Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶

    ১৫. দর্শনের উপযোগিতা

    ১৫. দর্শনের উপযোগিতা

    দর্শনের সমস্যা সম্পর্কে আমাদের সংক্ষিপ্ত ও নিতান্তই অসম্পূর্ণ পর্যালোচনার শেষে এসে, সিদ্ধান্ত হিসেবে আলোচনা করলে ভাল হবে যে দর্শনের উপযোগতা কি এবং কেন এটি অধ্যয়ন করা উচিত। এই প্রশ্নটি আলোচনা করা খুবই প্রয়োজনীয় এই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে যে বহু ব্যক্তি বিজ্ঞানের বা প্রাত্যহিক ঘটনার সংস্পর্শে এসে সন্দেহ প্রকাশ করার প্রবণতা দেখায় যে নিষ্পাপ অথচ অপ্রয়োজনীয় তুচ্ছ বিষয়, চুল-চেরা পার্থক্য এবং যে বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অসম্ভব সেই বিষয়ের দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করে দর্শন আদৌ ভাল কিছু করে কিনা।

    দর্শন সম্পর্কে এই মতে আসার কারণ আংশিকভাবে জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে ভুল ধারণা এবং আংশিকভাবে দর্শন যে বিষয়গুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করে তাদের সম্পর্কে ভুল ধারণা। পদার্থবিজ্ঞান তার আবিষ্কারের মাধ্যমে এমন অসংখ্য ব্যক্তির কাজে আসছে যারা এর সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। তাই পদার্থবিজ্ঞন পড়ার সুপারিশ করা হয় শুধুমাত্র বা মুখ্যত ছাত্রদের উপর এর প্রভাবের জন্য নয়, বরং সাধারণভাবে মানবজাতির উপরে এর প্রভাব পড়ে বলে। দর্শনের এই ধরনের উপকারিতা নেই। দর্শনের ছাত্রদের উপরে ছাড়া অন্যত্র যদি দর্শনচর্চার কোন মূল্য থাকে, তাহলে তা অবশ্যই শুধুমাত্র অপ্রত্যক্ষভাবে এবং যারা এর চর্চা করে সেই ব্যক্তিদের জীবনে এর প্রভাবের মাধ্যমে। সুতরাং দর্শনের উপযোগিতা যদি কোথাও খুঁজতে হয় তাহলে তা মুখ্যত এই প্রভাবগুলোর মধ্যেই খুঁজতে হয় তাহলে তা মুখ্যত এই প্রভাবগুলোর মধ্যেই খোঁজা উচিত।

    কিন্তু যদি আমরা দর্শনের উপযোগিতা নিরূপণ করার চেষ্টা বিফল হতে না চাই, তাহরে আমাদের অবশ্যই ব্যবহারিক ব্যক্তি নামে ভূলভাবে চিহ্নিত কুসংস্কারের হাত থেকে মনকে মুক্ত করতে হবে। ব্যবহারিক ব্যক্তি, এই অভিধানটি প্রায়শই ব্যবহার হয়, হল সে যে শুধুমাত্র পার্থিব প্রয়োজন স্বীকার করে, শরীরের খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে, কিন্তু মনের খাদ্য যোগানোর প্রয়োজনীয়তার কথা ভুলে যায়। যদি সমস্ত ব্যক্তি ধনী হয়, যদি দারিদ্র ও অসুখ একেবারে নিম্নসীমায় পৌঁছায়, তাহলেও একটি মূল্যবান সমাজ তৈরি করতে গেলে অনেক কিছুই করতে হবে; এবং বর্তমান পৃথিবীতে দেহের বিষয়ের প্রয়োজনীয়তার থেকে মনের বিষয়ের প্রয়োজনীয়তায় কম গুরুত্ব দেয়া হয়। একমাত্র মনের বিষয়ের মধ্যেই দর্শনের উপযোগিতা খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এবং যারা এই বিষয়গুলোর প্রতি উদাসীন নন একমাত্র তাদেরকেই বলা যায় যে দর্শনচর্চা সময়ের অপচয় নয়।

    অন্য সব বিষয়ের মত দর্শনও মূখ্যত জ্ঞানের দিকেই লক্ষ্য রাখে। যে জ্ঞানের প্রতি এর লক্ষ্য তা হল সেই ধরনের জ্ঞান যা বিজ্ঞানের জ্ঞানকে সংযুক্ত করে এবং সেই ধরনের জ্ঞান যা আমাদের ধারণা, সংস্কার ও বিশ্বাসের বিচারপূর্ণ পরীক্ষার পর আসে। কিন্তু এটা বলা যায় না যে তার প্রশ্নাবলির নিশ্চিত উত্তর খোঁজার চেষ্টায় দর্শনের এক বিরাটা সাফল্য রয়েছে। যদি আপনি কোন গণিতজ্ঞ, কোন খনিতত্ত্ববিদ, কোন ঐতিহাসিক অথবা অন্য কোন বিষেয়ের ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেন যে তিনি তার বিজ্ঞানের দ্বারা কোন্ সত্যে পৌঁছাতে পেরেছেন, তাহলে তার উত্তর তত দীর্ঘ হবে যতক্ষণ আপনি শোনার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন। কিন্তু যদি আপনি ওই একই প্রশ্ন কোন দার্শনিককে করেন, তাহলে ভোলা মনে স্বীকার করলে তিনি বলবেন যে তার চর্চা সেরকম কোন সদার্থক ফলে আসতে পারেনি যেরকম অন্য বিজ্ঞানগুলো পেরেছে। এটা সত্যি যে এর জন্য কিছুটা দায়ী করা যায় এই ঘটনাকে যে, যখনই কোন বিষয় সম্বন্ধে নিশ্চিত জ্ঞান লাভ সম্ভব হয়েছে, তখনই সেই বিষয়টি দর্শন বলে পরিচিত হওয়া পরিত্যাগ করেছে এবং একটি স্বতন্ত্র বিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। যাবতীয় মহাকাশ-চর্চা, যা এখন মহাকাশ বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত, এককালে দর্শনের অধীনে ছিল। নিউটনের বিখ্যাত কাজ প্রাকৃতিক দর্শনের গাণিতিক নীতি নামে পরিচিত ছিল। একইভাবে মানবমন চর্চা দর্শনের অংশ ছিল, এখন তা দর্শনের থেকে আলাদা হয়ে মনস্তত্ত্ব নামে পরিচিত হয়েছে। এভাবে, দর্শনের অনিশ্চয়তা বহুলাংশেই প্রাতিভাসক, সত্য নয়। যেসব প্রশ্নর নিশ্চিত উত্তর সম্ভব সেগুলোকে বিজ্ঞানের আওতায় আনা হয়েছে এবং শুধুমাত্র যেগুলোর বর্তমানে কোন নিশ্চিত উত্তর দেয়া সম্ভব নয় সেগুলোই অবশিষ্ট হিসেবে দর্শন নামক বিষয়টি তৈরি করেছে।

    এটি অবশ্য দর্শনের অনিশ্চয়তা প্রসঙ্গে সত্যের একটি অংশমাত্র এমন অনেক প্রশ্ন আছে-এবং তাদের মধ্যে কয়েকটি আমাদের ধর্মীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-যা, যতদূর আমরা দেখি, অবশ্যই মানুষের বুদ্ধির পক্ষে অসমাধানযোগ্য রয়ে যাবে, যতক্ষণ না তার শক্তিগুলো বর্তমানের থেকে ভিন্ন বর্গের হয়ে ওঠে। মহাবিশ্বের কোন পরিকল্পনা বা উদ্দেশ্য আছে কি, নাকি এটি পরমাণুর আকস্মিক মিলন? চৈতন্য কি জগতের কোন স্থায়ী অংশ যা জ্ঞানের অনন্ত বৃদ্ধির আমার জোগায়, নাকি এটা একটি ক্ষুদ্র নক্ষত্রে অস্থায়ী অঘটন যেখানে জীবন অবশেষে অবশ্যই অসম্ভব হয়ে পড়বে? পাপ ও পুণ্য কি জগতের কাছে প্রয়োজনীয়, নাকি শুধুমাত্র ব্যক্তির কাছে? এই ধরনের প্রশ্নগুলো দর্শন উত্থাপন করে এবং বিভিন্ন দার্শকিরা এর ভিন্ন ভিন্ন উত্তর দেন। কিন্তু এটা মনে হয় যে উত্তরগুলো অন্যভাবে আবিষ্কৃতি হোক বা না-ই হোক, দর্শনের দ্বারা প্রস্তাবিত উত্তরগুলোর কোনটিই প্রয়োগবহুলভাবে সত্য নয়। কিন্তু উত্তর আবিষ্কার করার আশা যতই সামান্য হোক না কেন, দর্শনের কাজ হল এই ধরনের প্রশ্নের আলোচনা চালিয়ে যাওয়া, এগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের অবহিত করা, এগুলোর প্রতি সমস্ত মনোভাবকে পরীক্ষা করা এবং জগতের প্রতি সেই চিন্তাশীল ইচ্ছা জাগিয়ে রাখা যা শেষ হয়ে যেতে পারে যদি আমরা নির্দিষ্ট জ্ঞানের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে যাই।

    এটি সত্য যে অনেক দার্শনিক বলেন দর্শন এই ধরনের মূল প্রশ্নগুলোর সত্যতার নিশ্চিত উত্তর দিতে পারে। তারা মনে করেন ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাকে কঠিন প্রয়োগর দ্বারা সত্য বলে প্রমাণ করা যেতে পারে। এইধরনের প্রচেষ্টার বিচার করার জন্য মানব-জ্ঞানের পর্যালোচনা করা এবং এর পদ্ধতি ও সীমাবদ্ধতা সম্বন্ধে একটি মতবাদ তৈরি করা প্রয়োজন। এই ধরনের বিষয়ে যুক্তিহীনভাবে কিছু বলা নিতান্তই অবিবেচকের কাজ, কিন্তু আমাদের পূর্ববর্তী অধ্যায়গুলোর অনুসন্ধান যদি আমাদের বিপথে চালিত না করে, তাহলে আমরা ধর্মীয় বিশ্বাসের দার্শনিক প্রমাণ খোঁজার চেষ্টা অবশ্যই ত্যাগ করতে বাধ্য হব। সুতরাং আমরা এই ধরনের প্রশ্নের কোন নির্দিষ্ট উত্তরকে দর্শনের উপযোগিতার অংশ হিসেবে রাখতে পারব না। অতএব আরও একবার বলা দরকার-দর্শনের উপযোগিতা অবশ্যই কোন প্রস্তাবিত নির্দিষ্ট নিরূপণযোগ্য জ্ঞানের উপর নিরূপণযোগ্য জ্ঞানের উপর নির্ভর করবে না যা তাদের দ্বারা আহরিত হবে যারা এর চর্চা করছে।

    আসলে দর্শনের মূল্য মূলত খোঁজা উচিত এর অনিশ্চয়তার মধ্যেই। যে ব্যক্তির সঙ্গে দর্শনের কোন সংস্পর্শ নেই সে সারা জীবন সাধারণ জ্ঞান থেকে, তার সময়ের, তার জাতির স্বভাবগত দৃঢ় বিশ্বাসের থেকে এবং তার ইচ্ছাকৃত যুক্তিগত কারণের অনুমোদন বা সহযোগিতা ছাড়াই যেসব দৃঢ় বিশ্বাস তার মনের মধ্যে বেড়ে উঠেছে, তা থেকে আহরিত সংস্কারে আবদ্ধ থাকে। এই ধরনের ব্যক্তির কাছে জগৎ সুনির্দিষ্ট, সীমাবদ্ধ ও স্বাভাবিক, সাধারণ বিষয় তার মধ্যে কোন প্রশ্ন জাগায় না এবং অজানা সম্ভাব্যতাকে সে অবজ্ঞাভরে প্রত্যাখ্যান করে। অপরপক্ষে, যখনই আমরা দার্শনিকতা শুরু করি, আমরা দেখি, যেমনটা আমরা শুরুর অধ্যায়গুলোতে দেখেছি, যে এমনকি খুব সাধারণ প্রাত্যহিক বিষয়ও সমস্যার দিকে নিয়ে যায়, যার শুধুমাত্র অসম্পূর্ণ উত্তরই দেয়া সম্ভব। দর্শন যদিও আমদের নিশ্চয়তার সঙ্গে বলতে অসমর্থ যে, যে সন্দেহগুলো উত্থাপিত হয়েছে তার সত্য উত্তর কি হবে, কিন্তু সে অনেক সম্ভাবনা উপস্থাপিত করতে পারে যা আমাদের চিন্তাকে বিস্তৃত করে এবং চিন্তাকে প্রথার অত্যাচারের হাত থেকে মুক্ত করতে সহায়তা করে। এভাবে, বিষয়গুলো আসলে কি তার নিশ্চয়তার অনুভবকে কমিয়ে আনার পাশাপাশি সে ব্যাপারে আমাদের জ্ঞানকে অনেক বাড়িয়ে তোলে দর্শন। বিষয়গুলো কি হতে পারে তা সেসব ব্যক্তিদের উদ্ধত যুক্তিহীনতাকে সরিয়ে দেয় যারা কখনও অবাধ সংশয়ের জগতে বিচরণ করেনি এবং জানা বিষয়গুলোকে অজানা দিক থেকে দেখিয়ে এটি আমাদের আশ্চর্যতার ভাবকে তাজা রাখে।

    অসন্দেহজনক সম্ভাব্যতার উপযোগিতা দেখানো ছাড়াও দর্শনের অন্য একটি উপযোগিত রয়েছে, সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপযোগিতা–বিষয়ের বিশালতায় মনোযোগী হয়ে এবং ক্ষুদ্র ও নিজস্ব লক্ষ্যের থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে যা এই সাধনার মধ্যে দিয়ে পাওয়া গিয়েছে। প্রবৃত্তিনির্ভর মানুষের জীবন তার নিজস্ব স্বার্থের গণিতে আবদ্ধ থাকে; পরিবারও বন্ধুবর্গ হয়তো এর মধ্যে থাকে, কিন্তু বহির্জগৎকে ধরা হয় না শুধুমাত্র সেই ক্ষেত্র বাদে যেখানে এটি প্রবৃত্তিগত ইচ্ছার গন্ডির মধ্যে আসা বিষয়কে সাহায্য করে বা বাদ দেয়। এই ধরনের জীবন স্বাধীন ও শান্ত দার্শনিক জীবনের তুলনায় কিছুটা আবদ্ধ ও অসুস্থ। প্রবৃত্তিযুক্ত স্বার্থের ব্যক্তিগত জগৎ হল ক্ষুদ্র, বিশাল ও শক্তিময় জগতের মাঝখানে স্থিত, যে জগৎ অবশ্যই আগে বা পরে আমাদের ব্যক্তিগত জীবনকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে দেয়। যতক্ষণ না আমরা আমদের স্বার্থকে এমনভাবে বাড়াতে পারি যার মধ্যে সম্পূর্ণ বহির্জগৎ অন্তর্ভুক্ত হয়, ততক্ষণ আমরা কোন এক প্রহরাহীন দুর্গের সৈন্যদল, যারা জানে যে শত্রু পালাতে দেবে না এবং শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করা অবশ্যম্ভাবী। এই ধরনের জীবনে কোন শান্তি নেই, বরং আশার চাপ ও শক্তিহীনতার ইচ্ছার মধ্যে সর্বক্ষণের দ্বন্দ্ব রয়েছে। আমরা যদি আমাদের জীবনকে মহান ও স্বাধীন করতে চাই, তাহলে অবশ্যই এই বন্দিশালা ও দ্বন্দ্বের থেকে কোন না কোনভাবে মুক্তি পেতে হবে।

    দার্শনিক সাধনা হল মুক্তির একটি পথ। দার্শনিক সাধনা এর বিশাল ক্ষেত্রে জগৎকে দুটি বৈরী গোষ্ঠীতে ভাগ করে না-বন্ধু ও শত্রু, সাহায্যকারী ও অনিষ্টকারী, ভাল ও মন্দ-এটি সমগ্রকে পক্ষপাতহীনভাবে দেখে। দার্শনিক সাধনা, যখন এটি অমিশ্রিত থাকে, এই ধরনের প্রমাণে ব্রতী হয় না যে জগতের অবশিষ্ট অংশ মানুষের উপকারে আসে। যে কোন জ্ঞানেরই আহরণ নিজেকে বড় করে তোলে, কিন্তু এই বড়ত্বে তখনই সবথেকে ভালভাবে পৌঁছানো যায় যখন এটি প্রত্যক্ষভাবে চাওয়া হয় না। এটি পাওয়া যায় যখন একমাত্র জ্ঞানের ইচ্ছাই কাজ করে, এমন চর্চার দ্বারা যা আগে থেকে চায় না যে এর বিষয়ের এই বা ওই চরিত্র হোক, বরং নিজেকে সেসব চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নেয় যা এটি তার বিষয়গুলোতে পায়। আত্মার এই বড়ত্ব পাওয়া যায় না যখন আত্মাকে যেরকম আছে সেভাবেই নেয়া হয়। আমার দেখানোর চেষ্টা করি যে জগতের সঙ্গে এই আত্মার এতই মিল আছে যে যাকে প্রতিকূল বলে মনে হচ্ছে তাকে প্রবেশাধিকার না দিয়েও এর জ্ঞান সম্ভব। এটি প্রমাণ করার ইচ্ছা হল একধরনের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং সমস্ত আত্মপক্ষ সমর্থনের মতই এটি আত্মবৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি বাধ্য, যা এটি চায় এবং যা আত্ম জানে যে সে পারবে। অন্যান্য ক্ষেত্রের মত দার্শনিক আত্মসমর্থন চিন্তার ক্ষেত্রেও জগৎকে তার নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর উপায় হিসেবে দেখে। এভাবে এটি জগৎকে আত্মার থেকে কম মূল্য দেয় এবং আত্মা তার বিষয়ের বিশালত্বের ক্ষেত্রে গন্ডি কেটে দেয়। অপরপক্ষে, সাধনার ক্ষেত্রে আমরা অনাত্ম (Not-Self) দিয়ে শুরু করি এবং এর মহত্ত্বের দ্বারা আত্মার ক্ষেত্রকে বিস্তৃত করা হয়, জগতের অসীমত্বের মধ্যে দিয়ে সাধনার মাধ্যমে মন এর অসীমত্বের কিছু স্বাদ গ্রহণ করে।

    এই কারণে আত্মার মহত্ত্ব সেইসব দর্শনের দ্বারা প্রচারিত হয় না যা জগৎকে মানুষের সঙ্গে এক করে। জ্ঞান হল একধরনের আত্মা ও অনাত্মার মিলন এবং সব মিলনের মতই এটি আধিপত্যের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়, সুতরাং যা আমরা নিজেদের মধ্যে পাচ্ছি তা জোর করে জগতের মধ্যে দেখার কোন চেষ্টাও বাধাপ্রাপ্ত হয়। একধরনের বহুল প্রচলিত দার্শনিক আগ্রহ সেই মতের দিকে দেখা যায় যা আমাদের বলে যে মানুষ হল সবকিছুর পরিমাপক, সত্য হল মানুষের তৈরি, দেশ ও কাল এবং সামান্যের জগৎ হল মনের সম্পত্তি এবং মনের দ্বারা সৃষ্ট কোন কিছু না থাকলে এবং তা আমাদের কোন কাজে না লাগলে তা জানা অসম্ভব। এই মত, যদি আমাদের পূর্ববর্তী আলোচনা সঠিক হয়, হল অসত্য, কিন্তু অসত্য হবার পাশাপাশি এটি দার্শনিক সাধনাকেও বঞ্চিত করে যা এর মূল্যের কারণ, যেহেতু এটি আত্মার সাধনার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। এটি যাকে জ্ঞান আখ্যা দেয় তা অনাত্মার সঙ্গে কোন মিলন নয়, বরং একগুচ্ছ সংস্কার, অভ্যাস ও ইচ্ছা, যা আমাদের ও জগতের মধ্যে একধরনের অভেদ্য আবরণ সৃষ্টি করে। যে ব্যক্তি এই ধরনের জ্ঞানতত্ত্বে আনন্দ পায় সে হল সেই ব্যক্তির মত যে কখনও সাংসারিক গন্ডি ত্যাগ করেনি এই ভয়ে যে তার কথা আইন হিসেবে গ্রাহ্য হবে না।

    অপরপক্ষে, যথার্থ দার্শনিক চিন্তা প্রত্যেক অনাত্মার বৃদ্ধির মধ্যে সন্তোষ খুঁজে পায়, যা কিছু অনুশীলিত বিষয়কে বড় করে দেখায় তার মধ্যে সন্তোষ খুঁজে পায় এবং এভাবে যে বিষয়ে মনোনিবেশ করা হয়েছে তাতেও সন্তোষ খুঁজে পায়। মনোনিবেশের মধ্যে যা কিছু ব্যক্তিগত বা গোপন, যা কিছু অভ্যাস, স্বার্থ বা ইচ্ছার উপর নির্ভর করে, তা বিষয়কে বিকৃত করে এবং ফলত বুদ্ধি যে মিলন চায় সেই মিলনে বাধার সৃষ্টি করে। এভাবে জ্ঞাতা ও বিষয়ের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, এই ব্যক্তিগত ও গোপন বিষয়গুলো চিন্তাশক্তির বন্দিশালায় পরিণত হয়। স্বাধীন চিন্তাশক্তি ঈশ্বরের মতো করেই প্রত্যক্ষ করতে সমর্থ, কোন এখানে ও এখন ছাড়াই, কোন আশা ও ভয় ছাড়াই, কোন প্রথাগত বিশ্বাস, ঐতিহ্যগত সংস্কারের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই, শান্তভাবে। আবেগহীনভাবে, শুধুমাত্র জ্ঞান লাভের ইচ্ছায়-নৈর্ব্যক্তিক জ্ঞান, শুদ্ধ চিন্তাশক্তি হিসেবে ব্যক্তির পক্ষে যেভাবে তা লাভ করা সম্ভব। অতএব স্বাধীন চিন্তাশক্তি বিমূর্ত ও সামান্য জ্ঞানকে বেশ গুরুত্ব দেবে যাতে ব্যক্তিগত ঘটনা প্রবেশ করেনি; বেশি গুরুত্ব দেবে সেই জ্ঞানের তুলনায় যা ইন্দিয় দ্বারা পাওয়া যায় ও ইন্দ্রিয়ের ওপর নির্ভরশীল, যেহেতু এই ধরনের জ্ঞান অবশ্যই নির্ভর করে ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির উপর ও দেহের উপর যার ইন্দ্রিয়গুলো প্রকাশের থেকে বিকৃতই বেশি করে।

    যে মন দার্শনিক চিন্তাশক্তির স্বাধীনতা ও পক্ষপাতহীনতায় অভ্যস্ত, তা কর্ম ও অনুভূতির জগতেও একই ধরণের স্বাধীনতা ও পক্ষপাতহীনতাকে ধরে রাখতে চায়। এটি এর উদ্দেশ্য ও ইচ্ছাকে সমগ্রর অংশ হিসেবে দেখে এবং দেখে কোনরকম জোর ছাড়াই যা এদের জগতের অনন্ত অংশের ফল, যে জগতের বাকি সবকিছু একজন ব্যক্তির কাজের দ্বারা বিঘ্নিত হয় না। পক্ষপাতহীনতা, যা চিন্তাশক্তির ক্ষেত্রে সত্যের প্রতি অমিশ্ৰিত ইচ্ছা, তা হল মনের সেই একই গুণ যা কাজে, ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে ও অনুভূতির ক্ষেত্রে হল সেই সামান্য প্রেম যা শুধুমাত্র যাদেরকে প্রয়োজনীয় বা প্রশংসনীয় বলে বিচার করা হয় তাদেরই নয়, বরং সবাইকে দেয়া যায়। এভাবে চিন্তাশক্তি শুধুমাত্র চিন্তার বিষয়কেই বৃদ্ধি করে না, বরং আমাদের কর্মের ও অনুভূতির বিষয়কেও বৃদ্ধি করে: এটি আমাদের শুধুমাত্র যুদ্ধের সময়ে অন্যদের সঙ্গে একটি দেয়ালঘেরা শহরের সদস্য করে তোলে না, বরং জগতের সদস্যে পরিণত করে। জগতের এই সদস্যপদেই ব্যক্তির প্রকৃত স্বাধীনতা রয়েছে এবং সংকীর্ণ আশা ও ভয়ের হাত থেকে মুক্তি নিহিত থাকে। . এভাবে আমাদের আলোচ্য দর্শনের উপযোগিতার সংক্ষিপ্তসার হল : দর্শন চর্চা করা উচিত কোন প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তরের জন্য নয়, যেহেতু নিয়ম অনুসারে কোন নির্দিষ্ট উত্তরই সত্য বলে জানা যায় না, বরং প্রশ্নগুলোর নিজস্বতার জন্য, কেননা এই প্রশ্নগুলো আমাদের সম্ভাব্যতার ধারণা বাড়ায়, বৌদ্ধিক কল্পনাকে বৃদ্ধি করে এবং অযৌক্তিক নিশ্চয়তা কমায় যা মনকে বিবেচনার বিরুদ্ধে দাঁড় করায়; কিন্তু সর্বোপরি, দর্শন যা নিয়ে চিন্তাভাবনা করে জগতের সেই বিশালতার মধ্যে, মনও বিশাল হয়ে ওঠে এবং জগতের সঙ্গে যুক্ত হতে সমর্থ হয়-যা সর্বোত্তমকে তৈরি করে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }