Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আরোহ প্রসঙ্গে

    ৬. আরোহ প্রসঙ্গে

    পূর্ববর্তি প্রায় সমস্ত আলোচনায় অস্তিত্বশীলতার জ্ঞানের পরিষ্কার চিত্র পেতেই ব্যাপৃত ছিলাম আমরা। পৃথিবীতে এমন কোন বস্তু আছে যার অস্তিত্বশীলতা আমরা জ্ঞাত হই তাদের সঙ্গে আমাদের পরিচিতির সূত্র ধরে? এই পর্যন্ত আমাদের উত্তর ছিল যে আমরা আমাদের ইন্দ্রিয়-উপাত্তের সঙ্গে পরিচিত হই এবং সম্ভবত নিজেদের সঙ্গেও পরিচিত হই। আমরা জানি এদের অস্তিত্ব রয়েছে। অতীতের ইন্দ্রিয়-উপাত্ত যা স্মৃতির সাহায্যে জ্ঞাত হয় তা অতীতেই রয়েছে। এই জ্ঞান আমাদের উপাত্ত সরবরাহ করে।

    কিন্তু যদি আমরা এই সমস্ত উপাত্ত থেকে অনুমান করতে সক্ষম হই-যদি আমাদের জড়ের অস্তিত্ব, অন্য লোকেদের অস্তিত্ব, আমাদের স্মৃতি শুরু হওয়ার পূর্ববর্তী অতীতের অস্তিত্ব অথবা ভবিষ্যতের অস্তিত্ব জানতে হয়, তাহলে আমাদের অবশ্যই কিছু সাধারণ সূত্র জানতে হবে যার মাধ্যমে অনুমান করা যায়। এটা আমাদের কাছে অবশ্যই জ্ঞাত হতে হবে যে কোন একটি বিষয়ের অস্তিত্ব, যেমন ক হল খ নামক অন্য একটি বিষয়ের অস্তিত্বের চিহ্ন, হয় ক-র সঙ্গে এই সময়ে খ-এর উপস্থিতি অথবা তার কিছু পূর্বে বা পরের সময়ে– যেমন বজ্রপাত হল পূর্বের বিদ্যুৎ ঝলকানির অস্তিত্বের চিহ্ন। এগুলো আমাদের কাছে জ্ঞাত না হলে আমরা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে কখনই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বাইরে প্রসারিত করতে পারবো না, এবং এই পরিধিটি, যেমন আমরা আগেই দেখেছি, অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। এখন আমাদের যে প্রশ্নটি আলোচনা করতে হবে তাহলে–এই ধরনের প্রসারণ সম্ভব কিনা, এবং যদি সম্ভব হয় তাহলে কিভাবে সেটা করা সম্ভব।

    আসুন এমন একটি উদাহরণ নেয়া যাক, যে ব্যাপারে আমাদের মধ্যে কেউই বিন্দুমাত্রও সন্দেহ অনুভব করবে না। আমরা প্রত্যেকেই নিশ্চিত যে সূর্য আগামীকাল উঠবে। কেন? এই বিশ্বাস অতীত অভিজ্ঞতার অন্ধ ফলশ্রুতি, নাকি একে যৌক্তিক বিশ্বাসের দ্বারা প্রমাণ করা যায়? এক্ষেত্রে কোন পরীক্ষার দ্বারা এই ধরনের বিশ্বাস যৌক্তিক কিনা তা বিচার করা মোটেই সহজ নয়, কিন্তু আমরা অন্তত এইটুকু নির্ধারণ করতে পারি যে আগামীকাল সূর্য উঠবে এবং এই ধরনের অন্যান্য বক্তব্য যার উপর আমাদের কাজ নির্ভর করে সেগুলো যদি সত্যি হয়, তাহলে সেগুলোকে সমর্থনযোগ্য করার জন্য কি ধরনের সাধারণ বিশ্বাস প্রয়োজন।

    এটা স্পষ্ট যে যদি আমাদের প্রশ্ন করা হয় কেন আমরা বিশ্বাস করি সূর্য আগামীকাল উঠবে, তাহলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই উত্তর দেব, কারণ এটি বরাবরই প্রতিদিন উঠেছে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যে এটি ভবিষ্যতেও উঠবে, যেহেতু এটি অতীতেও উঠেছে। যদি আমাদের প্রশ্ন করা হয় কেন আমরা বিশ্বাস করি যে এটি সবসময়ই উঠবে, তাহলে আমরা গতিসূত্রের সাহায্য নিতে পারি। আমরা বলব-পৃথিবী হল একটি স্বাধীন ঘূর্ণায়মান বস্তু এবং বাইরের কিছু বাধা না দিলে এই ধরনের বস্তু তার ঘোরা বন্ধ করে না এবং বাইরে এমন কিছুই নেই পৃথিবীকে আজ ও আগামীকালের মধ্যে বাধা দিতে পারে। এটা অবশ্যই সন্দেহ করা যায় যে আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত কিনা যে বাইরে এই ধরনের বাধা দেয়ার মতো কিছু নেই, কিন্তু এটি কোন গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহ নয়। গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহটি হল–গতিসূত্র তার কাজ আগামীকালও করে চলবে কিনা। এই ধরনের সন্দেহ তোলা হলে আমরা সেই একই অবস্থায় গিয়ে দাঁড়াব, যে অবস্থাটা ছিল সূর্যোদয় প্রসঙ্গে প্রথম সন্দেহ উত্থিত হওয়ার সময়।

    গতিসূত্র যে কাজ করে চলবে তাতে বিশ্বাসের একমাত্র কারণ হল যে এই নিয়ম এতদিন কাজ করছে-অন্তত অতীতে জ্ঞান আমাদের যতদূর বিচারের ক্ষমতা দিয়েছে সেই অনুযায়ী। এটা সত্যি যে আমাদের হাতে সূর্য ওঠার তুলনায় গতিসূত্রের পক্ষে অতীতের সাক্ষ্যপ্রমাণ অনেক বেশি আছে, কেননা সূর্য ওঠা হল গতিসূত্রের একটি বিশেষ ঘটনামাত্র এবং এরকম অসংখ্য বিশেষ ঘটনা রয়েছে। কিন্তু আসল প্রশ্নটি হল-এটি কি সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট যে এই সূত্রের স্বপক্ষে অতীতে এই রকমের বহু ঘটনা রয়েছে বলেই ভবিষ্যতেও তা ঘটবে? যদি তা না হয়, তাহলে এটা স্পষ্ট যে আগামীকালও সূর্য উঠবে অথবা এর পরের বার যে রুটি আমরা খাবো তা বিষমুক্ত হবে না। কিংবা অন্য যে কোন সচেতন প্রত্যাশা যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলো প্রত্যাশা করার কোন ভিত্তি আমাদের থাকে না। দেখা যাবে যে এই সব প্রত্যাশাগুলোই হল সম্ভাব্য। অতএব এই আশাগুলোর অবশ্যই পূর্ণতা লাভের জন্য আমাদের কোন প্রমাণ খোঁজার প্রয়োজন নেই, কিন্তু এর স্বপক্ষে কিছু কারণ দর্শানো প্রয়োজন যে এগুলো হয়তো পূর্ণতা লাভ করবে।

    এই প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করার সময় আমরা অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য দিয়ে শুরু করব, যেটি আলোচনা না করলে খুব শীঘ্রই বিভ্রান্তিতে পড়ব আমরা। অভিজ্ঞতা আমাদের দেখিয়েছে যে বাববার একই বিষয়ের সমরূপ পরম্পরা বা সহাবস্থান আমাদের পরবর্তী ক্ষেত্রে এই একই পরম্পরা বা সহাবস্থানের আশা করতে সাহায্য করে। নির্দিষ্ট আকারবিশিষ্ট খাদ্যের সাধারণত একটি নির্দিষ্ট স্বাদও থাকে এবং এটা আমাদের কাছে এটি অভাবনীয় বেদনা হিসেবে দেখা দেয় যখন আমরা কোন পরিচিত বিষয়ের অপরিচিত স্বাদ পাই। যে বিষয়গুলো আমরা দেখি তা অভ্যাসবশত নির্দিষ্ট স্পর্শ-সংবেদনের সঙ্গে জড়িত হয়ে যায়, যা আমার বিষয়টি স্পর্শ করার সময় আশা করি। ভূতের ভয়ের মধ্যে একটি হল (অনেক ভূতের গল্পে যেমনটা দেখা যায়)-এটি আমাদের কোন স্পর্শ-সংবেদন দিতে পারে না। যেসব অশিক্ষিত ব্যক্তিরা প্রথম বিদেশযাত্রা করে তারা অত্যন্ত অবাক হয় যখন তারা দেখে যে তাদের দেশিয় ভাষা কেউ বুঝতে পারছে না।

    এই ধরনের অনুষঙ্গ শুধুমাত্র মানুষের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, পশুদের ক্ষেত্রেও এটি রীতিমতো প্রবল। যে ঘোড়াটি একটি নির্দিষ্ট পথে চলে অভ্যস্ত, সেই ঘোড়াটিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়া হলে সে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে। গৃহপাতি পশুদেরকে খাদ্য দেয় যে-ব্যক্তিটি তাকে দেখলেই তারা খাদ্য পাওয়ার আশা করে। আমরা জানি এই ধরনের সমরূপতার অপরিণত আশা ভ্রান্তির পথে নিয়ে যায়। যে ব্যক্তিটি মুরগির বাচ্চাকে সারা জীবন ধরে খাইয়ে এসেছে, সে যখন অবশেষে তার গলা কেটে নেয়, তখন বোঝা যায় যে স্বভাবের সমরূপতার ব্যাপারে আরো পরিণত ধারণা মুরগির বাচ্চার ক্ষেত্রে লাভজনক হবে।

    কিন্তু এসব আশার ভ্রান্তিযোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এগুলোর অস্তিত্ব আছেই। কোন কিছু যখন বারবার সংঘটিত হয়েছে, তখন মানুষ ও পশু উভয়েই আশা করে যে এটি আবারও ঘটবে। এভাবে আমাদের প্রবৃত্তি বিশ্বাস জাগায় যে সূর্য আগামীকাল আবার উঠবে, কিন্তু যে মুরগির বাচ্চাটির গলা অপ্রত্যাশিতভাবে কেটে নেয়া হয়েছে, তার থেকে আমরা কোনও অংশেই ভাল অবস্থায় নেই। সুতরাং অতীতের একরূপতা ভবিষ্যতের আশার কারণ হবে, এই বিষয়টির থেকে এই প্রশ্নটিকে আমাদের পৃথক করা প্রয়োজন যে এই বিষয়টির থেকে এই প্রশ্নটিকে আমাদের পৃথক করা প্রয়োজন যে এই ধরনের আশার বৈধতা সম্বন্ধে প্রশ্ন ওঠার পর, এগুলোর আর কোনও যুক্তিপূর্ণ ভিত্তি থাকে কি না।

    আমাদের এই সমস্যা আলোচনা করতে হবে যে যাকে প্রকৃতির একরূপতা বলা হয় তাতে বিশ্বাস করার মত কোন কারণ আছে কিনা। প্রকৃতির একরূপতার উপর বিশ্বাসের অর্থ হল-যা কিছু ঘটেছে বা ঘটবে তা কোন সাধারণ নিয়মের উদাহরণ যার কোন ব্যতিক্রম হয় না। যেসব স্থূল আশা সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি তা সবই ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে এবং এগুলো তাদের আশাহত করে যারা এই ধরনের আশা পোষণ করে। কিন্তু বিজ্ঞান স্বভাবতই ধরে নেয়, অন্তত কার্যকরি প্রকল্প হিসেবে, যে ব্যতিক্রমবিশিষ্ট সাধারণ নিয়মগুলোর পরিবর্তে ব্যতিক্রমহীন সাধারণ নিয়মগুলোকে প্রতিস্থাপিত করা যায়। শূন্যে রাখা অসংরক্ষিত বস্তুগুলো পড়ে যাবে–এটি একটি সাধারণ নিয়ম যার কেন ব্যতিক্রম নেই। কিন্তু গতির নিয়ম ও মাধ্যাকর্ষণের নিয়ম, যা বলে যে বেশিরভাগ বস্তুই পড়ে যাবে, সেগুলো এ-ও বলে যে বেলুন ও উড়োজাহাজ উড়তে পারে। অতএব গতির নিয়ম ও মাধ্যাকর্ষণের নিয়ম এসব ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে না।

    সূর্য আগামীকাল উঠবে, এই বিশ্বাস মিথ্যা প্রমাণিত হতে পারে যদি পৃথিবী হঠাৎ একটি বৃহৎ বস্তুর সংস্পর্শে আসে যা এর গতিকে নষ্ট করতে পারে, কিন্তু গতির নিয়মাবলি ও মাধ্যাকর্ষণ নীতি এই ঘটনার দ্বারা রুদ্ধ হবে না। বিজ্ঞানের কাজ হল একরূপতা খোঁজ, যেমন গতির নিয়মাবলি ও মাধ্যাকর্ষণ নিয়ম, যেগুলোর, অন্তত আমাদের অভিজ্ঞতার সীমায়, কোন ব্যতিক্রম নেই। এই অনুসন্ধানে বিজ্ঞান বিশেষভাবে সফল হয়েছে এবং বলা যায় যে এই ধরনের একরূপতা মানা হয়েছে। এই বিষয়টি আমাদের এই প্রশ্নে ফিরিয়ে আনে। আমাদের কি ধরে নেওয়ার কোন কারণ আছে যে এগুলো অতীতে সর্বদা সফল হয়েছে বলেই ভবিষ্যতেও সফলতা পাবে?

    বলা হয় যে ভবিষ্যৎ অতীতের অনুরূপ হবে বলে মনে করার সঙ্গত কারণ আছে আমাদের, কেননা যা ভবিষ্যৎ ছিল তা সর্বদা অতীতে পরিণত হচ্ছে এবং সর্বদাই তাকে অতীতের অনুরূপ হতে দেখা গেছে, অতএব আমাদের সত্যই ভবিষ্যতের অভিজ্ঞতা আছে, অর্থাৎ সেই সমেয়র যা পূর্বে ভবিষ্যৎ ছিল, যাকে আমরা অতীতের ভবিষ্যৎ বলতে পারি। কিন্তু এই ধরনের যুক্তি আসলে যে প্রশ্নের জন্য করা হয়েছে তারই সাহায্য চাওয়া। আমাদের অতীতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু ভবিষ্যতের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নেই, এবং প্রশ্নটি হল ভবিষ্যতের ভবিষ্যৎ কি অতীতের ভবিষ্যতের সদৃশ হবে? এই প্রশ্নটির উত্তর শুধুমাত্র সেই যুক্তি দিয়ে দেয়া সম্ভব নয় যা অতীতের ভবিষ্যৎ দিয়ে শুরু হচ্ছে। সুতরাং আমাদের এমন কিছু নীতি অন্বেষণ করতে হবে যা আমাদের জানতে সাহায্য করবে যে ভবিষ্যৎ অতীতের মতো একই নিয়ম অনুসরণ করবে।

    এই প্রশ্নে ভবিষ্যতের উল্লেখ প্রয়োজনীয় নয়। এই একই প্রশ্ন ওঠে যখন আমরা অতীতের যে-সব বিষয় সম্বন্ধে আমাদের কোন অভিজ্ঞতা নেই সেগুলোর ক্ষেত্রে নিয়মগুলো প্রয়োগ করি-দৃষ্টান্তস্বরূপ, ভূবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অথবা সৌরজগতের উৎপত্তি সংক্রান্ত তত্ত্বের ক্ষেত্রে। যে প্রশ্নটি আমাদের প্রকৃতই জিজ্ঞাসা করা উচিত তা হল যখন দুটি বিষয়কে প্রায়শই একত্রিত থাকতে দেখা যায় এবং এমন কোন ঘটনার কথা জানা যায় না। যেখানে একটি অপরটিকে ছাড়া ঘটে, তখন কোন নতুন দৃষ্টান্তে দুটির মধ্যে একটির থাকাটাই কি অপরটিকে আশা করার যুক্তিগ্রাহ্য কারণ হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরের উপর আমাদের ভবিষ্যতের সমস্ত আশার সত্যতা নির্ভর করছে, আরোহের সমস্ত ফল নির্ভর করছে, বলতে গেলে আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের যাবতীয় বিশ্বাসই নির্ভর করছে।

    এটা অবশ্যই বলতে হবে যে দুটি বিষয়কে প্রায়শই একত্রে দেখা গেলে এবং কখনই আলাদা দেখা না গেলে প্রমাণিত হয় না যে পরবর্তী ক্ষেত্রেও তাদেরকে একত্রে দেখা যাবে। যা আমরা আশা করতে পারি তা হল, যত বেশি করে বিষয়গুলোকে একত্রে দেখা যাবে, ততই পরবর্তী সময়ে তাদের একত্রিত থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে এবং যদি তাদের প্রায়শই একত্রে দেখা যায়, তাহলে সম্ভাবনাটি প্রায় নিশ্চয়তায় পর্যবসিত হবে। এটি কখনই পুরোপুরি নিশ্চয়তায় পৌঁছতে পারবে না, কেননা আমরা জানি বহুবার পুনরাবৃত্তি হওয়া সত্ত্বেও শেষে অসফলতা আসতে পারে, যেমনটা মুরগির গলা কেটে নেবার ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। সুতরাং সম্ভাবনাই হল শেষ কথা যা আমাদের চাওয়া উচিত।

    আমাদের মতের বিরুদ্ধে বলা যায় যে আমরা জানি সমস্ত প্রাকৃতিক ঘটনাই নিয়মেই অনুশাসনে আবদ্ধ এবং কখনও কখনও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে আমরা দেখি যে কোন একটি নিয়মই সেই বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে। এখন এই মতের দুটি উত্তর দেয়া যেতে পারে। প্রথমটি হল- কোন ব্যতিক্রমহীন নিয়ম আমাদের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও বাস্তবে আমরা কখনই নিশ্চিত হতে পারি

    যে আমরা সেই নিয়মটি আবিষ্কার করতে পেরেছি এবং ব্যতিক্রমবিশিষ্ট নিয়মটি আবিষ্কার করতে পারিনি। দ্বিতীয়টি হল-নিয়মের রাজত্ব হল শুধুই সম্ভাব্য এবং এটি ভবিষ্যতেও প্রযোজ্য হবে বা অতীতে অপরীক্ষিত ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা সংক্রান্ত আমাদের বিশ্বাসটি নিজেই সেই নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যা আমরা পরীক্ষা করছি।

    যে নীতিটি আমরা পরীক্ষা করছি তাকে আরোহের নীতি বলা যেতে পারে এবং এর দুটি অংশকে নিম্নলিখিতভাবে বর্ণনা করা যেতে পারে?

    (ক) যখন কোন একটি বিষয় ক- কে আর একটি বিষয় খ-র সঙ্গে একত্রিত দেখা যায় এবং কখনও খ-এর থেকে আলাদা দেখা যায় না, তখন যত বেশি ক্ষেত্রে ক ও খ- কে একসঙ্গে দেখা যায়, ততই কোন নতুন ক্ষেত্রে তাদের একত্রিত থাকার বেশি সম্ভাবনা থাকবে যেখানে দুটির মধ্যে একটিকে উপস্থিত থাকতে দেখা যাবে।

    (খ) একই অবস্থায় পর্যাপ্ত সংখ্যক একত্রিত থাকার ঘটনা, একত্রিত থাকার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে প্রায় নিশ্চয়তার পর্যায়ে পৌঁছে দেয় এবং এ ব্যাপারে সীমাহীন নিশ্চয়তা দেয়।

    আমরা এখনই বলেছি, এই নীতিটি শুধুমাত্র কোন নতুন দৃষ্টান্তে আমাদের আশার সত্যতা প্রতিপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। কিন্তু আমরা আরও জানতে চাই যে সাধারণ নিয়মটির সপক্ষে সম্ভাব্যতা রয়েছে যে ক-এর মত বিষয় সবসময় খ-এর মত বিষয়ের সঙ্গে একত্রিত থাকে। যদি এরকম একত্রিত থাকার ঘটনা পর্যাপ্ত সংখ্যায় জানা যায় এবং একত্রিত না থাকার কোন ঘটনা জানা না যায়। সাধারণ নিয়মের সম্ভাব্যতা খুব স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ নিয়মের সম্ভাব্যতার থেকে কম, যেহেতু সাধারণ নিয়ম সত্য হলে বিশেষ ক্ষেত্রেও তা অবশ্যই সত্য হবে। আবার সাধারণ নিয়ম সত্য না হলেও বিশেষ ক্ষেত্র (Case) সত্য হতে পারে। অবশ্য সাধারণ নিয়মের সম্ভাব্যতা পুনরাবৃত্তি করে বাড়ানো যেতে পারে। বিশেষ ক্ষেত্রের সম্ভাব্যতার মতই। সুতরাং আমরা আবার আমাদের নিয়মের দুটো অংশের পুনরাবৃত্তি করছি যা সাধারণ নিয়মের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

    (ক) যত বেশি সংখ্যক ক্ষেত্র জানা যায় যেখানে ক-এর বিষয় খ-এর মত বিষয়ের সঙ্গে একত্রিত থাকে, ততই বেশি সম্ভাবনা বাড়ে যে ক সর্বদা খ-এর সঙ্গে একত্রিত থাকে (যদি একত্রিত থাকার কোন ক্ষেত্রের কথা জানা না যায়)।

    (খ) একই অবস্থায় ক ও খ-এর পর্যাপ্ত সংখ্যক একত্রিত থাকার ক্ষেত্র এই বিষয়টিকে প্রায় নিশ্চিত করে যে ক সর্বদা খ-এর সঙ্গে একত্রিত থাকে এবং এই বিষয়টি সাধারণ নিয়মের নিশ্চয়তাকে প্রায় সীমাহীন পর্যায়ে নিয়ে যায়।

    মনে রাখা দরকার যে সম্ভাব্যতা সবসময় বিশেষ উপাত্তের উপর নির্ভরশীল। আমাদের ক্ষেত্রে উপাত্তগুলো হল ক ও খ-এর সহাবস্থানের নিছক জ্ঞাত ক্ষেত্রগুলো। অন্য উপাত্তও থাকতে পারে, যা বিবেচনা করা যেতে পারে এবং যা সম্ভাব্যতাকে ভীষণভাবে বদলে দিতে পারে। দৃষ্টান্তস্বরূপ, আমাদের নীতি অনুযায়ী, এক ব্যক্তি যে বহু সংখ্যক সাদা হাঁস দেখেছে সে তর্ক করতে পারে যে এই উপাত্তের ভিত্তিতে এটি সম্ভাব্য যে সমস্ত হাঁসই হল সাদা এবং এটি একটি সম্পূর্ণ সঠিক যুক্তি হতে পারে। এই যুক্তিটি এই ঘটনার দ্বারা অপ্রমাণিত হয় না যে কিছু হাঁস হল কালো, কেননা কোন বিষয় অনায়াসেই ঘটতে পারে এই ঘটনা সত্ত্বেও যে কিছু উপাত্ত একে অসম্ভাবনাময় করে তুলেছে। হাঁসগুলোর ক্ষেত্রে, এক ব্যক্তি জানতে পারে যে রঙ হল এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা কিছু প্রাণীর ক্ষেত্রে বদলে যেতে পারে এবং সেই কারণে রঙ সম্পর্কে কোন আরোহ অনুমানে উপনীত হওয়া ভ্রমে দুষ্ট হতে বাধ্য। কিন্তু এই জ্ঞানটি হবে একটি নতুন উপাত্ত যা কোনভাবেই প্রমাণ করে না যে আমাদের পূর্ববর্তি উপাত্তে সম্ভাবনাকে ভুলভাবে বিচার করা হয়েছিল। সুতরাং বিষয়গুলো প্রায়শই আমাদের আশা পূরণ করতে অসমর্থ হয়–এই ঘটনা কখনই এই বিষয়ের সাক্ষ্য বহন করে না যে আমাদের আশা সম্ভবত কখনই কোন একটি বিশেষ ক্ষেত্রে বা বিশেষ শ্রেণির ক্ষেত্রে সফল হবে না। এভাবে অভিজ্ঞতার সাহায্য চেয়েও আমাদের আরোহ নীতিকে কোনভাবেই অ-প্রমাণিত করা সম্ভব হয় না।

    একইভাবে এই আরোহের নীতিকে অভিজ্ঞতার সাহায্যে প্রমাণ করাও সম্ভব নয়। যে সমস্ত ক্ষেত্রগুলোকে আগেই পরীক্ষা করা হয়েছে, অভিজ্ঞতা সেসব ক্ষেত্রের আরোহনীতিকে বড়জোর মেনে নিতে পারে। কিন্তু অপরীক্ষিত ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আরোহনীতিই কোন অনুমানকে সমর্থন করতে পারে পরীক্ষিত ও অপরীক্ষিত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে। সমস্ত যুক্তি, যেগুলো অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিচার করে, সেগুলো অতীত ও বর্তমানের যেসব ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা হয়নি সেগুলোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আরোহনীতিকে ধরে নেয়। এভাবে আমরা কখনই প্রশ্নটির সাহায্য না চেয়ে (Begging the question) অভিজ্ঞতার আরোহনীতি প্রমাণ করার জন্য ব্যবহার করতে পারি না। অতএব আমরা অবশ্যই হয় আরোহনীতিকে গ্রহণ করব এর অন্তর্নিহিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে, নয়তো আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সমস্ত আশা আত্মপক্ষ সমর্থনকে পরিত্যাগ করব। যদি নীতিটি বেঠিক হয় তাহলে আমাদের আশা করার কোন কারণ নেই সূর্য আগামীকাল ওঠার, পাথরের থেকে রুটিকে বেশি পুষ্টিকর মনে করার বা এই আশা করার যে ছাদ থেকে নিজেদের ফেলে দিলে আমরা পড়ে যাবো। যখন আমরা দেখি যে যাকে আমরা সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু মনে করি সে আমাদের কাছে আসছে, তখন আমাদের মনে করার কোন কারণ নেই যে তার দেহে আমাদের সবচেয়ে খারাপ শত্রুর বা কোন সম্পূর্ণ অচেনা ব্যক্তির মন বাস করছে না। আমাদের যাবতীয় ব্যবহার অতীতের অনুষঙ্গের উপর নির্ভর করে, যেগুলো ভবিষ্যতেও একই ধরনের কাজ করবে বলে আমরা মনে করি এবং এই সম্ভাবনা তার সত্যতার জন্য আরোহনীতির উপর নির্ভর করে।

    বিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মগুলো, যেমন নিয়মের শৃঙ্খলায় বিশ্বাস এবং এই বিশ্বাস যে সমস্ত ঘটনার অবশ্যই কোন কারণ আছে, তা সম্পূর্ণভাবে আরোহনীতির উপর নির্ভরশীল। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের বিশ্বাসের মত, এসব সাধারণ নিয়মগুলোকে বিশ্বাস করা হয় কেননা মানবজাতি এগুলোর সত্যতা সম্পর্কে অগণিত দৃষ্টান্ত পেয়েছে এবং এদের অসত্যতা সম্পর্কে কোন দৃষ্টান্ত পায়নি। কিন্তু এটি এদের ভবিষ্যতের সভ্যতা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য বহন করে না–যতক্ষণ না আরোহনীতিকে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

    এভাবে সব জ্ঞানই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমাদের এমন কিছু বলে, যার কোন অভিজ্ঞতা আমাদের নেই এবং তা এই বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত যাকে অভিজ্ঞতা অনুমোদন বা অসমর্থন কিছুই করতে পারে না। কিন্তু এই বিশ্বাস অন্তত বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ঘটনাবলির মতই আমাদের মধ্যে দৃঢ়ভাবে রয়েছে। এই ধরনের বিশ্বাসগুলির অস্তিত্ব ও সমর্থনযোগ্যতা আরোহনীতির ক্ষেত্রে আমরা দেখব যে এটিই একমাত্র দৃষ্টান্ত নয়-দর্শনশাস্ত্রের অত্যন্ত দুরূহ ও বির্তকিত কিছু প্রশ্ন তুলে ধরে। পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা সংক্ষেপে আলোচনা করব এই ধরনের জ্ঞানের ক্ষেত্রে কি বলা যায় এবং এর পরিধি ও নিশ্চয়তার মাত্রা কি হতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }