Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ২ : ইউডাইমোনিয়া – আরেকটু প্লেটো

    অধ্যায় ২ : ইউডাইমোনিয়া – আরেকটু প্লেটো

    প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের এথেন্স। জমজমাট সেই শহরে বাস করতেন প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ। নাগরিকদের জন্য সেখানে ছিল চমৎকার উন্মুক্ত স্নানঘর, নাট্যমঞ্চ, উপাসনালয়, বিশাল আগোরা বা শহরের চত্বর, সারি বাঁধা বাজার, ব্যায়াম করার জিমনেশিয়াম। হ্যাঁ, কোনোকিছুরই অভাব ছিল না। শিল্পকলার নানা শাখাও সেখানে তখন উৎকর্ষ অভিমুখে, এমনকি বিজ্ঞানও। পিরাইয়াস বন্দর ছিল ভূমধ্যসাগরের অন্যতম সমুদ্রবন্দর, আর বছরের অর্ধেকের চেয়েও বেশি সময় আবহাওয়া যেখানে থাকত ঈর্ষণীয়ভাবে সহনীয়। এই শহরে বাস করতেন পৃথিবীর প্রথম সত্যিকারের—এবং অনেকের মতেই সম্ভবত শ্রেষ্ঠতম দার্শনিক, প্লেটো, পশ্চিমা দর্শনের উপর যার প্রভাবকে খাটো করে দেখা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। এই শহরেরই এক বিখ্যাত এবং বিত্তশালী পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন প্লেটো।

    প্লেটো অবশ্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন একটিমাত্র লক্ষ্য অর্জনে, বিশেষ একটি অবস্থা অর্জন করার জন্যে মানুষকে সাহায্য করতে। তিনি সেই অবস্থাটির নাম দিয়েছিলেন ইউডাইমোনিয়া (Eudaimonia)। ইউডাইমোনিয়া, এই অদ্ভুত গ্রিক শব্দটি অনুবাদ করা বেশ কঠিন। খুব সাধারণ অর্থে শব্দটি প্রায় happiness বা সুখ-এর কাছাকাছি কোনোকিছুকে বোঝায়, কিন্তু ভাবার্থে এর অর্থ ইংরেজি fulfilment শব্দটির বেশ নিকটবর্তী, যার বাংলা আমরা করতে পারি, ‘পূর্ণতা’ বা পরিপূর্ণতা’, এ-ধরনের কোনো শব্দ ব্যবহার করে। কারণ সুখ, সুখানুভবতা বা হ্যাপিনেস ইঙ্গিত দেয় নিরন্তর আনন্দ-অনুভব করার মত একটি অবস্থা, কিন্তু ‘পূর্ণতায়’ এমন কিছু পর্ব থাকে, যেখানে তীব্র কষ্ট আর যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে আমাদের অতিক্রম করতে হয়, প্লেটোর মতে একটি সার্থক সুন্দর জীবনে সেই অংশটি অপরিহার্য। বেশ, মানুষকে সেই পূর্ণতা পাবার ক্ষেত্রে সফল হবার লক্ষ্যে তাহলে প্লেটো কী প্রস্তাব করেছিলেন?

    তাঁর কাজে আমরা চারটি মূল ধারণাকে প্রাধান্য পেতে দেখি :

    এক. আরো অনেক গভীরভাবে আমাদের চিন্তা করা শিখতে হবে : প্লেটো প্রস্তাব করেছিলেন, আমাদের জীবনে সমস্যাগুলোর মূল কারণ হচ্ছে, প্রায় কখনোই আমরা যথেষ্ট পরিমাণ সতর্কতা আর যুক্তি ব্যবহার করে আমাদের পরিকল্পনাগুলো নিয়ে ভাবি না। এবং সে-কারণেই আমাদের ভাগ্যে জোটে ভুল মূল্যবোধ, ভুল পেশা এবং ভুল সম্পর্ক। প্লেটো চেয়েছিলেন আমাদের মনে শৃঙ্খলা আর সুস্পষ্টতা ফিরিয়ে আনতে। তিনি লক্ষ করেছিলেন আমাদের বহু ধারণার উৎস আসলে, ‘জনতা’, বা বলা যেতে পারে ‘অন্যরা’ কী ভাবছে সেটি; গ্রিকরা যা চিহ্নিত করেছিল ‘doxa’ শব্দটি দিয়ে, এবং ইংরেজিতে এর অর্থ আমরা করতে পারি common sense বা সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান, তবে ভাবগতভাবে এর মানে হচ্ছে সাধারণত অন্য সবাই যা ভাবে সেটাই। কিন্তু তারপরও তাঁর লেখা ৩৬টি বইয়ে প্লেটো বহুবারই দেখিয়েছিলেন যে এই তথাকথিত সাধারণ ধারণা বা কাণ্ডজ্ঞানগুলো ভ্রান্তি, পূর্বসংস্কার আর কুসংস্কারে পূর্ণ। ভালোবাসা, খ্যাতি, অর্থ কিংবা সদ্গুণাবলি সংক্রান্ত লোকপ্রিয় ধারণাগুলো আসলেই যুক্তির চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়াতে পারেনা। প্লেটো আরো লক্ষ করেছিলেন, সহজাত প্রবৃত্তি অথবা ভাবাবেগে (কোনো সিদ্ধান্তে ঝাঁপিয়ে পড়া শুধুমাত্র ‘আমরা যা অনুভব করেছি’ তার ভিত্তিতে) পরিচালিত হওয়া নিয়ে মানুষ নিজেদেরকে কত বেশি গর্বিত ভাবে, এবং তিনি সেটি তুলনা করেছিলেন চোখবাঁধা বন্য একদল ঘোড়াদের দ্বারা ভয়ংকরভাবে অনির্দিষ্ট কোনো দিকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার সাথে। ফ্রয়েড যেমন খুব আনন্দের সাথে স্বীকার করে নিয়েছিলেন, প্লেটো ছিলেন মনোবিশ্লেষণের জনক, সব চিন্তা আর অনুভূতিকে যুক্তির নিরীক্ষায় সমর্পণ করার জন্যে যিনি গুরুত্বারোপ করেছিলেন। যেমন প্লেটো বারবার লিখেছিলেন, দর্শনের মূলসারটি মূলত সেই নির্দেশটি : Know yourself বা নিজেকে জানুন (বা খুব প্রাচীন এই গ্রিক প্রবাদটি গ্রিকরা যেভাবে উচ্চারণ করতেন, নথি সেঅটন)।

    দুই. আরো বিচক্ষণতার সাথে আমাদের ভালোবাসতে হবে: মানবিক সম্পর্কগুলোকে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্লেটো ছিলেন অন্যতম সেরা দার্শনিকদের একজন। তাঁর Symposium বইটিতে ভালোবাসা আসলে কী তিনি সেটি বোঝাতে প্রচেষ্টা করেছিলেন। আর বিষয়টি বোঝাতে তিনি একটি গল্পের আশ্রয় নিয়েছিলেন, যেখানে আমরা সুদর্শন কবি আগাথনের আয়োজিত একটি নৈশভোজের দৃশ্য দেখি, এই নৈশভোজনে আগাথন তার কিছু বন্ধুকে নিমন্ত্ৰণ করেছিলেন খাওয়া, পান করা এবং ভালোবাসা সম্বন্ধে আলোচনা করার জন্যে। ভালোবাসা কী সে-বিষয়ে অতিথিদের দৃষ্টিভঙ্গিগুলো ছিল পরস্পর থেকে ভিন্ন ও বিচিত্র। প্লেটো সেখানে তাঁর পুরোনো বন্ধু ও শিক্ষক সক্রেটিসের বক্তব্যে, যিনি প্লেটোর প্রায় সব বইয়েরই প্রধান চরিত্রগুলোর একজন, সবচেয়ে উপযোগী আর কৌতূহলোদ্দীপক তত্ত্বটি উপস্থাপন করেছিলেন। তত্ত্বটি মোটামুটি এরকম : যখন আপনি কাউকে ভালোবাসবেন, তখন আসলেই যা ঘটে সেটি হচ্ছে, আপনি সেই মানুষটির মধ্যে ভালো কিছু গুণ লক্ষ করেন, যা আপনার মধ্যে অনুপস্থিত। হতে পারে তারা বেশ শান্ত প্রকৃতির, যখন কিনা আপনার মেজাজ সহজেই ক্ষিপ্ত হতে পারে, অথবা তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ হয়তো বেশি, যখন আপনার নিজের জীবনে কোনো শৃঙ্খলা নেই, অথবা তারা খুব সহজেই মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে, আপনি হয়তো ভাবনার জড়তায় আক্রান্ত। ভালোবাসার অন্তর্নিহিত কল্পনাটি হচ্ছে যে, সেই মানুষটির সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে আপনিও কিছুটা তার মতোই হয়ে উঠতে পারবেন। তারা আপনার পূর্ণ সম্ভাবনাকে বাস্তব করার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।

    প্লেটোর দৃষ্টিতে, ভালোবাসা মূলত একধরনের শিক্ষা: আপনি আসলেই কাউকে ভালোবাসতে পারবেন না, যদি আপনি তাদের দ্বারা নিজের কোনো উন্নতি সাধন করতে না চান। ভালোবাসা হওয়া উচিত দুটি মানুষের একসাথে বেড়ে ওঠার প্রচেষ্টা, আর এই বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় পরস্পরকে সহযোগিতা করার প্রক্রিয়া। তার মানে আপনার এমন কোনো মানুষের সংস্পর্শে আসা উচিত যে কিনা আপনার বিবর্তনের জন্য প্রয়োজন অনুপস্থিত অংশটি ধারণ করে; আপনার যে গুণটি নেই সেটি তারা ধারণ করে। আধুনিক সময়ের প্রেক্ষাপটে এই কথাগুলো শুনতে বেশ অদ্ভুত মনে হতে পারে, যখন আমরা ভালোবাসাকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি এমন কাউকে খুঁজে বের করা, যে কিনা ঠিক বর্তমানে যে অবস্থায় আছে সেটাই নিখুঁত। তর্কের সময় যেমন আমরা প্রায়শই প্রেমিকযুগলকে বলতে শুনি, ‘যদি তুমি আমাকে ভালোবাসতে, তাহলে আমাকে বদলাবার চেষ্টা করতে ন’। প্লেটো ঠিক একেবারে এর বিপরীতটাই ভাবতেন। তিনি আমাদের অনেক কম- মাত্রায় লড়াকু মনোভাব এবং অহংকার নিয়ে সম্পর্কে জড়াতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। তার মানে আমাদের উচিত হবে মেনে নেয়া যে, আমরা আসলে সম্পূর্ণ নই, এবং ভালোবাসার মানুষদের সুযোগ দিতে হবে আমাদের কিছু শেখানোর জন্য। একটি ভালো সম্পর্কের অর্থ হতে হবে, আমরা সেই অন্য মানুষটিকে তারা ঠিক যেরকম, সেভাবেই ভালোবাসব না। এর অর্থ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া যে আমরা তাদেরই সেরা সংস্করণে রূপান্তরিত হবার প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করব। এছাড়া ঝোড়ো আর বিপদসংকুল যাত্রাপথ, যা এর অনিবার্য অংশ, সেটিও সহ্য করার প্রতিজ্ঞা করতে হবে; একই সাথে আমাদের নিজেদের উন্নয়নের পথে তাদের কোনো প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

    তিন. সৌন্দর্যের গুরুত্ব : আমরা সবাই সুন্দর যে-কোনো কিছুই পছন্দ করি। কিন্তু আমাদের উপর সুন্দর কোনোকিছুর প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতায় তারা খানিকটা রহস্যময়। আমরা যদি সবকিছুর সাথে তুলনামূলক বিচার করি তাহলে সৌন্দর্য জীবনধারণের জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়, এমন কিছু ভাবার প্রবণতা আছে আমাদের। কিন্তু প্লেটো প্রস্তাব করেছিলেন, আপনার চারপাশে কী ধরনের ঘরবাড়ি, বা মন্দির, কিংবা পাত্র অথবা ভাস্কর্য আছে সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আর প্লেটোর আগে কেউই এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করেননি: কেন আমরা সুন্দর জিনিস পছন্দ করি? তিনি এই প্রশ্নটির একটি মনোমুগ্ধকর কারণও খুঁজে বের করেছিলেন বলে দাবি করেছিলেন: আমরা সৌন্দর্যকে চিহ্নিত করি ‘ভালো’ বা ‘শুভ’ কোনোকিছুর অংশ হিসাবে। আমরা অনেক ভালোকিছু হবার ইচ্ছা পোষণ করি: দয়ালু, নম্র, ভদ্র, ভারসাম্যময়, বৈরিতামুক্ত, শান্তিপূর্ণ, শক্তিশালী, মর্যাদাপূর্ণ, আর এগুলো হচ্ছে মানুষের মধ্যে বিদ্যমান গুণাবলি। তবে এই গুণগুলো কোনো বস্তুরও হতে পারে। আমরা আবেগাক্রান্ত এবং উদ্বেলিত হই যখন এইসব গুণাবলি কোনো জিনিসের মধ্যে খুঁজে পাই যা আমাদের জীবনে অনুপস্থিত। একারণেই আমাদের জীবনে প্রতিটি সুন্দর জিনিসেরই সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজ আছে। তারা আমাদের আমন্ত্রণ জানায় তাদের অভিমুখে বিবর্তিত হবার জন্য, তাদের মতো রূপান্তরিত হয়ে ওঠার জন্য। সৌন্দর্য আমাদের অন্তর্গত সত্তাকে শিক্ষা দিতে পারে।

    এই বিষয়টি আরো একটি দিকে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, কুৎসিত বা কদর্যতাও গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। কারণ এটি আমাদের সামনে ক্ষতিকর আর নষ্ট হয়ে যাওয়া বৈশিষ্ট্যগুলো প্রদর্শন করে। এটি আমাদের তাদের মতো হবার জন্য প্ররোচিত করে: কঠোর, বিশৃঙ্খল, শিষ্টাচারহীন। এটি দয়ালু, নম্র আর শান্তিপ্রিয় হবার পথটিকে যথেষ্ট অমসৃণ করে তোলে। প্লেটো শিল্পকলাকে দেখেছিলেন থেরাপিউটিক বা নিরাময় করতে সক্ষম এমন কোনো উপায় হিসাবে: কবি ও শিল্পীদের (বর্তমানে ঔপন্যাসিক, টেলিভিশন প্রযোজক, ডিজাইনাররা) কর্তব্য হচ্ছে সুন্দর জীবন কাটানোর জন্য আমাদের সাহায্য করা। কিন্তু শিল্পকলায় সেন্সরশিপ বা বিধিনিষেধ আরোপে বিশ্বাস করতেন প্লেটো। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি স্ববিরোধী মনে হতে পারে। কিন্তু অপেক্ষা করুন, তিনি আসলে কী বলতে চেয়েছিলেন? বেশ, তাঁর মতে, যদিও শিল্পীরা আমাদের সুন্দরভাবে বাঁচতে সাহায্য করতে পারে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তারা কিন্তু একইভাবে, সহায়ক নয় এমন দৃষ্টিভঙ্গি আর ক্ষতিকর ধারণাগুলোকেও মর্যাদাপূর্ণ করে উপস্থাপনও করতে পারে। শুধুমাত্র শিল্পী হওয়াটাই নিশ্চিত করেনা যে তারা শিল্পকলার ক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞতার পরিচয় দেবে। আর সে-কারণেই প্লেটো বিশ্বাস করতেন, শিল্পীদের কাজ করা উচিত দার্শনিকদের নির্দেশাধীন হয়ে, যারা তাদের সঠিক ধারণা দেবেন ও নির্দেশ দেবেন, যেন তারা সেই ধারণাগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য এবং জনপ্রিয় করে উপস্থাপন করে। শিল্পকলা সেই অর্থে হবে ভালোকিছুর জন্যে একধরনের প্রোপাগান্ডা বা প্রচারণা অথবা বিজ্ঞাপন।

    চার. সমাজ পরিবর্তন : একটি সরকার বা সমাজের আদর্শরূপ কী হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে প্লেটো অনেক সময় নিয়ে ভেবেছিলেন। তিনিই পৃথিবীর প্রথম ‘ইউটোপিয়া’র ভাবনা ভাবা দার্শনিক। এই ক্ষেত্রে, তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন এথেন্সের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী আরেকটি গ্রিক রাষ্ট্র, স্পার্টাকে দেখে। স্পার্টা ছিল শহরাকৃতির একটি বিশাল যন্ত্রের মতো, যার উৎপাদিত পণ্য ছিল সাহসী সৈনিক। স্পার্টাবাসীরা যা-কিছু করত, যেভাবে তারা তাদের সন্তানদের প্রতিপালন করত, যেভাবে তাদের অর্থনীতি সংগঠিত ছিল, যাদের তারা শ্রদ্ধা করত, যেভাবে তারা শারীরিক মিলন করত, তারা যা-কিছু খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করত, সবকিছুই পরিকল্পিত ছিল শুধুমাত্র এই একটি উদ্দেশ্য পূরণে। এবং সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার করলে স্পার্টা বিস্ময়করভাবে সফল ছিল। কিন্তু প্লেটো সেটা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন না, তিনি জানতে চেয়েছিলেন, কীভাবে একটি সমাজ উন্নত হতে পারে, তবে সামরিক শক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে নয় বরং এর নাগরিকদের জন্য ইউডাইমোনিয়া বা পরিপূর্ণতা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে? কীভাবে একটি রাষ্ট্র নির্ভরযোগ্য উপায়ে এর নাগরিককে সাহায্য করতে পারে পরিপূর্ণ একটি জীবন অর্জনের জন্য? তাঁর বিখ্যাত ‘দ্য রিপাবলিক’ বইটিতে প্লেটো কিছু বিষয় শনাক্ত করেছিলেন, তাঁর মতে এমন কোনো রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই বিষয়গুলো পরিবর্তন করা উচিত :

    প্রথমত, অনুকরণযোগ্য নতুন বীরের প্রয়োজন: এথেন্সের সমাজের মূল লক্ষ্য ছিল সম্পদ অর্জন করে বিত্তশালী হবার প্রচেষ্টা করা, যেমন কুখ্যাত বিত্তবান অভিজাত আলসিবিয়াডেস, কিংবা ক্রীড়াক্ষেত্রে সুপরিচিত কোনো খেলোয়াড়, যেমন মাইলো অব ক্রোটোন। প্লেটো অবশ্য এসব পছন্দ করতেন না। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন আমরা কাকে শ্রদ্ধা করব বিস্ময় বিমুগ্ধতার সাথে, সেটি নিয়ে ভাবনার প্রয়োজন আছে। কারণ বিখ্যাত এইসব ‘সেলিব্রিটিরা’ আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, ধারণা এবং আচরণকে প্রভাবিত করে, আর খারাপ অনুকরণীয় চরিত্র বা হিরোরা চরিত্রের দুর্বলতাকে মোহনীয় কোনো বৈশিষ্ট্য হিসাবে উপস্থাপন করে। সে-কারণে প্লেটো চেয়েছিলেন এথেন্সকে নতুন ধরনের সেলিব্রিটি দেবার জন্য, যারা বিদ্যমান তথাকথিত সেলিব্রিটিদের প্রতিস্থাপিত করবে আদর্শগতভাবে বিজ্ঞ এবং ভালো মানুষদের দ্বারা, যাদের তিনি নাম দিয়েছিলেন ‘গার্ডিয়ান’ বা অভিভাবক : যারা চরিত্রগতভাবে কীভাবে সুবিকশিত হতে হয়, সেই বিষয়ে সবার জন্যে অনুকরণীয় মডেল হবেন। জনকল্যাণে অবদান, নম্রতা, সুআচরণ, ভালো অভ্যাস, সব ধরনের খ্যাতি ও বিখ্যাত হবার মোহের প্রতি বিতৃষ্ণা, বিস্তৃত প্রজ্ঞা আর গভীর অভিজ্ঞতা দ্বারা তারা বিশেষায়িত হবেন। সমাজে তারাই হবেন সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় আর সম্মানিত ব্যক্তি।

    দ্বিতীয়ত, বিধিনিষেধেরও প্রয়োজন আছে আমাদের : বর্তমানে সেন্সরশিপের কথা শুনলে আমরা চিন্তিত হয়ে পড়ি। কিন্তু প্লেটো চিন্তিত ছিলেন ভুল ধরনের স্বাধীনতার প্রভাব নিয়ে। সেই সময়ে এথেন্স ছিল এমনকি সবচেয়ে খারাপতম ধারণা প্রচারণার ক্ষেত্রেও সবার জন্যে উন্মুক্ত একটি জায়গা। উন্মত্ত ধর্মীয় ধারণা, শুনতে ভালো লাগে অথচ ভয়ংকর সব ধারণা শুষে নিয়েছিল জনগণের উৎসাহ এবং যার পরিণতিতে এথেন্সবাসীদের সহ্য করতে হয়েছে ব্যর্থ সরকারব্যবস্থা এবং কুপ্ররোচনায় বিপথগামী হয়ে যুদ্ধের মুখোমুখি হতে (যেমন স্পার্টার উপর সর্বনাশা আক্রমণ)। প্লেটো বিশ্বাস করতেন নিরন্তরভাবে সংশয়াচ্ছন্ন উচ্চকণ্ঠের বিশৃঙ্খলা আসলেই এথেন্সবাসীদের জন্য মঙ্গলজনক নয়, সুতরাং তিনি এইসব রাজনৈতিক বক্তাদের এবং বিপদজ্জনক ধর্মপ্রচারকদের কর্মকাণ্ডগুলো নিয়ন্ত্রণ করার পক্ষপাতী ছিলেন। আজকের যুগের গণমাধ্যমের শক্তি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই প্লেটো খুব বেশি সংশয়গ্রস্থ হয়ে পড়তেন।

    তৃতীয়ত, সুশিক্ষার ব্যবস্থা করা : প্লেটো শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত করার ব্যাপারে তীব্র উৎসাহী ছিলেন, কিন্তু তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল পাঠ্যসূচির উপর বিশেষভাবে নজর দেয়া। শুধুমাত্র গণিত বা বানান শিক্ষা নয়, কীভাবে আরো ভালো মানুষ হওয়া যায় শিক্ষার্থীদের আমাদের সেটা শেখানো প্রয়োজন: সাহস, আত্মনিয়ন্ত্রণ, যৌক্তিকতা, স্বাধীনতা, আত্মনির্ভরশীলতা ও সুস্থির মেজাজ কীভাবে অর্জন করা যায় সেই সবকিছুও শেখা প্রয়োজন। তার এই ধারণাটিকে বাস্তবে রূপ দেবার জন্য প্লেটো একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এথেন্সে, ‘দি একাডেমি’। প্ৰায় ৪০০ বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠানটি সফলতার সাথে টিকে ছিল। কীভাবে বাঁচতে হয় আর ভালোভাবে মরতে হয় শুধুমাত্র সেটা শেখার জন্যেও সেখানে জড়ো হতো শিক্ষার্থীরা। বিস্ময়কর এবং খানিকটা দুঃখজনক যে কীভাবে বর্তমানের আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এই উচ্চাকাঙ্ক্ষাগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এখন যদি কোনো ছাত্র অক্সফোর্ড কিংবা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে হাজির হয় কীভাবে বাঁচতে হবে সেটা শেখার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অধ্যাপকরা পুলিশ ডাকবেন অথবা তার জায়গা হয়ে মানসিক রোগীদের আশ্রমে।

    চতুর্থত, উত্তম শৈশব : যদিও অনেক পরিবার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে, আর কখনো কখনো শিশুরা ভাগ্যবানও হয় ভালো পরিবার পাবার ক্ষেত্রে, যাদের পিতামাতা সুস্থির ভারসাম্যময় ভালো শিক্ষক, যারা সত্যিকারভাবে বিজ্ঞ এবং নির্ভরযোগ্যভাবেই প্রাপ্তবয়স্ক, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পিতামাতারা তাদের সব সংশয় আর ব্যর্থতা সংক্রমিত করেন তাদের সন্তানদের মধ্যে। প্লেটো মনে করতেন শিশুদের সঠিকভাবে প্রতিপালন করার কাজটি হচ্ছে সবচেয়ে কঠিনতম (এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) দক্ষতাগুলোর একটি। প্লেটো তীব্রভাবে সমব্যথী ছিলেন সেইসব শিশুদের প্রতি যাদের পারিবারিক পরিবেশ তাদের পূর্ণবিকাশের প্রতি বৈরী। সুতরাং তিনি প্রস্তাব করেছিলেন বহু শিশুর জন্য বাস্তবিকভাবে অনেক উত্তম হবে যদি জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিগুলো তারা তাদের পিতামাতা থেকে গ্ৰহণ না করে বরং কোনো বিজ্ঞ অভিভাবকের কাছ থেকে গ্রহণ করে, যে অভিভাবকদের রাষ্ট্র আর্থিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করবে সেই কাজটি করার জন্য। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন পরবর্তী প্রজন্মের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে প্রতিপালন করবে এমন অভিভাবকরা যারা তাদের নিজেদের পিতামাতা থেকে অনেক বেশি যোগ্য।

    প্লেটো আর সক্রেটিস, দুজনকে নিয়েই প্রায়শই সংশয়াচ্ছন্ন হতে দেখা যায়। সক্রেটিস ছিলেন প্লেটোর বন্ধু ও শিক্ষক, যার কাছ থেকে প্লেটো অনেককিছুই শিখেছিলেন। সক্রেটিস কোনোকিছু লিখে যাননি, তবে প্লেটো প্রচুর বই লিখে গেছেন, যাদের প্রায় প্রত্যেকটিতে অন্যতম প্রধান একটি চরিত্র সক্রেটিস। প্লেটো ধারণাগুলো এখনও গভীরভাবে উদ্দীপক এবং আকর্ষণীয়। সেই ধারণাগুলোকে একীভূত করে তাদের আদর্শবাদিতা আর উচ্চাকাঙ্ক্ষা। তিনি চেয়েছিলেন দর্শন আমাদের সাহায্য করবে পৃথিবীকে পরিবর্তন করতে। তার এই উদাহরণের দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া আমাদেরও উচিত হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }