Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ১০ : দর্শনের সান্ত্বনা – বোয়েথিয়াস

    কোনো কারাগারে মৃত্যুদণ্ডের জন্যে প্রতীক্ষারত বন্দী অবস্থায় আপনি যদি থাকেন, আপনি কি দর্শনের কোনো বই লেখার জন্য জীবনের শেষ দিনগুলো ব্যয় করবেন? বোয়েথিয়াস সেই কাজটি করেছিলেন, এবং তাঁর লেখা সব সৃষ্টির মধ্যে সেটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তাও পেয়েছিল। বোয়েথিয়াসের আসল নাম ছিল আনসিয়াস মানলিয়াস সেভেরিনাস বোয়েথিয়াস (৪৭৫-৫২৫ খ্রিস্টাব্দ), তিনি ছিলেন শেষ রোমান দার্শনিকদের একজন। জার্মানিক বারবারিয়ান গোত্রগুলোর হাতে রোমসাম্রাজ্যের পতন হবার মাত্র বিশবছর আগে তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর জীবদ্দশাতেই রোমের সেই অতীতের মহিমান্বিত রূপ আর গৌরবের কোনোকিছুই আর অবশিষ্ট ছিল না। রোম তখন পতনের দিকে ধাবিত। রোমান দার্শনিক সিসেরো এবং সেনেকার মতোই তিনিও বিশ্বাস করতেন দর্শন একধরনের থেরাপি বা মনোচিকিৎসার মতো, যা আত্মসহায়তায় ভূমিকা রাখতে পারে। এটি যেমন একটি প্রায়োগিক উপায়, যার মাধ্যমে জীবনকে সুন্দরভাবে সাজানো যেতে পারে, তেমনি এটি বিমূর্ত ভাবনা চর্চা করারও একটি ক্ষেত্র। এছাড়াও বোয়েথিয়াস তাঁর লেখায় সেই সংযোগটিও নিশ্চিত করেছিলেন, যার মাধ্যমে আমরা প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো এবং অ্যারিস্টোটলের কাজ সম্বন্ধে জানতে পারি। তিনি ল্যাটিন ভাষায় তাঁদের কাজ অনুবাদ করেছিলেন, এভাবে তিনি বাঁচিয়ে রেখেছিলেন তাঁদের কর্মকে, যখন চিরকালের জন্য তাঁদের কাজ হারিয়ে যাবার ঝুঁকি ছিল সুস্পষ্ট। একজন আন্তরিক খ্রিস্টধর্মানুসারী হিসাবে, মধ্যযুগে যারা তাঁর বইগুলো পড়েছিলেন, তাঁর লেখা গভীরভাবে প্রতি-আবেদন রেখেছিল বহু ধার্মিক দার্শনিকদের কাছে। তাঁর দর্শন, সে-কারণে গ্রিক ও রোমান দার্শনিকদের দর্শনের মধ্যে যেভাবে সেতুবন্ধন রচনা করেছিল, একই সাথে সেটি সম্প্রসারিত হয়েছিল ভবিষ্যতের খ্রিস্টীয় দার্শনিকদের দর্শনের সাথে যা তাঁর মৃত্যুর পর পশ্চিমে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল বহু শতাব্দী।

    বোয়েথিয়াসের জীবন ছিল সৌভাগ্য আর দুর্ভাগ্যের একটি মিশ্রণ। গথদের রাজা থিওডরিক, সেই সময়ে যিনি রোমের ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁকে কনসালের মতো উচ্চপদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তিনি বোয়েথিয়াসের ছেলেদেরকেও সম্মানসূচক কনসাল হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিলেন, এমনকি যখন নিজেদের যোগ্যতায় সেই দায়িত্ব পালন করার মতো তাদের বয়সই হয়নি। মোটামুটি বোয়েথিয়াসের জীবন চলছিল বেশ ভালোভাবেই। তিনি ধনী ছিলেন, পারিবারিক পরিচয়ও ছিল, এবং তাঁকে প্রশংসা করার মানুষও কম ছিল না। সরকারি কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি দর্শন চর্চা করার মতো বেশ সময় বের করে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন, এবং তিনি প্রচুর লিখেছেন এবং অনুবাদও করেছিলেন। সত্যিকারের সুসময়ও ছিল তাঁর। কিন্তু এর কিছুদিন পর তাঁর ভাগ্য পরিবর্তিত হয়েছিল। রাজা থিওডরিককে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার ঘোলাটে অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত হয়েছিলেন। রোম থেকে তাঁকে রাভেনায় প্রেরণ করা হয় কারাগারের বন্দি হিসাবে। সেখানেই তাঁকে নির্যাতন করা হয় ও পরে শ্বাসরুদ্ধ করে আর পিটিয়ে হত্যা করার মাধ্যমে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। শত নির্যাতনেও তিনি নিরপরাধ এই দাবি থেকে কখনোই সরে আসেননি, তবে স্পষ্টতই তাঁর অভিযোগকারীরা তাঁকে বিশ্বাস করেনি।

    কারাগারে বন্দি থাকাকালীন, যখন তিনি নিশ্চিত যে খুব শীঘ্রই তার মৃত্যু হবে, বোয়েথিয়াস একটি বই লিখেছিলেন, তার মৃত্যুর পর যা মধ্যযুগের অন্যতম জনপ্রিয় বইয়ে পরিণত হয়েছিল The Consolation of Philosophyবইটির শুরুতেই আমরা বিষণ্ণ হতাশ আত্মগ্লানিতে আক্রান্ত বোয়েথিয়াসকে দেখতে পাই। হঠাৎ করে তিনি অনুধাবন করেন যে, একজন নারী উপর থেকে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। তার উচ্চতা যেন মনে হয় পরিবর্তিত হচ্ছিল গড়পড়তা উচ্চতা থেকে আকাশের চেয়ে বেশি উচ্চতায়। তার পরনে ছিল প্রায় ছিন্ন একটি কাপড় যেখানে সেলাই করা একটি মইয়ের ছবি যা কাপড়ের প্রান্তে গ্রিক অক্ষর ‘পাই’ থেকে উপরের দিকে যা বিস্তৃত ছিল আরেকটি গ্রিক অক্ষর ‘থিটা’ অবধি। তার একহাতে ছিল একটি রাজদণ্ড, অন্যহাতে একটি বই। বোয়েথিয়াস বুঝতে পেরেছিলেন যে এই নারীটি আসলে দর্শনের প্রতিরূপ। তিনি কথা বলতে শুরু করেন প্রথমেই বোয়েথিয়াসকে পরামর্শ দেয়ার মাধ্যমে, বিশেষ করে আসলেই তার কী বিশ্বাস করা উচিত সে-বিষয়ে। তার (দর্শনের) কথা ভুলে যাবার জন্য তিনি বোয়েথিয়াসের উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন, এবং সেকারণে তিনি এসেছেন তাকে মনে করিয়ে দেবার জন্যে, তার সাথে যা ঘটছে সে-বিষয়ে কীভাবে তার প্রতিক্রিয়া দেখানো উচিত। বইটির বাকি অংশ মূলত তার ও নারীরূপী দর্শনের কথোপকথন, যেখানে বিষয় হিসাবে প্রাধান্য বিস্তার করেছে ভাগ্য এবং ঈশ্বর। খানিকটা গদ্য এবং খানিকটা পদ্য হিসাবে এটি লেখা হয়েছিল।

    সেই নারীরূপী দর্শনের দেয়া উপদেশগুলোই মূলত ছিল তাঁর বইটির প্রাণ।তিনি বোয়েথিয়াসকে স্মরণ করিয়ে দেন যে ভাগ্য সবসময়ই পরিবর্তনশীল, এবং এই পরিবর্তনে তার বিস্মিত হওয়া উচিত না। এটাই ভাগ্যের চরিত্র, ভাগ্য অস্থির আর পরিবর্তনশীল। ভাগ্যের চাকা আবর্তিত হয়। কখনো আমরা উপরে, কখনো আমরা নিচে। সম্পদশালী কোনো রাজাও একদিনে পথের ভিখারিতে রূপান্তরিত হতে পারেন। বোয়েথিয়াসের অনুধাবন করা উচিত এই বাস্তবতাটি। ভাগ্য কোনো নিয়ম মেনে চলে না। আজ ভাগ্যবান বলে কেউ কালও ভাগ্যবান থাকবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। মরণশীল মানুষরা, দর্শন বোয়েথিয়াসকে বলেছেন, নির্বোধ, কারণতারা তাদের সুখকে পরিবর্তনশীল কোনোকিছুর উপর নির্ভরশীল হবার সুযোগ করে দেয়। সত্যিকারের সুখ আসে শুধুমাত্র ভিতর থেকে, সেইসব জিনিস থেকে যা মানুষ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, এমন কোনোকিছু থেকে না যা কোনো খারাপ ভাগ্য অনায়াসে ধ্বংস করে দিতে পারে। আমরা দেখেছি এটি স্টয়িক দর্শনেরও মূল ভাবনাগুলোর অংশ। আজ যখন খারাপ কিছু ঘটলে মানুষ তাদের নিজেদের ফিলোসফিকাল বলে ব্যাখ্যা করে, তারা আসলে এটাই বোঝাতে চান। তারা চেষ্টা করেন তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরের কোনোকিছু দ্বারা প্রভাবিত না হবার জন্য, যেমন আবহাওয়া, অথবা তাদের বাবা-মা কে ছিলেন। দৰ্শন বোয়েথিয়াস বলেছিলেন যে, কোনোকিছু নিজে থেকে অসহনীয় খারাপ নয়; সেটি নির্ভর করে সেটি সম্বন্ধে আপনি কীভাবে ভাবছেন তার উপরেই। সুখ হচ্ছে মনের একটি অবস্থা; বাইরের পৃথিবীর কোনো পরিস্থিতি নয়। এই ধারণাটি এপিকটিটাস শুনলে তার নিজের বলেই চিহ্নিত করতে পারতেন।

    দর্শন চেয়েছিলেন বোয়েথিয়াস আরো একবার তার কাছে ফিরে আসুক। তিনি তাকে বলেন, তিনি সত্যিকারভাবে সুখী হতে পারবেন, এমনকি যখন তিনি মৃত্যুর জন্য কারাগারে অপেক্ষা করছেন। তার সব হতাশা আর দূঃখের নিরাময় করবেন তিনি। বার্তাটি হলো, সম্পদ, ক্ষমতা এবং সম্মান সবকিছুই অর্থহীন, কারণ তারা ক্ষণস্থায়ী। এত ভঙ্গুর কোনো ভিত্তির উপর কিছু নির্মাণ করা কারোরই উচিত না। সুখকে আসতে হবে আরো বেশি স্থায়ী কোনো উৎস থেকে, যা কেউ কেড়ে নিতে পারবেনা, যেমন বোয়েথিয়াস বিশ্বাস করতেন মৃত্যুর পরও তিনি বেঁচে থাকবেন, তুচ্ছ পার্থিব কোনো কিছুর মধ্যে সুখ অনুসন্ধান করা ভুল হবে। কারণ সবকিছু তিনি এমনিতেই হারাবেন মৃত্যুর কাছে। কিন্তু সত্যিকারের সুখ বোয়েথিয়াস কোথায় পাবেন খুঁজে? দর্শনের উত্তর হচ্ছে যে তিনি সেটি খুঁজে পাবেন ঈশ্বরে অথবা ভালোত্বে (দেখা যায় দুটো আসলে একই জিনিস)। বোয়েথিয়াস আদি খ্রিস্টানদের একজন কিন্তু এই বিষয়টি তিনি ‘দ্য কনসোলেশন অব ফিলোসফি’ বইতে উল্লেখ করেননি। দর্শন যে ঈশ্বরের কথা তাকে বলেছিল সেটি প্লেটোর ঈশ্বরও হতে পারে, ভালোত্বের বিশুদ্ধ রূপ। কিন্তু পরবর্তী সময়ের পাঠকরা সম্মান আর সম্পদের মূল্যহীনতা ও ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার জন্য মনোযোগ নিবদ্ধ করার সেই খ্রিস্টীয় শিক্ষাকে শনাক্ত করতে পেরেছিলেন।

    পুরো বইজুড়ে নারীরূপী দর্শন বোয়েথিয়াস আগেই যা জানতেন সেই সবকিছুই আবার তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। আবারো এটা সেই ধারণারই অংশ যা এসেছে প্লেটো থেকে, কারণ প্লেটো বিশ্বাস করতেন, সব জ্ঞানই আসলে আমাদের ইতিমধ্যে জানা আছে এমন ধারণাগুলোরই এধরনের স্মৃতিচারণ। আমরা আসলেই নতুন কিছুই শিখি না, শুধুমাত্র আমাদের পুরোনো স্মৃতিগুলোকে নতুন করে ঝালিয়ে নিই। জীবন হচ্ছে এই মনে করারই সংগ্রাম, যা-কিছু আমাদের আগে থেকেই জানা। বোয়েথিয়াস যা আগে থেকেই জানতেন একটি স্ত রে, সেটি হলো তিনি তার স্বাধীনতাহীনতা এবং সামাজিক মর্যাদার বিষয়টি নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করেছেন। এইসব কিছুর অনেকটাই তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হচ্ছে, এই পরিস্থিতির প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি আর প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে সেটাই তিনি বাছাই করতে পারবেন, এবং শুধুমাত্র সেটাই তার নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু বোয়েথিয়াস একটি সত্যিকারের সমস্যা নিয়ে বেশ ভাবনায় ছিলেন, যে-সমস্যাটি বহু ঈশ্বর-বিশ্বাসী মানুষকেও চিন্তায় রেখেছিল। ঈশ্বর, সবধরনের ত্রুটিহীন হবার কারণে, অবশ্যই সবকিছু জানেন, যা ঘটে গেছে, ঘটছে এবং ভবিষ্যতে ঘটবে। যখন আমরা ঈশ্বরকে বিশেষায়িত করি ‘সর্বজ্ঞ’ শব্দটি ব্যবহার করে, তখন এর অর্থ কিন্তু সেটাই বোঝায়। সুতরাং যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে, তিনি অবশ্যই জানেন এর পরের ফুটবল কিংবা ক্রিকেট বিশ্বকাপ কে জয় করবে এবং আমি এর পরের বাক্যে কী লিখব, সেটাও তিনি জানেন। ভবিষ্যতে ঘটবে এমন সবকিছুই তার জানা থাকবে আগে থেকেই। অর্থাৎ তিনি আগে থেকেই যা জানবেন সেটা অবশ্যই ঘটবে। সুতরাং এই মুহূর্তে ঈশ্বর জানেন সবকিছু কী ঘটতে যাচ্ছে।

    একারণেই বলতে পারি, আমি পরবর্তীতে কী করতে যাচ্ছি, এমনকি যখন আমি নিজে নিশ্চিত নই কী আমি করতে পারি, কী হতে পারে সেটি ঈশ্বর অবশ্যই জানেন। যখন আমি সিদ্ধান্ত নিচ্ছি কী করব, বেশকিছু সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আর পরিণতি আমার সামনে তখন উন্মুক্ত। আমি যদি দুইদিকে ভাগ হয়ে যাওয়া কোনো রাস্তার মোড়ে এসে দাঁড়াই, আমি জানি আমি বাঁয়ে কিংবা ডানে যেতে পারি, অথবা কোথাও না, আমি সেখানেই বসে থাকতে পারি। আমি হয়তো এই মুহূর্তে লেখা বন্ধ করে দিতে পারি এবং এক কাপ চা বানানোর জন্য উঠতে পারি। অথবা, এই ল্যাপটপে আমি যেমন টাইপ করে যাচ্ছিলাম সেটাই অব্যাহত রাখতে পারি। এটা অনুভূত হতে পারে একান্ত আমার নিজের সিদ্ধান্ত হিসাবে, এমন কিছু যে আমি নিজেই নির্বাচন করছি করা কিংবা না-করার জন্যে। কেউ আমাকে বাধ্য করছে না কোনো একটি পথ বেছে নেবার জন্য। একইভাবে আপনি আপনার চোখ বন্ধ করতে পারেন যদি সেটা চান। তাহলে কোন্ সময় ঈশ্বর জানতে পারেন আমরা আসলে কী করব? যদি ঈশ্বর আগেই জেনে থাকেন আমরা কী করতে যাচ্ছি, কীভাবে তাহলে আমরা দাবি করতে পারি, আমরা আসলেই সেই কাজ করার জন্যে স্বাধীনভাবে ইচ্ছা পোষণ করেছি? তাহলে কোনোকিছু বাছাই করার ক্ষমতাটি বা ইচ্ছাশক্তিটি কি একটি বিভ্রম? মনে হতে পারে, আমাদের কোনো স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি থাকতে পারে না যদি আগেই ঈশ্বর সবকিছু জেনে থাকেন। ধরুন দশ মিনিট আগেই ঈশ্বর একটুকরো কাগজের উপর লিখতে পারেন, ‘মাহবুব তার লেখা অব্যাহত রাখবে’, এটা সেই সময়ে যেমন সত্যি এবং পরে আমিও আবশ্যিকভাবেই আমার লেখা চালিয়ে যাব, যদিও সেই সময় আমি সেটা অনুধাবন করতে পারি কিংবা না-পারি। কিন্তু যদি ঈশ্বর সেটি করতে পারেন তাহলে নিশ্চয়ই আমি কী করব সেটি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা নেই আমার, এমনকি যদিও আমার মনে হতে পারে আমি সেই কাজটি করলাম। আমার জীবনের প্রতিটি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় ইতিমধ্যেই পরিকল্পিত ও নির্ধারিত হয়ে আছে। এবং যদি আমরা কী করব সেটি বাছাই করার কোনো অধিকার বা ক্ষমতা না থাকে, তাহলে আমাদের কাজের জন্য শাস্তি কিংবা পুরস্কার দেয়া কতটুকু ন্যায়বিচারের পরিচায়ক হতে পারে? আমাদের নিজেদের যদি আমরা কী করববা করব না সেটা বাছাই করার অধিকার বা ক্ষমতা না থেকে থাকে, তাহলে কীভাবে ঈশ্বর সিদ্ধান্ত নেবেন আমরা স্বর্গে যাব কি যাব না? জটিল এই সমস্যাটি আমাদের মনে অনেক সংশয় সৃষ্টি করে। দার্শনিকরা এইসব পরিস্থিতির নাম দিয়েছেন প্যারাডক্স। বিষয়টি আদৌ সম্ভব মনে হয় না যে, কেউ আগে থেকেই জানতে পারে আমি কী করতে যাচ্ছি এবং আমি কী করতে যাচ্ছি সেই বিষয়ে আমার স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগ করছি। এই দুটি ধারণা পরস্পরবিরোধী। তারপরও এটি সম্ভব হতে পারে যদি আপনি বিশ্বাস করেন ঈশ্বর সবকিছু জানেন।

    কিন্তু বোয়েথিয়াসের কারাকক্ষে আবির্ভূত হয় নারীরূপী দর্শনের কাছে এই বিষয়ে কিছু উত্তর ছিল। আমাদের ফ্রি উইল বা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি আছে, তিনি বোয়েথিয়াসকে বলেছিলেন, এবং যা অবশ্যই বিভ্রম নয়। যদিও ঈশ্বর জানেন আমরা কী করতে যাচ্ছি, আমাদের জীবন পূর্বনির্দিষ্ট নয়। অথবা অন্যভাবে যদি বলা হয়, আমরা কী করতে যাচ্ছি সেই বিষয়ে ঈশ্বরের জ্ঞান দৈবনির্দিষ্ট বা পূর্বনির্দিষ্ট থেকে ভিন্ন (সেই ধারণাটি যে আমরা কী করব বা করব না সেই বিষয়ে আমাদের কোনোকিছু বাছাই করার ক্ষমতা নেই); তারপরও আমরা পরবর্তীতে কী করব সেটি নির্বাচন করার একটি সুযোগ থাকে আমাদের। ভুল হচ্ছে ঈশ্বরকে এমনভাবে ভাবা যে তিনি একজন মানুষ, যে কিনা সময়ের সাথে সাথে প্রতিটি কাজের পরিণতি দেখতে পাচ্ছেন। দর্শন বোয়েথিয়াসকে বলেছিলেন যে, ঈশ্বরের অবস্থান সময়ের সীমানার বাইরে, পুরোপুরি যিনি সময় থেকে বিচ্ছিন্ন। এর অর্থ হচ্ছে ঈশ্বর একমুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু অনুধাবন করতে পারেন। ঈশ্বর অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সবকিছু একটি দৃশ্যপটেই দেখতে পান। আমরা মরণশীল মানুষরা শুধু একটা ঘটনার পর কী ঘটছে সেটাই দেখতে পারি। এ কারণে ঈশ্বর ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে জানেন আমাদের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিকে ধ্বংস করে বা আমাদের আগে থেকেই প্রোগ্রাম করা কোনো মেশিনে পরিণত না করেই, যাদের কিনা কিছু বাছাই করার ক্ষমতা নেই এবং কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ের সীমানায় ঈশ্বর আমাদের দেখছেন না, তিনি একই সাথে সবকিছুই দেখতে পারছেন এধরনের সময়ের সীমামুক্ত কোনো উপায়ে। এবং দর্শন বোয়েথিয়াসকে জানান, ঈশ্বর মানুষকে বিচার করেন তারা কীভাবে আচরণ করে, কী ধরনের সিদ্ধান্ত তারা নেয়, এমনকি যখন তার আগে থেকেই জানা থাকে মানুষ কী করবে। যদি দৰ্শন সঠিক হয়ে থাকে এই বিষয়ে এবং ঈশ্বরের যদি অস্তিত্ব থাকে, তিনি খুব ভালো করেই জানেন কখন আমি এই বাক্যটি শেষ করব; কিন্তু তারপরও এটা আমার স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি, এখানেই দাঁড়ি চিহ্ন দিয়ে আমি বাক্যটি শেষ করছি। আর, এরই মধ্যে আপনারা, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন পরবর্তী অধ্যায় পড়বেন কি পড়বেন না সেই বিষয়ে, যে অধ্যায়ের বিষয়বস্তু হচ্ছে ঈশ্বরের অস্তিত্বের স্বপক্ষে প্রদত্ত দুটি যুক্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }