Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. সাধারণ সূত্র সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান প্রসঙ্গে

    ৭. সাধারণ সূত্র সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান প্রসঙ্গে

    আমরা পূর্ববর্তি অধ্যায়ে দেখেছি যে যদিও অভিজ্ঞতার উপর প্রতিষ্ঠিত যুক্তিসমূহের সত্যতা আরোহের সূত্রগুলোর উপর নির্ভরশীল, কিন্তু এই সূত্রগুলো স্বয়ং অভিজ্ঞতার দ্বারা প্রমাণিত নয়, তথাপি সবাই এগুলো নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করে অন্তত বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে। এসব বৈশিষ্ট্যমূলক ক্ষেত্রে আরোহের সূত্রগুলো একা নয়। এ রকম আরও অনেক সূত্র আছে যেগুলোকে অভিজ্ঞতা দ্বারা প্রমাণিত বা অপ্রমাণিত করা যায় না, কিন্তু এগুলো অভিজ্ঞতালব্দ ক্ষেত্র থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন যুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।

    এরকম কোন কোন সূত্রের আরোহের সূত্রের থেকে বেশি সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে এবং তাদের জ্ঞানের একই ধরনের নিশ্চয়তা থাকে যে রকম ইন্দ্রিয়-উপাত্তের অস্তিত্বের জ্ঞানের ক্ষেত্রে থাকে। এগুলো অনুমান গঠন করার মাধ্যমে যা সংবেদনে দেয়া রয়েছে, এবং যদি আমরা যা অনুমান করি তা সত্য হয় তাহলে এটা অবশ্যই প্রয়োজনীয় যে আমাদের অনুমানের সূত্রগুলো সত্য হবে, যে রকম আমাদের উপাত্তগুলোকেও সত্য হতে হবে। অনুমানের সূত্রগুলোর দিকে নজর না দিলেও চলে যেহেতু এগুলো স্বভাবতই স্পষ্ট-এখানে যে অনুমান থাকে তা গৃহিত হয় আমরা এটা বুঝে ওঠার আগেই যে এটি একটি অনুমান। কিন্তু সঠিত জ্ঞানতত্ত্ব আহরণ করতে হলে অনুমানের সূত্রগুলোর ব্যবহার অনুভব করা খুবই প্রয়োজনীয়, কেননা এগুলো সংক্রান্ত জ্ঞান আমাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমস্যাবহুল প্রশ্নের সম্মুখীন করায়।

    আমাদের সব সাধারণ সূত্রের জ্ঞানে যা আসলে ঘটে তা হল-আমরা প্রথমে কোন সূত্রের বিশেষ প্রয়োগ অনুভব করি এবং তারপর আমরা বুঝি এর বিশেষত্ব অপ্রয়োজনীয় এবং এখানে এক ধরনের সামান্যত্ব রয়েছে যা গ্রহণ করা যায়। এটি অঙ্ক শেখার মত ক্ষেত্রগুলোতে পরিষ্কার বুঝা যায়: দুটি এবং দুই মিলে চার এটি প্রথমে শেখা হয় কোন বিশেষ জোড়ার ক্ষেত্রে, তারপর অন্য কোন বিশেষ ক্ষেত্রে এবং এভাবে চলতে থাকে যতক্ষণ না বুঝা যায় যে এটি যে কোন জোড়ার ক্ষেত্রেই সত্য। এই একই জিনিস যৌক্তিক সূত্রের ক্ষেত্রেও ঘটে। মনে করা যাক দুজন ব্যক্তি আলোচনা করছে আজকে মাসের কোনদিন। তাদের মধ্যে একজন বলল, অন্তত এটা তো তুমি মানবে যে যদি কাল পনেরো তারিখ হয়ে থাকে তাহলে আজ অবশ্যই ষোলো। হ্যাঁ, অন্যজন বলল, আমি তা স্বীকার করছি। এবং তুমি জানো, প্রথমজন বলল, গতকাল পনেরো ছিল কেননা তুমি জোনসের সঙ্গে ডিনার খেয়েছে এবং তোমার ডায়েরি তোমায় বলবে এইদিন পনেরো ছিল। হ্যাঁ, দ্বিতীয়জন বল, সুতরাং আজ হল ষোলো।

     

     

    এখন এই ধরনের যুক্তি অনুসরণ করা খুব একটা কঠিন নয়, এবং যদি স্বীকার করা হয় যে এর যুক্তিবাক্যগুলো আসলে সত্য তাহলে কেউই অস্বীকার করবে না যে সিদ্ধান্তটি অবশ্যই সত্য। যৌক্তিক সূত্রটি হবে এরকম : মনে করা যাক যে যদি এটা সত্যি হয় তাহলে ওটাও সত্যি হবে। মনে করা হল যে এটা সত্য, তাহলে বেরিয়ে আসছে যে ওটাও সত্য। যখন ব্যাপারটি এরকম যে যদি এটা সত্য হয় তাহলে ওটাও সত্য, আমরা বলব যে এটা ওটা এটার থেকে বেরিয়ে আসছে। এভাবে আমাদের সূত্র বলছে যে যদি এটি ওটিকে বোঝায় এবং যদি এটি সত্য হয়, তাহলে ওটিও সত্য হবে। অন্য কথায়, কোন সত্য বচন যা বোঝায় তা সত্য অথবা কোন সত্য বচন থেকে যা বেরিয়ে আসে তা সত্য।

    এই সূত্রটি, অন্তত এর মূর্ত উদাহরণ, সমস্ত রকম প্রয়োগের ক্ষেত্রে সত্যিই জড়িয়ে থাকে। যখনই কোন একটি বিষয়, যা আমরা বিশ্বাস করি, তা অপর কিছুকে প্রমাণিত করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ফলস্বরূপ যেটিকেও আমরা বিশ্বাস করি, তখনই এই সূত্রটি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। যদি কেউ প্রশ্ন কর, কেন আমি সত্য যুক্তির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা যুক্তিকে মেনে নেব? সেক্ষেত্রে আমরা শুধুমাত্র আমাদের সূত্রের উপর নির্ভর করেই তার উত্তর দিতে পারি। প্রকৃতপক্ষে এই সূত্রের সভ্যতায় সন্দেহ করা অসম্ভব এবং এর গ্রহণযোগ্যতা এতই বেশি যে প্রথম দর্শনে একে তুচ্ছ মনে হতে পারে। কিন্তু এই সূত্রগুলো দার্শনিকের কাছে। তুচ্ছ নয়, কেননা এগুলো দেখায় যে আমরা এমন অভ্রান্ত জ্ঞান অর্জন করতে পারি। যা। সংবেদনের বিষয় থেকে কোনভাবেই গৃহিত হয়।

     

     

    উপরের সূত্রটি অনেকগুলো স্বয়ংসিদ্ধ যৌক্তিক যুক্তির অন্যতম একটি। এগুলোর মধ্যে কিছু সূত্রকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে কোন যুক্তি বা প্রমাণ প্রদর্শনের পূর্বে। যখন কয়েকটি স্বীকৃত হয়, তখন অন্যগুলোকেও প্রমাণ করা যায়, যদিও এই সূত্রগুলো যতক্ষণ সরল থাকে ততক্ষণ স্বীকৃত সূত্রগুলোর মতই স্পষ্ট থাকে। প্রথাগত কোন বিশেষ কারণ ছাড়াই, এদের মধ্যে তিনটি সূত্রকে আলাদা থাকে। প্রথাগত কোন বিশেষ কারণ ছাড়াই, এদের মধ্যে তিনটি সূত্রকে আলাদা করা হয়েছে চিন্তার সূত্রাবলি নামে।

    এগুলো হল নিম্নরূপ :

    ১. সমানতার নিয়ম। যা আছে, তা আছে।

    ২. বিরোধবাধক নিয়ম। কোন জিনিস একইসঙ্গে আছে এবং নেই হতে পারে না।

    ৩. নির্মধাম নিয়ম : সবকিছুই হয় আছে অথবা নেই।

     

     

    এই তিনটি নিয়ম হল স্বয়ংসিদ্ধ তর্কসূত্রের উদাহরণ। কিন্তু এগুলো একই ধরনের অন্যান্য সূত্রের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা স্বয়ংসিদ্ধ নয়। যেমন, আমরা এখনই যার সম্বন্ধে আলোচনা করলাম, যেখানে বলা হয়েছে সত্য যুক্তিবাক্য থেকে যা বেরিয়ে আসে তা সত্য। চিন্তার সূত্রাবলি এই নামটিও বিভ্রান্তিকর, কেননা যা গুরুত্বপূর্ণ তা এই নয় যে আমরা এই সূত্রগুলো চিন্তা করি, বরং তা হল এই যে বিষয়গুলো সূত্র অনুসারে কাজ করে। অন্যভাবে বললে যখন আমরা এই যে বিষয়গুলো সূত্র অনুসারে কাজ করে। অন্যভাবে বললে যখন আমরা এই সূত্র অনুসারে চিন্তা করি, তখন আমরা সঠিক চিন্তা করি। কিন্তু এটি একটি বড় প্রশ্ন, যে বিষয়ে আমরা পরবর্তি সময়ে আলোচনা করব।

    যে যৌক্তিক সূত্রগুলো আমাদের একটি যুক্তিবাক্য থেকে প্রমাণ করতে সাহায্য করে যে কোনকিছু অবশ্যই সত্য, সেগুলো ছাড়াও আরও যৌক্তিক সূত্র আছে যা আমাদের একটি যুক্তিবাক্য থেকে প্রমাণ করতে সাহায্য করে যে কোন কিছু সত্য তা বেশি বা কম সম্ভাব্য। এই রকম সূত্রের উদাহরণ হল–সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ-আরোহের সূত্রগুলো যা আমরা পূর্ববর্তী অধ্যায়ে আলোচনা করেছি।

    দর্শনের জগতে একটি ঐতিহাসিক বিবাদ হল দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাদ যারা অভিজ্ঞতাবাদী ও বুদ্ধিবাদী নামে পরিচিত। অভিজ্ঞতাবাদী সম্প্রদায়– যারা ব্রিটিশ দার্শনিক লক, বার্কলে এবং হিউমের দ্বারা সবচেয়ে ভালভাবে উপস্থাপিত-বলেন যে আমাদের সমস্ত জ্ঞান অভিজ্ঞতা থেকে আসে। বুদ্ধিবাদী সম্প্রদায়-যারা সপ্তদশ শতাব্দীর ইউরোপীয় দার্শনিকদের দ্বারা, বিশেষত ডেকার্ট ও লাইবনিজ দ্বারা উপস্থাপিত–বলেন যে অভিজ্ঞতার দ্বারা যে জ্ঞান আমরা লাভ করি তা ছাড়াও কিছু সহজাত ধারণা ও সহজাত নীতি আছে যা আমরা অভিজ্ঞতা ছাড়াই লাভ করি। এই দুটি পরস্পরবিরোধী সম্প্রদায়ের মতামতের সত্যতা বা অসত্যতা সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত করা এখন সম্ভব। পূর্বে যে কারণগুলো বলা হয়েছিল সেই ভিত্তিতে এটা অবশ্যই স্বীকার করা যায় যে যৌক্তিক নীতিগুলোকে আমরা জানি, এবং অভিজ্ঞতার সাহায্যে এদের প্রমাণ করা যায় না, কেননা সমস্ত প্রমাণই এদেরকে আগে থেকেই ধরে নেয়। সুতরাং এই বিবাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বুদ্ধিবাদীরা ঠিক বলছেন।

     

     

    অন্যদিকে, আমাদের জ্ঞানের এমনকি সেই অংশ যা যৌক্তিকভাবে অভিজ্ঞতাপূর্ব (অভিজ্ঞতা একে প্রমাণ করতে পারে না) তাও অভিজ্ঞতার দ্বারাই উদ্দীপিত ও সংগঠিত হয়। কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার জন্য আমরা এই সাধারণ সূত্রগুলো সম্পর্কে অবহিত হচ্ছি যা তাদের যোগাযোগকে প্রমাণ করছে। এটা মনে করা অবশ্য অবাস্তব যে সহজাত নীতি এই অর্থে আছে যে শিশুরা বয়স্কদের মতন সমস্ত জ্ঞান নিয়ে গ্রহণ করে এবং সেই জ্ঞান অভিজ্ঞতার থেকে নিঃসৃত হয় না। এই কারণে সহজাত কথাটিকে এখন আমাদের যৌক্তিক নীতি বর্ণনা করার জন্য ব্যবহার করা হবে না। পূর্বতর্সিদ্ধ শব্দটি কম আপত্তিজনক এবং আধুনিক লেখকরা এটি বেশি ব্যবহার করেন। সুতরাং সমস্ত জ্ঞান অভিজ্ঞতার দ্বারা উদ্দীপিত ও সংগঠিত হয় একথা স্বীকার করেও, আমরা বলব যে কিছু জ্ঞান হল পূর্বতসিদ্ধ, এই অর্থে যে, যে অভিজ্ঞতা আমাদের এটি ভাবতে সাহায্য করে তা এটিকে প্রমাণ করার পক্ষে যথেষ্ট নয়, বরং আমাদের মনোযোগকে সেই দিকে ধাবিত করে যেখানে আমরা সত্যতাকে জানি অভিজ্ঞতার দ্বারা সংগৃহীত কোন প্রমাণ ছাড়াই।

    আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যেখানে অভিজ্ঞতাবাদীরা বুদ্ধিবাদীদের থেকে সঠিক। অভিজ্ঞতার সাহায্য ছাড়া কোন কিছুর অস্তিত্ব আছে বলে জানা যায় না। অর্থাৎ যদি আমরা প্রমাণ করতে চাই যে কিছু জিনিস আছে যার সম্বন্ধে আমাদের সাক্ষাৎ অভিজ্ঞতা হয় না, তাহলে আমাদের যুক্তিবাক্যের মধ্যে এক বা একাধিক বিষয়ের অস্তিত্বকে স্বীকার করতে হবে যার সম্বন্ধে আমাদের সাক্ষাৎ অভিজ্ঞতা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চীনের সম্রাটের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের যে বিশ্বাস তা সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে এবং সাক্ষ্য হল ইন্দ্রিয়-উপাত্তের দেখা বা শোনা, পড়া বা বলার মাধ্যম। বুদ্ধিবাদীরা বিশ্বাস করেন সাধারণ আলোচনা থেকে বিষয়টি কি হতে পারে, এটা বা ওটার অস্তিত্ব পৃথিবীতে আছে কিনা তা তারা নিঃসৃত করতে পারেন। মনে হয় তাঁদের এই বিশ্বাস ভ্রান্ত। সমস্ত জ্ঞান যা আমরা অস্তিত্ব সম্পর্কে পূর্বতসিদ্ধভাবে জানি তা হল প্রকল্পমূলক : এটি আমাদের বলে যদি একটি বিষয়ের অস্তিত্ব থাকে তাহলে আরও একটি অবশ্যই থাকবে, বা আরও সাধারণভাবে, যদি একটি বচন সত্য হয়, তাহলে আরেকটিও সত্য হবে। এটি সেই নীতির দ্বারা সমর্থিত যা আমরা আগেই আলোচনা করেছি, যেমন যদি এটি সত্য হয় এবং এটি বলে যে ওটিও সত্য, বা যদি এটি এবং ওটি বারবার একত্রে সংগঠিত হতে দেখা যায়, তাহলে তারা পরবর্তি ক্ষেত্রেও সম্ভবত সংযোজিত থাকবে যদি তাদের মধ্যে একজনকে সেখানে পাওয়া যায়। এভাবে পূর্বতসিদ্ধ নীতিগুলোর ক্ষেত্র ও শক্তি অত্যন্ত সীমিত। কোন কিছুর অস্তিত্ব সংক্রান্ত সমস্ত জ্ঞান অবশ্যই কিছু অংশে অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল। যখন কোন কিছু তাৎক্ষণিতভাবে জানা যায়, তার অস্তিত্ব অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল; যখন কোন কিছুর অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়, তাৎক্ষণিকভাবে না জেনেই, তখন তার প্রমাণের জন্য অভিজ্ঞতা এবং পূর্বতসিদ্ধ নীতির অবশ্যই প্রয়োজন হয়। জ্ঞানকে ব্যবহারিক বলা হয় যখন এটি সম্পূর্ণ বা অংশত অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। এভাবে সমস্ত জ্ঞান যা অস্তিত্বকে স্বীকার করে তাহলে ব্যবহারিক এবং একমাত্র বিষয় সম্পর্কে পূর্বতসিদ্ধ জ্ঞান হল প্রকল্পমূলক, যা বিষয়ের মধ্যে সম্বন্ধকে স্থাপন করে থাকতেও পারে বা না-ও পারে, কিন্তু বাস্তব অস্তিত্ব দেয় না।

     

     

    এতক্ষণ আমরা যা আলোচনা করছিলাম সেসব পূর্বতসিদ্ধ জ্ঞান সবই যৌক্তিক নয়। সম্ভবত সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অযৌক্তিক পূর্বতসিদ্ধ জ্ঞানের উদাহরণ হল নৈতিক গুণের জ্ঞান। আমি কোন বিষয় প্রয়োজনীয় বা কোনটি সৎ এরকম বচনের কথা বলছি না, কেননা এরকম বচনগুলো অভিজ্ঞতভিত্তিক বাক্যের উপর নির্ভরশীল। আমি সেই বচনের কথা বলছি যে বিষয়ের অন্তর্নিহিত কাম্যতা রয়েছে। যদি কোন কিছু প্রয়োজনীয় হয় তাহলে তা অবশ্যই প্রয়োজনীয় যেহেতু এটি কোন লক্ষ্যে পৌঁছায়। এই লক্ষ্য অবশ্যই-যদি আমরা ততদূর যাই নিজের গুণের জন্যই গুণবান হবে এবং শুধুমাত্র কোন লক্ষ্যের জন্যই প্রয়োজনীয় হবে না। এভাবে সমস্ত বচনের প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে সেসব বচনের উপর যার নিজস্ব গুণ আছে।

    উদাহরণস্বরূপ, আমরা মনে করি যে দুঃখের থেকে সুখ অনেক বেশি কাম্য, অজ্ঞানতার থেকে জ্ঞান, ঘৃণার থেকে সদিচ্ছা ইত্যাদি। এই ধরনের বিচার অন্তত কিছু অংশে অবশ্যই তাৎক্ষণিক ও পূর্বতসিদ্ধ হবে। আমাদের পূর্ববর্তি পূর্বতসিদ্ধ বচনের মতন, এরাও অভিজ্ঞতার দ্বারা উদ্দীপিত হবে এবং অবশ্যই হতে হবে, কেননা কোন কিছুর অন্তর্নিহিত গুণ বিচার করা সম্ভব নয় যতক্ষণ না আমাদের ওই একই ধরনের কোন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। কিন্তু এটা পরিস্কার যে অভিজ্ঞতা দিয়ে এদের প্রমাণ করা যায় না, কেননা কোন বস্তুর অস্তিত্ব অনস্তিত্ব প্রমাণ করে না যে এটি ভাল বলে এর থাকা উচিত অথবা এটি খারাপ। এই বিষয়টির অনুধাবন নীতিবিদ্যার আওতায় পড়ে, যেখানে কোন কিছুর থেকে কোন কিছুর থাকা উচিত এরকম অসম্ভব নিঃসৃতকরণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমান প্রসঙ্গে এটি বুঝা প্রয়োজনীয় যে অন্তর্নিহিত মূল্যের যে জ্ঞান তা সেই অর্থের পূর্বতসিদ্ধ যে অর্থে যুক্তিবিজ্ঞান পূর্বতসিদ্ধ, অর্থাৎ এধরনের জ্ঞানের সত্যতা অভিজ্ঞতার দ্বারা প্রমাণিত বা অপ্রমাণিত হতে পারে না।

     

     

    সমস্ত শুদ্ধ গণিত হল যুক্তি বিজ্ঞানের মতই পূর্বতসিদ্ধ। অভিজ্ঞতাবাদীরা এটি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন। তারা বলেন অভিজ্ঞতা ঠিক সেইভাবেই গণিতের জ্ঞানের উৎস যেভাবে তা ভূগোলের জ্ঞানের উৎস। তারা বলেন যে বারবার দুটি বিষয় এবং দুটি অন্য বিষয়ের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝা যায় যে উভয়ে মিল চার হয় এবং এ থেকে আমরা এই সিদ্ধান্তে আসি যে দুটি বিষয় এবং দুটি অন্য বিষয় সর্বদাই একত্রে চারটি বিষয় তৈরি করে। যদি এটাই আমাদের জ্ঞানের উৎস হয় যে দুই আর দুইয়ে চার হয়, তাহলে আমরা এর সত্যতা অনুসরণ করার জন্য যেভাবে আমরা প্রকৃতপক্ষে অগ্রসর হই তার থেকে অন্যভাবে অগ্রসর হব। আসলে কিছু সংখ্যক উদাহরণ আমাদের এই দুইকে বিমূর্তভাবে ভাবতে সাহায্য করে, দুটি মুদ্রা বা দুটি বই বা দুটি লোক বা অন্য কিছু নির্দিষ্ট দুই-এর ধারণা ছাড়া। কিন্তু যে মুহূর্তে আমরা আমাদের চিন্তাকে অপ্রয়োজনীয় বিশেষত্বের হাত থেকে মুক্তি দিতে সক্ষম হই, তখনই আমরা দুই আর দুই মিলে চার এই সাধারণ ধারণা উপলব্ধি করতে পারি; যে কোন একটি ক্ষেত্রে প্রতিরূপ বিশেষ হয়ে দাঁড়ায় এবং পরীক্ষার পর অন্যান্য ক্ষেত্রগুলো অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে।

    এই একই ব্যাপার জ্যামিতির ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা সম্ভব। যদি আমরা সমস্ত ত্রিভুজের কিছু গুণ প্রমাণ করতে চাই, তাহলে আমরা কোন একটি ত্রিভুজ একে তার সম্বন্ধে চিন্তা করি। কিন্তু যেসব গুণের ব্যাপারে এই ত্রিভুজটি অন্য সব ত্রিভুজের অংশীদার নয় সেগুলোকে আমরা এড়িয়ে যেতে পারি এবং এভাবে, এই বিশেষ ক্ষেত্রে, সাধারণ ফল লাভ করতে পারি। আসলে আমরা দুই আর দুই মিলে যে চার হয় তা আরও নতুন উদাহরণ সাহায্যে বাড়িয়ে নিশ্চিত হতে পারি না, কেননা যখনই আমরা এই বচনের সত্যতা সম্পর্কে অবহিত হই, তখনই আমাদের নিশ্চয়তা এত বেড়ে যায় যে আর বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়া আমরা দুই আর দুই মিলে চার এই বচনের অনিবার্যতাও অনুভব করি, যা সব থেকে বেশি নিশ্চিত অভিজ্ঞতাবিত্তিক সামান্যকরণের মধ্যেও অনুপস্থিত।

     

     

    এই ধরনের সামান্যকরণ সবসময় শুধু ঘটনাই থেকে যায়ঃ আমরা অনুভব করি এরকম কোন জগৎ হয়তো আছে যেখানে এর মিথ্যা, যদিও বাস্তব জগতে এরা সত্য বলেই পরিচিত। অন্যদিকে যে কোন সম্ভাব্য জগতে, আমরা মনে করি দুই আর দুই মিলে চার হবে এটা কোন একমাত্র ঘটনা নয়, বরং তা একটি অনিবার্য যাকে সমস্ত বাস্তব ও সম্ভাব্য অবশ্যই অনুমোদন করে।

    এই ঘটনাটি আরও পরিষ্কার হবে একটি প্রকৃত ব্যবহারিক সামান্যীকরণের উদাহরণ আলোচনা করলে, যেমন সব মানুষ হল মরণশীল। প্রথমত, এটি স্পষ্ট যে আমরা এই বচনটি বিশ্বাস করি কেননা এ রকম কোন জানা ক্ষেত্র নেই যেখানে মানুষ একটি বিশেষ বয়সের পরও বেঁচে আছে, এবং দ্বিতীয়ত মানুষের দেহের মতো যে কোন জৈবিক জীবদেহ অবশ্যই আগে বা পরে নষ্ট হয়ে যাবে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রটিকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে এবং শুধুমাত্র মানুষের মরণশীলতা সম্পর্কে। আমাদের অভিজ্ঞতা আলোচনা করলে, এটা পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে আমরা শুধুমাত্র একটি মানুষের মরণের ক্ষেত্র নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারি না। অপরপক্ষে, দুই আর দুই চার এই ক্ষেত্রে একটি উদাহরণই আমাদের সন্তুষ্ট করতে পারে, যখন সাবধানতার সঙ্গে আলোচিত হয় যে এই একই ঘটনা অন্য ক্ষেত্রেও ঘটবে। এছাড়াও চিন্তা করে আমরা করতে বাধ্য হই যে যত সামান্যই হোক না কেন, সব মানুষ যে মরণশীল সে ব্যাপারে কিছু সংশয় আছেই। এই ব্যাপারটি দুটি ভিন্ন জগৎ কল্পনা করে বুঝা যেতে পারে, যেখানে একটিতে মানুষের মরণশীল নয় এবং আরেকটিতে দুই আর দুই মিলে পাঁচ হয়। যখন সুইফট আমাদের আমন্ত্রণ জানান স্ট্রাড্রাগের প্রজাতি সম্পর্কে ভাবতে যারা কখনও মরে না, তখন আমরা সেটি কল্পনা করতে পারি। কিন্তু যে জগতে দুই আর দুই পাঁচ তা সম্পূর্ণ অন্য ক্ষেত্রে নিয়ে যায়। আমরা মনে করি এ রকম কোন জগৎ যদি থাকে, তাহলে তা আমাদের জ্ঞানের সমস্ত দিককেই বিভ্রান্ত করে দেয় এবং আমাদেরকে চরম সন্দেহে পৌঁছে দেয়।

     

     

    আসলে সরল গাণিতিক বিধানের ক্ষেত্রে যেমন দুই আর দুই চার এবং বহু যৌক্তিক বিধানের ক্ষেত্রে আমরা কোন উদাহরণের থেকে অনুমান না করেও সাধারণ বচন থেকে জানতে পারি, যদিও কিছু উদাহরণ সাধারণত প্রয়োজনীয় হয় আমাদের এটা বুঝাতে যে সামান্য বচন কি অর্থ বহন করে। অবরোহের প্রকৃত প্রয়োজনীতা এখানেই, যা সামান্য থেকে সামান্যে বা সামান্য থেকে বিশেষে যায়, একইভাবে আরোহের ক্ষেত্রেও যা বিশেষ থেকে বিশেষে বা বিশেষ থেকে সামান্যে উপনীত হয়। এটি দার্শনিকদের মধ্যেকার একটি পুরনো বিতর্ক যে অবরোহ কখনও নতুন জ্ঞান দিতে পারে কিনা। এখনও আমরা দেখতে পাব কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই এটি নতুন জ্ঞান দেয়। যদি আমরা আগে থেকেই জানি যে দুই আর দুই সর্বদা চার তৈরি করে এবং যদি আমরা যে জানি ব্রাউন ও জোনস হল দুজন এবং রবিনসন ও স্মিথও দুজন, তাহলে আমরা নিঃসৃত করতে পারি যে ব্রাউন, জোনস, রবিনসন ও স্মিথ হল চারজন। এটি হল নতুন জ্ঞান যা আমাদের যুক্তিবাক্যে নিহিত ছিল না, জোনস, রবিনসন ও স্মিথ নামে ব্যক্তিরা আছে, এবং বিশেষ যুক্তিবাক্যও আমাদের বলে না যে তারা হল চারজন, যেক্ষেত্রে নিঃসৃত হওয়া বিশেষ বচনটি আমাদের এই উভয় সম্পর্কেই অবহিত করে।

     

     

    কিন্তু এই জ্ঞানের নতুনত্ব কম নিশ্চিত হয় যদি আমরা যুক্তিবিজ্ঞানের বইতে প্রদত্ত অবরোহের উদাহরণগুলো গ্রহণ করি, যেমন সব মানুষ হয় মরণশীল, সক্রেটিস একজন মানুষ, সুতরাং সক্রেটিস হলেন মরণশীল। এই ক্ষেত্রে যা আমরা সুন্দহাতীতভাবে জানি তা হল কিছু ক, খ, গ ব্যক্তি মরণশীল যেহেতু সত্যিই তারা মৃত যদি সক্রেটিস এই ব্যক্তিদের একজন হন, তাহলে সব মানুষ হয় মরণশীল-এর মধ্যে ঘুরে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বোকামি হবে যে সক্রেটিস সম্ভবত মরণশীল। যদি সক্রেটিস এই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন না হন যার উপরে আমাদের আরোহ দাঁড়িয়ে আছে, তাহলেও আমরা সোজাসুজি ক, খ, গ থেকে সক্রেটিসে পৌঁছাতে পারি, সব মানুষ হয় মরণশীল এই সামান্য বচনের মাধ্যমে না গিয়ে।

    আমাদের সংগৃহীত উপাত্ত সক্রেটিসের মরণশীলতার সম্ভাব্যতাকে সব মানুষ হয় মরণশীলের সম্ভাব্যতার থেকে বেশি জোরদার করে (এটি একান্তই স্পষ্ট, কেননা যদি সব মানুষ মরণশীল হয় মরণশীল হয় তাহলে সক্রেটিসও হবেন, কিন্তু যদি সক্রেটিস মরণশীল হন তাহলে এটা অনুসৃত হয় না যে সব মানুষই মরণশীল)। এভাবে আমরা বেশি নিশ্চয়তার সঙ্গে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে সক্রেটিস হলেন মরণশীল যদি আমরা যুক্তিবাক্যকে সম্পূর্ণ আরোহের সাহায্যে ব্যাখ্যা করি, অবরোহের সাহায্য নিয়ে সমস্ত মানুষ হয় মরণশীল এই যুক্তিতে না গিয়ে।

     

     

    এই বিষয়টি সামান্য বচন যা পূর্বতসিদ্ধ বলে পরিচিত যেমন দুই আর দুই চার এবং ব্যবহারিক সামান্যীকরণ যেমন সব মানুষ হয় মরণশীল–এই দুইয়ের পার্থক্যকে সূচিত করে। প্রথমোক্ত বিষয়ে অবরোহ হল যুক্তিবিন্যাসের সঠিক পদ্ধতি এবং শেষোক্ত বিষয়টিতে অবরোহ সর্বদাই তত্ত্বগতভাবে গ্রহণযোগ্য, এবং আমাদের সিদ্ধান্তের সত্যতাকে এটি বেশ আস্থা দেয়, কেননা সমস্ত ব্যবহারিক সামান্যীকরণই তাদের উদাহরণের থেকে বেশি অনিশ্চিত হয়।

    এখানে আমরা দেখলাম যে পূর্বতসিদ্ধ বলে বচন আছে এবং এই বচনের মধ্যে যুক্তিবিজ্ঞানের ও শুদ্ধ গাণিতিক বচনও রয়েছে, সেইসঙ্গেই আছে নীতিবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ বচনও। পরবর্তী যে প্রশ্নটি আমাদের আলোচনা করতে হবে তা হল : এটা কিভাবে সম্ভব যে এরকম জ্ঞান হতে পারে? এবং বিশেষত, কিভাবে সেসব বিষয়ের সামান্য বচনের জ্ঞান হতে পারে যার সমস্ত ক্ষেত্র পরীক্ষিত হয়নি এবং পরীক্ষা করা সম্ভব নয়, কেননা তাদের সংখ্যা হল অগণিত? এই সমস্ত প্রশ্ন সর্বপ্রথম পাদপ্রদীপে আনেন জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট (১৭২৪–১৮০৪), যা খুবই দুরূহ এবং ঐতিহাসিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }