Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. ভাববাদ

    ৪. ভাববাদ

    ভাববাদ শব্দটিকে বিভিন্ন মতাবলম্বী দার্শনিকরা কিছুটা ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহার করেছেন। আমরা এর দ্বারা সেই মতবাদ বুঝবো যা বলে যা অস্তিত্বশীল বা যা কম-বেশি অস্তিত্বশীল বলে জ্ঞাত হওয়া যায়, তা কোন না কোন অর্থে নিশ্চিত মানসিক। দার্শনিকদের মধ্যে বহুল প্রচারিত এই মতবাদ বিভিন্ন রূপে বর্তমান এবং এটি বিভিন্ন কারণে মানা হয়। এই মতবাদ এত ব্যাপকভাবে প্রচলিত এবং স্বভাবতই এত চিত্তাকর্ষক যে দর্শনের খুব সংক্ষিপ্ত ইতিহাসেও এর কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়।

    যারা দার্শনিক আলোচনায় অনভ্যস্ত তারা এই ধরনের মতবাদকে অসম্ভব বলে উড়িয়ে দেন। এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে সাধারণ বোধ টেবিল, চেয়ার, সূর্য, চন্দ্র বা বাহ্য বস্তুকে মন এবং মনের বিষয়ের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা বলে মনে করে এবং মন না থাকলেও এদের অস্তিত্ব চলতেই থাকবে একথা মানে। আমরা মনে করি জড়ের অস্তিত্ব মনের বহু পূর্ব থেকেই আছে এবং এটিকে মনের চিন্তার ফল বলে মনে করা খুবই কষ্টকর। কিন্তু সত্য বা মিথ্যা যা-ই হোক না কেন, ভাববাদকেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    আমরা দেখেছি যে বাহ্য বস্তুর স্বাধীন অস্তিত্ব থাকলেও তারা ইন্দ্রিয়-উপাত্ত থেকে অবশ্যই আলাদা এবং বাহ্যবস্তুর সঙ্গে ইন্দ্রিয়-উপাত্তের মিল রয়েছে ঠিক সেভাবে যেভাবে একটি ক্যাটালগের সঙ্গে তাতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের সাদৃশ্য থাকে। এই কারণে সাধারণ বোধ বাহ্য বস্তুর অন্তর্নিহিত স্বভাব সম্বন্ধে আমাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখে এবং যদি এদের মানসিক বলে মনে করার উপযুক্ত কারণ থাকে, তাহলে আমরা কখনই যুক্তিযুক্তভাবে এদেরকে অসম্ভব বলে বাদ দিতে পারি না শুধুমাত্র এই কারণে যে এই মতবাদ অদ্ভুত লাগছে। বাহ্য বস্তু সম্বন্ধে সত্যতা অবশ্যই অদ্ভুত। এতে পৌঁছানো নাও যেতে পারে, কিন্তু যদি কোন দার্শনিক মনে করেন যে তিনি এতে পৌঁছাতে পেরেছেন, তাহলে তিনি যাকে সত্য বলে চিহ্নিত করছেন তা অদ্ভুত হলেও সেটি তাঁর মতের বিরুদ্ধে আপত্তির কোন কারণ হতে পারে না।

    সাধারণত জ্ঞানতত্ত্বের ভিত্তিতে ভাববাদ প্রচার করা হয়, অর্থাৎ সেই শর্তগুলো আলোচনার মাধ্যমে যা আমাদের বিষয়গুলো জানার জন্য প্রয়োজন। বিশপ বার্কলে এই ভিত্তিতে ভাববাদ প্রচার করার প্রথম প্রচেষ্টা করেন। তিনিই প্রথম যুক্তির দ্বারা প্রমাণ করেছিলেন–যা বহুলাংশে সঠিক-যে মন নিরপেক্ষভাবে ইন্দ্রিয়-উপাত্তগুলোর অস্তিত্ব থাকতে পারে না। এগুলো অবশ্যই আংশিকভাবে মনের মধ্যে থাকবে এই অর্থে যে, যদি কোন দেখা, শোনা, স্পর্শ করা, গন্ধ নেয়া বা স্বাদ গ্রহণ করা না থাকে তা হলে এদের অস্তিত্ব থাকবে না। তার এই মত বহুলাংশেই সঠিক, যদিও কিছু যুক্তি সঠিক নয়। কিন্তু তিনি যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে আমাদের প্রত্যক্ষ একমাত্র ইন্দ্রিয়-উপাত্তের অস্তিত্বকে নিশ্চিত করতে পারে এবং জ্ঞাত হওয়া মানেই মনের মধ্যে থাকা এবং তা মননযোগ্য। এভাবে তিনি সিদ্ধান্তে এসেছিলেন যে মন ছাড়া কোন কিছু জানা যায় না এবং আমার মনে জ্ঞাত না হয়ে যা জানা যায় তা অবশ্যই অন্য কারোর মনে থাকবে।

     

     

    তার যুক্তি বুঝার জন্য তার ধারণা শব্দের ব্যবহার বুঝা প্রয়োজন। যা কিছু তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় তাকেই তিনি ধারণা নাম দিয়েছিলেন। দৃষ্টান্তস্বরূপ, ইন্দ্রিয়-উপাত্তগুলোকে জানা যায়। এভাবে আমাদের দেখা একটি বিশেষ রঙ হল একটি ধারণা। একইভাবে যে শব্দ আমরা শুনি বা অন্যান্য বিষয়গুলোও। কিন্তু এই পদটি সম্পূর্ণভাবে ইন্দ্রিয়-উপাত্তের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। এরকম অনেক বিষয় রয়েছে যাকে মনে করা বা কল্পনা করা যায়। মনে করা বা কল্পনা করার ক্ষেত্রে বিষয়ের সঙ্গে আমাদের তাৎক্ষণিক পরিচিত থাকে। এ সমস্ত তাৎক্ষণিক উপাত্তগুলোকেই তিনি ধারণা বলেছেন।

    এরপর তিনি সাধারণ বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করেছেন, যেমন একটি গাছ। তিনি দেখিয়েছেন যে যখন আমরা গাছটি দেখি তখন আমরা যা তাৎক্ষণিকভাবে জ্ঞাত হই তা হল কতকগুলো ধারণা। তিনি যুক্তি দিয়ে দেখিয়েছেন যে এরকম মনে করার সামান্যতমও ভিত্তি নেই যে দেখা যাওয়া ছাড়া গাছটির আর কোন সত্যতা আছে, তিনি বলেন এর অস্তিত্ব দেখার উপর নির্ভরশীল, লাতিন ভাষায় এর অস্তিত্বশীলতা হল দেখা। তিনি সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করেন যে যখন আমরা চোখ বন্ধ করব বা যখন কোন ব্যক্তি এর কাছে থাকবে না, তখনও গাছটির অস্তিত্ব থাকবে। কিন্তু তিনি বলেন যে এর ধারাবাহিক অস্তিত্বের কারণ হল ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ। আসল গাছ যার সঙ্গে বাহ্য বিষয়ের অনুরূপতা রয়েছ, তা ঈশ্বরের মনে ধারণা আকারে রয়েছে। কিন্তু যখন আমরা গাছটি দেখি কথন আমাদের কাছে যা ধারণা আকারে প্রতিভাত হয়, সেগুলো ঈশ্বরের মনে স্থায়ী হিসেবে থাকে যতক্ষণ অবধি গাছটির অস্তিত্বশীলতা রয়েছে। তাঁর মতে আমাদের সমস্ত প্রত্যক্ষ ঈশ্বরের প্রত্যক্ষে আংশিকভাবে অংশগ্রহণ করে, এই অংশগ্রহণের জন্যই বিভিন্ন ব্যক্তি একই গাছ প্রত্যক্ষ করে। এভাবে জগতে মন ও তার ধারণা ছাড়া আর কিছুই নেই এবং এটা সম্ভবও নয় যে কোনকিছু জ্ঞাত হতে পারবে, যেহেতু যা জ্ঞাত হয় তা হল অবশ্যই ধারণা।

     

     

    এই ধরনের যুক্তিতে নানা দোষ আছে যা দর্শণের ইতিহাসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং যেগুলোকে সর্বসমক্ষে আনা উচিত। প্রথমত, ধারণা শব্দটি ব্যবহারের মধ্যেই গোলমাল রয়েছে। আমরা সাধারণ ধারণা বলতে কারোর মনের মধ্যে কোন কিছুকে ভাবি এবং যখন আমাদের বলা হয় যে গাছটি ধরণা দিয়ে গঠিত তখন এটি মনে করা খুবই স্বাভাবিক যে যদি তাই হয় তাহলে গাছটি অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে মনের মধ্যে রয়েছে, কিন্তু মনের মধ্যে থাকা এই ধারণাটি অত্যন্ত জটিল। আমরা কোন ব্যক্তিকে মনে ধরে রাখার কথা বলি। কিন্তু এর দ্বারা বুঝাই না যে ব্যক্তিটি আমাদের মনে রয়েছে, বরং ব্যক্তিটির চিন্তা আমাদের মনে রয়েছে। যখন কোন ব্যক্তি বলে যে তাকে করতে বলা হয়েছিল এমন কোন বিষয় তার মনের মধ্যে থেকে সম্পূর্ণভাবে চলে গিয়েছে, তখন সে এটা বুঝায় না যে বিষয়টি নিজে কখনও তার মনের মধ্যে ছিল, বরং বিষয়টির চিন্তা পূর্বে তার মনে ছিল কিন্তু পরবর্তীকালে মনের মধ্যে থেকে চলে গিয়েছে। এভাবে, যখন বার্কলে বলেন যদি আমরা গাছটিকে জানতে পারি তাহলে গাছটি অবশ্যই আমাদের মনে থাকবে, তখন আসলে তার যা বলার অধিকার আছে তা হল গাছটির চিন্তা অবশ্যই আমাদের মনে রয়েছে। গাছটি স্বয়ং অবশ্যই আমাদের মনে রেখেছি সে স্বয়ং আমাদের মনের মধ্যে রয়েছে। এই বিভ্রান্তি কোন পারদর্শী দার্শিনিক সত্যিই সৃষ্টি করেছেন বলাটা খুবই মোটা দাগের ব্যাপার, কিন্তু পারিপার্শ্বিক অবস্থা এটিকে সম্ভব করেছে। কিভাবে এটা সম্ভব হয়েছে তা দেখার জন্য আমাদের অবশ্যই ধারণার প্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্নের আরও গভীরে যাওয়া প্রয়োজন।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস
    বই
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বইয়ের প্রতিযোগিতা

     

    ধারণার প্রকৃতি সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন তোলার আগে আমরা অবশ্যই ইন্দ্রিয় উপাত্ত ও বাহ্য বিষয় সম্পর্কিত এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রশ্নকে আলাদা করব। বিভিন্ন কারণের জন্য আমরা দেখেছি যে বার্কলে ইন্দ্রিয়-উপাত্তের ব্যাপারে সঠিক ছিলেন যা আমদের গাছের প্রত্যক্ষকে কম বা বেশি ব্যক্তিগত করে তোলে– ব্যক্তিগত এই অর্থে যে এরা গাছের উপর নির্ভর করে এবং গাছটি প্রত্যক্ষ না হলে এরা থাকবে না। কিন্তু এটি তার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন যুক্তি, যার দ্বারা বার্কলে প্রমাণ করতে চেয়েছেন যা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় তা অবশ্যইমনের মধ্যে থাকবে। এই উদ্দেশ্যে আমাদের ইন্দিয়-উপাত্তের উপর নির্ভরতা সম্পর্কে বিস্তারিত যুক্তি দেয়া অপ্রয়োজনীয়। সাধারণত এটি প্রমাণ করা প্রয়োজনীয় যে কোন কিছু জানা মানেই বিষয়গুলো মানসিক হয়ে ওঠে। বার্কলে বিশ্বাস করতেন যে তিনিই এটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। পূর্ববর্তী প্রশ্ন অর্থাৎ ইন্দ্রিয়-উপাত্তও বাহ্য বিষয়ের পার্থক্য নিয়ে নয়, বরং এই প্রশ্নটি নিয়েই এখন আমরা আলোচনা করব।

    বার্কলের অর্থে ধারণা কে গ্রহণ করলে, মনের সামনে কোন ধারণা এলেই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়কে আমাদের বিবেচনা করতে হবে। একদিকে সেই বিষয়টি যার সম্পর্কে আমরা সচেতন–ধরাযাক আমার টেবিলের রঙ এবং অন্যদিকে প্রকৃত সচেতনতা, বিষয়টিকে উপলব্ধি করার মানসিক ক্রিয়া। মানসিক ক্রিয়া নিঃসন্দেহেই মানকি, কিন্তু মনে করার এরকম কোন কারণ আছে কি যে, যে বিষয়টি জানা হচ্ছে তা কোন অর্থে মানসিক? রঙ সম্পর্কীয় আমাদের পূর্ববর্তী যুক্তিগুলো এটিকে মানসিক বলে প্রমাণ করে না। এগুলো শুধুমাত্র এটাই প্রমাণ করে যে এদের অস্তিত্ব আমাদের ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে বাহ্য বস্তুর সম্বন্ধের উপর নির্ভর করে এই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে টেবিলের উপর। অর্থাৎ এর প্রমাণ করে যে, কোন বিশেষ বিন্দুতে একটি চোখ স্থাপিত হলে, একটি নির্দিষ্ট আলোয় একটি নির্দিষ্ট বর্ণ বিদ্যমান থাকবে। এই যুক্তিগুলো প্রমাণ করে না যে রঙটি দর্শনকারীর মনের মধ্যে রয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সফ্টওয়্যার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অডিওবুক
    পিডিএফ বই
    অনলাইন বুক
    কখনো আসেনি
    বাংলা বই প্রিন্ট

     

    বার্কলের মত অর্থাৎ রঙটি অবশ্যই মনের মধ্যে থাকবে– এই মতটির সম্ভাব্যতা নির্ভর করছে বিষয়টিকে উপলব্ধির ক্রিয়ার সঙ্গে উপলব্ধি করার বস্তুটিকে গুলিয়ে ফেলার ওপর। এদের মধ্যে যে কোনটিকেই ধারণা বলা যেতে পারে, হয়তো বার্কলে এদের যে কোনটিকেই ধারণা বলতেন। কাজটি নিঃসন্দেহে মনের মধ্যে রয়েছে : এই কারণে যখন আমরা কাজটি সম্পর্কে চিন্তা করি, তখন আমরা সহজেই ধরে নিই যে ধারণাগুলি অবশ্যই মনের মধ্যে রয়েছে। এ-কথাটা শুধুমাত্র তখনই সত্য যখন ধারনাগুলোকে জানার কাজ হিসেবে নেয়া হয়, তা ভুলে গিয়ে আমরা ধারণাগুলো মনের মধ্যে আছে এই বচনটিকে ধারনার অন্য অর্থে স্থানান্তরিত করি অর্থাৎ বিষয়গুলোকে জানার থেকে আমাদের জানার কাজে। এভাবে মনের অজান্তেই বাকচাতুরীর মাধ্যমে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে যা আমরা জানতে পারি তা অবশ্যই আমাদের মনের মধ্যে থাকে। বার্কলের যুক্তির এটি মনে হয় সঠিক বিশ্লেষণ এবং আসল দোষ যার উপর এটি দাঁড়িয়ে আছে।

    বিষয়কে জানার ক্ষেত্রে কাজ ও বিষয়ের মধ্যে পার্থক্যের এই প্রশ্নটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, যেহেতু আমাদের জ্ঞান অর্জনের সম্পূর্ণ ক্ষমতাই এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। নিজের বাইরের বিষয়বস্তুর সাথে পরিচিত হওয়ার ক্ষমতাই মনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বিষয়বস্তুর সঙ্গে পরিচিত হওয়াটা মন ও তার থেকে আলাদা কোন কিছুর সম্বন্ধের উপরনির্ভর করে। এটিই বিভিন্ন বিষয়বস্তুকে জানার ব্যাপারে মনের শক্তি তৈরি করে। যদি আমরা বলি যে জানা বিষয়বস্তুগুলো অবশ্যই মনের মধ্যে থাকে, তাহলে হয় আমরা অন্যান্যভাবে মনের জানার শক্তিকে সীমাবদ্ধ করি, নয়তো নিছক পুনরুক্তি করি। যদি আমরা মনে করি মনের মধ্যে আর মনের সামনে একই বিষয়, তাহলে আমরা পুনরুক্তি করি, অর্থাৎ যদি আমরা শুধুমাত্র মনের দ্বার জানাকে বুঝাই। কিন্তু যদি আমরা এটা মনে করি তাহলে আমাদের স্বীকার করতে হবে যে, এই অর্থে যা মনের মধ্যে রয়েছে তা মানসিক না-ও হতে পারে। এবাবে যখন আমরা জ্ঞানের প্রকৃতি অনুধাবন করি, তখন বার্কলের যুক্তি রূপ ও অন্তর্বস্তু উভয়ই ভুল বলে পরিগণিত হয় এবং ধারণাগুলো অর্থাৎ বিষয়কে অনুধাবন করা অবশ্যই মানসিকতার তাঁর এই ভাবনার ভিত্তিগুলোর কোন কার্যকারিতা থাকে না। সুতরাং ভাববাদের সপক্ষে তার যুক্তি বাতিল করা যেতে পারে। অন্য আর কোন ভিত্তি আছে কিনা তা এখন দেখা প্রয়োজন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সংগ্রহশালা
    বাংলা বই প্রকাশনা
    বাংলা বইয়ের ফ্যান ক্লাব
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    লেখকের বই
    বুক শেল্ফ
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা অডিওবুক
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা অনুবাদ পরিষেবা

     

    প্রায়শই বলা হয় এবং যেন এটি একটি স্বতঃসিদ্ধ সত্য এমনভাবেই বলা হয় যে যা আমরা জানি না তার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা কিছু জানতেও পারি না। বলা হয় যা কিছু আমাদের অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক তা অবশ্যই আমাদের দ্বারা জ্ঞাত হবে। এর থেকে এই ধারণা আসে যে বস্তু যদি এমন কিছু হয় যার সম্পর্কে আমরা জানতে পারি না, তাহলে বস্তু হল এমন কিছু যার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমরা জ্ঞাত হতে পারি না এবং আমাদের কাছে এই বিষয়ের কোন গুরুত্বও থাকে না। কিছু দুর্বোধ্য কারণে সাধারণভাবে ধরেই নেয়া হয় যে যা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয় তা সত্য হতে পারে না; অতএব বস্তু, যদি এটি মন বা মানসিক ধারণার দ্বারা গঠিত না হয়, তাহলে তা নিতান্তই অসম্ভব ও নিছক কল্পনা মাত্র।

    আমাদের বর্তমান অবস্থায় এ ধরনের যুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা অসম্ভব, কেননা এটি এমন কতকগুলো দিকের প্রশ্ন তোলে যার প্রাথমিক আলোচনা প্রয়োজন। তবে এই যুক্তিকে নাকচ করার কতকগুলো কারণ এ মুহূর্তেই বিবেচনা করা যেতে পারে। শেষ থেকে শুরু করা যাক; যার ব্যবহারিক কোন গুরুত্ব আমাদের কাছে নেই তা কেন সত্য হতে পারবে না, তার কোন কারণ নেই। এটি সত্যি যে তত্ত্বগত প্রয়োজনীয়তাকে হিসেবের মধ্যে নিলে গ্রহণ করা হয় যা-কিছু সত্য তার কিছু গুরুত্ব আমাদের কাছে থাকবেই, যেহেতুে জগতের সত্যতা সম্পর্কে জ্ঞানলাভে ইচ্ছুক ব্যক্তি হিসেবে বিশ্বপ্রহ্মান্ডের যে কোন বিষয় সম্পর্কেই আমাদের কিছু আগ্রহ থাকে। কিন্তু এই ধরনের আগ্রহকে বিচারের অন্তর্ভূক্ত করা হলে, ব্যাপারটা এমন হবে না যে বস্তুর কোন গুরুত্বই আমাদের কাছে নেই, শর্তসাপেক্ষে যে এটির অস্তিত্ব রয়েছে, এমনকি যদি আমরা এর অস্তিত্বের কথা জানতে সক্ষম না হই তাহলেও। আমরা স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ প্রকাশ করতে পারি যে হয়তো এটির অস্তিত্ব রয়েছে এবং এটি সত্যিই আছে কিনা তা ভেবে অবাক হই। এভাবে এটি আমাদের জ্ঞানলাভের ইচ্ছার সঙ্গে সংযুক্ত এবং হয় এই ইচ্ছা চারিতার্থ করার অথবা তা বিফল করার মতো গুরুত্ব এর আছে।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সংগ্রহশালা
    পিডিএফ
    Library
    অনলাইনে ই-বই
    বাংলা বইয়ের রিভিউ
    বাঁশি
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা শিক্ষা
    অনলাইন বই

     

    অন্যদিকে, এটি কোনভাবেই সত্য নয়, বরং বলতে গেলে মিথ্যাই, যে যা আমরা জানি না তার অস্তিত্ব নেই। জানা এই শব্দটি এখানে দুটি ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে : ১. প্রথম অর্থে এটি সেই ধরনের জ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যা ভ্রান্তির বিপরীত, যে-অর্থে আমরা যা জানি তা সত্য, যে অর্থটি আমাদের বিশ্বাস ও প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অর্থাৎ যাকে বিধান (Judgement) বলা হয়। শব্দটির এই অর্থে আমরা জানি যে কোন কিছু ঘটেছে। এই ধরনের জ্ঞানকে সত্যের জ্ঞান হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে। ২. উপরোক্ত জানা শব্দটির দ্বিতীয় অর্থে, শব্দটি আমাদের বিষয়বস্তুর জ্ঞানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, যাকে আমরা পরিচিতি বলতে পারি। এই অর্থেই আমরা ইন্দ্রিয়-উপাত্তকে জানি।

    এভাবে যে বিবৃতিটিকে সত্য বলে মনে হচ্ছিল তা পুনর্বর্ণিত হলে এ রকম দাঁড়ায়-আমরা কখনই সঠিকভাবে বিচার করতে পারি না যে যা কিছুর সঙ্গে আমরা পরিচিত নই তা অস্তিত্বশীল নয়। এই বক্তব্য কোনভাবেই সত্য নয়, বরং স্পষ্টতই মিথ্যা। চীনের সম্রাটের সঙ্গে পরিচিত হবার সৌভাগ্য আমার হয়নি, কিন্তু আমি সঠিকভাবেই জানি যে তিনি আছেন। অবশ্য বলা যেতে পারে যে আমি এটা জানি কেননা অন্যান্য ব্যক্তি তাকে জানে। তবে এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক উক্তি হবে, কারণ, নীতিটি সত্য হলে, আমি জানতেই পারি না যে অন্য কারোর তাঁর সঙ্গে পরিচিতি আছে। তাছাড়া এর সপক্ষেও কোন কারণ নেই যে যার সঙ্গে কোন ব্যক্তির পরিচিতি নেই তার অস্তিত্ব সম্পর্কে কেন আমি জানতে পারব না। এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি বিস্তৃত ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে।

     

    আরও দেখুন
    পোর্টেবল স্পিকার
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    ট্রেন টু পাকিস্তান
    বইয়ের ধরণ
    বাংলা বইয়ের রিভিউ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি সরঞ্জাম
    নতুন বই
    বুক শেল্ফ
    নতুন উপন্যাস

     

    যদি আমি কোন অস্তিত্বশীল বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত থাকি, তাহলে আমার সেই পরিচিতিই বিষয়টির অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাকে নিশ্চিত করে। কিন্তু বিপরীতে এটা সত্য নয় যে যখনই আমি জানতে পারি কোন একটি বিষয়ের অস্তিত্ব আছে, তখন আমাকে বা অন্য কাউকে বিষয়টি সম্পর্কে অবশ্যই পরিচিত থাকতে হবে। যেসব ক্ষেত্রে পরিচিতি ছাড়াই আমি যথার্থ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি, সেসব ক্ষেত্রে যা ঘটে তা হল-বিষয়টি আমি বর্ণনার মাধ্যমে জানি এবং কোন সাধারণ নীতির ভিত্তিতে এই বর্ণনার সঙ্গে মেলে এমন বিষয়ের অনুমান যে বিষয়ের অস্তিত্ব আমি জেনেছি তার থেকে করা হয়। এই বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে হলে সর্বপ্রথমে পরিচিতির দ্বারা জ্ঞান ও বর্ণনার দ্বারা আমাদের পার্থক্য করা প্রয়োজন, তারপর বিচার করা দরকার সাধারণ নীতির (যদি কিছু থাকে) কোন্ ধরনের জ্ঞানের মধ্যে সেই নিশ্চয়তা থাকে, যেরকম নিশ্চয়তা থাকে আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার অস্তিত্ব সংক্রান্ত জ্ঞানের। পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }