভালো৷ রাতে তো আর থাকতে দেবে না৷ হেঁটে হেঁটে নিজের বাড়িতে ফিরতে হবে৷ পল্টু হতভাগা তো রায়পাড়া ছাড়িয়েই সুট করে নিজের বাড়িতে ঢুকে পড়বে৷ বাকি পথটা আমাকে একলাই যেতে হবে৷ মাঝে আবার চৌধুরীদের মস্ত বাঁশঝাড়খানা…

    পরেশ এতক্ষণ চুপচাপ সকালের বাসি খবরের কাগজখানা উল্টেপাল্টে দেখছিল৷ এবার সেটা একপাশে সরিয়ে রেখে বলল, না মানার তো কোনও কারণ নেই৷ আমি অনেকবার ভূতে ধরতে দেখেছি৷ আমাদের এই জিয়লগাছাতেই কুমোর পাড়ায় একবার একটা বউকে ভূতে ধরেছিল৷ সেকি আছাড়ি-পিছাড়ি চিৎকার৷ বাপরে, এখনও মনে পড়লে গায়ে কাঁটা দেয়৷ আর একবার আমার মামার বাড়ি নিতাইপুরে দেখেছিলাম একজনকে ভূতে ধরতে৷ সে অবশ্য চিৎকার-চেঁচামেচি কিছু করছিল না৷ একপাশে বসে শুধু ফিকফিক করে হাসছিল৷ আমরা দূর থেকে দেখছিলাম৷ ছোট ছিলাম তো কাছে যেতে সাহস হয়নি৷ তবে মনে আছে, একবার লোকটা হাসি থামিয়ে আমাদের দিকে তাকাল, করমচার মতো লাল চোখ৷

    দেওয়ালে ঝোলানো ছোট আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছিলেন সুধন্যদা৷ বৃষ্টিটা বেশ জোরেই পড়ছিল৷ ছাতা থাকলেও স্টেশন থেকে বাড়ির পথটুকু আসতেই ভিজে গেছেন ভালোমতো৷ রিকশা পাওয়া যায় এখন৷ তবে হেঁটে আসাই সুধন্যর অভ্যাস৷ কলকাতা থেকে ঘণ্টা দেড়েকের দূরত্ব৷ বছর দশেক আগেও একেবারে ঝিঁঝিঁডাকা গ্রাম ছিল জিয়লগাছা৷ এখন কিছুটা বদলেছে৷ লোকজন বেড়েছে, টোটো আর রিকশাও বেশি চোখে পড়ে৷ তবে গ্রামের গন্ধটা এখনও গা থেকে মোছেনি৷ সেজন্য সারাদিন কলকাতার কলেজে ছাত্র পড়িয়ে সন্ধের মুখে ট্রেনটা যখন জিয়লগাছা স্টেশনে এসে দাঁড়ায়, তখন প্ল্যাটফর্মে পা দিয়েই কেমন যেন গা-টা জুড়িয়ে যায় সুধন্য সরকারের৷ বিয়ে-থা করেননি, মা চলে যাওয়ার পর একলা মানুষ৷ তবে একাকীত্ব বোধ তেমন নেই৷ এই আধাগ্রাম জায়গায় এখনও মানুষ বেশ ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকে৷ একে অপরের খোঁজ-খবর নেয়৷ এই পল্টু-পরেশ আর তাদের দলবল তো রোজ সন্ধে হতেই হাজির হয়৷ বাড়ির চাবি একটা ওদের কাছেও থাকে৷ সুধন্যর বলা আছে৷ তিনি বাড়ি না থাকলেও মুড়ি মেখে চা খেতে কোনও অসুবিধা নেই৷ আজ ফিরতে একটু দেরিই হয়ে গেছে সুধন্যর৷ বাড়ি ফিরে দেখলেন তিন মক্কেলই হাজির৷ সাধন আবার মোড়ের দোকান থেকে গরম আলুর চপও নিয়ে এসেছে৷

    চুল আঁচড়েü তক্তাপোশের ওপর আরাম করে গুছিয়ে বসলেন সুধন্য৷ বাইরে বৃষ্টি আরও চেপে এসেছে৷ হু-হা করে আলুর চপে কামড় দিতে দিতে পল্টু বলল, হঠাৎ ভূতের কথা কেন বলোতো? তুমি তো জানতাম ভূত-ভগবান কিছুই মানো না৷ মাসিমা চলে যাওয়া ইস্তক ঘরে একটা ঠাকুরের ক্যালেন্ডার অবধি দেখি না…….

    মানি কিনা জানি না৷ তবে ভূত দেখেছি ৷

    ভূত দেখেছো তুমি! নিজে দেখেছো!

    বিস্ময়ে মুখটা হাঁ হয়ে গেছে পল্টুর৷ সাধন আর পরেশও কম অবাক নয়৷ সুধন্যদার সঙ্গে তাদের ওঠা-বসা নাহক পনেরো বছরের৷ এমন কথা তো কখনও শোনেনি৷ পল্টুটা একটু মাথামোটা৷ কিন্তু বাকি দুজন ব্যাপারটা ইয়ার্কি কিনা বোঝার চেষ্টা করছিল৷ যদিও সুধন্যদার মুখ দেখে সেরকম কিছু মনে হচ্ছে না৷ বরং চা-এর কাপে একটা চুমুক দিয়ে বলল, ভূত দেখেছি বলাটা বোধহয় একটু ভুল হল৷ ভূতে ধরা মানুষের ভৌতিক কাজকর্ম দেখেছি বললে ঠিক হবে….শুনতে চাস তোরা?

    খোলা জানলার বাইরে অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে সাধনের দিকে একটু সরে এল পল্টু৷ পরেশ বলল, বলো না শুনি৷ আজ তো ভূতের গল্প শোনার মতোই পরিবেশ…..

    আলুর চপে একটা কামড় দিয়ে সুধন্যদা শুরু করলেন, তখন আমার বয়স বোধহয় বছর সাত-আট৷ তোরা তো জানিস আমি আদতে নদে জেলার লোক৷ আমাদের বাড়ি ছিল শেতলপাটা গ্রামে৷ অজ গ্রাম৷ কৃষ্ণনগর স্টেশনে নেমে বাসে প্রায় ঘন্টা দুয়েক যাওয়ার পর আবার ভ্যান রিকশায় আধঘণ্টা যেতে হত৷ ইদানীং শুনেছি রাস্তা পাকা হয়েছে৷ গ্রামের মুখ পর্যন্ত বাস যায়৷ তখন সেসব কল্পনাও করা যেত না৷ নদিয়ার মাটি উর্বর৷ তাই চাষ হয় ভালো৷ শেতলপাটাও ছিল চাষি প্রধান গ্রাম৷ ধান, পাট আর শীতকালে সরষে, ডাল, নানারকম সবজির চাষ৷ জমি-জায়গা আমাদের ভালোই ছিল৷ তবে আমি যেসময়ের কথা বলছি, তখন আমার দাদু মারা গেছেন৷ বাবা আর কাকা দুজনেই শহরে চাকরি করেন৷ তাই ভাগের লোক দিয়ে চাষ করানোর ব্যবস্থা৷ চাষবাস কিংবা ঘরের কাজকর্ম সবকিছুরই দায়িত্ব ছিল ঠাকুমার৷ তাঁর তখন পঞ্চাশ পেরিয়েছে৷ টকটকে ফর্সা রঙ, খাড়া নাক, মাথার কাঁচাপাকা চুল টান করে একটা খোঁপায় বাঁধা, পরনে সাদা থান৷ ঠাকুমার এই চেহারাটা আমার চোখের ওপর ভাসে৷ অত্যন্ত শক্ত ধাতের, সোজা কথায় বললে রীতিমত দজ্জাল মহিলা ছিলেন তিনি৷ ঘরে-বাইরে সবাই ভয় পেত৷ খানিকটা সেরকম হওয়া বোধহয় দরকারও ছিল৷ কারণ ঠাকুর্দা যখন মারা যান তখন বাবা এবং কাকা দুজনেই ছেলেমানুষ৷ একাহাতে জমি-জায়গা ঘর-সংসার সব সামলাতে হলে কড়া না হয়ে উপায় ছিল না৷ আমার মাও শাশুড়িকে খুবই ভয় পেতেন৷ মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কথা বলার মতো সাহস ছিল না৷

    ঠাকুমা এমনিতে বেশ উদ্যমী মানুষ ছিলেন৷ সংসারের রোজগার বাড়ানোর জন্য নিজের সাধ্যমত অনেক কিছু করতেন৷ আমাদের বাড়ির পিছনে মস্ত পুকুর ছিল৷ বাঁধানো ঘাট দেওয়া৷ ঘরের কাজকর্ম সব সেই পুকুরেই হত৷ পুকুরের ধার দিয়ে ছিল নারকেল গাছ৷ সেই গাছের ডাব-নারকেল সব বিক্রি হত৷ পুকুরের জলে মাছ চাষ করত ঠাকুমা৷ সেও কিন্তু বিক্রির জন্যই৷ বাড়ির প্রয়োজনে নিয়মিত মাছ ধরার হুকুম ছিল না৷ নিকোনো উঠোনে মস্ত ধানের গোলা থাকত৷ তোরা জানিস কীনা জানি না, ধানের গোলা সবসময় মাটি থেকে হাত-দুয়েক উঁচুতে হয়৷ গোলার নিচের ফাঁকা জায়গাটা বাঁশের চেঁচারি দিয়ে ঘিরে খাঁচা বানিয়ে সেখানে হাঁস-মুরগি পুষত ঠাকুমা৷ নিয়মিত ডিম দিত তারা৷ সকালে ঘুম থেকে উঠে খেজুরপাতার আঁচড়া দিয়ে, খাঁচা থেকে টেনে টেনে ডিম বার করে গুণে গুণে ঝুড়িতে রাখত ঠাকুমা৷ মুসলমান পাড়ার মীনাবিবি এসে ডিম নিয়ে যেত হাটবারে৷ সন্ধে বেলায় পয়সা বুঝিয়ে দিয়ে যেত৷ বাড়ির মধ্যে একমাত্র আমার সপ্তাহে তিনদিন ডিম খাওয়ার হুকুম ছিল৷ সকালে খুদের জাউ বানিয়ে তার সঙ্গে সেদ্ধ ডিম দিত ঠাকুমা নিজে৷

    যেসময়ের কথা বলছি, তার বছরখানেক আগেই আমার কাকার বিয়ে হয়েছে৷ কাকিমা ছিলেন মায়ের মতোই গ্রামের মেয়ে৷ তবে মায়ের থেকেও ছোটখাটো, ভালোমানুষ গোছের৷ বিয়েও হয়েছিল বেশ কমবয়সে৷ তাই ঠাকুমার ভয়ে সর্বদা কাঁটা হয়ে থাকতেন৷ কাকা চাকরি করত মধুপুরে৷ মাস দু-তিন পরপর বাড়ি আসত৷

    এখানে আমাদের বাড়ির গড়নটা একটু বলে দিলে তোদের গল্পটা বুঝতে সুবিধা হবে৷ মাটির বাড়ি৷ আমাদের ছিল উঁচুপোতার ঘর৷ মাঝখানে মস্ত নিকোনো উঠোন৷ তার একদিকে দাওয়ার ওপর পর পর চারটে ঘর৷ একটা মা-বাবার, একটা কাকার৷ মাঝের ঘরে ঠাকুমার সঙ্গে আমি শুতাম৷ একদম শেষে ভাঁড়ার ঘর৷ তাতে সম্বচ্ছরের জিনিসপত্র থাকত৷ আর সবসময়ের কাজের লোক মানদামাসিরও সেটাই ছিল শোয়া-বসার জায়গা৷ শোবার ঘর থেকে দুধাপ নেমে পাশে রান্নাঘর৷ তারপাশ দিয়ে পুকুরঘাটে যাওয়ার রাস্তা৷ উল্টোদিকে স্নানের ঘর, ধানের গোলা, তুলসী মঞ্চ৷

    তখন শীতের শেষাশেষি হবে৷ গ্রামের দিকে ভালো ঠাণ্ডা৷ একদিন রাতে ঘুম ভেঙে গেছে৷ বাইরে যেতে হবে৷ ওরকম রাত-বিরেতে বাইরে যাওয়ার যদি দরকার হয় তার জন্য দাওয়ার একপাশে ছোট ছেলেপিলেদের জন্য ব্যবস্থা করা থাকত৷ তখন একটু বড় হয়েছি৷ তাই ঠাকুমাকে আর ডাকিনি৷ নিজেই দরজার খিল খুলে বেরিয়ে কাজ সারছি৷ তখনও বেশ রাত আছে৷ চারপাশে সরের মতো ঘন কুয়াশার আস্তরণ৷ হঠাৎ মনে হল ধানের গোলার পাশ থেকে কে যেন আসছে৷ শাড়ি পরা একজন কেউ৷ এতরাতে ওদিকে কে গেছিল দেখার জন্য ভাল করে যেই তাকিয়েছি অমনি যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল৷ আমার তো ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা৷ কোনওরকমে তাড়াতাড়ি ঘরে ঢুকে লেপের তলায় ঠাকুমার গা ঘেঁষে শুয়ে পড়লাম৷ পরের দিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে শুনি হৈহৈ কাণ্ড৷ রাতে শেয়াল এসে খাঁচা থেকে হাঁস নিয়ে গেছে৷ ফোঁটা ফোঁটা হাঁসের রক্ত পড়ে আছে খাঁচার পাশে৷ শেয়ালের ভয় ছিল বলে ঠাকুমা নিজে প্রতিরাতে হাঁস-মুরগির খাঁচার দরজা বন্ধ করত৷ সেদিনও নাকি করেছিল৷ কিন্তু তাহলে খাঁচা খুলল কী করে? শেয়াল নাকি আবার আমাদের বেড়ার ধারেই বসে বসে হাঁসটাকে খেয়েছে৷ হাড়গোড়, পালক সব পড়ে আছে সেখানে৷ আমার তো শুনে থেকে বুক ঢিপঢিপ৷ ঠাকুমাকে কিছু বলার সাহস ছিল না৷ কাকিমাকে চুপিচুপি গিয়ে বললাম, ও কাকিমা, শেয়াল নয় হাঁসটাকে আসলে ভূতে খেয়েছে৷ কাল রাত্তিরে গোলার ধারে ভূত এসেছিল, আমি দেখেছি৷

    কাকিমা এমনিতেই ভিতু মানুষ৷ তাড়াতাড়ি আমার মুখে হাতচাপা দিয়ে বলল, চুপ চুপ এসব কথা বলতে নেই৷ ঘুমের চোখে কী দেখতে কী দেখেছিস৷ ঠাকুমার বয়স হয়েছে তো৷ নিশ্চয় হাঁসের ঘরের দরজা বন্ধ করতে ভুলে গেছিল৷

    ব্যাপারটা সেদিনের মতো চাপা পড়ে গেল ঠিকই, কিন্তু কদিন পরেই সকালে আবার মানদামাসির হাঁউমাঁউ চিৎকার৷ প্রকৃতির ডাকে ভোর রাত্তিরে ঘুম ভেঙে বাইরে এসেছিল, আধা অন্ধকারে দেখে ঘোমটা পরা মেয়েমানুষ রান্নাঘরের পাশ দিয়ে যাচ্ছে পুকুরঘাটের দিকে৷ মানদামাসির সাড়া পেয়ে সে নাকি আবার পিছন ফিরে তাকিয়েছিল৷ মাসি স্পষ্ট দেখেছে তার মুখের জায়গায় একখানা শুধু কঙ্কাল, যার চোখ দিয়ে আগুন ঠিকরে বেরোচ্ছে৷ তারপর কী হয়েছে আর জানা নেই৷ কারণ কোনওরকমে ঘরে ঢুকে দরজায় খিল দেওয়ার পরেই মানদামাসির দাঁতকপাটি লেগে যায়৷ সকালে ঠাকুমা যখন তাকে ডাকাডাকি করছে, তখনও নাকি তার গলা দিয়ে বু-বু আওয়াজ বেরোচ্ছিল৷

    বাড়িতে এভাবে হঠাৎ অপদেবতার আনাগোনা শুরু হওয়াতে ঠাকুমা খুবই চিন্তায় পড়ে গেল৷ শেতলপাটার পাশের গ্রাম মহিষরেখায় একজন গুণিন থাকতেন৷ মানদামাসিকে সঙ্গে নিয়ে ঠাকুমা একদিন গেল সেই গুণিনের সঙ্গে দেখা করতে৷ ফিরে এল মুখ গম্ভীর করে৷ গুণিন নাকি বলেছে, লক্ষ্মণ দেখে মনে হচ্ছে অপদেবতা রয়েছে বাড়ির ভিতরেই৷ শুনে তো আমাদের সবার হাত-পা পেটের ভিতর সেঁধিয়ে যাওয়ার দশা৷ ঠাকুমা সব ঘরের দেওয়ালে পিটুলি গোলা দিয়ে হরিনাম লিখে দিল৷ সন্ধের পর আর হাত-মুখ ধুতেও কেউ পুকুরঘাটে যাই না৷ এরকমভাবে কয়েকদিন কাটার পর ঘটল এক সর্বনেশে কাণ্ড৷ কদিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছিল৷ সকালে উঠে মানদামাসি দেখে উঠোনের ভেজা মাটিতে লাল লাল ছোপ৷ হাঁসের ঘরের দরজা খোলা৷ ঠাকুমার আদরের সাদা হাঁসি উধাও৷ শেয়ালে যদি হাঁস ধরেও সে তো আর হাঁস মুখে নিয়ে উঠোনের দিকে আসবে না৷ তাহলে দাওয়ার কাছে লাল ছোপ এল কী করে? আমি লক্ষ্য করলাম রান্নাঘরের ভিতরে বসে মানদামাসি ঠাকুমার কানের কাছে কী যেন গুজগুজ করছে আর ঠাকুমার ফর্সা মুখখানা ক্রমশ আষাঢ়ের মেঘের মতো অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে৷

    সেই গুজগুজটা ক্রমশ ঠাকুমা আর মানদামাসি থেকে মায়ের মধ্যেও সংক্রমিত হল৷ বাড়িতে সারাক্ষণ কেমন যেন একটা ভয়ের পরিবেশ৷ মা একমুহূর্তের জন্যও আমাকে কাছছাড়া করছে না৷ ছোট হলেও আমি বুঝতে পারছিলাম বাড়ির সবাই কাকিমাকে একটু যেন এড়িয়ে চলছে৷ একদিন দুপুরবেলা কাকিমা যখন স্নানে গেছে, তখন মানদামাসি কাকিমার ঘরে ঢুকে হাতে করে কতগুলো হাঁসের পালক নিয়ে এসে ঠাকুমাকে কী যেন বলল৷ আমি একটু আশ্চর্যই হয়েছিলাম৷ কারণ কাকিমা যে খেলনা বানাবে বলে নানারঙের হাঁসের পালক জমিয়ে রাখে আমি জানতাম৷

    সেদিনই রাতে ঘটল এক সাংঘাতিক ঘটনা৷ মাঝরাতে আমার বাইরে যাওয়ার দরকার হল৷ তখন বাড়ির যা পরিস্থিতি তাতে একা যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না৷ তাই ঠাকুমাকে ডাকলাম৷ দু-চারবার ঠেলা দিতে বাধ্য হয়েই ঠাকুমা উঠল৷ সবে দরজা খুলতে যাবে, হঠাৎ খুট করে শব্দ৷ শব্দটা যে কাকিমার ঘরের খিল খোলার সেটা আমিও বুঝতে পেরেছিলাম৷ ঠাকুমা দরজা না খুলে নিঃশব্দে জানলার পাল্লা ফাঁক করল৷ সেদিন বাইরে ফুটফুটে জ্যোৎস্না৷ স্পষ্ট দেখলাম কাকিমা রান্নাঘরের দিক থেকে এসে গোলাঘরের দিকে গেল৷ মুরগির ঘর থেকে অস্পষ্ট ঝটপটানির আওয়াজও শোনা গেল৷ তারপর বেরিয়ে এসে গোলাঘরের পাশে আমগাছের ঝুপসি ছায়ায় দাঁড়িয়ে কী যেন খেতে লাগল৷ ভয়ে তখন আমার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেছে৷ মনে হচ্ছে যেন মুরগির হাড় চিবানোর কড়মড় শব্দও পাচ্ছি৷ আমার কাঁধের ওপর ঠাকুমার হাতটা ঠকঠক করে কাঁপছে৷ মুখে অস্ফুট রামনাম৷ বেশ আয়েস করে খাওয়া শেষ করে কাকিমা সম্ভবত আঁচানোর জন্য পুকুরঘাটের দিকে যেতেই ঠাকুমা তাড়াতাড়ি জানলার পাল্লা বন্ধ করে দিয়ে আমাকে আড়কোলা করে তুলে সোজা গিয়ে বিছানায় ঢুকল৷

    পরদিন সকালেই খবর দেওয়া হল গুণিনকে৷ কাকিমার ঘরে তার আগেই বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল৷ গুণিন এসে তালা খুলে ভিতরে ঢুকল৷ তারপর সেকি সর্ষে পোড়া ছোড়া আর ঝাঁটার বাড়ি মারা৷ কাকিমার আছাড়ি-পিছাড়ি কান্না শুনে মাও চোখের জল ধরে রাখতে পারছিল না৷ কিন্তু ঠাকুমার মুখ পাথরের মতো কঠিন৷ সারাদিন এই কাণ্ড চলল৷ সন্ধের মুখে গুণিন বেরিয়ে এসে জানাল অপদেবতা বিদায় হয়েছে৷ তবে বড্ড জবরদস্ত ভূত৷ তাই বউকে সাবধানে রাখতে হবে৷ আজ সারারাত কিছু খেতে দেওয়া চলবে না৷ এমনকী জলও নয়৷ কাল সকালে মাটির সানকিতে পান্তাভাত দিতে হবে৷ টাকা-পয়সা নিয়ে গুণিন চলে গেল৷ কাকিমার ঘরের দরজা সারারাত বন্ধ রইল৷ পরের দিন সকালে কাকিমাকে দেখে আমি শিউরে উঠলাম৷ গোটা গায়ে ঝাঁটার বাড়ির দাগ৷ মুখ ফুলে গেছে৷ চুল ছেঁড়া, এলোমেলো৷ নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতাও যেন নেই৷ মানদামাসি মাটির সানকিতে পান্তাভাত দিয়েছিল৷ কিন্তু খাওয়ার মতো ক্ষমতাও তখন কাকিমার নেই৷ মাটিতে পড়ে আছে প্রায় বেঁহুশ হয়ে৷

    দুপুরের আগেই প্রবল জ্বর এল কাকিমার৷ আর বিকেল নাগাদ, পাড়ার কারুর কাছ থেকে খবর পেয়ে, হঠাৎ আমার কাকা এসে হাজির হল৷ অস্বাভাবিক গম্ভীর মুখ৷ ঠাকুমার সঙ্গে ঘরের দরজা বন্ধ করে কিছুক্ষণ কথা হল৷ তারপর বেরিয়ে গেল কাকা৷ ঘণ্টাখানেক পরে ফিরে এসে কাকিমার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল৷ পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা দেখলাম কাকিমার ঘরের দরজা খোলা৷ কাকা-কাকিমা কেউ নেই৷ বাপের বাড়ি থেকে আনা যে তোরঙ্গে কাকিমার নিজস্ব জিনিসপত্র থাকত সেটাও নেই৷

    কথা থামিয়ে একমুঠো মুড়ি তুলে নিয়ে চিবোতে লাগলেন সুধন্যদা৷ পল্টু উদগ্রীব হয়ে বলল, তারপর?

    তারপর আর কী? সেই শেষ আমার কাকা-কাকিমাকে দেখা৷ আর কোনওদিন ওদের সঙ্গে আমার দেখা হয়নি৷ কাকা আর কোনওদিন শেতলপাটায় ফেরেনি৷ কোনও সন্ধানই আর পাওয়া যায়নি৷

    আর কাকিমা? তারও কোনও খবর পাওনি?

    প্রায় ঠান্ডা হয়ে যাওয়া চা-এর তলানিটুকু গলায় ঢেলে নিয়ে একটু চুপ করে থাকেন সুধন্যদা৷ তারপর সামান্য হেসে বলেন, আজ সকাল পর্যন্ত হলে, তোদের প্রশ্নের উত্তর হত হ্যাঁ৷ কিন্তু আজ সকালের পর সবই কেমন যেন গোলমাল হয়ে গেল বুঝলি৷ আমাদের কলেজে এক ছোকরা মাস্টার এসেছে পড়াতে৷ ছোকরা মানে আমার থেকে বছর দশেকের ছোট হবে৷ আগে মালদায় ছিল৷ বদলি হয়েছে৷ আজ স্টাফরুমে বসে গল্প করতে করতে শেতলপাটার কথা উঠেছে৷ তা সে হঠাৎ বলে কীনা, ‘আমারও ঠাকুর্দার বাড়ি শুনেছি ছিল শেতলপাটা গ্রামে৷ আমি অবশ্য কখনও যাইনি৷’ শেতলপাটা নিয়ে আমার তো একটু দুর্বলতা আছেই৷ তাই জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ঠাকুর্দার নাম কী?’ সে ছোকরা বলে কীনা হরিমাধব সরকার৷ শুনে তো আমার বুকের মধ্যে ধড়াস ধড়াস করছে৷ জিজ্ঞাসা করলাম, ‘বাপের নাম কী?’ বলল বেণীমাধব সরকার৷ তারপর আর দেরি করিনি বুঝলি, কোনওরকমে বাকি দুটো ক্লাস সেরে তাকে সঙ্গে নিয়ে সোজা গিয়ে হাজির হলাম তার বাড়িতে…পঞ্চাশ বছর পর দেখা৷ বুড়ো হয়ে গেছে৷ কিন্তু কাকার হাসিটা একইরকম আছে বুঝলি৷ যখন প্রণাম করে সামনে দাঁড়ালাম, প্রথমটায় চিনতে পারেনি৷ নাম বলতে থরথর করে কাঁপতে লাগল….

    কাকিমাও ছিল নাকি?

    ছিল বৈকি৷ জড়িয়ে ধরে কত কাঁদল৷ মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করছিল….

    যাক তাহলে আর ভূতে ধরেনি৷ তোমাদের শেতলপাটার ওঝার হাতযশ ভালো বলতে হবে৷

    পল্টুর কথাটা শুনে একটা করুণ হাসি ফুটল সুধন্যদার মুখে, ভূতে কোনওদিনই ধরেনি রে৷ কাকিমা ছেলেমানুষ ছিল৷ বাপের বাড়িতে আদরে মানুষ৷ ঘনঘন ক্ষিদে পেত৷ ঠাকুমাকে বলার সাহস ছিল না৷ তাই রাতে সকলে শুয়ে পড়লে চুপিচুপি উঠে হাঁস-মুরগির ঘর থেকে ডিম চুরি করে নিয়ে আসত৷ তাড়াহুড়োতে হয়তো আগড় ঠিকমত লাগায়নি, শেয়ালে টেনে নিয়ে গেছে৷

    তাহলে ওই যে বললে রক্তের ছোপ….

    আলতা পরেছিল৷ আগের দিন রাতে মা আর কাকিমা দুজনে মিলে আলতা পরেছিল৷ সেই আলতারই ছোপ ছিল মাটিতে৷

    আমার কিন্তু বিশ্বাস হচ্ছে না সুধন্যদা৷ তুমি নিজেই বললে, জানলার ফাঁক দিয়ে দেখেছ আমগাছের ছায়ায় বসে কী যেন খাচ্ছে?

    খাবেই তো৷ ডিম তো চুরি করেছে খাবে বলেই৷ কিন্তু কাঁচা ডিম তো আর খাওয়া যায় না৷ এদিকে রান্নাঘরে ডিম রান্না করতে গেলে ধরা পড়ে যাবে৷ তাই রাতে সবার খাওয়া-দাওয়া হয়ে গেলে, ডিমের গায়ে মাটি মাখিয়ে ঢুকিয়ে দিত উনুনের ভিতরে৷ গরমে ডিম সিদ্ধ হয়ে থাকত৷ ভোরবেলা উঠে বার করে খেয়ে নিত৷ ভোররাতে আমি আর ঠাকুমা সেটাই দেখেছিলাম৷ তখন তো ধরেই নিয়েছি কাকিমাকে ভূতে ধরেছে তাই মনে হচ্ছিল যেন হাড় ভাঙার কড়মড় আওয়াজও পাচ্ছি৷ কাকা ঠাকুমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল৷ কিন্তু গ্রামের মানুষ তো৷ বুঝতে রাজি হননি৷ কাকিমা খুব ভয় পেয়েছিল৷ তাই পরদিন ভোরবেলা কাউকে কিছু না বলে কাকিমাকে নিয়ে চলে যায় কাকা৷ কাকিমা আর শেতলপাটায় ফিরতে রাজি হয়নি৷ এতবছর হয়ে গেছে৷ এখনও সেদিনের কথা বলতে গিয়ে শিউরে উঠছিল৷ আসলে ভূত কোথাও থাকে না রে পল্টু৷ জানলার ওপাশে ওই যে অন্ধকারটা, ওটা আসলে আমাদের মনে ঢুকে বসে আছে, তাই আমরা আমাদের চারপাশেও ওরকম একটা অন্ধকারের জগত ভেবে নিই৷ ছেলেমানুষ মেয়ের ক্ষিদের জ্বালাকে ভূত ভেবে ওঝা ডাকি৷ ভূত আসলে আমাদের মনে৷

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }