Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    থ্রি এএম – নিক পিরোগ

    নিক পিরোগ এক পাতা গল্প109 Mins Read0
    ⤶

    ৪. পরিচিত লাগছে জায়গাটা

    ১৬.

    “পরিচিত লাগছে নাকি জায়গাটা?” প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করলাম।

    মাথা দুলিয়ে না করে দিলো সে।

    এই ব্যাপারে আমার সন্দেহ ছিল, কিম বেলস তার বিশ বছর আগের ঠিকানাতে এখনও থাকবে কি না। কিন্তু বলা তো যায় না।

    আমরা গাড়ি থেকে নামলাম। রেডকে বললামম গাড়িটা দুই ব্লক দূরে পার্ক করে রাখতে। সে গাড়ি নিয়ে চুপচাপ চলে গেল। আমরা পাথর দিয়ে বাঁধানো সিঁড়িটা বেয়ে ওপরে উঠতে লাগলাম। আমি সবার সামনে, মাঝখানে ডিটেক্টিভ রে আর একদম পেছনে কনর সুলিভান।

    “আপনার কি আসলেও মনে হয় সে জেসির খুনের ঘটনার সাথে কোনভাবে জড়িত? প্রেসিডেন্ট জিজ্ঞেস করলো আমাকে। “সে তার নিজের মেয়েকে খুন করবে?”

    জবাবে শুধু কাঁধ ঝাঁকালাম আমি। “দেখা যাক।”

    কলিংবেলে চাপ দিলাম।

    এক মিনিট হয়ে গেল কিন্তু কোন সাড়াশব্দ পেলাম না।

    আবার চাপ দিলাম।

    ভেতরে আলো জ্বলে উঠলো। পায়ের আওয়াজ শুনলাম। একটু পরেই দরজাটা খুলে গেলে।

    “কি চাই?” যে মহিলা দরজা খুলে দিল তাকে দেখেই চিনতে পারলাম। কিন্তু আগের ছবির সাথে খুব যে মিল আছে তা নয় কিন্তু। ইন্টারনেটের ছবিটার থেকে এখন প্রায় দ্বিগুণ মোটা সে। কিন্তু চোখজোড়া একই রকম বাদামি আছে। মেয়ের সাথেও চেহারায় মিল আছে তার।

    জেসিকাকে খুন করার পক্ষে শারীরিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালি তিনি।

    আমি রে’কে নিয়ে একপাশে সরে দাঁড়ালাম।

    মহিলার চোখদুটো বড় হয়ে গেল। “কনর?!”

    “কিম,” এটুকু বলেই মাথাটা কেবল একটু নাড়ল প্রেসিডেন্ট।

    “আমরা কি ভেতরে আসতে পারি?” একবার আশেপাশে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম আমি।

    “আসুন, বাইরে আর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন?” এই বলে দরজা থেকে সরে দাঁড়ালো সে। আমরা তার পেছন পেছন ভেতরে ঢুকলাম।

    লিভিং রুমে গিয়ে বসলাম সবাই।

    আমি আমার পরিচয় দিলে আস্তে করে আমার সাথে একবার হাত মেলালেন তিনি। রে তার পুলিশের ব্যাজটা দেখাল। লক্ষ্য করলাম, সাথে সাথে মহিলা জমে গেলেন।

    “তো, কি ব্যাপারে এখানে এসেছেন আপনারা?” মহিলা জিজ্ঞেস করলেন কিন্তু জোর নেই তার গলায়।

    “জেসির ব্যাপারে কথা বলতে,” প্রেসিডেন্ট উত্তর দিলো। সাথে সাথে যেন মনে হল ঘরের পরিবেশটা আরো গুমোট হয়ে গেল যেন।

    “জেসি?”

    আমি তার চেহারা দেখে বোঝার চেষ্টা করলাম, তার মনে কি চলছে। মনে হচ্ছে তার শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে। ঘনঘন চোখের পাতা পড়ছে আর ঠোঁটটা একবার ভিজিয়ে নিলেন। হয়ত অপরাধবোধ থেকে এমন হচ্ছে তার। কিংবা বলা যায় না, বদহজমও হতে পারে।

    “আজ প্রায় আট বছর ধরে তার সাথে কোন যোগাযোগ নেই আমার, চিবিয়ে চিবিয়ে কথাগুলো বললেন মহিলা।

    আমরা তিনজন মুখ চাওয়াচাওয়ি করলাম।

    সুলিভানকে দেখে মনে হল না সে বিশ্বাস করেছে এ কথা। “ফালতু কথা,”বলল সে।

    মহিলা কোন জবাব দিলেন না।

    সুলিভানকে দেখে মনে হল তার মাথায় রক্ত উঠে গেছে। এই মহিলাই তাকে এরকম একটা গ্যাঁড়াকলের মধ্যে ফেলে দিয়েছে, এই মহিলার জন্যেই আজ তার এই অবস্থা। তার রাগ করাটাই স্বাভাবিক। মনে হচ্ছে যেকোন মুহূর্তে মহিলার উপর চড়াও হবে সে। আর আমি বাধা না দিলে হয়ত সেটা করেও বসবে।

    এমন একটা কাজ কিভাবে করলে তুমি নিজের মেয়েকে খুন করার আগে একবারও হাত কাঁপলো না তোমার?” চিৎকার করে মহিলাকে বলল প্রেসিডেন্ট।

    “খুন? কাকে? জেসিকে?”

    “তুমিই জেসিকে খুন করেছ আর আমাকে ফাঁসিয়েছ এই মামলায়।”

    কিম একবার আমার দিকে তাকালেন আরেকবার রের দিকে, “জেসি…জেসি মারা গেছে?”

    এবার সুলিভান আমার দিকে তাকালো। তারপর আবার মহিলার দিকে তাকিয়ে বলল, “তার মানে তুমি বলতে চাও, তুমি জেসিকে খুন করোনি?”

    “না! আমি জানতামও না…আর আমি কিভাবে খুন করব ওকে? যদিও মানুষ হিসেবে খুবই খারাপ ছিল মেয়েটা। মাথায় ছিট ছিল। কিন্তু হাজার হলেও তো ওর মা আমি। ও আসলেও মারা গেছে? ওহ…কখন? কিভাবে?”

    আমি জানতাম খুনটা এই মহিলা করেননি কিন্তু এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল, তিনি এটাও জানেন না তার মেয়ে মারা গেছে।

    “আপনি আসলেও জানেন না, সে মারা গেছে?” জিজ্ঞেস করলাম তাকে।

    “না।”

    “সত্যি? গত বিশ মিনিটের মধ্যে এই প্রথম রে কথা বলল। “প্রেসিডেন্টের গ্রেফতারের ব্যাপারে কিছু জানেন আপনি?”

    “হ্যাঁ, এরকম কিছু একটা শুনেছিলাম,” এই বলে সুলিভানের দিকে তাকালেন তিনি একবার। “কিন্তু বিশ্বাস করতে চাইনি কথাটা। পেপারে এ নিয়ে একটা আর্টিকেলও পড়া শুরু করেছিলাম, কিন্তু পুরোটা পড়ে শেষ করতে পারিনি।”

    তার চোখের দিকে একবার তাকালাম। বুঝতে পারলাম, এখনও সুলিভানকে মনেপ্রানে ভালোবাসেন মহিলা।

    “কিন্তু সোল বছর বয়সের পরে অন্তত একবার আপনার সাথে দেখা হয়েছিল জেসির?” জিজ্ঞেস করলাম আমি।

    “হ্যাঁ, শুধু একবার,” স্বীকার করলেন তিনি। “দু-বছর আগে একবার এসে জিজ্ঞেস করে, আমার কাছে কোন টাকা পয়সা আছে কিনা। অন্য কোন কথা না, এতদিন পরে দেখা হল এটা নিয়ে কোন বিকার দেখলাম না। শুধু টাকার কথাই জিজ্ঞেস করেছিল।”

    “দিয়েছিলেন নাকি টাকা?”

    মাথা নেড়ে না করে দিলেন মহিলা। “না। ঐ মেয়েটার জন্য আমার জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। বার বছর বয়সেই মাদকের পাল্লায় পড়ে, আর তের বছর বয়সে ছেলেদের সাথে বিছানায় যাওয়া শুরু করে। ওর জন্য আমার বিয়েটাও ভেঙে যায়। কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালি আমি ওর পেছনে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে। আমার বাসাটা পর্যন্ত মর্টগেজ রাখতে হয়। ঐ মিথ্যোবাদি হারামিটাকে আমি আর একটা পয়সাও দেইনি। ও যেদিন বাসা ছেড়ে পালিয়েছিল, হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলাম আমি।”

    “তাহলে হারানো বিজ্ঞপ্তির তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেননি কেন?”

    “কখনও মাথায় আসেনি এটা।”

    “তুমি অন্তত আমাকে বলতে পারতে,” সুলিভান বলল তাকে।

    “কি বলব?”

    “জেসি আমার মেয়ে ছিল।”

    “তোমার মেয়ে?!”

    “হ্যাঁ।”

    “জেসি তোমার মেয়ে হতে যাবে কেন?”

    “ও আমাকে যে ডিএনএ টেস্টের রেজাল্ট দেখিয়েছিল ওটাতে তো সেরকমই উল্লেখ ছিল।”

    জবাবে কিম নাক দিয়ে ঘোৎ করে একটা শব্দ করলেন। “জেসি একটা চরম মিথ্যেবাদি মেয়ে ছিল। চরম মিথ্যেবাদি। মাত্র সাত বছর বয়স থেকে কম্পিউটারে তার নিজের রিপোর্ট কার্ড নকল করা শুরু করে। একদম হুবহু নকল করত সে। এমনকি ওর স্কুলের টিচাররাও কোন খুঁত বের করতে পারেনি। এগার বছর বয়সে একটা ষাট হাজার ডলারের চেক জাল করে সে। আর স্কুলের সবার জন্যে নকল আইডি কার্ড করে দিত।”

    এবার বোঝা গেল তার নকল পরিচয়ের রহস্য।

    “কিন্তু যে কোম্পানি টেস্টটা করেছিল তাদেরকেও কল করেছিলাম আমি। যদিও আমাকে তারা খুব বেশি তথ্য দিতে পারেনি, তবে এটুকু জেনেছিলাম, তাদের ফাইলে জেসি ক্যালোমেটিক্স নামে একটা মেয়ের নাম আছে।”

    “ওটা বোধহয় এজন্যে ছিল, জেসি একবার আসলেও পরীক্ষা করে দেখেছিল তার আসল বাবা কে। পল নাকি তুমি।”

    “তাহলে পলই ওর বাবা?”

    “হ্যাঁ।”

    “ও! “

    সুলিভানের রাগ করার পেছনে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কারণ জেসি তার নিজের মেয়ে এই তথ্যের ভিত্তিতেই সে তাকে প্রায় তিরিশ লাখ ডলার দিয়েছে।

    তবে তার চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছিল একটা ব্যাপারে তার বুক থেকে পাথর নেমে গেছে। রিকির ব্যাপারটা। আসলে তার ছেলে আর সৎ মেয়ের মধ্যে কোন সম্পর্ক ছিল না, কারণ জেসি আসলে তার মেয়েই নয়।

    “এজন্যেই সে আপনাকে ছবিটা পাঠায়,” আমি প্রেসিডেন্টকে বললাম। “কারণ এই বার যদি সে আবার বলত আপনিই তার বাবা তাহলে হয়ত আপনি আরো ভালো করে যাচাই করে দেখতেন ব্যাপারটা। তাই আপনার ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায় সে। সে জানতো তাহলে আপনি মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হবেন।”

    “তোমার ছেলের সাথে ওর সম্পর্ক ছিল?” কিম জিজ্ঞেস করলেন।

    পরের দশ মিনিটে সুলিভান তাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলল। কিভাবে জেসির সাথে প্রথম দেখা হয় তার, কিভাবে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করে। কিভাবে তাকে বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

    আমার ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকালাম একবার। তিনটা পঞ্চাশ বাজে।

    আর দশ মিনিট।

    সুলিভান আমার দিকে তাকালো, “তাহলে আরেকটা কানাগলিতে এসে পড়লাম আমরা?”

    বাইরের রাস্তায় এই সময় একটা হেডলাইটের আলো জ্বলে উঠলো।

    উজ্জ্বল হতে হতে বাসার সামনে এসে নিভে গেল ওটা।

    আমি ঠোঁটে আঙুল দিয়ে সবাইকে চুপ করতে বললাম।

    দশ সেকেন্ড পরে কেউ একজন দরজায় নক করল।

    “বিনস,” একটা কণ্ঠ ভেসে আসলো। বিনস, আমি এসে গেছি। দরজা খোল।”

    আমি আস্তে করে দরজাটা খুলে দিলাম।

    *

    ১৭.

    পল ক্যালোমেটিক্সের পরনে সেই একই পোশাক যে পোশাকে আমি তাকে প্রথম দেখেছিলাম। তার কপাল কুঁচকে আছে দুশ্চিন্তায়। আর ফ্রেঞ্চ-কাট দাড়িটা এখনও সুন্দরভাবে ছাটা। মুখ অবশ্য হা-হয়ে আছে তার এখন।

    “কি খবর, পল?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    “কি তামাশা শুরু করেছ তুমি এখানে, বিনস?” জিজ্ঞেস করল সে উত্তর না দিয়ে। এরপর একবার তার প্রাক্তন স্ত্রী, তার ডিটেক্টিভ পার্টনার আর প্রেসিডেন্টের ওপর নজর বুলিয়ে শেষে আমার দিকে দৃষ্টি নিবন্ধন করল সে।

    “কিম? রে? এসব কী হচ্ছে এখানে?”

    “তুমিই আমাকে বল, ক্যাল। জেসির ব্যাপারে কিছু জানাওনি কেন তুমি আমাকে?” রে জিজ্ঞেস করল চড়া সুরে।

    প্রেসিডেন্ট যখন তার বিয়ের নিবন্ধন উল্টাপাল্টা হওয়ার ঘটনাটা শোনাচ্ছিলো আমাদের তখন একবার পল ক্যালোমেটিক্স নামটা বলেছিলো। এরপরই রে পুরো চুপ মেরে যায়। আমি তখনই বুঝেছিলাম, সে ধাঁধার টুকরোগুলো এক করার চেষ্টা করছে।

    ক্যাল? তার পার্টনার, একজন খুনি?

    ক্যাল একবার ঘাড় ঘুরিয়ে পেছনের দিকে তাকালো। দৌড় দেয়ার কথা চিন্তা করলো হয়তো। কিন্তু কী মনে করে দিল না। একবার শয়তানি একটা হাসি দিয়ে দরজাটা বন্ধ করে এলো শুধু।

    “আমার পেছনে যাদের লাগিয়ে রেখেছিলে তুমি, তারা কি এখনও হাসপাতালে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।

    “আমি জানি না তুমি এসব কী বলছ।”

    “আলবৎ জানো। দু-জন অফ-ডিউটি পুলিশ অফিসারকে তুমি আমার উপর নজর রাখার জন্যে লাগিয়ে রেখেছিলে। যাতে করে আমি তোমার স্ত্রীর সাথে দেখা করতে না পারি।” কিন্তু এটা ক্যালের জানা ছিলো না, কিম ঠিকানা বদলে এখন এই বাসাটায় থাকে। না-হলে গাধার মত এখানে এসে ধরা দিত না সে।

    “আমি এখনও জানি না তুমি এসব কী বলছ।”

    “তুমি দেরি করে ফেলেছ আসতে,” আমি ক্যালকে এই ঠিকানাটা মেসেজ করি রে’র গাড়ির জানালায় টোকা মারার আগে। তাকে বলি তিনটা পঁয়তাল্লিশে সময় আমার সাথে এখানে দেখা করতে। একা।

    “তুমি এটা কেন করেছ, ক্যাল?” রে জিজ্ঞেস করল।

    “কি করেছি?”

    “মেয়েটাকে মেরেছ কেন?”

    “ছি! তুমিও এই পাগলটার কথা বিশ্বাস করে বসে আছো? আমি জানতামই না ওটা জেসি, যতক্ষন না প্রেসিডেন্টের সাথে ওর ছবিটা দেখি আমি। আর জেনেও বা কী লাভ হত? উনি তো মেরেই ফেলেছেন মেয়েটাকে,” প্রেসিডেন্টের দিকে ইশারা করলো সে।

    “আপনি যদি না বলেন তবে আমিই সবাইকে বলতে বাধ্য হব, কি ঘটেছিল ঐ রাতে,”বললাম তাকে।

    “আমি মেয়েটার কোন ক্ষতি করিনি।”

    একটা জিনিস খেয়াল করলাম, ক্যাল মেয়েটা বলছে বারবার, যেন ওর নিজের মেয়ে নয়।

    ঘড়ির দিকে একবার তাকাল। তিনটা চুয়ান্ন। আর ছয় মিনিট।

    “জেসি যে আপনার বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ এনেছিল তারপর কি হয়েছিল?” বোমাটা ফাটালাম এবার।

    ইন্টারনেটে এই খবরটা পেয়েছিলাম আমি। জেসি ক্যালোমেটিক্স লিখে গুগলে যখন সার্চ দেই তখন এক কোণে ভেসে ওঠে খবরটা। বারো বছর বয়সে জেসি তার বাবা, তকালীন মেরিল্যান্ড পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য পল ক্যালোমেটিক্সের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনে। যদিও পরে বেকসুর খালাস পেয়ে যায় সে। তবুও তখন বেশ বড়সড় খবর হয়েছিল এটা।

    “আর কি কি মিথ্যা অভিযোগ এনেছিল মেয়েটা আপনার বিরুদ্ধে?”

    ক্যালের চেহারাটা লাল হয়ে যাচ্ছে।

    “আপনার কষ্টার্জিত কত টাকা তার পেছনে নষ্ট করেছিলেন? তার মাদকাসক্তি দূর করার জন্য?”

    “আমি দুঃখিত।”

    প্রেসিডেন্টের দিকে তাকালো ক্যাল।

    “আমি দুঃখিত,” আবার বললো সুলিভান।

    ক্যাল নাক দিয়ে শুধু আওয়াজ করল একবার। এরপরই সব বাধ ভেঙে পড়ল তার।

    “সব তোর দোষ!” প্রেসিডেন্টের দিকে তাকিয়ে চেঁচিয়ে উঠলো সে। দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে এখন। “তুই যদি কিমের সাথে না শুতি তাহলে আর এই দিনটা দেখতে হত না আমাকে। ঐ কুত্তি মেয়েটার জন্য আমার জীবনটাই নষ্ট হয়ে গেছে।” ক্যালের মুখ থেকে লালা ঝরতে লাগলো কথা বলার সময়। “সুযোগ পেলে আবার ওর গলাটা টিপে ধরতাম আমি,” বলে এমাথা থেকে ওমাথা পায়চারি শুরু করল সে।

    আমরা চারজন কোন শব্দ না করে চুপচাপ শুনতে লাগলাম।

    “তোমরা কি জানো, জেসি-কুত্তিটা আমাকে কি বলে শাসিয়েছিল ওর চৌদ্দতম জন্মদিনের পর? ও আমাকে বলেছিল, ওর ষোলতম জন্মদিনে আমি যদি ওকে ওর পছন্দের গাড়িটা কিনে না দেই তাহলে ও আবার সবাইকে বলে বেড়াবে আমি নিয়মিত ওকে ধর্ষণ করি। ওর জন্যে আমাকে পুলিশের চাকরি থেকে লাথি মেরে বের করে দেয়া হয়। কেউই একথা বিশ্বাস করেনি, আমি ওকে কখনও ছুঁয়েও দেখিনি। এমনকি আদালতে যখন আমি নির্দোষ প্রমাণিত হলাম তারপরও না। আর আমার স্ত্রী-” এই বলে কিমকে দেখাল সে। “আমার স্ত্রী ভেবেছিল আমি একজন অসুস্থ মানসিকতার লোক, যে কিনা তার নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করেছে। আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেয় সে।

    “এরপর দু-মাস আগে একটা স্ট্রিপ ক্লাব থেকে কল আসে আমার কাছে। নেশায় চুড় হয়ে এক মেয়ে অন্য এক কাস্টমারের সাথে খুব খারাপ ব্যবহার করছে। গিয়ে দেখি, আমার নিজের মেয়ে। আমি তাকে বাসায় পৌঁছে দেই। ঐ মাতাল অবস্থাতেই সে আমাকে বলে, তার আসল বাবা কে। ও নাকি আসলে আমার মেয়ে-ই না। ওর আসল বাবার চুল নাকি ও ফ্রিজে রেখে দিয়েছে প্রমাণ হিসেবে। ও ঘুমিয়ে পড়ার পর আমি ওর বাসায় সব কিছু খুঁজে দেখি। কম্পিউটারে দেখি একটা ইমেইল ওপেন হয়ে আছে। প্রেসিডেন্টকে পাঠানো একটা ইমেইল। সেখানে লেখা, প্রেসিডেন্ট নাকি তাকে দু-দিনের মধ্যে বিশ লাখ ডলার পৌঁছে দিয়ে যাবে তাকে।

    “আসলে তা-ও ওকে মারার ইচ্ছে ছিল না আমার। আমি শুধু টাকাটা নিয়ে চলে যেতাম। কিন্তু ওর হাতে প্রেসিডেন্টের ফোনটা দেখে তাকে ফাঁসানোর লোভটা সামলাতে পারিনি। ওকে গ্যারেজে টেনে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে হত্যা করি আগে, এরপর প্রেসিডেন্টের ফোনটা গাড়ির নিচে ফেলে দিয়ে ফ্রিজ থেকে তার চুলগুলো নিয়ে বিছানার উপর ছড়িয়ে দেই। জেসির ফোনটা দুই ব্লক দূরে ডাস্টবিনে ফেলে দেই কাজ শেষে।”

    “তাহলে তুমিই এফবিআইকে জানিয়েছিলে সবকিছু?” রে জিজ্ঞেস করল।

    “আমাদের ক্যাপ্টেন তো শালার একটা হিজড়া!”

    “কিন্তু তুমিই তো পরে বলছিলে, তুমি নিশ্চিত সুলিভান খুনটা করেনি?”

    “তো, আর কী বলতাম আমি, ইনগ্রিড? উল্টাপাল্টা কিছু বলে ফাঁসবো নাকি?”

    “ও তোমারই ছিল,” কিম বলল।

    ক্যাল তার প্রাক্তন স্ত্রীর দিকে তাকালো।

    “জেসি আসলে তোমারই মেয়ে ছিল। ও অনবরত মিথ্যে কথা বলে গেছে আর তুমি সেটা বিশ্বাস করেছ। ও যখন বাচ্চা ছিল তখন আমি নিজেই একবার ওর ডিএনএ পরীক্ষা করিয়েছিলাম।”

    ক্যালের মুখ মুহূর্তের মধ্যে ফ্যাকাসে হয়ে গেল। দেখে মনে হল, পড়ে যাবে এখনই।

    আমি তাকে ধরার জন্য সামনে এগিয়ে গেলাম।

    “না-না-না!” পাগলের মত চিৎকার করে উঠলো সে।

    আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার পেছনে চলে এলো। পাঁজরে পিস্তলের নলের অস্তিত্ব টের পেলাম।

    “ঐ কোণায় গিয়ে দাঁড়াও সবাই,” অন্য তিনজনের উদ্দেশ্যে বলল এবার।

    “শান্ত হও, ক্যাল,” এই বলে রে আস্তে আস্তে হাত তার নিজের পিস্তলের দিকে নিয়ে যেতে লাগলো।

    “ও-কথা মাথায়ও এনো না।”

    রে’র হাত থেমে গেল যেখানে ছিল সেখানেই।

    “দেখ, এরকম করে কোন লাভ নেই এখন,” আমি বলার চেষ্টা করলাম।

    এখন বাজে তিনটা আটান্ন।

    আর দুই মিনিটের মধ্যে আমি ঘুমিয়ে পড়ে যাব আর ক্যাল ভাববে আমি কিছু করার জন্যে চালাকি করে নিচু হয়েছি। তারপর সঙ্গে সঙ্গে গুলি করে দেবে সে।

    “শালা, তুই যদি নিজের চরকায় তেল দিতি তাহলেই আর কিছু হতো না।”

    “আমার ভাগ্যটাই খারাপ,” বললাম আমি। যদিও মনে হয় না এই মুহূর্তে তার মাথায় কিছু ঢুকবে। ও এখন পালানোর চিন্তায় ব্যস্ত। আমার কানের কাছে তার নিঃশ্বাস নেয়ার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি।

    বিশ সেকেন্ড পার হল।

    তিরিশ।

    তিনটা উনষাট।

    কিছু একটা করতে হবে। এখনই!

    অদ্ভুত একটা কাজ করলাম এরপর। হাতটা উপরে উঠিয়ে ভিক্টরি সাইন দেখালাম। আশা করি, অন্তত ক্যাল এটাই ভেবে নেবে।

    “নড়তে না করেছি না?” চেঁচিয়ে উঠলো ক্যাল।

    আমি আবার সাইনটা দেখালাম দুই আঙুলে।

    দুই।

    এরপর একটা আঙুল গুটিয়ে নিলাম।

    এক।

    এরপর বাকি আঙুলটাও গুটিয়ে নিলাম।

    এখনই!

    তাড়াতাড়ি মাথাটা একপাশে সরিয়ে নিতে না নিতেই জোরে কাঁচ ভাঙার আওয়াজ পেলাম।

    ক্যালের দিকে ঘুরে তাকিয়ে দেখি, তার কপালের মাঝ বরাবর একটা গুলির ছিদ্র।

    ঘুমিয়ে পড়ার আগ মুহূর্তে রেডকে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে দেখলাম।

    ওর হাতে একটা স্নাইপার রাইফেল।

    *

    ‘প্রেসিডেন্ট নির্দোষ!’

    সুলিভান খুনি নন!’

    ‘পুলিশ অফিসার ফাঁসিয়েছিল প্রেসিডেন্টকে!’

    ‘ইনোসেন্ট-গেট!’

    পরের দিনের হেডলাইন ছিল এগুলোই।

    এফবিআই আমাদের সবার জবানবন্দি নিয়েছিল পরে। যদিও আমারটা ফোনেই সারা হয়েছিল। ঘটনার মূল প্রমাণ ছিল ক্যালের সবকিছু স্বীকার করে নেয়ার একটা অডিও-রেকর্ডিং। প্রেসিডেন্টের শার্টের সাথে লাগানো ছিল মাইক্রোফোনটা, আর বাইরে থেকে রেড শুনতে পাচ্ছিল সব ওটার মাধ্যমে।

    আমি রেডের বন্দুকের স্কোপের একটা ঝিলিক দেখতে পাই বাইরে, তাই সেই দুঃসাহসটা দেখাই শেষ মুহূর্তে। ভাগ্যিস ক্যাল সেটা দেখেনি।

    পরের ঘুম ভেঙে দেখি আমি আমার বিছানায়। প্রেসিডেন্ট নাকি নিজে আমাকে তিনতলায় দিয়ে গেছে ঘুমন্ত অবস্থায়। আমার বিছানার পাশের টেবিলটায় একটা কার্ড দেখতে পাই ঘুম থেকে জেগে উঠে। এই কার্ডটা দিয়ে দেশে যেকোন কিছু করা যাবে। কিন্তু মাত্র একবার।

    সেটাও প্রায় চার রাত আগের কথা।

    “কিরে, কী করব আমরা এই কার্ডটা দিয়ে?” ল্যাসিকে জিজ্ঞেস করলাম।

    মিয়াও।

    “না, তাজমহল অনেক দূরে।”

    মিয়াও।

    “জাস্টিন টিম্বারলেকের সাথে তোর ব্যাপারটা কি রে?”

    মিয়াও।

    “এক বস্তা ইঁদুর? হ্যাঁ, এবার একটু লাইনে এসেছিস!”

    মিয়াও।

    “জেটপ্যাক? হ্যাঁ, এটাও করা যায়!”

    মিয়াও।

    “নাহ। আমার মনে হয় না, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জামাইর কাছ থেকে অনুমতি পাব আমরা!”

    মিয়াও।

    “বিশটা মারডকের ক্লোন? আসলেই?!”

    এভাবে চলতে থাকলে ব্যাটা সারাজীবনই তর্ক চালিয়ে যাবে। তা না হলেও অন্তত আজকের বাকি সাতচল্লিশ মিনিট তো চলেই যাবে! যেতও, যদি না নাইট ড্রেস পরা এক সুন্দরি মেয়ে ঠিক ঐ মুহূর্তেই হাতে দুটো কর্ন ফ্লেকসের বাটি নিয়ে বিছানায় এসে না উঠতো!

    “আজকে বিছানাতেই হবে সবকিছু,” এই বলে আমার পাশে উঠে পড়ল রে। চামচ দিয়ে আমাকে কর্ন ফ্লেকস খাইয়ে দিতে দিতে বলল, “জাস্টিন টিম্বারলেকের কনসার্ট দেখার প্ল্যানটা কিন্তু খারাপ না!”

    “আসলেও খারাপ না,” হেসে বললাম।

    তিনটা পঞ্চান্নর সময় হাঁপাতে হাঁপাতে আমার দিকে তাকালো রে, “আবার একবার হবে নাকি এই পাঁচ মিনিটে?”

    “দেখাই যাক না, কতটুকু হয়!” বলে আবার জড়িয়ে ধরলাম ওকে।

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleথ্রি টেন এএম – নিক পিরোগ
    Next Article ম্যারেজ রেজিস্টার – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিক পিরোগ

    থ্রি টেন এএম – নিক পিরোগ

    September 3, 2025
    নিক পিরোগ

    থ্রি টোয়েন্টিওয়ান এএম – নিক পিরোগ

    September 3, 2025
    নিক পিরোগ

    থ্রি: থার্টিফোর এএম – নিক পিরোগ

    September 3, 2025
    নিক পিরোগ

    থ্রি: ফরটিসিক্স এএম – নিক পিরোগ

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Our Picks

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }