Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ১৪ : নোংরা, পাশবিক এবং সংক্ষিপ্ত – থমাস হবস

    ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা একজন রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ছিলেন থমাস হবস (১৫৮৮-১৭৬৯)। তবে তার সম্বন্ধে যা আমরা জানিনা সেটি হচ্ছে তিনি শুরুর দিককার একজন ফিটনেস ফ্যানাটিক ছিলেন, নিজেদের সুস্থ ও শারীরিকভাবে কর্মক্ষম রাখার জন্য যারা সদাব্যস্ত। খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি বহুদূর পথ হাঁটতেন, দ্রুত খাড়া পাহাড় বেয়ে উঠতেন যতক্ষণ তিনি সহজে শ্বাস নিতে পারেন। আর বাইরে থাকার সময় যদি তাঁর কোনো ভালো ধারণা মাথায় আসত, সেটি সংরক্ষণ করার জন্য হাতলে কলমের কালি রাখার ব্যবস্থাসহ বিশেষ ধরনের একটি লাঠি সাথে রাখতেন। এই লম্বা, লালচে মুখের, হালকা দাড়ি এবং গোঁফসহ উচ্ছল মানুষটি শৈশবে নানা অসুখে ভুগেছিলেন। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় হবসকে আমরা দেখি খুবই স্বাস্থ্যসচেতন ও স্বাস্থ্যবান, যিনি সত্যিকারের টেনিস খেলা অব্যাহত রেখেছিলেন তার বৃদ্ধবয়স অবধি। প্রচুর মাছ খেতেন, সামান্য পান করতেন এবং তার ফুসফুসের অনুশীলন করার জন্য কেউ যেন শুনতে না পায় এমনভাবে বন্ধঘরে গলা ছেড়ে গান গাইতেন এবং অবশ্যই বেশিরভাগ দার্শনিকদের মতো, খুবই সক্রিয় একটি মন ছিল তার। এর ফলাফল হচ্ছে তিনি প্রায় ৯১ বছর বেঁচে ছিলেন, সপ্তদশ শতাব্দীর জন্যে বিষয়টি খুবই বিস্ময়কর, যখন কিনা গড়পড়তা আয়ু ছিল মাত্র পঁয়ত্রিশ।

    বন্ধুভাবাপূর্ণ মানসিকতা সত্ত্বেও হবস, মাকিয়াভেলির মতোই, মানুষ সম্পর্কে বেশ নিচু ধারণা পোষণ করতেন। মৌলিকভাবে আমরা সবাই স্বার্থপর, মৃত্যুভয় আর ব্যক্তিগত লাভের আশায় তাড়িত, এমনটাই তার বিশ্বাস ছিল। আমরা সবাই অন্যদের উপর ক্ষমতা আরোপ বা কর্তৃত্ব স্থাপন করতে চাই, সেটা আমরা বুঝি কিংবা না বুঝি। আপনি যদি হবসের মানবতা সম্বন্ধে ধারণার সাথে একমত না হন তাহলে কেন বাসা থেকে বের হবার সময় আপনি দরজায় তালা লাগান? নিশ্চয়ই আপনি জানেন এর কারণ বহু মানুষ আছে যারা অন্যের জিনিস খুব খুশি মনেই চুরি করতে পারে? কিন্তু আপনি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, শুধুমাত্র কিছু মানুষ স্বার্থপর, হবস তা মনে করতেন না; তিনি বিশ্বাস করতেন হৃদয়ের অন্তস্থলে আমরা সবাই স্বার্থপর এবং শুধুমাত্র আইনের শাসন এবং শাস্তির ভয়ই এধরনের কোনো কাজ করা থেকে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে রাখে।

    তিনি যুক্তি দেন, এর পরিণতিতে, সামাজিক কাঠামো যদি ভেঙে পড়ে কখনো তাহলে আপনাকে সেই পরিস্থিতিতে জীবন কাটাতে হবে, যাকে তিনি বলেছেন state of nature (প্রাকৃতিক অবস্থা), কোনো আইন এবং সেই আইন প্রয়োগ করার মতো কোনো ক্ষমতা ছাড়া একটি অরাজকতার পরিস্থিতি, যেখানে আপনিও, আর সবার মতোই চুরি এবং হত্যা করতে বাধ্য হবেন প্রয়োজন পড়লে। নিদেনপক্ষে আপনাকে সেটা করতেই হবে যদি আপনি বেঁচে থাকতে চান। এমন কোনো পৃথিবীতে যেখানে ব্যবহারযোগ্য সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা আছে, বিশেষ করে যদি বেঁচে থাকার খাদ্য ও পানি অনুসন্ধান করতে যদি আপনাকে সংগ্রাম করতে হয়, তখন অন্যরা আপনাকে হত্যা করে ফেলার বদলে তাদেরকে আগে হত্যা করা আসলেই যুক্তিযুক্ত হবে। হবসের স্মরণীয় বর্ণনায়, ‘সমাজের বাইরে জীবন হবে নিঃসঙ্গ, দরিদ্র, নোংরা, পাশবিক এবং সংক্ষিপ্ত।

    অন্য কারো জমি দখল ও যাকে খুশি তাকে হত্যা প্রতিহত করার রাষ্ট্রের ক্ষমতা যদি কেড়ে নেওয়া হয় তার ফলাফল হবে নিরন্তর যুদ্ধ, যেখানে সবাই সবার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। এর চেয়ে খারাপ কোনো পরিস্থিতি কল্পনা করা কঠিন। এই ধরনের আইনহীন পৃথিবীতে, এমনকি সবচেয়ে শক্তিশালীও বেশিদিন নিরাপদে থাকতে পারবে না। আমাদের সবারই ঘুমানোর জন্য চোখ বন্ধ করতে হবে এবং যখন আমরা ঘুমাই, আমাদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা প্রবল। এমনকি সবচেয়ে দুর্বলতম কেউ, যদি যথেষ্ট ধূর্ত হয়, সেও সবচেয়ে শক্তিশালীকে ধ্বংস করতে পারবে ৷

    আপনি হয়তো কল্পনা করতে পারবেন এইভাবে প্রাণ-হারানো এড়ানোর একটি উপায় হচ্ছে বন্ধুদের সাথে জোট বাঁধা। সমস্যা হচ্ছে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন না যে কেউ এমন নির্ভরযোগ্য আছে কিনা। যদি অন্য মানুষ আপনাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে হয়তো কখনো কখনো তাদের নিজেদের স্বার্থ থাকবে সেই প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করায়। যে-কোনো ক্রিয়াকর্ম যেখানে সহযোগিতার প্রয়োজন আছে, যেমন বাণিজ্যিকভাবে খাদ্যশস্য উৎপাদন, অথবা নিৰ্মাণ, কোনোকিছুই সম্ভব হবে না ন্যূনতম পর্যায়ের পারস্পরিক কোনো বিশ্বাস ছাড়া। আপনি জানতেও পারবেন না আপনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন, আর যখন জানবেন ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। হয়তো ইতিমধ্যেই আক্ষরিকার্থে আপনার পিঠে কেউ ছুরি বসিয়ে দিয়েছে এবং কেউই থাকবে না আপনার পিঠে যে ছুরি বসিয়েছে তার বিচার করার জন্যে। আপনার শত্রুরা থাকতে পারে সর্বত্র। আপনি আক্রান্ত হবার ভয়েই আপনার সারাজীবন কাটাবেন। খুব আকর্ষণীয় কোনো জীবন সেটি নয়। এর সমাধান হিসাবে হবস যুক্তি দেন, শক্তিশালী ব্যক্তি বা কোনো পার্লামেন্ট বা সংসদকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। এবং সেই প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা state of nature-এর মানুষগুলো একটি social contract বা সামাজিক চুক্তিতে আসবে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের কিছু ভয়ংকর স্বাধীনতা বিসর্জন দেবার জন্যে। তিনি যাকে বলেছিলেন sovereign বা সর্ব্বোচ্চ শাসক, এমন কোনো শাসকছাড়া জীবন মূলত একধরনের নরক। এই শাসককে সেই অধিকার দিতে হবে যেন তিনি আইন-অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারেন।

    হবস বিশ্বাস করতেন কিছু সুনির্দিষ্ট প্রাকৃতিক আইন আছে যা আমরা গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করতে পারি, যেমন, আমরা এমন কোনো আচরণ করব না কারো সাথে, যে আচরণ আমরাও চাইব না কেউ আমাদের সাথে করুক। আইনের কোনো মূল্য নেই যদি যথেষ্ট শক্তিশালী কেউ বা কিছু না থাকে, যা-কিনা সবাইকে সেই আইনটি মানতে বাধ্য করে। আইন ছাড়া ও শক্তিশালী আইনের শাসক ছাড়া, প্রাকৃতিক সেই পরিবেশে হিংস্রাবে মৃত্যু হওয়াটাই প্রত্যাশা করতে পারে। শুধুমাত্র একটি সান্ত্বনা থাকবে যে এমন কোনো জীবন হবে খুব সংক্ষিপ্ত।

    ‘লেভিয়াথান’ (Leviathan) [১৬৫১ সালে প্রকাশিত], হবসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বইটি বিস্তারিতভাবে সেই প্রয়োজনীয় ধাপগুলোকে ব্যাখ্যা করেছিল, যার মাধ্যমে আমরা state of nature-এর সেই দুঃস্বপ্নময় পরিস্থিতি থেকে কীভাবে একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে পারি, যেখানে বেঁচে থাকার মতো সহনীয় একটি পরিস্থিতি থাকবে। লেভিয়াথান হচ্ছে বাইবেলে বর্ণিত সুবিশাল এক সামুদ্রিক প্রাণী। হবস এটি ব্যবহার করেছিলেন রাষ্ট্রের বিশাল ক্ষমতার প্রতিভূ হিসাবে। লেভিয়াথান বইটির শুরুতেই একটি ছবিতে হাতে তলোয়ার আর রাজদণ্ড নিয়ে এক পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকা একটি দানবকে আমরা দেখি। এখানে অনেক ছোট ছোট চরিত্রও দেখি, যাদের সবাইকে এককভাবে মানুষ হিসাবে চিহ্নিত করা সম্ভব। শক্তিশালী শাসক ছাড়া হবস বিশ্বাস করতেন সবকিছুই ভেঙে পড়বে এবং সমাজ পঁচে যাবে নৈরাজ্যে, যেখানে মানুষ টিকে থাকার জন্য পারস্পরিক হিংস্র দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়বে।

    সেকারণে state of nature এ থাকা মানুষগুলোর একসাথে কাজ করা ও শান্তিপূর্ণ সমঝোতা খোঁজার খুব ভালো কারণ আছে। এটাই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে তারা নিজেদের সুরক্ষিত করতে পারে। এটি ছাড়া তাদের জীবন হবে অসহনীয়ভাবে ভয়ংকর। হবস মনে করতেন স্বাধীনতার চেয়ে নিরাপত্তা অনেক বেশি জরুরি। মৃত্যুভয় মানুষকে তাড়না করবে সমাজগঠনে। তিনি মনে করতেন তারা একমত হবে বড় ধরনের স্বাধীনতা ত্যাগ করার জন্য যেন তারা পরস্পরের সাথে একটি সামাজিক চুক্তিতে আসতে পারে, যা একটি প্রতিশ্রুতি যে তারা একজন শাসক বা ব্যবস্থাকে অনুমতি দেবেন তাদের উপর আইনের শাসন প্রয়োগ করার জন্য। পারস্পরিক যুদ্ধ করার চেয়ে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে কোনো শক্তিশালী কর্তৃত্ব থাকলে তাদের জন্য তা হবে মঙ্গলকর।

    থমাস হবস আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে কণ্টকময় একটি বিষয় নিয়ে উপদেশ দিয়েছিলেন: কোন্ পর্যায় অবধি আমাদের উচিত হবে কোনো শাসকের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করা, বিশেষ করে যে শাসকরা আদৌ সুশাসক নয়; কোন্ পর্যায়ে আমাদের উচিত হবে আরো উত্তম কোনো পৃথিবীর জন্য বিপ্লবের সূচনা করা ও সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা। হবসের চিন্তাকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব না একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাথে, যা ঘটেছিল যখন তার বয়স ৬৪, আর ঘটনাটি তাঁকে ও তাঁর পরবর্তী সব চিন্তাগুলোকে প্রভাবিত করেছিল গভীরভাবে (হবস বেঁচে ছিলেন প্রায় ৯১ বছর আর তিনি যা-কিছুর জন্যে আজও স্মরণীয় সেই সবকিছুই তিনি লিখেছিলেন তার বয়স ষাট অতিক্রম করার পরে)। সেই ঘটনাটি ছিল ইংল্যান্ডের গৃহযুদ্ধ, একটি ভয়ংকর বিভাজনমূলক, রক্তাক্ত সংঘর্ষ যা এক দশকব্যাপী সারা ইংল্যান্ড জুড়ে অরাজকতার কারণ হয়েছিল। রাজা আর পার্লামেন্টের মধ্যে এই যুদ্ধে উভয়পক্ষে প্রায় দুই লক্ষ প্রাণহানি হয়েছিল। চারিত্রিকভাবে হবস খুবই শান্তি প্রিয় আর সতর্ক মানুষ ছিলেন। তিনি সবধরনের সহিংসতাকে ঘৃণা করতেন। যে কাজের জন্যে মূলত তিনি পরিচিত, লেভিয়াথান, সেটি তার সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট, প্ররোচনামূলক আর সংগঠিত বার্তা ছিল সরকারি কর্তৃত্বকে কেন আমাদের মেনে নেয়া উচিত সেই বিষয়ে, এমনকি যখন সেই সরকার ত্রুটিপূর্ণ, তার যুক্তি ছিল এর মাধ্যমে আমরা বিশৃঙ্খলা আর রক্তপাতের ভয়াবহতা এড়াতে পারি।

    হবসের এই রক্ষণশীলতা বুঝতে আমাদের অনুধাবন করতে হবে যে সপ্তদশ শতকে পশ্চিম-ইউরোপ জুড়ে রাজনৈতিক তাত্ত্বিকরা জিজ্ঞাসা করতে শুরু করেছিলেন, নতুন ধরনের সুস্পষ্ট প্রত্যক্ষতার সাথে, কিসের ভিত্তিতে প্রজাদের উচিত তাদের শাসকের প্রতি অনুগত থাকা। বহু শতাব্দী ধরে, মধ্যযুগে, একটি সাধারণ উত্তর ছিল এই প্রশ্নটির, যা ধারণ করেছিল একটি তত্ত্ব, রাজাদের স্বর্গীয় কর্তৃত্ব বা অধিকার ( দ্য ডিভাইন রাইটস অব কিংস)। এটি খুবই সুস্পষ্ট আর কার্যকরী তত্ত্ব ছিল: যা দাবি করে আর কেউ না, কেবল ঈশ্বরই সব রাজাদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন, এবং আমাদের সবার উচিত সেই রাজাদের মান্য করা একটি সুস্পষ্ট কারণে: ঈশ্বর সেটি করতে বলেছেন, আর আপনি যদি একমত না হন, তাহলে তিনি আপনাকে নরকে পাঠাবেন। কিন্তু যুক্তিটি বহু চিন্তাশীল মানুষকে আর আগের মতো প্ররোচিত করতে ব্যর্থ হয়েছিল। যারা যুক্তি দিয়েছিলেন, শাসন করার অধিকার আসলে রাজাদের হাতে নেই, সেটি আছে সাধারণ মানুষদের হাতে, যারা রাজাকে ক্ষমতা দেয়, সেকারণে কেউ রাজার নির্দেশ শুনবে এমন প্রত্যাশা করা উচিত সেই অবধি যতক্ষণ তাদের অবস্থাও ভালো থাকে। এটাই পরিচিত রাষ্ট্রনীতির ‘সোস্যাল কনট্র্যাক্ট তত্ত্ব’ নামে। হবস দেখতে পেরেছিলেন রাজাদের শাসন করার স্বর্গীয় অধিকারের তত্ত্বটি অর্থহীন এবং ক্রমশ এটি মানুষের উপর প্রভাব হারাবে যখন ধর্মীয় আচারের পরিমাণও হ্রাস পাবে। তিনি নিজেই ঈশ্বর অবিশ্বাসী ছিলেন, যদিও ব্যক্তিগত পর্যায়ে। একই সময়ে হবস গভীরভাবে ভীত ছিলেন সোস্যাল কনট্র্যাক্ট তত্ত্বের সম্ভাব্য পরিণতিগুলো নিয়ে, যা মানুষদের অনুপ্রাণিত করতে পারে শাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করানোর জন্য যখনই তারা তাদের ভাগ্য নিয়ে অসুখী হবেন। ১৬৪৯ খ্রিস্টাব্দে হোয়াইট হল প্যালেসের সামনে রাজা প্রথম চার্লসের শিরশ্চেদের ঘটনার সাক্ষী ছিলেন হবস আর পরবর্তীতে তার বুদ্ধিবৃত্তিক সব পরিশ্রমের লক্ষ্য ছিল, নিশ্চিত করা এমন আদিম ভয়ানক দৃশ্য যেন আর কখনোই পুনরাবৃত্তি না হয়।

    লেভিয়াথান বইটিতে তিনি বেশকিছু উদ্ভাবনী যুক্তি প্রস্তাবনা করেছিলেন, যা সংযোগ করেছিল সোস্যাল কনট্র্যাক্ট তত্ত্ব আর প্রথাগত কর্তৃত্বে পূর্ণ আনুগত্যের প্রতি সমর্থনের বিষয়টিকে। আর এই যোগসূত্রটা করে তিনি তার পাঠকদের অতীতে নিয়ে গিয়েছিলেন, এমন একটি সময়ে যাকে তিনি বলেছিলেন এ স্টেট অব নেচার (প্রাকৃতিক অবস্থা), যখন কোনো ধরনের রাজা ছিলনা, এবং এখান থেকে তিনি তার পাঠকদের ভাবার সুযোগ দেন কেমন করে সরকার পদ্ধতিগুলোর সূচনা হয়েছিল একেবারে শুরুতে। হবসের যুক্তি ছিল প্রাকৃতিক সেই অবস্থা কখনোই ভালো পরিস্থিতি হতে পারে না, কারণ কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মানুষদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণের উপর ছেড়ে দিলে খুব শীঘ্রই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে, যেখানে জীবন, প্ৰকৃতি যেমন, nasty, brutish and short বা নোংরা, পাশবিক আর সংক্ষিপ্ত। এর পরিণতিতে, ভয়ে আর বিশৃঙ্খলার কারণে মানুষ বাধ্য হয়েছিল সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য। তারা স্বেচ্ছায় সেটি করেছিল, যেমন করে সোস্যাল কনট্র্যাক্ট তত্ত্বের তাত্ত্বিকরা দাবি করেন, কিন্তু সেটি তারা করেছিলেন যথেষ্ট পরিমাণ বাধ্য হয়ে, তারা বাধ্য হয়েছিল শক্তিশালী কর্তৃত্বের কাছে আশ্রয় নিতে, সেকারণে তাদের উচিত, হবস যুক্তি দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে সেই কর্তৃত্বের প্রতি অনুগত থাকার বিষয়টি কর্তব্য হিসাবে মনে করা, খুব সামান্য তাদের অভিযোগ করার অধিকার আছে যদি তারা সেটি পছন্দ না করেন। চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী কোনো শাসকের বিরুদ্ধে বা যাকে তিনি লেভিয়াথান বলেছিলেন, প্রতিবাদ করার শুধুমাত্র অধিকার আছে যদি তিনি সরাসরি তাদের হত্যা করার জন্য হুমকি দিয়ে থাকেন। তবে যদি শাসক শুধুমাত্র বিরোধীদের দমন করেন, কড়া কর আরোপ করেন, অর্থনীতিকে পঙ্গু করেন, ভিন্নমতাবলম্বীদের বন্দি করে রাখেন, চূড়ান্তভাবে কোনো কারণই নেই সরকার পরিবর্তন করার দাবি নিয়ে রাস্তায় নামার। যদিও এত অসীম ক্ষমতার অধিকারী কাউকে নিয়ে মানুষ হয়তো অশুভ পরিণতির কথা ভাববে, কিন্তু তার বিপরীতটা, প্রতিটি মানুষের বিরুদ্ধে প্রতিটি মানুষের যুদ্ধ, আরো বেশি ভয়াবহ। তিনি স্বীকার করেছিলেন যে-কোনো একটি শাসক হয়তো আসতে পারেন যার প্রবণতা আছে ক্ষতিকর কিছু করার জন্যে। কিন্তু তিনি মনে করেন জনগণের তারপরও দায়িত্ব আছে তাকে মান্য করা, কারণ মানবীয় কর্মকাণ্ড কখনোই ঝামেলামুক্ত না। কিন্তু এই সমস্যার জন্য দায়ী মানুষরাই, রাজা নয়; কারণ যদি মানুষরা তাদের নিজেদের রাজা ছাড়াই শাসন করতে পারত, তাদের এই শোষকশক্তির কোনো দরকার হতো না। তিনি লিখেছিলেন, ‘যে রাজার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করে, সে তার নিজের বিরুদ্ধে আসলে অভিযোগ করে, সেকারণে তার নিজেকে ছাড়া আর কাউকেই অভিযুক্ত করা উচিত নয়।’

    হবসের তত্ত্বটি খুব নৈরাশ্যবাদী, সতর্ক এবং বিশেষভাবে সরকারব্যবস্থা নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী নয়। আমাদের আশাবাদী মুহূর্তে, আমরা চাই তিনি ভুল প্রমাণিত হোন। কিন্তু স্পষ্টতই হবসের নাম সবসময়ই প্রাসঙ্গিক থাকবে, আরো নতুন মনে হবে যখনই স্বাধীনতার লক্ষ্যে কোনো বিপ্লব ভয়ংকরভাবে তাদের লক্ষ্যচ্যুত হয়। কোনো অশুভ উদ্দেশ্যে, হবস বিপ্লবের বিরুদ্ধে ছিলেন না, তিনি শুধু বলেছিলেন, যেমন করে তার লেভিয়াথানে তিনি লিখেছিলেন, তিনি তাগিদ অনুভব করেছিলেন: ‘মানুষের চোখের সামনে উপস্থাপন করতে যে সুরক্ষা আর আনুগত্যের মধ্যে একটি পারস্পরিক সম্পর্ক আছে।’

    স্পষ্টতই হবস খুব বিপজ্জনক সময়ের মধ্যে দিয়ে তার জীবন কাটিয়েছিলেন, এমনকি মাতৃগর্ভেও। তাঁর জন্ম সময়ের আগেই হয়েছিল, কারণ স্পেনীয়রা তাদের যুদ্ধজাহাজ আর্মাদা নিয়ে সম্ভবত ইংল্যান্ড দখল করতে আসছে সেই খবর শোনার পর তাঁর মায়ের প্রসববেদনা উঠেছিল ভয়ে। সৌভাগ্যজনকভাবে তেমন কিছু ঘটেনি। পরবর্তীতে তিনি প্যারিসে পালিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের গৃহযুদ্ধ এড়াতে, কিন্তু ইংল্যান্ড যে সহজে নৈরাজ্যে পতিত হতে পারে এই শঙ্কা পরবর্তীতে তার সব লেখাকেই প্রভাবিত করেছিল। প্যারিসে বসেই তিনি তার সেরা বই লেভিয়াথান লিখেছিলেন। এটি প্রকাশ হবার কিছুদিন পরই তিনি ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন। তার সময়ে বহু চিন্তাবিদের মতোই, হবস শুধুমাত্র একজন দার্শনিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন সেই মানুষ যাকে আমরা এখন বলতে পারি রেনেসাঁ-মানব। তার তীব্র আগ্রহ ছিল জ্যামিতি ও বিজ্ঞানেও। তারুণ্যে তিনি সাহিত্য ভালোবাসতেন এবং লিখেছেন, অনুবাদও করেছেন। মধ্যবয়সেই তিনি দর্শনে আগ্রহী হয়েছিলেন।

    তিনি ছিলেন ম্যাটেরিয়ালিস্ট, বিশ্বাস করতেন মানুষ শুধুমাত্র একটি শরীরনির্ভর সত্তা, আত্মা বলে কিছু নেই, আমরা শুধুমাত্র শরীর, আমরা মূলত জটিল যন্ত্র। ঘড়ির যন্ত্রকৌশল ছিল সপ্তদশ শতাব্দীর সবচেয়ে অগ্রসর প্রযুক্তি। হবস বিশ্বাস করতেন যে মাংসপেশি, শরীরের অঙ্গ আসলে ঘড়ির যন্ত্রের সমতুল্য। তিনি প্রায়শই ঘড়ি থেকে রূপক বর্ণনা করেছেন যেমন কর্মের springs এবং wheels যা আমাদের সামনের দিকে নিয়ে যায়। তিনি বিশ্বাস করতেন যে মানব-অস্তিত্বের-সব অংশই, চিন্তাসহ, সবই শারীরিক ভৌত একটি প্রক্রিয়া। তার দর্শনে আত্মার কোনো জায়গা নেই। এটি আধুনিক একটি ধারণা যা বহু বিজ্ঞানীরাও অনুসরণ করেন, কিন্তু তার সময়ে এটি ছিল বৈপ্লবিক। তিনি এমনকি দাবি করেছিলেন ঈশ্বরও এমন কোনো বিশাল ভৌত বস্তু, যদিও কেউ কেউ মনে করেন নিজেকে নিরীশ্বরবাদী হিসাবে ঘোষণা করার এটাই ছিল তাঁর ছদ্মবেশী একটি উপায়।

    হবসের সমালোচকরা মনে করেন, সমাজের সদস্যদের উপর শাসককে তিনি বেশি ক্ষমতা দিয়ে ফেলেছেন, সেই শাসক, রাজা অথবা রানি অথবা সংসদ যাই হোক না কেন। তিনি যে রাষ্ট্রের বর্ণনা দিয়েছিলেন, সেখানে তাদের প্রায় অসীম ক্ষমতা ছিল নাগরিকদের উপর। শান্তি অবশ্যই কাঙ্ক্ষিত হতে পারে, কারণ হিংস্রভাবে মৃত্যুর ভয় শান্তিরক্ষাকারী ক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার করার একটি শক্তিশালী তাড়না। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা এক দল ব্যক্তির উপর এতবেশি ক্ষমতা দেয়া বিপজ্জনক হতে পারে। তিনি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন না, তিনি বিশ্বাস করতেন না যে সাধারণ মানুষদের সেই যোগ্যতা আছে যে তারা তাদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু যদি তিনি জানতেন বিংশ শতাব্দীর একনায়ক শাসকরা কী পরিমাণ হিংস্র ছিলেন, তিনি সম্ভবত তার মতপরিবর্তন করতেন। আত্মার অস্তি ত্ব অস্বীকার করা নিয়ে হবস কুখ্যাত ছিলেন। রেনে দেকার্ত, তার সমসাময়িক, এর বিপরীতটাই বিশ্বাস করতেন, তিনি মনে করতেন মন এবং শরীর, পুরোপুরি আলাদা পরস্পর থেকে। সেকারণেই হবস হয়তো ভাবতেন, দেকার্ত দর্শনের চেয়ে জ্যামিতিতে অনেক ভালো, তার শুধু জ্যামিতি চর্চা করাই উচিত ছিল (পরবর্তী একটি অধ্যায়ে আমরা দেকার্ত সম্বন্ধে জানবো)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }