Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তেরোর ত্রাস – দীপান্বিতা রায়

    দীপান্বিতা রায় এক পাতা গল্প171 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হেনরি হাউস

    কালিম্পং-এর ক্যামেলিয়া লজে তো জায়গা পাওয়া যাবে না স্যার৷ সব ঘরই বুক হয়ে গেছে৷

    কথাটা শুনেই মনটা ভারি খারাপ হয়ে গেছিল অনিমেষের৷ গরমের ছুটিতে এবার দার্জিলিং বেড়াতে যাওয়া হবে, অনেকদিন ধরেই ঠিক করা আছে৷ তবে দার্জিলিং বেড়াতে যাওয়া মানে তো আর শুধুই দার্জিলিং নয়৷ চারদিন দার্জিলিং দুদিন কর্শিয়াং আর দুদিন কালিম্পংও৷ সব মিলিয়ে আটদিনের একটা জমজমাট ট্যুর৷ রিমির স্কুলে সেশন ব্রেকের ছুটি৷ রূপা স্কুলে পড়ায় বলে তারও ছুটি নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই৷ বাকি থাকল শুধু অনিমেষ৷ তার ব্যাঙ্কের চাকরিতে ছুটির কড়াকড়ি থাকলেও এবার দরখাস্ত মঞ্জুর হয়েছে৷ ট্রেনের রিজার্ভেশন সারা৷ দার্জিলিং আর কর্শিয়াং-এ টুরিস্ট লজে ঘর মিলেছে৷ বুকিং কমপ্লিট৷ বাকি ছিল কালিম্পং৷ সেখানেই বাধল গোল৷ প্রথম পছন্দ ক্যামেলিয়া৷ ইন্টারনেটে দেখে ভারি পছন্দ হয়েছে রূপা আর অনিমেষ দুজনেরই৷ গলফ কোর্সের উল্টোদিকে হোটেল৷ চারপাশের দৃশ্য চমৎকার৷ ভিতরের ব্যবস্থাও সুন্দর৷ অনলাইনে বুকিং-এ সমস্যা হচ্ছে দেখে অনিমেষ তাই নিজেই চলে গেছিল ওদের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে৷

    দেখুন না একবার ভালো করে৷ একটাই ঘর তো লাগবে৷ কোনওভাবে যদি ম্যানেজ করা যায়…

    হোটেলের কর্মচারীটি একেবারে আগাগোড়া পেশাদার লোক৷ তাই অনিমেষের এহেন অন্যায় আবদারেও দাঁত না খিঁচিয়ে, ঠোঁটের কোনে হালকা একটা হাসি ঝুলিয়ে আবার সামনের কম্পিউটারের পর্দায় চোখ বোলাতে বোলাতে বললেন, লাভ নেই কিছু৷ খালি নেই একটাও….তবে….

    সঙ্গে সঙ্গে উৎসুক অনিমেষ৷ তবে কী? তার মানে নিশ্চয় একটা কিছু ব্যবস্থা হবে৷

    দেখুন আমাদের এই লজটা একদম নতুন৷ মাত্র তিন বছর হল তৈরি হয়েছে৷ চারতলা বিল্ডিং, মডার্ন অ্যামেনিটিজ৷ কিন্তু এর আগে যে বাংলোটায় আমাদের হোটেল ছিল সেটা এখনও আছে৷ যদিও সেটা পুরোনো প্যাটার্নের৷ সেখানে যদি থাকতে রাজি থাকেন তাহলে একবার দেখতে পারি৷

    কথাটা শুনে প্রথমটায় একটু ঘাবড়ে গেছিল অনিমেষ, পুরোনো মানে কী, ভাঙাচোরা নাকি?

    আরে না না৷ সবই ঠিকঠাক৷ ব্যবস্থাও একইরকম৷ শুধু বাড়িটা এখনকার মতো ঝাঁ-চকচকে নয়৷ ইনফ্যাক্ট আমাদের অনেকে পুরোনো ক্লায়েন্ট তো ক্যামেলিয়ায় না থেকে হেনরি হাউসে থাকাই প্রেফার করেন৷ বেশ একটা কোলোনিয়াল ফ্লেভার পাওয়া যায়৷

    বাড়িটার নাম বুঝি হেনরি হাউস?

    হ্যাঁ৷ এক ব্রিটিশ চা-বাগানের মালিকের বাংলো ছিল ওটা৷ পরে হাত বদলে হোটেল হয়েছে৷ দেখুন থাকবেন তো বলুন, দেখে নিই৷

    দোনোমোনো করে রাজি হয়ে গেল অনিমেষ৷ হেনরি হাউসে ঘর পাওয়া গেল৷ বুকিংও হয়ে গেল সেদিনই৷ তবে মনে একটা খুঁতখুঁতুনি ছিলই৷ কিন্তু আজ সকালে গাড়িটা যখন নুড়ি ঢালা রাস্তাটা দিয়ে এসে পোর্টিকোতে দাঁড়াল, তখন নিজের পিঠ নিজেই চাপড়াতে ইচ্ছে করছিল তার৷ ভদ্রলোক বলেছিলেন বটে যে ব্রিটিশ আমলের বাংলো, কিন্তু সে যে এতটা ছিমছাম সুন্দর অনিমেষ ভাবতেই পারেনি৷

    চারিদিকে ছড়ানো সবুজ ঘাসের লনের মাঝখানে দোতলা হেনরি হাউস৷ বাড়িটার রঙ হালকা হলুদ আর সাদায় মেশানো৷ ছাদ টুকটুকে লাল টালির৷ তবে বাড়ির রঙ তেমনভাবে চোখে পড়ে না৷ কারণ দেওয়াল বেয়ে উঠে গোটা বাড়িটাকেই ছেয়ে ফেলেছে সবুজ পাতায় ভরা একটা লতা৷ খুব ছোট ছোট বিন্দুর মতো গোলাপি-বেগুনি ফুলে ভরে আছে সেই লতা৷ দেখে মনে হচ্ছে যেন বিদেশি কোনও রূপকথার বইয়ের পাতা থেকে উঠে এসেছে বাড়িটা৷ এখনই দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসবে সোনালি চুলের সুন্দরী রাজকন্যা৷

    রিমি তো গাড়ি থেকে নেমেই সামনের লনে খানিকটা ছোটাছুটি করে নিল৷ একটা লোমওলা কুকুর বসে ছিল রোদে গা পেতে৷ নির্ঘাৎ সে ব্যাটা হেনরি হাউসের পাহারাদার৷ সেও ছুটলো রিমির পিছুপিছু৷ বাংলোটা যে রূপারও খুব পছন্দ হয়েছে সেটা তার মুখের খুশি খুশি ভাব দেখে বুঝতে অসুবিধা হল না৷

    জিনিসপত্র নিয়ে ভিতরে ঢুকে দেখা গেল সেখানকার ব্যবস্থাও চমৎকার৷ একতলায় মস্ত লাউঞ্জ, ডাইনিং রুম, কিচেন, বিলিয়ার্ড রুম আর একটা ছোট্ট লাইব্রেরি৷ ওপরের চারটে ঘরে থাকার ব্যবস্থা৷ কাঠের মেঝে, কাঠের সিঁড়ি৷ তার ওপর মোটা কার্পেট পাতা৷ চলাফেরায় শব্দ হয় না মোটেই৷ ম্যানেজার জানালেন, সিঁড়ি দিয়ে উঠে ডান দিকের ঘরটায় অনিমেষদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে৷

    বাগানের দিকে ঘর৷ সবথেকে ভালো ভিউ এই ঘরটা থেকেই পাওয়া যায় বুঝলেন তো৷ ভাগ্য ভালো থাকলে সকালে ঘুম থেকে উঠে জানলা দিয়েই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পাবেন৷

    ম্যানেজার যে মোটেই বাড়িয়ে কিছু বলেননি সেটা বোঝা গেল ঘরে ঢুকেই৷ জানলার পর্দা সরাতেই হিমালয় যেন আদর করে ডেকে নিল দু-হাত বাড়িয়ে৷ বাগানের সবুজ ঘাসের লন গিয়ে মিশেছে পাহাড়ের ঢালে৷ সেখানে পাহারাদারের মতো মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে একসারি সবুজ পাইনের গাছ৷ তার ওপাশে ঢেউয়ের মতো নীল-সবুজ পাহাড়ের সারি ক্রমশ হালকা হতে হতে আকাশ আর মেঘের সঙ্গে মিলে-মিশে একাকার৷ বেলা হয়ে গেছে৷ মেঘের দল তাই নেমে এসেছে নীচে৷ কিন্তু ভোরবেলা, মেঘেদের দুষ্টুমি শুরু হওয়ার আগে, নিশ্চিত ওখান থেকেই হাতছানি দেবে সোনার পাহাড়৷

    দুপুরে ডাইনিং হলে খেতে গিয়ে আলাপ হল অন্য দুটি ঘরের বাসিন্দাদের সঙ্গে৷ কৃষ্ণনগর থেকে বেড়াতে এসেছে বেশ বড় একটি পরিবার৷ দুটি ঘরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল তারা৷ তবে এবার তাদের গন্তব্য দার্জিলিং৷ খাওয়া সেরেই রওনা দেবে৷ বিকেলে নতুন অতিথি আসবে ওই ঘরে৷

    হেনরি হাউসের রান্না চমৎকার৷ ভাত, ঝুরি ঝুরি আলু ভাজা, মুগের ডাল, ফুলকপির তরকারি, মুরগির মাংস আর স্যালাড দিয়ে খাওয়াটা বেশ জম্পেশই হল৷ দুপুরে তাই একটু গড়িয়ে নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না৷ বিকেলে উঠে অনিমেষ দেখল দোতলার অন্যদুটো ঘরেই লোক এসে গেছে৷ তবে তাদের ঠিক উল্টোদিকের ঘরটা তখনও তালা বন্ধ৷ সিঁড়ি দিয়ে উঠে বাঁদিকের এই ঘরটার লাগোয়া একটা বারান্দা আছে৷ তাতে গোটা দুয়েক চেয়ার পাতা৷ সেই গোলাপি ফুলে ভরা লতাটা ছেয়ে আছে বারান্দার দেওয়ালেও৷ চা-এর কাপ নিয়ে সেই বারান্দায় বসাটা ভারি আরামের৷ সকালবেলা এখানে বসেও দিব্যি সূর্যোদয় দেখা যায়৷

    কিন্তু সূর্যোদয় দেখতে হলে তো ভোর ভোর উঠতে হবে৷ তাছাড়া পাহাড়ি জায়গায় সন্ধের পরে আর বিশেষ কিছু করার থাকে না৷ তার ওপর আবার ম্যানেজার বলে দিলেন, ডিনার খেয়ে নিতে হবে সাড়ে নটার মধ্যেই৷ কারণ গেস্টদের খাওয়া হয়ে গেলে, রান্নাঘর, ডাইনিং রুম সব জায়গায় তালা লাগিয়ে তাঁরা নিজেদের কোয়ার্টারে চলে যান৷ গেটের বাইরে পাহারা চৌকি আছে, সেখানে শুধু দারোয়ান থাকে৷

    কিন্তু রাতে যদি কোনও দরকার হয়, আপনাদের ডাকব কী করে?

    মোবাইল নম্বর দিয়ে যাব৷ ফোন করবেন৷ চলে আসব৷ আমার কোয়ার্টার কাছেই৷ হেঁটে আসতে দশ মিনিট লাগে৷

    কথাগুলো বেশ জোর দিয়ে বলা হলেও বাস্তবে কথার সঙ্গে কাজের কোনও মিল থাকবে কী না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ ছিল অনিমেষের৷ তবে মাথা ঘামায়নি৷ কারণ মাটন কারিটা এত ভালো খেতে হয়েছিল যে অন্য কোনও দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া যাচ্ছিল না৷

    কিন্তু সাড়ে নটার মধ্যে খেয়ে নিলেই তো আর ঘুমিয়ে পড়া যায় না৷ অভ্যাসই নেই৷ কলকাতায় তো সাড়ে নটা মানে সবে সন্ধে রাত্তির৷ অফিস থেকে এসে এক কাপ চা নিয়ে বসার সময়৷ তাই জামা-কাপড় বদলে, আসার সময় স্টেশনে কেনা একটা ইংরাজি থ্রিলার হাতে নিয়ে বিছানায় লম্বা হল অনিমেষ৷ মার্চের মাঝামাঝি৷ দিনের বেলায় ঠান্ডা নেই মোটেই৷ কিন্তু রাতে কম্বলের তলায় ঢুকে আরামই লাগছিল৷ রিমি সন্ধে থেকে লনে ছোটাছুটি করেছে৷ তাই ঢুলছিল খাওয়ার সময়েই৷ রূপারও শোয়ার একটু পরেই দিব্যি ফুসুর ফুসুর নাক ডাকতে লাগল৷ অনিমেষের কিন্তু ঘুম পায়নি মোটেই৷ তাছাড়া বইটাও খুব ইন্টারেস্টিং৷ তাই পিঠে বালিশ দিয়ে বসে পড়ে যাচ্ছিল মন দিয়ে৷ তবে রূপাদের ঘুমোতে যাতে অসুবিধা না হয়, সেজন্য বড় আলোটা নিভিয়ে নিজের মাথার কাছের রিডিং ল্যাম্পটা জ্বেলে নিয়েছিল৷

    রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা৷ বইয়ের মধ্যে রীতিমত ডুবে আছে অনিমেষ৷ হঠাৎ কেমন যেন একটা অস্বস্তি হওয়ায় সামনে তাকিয়ে চমকে উঠল৷ অনিমেষ আধশোয়া হয়ে বসে আছে খাটে৷ তার ঠিক উল্টোদিকেই বাথরুমের দরজা৷ দরজার ডান পাশে বেশ বড় আয়না লাগানো পুরোনো দিনের ড্রেসিং টেবিল৷ একঝলেক অনিমেষের মনে হল ড্রেসিং টেবিলের সামনে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে৷ তার মুখ দেখা যাচ্ছে না৷ মনে হচ্ছে যেন মুখ নিচু করে কিছু খুঁজছে৷ পুরুষ না মহিলা বোঝা যাচ্ছে না৷ ভয়ানক চমকে ধড়মড় করে উঠে বসে আবার আয়নার দিকে তাকাল অনিমেষ৷ কোথাও কিছু নেই৷ বেলজিয়াম গ্লাসের আয়না ঝকঝক করছে৷ তবে ঘরের মধ্যে কেমন যেন একটা চিমসে গন্ধ৷ গন্ধটা কি আগে ছিল? কোনও পোকা-টোকা মরল নাকি?

    অনিমেষ এমনিতে সাহসী ছেলে৷ তাই প্রথমেই হাত বাড়িয়ে ঘরের বড় আলো জ্বালল৷ তারপর উঠে গোটা ঘর-বাথরুম ঘুরে এল একবার৷ কোথাও কিছু নেই৷ অদ্ভূত গন্ধটাও আর সেভাবে নাকে লাগছে না৷ ড্রেসিং টেবিলটা ঘরে ঢোকার দরজার ঠিক উল্টোদিকে৷ বন্ধ দরজার গায়ে একটা হুকে অনিমেষের জ্যাকেট আর টুপিটা ঝুলছে৷ আয়নার ভিতরে সে দুটোর ছায়া পড়েছে৷ মনে মনে হাসল অনিমেষ৷ বোঝাই যাচ্ছে আধো অন্ধকারে টুপিটাকেই তার মানুষের মাথা বলে মনে হয়েছে৷ আসলে এরকম একটা পুরোন বাংলো বাড়িতে থাকলেই তো নানারকম অলৌকিক ব্যাপার-স্যাপার মাথার মধ্যে ঘোরে৷ তাতেই এমন দৃষ্টি বিভ্রম৷

    পড়ার গতিটা কেটে গেছিল৷ রাতও অনেকটাই হয়েছে৷ তাই বই বন্ধ করে শুয়ে পড়ল অনিমেষ৷ ঘুমিয়েও পড়ল একটু পরে৷ যদিও মাঝরাতে আর একবার তার মনে হল ড্রেসিং টেবিলের সামনে কেউ যেন কিছু খুঁজছে৷ আর সেই চিমসে গন্ধটাও আবার ফিরে এসেছে৷ কিন্তু তখন চোখের পাতা ভারি৷ তাই ভালো করে কিছু বোঝার আগেই ঘুমের চাদর আপাদমস্তক ঢেকে ফেলল তাকে৷

    সকালে যখন ঘুম ভাঙল, তখন বাইরে ঝকঝকে আকাশ৷ নীলচে সবুজ পাহাড়ের শেষে রূপোলি রেখায় ধীরে ধীরে সোনালি রঙ ধরছে৷ রূপা আর রিমিকে কোনওরকমে টেনে তুলে সূর্যোদয় দেখা আর তারপর সারাদিন গাড়ি নিয়ে ডেলো থেকে শুরু করে কালিম্পং-এর এধারে-ওধারে লম্বা চক্করে রাতের কথা আর মনে নেই মোটেই৷ হোটেলে ফিরতে সন্ধে৷ লাউঞ্জে বসে চা খাওয়ার সময় অনিমেষের মনে হল হোটেলটা আজ যেন একটু বেশি চুপচাপ৷ ম্যানেজারের কাছে জানা গেল ওপরের একটা ঘরে গেস্ট আসার কথা আছে৷ কিন্তু ট্রেন অস্বাভাবিক লেট করায় তারা আজ রাতের কালিম্পং পৌঁছতে পারবে কীনা তার কোনও নিশ্চয়তা নেই৷

    তিনজনেই খুব টায়ার্ড বলে রাতের খাবারটা ঘরেই দিতে বলা হয়েছিল৷ খাওয়া-দাওয়া সেরে শুয়েও পড়া হল তাড়াতাড়ি৷ ঘুমিয়ে পড়েছিল অনিমেষ৷ কিন্তু কিসের একটা চেঁচামেচিতে আচমকা ঘুমটা ভেঙে গেল৷ পাশে রাখা মোবাইলে দেখল রাত মাত্র এগারোটা৷ দরজার বাইরে একটা কথাবার্তার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে৷ গেস্টরা তার মানে এসে পৌঁছেছে অবশেষে৷ উদ্বিগ্ন বয়স্ক মানুষের গলা৷ যদিও ভাষাটা মনে হচ্ছে বাংলা নয়৷ রূপা আর রিমি ঘুমোচ্ছে অঘোরে৷

    একটু সময় অপেক্ষা করেও কথা থামছে না দেখে খাট থেকে নামল অনিমেষ৷ কারুর কোনও বিপদ-আপদ হল কীনা দেখা দরকার৷ ম্যানেজার তো বলেছিল রাতে তারা সবাই কোয়ার্টারে চলে যায়৷ দরজা খুলে বেরিয়ে অনিমেষ দেখল করিডরের আলোটা জ্বলছে না৷ কিন্তু তাদের ঘরের ঠিক উল্টোদিকের দরজাটা খোলা৷ ভিতরে আলো দেখা যাচ্ছে৷ আর সেখান থেকেই কথাবার্তার আওয়াজটা আসছে৷ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন এক আধবুড়ো সাহেব৷ ফুল হাতা শার্টের সঙ্গে গ্যালিস দেওয়া প্যান্ট৷ ওপরে একটা বুককাটা পুরোনো প্যাটার্নের কার্ডিগান৷ আপনমনে বকবক করছেন৷ অনিমেষ দরজায় দাঁড়িয়ে আছে৷ তার দিকে একবার তাকালেনও৷ কিন্তু কিছুই যেন দেখতে পেলেন না৷ দৃষ্টিতে একটা অদ্ভূত উদ্বেগ আর বিষণ্ণতা৷ তারপর পা টেনে টেনে চলে গেলেন বারান্দার দিকে৷

    ঘরের ভিতর থেকে একটা অস্পষ্ট গোঙানির আওয়াজ আসছে৷ কিছু একটা যে হয়েছে সেটা বোঝা যাচ্ছে৷ কিন্তু কী হয়েছে সেটা তো জানা দরকার৷ অনিমেষ ধীরে ধীরে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো৷ রেলিংয়ে ভর দিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন সাহেব৷ সন্ধে বেলায় রীতিমত ঝকঝকে আকাশ ছিল৷ কিন্তু এখন যেন কোথা থেকে মেঘ এসে ঢেকে ফেলেছে৷ তারার আলোটুকুও নেই৷ চারপাশটা চাপ চাপ অন্ধকারে ঢাকা৷ শুধু খাদের ধারের পাইনগাছগুলো তারমধ্যেও জুজুবুড়ির মতো মাথা দোলাচ্ছে৷ বাংলোর সামনের রাস্তার স্ট্রিটলাইটগুলোও এখন আর জ্বলছে না৷ মনে হচ্ছে যেন একটা অন্ধকার প্রাগৈতিহাসিক গুহার মধ্যে ঢুকে আছে হেনরি হাউস৷

    স্যরি বাবু৷ তোমাকে আজ আর একবার ডঃ ওয়াটসনকে নিয়ে আসতে হবে…..এত রাতে যাওয়া৷ আজ ঠান্ডাও পড়েছে৷ আমি জানি যে আমি তোমাকে বারবার বিরক্ত করছি৷ ডঃ ওয়াটসনও বিরক্ত হবেন নিশ্চয়৷ বাট আই অ্যাম হেল্পলেস৷ ডরোথির কষ্ট আর চোখে দেখা যাচ্ছে না৷ আই কান্ট টলারেট ইট এনি মোর৷ আমি চাইছি ঈশ্বর ওকে ডেকে নিন৷

    চিমসে মতো একটা গন্ধ বারান্দাটায়৷ কনকনে ঠান্ডা হাওয়া দিচ্ছে৷ কিন্তু অনিমেষের শীত করছে না৷ কারণ তার গায়ে একটা পুরোনো মোটা চাদর৷ শার্টের হাতার কাছে একটু সেলাই খুলে গেছে৷ রাত পোশাকের পাজামা নয়, সে পরে আছে একটা ধুতি৷ সাহেবের কথাগুলো ভালো করে শোনার জন্যই যেন একটু এগিয়ে বারান্দার রেলিং-এর ধারে গিয়ে দাঁড়াল অনিমেষ৷

    ডরোথিকে তো তুমি কমবয়সে দেখোনি বাবু৷ কী সুন্দর দেখতে ছিল! অ্যান্ড ফুল অফ লাইফ৷ সারাক্ষণ হাসছে, গান গাইছে৷ সাজগোজ করতে ও চিরকালই খুব ভালোবাসে৷ অলওয়েজ লুকিং প্রিটি৷ সাহসও ছিল খুব৷ আমি যখন এই চা-বাগানের কাজ নিয়ে ইন্ডিয়া এলাম, সবাই ওকে বারণ করেছিল আমাকে বিয়ে করতে৷ বাট শি ওয়াজ সো ডেয়ারিং৷ ও কারুর কথা শোনেনি৷ আমার সঙ্গে চলে এল ইন্ডিয়াতে৷ তখন চা-বাগানে গাছ লাগানো হচ্ছে৷ হোল ডে আই ওয়াজ বিজি৷ বাট শি নেভার কমপ্লেইনড৷

    অন্ধকারে আস্তে আস্তে চোখ সয়ে আসছে অনিমেষের৷ বাংলোর হাতা থেকে বেরিয়ে বাঁদিকে কিছুটা গেলেই ক্যামেলিয়া লজ৷ চারতলা বাড়িটা দিব্যি দেখা যায় বারান্দা থেকে৷ কিন্তু এখন সেখানে শুধুই অন্ধকারের সমুদ্দুর৷ টেলিভিশন সেন্টারের এক চোখো দৈত্যের মতো লাল আলোটাও সময়ের পাঁচিলের আড়ালে গা ঢাকা দিয়েছে৷ রাস্তার ওপাশে গলফ ক্লাবের সাদা রঙ করা কাঠের বেড়াটা উধাও৷ একটা কালো প্যাঁচা নিঃশব্দে ডানা নেড়ে উড়ে গেল৷ তার পাখার ঠান্ডা হাওয়া লাগল অনিমেষের মুখে৷

    জানো তো বাবু ডরোথি যখন আমার সঙ্গে পার্টিতে যেত, সবাই ওর সঙ্গে নাচতে চাইত….ওর দিদি বলেছিল ইন্ডিয়াতে শুধু সাপ, বাঘ আর ম্যালেরিয়ার ভয়৷ কিন্তু ডরোথি পরে আমাকে বলেছে, ইন্ডিয়ার মতো এত সুন্দর জায়গা ও আগে দেখেনি৷ স্পেশালি কালিম্পং তো হেভেনলি৷ এই বারান্দায় বসে চা খেতে খেতে কত গল্প করেছি আমরা…. শোনো বাবু তুমি ডঃ ওয়াটসনকে বলবে যে ওকে আসতেই হবে৷ হি মাস্ট কাম৷ আর একটা দিন ওকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে৷ টুমরো ইজ হার বার্থ ডে৷ ডরোথি আমার কাছে একটা গিফট চেয়েছে৷ আমাদের এত বছর বিয়ে হয়েছে, ও যখন যা চেয়েছে আমি দিয়েছি৷ আই মাস্ট ফুলফিল হার লাস্ট উইশ৷ সি ওয়ান্ট আ ডিপ রেড লিপস্টিক…ডিউক টি গার্ডেনের মিঃ স্যামসন কলকাতা গেছেন৷ ওনাকে আমি বলে দিয়েছি৷ ও নিয়ে আসবে৷ হি উইল কাম ব্যাক টুমরো৷ ততক্ষণ ডরোথিকে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে…বাবু তুমি আর দেরি কোরো না, ডঃ ওয়াটসনকে বোলো…

    সাহেবের কথা শেষ হওয়ার আগেই পিছনে থেকে একটা গলার আওয়াজ শোনা গেল….

    লুক ডার্লিং….

    অনিমেষ চমকে পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখল বারান্দার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এক মেমসাহেব৷ দেখেই বোঝা যায় একসময় অপরূপ সুন্দরী ছিলেন৷ কিন্তু এখন রুগ্ন চেহারা৷ দু-চোখের কোলে কালি৷ এলোমেলো চুল৷ সাধারণ একটা গাউন পরা৷ গায়ে গরম জামা৷ মুখে কোনও প্রসাধনও নেই৷ শুধু ঠোঁটে গাঢ় লাল রঙের লিপস্টিক লাগানো…

    কিন্তু মেমসাহেব হাঁফাচ্ছেন৷ এক্ষুনি যেন পড়ে যাবেন….

    ও মাই গড…

    সাহেব দৌড়ে গিয়ে মেমসাহেবকে প্রায় কোলপাঁজা করে নিয়ে ভিতরে চলে গেলেন৷ চাদরটা বারান্দার রেলিং-এ উঠে থাকা পেরেকে আটকে গেছে৷ ছাড়াতে কয়েক সেকেন্ড দেরি হল অনিমেষের৷ তারমধ্যেই সব ভোঁ-ভাঁ৷ বারান্দার দরজায় এসে অনিমেষ দেখল করিডরের আলোটা আগের মতোই জ্বলছে৷ তাদের ঘরের উল্টোদিকের দরজায় ল্যাচ টানা, তালা লাগানো৷ অনিমেষের পরনে আবারও চেনা রাত পোশাক৷ চমকটা সামলে ওঠার আগেই তাদের ঘর থেকে একটা পরিত্রাহি আর্তনাদ কানে এল অনিমেষের৷ রূপার গলা৷ কোনওরকমে ছুটে ঘরে ঢুকে আলোটা জ্বালতেই চোখে পড়ল খাটের ওপর উঠে বসে চিৎকার করছে রূপা৷ ভয়ে চোখ ঠেলে বেরিয়ে এসেছে৷ মুখ সাদা৷

    অনেক কষ্টে তাকে শান্ত করার পর রূপা বলল, একটু আগে ঘুম ভেঙে সে দ্যাখে যে অনিমেষ বিছানায় নেই৷ রূপা ধরেই নিয়েছিল যে অনিমেষ বাথরুমে গেছে৷ নিজেও একবার যাবে কী না ভেবে উঠে বসতেই তার নজরে পড়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে৷ প্রথমটায় রূপা ভেবেছিল অনিমেষই হয়তো৷ কিন্তু তারপরেই বুঝতে পারে দাঁড়ানো ব্যক্তিটি একজন মহিলা৷ ড্রেসিং টেবিলের আয়নার কাছে মুখটা এগিয়ে নিয়ে গিয়ে কিছু করছেন তিনি৷ আর গোটা ঘরটা ভরে আছে একটা চিমসে গন্ধে৷ ব্যাপারটা বুঝেই রূপার গলা থেকে ভয়ের একটা চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে আসে৷ আর সেটা শুনেই মহিলা ঘুরে দাঁড়ান, একজন মেমসাহেব বুঝলে৷ বড় বড় চোখ৷ গাউন পরে আছে৷…আমার দিকে একবার তাকিয়েই বেরিয়ে চলে গেল, দরজাটা বন্ধ ছিল, গলে চলে গেল….

    বাকি রাতটা ঘরের আলো জ্বালিয়ে কোনওরকমে কাটাল দুজনে৷ ভোরের আলো ফুটছে দেখে শুয়ে পড়েছিল৷ সাতটা নাগাদ বেড-টি নিয়ে এল লজের বেয়ারা মজিদ৷ তার পিছনেই ম্যানেজার অমর গিরি৷ অনিমেষের মুখের দিকে একবার তাকিয়েই বেয়ারাকে চাটা রেখে, চলে যেতে বললেন তিনি৷ তারপর নিজেই কাপে চা ঢেলে দিতে দিতে বললেন, ভুলটা আমারই৷ কাল যে ১২ মার্চ খেয়াল ছিল না আমার৷ প্রতিবারই মনে করে রাখি৷ ওই দিনটায় গেস্ট নিই না৷ এবার যে কী করে ভুলে গেলাম৷ আসলে আমার মেয়েটার কিছুদিন ধরেই এত শরীরটা খারাপ…স্যরি স্যার৷

    ব্যাপারটা কী একটু খুলে বলুন তো….

    অনিমেষের কথায় একটু বিষণ্ণ হেসে, টি-পট থেকে নিজের জন্যও এক কাপ চা ঢেলে নিলেন অমর গিরি৷ তারপর বললেন, উইলিয়াম হেনরি ছিলেন টি প্ল্যান্টার৷ ব্রিটিশ৷ ইংল্যান্ড থেকে এসেছিলেন৷ ব্যবসা ভালো বুঝতেন৷ মানুষটিও নাকি ভালো ছিলেন৷ তাঁর স্ত্রী ডরোথি হেনরি৷ অপূর্ব সুন্দরী৷ দুজনের মিলমিশও ছিল খুব৷ স্বামী-স্ত্রী মিলে প্ল্যান করে এই হেনরি হাউস তৈরি করেন৷ বাংলোর গায়ে এই যে লতা দেখছেন, এটা নাকি মিসেস হেনরির নিজের হাতে লাগানো৷ ভালোবেসে ফেলেছিলেন কালিম্পংকে৷ ছেলে-মেয়েরা বড় হয়ে ইউরোপ চলে গেল৷ কিন্তু স্বামী-স্ত্রী গেলেন না৷ নিউমোনিয়া হয়েছিল মেমসাহেবের৷ তখন এসব জায়গায় ডাক্তার-বদ্যি পাওয়াই যায় না৷ তবু ওয়াটসন নামে একজন ছিলেন তিনিই চিকিৎসা করেছিলেন৷ শুনেছি চা-বাগানের হেডক্লার্ক ছিলেন এক বাঙালি ভদ্রলোক৷ হেনরি তাঁকে খুব পছন্দ করতেন৷ শেষ জীবনটা সাহেবের দেখাশোনাও তিনিই করেন৷ মেমসাহেবের জন্মদিন ছিল ১২ মার্চ ৷ তার আগেরদিন রাতে খুব বাড়াবাড়ি হয়৷ বাঙালিবাবু নাকি রাতের অন্ধকারে পায়ে হেঁটে ওয়াটসনকে ডাকতে গেছিলেন৷ কিন্তু ডাক্তার আসার আগেই ভোররাতে মিসেস হেনরি মারা যান৷ বছর খানেক পরে উইলিয়াম হেনরি মারা যাওয়ার পর ছেলে-মেয়েরা এসে বাড়ি বিক্রি করে চলে যায়৷ কিন্তু সাহেব আর মেমসাহেব নাকি এখনও প্রতি বছর ১২ মার্চ রাতে ফিরে আসেন এই বাড়িতে৷ কীসের টানে কে জানে?

    ফেরার ট্রেন রাতে৷ জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়বে ওরা৷ মনটা কেমন যেন ভার হয়ে আছে অনিমেষের৷ বারবার চোখ চলে যাচ্ছে বন্ধ দরজাটার দিকে৷ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে রূপা তৈরি হচ্ছে৷ সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ কেমন যেন চমকে উঠল অনিমেষ৷

    রিমিকে নিয়ে রূপা ডাইনিং হলে গেছে৷ অনিমেষ সোজা গিয়ে ঢুকল ম্যানেজারের ঘরে, ওঁদের ঘরটা একবার খুলে দিন প্লিজ…

    ওপরের ঘরটা? কেন বলুন তো?

    দরকার আছে৷ জরুরি দরকার৷ খুলে দিয়ে আপনি নিচে নেমে আসুন৷

    খুব অবাক হয়ে মিঃ গিরি চাবির রিংটা নিয়ে ওপরে উঠলেন৷ তিনি নেমে আসতে উঠে এল অনিমেষ৷ দরজার পাল্লা দুটো ভেজানো৷ হালকা চাপ দিতেই খুলে গেল৷ ভিতরটা আধো অন্ধকার৷ জানলার পর্দা টানা আছে৷ স্কাইলাইট দিয়ে সামান্য আলো আসছে৷ অনিমেষ ঘরের ভিতরে দু-পা এগোতেই হঠাৎ কোথা থেকে উড়ে আসা হাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেল দরজার পাল্লাদুটো৷ সেই চিমসে গন্ধটা ফিরে আসছে৷ অনিমেষ পকেট থেকে বার করল লিপস্টিকটা৷ রূপার মেক-আপ বক্সে ছিল৷ গাঢ় লাল রঙ৷ সামনের টেবিলের ওপর লিপস্টিকটা রাখল অনিমেষ৷ চিমসে গন্ধটা আস্তে আস্তে মিলিয়ে যাচ্ছে৷ একটা হালকা মিষ্টি ল্যাভেন্ডারের গন্ধ৷ অনেকদিনের সাধ মিটেছে ডরোথি উইলিয়ামসের৷ নিঃশব্দে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে ল্যাচ টেনে দরজাটা বন্ধ করে দিল অনিমেষ৷

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Next Article শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা (অনুবাদ : দুর্গাদাস লাহিড়ী)

    Related Articles

    দীপান্বিতা রায়

    মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }