Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডোডোর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়

    ডোডোর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়

    খাবার টেবিল থেকে উঠে দুমদুম করে নিজের ঘরে চলে এল ডোডো৷ ধড়াম করে বন্ধ করে দিল দরজাটা৷ তারপর একলা ফাঁকা ঘরে আর কীভাবে রাগ দেখাবে ভেবে না পেয়ে ঝপাস করে নিজের খাটের ওপর শুয়ে পড়ল৷ আর অমনি ঠিক তার কানের কাছে কে যেন ফিসফিস করে বলে উঠল, আহা অত রাগ করছিস কেন? দেখবি সব ঠিক ম্যানেজ হয়ে যাবে৷

    কথাগুলো শুনেই মাথাটা আবার সাংঘাতিক গরম হয়ে গেল ডোডোর৷ তক্ষুনি উঠে বসে কানের ভিতর আঙুল পুরে এমনভাবে ঝাঁকাল যেন কান থেকে পোকা বার করার মতো কথাগুলো বার করে দিতে চাইছে৷ যদিও নিজে ভালোমতোই জানে ওসব করে কোনো লাভ নেই৷ কথাগুলো তো আসলে কেউ বলেনি৷ ফাঁকা ঘরে কে তার কানের কাছে ফিসফিস করে কথা বলতে আসবে? এটা আসলে তারই মনের ভুল৷ তার মাথার ভিতরে থাকা কথাগুলোই মনে হয় যেন কানের পাশে ফিসফিস করে কে বলছে৷ তাই কানের সঙ্গে মাথাটাও একটু ঝাঁকিয়ে নিল ডোডো৷ যদিও মেজাজটা ভালো হল না মোটেই৷ আসলে ডোডোর কেমন যেন একটা বিশ্বাস আছে যে তার এই মনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা ফিসফিসে গলা যা বলে সেটা শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়৷ কিন্তু আজ তো তার কোনো সম্ভাবনাই নেই৷ এক্ষুনি এ-নিয়ে মা-বাবার সঙ্গে এক পক্কড় ঝগড়া হয়ে গেছে তার৷ বাবা যদিও নীচু গলায় ডোডোর পক্ষে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন৷ কিন্তু মা একেবারে রণং দেহি মূর্তিতে দাঁড়িয়ে সব বানচাল করে দিলেন৷ মাঝখান থেকে মালতী মাসি চমৎকার কষা মাংস আর পরোটা বানিয়েছিল সেটা ভালো করে খাওয়া হল না ডোডোর৷

    আসলে ডোডো ওরফে অর্ক সেনগুপ্ত হল একজন মাউন্টেনিয়ার৷ পাহাড়ে চড়তে সে ভালোবাসে৷ ছোটবেলা থেকেই পাহাড় তাকে ভীষণভাবে টানে৷ ডোডো যখন ক্লাস সেভেনে পড়ে তখন থেকেই সে পাড়ার ক্লাবের মেম্বার হয়ে শুশুনিয়া পাহাড়ে ট্রেক করতে গেছিল৷ তারপর যত বড় হয়েছে, তত পাহাড়ের উচ্চতাও বেড়েছে৷ সবুজ ঘাস আর ঘন জঙ্গলের সীমানা পেরিয়ে একসময় পৌঁছে গেছে বরফের রাজ্যে৷ ছুঁতে চেয়েছে নীল আকাশ৷ ডোডোর মা-বাবা তাকে কখনও বাধা দেননি৷ বাবা চিরকাল উৎসাহই দিয়েছেন৷ মা অতটা না হলেও বরফের চূড়ায় দাঁড়ানো ছেলের সানগ্লাস পরা ছবি বেশ গর্বের সঙ্গে সাজিয়ে রেখেছেন বসার ঘরের তাকে৷ কিন্তু এবার যেন সবই কেমন উল্টেপাল্টে গেল৷

    কলকাতার নামকরা মাউন্টেনিয়ার প্রীতম বসু মানে বোঁচাদা যখন ডোডোকে কথাটা বলেছিল, তখন ডোডো প্রথমটায় যেন বিশ্বাসই করতে পারেনি৷ এভারেস্ট অভিযানে যাবে বোঁচাদারা৷ তার জন্য যে দলটা ভাবা হয়েছে তার মধ্যে ডোডোর নামও রয়েছে৷ আনন্দে-উত্তেজনায় ডোডোর মনে হচ্ছিল যেন তার বুকটা ফেটে যাবে৷ ইচ্ছে হচ্ছিল বোঁচাদাকে জড়িয়ে ধরে নাচে৷ বোঁচাদা অবশ্য গম্ভীরভাবেই বলেছিল, সত্যিকথা বলছি ডোডো, তোর নামটা প্রথমে লিস্টে ছিল না৷ কিন্তু আমাদের অসীম লাস্ট মোমেন্টে জানিয়ে দিল যে ও যেতে পারবে না৷ তখনই আমার তোর কথা মনে পড়ল৷ তোর বয়সটা অবশ্য একটু কম, কিন্তু এক্সপিরিয়েন্স আছে৷ তুই পারবি৷ কিন্তু মুশকিল হচ্ছে হাতে আর সময় একদম নেই৷ যারা আমাদের ট্রিপটা স্পনসর করছে, তাদের কাছে নামের লিস্ট পাঠিয়ে দিতে হবে সোমবার মানে কালকের মধ্যে৷ সেজন্য বাড়িতে একটু কথা বলে নে৷ টাকা-পয়সার ব্যাপার আছে তো৷ তা ছাড়া বাড়ির লোকেরা যদি আপত্তি করে তাহলে আবার….

    ওসব নিয়ে তুমি ভেবো না বোঁচাদা, কথার মাঝখানেই বাধা দিয়ে বলে উঠেছিল ডোডো, আমার মা-বাবার কোনও আপত্তি হবে না৷ তুমি আমার নামটা ঢুকিয়ে আর যা যা কাজ এগোনোর করে রাখো৷ আমি আজ রাতেই বাড়িতে কথা বলে তোমাকে ফোন করব৷

    বড় মুখ করে কথাগুলো বোঁচাদাকে বলে এসেছিল ডোডো৷ ভাবতেও পারেনি কথাটা বলামাত্র মা ওরকম কঠিনভাবে না বলে দেবেন৷ অবশ্য তার মা যেরকম মানুষ, তাতে ভাবা যে উচিত ছিল সেটা এখন বুঝতে পারছে৷ দু-বছর আগেই তাদের পাড়ার একটি মেয়ে এভারেস্ট অভিযানে গিয়ে মারা গেছে৷ তারপর থেকেই ডোডোর পাহাড়ে চড়া নিয়ে মা যে একটু খুঁতখুঁতে হয়ে গেছে সেটা সে বুঝতে পারত৷ কিন্তু ডোডোর এভারেস্ট অভিযানের ইচ্ছেয় এরকম সাংঘাতিকভাবে ভেটো দেবে সেটা আন্দাজ করতে পারেনি৷ আর মা যদি একবার না বলে দেন, তাহলে হ্যাঁ করানো প্রায় অসম্ভব৷ বাবার দ্বারা হওয়ার নয়৷ এদিকে বাবা ছাড়া তো এমন কেউ নেই যে মাকে একটু বুঝিয়ে বলতে পারে৷ লোকের দাদু, দিদিমা, ঠাকুর্দা, ঠাকুমা, পিসি, মামা কত কিছু থাকে৷ ডোডোর কেউ নেই৷ তার মা-বাবা দুজনেই একমাত্র সন্তান, ডোডোও তাঁদের একমাত্র সন্তান৷ দু-পক্ষেরই মা-বাবা মারা গেছেন বহুদিন৷ দূরসম্পর্কের আত্মীয়-স্বজন কেউ থাকতে পারে, কিন্তু তাদের কারুর সঙ্গেই কোনও যোগাযোগ নেই৷ আসলে মায়ের কাছে ডোডো শুনেছে, চাকরি জীবনের প্রথমদিকে বেশ কয়েকবছর তার বাবা মধ্যপ্রদেশের এক দুর্গম জায়গায় পোস্টেড ছিলেন৷ ডোডোর সেখানেই জন্ম হয়৷ তবে ডোডোর যখন বছর দু-এক বয়স, তখন বাবা অন্য চাকরি নিয়ে কলকাতায় চলে আসেন৷ ডোডো কলকাতাতেই বড় হয়েছে৷ মধ্যপ্রদেশের সেই জায়গার কোনও স্মৃতিই তার নেই৷

    ডোডো এটা বুঝতে পারে যে সে একমাত্র সন্তান বলেই সম্ভবত, তার সম্বন্ধে মা-বাবা বিশেষ করে মা একটু বেশি সাবধানী৷ তার মানে কিন্তু এই নয় যে মা তাকে কিছুই করতে দেন না বা ঘরে আটকে রাখেন৷ খেলাধুলো, সাঁতার কাটা, পাহাড়ে চড়া সবই ডোডো ছোটবেলা থেকে করেছে৷ কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই মা আগেভাগেই যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে ছেলে কতটা নিরাপদ সেটা বুঝে নিয়েছেন৷ ডোডোর ক্ষেত্রে কোনওরকম ঝুঁকি মা নিতে রাজি নন৷ এতদিন ডোডো যেসব ট্রেকিং করেছে তার মধ্যে দু-একটা কিছুটা দুর্গম হলেও প্রাণের ঝুঁকি ছিল না৷ কিন্তু এভারেস্টের ক্ষেত্রে তো সেটা বলা যাবে না, অতএব মা বেঁকে বসেছেন৷

    মুশকিল হচ্ছে, মায়ের এরকম স্বভাব জানা সত্ত্বেও ডোডোর কিন্তু চিরকালই একটু ঝুঁকির দিকে ঝুঁকে পড়া অভ্যাস৷ বিপদ যেন তাকে ডাকে৷ তবে আশ্চর্য ব্যাপার হল বিপদে পড়লেও ক্ষতি কিন্তু হয় না৷ মাথার মধ্যে ওই ফিসফিসানি যেন তাকে সাবধান করে দেয়, বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার পথ বাতলে দেয়৷ ডোডো নিজে মনে করে এটা আসলে তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়৷ মা-বাবা দুজনেই চাকরি করেন৷ একদম ছোটবেলায় ক্রেশে থাকত৷ কিন্তু তারপর থেকে একলা বাড়িতে থাকাটাই অভ্যাস৷ স্কুলবাস থেকে নেমে, নিজেই চাবি দিয়ে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে খাবার খেত৷ তারপর বারান্দায় বসে আপনমনে খেলত৷ ডোডোর বেশ মনে আছে, তার বন্ধু ছিল আসলে তার ছায়াটা৷ নিজের ছায়ার সঙ্গে সে দিব্যি ঘণ্টার পর ঘণ্টা গল্প করত৷ ছায়াও ঘাড় নেড়ে, হেসে, মাথা ঝাঁকিয়ে তার সব কথা শুনত৷ কথাটা একদিন মাকে বলাতে মা খুব হেসেছিল৷ তারপর থেকে আর কাউকে কখনও বলেনি ডোডো৷ কিন্তু ছায়ার সঙ্গে এই খেলাটা অনেকদিন চলেছে৷ কখন এটা বন্ধ হল আর মাথার মধ্যে ফিসফিসানি শুরু হল সেটা এখন আর বলতে পারবে না ডোডো৷

    তবে প্রথম যেদিন এই ঘটনাটা খেয়াল করেছিল, সেটা স্পষ্ট মনে আছে৷ সেদিন ওদের স্কুলে ফুটবল ম্যাচ ছিল৷ সেভেন থেকে টেন, এই চারটে ক্লাসের চারটে টিম৷ সেভেনের সঙ্গে খেলবে ক্লাস নাইন আর এইটের সঙ্গে ক্লাস টেন৷ ডোডো তখন ক্লাস সেভেন৷ ফুটবলটা সে চিরকালই ভালো খেলে৷ তাই ক্লাসের টিমে চান্স পেয়েছে৷ রোগা-পাতলা চেহারা৷ কিন্তু বল নিয়ে দৌড়োয় পাঁকাল মাছের মতো৷ অর্ক একবার পায়ে বল পেলে যে কেড়ে নেওয়া কঠিন সেকথা জানে স্কুলের ছেলেরা৷ সেদিনও পায়ে বল পেয়েই উল্টোদিকের গোলের দিকে পাঁইপাঁই করে ছুটছিল ডোডো৷ চোখের কোণ দিয়ে দেখেছিল নাইনের ডিফেন্ডাররা দৌড়ে আসছে৷ সবার আগে প্রসিত৷ পর পর দু-বার ফেল করে ক্লাস নাইনেই আছে৷ লম্বা-চওড়া দু-দিক থেকেই ডোডোর অন্তত দেড়া৷ কিন্তু ডোডো ভয় পায়নি মোটেই৷ সে জানত তার পা থেকে বল কেড়ে নেওয়ার মতো স্কিল প্রসিতের নেই৷ কিন্তু প্রসিতের মাথায় যে অন্য বুদ্ধি আছে সেটা তখনও বুঝতে পারেনি৷ বুঝল যখন ততক্ষণে সে ল্যাং খেয়ে মাটিতে পড়ে যাচ্ছে৷ আর তক্ষুনি প্রথমবার কানের কাছে শুনেছিল সেই ফিসফিস শব্দ, বাঁদিকে গড়িয়ে যা, বাঁদিকে গড়িয়ে যা এক্ষুনি৷

    কিচ্ছু না ভেবে শুধুমাত্র রিফ্লেক্সে বাঁদিকে গড়িয়ে গেছিল ডোডো৷ সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পেরেছিল আর এক সেকেন্ড দেরি করলে প্রসিতের বুট পরা পায়ের লাথি এসে লাগত তার পাঁজরে৷

    বাড়ি এসে কথাটা কাউকে বলেনি ডোডো৷ কারণ তার ভয় ছিল, এসব কথা শুনলে মা হয়তো তার ফুটবল খেলাটাই বন্ধ করে দেবেন৷ তবে ওই ফিসফিসানিটা নিয়ে সে আর বিশেষ মাথাও ঘামায়নি৷

    দ্বিতীয় ঘটনাটা ঘটল, তার প্রায় মাসখানেক পর৷ সেটা একটা রীতিমতো দুর্ঘটনাই বলা চলে৷ ডোডো তখন সুখেন্দু স্যারের কোচিংয়ে পড়ত৷ স্কুলফেরতা একেবারে টিউশন পড়ে আসাটাই ছিল নিয়ম৷ কিন্তু তখন গরমের ছুটি চলছে৷ তাই স্যারের ক্লাসটা হচ্ছিল সকালে৷ সুখেন্দু স্যারের বাড়িটা বেশ দূরে৷ তবে ডোডোদের বাড়ির কাছাকাছি যে বাসস্ট্যান্ড সেখান থেকে সোজা বাস আছে৷ ভোরবেলা ঘুমচোখে পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে ডোডো গিয়ে বাসে উঠেছিল৷ বাসটা প্রথমটায় চলছিলও বেশ ঢিকঢিকিয়ে৷ কিন্তু হঠাৎ একই রুটের আর একটা বাস পিছনে আসায় পড়িমরি করে ছুটল৷ দুটো বাসের এই রেসটা দিব্যি লাগছিল ডোডোর৷ রাস্তায় একটা চওড়া খাল পড়ে৷ সেই ব্রিজটা পেরিয়ে একটু গেলেই স্যারের বাড়ি৷ বাসটা যখন ব্রিজে উঠছে তখন ডোডো সিট ছেড়ে দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল৷ আর ঠিক সেই সময় স্পিডের মাথায় কন্ট্রোল হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে বাসটা ঝুলে গেল খালের দিকে৷ বাসটা কিন্তু জলে পড়েনি৷ মাঝখানে আটকে গেছিল৷ কিন্তু ডোডো দরজার কাছে ছিল বলে ছিটকে খালের জলে পড়ে গেছিল৷ সে তখনও সাঁতার জানে না৷ পিঠে ব্যাগ নিয়ে হাঁকপাঁক করে যখন তলিয়ে যাচ্ছে, তখন মনে হয়েছিল কে যেন তাকে ঠেলে ওপরের দিকে তুলে দিতে দিতে কানের কাছে ফিসফিস করছে, আলোর দিকে যা…. আলোর দিকে যা….

    ডোডো যদিও আলো দেখতে পায়নি, কিন্তু কোনওরকমে মাথাটা একটু উঠতেই চুল ধরে একজন টেনে নিয়ে গেল ডাঙার দিকে৷ আসলে ততক্ষণে আশপাশের ছেলেপুলেরা জলে নেমে পড়েছে৷ তাদেরই একজন ডোডোকে উদ্ধার করেছিল৷ কিন্তু জলের নীচ থেকে কে যে তাকে ঠেলে তুলল, সেটা ডোডো আদৌ জানে না৷ পরে তার মনে হয়েছিল প্রাণ বাঁচাতে নিজের শরীরটাকে ভাসিয়ে রাখার একটা প্রাণপণ চেষ্টা হয়তো সে করেছিল যেটা সেই মুহূর্তে কাজে লেগেছিল৷

    এত মারাত্মক না হলেও এই কানের কাছে ফিসফিস সে আরও অনেকবার শুনেছে৷ মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে পক্স হয়েছিল ডোডোর৷ অসুস্থ অবস্থায়, সিক বেডে পরীক্ষা দেওয়ার ভয়ে আগের রাতে সে যখন একলা একলা আকুলভাবে কাঁদছে, তখনও যেন সেই মনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা মনটা চুপিচুপি সান্ত্বনা দিয়েছিল তাকে৷ আশ্চর্যের ব্যাপার অত শরীর খারাপ নিয়েও পরীক্ষা দিতে কিন্তু কোনও কষ্ট হয়নি ডোডোর৷ মনে হয়েছিল সে যেন শুধু কলমটা ধরে আছে, তার হয়ে লিখে দিচ্ছে অন্য কেউ৷

    উচ্চ-মাধ্যমিকের আগের দিন যখন অ্যাডমিট কার্ড হারিয়ে ফেলে পাগলের মতো অবস্থা তখনও ঠিক একইভাবে মাথার ভিতরে কেউ যেন বলে দিয়েছিল কার্ডের সন্ধান৷

    এরকম হতে হতে কেমন যেন একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে ডোডোর৷ সে মনে করে যে তার কোনও বিপদ হবে না৷ বিপদের সম্ভাবনা যদি থাকে, তাহলে তাকে সতর্ক করে দেবে তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় মানে ওই ফিসফিসে গলা৷ সে যদি খুব আন্তরিকভাবে কিছু চায়, আর ওই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়টি যদি বলে যে তার ইচ্ছেপূরণ হবে, তাহলে সেটাও নিশ্চিত হবেই৷

    ডোডোর সবথেকে বিরক্তি লাগছিল কারণ তার এই যে আত্মবিশ্বাস, ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের ওপর এতটা ভরসা সেটা যেন ভেঙে যাচ্ছে৷ কালকে সকালের মধ্যে যদি বোঁচাদাকে কনফার্ম করা না যায়, তাহলে লিস্ট থেকে বাদ পড়তে হবে৷ মায়ের রাজি হওয়ার কোনও মাত্র লক্ষণ নেই৷ অথচ সেই ফিসফিসে গলা ক্রমাগত তাকে আশ্বস্ত করে যাচ্ছে৷ পুরো ব্যাপারটার জন্য নিজের ওপরেই নিজের একটা গুমগুমে রাগ হল ডোডোর৷ আর সেটা সামলাতে না পেরে খানিকটা চেঁচিয়েই বলে ফেলল, এই এক হয়েছে উটকো ঝামেলা৷ সারাক্ষণ কানের কাছে খালি ফিসফিস ফিসফিস৷ এবার মনে হচ্ছে নিজের জন্যই একটা ভূতের ওঝা ডেকে আনতে হবে৷

    একলা ঘরে কার সঙ্গে কথা বলছিস ডোডো?

    দরজার কাছে মায়ের গলা শুনে একটু অপ্রস্তুত হয়ে যায় ডোডো৷ কিন্তু এখন তো সে রেগে আছে৷ তাই গম্ভীরভাবে বলে, সে খোঁজে তোমার দরকার নেই৷ আমাকে এখন একটু একা থাকতে দাও৷

    ডোডোর ঘরে মায়ের একটা পুরোনো আলমারি আছে৷ সেটা থেকে কোনও কাগজপত্র বার করতেই সম্ভবত ঘরে এসেছিলেন মা৷ তাই ছেলের সঙ্গে আর কথা না বাড়িয়ে আলমারিটা খুলে দু-একটা জিনিস বার করে নিয়ে চলে যান৷ মা বেরিয়ে যেতেই ঘরের দরজাটা বন্ধ করে দেয় ডোডো৷ তারপর ফের খাটে শুয়ে আকাশ-পাতাল ভাবতে থাকে৷ কিন্তু কোনওভাবেই মাকে রাজি করানোর কোনও উপায় মাথায় আসে না৷ ভাবতে ভাবতে মাথা যখন রীতিমতো গরম হয়ে উঠেছে, তখন ফের কে যেন কানের কাছে ফিসফিস করে ওঠে, অত ভাবছিস কেন, দেখবি সব ঠিক ম্যানেজ হয়ে যাবে৷

    এইবার রাগে দাঁত কিড়মিড় করে বিছানায় উঠে বসে ডোডো৷ দু-হাত শক্ত মুঠি করে প্রতিজ্ঞা করে পরদিন সকালে উঠেই সে সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাবে৷ তার কোনও ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের দরকার নেই৷ এই ফিসফিসানি বন্ধ করার জন্য যা যা করা দরকার সবই সে করবে৷

    মাথা ঠান্ডা করার জন্য উঠে জল খায় ডোডো৷ ঘাড়ে মাথায় জল দেয়৷ দরজা অল্প ফাঁক করে দেখে পাশের ঘরের আলো নিভে গেছে৷ মা-বাবা তার মানে শুয়ে পড়েছেন৷ ঘড়ির কাঁটাও বারোটার ঘর পেরিয়ে গেছে অনেকক্ষণ৷ শুয়ে পড়বে ঠিক করে আলো নেভাতে গিয়ে ডোডো দেখে আলমারির সামনে একটা খাম পড়ে আছে৷ সম্ভবত মা জিনিস বার করার সময় পড়ে গেছে৷ খামটা তুলে নিতে তার ভিতর থেকে দুটো ছবি বেরিয়ে পড়ে৷ দুটো বাচ্চা ছেলের ছবি৷ একটা বোধহয় বছর চারেকের৷ আর একটা নেহাতই ছোট৷ প্রথম ছবিটাতে বড় ছেলেটা ছোটটাকে কোলের মধ্যে চেপ্টে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷ দ্বিতীয়টাতে বড়টা একটা ট্রাইসাইকেলে বসা৷ পিছনের সিটে ছোটটা বসে আছে৷ ছবির বাচ্চা দুটোর কোনওটাই ডোডোর চেনা নয়৷ ছোটটার ফুলো ফুলো গাল৷ দিব্যি ট্যাঁপাটোঁপা৷ বড়টার জোড়া ভুরু আর হাসিতে হালকা একটা চেনা চেনা আভাস৷ মাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে বাচ্চা দুটো কে, কথাটা ভাবতে ভাবতে ছবি দুটো খামে ঢুকিয়ে শুয়ে পড়ে ডোডো৷ ঘুম যখন প্রায় এসে গেছে তখন হঠাৎ মনে হয়, তার বিছানার পাশে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে৷ চমকে উঠে ডোডো দেখে ছবির দুটো ছেলের মধ্যে বড়টা এসে দাঁড়িয়েছে খাটের ধারে৷ তবে ছেলেটা এখন আর ছোট নেই৷ বেশ বড় হয়ে গেছে৷ ডোডোর থেকেও খানিকটা বড়৷ ডোডোকে তাকাতে দেখেই, ছেলেটা মুচকি হেসে বলে, কী রে চিনতেই পারলি না আমায়? ভাবছিস ওঝা ডাকবি নাকি সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাবি?

    ধড়মড় করে উঠে বসে ডোডো৷ কেউ কোত্থাও নেই৷ তাহলে কি সে ঘুমিয়ে পড়েছিল? ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখল? এত স্পষ্ট স্বপ্ন? ছেলেটার গালের হাসির ভাঁজ পর্যন্ত তার চোখের সামনে ভাসছে৷ অস্থির মনে বিছানায় ছটফট করতে করতে ভোরের দিকে ঘুমিয়ে পড়ে ডোডো৷

    প্রতিমা মানে ডোডোর মাকে অফিস যেতে হয় বেশ সকাল সকাল৷ রাতে ভালো করে ঘুম হয়নি৷ তাই সকালে ডোডোর যখন ঘুম ভাঙল তখন বেলা বেশ খানিকটা গড়িয়ে গেছে৷ মা বেরিয়ে গেছেন৷ ফিরতে ফিরতে দুপুর তিনটে৷ কিন্তু ডোডোর মনের ভিতরটা এমন অস্থির লাগছিল যে সে কলেজ গেল না৷ প্রতিমা ফিরে ছেলেকে বাড়িতে দেখে একটু আশ্চর্য হলেও মুখে কিছু বললেন না৷ মা কাপড় বদলে, হাত-মুখ ধুয়ে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করল ডোডো৷ তারপর সরাসরি খামটা নিয়ে মায়ের ঘরে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল, এটা কার ছবি মা?

    প্রতিমা চমকে উঠে, ছেলের হাত থেকে প্রায় খামটা ছিনিয়ে নিয়ে বলে উঠলেন, এটা তুই কোথা থেকে পেলি?

    তোমার আলমারির সামনে পড়ে ছিল৷ কাল যখন কীসব বার করলে, তখনই মনে হয় পড়ে গেছে৷ কিন্তু ছবিটা কার, তুমি এত আপসেটই বা হচ্ছ কেন?

    ছবির খামটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকেন প্রতিমা৷ ডোডো বুঝতে পারে, মায়ের চোখ দুটো ক্রমশ জলে ভরে যাচ্ছে৷ তারপর একটু সামলে নিয়ে বলেন, এই একদম ছোট বাচ্চাটা হচ্ছ তুমি আর অন্যটা তোমার দাদা সূর্য৷

    আমার দাদা! আমার কোনও দাদা আছে নাকি?…..

    ডোডো রীতিমতো হতবাক৷

    আছে নয় ছিল৷ সূর্য আমাদের প্রথম সন্তান৷ তোমার থেকে চার বছরের বড়…..

    কোনওদিন তো এসব কথা শুনিনি মা৷

    বলিনি কোনওদিন৷ বলার তো দরকারও হয়নি৷ নিজের বুকের ভিতর পুষে রাখা যন্ত্রণাকে কে আর খুঁড়ে বের করতে চায় বলো৷ আমি আর তোমার বাবা ছাড়া আর বিশেষ কেউ জানেও না৷ আমরা তখন মধ্যপ্রদেশে থাকতাম৷ ওখানেই সূর্য মারা যায়৷ তার বছরখানেক পরেই তোমার বাবা ওই চাকরিটা ছেড়ে দিলেন৷ আসলে ওখানে আমরা আর থাকতে পারছিলাম না…….

    কী হয়েছিল মা, কী করে দাদা মারা গেল?

    প্রতিমা অতি কষ্টে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, বিকেলে তুই সামনের বাগানে খেলা করতিস৷ তখন অল্প অল্প হাঁটতে শিখেছিস৷ সেদিন বাগানের গেট খোলা পেয়ে রাস্তার দিকে চলে গেছিলি৷ সূর্য একটু পরে গেট দিয়ে বেরিয়ে দেখে তুই প্রায় মাঝরাস্তায় আর ভীষণ জোরে একটা ট্রাক আসছে৷ ও কোনওরকমে তোকে ঠেলে সরিয়েছিল, কিন্তু নিজেকে বাঁচাতে পারেনি৷ ট্রাকের চাকায় ছোট্ট শরীরটা পিষে……ভাইকে খুব ভালোবাসত সূর্য৷ ভাই-অন্ত প্রাণ ছিল…

    দরদর করে চোখ দিয়ে জল পড়তে থাকে প্রতিমার৷ নিঃশব্দে বসে থাকে ডোডো৷ নিজেকে খানিকটা সামলে নিয়ে প্রতিমা বলেন, এইজন্যই আমি তোর সম্বন্ধে এত সাবধানী ডোডো৷ একবার সন্তান হারানোর শোক সহ্য করেছি তো৷ আর সেদিন তোকে বাঁচানোর জন্য একজন ছিল, আজ তো কেউ নেই বাবা…..

    মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে ডোডো বলে, তুমি চিন্তা কোরো না মা৷ সেদিন যে ছিল সে আজও সবসময় আমার পাশে থাকে৷

    ডোডোর বাবা ভারী আশ্চর্য হয়েছিলেন৷ কিন্তু প্রতিমা নিজেই উদ্যোগ নিয়ে তাঁকে পাঠালেন বোঁচাদার সঙ্গে কথা বলে এভারেস্ট এক্সপিডিশনের লিস্টে ছেলের নামটা ঢোকাতে৷ ডোডো অবশ্য খুব একটা আশ্চর্য হয়নি৷ বোঁচাদাও খুশিই হয়েছিলেন৷ পরের স্টেপগুলো সবই এগোল স্বচ্ছন্দে৷ নানা ব্যস্ততার মধ্যে দিন কেটে গিয়ে কেমন যেন হুহু করেই এসে পড়ল যাত্রা শুরুর সময়৷

    পিঠে রুকস্যাক বেঁধে মা-বাবাকে প্রণাম করে বেরোল ডোডো৷ প্রতিমা বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালেন৷ অনেকদিনের অভ্যাস৷ গেটের কাছ থেকে ছেলে একবার হাত নাড়ে৷ সবুজ টি-শার্ট আর জিনস পরা ডোডো হাত তুলল৷ প্রতিমা স্পষ্ট দেখতে পেলেন, তার পাশে আরও একজন হাত নাড়ছে৷ মুখটা ভালো বোঝা যায় না৷ কিন্তু হাসিটা বড্ড চেনা৷

    দুগগা দুগগা…ওদের সাবধানে রেখো ঠাকুর…..

    অস্ফুটে ঠোঁট নড়ল মায়ের৷

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }