Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. দার্শনিক জ্ঞানের প্রয়োগক্ষেত্র

    ১৪. দার্শনিক জ্ঞানের প্রয়োগক্ষেত্র

    এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা দর্শন সম্বন্ধে যা বলেছি তাতে আমরা কদাচিৎ সেইসব বিষয়ে আলোচনা করেছি যা বেশির ভাগ দার্শনিকদের লেখায় একটা বড় অংশ দখল করে থাকে। বেশির ভাগ দার্শনিকই পূর্বতসিদ্ধ অধিবিদ্যার অনুমান দিয়ে সেইসব বিষয় প্রমাণ করতে চেষ্টা করেন, যেমন ধর্মের মূল নীতিগুলো, জগতের প্রয়োজনীয় বৌদ্ধিক বিষয়, দ্রব্যের ভ্রান্ত প্রত্যক্ষ, পাপের অসত্যতা ইত্যাদি। এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে এই ধরনের বক্তব্যের কারণ খুঁজে পাওয়ার আশাটা দর্শনের অনেক আজীবন ছাত্রের উৎসাহের মূল উৎসাহের মূল উৎস হয়ে থেকেছে। আমার মতে এই আশা হল নিষ্ফল। এটা মনে হয় যে জগতের সমগ্র জ্ঞান অধিবিদ্যার সাহায্যে পাওয়া যায় না এবং প্রস্তাবিত প্রমাণগুলো যুক্তিবিজ্ঞানের নীতির সাহায্য এই-এই বিষয় অবশ্যই থাকবে এবং এই-এই বিষয়গুলো থাকবে না-এর বিচারমূলক পরীক্ষণের দ্বারা টিকে থাকে না। এই অধ্যায়ে আমরা সংক্ষেপে সেই পথের কথা আলোচনা করব যেভাবে এই ধরনের যুক্তি দেয়ার চেষ্টা হয়েছে, এবং আমাদের উদ্দেশ্য হবে এটি আবিষ্কার করা যে এগুলো বৈধ হবে বলে আমরা আশা করতে পারি কিনা। . আধুনিককালে এই ধরনের মতের বড় প্রবক্তা হলেন হেগেল (১৭৭০ –১৮৩১), যার মত আমরা পরীক্ষা করতে চাই। হেগেলের দর্শন খুবই দুরূহ এবং ব্যাখ্যাকাররা এর যথার্থ ব্যাখ্যার ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেন। আমি যে ব্যাখ্যা গ্রহণ করব তা সমস্ত ব্যাখ্যাকারদের মত না হলেও অনেকের মত, এবং যা এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শন দেয়ার যোগ্যতা রাখে। তার প্রধান মত হল পূর্ণতা ছাড়া সমস্ত কিছুই অসম্পূর্ণ এবং স্বাভাবিকভাবেই জগতের থেকে পূরক না পেলে অস্তিত্বের অনুপযুক্ত। ঠিক যেভাবে একজন তুলনামূলক শারীরবিদ একটি হাড় থেকে দেখতে পান কি ধরনের জন্তুর শরীরের অংশ এটি, সেভাবেই একজন অধিবিদ্যাবিদ, হেগেলের মতে, সত্যের যে কোন অংশ থেকে দেখতে পান সত্যের সামগ্রিক রূপ আবশ্যিকভাবে কি হবে অন্তত তার রূপরেখাঁটি তো দেখতে পানই। সত্যের সব আপাত– ভিন্ন অংশের যেন এটি আঁকশী রয়েছে যা তাকে পরের অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে। পরবর্তী অংশের আবার নতুন আঁকশী থাকে, তার পরের অংশেরও, যতক্ষণ না সম্পূর্ণ জগৎ পুনর্গঠিত হয়। হেগেলের মতে এই আবশ্যিক অসম্পূর্ণতা সমভাবে চিন্তার জগৎ ও বিষয়ের জগতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। চিন্তার জগতে যদি আমরা এমন কোন ধারণা দিই যা বিমূর্ত ও অসম্পূর্ণ, তাহলে আমরা পরীক্ষার পর দেখি যে যদি আমরা এর অসম্পূর্ণতাকে ভুলে যাই, তাহলে আমরা বিরোধিতায় জড়িয়ে পড়ি; এই বিরোধিতাগুলো উক্ত ধারণাকে এর বিপরীতে বা বিরোধাভাসে পরিণত করে; এবং এর থেকে বাঁচার জন্য আমাদের এক নতুন ও কম অসম্পূর্ণ ধারণা খোঁজা প্রয়োজন যা আমাদের আসল ধারণা ও তার বিরোধাভাসে পরিণত করে; এবং যার সঙ্গে এটিকে অবশ্যই যুক্ত করতে হবে নতুন সংযুক্তিকরণে পৌঁছানোর জন্য। এভাবে হেগেল অগ্রসর হয়েছেন যতক্ষণ না তিনি পরম তত্ত্বে উপনীত হয়েছেন, তার কাছে যার কোন অসম্পূর্ণতা নেই, কোন বিরোধী নেই এবং আরও উন্নতি ঘটানোর কোন প্রয়োজন নেই। সুতরাং এই পরম ধারণা পরম সত্যকে ব্যাখ্যা করে যা আংশিকভাবে প্রতিভাত হয় এবং ব্যক্তির কাছে নয়, যে একইসঙ্গে সমগ্রকে পর্যবেক্ষণ করে। এভাবে হেগেল এই সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে পরম সত্য একটি একক ঐক্যবদ্ধ তন্ত্র তৈরি করে দেশ বা কালে নয়, যার কোন দোষের মাত্রা নেই, যা সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত ও সম্পূর্ণ আধ্যাত্মিক। অপরপক্ষে, তিনি বিশ্বাস করেন যে কোন দৃশ্যমান সত্তা, যাকে আমরা জানি, তা আমাদের জগৎ সম্পর্কে অসম্পূর্ণ জ্ঞান থেকেও যৌক্তিকভাবে প্রমাণ করা সম্ভব। যদি আমরা ঈশ্বর যেভাবে দেখেন সেভাবে জগৎকে সম্পূর্ণভাবে দেখি, তাহলে দেশ, কাল, জড় ও সমস্ত অশুভ শক্তি, সব ঝগড়া-বিবাদের অবসান হবে এবং এর পরিবর্তে আমরা শাশ্বত, সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত আত্মাকে (Spiritual unity) দেখব।

     

     

    এই ধারণার মধ্যে অবশ্যই কোন অনস্বীকার্য মহত্ত্ব রয়েছে, এমন কিছু যাতে আমরা ধরা দিতে পারি, আত্মসমর্পণ করতে পারি। কিন্তু যখনই এর সপক্ষের যুক্তিগুলোকে সাবধানতার সঙ্গে করা হয়, তখনই দেখা যায় যে এদের মধ্যে অনেক জটিলতা ও আপত্তিকর মত রয়েছে। যে মূল শর্তের উপর এই মতবাদ গড়ে উঠেছে তাহল–যা অসম্পূর্ণতা অবশ্যই স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, অস্তিত্বের জন্য এটি অন্য বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। বলা হয় বিষয়ের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত যা কিছু বিষয়ের বাইরে থাকে তার উপরে অবশ্যই বিষয়ের বাইরের বস্তুর কিছু নির্দেশ থাকে এবং বিষয়টা যেভাবে রয়েছে তা হতে পারে না যদি না বাইরের বিষয়গুলোর অস্তিত্ব থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি মানুষের স্বভাব গঠিত হয় তার স্মৃতি দ্বারা এবং বাদবাকী জ্ঞান, তার ভালবাসা, ঘৃণা ইত্যাদি দিয়ে। এভাবে যে বিষয় সে জানে, ভালবাসে ঘৃণা করে তা আবশ্যিকভাবে ও স্বাভাবিকভাবে হল খন্ডিত, সত্যকে সম্পূর্ণভাবে নিলে তা হবে স্ববিরোধী।

    এই সম্পূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্য বিষয়ের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে, যা বিষয় সম্পর্কে যাবতীয় সত্যতাকে বুঝায়। এটি অবশ্যই সঠিক যে, যে সত্য একটি বিষয়ের সঙ্গে অপর একটি বিষয়কে সংযুক্ত করে সেটি অপর বিষয়টি না থাকলে থাকতে পারে না। কিন্তু বিষয় সম্পর্কে সত্যতা বিষয়ের নিজস্ব অংশ নয়, যদিও উপরিউক্ত ব্যবহার অনুযায়ী অবশ্যই এটিকে বিষয়ের প্রকৃতির অংশ হতে হবে। যদি আমরা বিষয়ের প্রকৃতি বলতে বিষয়ের সমস্ত সত্যকে বুঝি, তাহলে স্বাভাবিকভাবে আমরা কোন বিষয়ের প্রকৃতিকে জানতে পারব না যতক্ষণ না আমরা জগতের সমস্ত বিষয়ের সঙ্গে অপর বিষয়ের সঙ্গে অপর বিষয়ের সম্পর্ককে জানকে পারছি। যদি প্রকৃতিকথাটি এই অর্থে ব্যবহৃত হয় তাহলে আমাদের বলতে হবে যে একটি বিষয়কে হয়তো জানা যাবে যখন তার প্রকৃতি জানা যাবে না বা কোনভাবেই সম্পূর্ণ করে জানা যাবে না। যখন প্রকৃতি এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন বিষয়ের জ্ঞান ও সত্যতার জ্ঞানের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি দেখা দেয়। আমাদের কোন বিষয়ের জ্ঞান পরিচিতির সাহায্যে হতে পারে, এমনকি আমরা এর সম্বন্ধে খুব অল্পই জানলেও তত্ত্বগতভাবে আমাদের এর সম্বন্ধে কোন বচনই জানার প্রয়োজন নেই। এভাবে উপরিউক্ত অর্থে বিষয়ের সঙ্গে পরিচিতি এর প্রকৃতিগত জ্ঞানে জড়ায় না। যদিও বিষয়ের সঙ্গে পরিচিতি কোন বিষয় সম্পর্কে কিছু জানার জন্য প্রয়োজন, কিন্তু উপরিউক্ত অর্থে এর প্রকৃতিগত জ্ঞানের কোন প্রয়োজন নেই। এভাবে (১) বিষয়ের সঙ্গে পরিচিতি যুক্তিগতভাবে এর সম্বন্ধের জ্ঞানকে অন্তর্ভুক্ত করে না, এবং (২) এর সম্বন্ধের কিছু জ্ঞান সমস্ত সম্বন্ধের জ্ঞান সম্বন্ধে অবহিত করে না বা উপরিউক্ত অর্থে এর জ্ঞানও দেয় না। উদাহরণস্বরূপ, আমি আমার দাঁতব্যথা সম্বন্ধে অবহিত থাকতে পারি এবং এই জ্ঞান পরিচিতির জ্ঞানের মতই সম্পূর্ণ হতে পারে–এর কারণ সম্পর্কে দন্তবিশারদ (যিনি এর সঙ্গে পরিচিত নন) যা বলবেন তা না জেনেও এর প্রকৃতি সম্বন্ধে না জেনে। অতএব, কোন বিষয়ের বিভিন্ন সম্বন্ধ আছে এই ঘটনা এটা প্রমাণ করে না যে সম্বন্ধগুলো যৌক্তিকভাবে আবশ্যিক। অর্থাৎ, বস্তুটির এটিই স্বভাব, এই ঘটনা থেকে বাস্তবিকভাবে এর যে বিভিন্ন সম্বন্ধে রয়েছে তা আমরা নিঃসৃত করতে পারি না। বিষয়গুলো এর থেকে অনুসৃত হয় বলে মনে হয় যেহেতু আমরা এটি আগে থেকেই জানি।

     

     

    আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হই না যে জগৎ সম্পূর্ণভাবে একটি একক ঐক্যবদ্ধ তন্ত্র (System), যা হেগেল বিশ্বাস করতেন। যদি আমরা এটি প্রমাণ করতে না পারি তাহলে আমরা দেশ, কাল, বস্তু ও অশুভ জিনিসের অযথার্থতাও প্রমাণ করতে পারব না, কেননা হেগেল এই বিষয়গুলোর খণ্ডিত ও সম্বন্ধযুক্ত চরিত্র থেকেই এগুলো নিঃসৃত করেছিলেন। এভাবে আমরা জগতের খণ্ডিত অনুসরণে আটকে থাকি এবং জগতের সেসব অংশের সঙ্গে অপরিচিত থাকি যা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বহু দূরে রয়েছে। এই ফলাফল তাদের কাছে নিরাশাজনক যাদের আশা দার্শনিক সম্প্রদায়ের দ্বারা জাগ্রত হয়েছে, কিন্তু এই ফলাফল আমাদের যুগের আরোহমূলক ও বৈজ্ঞানিক চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সমগ্রামনবজ্ঞানের পরীক্ষার উপর প্রতিষ্ঠিত, যে জ্ঞান প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী অধ্যায়গুলোতে আলোচনা করেছি আমরা।

    বেশিরভাগ অধিবিদ্যাবিদ দার্শনিকরা প্রমাণ করতে চেষ্টা করেছেন যে জগতের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যগুলো হল স্ববিরোধী এবং এই কারণে সত্য নয়। অবশ্য সমগ্র আধুনিক চিন্তাধারা এই চেষ্টাতে ব্যাপৃত যে এই স্ববিরোধিতাগুলো হল ভ্রমাত্মক এবং পূর্বতসিদ্ধভাবে খুব কম বিষয়েই প্রমাণ করা যেতে পারে যে বিষয়টি অবশ্যই কি হবে। এই বিষয়ের একটি ভাল উদাহরণ দেশ ও কাল দিয়ে দেয়া যেতে পারে। দেশ ও কাল হল অনন্ত বিস্তৃত ও অনন্ত খণ্ডিত। যদি আমরা একটি সমান্তরাল রেখার যে কোন দিকে যাই, তাহলে এটি বিশ্বাস করা খুবই অসুবিধাজনক হবে যে আমরা কোন শেষ সীমায় পৌঁছাতে পারব যার পরে আর কিছুই থাকবে না, এমনকি শূন্যস্থানও নয়। একইভাবে যদি আমরা কল্পনার সময়ের আগে বা পরে ভ্রমণ করি, তাহলে এটি বিশ্বাস করা খুবই কষ্টকর হবে যে আমরা প্রথম বা শেষ সময়ে পৌঁছাতে পারব যার পরে শূন্য কালও থাকবে না। এভাবে স্থান ও কাল হল অনন্ত বিস্তৃত।

     

     

    আবার যদি আমরা একটি রেখার দুটি বিন্দু নিই, তাহলে এটি পরিষ্কার যে যতই কম দূরত্ব হোক না কেন এদের মধ্যে অবশ্যই আরো বিন্দু রয়েছে প্রতিটি দূরত্বকে ভাগ করা যায়, এই ভাগগুলোকে আবার ভাগ করা যায় এবং এভাবে চলতেই থাকে। একইভাবে সময়ের ক্ষেত্রেও যত ক্ষুদ্র সময়ই দুটি মুহূর্তের মধ্যে চলে যাক না কেন, এটি স্পষ্ট যে এদের মধ্যে আরও মুহূর্ত রয়েছে। এভাবে স্থান ও কাল অনন্তভাবে খণ্ডিত। কিন্তু এই সীমাহীন বিস্তৃত ও সীমাহীন খণ্ডিতের প্রেক্ষাপটের বিরুদ্ধে দার্শনিকরা এই যুক্তি দিয়েছেন যে বিষয়ের সীমাহীন সগ্রহ থাকতে পারে না এবং সেই কারণে স্থানগত বিন্দুর সংখ্যা বা কালের দৃষ্টান্ত অবশ্যই সীমাবদ্ধ হতে হবে। এভাবে দৃশ্যমান স্থান ও কালের প্রকৃতি ও সীমাহীন সগ্রহের অসম্ভাব্যতার মধ্যে বিরোধিতা দেখা দেয়।

    কান্ট, যিনি প্রথম এই বিরোধিতায় জোর দিয়েছিলেন, তিনি স্থান ও কালের অসম্ভাব্যতা নিঃসৃত করে দেখিয়েছিলেন যে এগুলোর ধারণা হল নিছক ব্যক্তিগত, এবং তার সময় থেকে বহু দার্শনিকই বিশ্বাস করতেন যে স্থান ও কাল হল পরিদৃশ্যমান সত্তা যা এই জগতের আসল বৈশিষ্ট্য নয়। কিন্তু গণিতজ্ঞদের শ্রমের ফলে, বিশেষত গেয়র্গ ক্যানটরের কাজ থেকে দেখা গিয়েছে যে সীমাহীন সংগ্রহের অসম্ভাব্যতা হল একটি ভুল। তারা আসলে স্ববিরোধী নয়, বরং কিছু উদ্ধত মানসিক সংস্কারের বিরোধী। এভাবে স্থান ও কালকে অসত্য মনে করার কারণগুলো কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ে ও অধিবিদ্যার কাজের একটি প্রধান উৎস নষ্ট হয়ে যায়।

     

     

    অবশ্য গণিতজ্ঞরা এটা দেখিয়েই সন্তুষ্ট নন যে সাধারণভাবে স্থানকে যা মনে করা হয় তা সম্ভব। তারা আরও দেখিয়েছেন যে অন্যান্য স্থানের ধারণাও একইভাবে সম্ভব, যতদূর যুক্তিবিজ্ঞান দেখাতে পারে। ইউক্লিডের কিছু সূত্র যা সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়, এবং পূর্বে দার্শনিকদেরও প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়েছিল, এখন জানা গেছে সেগুলো প্রয়োজনীয় উঠেছিল দৃশ্যমান কোন পূর্বতসিদ্ধ যৌক্তিক ভিত্তির মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের সত্য স্থানের নিছক পরিচিতির মাধ্যমে। সেই ধরনের পৃথিবী কল্পনা করে যেখানে এই সূত্রগুলো মিথ্যা হতে পারে, গণিতজ্ঞরা যুক্তি ব্যবহার করেছেন সাধারণ মানুষের সংস্কারকে ঢিলে করতে এবং দেখাতে যে বিভিন্ন স্থান সম্ভব–কোনটি বেশি, কোনটি কম– তার থেকে যাতে আমরা বাস করি। এদের মধ্যে আমাদের পক্ষে পরিমাপযোগ্য দূরত্ব সম্পর্কিত কিছু স্থানের সঙ্গে ইউক্লিডের স্থানের পার্থক্য এতই কম যে শুধুমাত্র দেখার ভিত্তিতে বলা অসম্ভব আমাদের সত্য স্থানের ধারণা সম্পূর্ণভাবে ইউক্লিডিয়ান বা অন্য কোন ধরনের কিনা। এভাবে অবস্থান সম্পূর্ণভাবে উল্টে গেছে। পূর্বে অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র একধরনের স্থানই যুক্তিবিজ্ঞানকে দিয়েছে এবং যুক্তিবিজ্ঞান এই ধরণকে অসম্ভব বলেছে। এখন যুক্তি বিজ্ঞান অভিজ্ঞতা ছাড়া বিভিন্ন ধরনের স্থানের ধারণা দেখাচ্ছে এবং অভিজ্ঞতা এদের মধ্যে শুধুমাত্র আংশিকভাবে স্থির করছে। এভাবে আমাদের যা আছে তার জ্ঞান পূর্বে যা ধরা হয়েছিল তার থেকে কম হচ্ছে, কিন্তু আমাদের কি হতে পারে তার জ্ঞানের আতিশয্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার সমস্ত আনাচ-কানাচ আবিষ্কার করা যায় এমন কোন ক্ষুদ্র গন্ডির মধ্যে আবদ্ধ না থেকে, আমরা একটি মুক্ত জগতের স্বাধীন সম্ভাবনায় নিজেদের খুঁজে পাচ্ছি যেখানে বেশিরভাগই অজ্ঞাত, কেননা জানার বহু বিষয় রয়েছে।

     

     

    স্থান ও কালের ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা অন্য দিকেও কিছু অংশে ঘটেছে। পূর্বতসিদ্ধ নীতির সাহায্যে জগতের নিয়মকে নির্দিষ্ট করে দেয়ার প্রচেষ্টা ভেঙে পড়ছে; যুক্তিবিজ্ঞান পূর্বের মত সম্ভাব্যতার প্রাচীর না হয়ে কল্পনার মহান মুক্তিদাতা হিসেবে কাজ করছে, অসংখ্য বিকল্প হাজির করছে যা বিচারবিহীন সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং যেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব সেখানে অভিজ্ঞতার হাতে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার কাজ ছেড়ে দিচ্ছে অভিজ্ঞতা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বহু পৃথিবীর মধ্যে, যা যুক্তিবিজ্ঞান আমাদের পছন্দের উপর ছেড়ে দিয়েছে। এভাবে যা আছে তার জ্ঞান যা আমরা অভিজ্ঞতা থেকে শিখছি তার তুলনার সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে–তার উপরে নয় যা আমরা সত্যিই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জানি, কেননা আমরা দেখেছি যে বিষয়ের বহু জ্ঞানই আমরা বর্ণনার সাহায্যে জানি যার কোন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। কিন্তু সমস্ত বর্ণনামূলক জ্ঞানের ক্ষেত্রে আমাদের সামান্য সম্পর্কে কিছু যোগসূত্র থাকা চাই যা আমাদের এই ধরনের উপাত্ত থেকে অনুমান করতে সাহায্য করবে সেই বিষয়ের অস্তিত্বকে, যা আমাদের এই উপাত্ত দ্বারা নির্দেশিত হয়। দৃষ্টান্তস্বরূপ, বাহ্য বিষয়ের ক্ষেতে ইন্দ্রিয়-উপাত্ত হল বাহ্য বিষয়ের প্রতীক যা নিজে সামান্যের যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে এবং এটি শুধুমাত্র এই নীতির জন্যই যে অভিজ্ঞতা আমাদের বাহ্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করতে সাহায্য করে। এই একই বিষয় কার্যকারণ নীতির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য অথবা কম সাধারণ নীতির ক্ষেত্রেও, যেমন মাধ্যাকর্ষণ নীতির ক্ষেত্রে।

     

     

    মাধ্যাকর্ষণ নীতির মত নীতিগুলো প্রমাণিত হয়েছে বা বেশি সম্ভাব্য বলে দেখানো হয়েছে অভিজ্ঞতার সাহায্যে, পূর্বতসিদ্ধ নীতির মাধ্যমে, যেমন আরোহের নীতির মাধ্যমে। এভাবে আমাদের স্বজ্ঞাকৃত জ্ঞান, যা অন্যান্য সত্য জ্ঞানের উৎস হিসেবের পরিগণিত, তা হল দুধরনের : শুদ্ধ ব্যবহারিক জ্ঞান যা আমাদের জানায় কিছু বিশেষ বিষয়ের অস্তিত্ব এবং তার গুণাবলি যার সঙ্গে আমরা পরিচিত এবং শুদ্ধ পূর্বতসিদ্ধ জ্ঞান যা আমাদের বিভিন্ন সামান্যের মধ্যে যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে এবং আমাদের বিশেষ ঘটনা অনুমান করতে সাহায্য করে যা ব্যবহারিক জ্ঞানে পাওয়া যায়। আমাদের গৌণ জ্ঞান (Derivative knowledge) সবসময় কিছু শুদ্ধ পূর্বতসিদ্ধ জ্ঞানের উপর নির্ভর করে এবং সাধারণত কিছু শুদ্ধ ব্যবহারিক জ্ঞানের উপরেও নির্ভর করে।

    উপরে যা বলা হয়েছে তা যদি সত্য হয় তাহলে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের সঙ্গে দার্শনিক জ্ঞানের খুব একটা পার্থক্য দেখা যায় না। এরকম কোন বিশেষ জ্ঞানের উৎস দর্শনের ক্ষেত্রে ভোলা নেই যা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নেই এবং দর্শনের ফলাফলও বিজ্ঞানের ফলাফলের থেকে খুব একটা আলাদা নয়। দর্শনের আবশ্যিক বৈশিষ্ট্য হল বিচার যা একে বিজ্ঞানের থেকে আলাদা করেছে। বিজ্ঞান ও প্রাত্যহিক জীবনের নীতিগুলোকে বিচারপূর্ণভাবে পরীক্ষা করে দর্শন। এটি এসব নীতিগুলোর মধ্যে কোন অসামঞ্জস্য থাকলে তা খোঁজে এবং তখনই এই নীতিগুলোকে গ্রহণ করে যখন বিচারপূর্বক অনুসন্ধান চালিয়ে দেখে যে এদের বাদ দেয়ার কোন কারণ নেই। অনেক দার্শনিক যেমন বিশ্বাস করেন সেইভাবে বিজ্ঞানের অন্তর্গত নীতিগুলো, অপ্রাসঙ্গিক তথ্যগুলো বাদ দিলে, যদি সমগ্র জগৎ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান দিতে সক্ষম হয়, তাহলে এরকম জ্ঞানের সেই একই ধরনের দাবি থাকবে যে রকম বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের উপর আমাদের বিশ্বাস রয়েছে; কিন্তু আমাদের অনুসন্ধান এরকম ধরনের কোন জ্ঞান প্রকাশ করেনি, সুতরাং সাহসি অধিবিদ্যাবিদ দার্শনিকদের বিশেষ মতবাদগুলোর প্রধানত নঞর্থক ফলই হয়েছে। কিন্তু যাকে সাধারণত জ্ঞান বলে স্বীকার করা হয়, সেই সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশা প্রধানত সদর্থকই হয়েছে: আমরা কদাচিৎ আমাদের সমালোচনার ফলেই এই ধরনের জ্ঞানকে বাদ দেয়ার কারণ খুঁজে পেয়েছি। এছাড়া আমাদের মনের করার কোন কারণ নেই যে মানুষ এই ধরনের জ্ঞান লাভ করতে অসমর্থ যা সাধারণত তার আছে বলে মনে করা হয়।

     

     

    অবশ্য যখন আমরা দর্শনকে জ্ঞানের বিচার (Criticism কথাটি এখানে বিচার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে) বলে বর্ণনা করি, তখন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা প্রয়োজন। যদি আমরা সন্দেহবাদীদের আচরণ গ্রহণ করি, নিজেদেরকে জ্ঞানের সম্পূর্ণ বাইরে রাখি এবং এই বাইরের অবস্থান থেকে প্রশ্ন করি, জ্ঞানের বৃত্তে ফিরতে বাধ্য হতে চাই, তাহলে আমরা যা অসম্ভব তা-ই চাইছি এবং সেক্ষেত্রে আমাদের সন্দেহবাদকে কখনই খন্ডন করা যাবে না। কেননা সমস্ত খন্ডনই অবশ্যই কিছু জ্ঞান দিয়ে শুরু হয় যা সব বিতর্কবাদীরা গ্রহণ করে, শূন্য সন্দেহ থেকে কোন যুক্তি শুরু হতে পারে না। সেই কারণে জ্ঞানের বিচার, যে কাজে দর্শন ব্যাপৃত, অবশ্যই ধ্বংসাত্মক ধরনের হতে পারে না–যদি কোন ফলাফলে পৌঁছাতে হয়। এই ধরনের নিরঙ্কুশ সন্দেহবাদের মধ্যে কোন যৌক্তিক তর্ক এগোতে পারে না। কিন্তু এটা দেখা কষ্টকর নয় যে এই ধরনের সন্দেহবাদ হল অযৌক্তিক। ডেকার্টের প্রনালীবদ্ধ সন্দেহ, যা থেকে আধুনিক দর্শনের শুরু, এরকম ধরনের নয়, বরং তা এমন ধরনের বিচার যাকে আমাদের দর্শনের সার বলে মেনে নিই। তাঁর প্রণালীবদ্ধ সন্দেহ হল যা কিছু সন্দেহজনক তাতে সংশয় প্রকাশ করা; প্রত্যেক খন্ডিত জ্ঞানের ক্ষেত্রে বিরাম নিয়ে, নিজেকে গভীর চিন্তার মাধ্যমে প্রশ্ন করে যে সে নিশ্চিত হতে পারছে কিনা যা সে জানে তা সত্যিই জানে কিনা। এই ধরনের বিচার দর্শনকে তৈরি করে। কিছু জ্ঞান, যেমন আমাদের ইন্দ্রিয়-উপাত্তের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্ঞান, সম্ভবত সন্দেহের ঊর্ধ্বে, যতই আমরা এর সম্বন্ধে শান্তভাবে ও গভীরভাবে চিন্তা করি না কেন, এই ধরনের জ্ঞানের ক্ষেত্রে দার্শনিক বিচারের প্রয়োজন হয় না যে আমরা এই ধরনের বিশ্বাস থেকে দূরে থাকি। কিন্তু কিছু বিশ্বাস আছে, যেমন বাহ্য বিষয়, যা সম্পূর্নভাবে আমাদের ইন্দ্রিয়-উপাত্তের সঙ্গে মেলে-যেগুলো মেনে নেয়া হয় যতক্ষণ না আমরা গভীরভাবে চিন্তা করা শুরু করি, কিন্তু গভীর অনুসন্ধান করলেই তা অন্তর্হিত হয়। এই ধরনের বিশ্বাসকে দর্শন প্রত্যাখ্যান করতে বলে, যতক্ষণ না এদের সমর্থন করার সোন নতুন যুক্তি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু গভীর পর্যবেক্ষণেও যে বিশ্বাসগুলোর কোন আপত্তিযোগ্যতা পাওয়া যায় না, সেগুলোকে প্রত্যাখ্যান করা যুক্তিসঙ্গত নয় দর্শনও তা চায় না।

     

     

    এক কথায়, যে বিচারের লক্ষ্য রয়েছে তা কোন কারণ ছাড়া প্রত্যাখ্যান করা নয়, বরং যা প্রতিটি জ্ঞানের মত অংশকে তার যোগ্যতার ভিত্তিতে বিবেচনা করে এবং সেগুলোকে জ্ঞান হিসেবে রাখে যখন এই বিবেচনা সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু কিছু ভুলের সম্ভাবনা অবশ্যই থেকে যায় যেহেতু মানুষেরা ভুল করতেই পারে। দর্শন ন্যায়সঙ্গতভাবে দাবি করে যে এটি ভুল কমাতে সক্ষম এবং কিছু ক্ষেত্রে এটি ভুলের সম্ভাবনা এত কমিয়ে আনে যে তাতে বাস্তবিকপক্ষে নজর না দিলেও চলে। এর থেকে বেশি কিছু জগতে করা সম্ভব নয় যেখানে ভুল আবশ্যিকভাবে ঘটেই; এই দর্শনের কোন বিজ্ঞ ব্যক্তিই এর থেকে বেশি দাবি করতে পারেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }