Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ২০ : ঘরের মধ্যে হাতি – জর্জ বার্কলি (এবং জন লক)

    কখনো কি ভেবে দেখেছেন, যখন আপনি ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দেন, আর কেউ যদি না দেখে, তাহলে কি আসলেই ফ্রিজের ভিতর লাইটটা বন্ধ হয়ে যায়? আপনি কীভাবে সেটি নিশ্চিত হয়ে বলতে পারেন? হয়তো আপনি একটা রিমোট ক্যামেরা ফ্রিজের ভিতর লাগিয়ে নিতে পারেন, কিন্তু তারপর কী হবে, যদি আপনি ক্যামেরাটা বন্ধ করে দেন? যেমন ধরুন সেই বিখ্যাত প্রশ্নটি, বনের মধ্যে কোনো গাছ পড়ে গেলে কী হয়, সেই পড়ার শব্দ শোনার মতো কেউ যদি সেখানে না থাকে? আসলেই কি সেখানে শব্দ হয়? আপনি কীভাবে জানেন যে-ঘরটিতে আপনি থাকেন, আপনি সেখানে না-থাকলেও সেটি সবার অলক্ষ্যে তার অস্তিত্ব অব্যাহত রাখে? হয়তো আপনি যখন সেখানে থাকেন না, আর কেউ যদি সেটি না দেখে, তাহলে সেটি অদৃশ্য হয়ে যায়। আপনি হয়তো কাউকে আপনার হয়ে নজর রাখতে বলতে পারেন। কঠিন প্রশ্নটি হচ্ছে: এটি কি তার অস্তিত্ব অব্যাহত রাখে যখন ‘কেউ’ সেটি লক্ষ করে না? খুব স্পষ্ট নয় কীভাবে আপনি এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারবেন। আমরা অধিকাংশই মনে করি কোনো বস্তুর অস্তিত্ব অব্যাহত থাকে এমনকি যখন কেউ সেটির উপর নজর না রাখে, কারণ এটাই সরলতম উত্তর। এছাড়া আমরা অধিকাংশই মনে করি যে, পৃথিবীটি আমরা লক্ষ করছি সেটির অস্তিত্ব শুধুমাত্র আমাদের মনেই নয়, বাইরেও সেটির অস্তিত্ব আছে।

    যদিও আইরিশ দার্শনিক জর্জ বার্কলির (১৬৮৫-১৭৫৩) মতে, যিনি ক্লয়েনের (আয়ারল্যান্ডের একটি শহর) বিশপ হয়েছিলেন, কোনোকিছু যা আর পর্যবেক্ষণ করা হয়না, তার আর অস্তিত্বও থাকেনা। যেমন, যদি কোনো মন প্রত্যক্ষভাবে সচেতন না থাকে যে বইটা আপনি পড়ছেন, এটির আর কোনো অস্তিত্ব থাকেনা। যখন আপনি বইটির দিকে তাকাচ্ছেন, আপনি বইটি দেখতে পাচ্ছেন এবং পৃষ্ঠাগুলো স্পর্শ করতে পারছেন, কিন্তু বার্কলির জন্য এর মানে হচ্ছে, আপনি কিছু অভিজ্ঞতা লাভ করছেন। এর মানে এটা নয় যে পৃথিবীতে বাইরে এমন কিছু আছে যা এইসব অভিজ্ঞতার কারণ হচ্ছে। বইটি হচ্ছে শুধুমাত্র আপনার এবং অন্যদের মনে কিছু ধারণার সমষ্টি (এবং হয়তো ঈশ্বরের মনে), এমন কিছু না যা আপনার মনের বাইরে ৷ বার্কলির মতে আমাদের বাইরের কোনো পৃথিবীর ধারণা অর্থহীন I বার্কলির এইসব কথাগুলো কিন্তু আমাদের সহজাত ধারণার সাথে মেলেনা। নিশ্চয়ই চারপাশেই আমাদের ঘিরে আছে বহু জিনিস যাদের অস্তিত্বের কোনো হেরফের হয় না, কেউ তাদের ব্যাপারে সচেতন থাকুক বা না থাকুক, তাইনা? বার্কলি তেমন ভাবতেন না।

    বোধগম্যভাবেই, যখন বার্কলি তাঁর তত্ত্বগুলো নিয়ে লেখালেখি শুরু করেছিলেন, বহু মানুষই মনে করেছিলেন তিনি হয়তো মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। বাস্তবিকভাবেই, কেবল তার মৃত্যুর পরে তার ধারণাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ভেবেছিলেন দার্শনিকরা এবং তারা বুঝতে পেরেছিলেন তিনি আসলে কী করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর সমসাময়িক বিখ্যাত স্যামুয়েল জনসন যখন বার্কলির তত্ত্ব সম্বন্ধে শুনেছিলেন, তিনি রাস্তায় একটা পাথরকে জোরে লাথি মেরে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘আমি এভাবেই এটি ভুল প্রমাণ করলাম’। জনসনের মূল কথাটি ছিল অবশ্যই নানা জিনিসের অস্তিত্ব আছে এবং শুধুমাত্র ধারণা বা আইডিয়া দিয়ে তারা তৈরি না, সুতরাং বার্কলি অবশ্যই ভুল। কিন্তু বার্কলির বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ নিয়ে জনসন যতটা ধারণা করেছিলেন, তিনি তার চেয়েও বুদ্ধিমান ছিলেন। আপনার পায়ে পাথরের শক্ত ঘনত্ব অনুভব করলেই সেটি জড় উপাদানগুলোর অস্তিত্ব প্রমাণ করেনা, শুধুমাত্র শক্ত পাথরের ‘ধারণার’ অস্তিত্ব ছাড়া। শুধুমাত্র বার্কলির জন্যে আমরা যাকে পাথর বলছি সেটি অনুভূতির জন্ম দেয়া, তা ছাড়া আর কিছু নয়। সত্যিকারের ‘বাস্তব’ কোনো পাথর নেই যা আমাদের পায়ের ব্যথার অনুভূতির কারণ হচ্ছে। আসলেই আমাদের যা ধারণাগুলো আছে তার বাইরে কোনো বাস্তবতা নেই।

    বার্কলিকে মাঝে মাঝে বর্ণনা দেয়া হয় একজন ‘আইডিয়ালিস্ট’ হিসাবে এবং কখনো “ইমম্যাটেরিয়ালিস্ট’ হিসাবে। তিনি আইডিয়ালিস্ট কারণ তিনি বিশ্বাস করেন শুধুমাত্র আইডিয়া বা ধারণার অস্তিত্ব আছে। আর তিনি ইমম্যাটেরিয়ালিস্ট, কারণ তিনি বাস্তব জড় পদার্থের অস্তিত্ব অস্বীকার করেছিলেন। এই বইতে আলোচনা করা হয়েছে এমন বহু দার্শনিকের মতোই তিনি আমরা যা দেখি আর বাস্তবতার মধ্যে সম্পর্ক দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন। অধিকাংশ দার্শনিকরা, তিনি বিশ্বাস করতেন, এই সম্পর্কের ব্যাপারে ভুল সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। বিশেষ করে তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন এই পৃথিবীর সাথে আমাদের চিন্তাগুলো কীভাবে সম্পর্কযুক্ত সে-ব্যপারে জন লক ভুল বলেছেন। লকের ধারণাগুলোর সাথে বার্কলির ধারণাগুলোর তুলনা করলে আমরা বার্কলির দৃষ্টিভঙ্গি সহজে বুঝতে পারব

    জন লক ভাবতেন, আপনি যদি কোনো হাতির দিকে তাকান, আপনি হাতিটিকে দেখতে পারছেন না। যাকে আপনি হাতি হিসাবে ভাবছেন এটি আসলে একটা রিপ্রেজেন্টেশন বা প্রতিনিধি, লক যা দাবি করেছিলেন আপনার মনের একটি ধারণার প্রতিফলন হিসাবে, অনেকটা একটা হাতির ছবি বা ইমেজের মতো। লক ‘আইডিয়া’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন সেই সবকিছু বোঝাতে যা আমাদের পক্ষে ভাবা কিংবা ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভব করা সম্ভব হতে পারে। আপনি যদি কোনো ধূসর হাতি দেখেন, তার ধূসরত্ব শুধুমাত্র এমন কিছু না যা হাতিটির মধ্যে আছে, কারণ ভিন্ন আলোতে এটিকে দেখতে ভিন্নরকম মনে হয়। এই ধূসরত্বকে লক বলেছিলেন secondary quality, এটি তৈরি হয় হাতির কিছু বৈশিষ্ট্য এবং আমাদের ইন্দ্রিয়গুলোর সংমিশ্রণে, এই ক্ষেত্রে আমাদের চোখ, হাতির চামড়ার রঙ, এর চামড়ার বৈশিষ্ট্য, এর মলের গন্ধ সবকিছুই এর আনুষঙ্গিক গুণাবলি বা সেকেন্ডারি কোয়ালিটি।

    প্রাথমিক গুণাবলি, যেমন কোনোকিছুর আকার আকৃতি, লকের মতে পৃথিবীর সবকিছুর সত্যিকার বৈশিষ্ট্য। প্রাথমিক গুণাবলিগুলোর ধারণাগুলো সেইসব জিনিসগুলোরই সদৃশ। আপনি যদি বর্গাকার কোনোকিছু দেখেন, তাহলে সত্যিকারের যে জিনিসটি আপনার মনে ধারণার জন্ম দেবে সেটিও বর্গাকার হবে। কিন্তু আপনি যদি একটি লাল বর্গাকার কিছু দেখেন, বাস্তব পৃথিবীর সেই সত্যিকারের জিনিসটি যা আপনি দেখতে পাচ্ছেন সেটি লাল নয়, সত্যিকারের জিনিসটি রঙহীন; রঙের অনুভূতি, লক বিশ্বাস করতেন সৃষ্টি করে আসলে বস্তুটির আণুবীক্ষণিক গঠন এবং আমাদের দৃষ্টি ক্ষমতার সম্মিলন ৷

    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা আছে, যদিও। লক বিশ্বাস করতেন যে, আসলেই আমাদের বাইরে একটি জগৎ আছে, যে জগৎটিকে বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করেন ব্যাখ্যা করতে, কিন্তু লক দাবি করতেন আমরা শুধুমাত্র সেটি করতে পারি পরোক্ষভাবে। তিনি ছিলেন রিয়েলিস্ট বা বাস্তববাদী, তিনি সত্যিকারের একটি পৃথিবীর অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন এবং এই বাস্তব পৃথিবীটি তার অস্তিত্ব অব্যাহত রাখে এমনকি যখন কেউই সেটির সম্বন্ধে সচেতন নাও থাকে। লকের কাছে সমস্যা হচ্ছে সেই পৃথিবীটা কেমন সেটি জানা। তিনি মনে করতেন যে প্ৰাথমিক গুণাবলি সংক্রান্ত আমাদের ধারণাগুলোর, যেমন কোনোকিছুর আকার-আকৃতি বাস্তব কোনোকিছু সম্বন্ধে একটি ভালো চিত্র দেয়। কিন্তু কীভাবে সেটি তার পক্ষে বলা সম্ভব হতে পারে? একজন এমপিরিসিস্ট হিসাবে, যিনি বিশ্বাস করেন আমাদের সব জ্ঞানের উৎস হচ্ছে আমাদের অভিজ্ঞতা, তার কাছে ভালো প্ৰমাণ থাকা উচিত তার দাবির পক্ষে যে, প্রাথমিক গুণাবলিগুলো আসলেই বাস্তব পৃথিবীর সদৃশ। কিন্তু তার তত্ত্ব ব্যাখ্যা করেনি সত্যিকারের পৃথিবী কেমন সেটি তিনি কীভাবে জানতে পারেন, কারণ আমরা সেখানে গিয়ে সেটি যাচাই করতে পারিনা। তিনি কীভাবে নিশ্চিত হবেন, প্রাথমিক গুণাবলির ধারণাগুলো, যেমন আকার আকৃতি, বাইরের সত্যিকার পৃথিবীর গুণাবলির সদৃশ? বার্কলির দাবিটি বরং সঙ্গতিপূর্ণ বেশি, লকের ব্যতিক্রম তিনি ভাবতেন যে, আমরা সরাসরি পৃথিবীটাকে অনুভব করি। এর কারণ পৃথিবী আর কিছুই না ধারণা ছাড়া। সমস্ত অভিজ্ঞতায় যা আছে এটা ততটুকুই। অন্যভাবে বললে পৃথিবী এবং এর মধ্যে বিদ্যমান সবকিছুরই অস্তিত্ব আছে শুধু মানুষের মনে।

    যা-কিছু আপনি অভিজ্ঞতালব্ধ হন, এবং ভাবেন, একটি চেয়ার অথবা একটি টেবিল, ৩ সংখ্যাটি ইত্যাদি, সবকিছুই বার্কলি মনে করেন, অস্তিত্বশীল শুধু আমাদের মনে। কোনো একটি বস্তু হচ্ছে ধারণার সমষ্টি যা আপনি এবং অন্য মানুষরা সেটি সম্বন্ধে ভাবেন। এর বাইরে আর কোনো অস্তিত্ব নেই। যদি কেউ না থাকে সেটি দেখা অথবা শোনার জন্য, তার কোনো অস্তিত্বও আর থাকে না কারণ কোনোকিছুই মানুষ (এবং ঈশ্বর) সেটি সম্বন্ধে যা ভাবেন তার বেশি কিছু না। বার্কলি তার সেই অদ্ভুত প্রস্তাবনাটি সংক্ষিপ্ত রূপ দেন ল্যাটিন ভাষায় একটি বাক্যে, Esse est percipi – to be (or exist ) is to be perceived. কোনোকিছুর অস্তি ত্বের জন্য প্রয়োজন সেটি অনুভূত (পর্যবেক্ষিত) হওয়া।

    সুতরাং ফ্রিজের লাইট অবশ্যই জ্বলতে থাকবে না, এবং জঙ্গলে কোনো গাছ পড়ে গেলেও কোনো শব্দ করবে না, যদি সেখানে কোনো সচেতন মন না থাকে বিষয়টির অভিজ্ঞতা লাভ করার জন্য। বিষয়টি এমনই একটা সুস্পষ্ট উপসংহার মনে হতে পারে আমরা বার্কলির immaterialism থেকে পেতে পারি, কিন্তু তিনি নিজে কিন্তু ভাবেননি যে, কোনোকিছু ক্রমাগত অস্তিত্ব লাভ করে আবার অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। এমনকি তিনি শনাক্ত করেছিলেন সেটি খুব অদ্ভুত ব্যাপার হবে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ঈশ্বর আমাদের ধারণাগুলোর অব্যাহত অস্তিত্বের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। ঈশ্বর নিরন্তরভাবে এই পৃথিবীতে নানা জিনিস অনুভব করে যাচ্ছেন, আর সেজন্যই তাদের অব্যাহত অস্তিত্ব আছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনাপর্বে এটি চমৎকারভাবে প্রকাশ করা হয়েছে একজোড়া লিমেরিকের মাধ্যমে, প্রথমটি, যেখানে মূলত বোঝানো হয়েছে সেই ধারণাটির অসারতা, কোনো একটি গাছের অস্তিত্ব থাকে না যদি সেটি কেউ না পর্যবেক্ষণ করে।

    There once was a man who said ‘God
    Must think it exceedingly odd
    If he finds that this tree
    Continues to be
    When there’s no one about in the Quad.’

    (একবার এক মানুষ যিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের কাছে
    অবশ্যই খুব বেশি অদ্ভুত মনে হয়
    যদি তিনি দেখেন এই গাছটি
    ঠিকই তার জায়গায় আছে
    যখন চত্বরে কেউ নেই।)

    অক্সফোর্ড কলেজে ঘাসের চত্বর (quad বলা হয়) বেশ ভালোভাবেই বার্কলির ধারণাটিকে ব্যাখ্যা করেছে। তার তত্ত্বের কঠিনতম বিষয় যা মানতে কষ্ট হয়, সেটি হচ্ছে কোনো একটি গাছের অস্তিত্ব সেখানে থাকবে না যদি কেউ সেটির অস্তিত্ব সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভ না করে (কেউ যদি না দেখে) এবং পরের লিমেরিকে সমাধান দিচ্ছে ঈশ্বর থেকে আসার একটি বার্তা:

    Dear Sir, Your astonishment’s odd :
    I am always about in the Quad.
    And that’s why the tree
    Will continue to be,
    Since observed by Yours faithfully, God.
    (প্রিয় মহোদয়, আপনার বিস্ময়টি অদ্ভুত
    আমি সবসময়ে চত্বরে উপস্থিত
    আর সেকারণে গাছটি
    তার জায়গায় স্থির থাকবে,
    কারণ সেটি পর্যবেক্ষণ করছে আপনার একান্ত বিনীত, ঈশ্বর।)

    যদিও বার্কলির জন্য একটি সুস্পষ্ট সমস্যা হচ্ছে ব্যাখ্যা করা কীভাবে আমরা কখনোই কোনো বিষয়ে ভ্রান্ত হতে পারি। যদি আমাদের শুধু ধারণাই থাকে, এবং তার বাইরে কোনো জগৎ না থাকে, আমরা কীভাবে সত্যিকারের কোনো বস্তুর সাথে চোখের বিভ্রমকে আলাদা করতে পারি? তার উত্তর ছিল, অভিজ্ঞতার পার্থক্য দিয়ে, যাকে আমরা বাস্তব বলছি আর যাকে বিভ্রম বলছি, এই দুই অভিজ্ঞতার মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে যখন আমরা ‘বাস্তব’ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভ করি, আমাদের ধারণাগুলো পরস্পরবিরোধী হয়না। যেমন, যদি আপনি কোনো পানির উপর একটি দাঁড়কে (নৌকার) বের হয়ে আসতে দেখেন, এটি দেখতে হয়তো বাঁকা মনে হবে যেখানে এটি পানির উপরে ভেসে উঠেছে। লকের মতো রিয়েলিস্টদের মতে সত্যিটা হচ্ছে দাঁড়টি সোজাই তবে এটি শুধুমাত্র দেখতে বাঁকা লাগছে। বার্কলির মতে, আমাদের বাঁকা দাঁড়-সংক্রান্ত একটি ধারণা আছে, কিন্তু আমরা যদি পানিতে হাত ডুবিয়ে এটিকে স্পর্শ করি, সেই ধারণার সাথে এটি বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। আমরা তখন এটি সোজাই অনুভব করি।

    বার্কলি অবশ্য তাঁর সবসময় কাটাননি শুধুমাত্র immaterialism সমর্থন করে। তার জীবনে অবশ্যই এর বাইরেও বেশকিছু ছিল, খুব সামাজিক এবং আলাপী মানুষ ছিলেন তিনি, তার কাছের বন্ধু ছিলেন ‘গালিভার্স ট্রাভেলস’-এর লেখক জোনাথন সুইফট। তার জীবনের শেষদিকে তিনি একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছিলেন, বারমুদা দ্বীপে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছা, সেটি সফল হয়নি, তবে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর নামে আমেরিকার পশ্চিম-উপকূলে ক্যালিফোর্নিয়াতে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল একটি বিশ্ববিদ্যালয় (বার্কলি)। আমেরিকাকে নিয়ে তার লেখা একটি কবিতা যার একটি পংক্তি, Westward the course of empire takes its way অনুপ্রাণিত করেছিল এর এক প্রতিষ্ঠাতাকে। হয়তো বার্কলির ইমম্যাটেরিয়ালিজমের আরো অদ্ভুত ছিল তাঁর শেষজীবনের অন্য বিচিত্র আগ্রহগুলো, যেমন টার ওয়াটারের স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে তার প্রচারণা। টার ওয়াটার (পাইন কাঠ পোড়ানোর পর বের হয়ে আসা তেল, পাইন টার ও পানির মিশ্রণ), আমেরিকার লোক-চিকিৎসায় ব্যবহৃত হওয়া ঔষধটিকে মনে করা হতো সর্বরোগের নিরাময়কারী। তিনি এমনকি এর গুণগান করে দীর্ঘ কবিতাও লিখেছিলেন। যদিও সেই সময় টার ওয়াটার জনপ্রিয় ছিল, এমনকি বেশকিছু অসুখের নিরাময় করতেও সক্ষম হয়েছিল এর মৃদু রোগজীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্যের জন্যে, কিন্তু বর্তমানে আর এটি জনপ্রিয় নয়। বার্কলির আইডিয়ালিজমও তেমন কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে বার্কলি হচ্ছেন সেইসব দার্শনিকদের একজন, যারা কোনো একটি যুক্তিকে অনুসরণ করেছেন সেটি তাদের যেদিকেই নিয়ে যাক না কেন, এমনকি যখন সেটি এমন কোনো উপসংহারের দিকে নিয়ে যায়, আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান যা সমর্থন করতে দ্বিধাবোধ করে। যাই হোক খুব কম দার্শনিকই বার্কলির ধারণা সহ্য করেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }