Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ২৭ : বাস্তবতার ক্ষণিক দর্শন – আর্থার শোপেনহাউয়ার

    জীবন যন্ত্রণার এবং না-জন্মানো সম্ভবত সবচেয়ে ভালো হতো, খুব কম মানুষেরই এমন হতাশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি আছে, কিন্তু আর্থার শোপেনহাউয়ার (১৭৮৮-১৮৬০)- এর তেমন ছিল। তাঁর মতে, আমরা সবাই কোনোকিছু পাবার কামনা এবং পাবার পর, আবারো আরো বেশিকিছু কামনা করার আশাহীন চক্রে আবদ্ধ হয়ে আছি। আমাদের মৃত্যু অবধি এটি চলমান। যখনই মনে হয় আমরা যা চাই সেটা পাই, আমরা অন্যকিছু পাওয়ার বাসনা অনুভব করতে শুরু করি। আপনি হয়তো ভাবছেন আপনি সন্তুষ্ট হবেন একজন লক্ষপতি হলে, কিন্তু বেশিদিন আপনার সন্তুষ্টি থাকবে না। আপনার যা নেই বা যা পাননি আপনি সেটাই কামনা করতে শুরু করবেন। মানুষ এমনই। আমরা কখনোই সন্তুষ্ট নই, আমাদের যা আছে তার চেয়ে বেশি কামনা করতে আমরা কখনোই থামাতে পারিনা। পুরো ব্যাপারটাই খুব হতাশাজনক। ঊনবিংশ শতাব্দীর এই জার্মান দার্শনিক, আজো চিন্তার জগতে স্মরণীয় হবার দাবি রাখেন, তার সবচেয়ে সেরা কাজ, The World as Will and Representation-এ অন্তর্ভুক্ত অন্তর্দৃষ্টিগুলোর জন্য। শুনলে যতটা মনে হতে পারে শোপেনহাউয়ারের দর্শন কিন্তু এতবেশি হতাশাপূর্ণ নয়। তিনি ভাবতেন আমরা যদি বাস্তবতার সত্যিকারের প্রকৃতিটা শুধুমাত্র শনাক্ত করতে পারি, তাহলে খুব ভিন্নভাবে আচরণ করতাম এবং হয়তো মানব পরিস্থিতির অপেক্ষাকৃত বিষণ্ণ হতাশাজনক কিছু পরিস্থিতি এড়াতে পারতাম। তাঁর বার্তাগুলো বুদ্ধের বার্তার বেশ কাছাকাছি। বুদ্ধ শিক্ষা দিয়েছিলেন যে, আমাদের পুরো জীবনটাই যন্ত্রণার আর আরো গভীরতর স্তরে এমন কোনোকিছু নেই যাকে আমরা বলতে পারি the self; যদি আমরা সেটি শনাক্ত করতে পারি, তাহলে আলোকপ্রাপ্ত হতে পারব। এই সদৃশতা কাকতলীয় নয়, বেশিরভাগ পশ্চিমা দার্শনিকদের ব্যতিক্রম, প্রাচ্যের দর্শন নিয়ে প্রচুর লেখাপড়া করেছিলেন শোপেনহাউয়ার। তার ডেস্কের উপর এমনকি একটি বুদ্ধের মূর্তি ছিল, তাঁর আরেক প্রিয় দার্শনিক কান্টের মূর্তির ঠিক পাশে, এবং যিনি তাকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছিলেন। শোপেনহাউয়ারই প্রথম পশ্চিমা দার্শনিক যিনি বুদ্ধের দর্শন নিয়ে সত্যিকারভাবে ভেবেছিলেন। তাঁর চিন্তাকে এমনকি পড়া যেতে পারে বুদ্ধের চিন্তায় আলোকপ্রাপ্ত হতাশাবাদের ব্যাখ্যা অথবা প্রতিক্রিয়া হিসাবে।

    কিন্তু কান্ট বা বুদ্ধের ব্যতিক্রম শোপেনহাউয়ার বেশ খানিকটা বিষণ্ণ, আত্মাভিমানী এবং বেশ জটিল ছিলেন তার আচরণে। বার্লিনে যখন প্রভাষকের একটি চাকরি পেয়েছিলেন, তিনি তাঁর প্রতিভা নিয়ে এতই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে তিনি দাবি করেছিলেন তাঁর লেকচারগুলো যেন ঠিক সেই সময়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয় যখন হেগেল-এর লেকচার হয়। অবশ্যই এটা তাঁর সেরা ধারণা ছিল না, কারণ হেগেল খুবই জনপ্রিয় ছিলেন তাঁর ছাত্রদের কাছে। বলতে গেলে কেউই শোপেনহাউয়ারের লেকচারে উপস্থিত হননি। অন্যদিকে হেগেলের ক্লাসরুমে জায়গা দেয়াই ছিল সমস্যা। পরে শোপেনহাউয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যান, এবং উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদের উপর নির্ভর করেই তিনি তার বাকি জীবন কাটিয়েছিলেন। তার সবচেয়ে সেরা বই The World as Will and Representation প্রকাশিত হয়েছিল ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে, কিন্তু তিনি এই বইটির উপর কাজ করে গেছেন বহুবছর, ১৮৪৪ সালে আরো বর্ধিত আকারে এটি পুনঃপ্রকাশিত হয়। বইটির কেন্দ্রে মূল ধারণাটি খুব সরল। বাস্তবতার দুটি দিক আছে। এটি Will এবং Representation এই দুটি রূপেই বিদ্যমান। উইল হচ্ছে সেই অন্ধ পরিচালক শক্তি যা অবশ্যই পাওয়া যায় সবকিছুর মধ্যে যাদের অস্তিত্ব আছে, এটি হচ্ছে সেই শক্তি যা উদ্ভিদ বা প্রাণীর বৃদ্ধির কারণ, কিন্তু এটি চুম্বককে উত্তরমুখী করার কিংবা রাসায়নিক যৌগে স্ফটিক তৈরি হবারও শক্তি। আরেকটি দিক, পৃথিবী Representation রূপে, এটি সেই পৃথিবী, যেভাবে আমরা এর সম্বন্ধে অভিজ্ঞতালব্ধ হই।

    রিপ্রেজেন্টেশনরূপে পৃথিবী আমাদের মনের মধ্যে আমাদেরই নির্মাণ করা বাস্তবতা, কান্ট যাকে বলেছিলেন phenomenal world; আপনার চারপাশে তাকিয়ে দেখুন, কোনো জানালা দিয়ে হয়তো আপনি গাছ দেখতে পারছেন, মানুষ অথবা গাড়ি, অথবা আপনার সামনে এই লেখাগুলো, হয়তো আপনি পাখির ডাক কিংবা রাস্তায় যানবাহন চলাচলের আওয়াজ শুনতে পারছেন, অথবা অন্য ঘর থেকে ভেসে আসা শব্দ। ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে আপনি যে অভিজ্ঞতা লাভ করছেন সেটাই World as Representation (প্রতিনিধি করছে এমন পৃথিবী)। সবকিছু বোঝার জন্য সেটি আপনার উপায়, যার জন্য আপনার সচেতনতা প্রয়োজন। আপনার মন সেই অভিজ্ঞতাগুলোকে সাজায় তাদের অর্থবহ করে তোলার জন্য। এই World as Representation-এ আমাদের বসবাস। কিন্তু কান্টের মতো শোপেনহাউয়ার বিশ্বাস করতেন যে আরো গভীর একটি বাস্তবতা আছে যার অস্তিত্ব আছে আপনার অভিজ্ঞতার বাইরেও, সবকিছু আপাতদৃষ্টিতে যা দেখায় তার বাইরে, কান্ট যার নাম দিয়েছিলেন noumenal পৃথিবী। এবং তিনি ভাবতেন এর সাথে আমাদের কোনো সরাসরি যোগাযোগ নেই। কিন্তু শোপেনহাউয়ারের মতে World as Will হচ্ছে খানিকটা কান্টের noumenal জগতের মতো, যদিও গুরুত্বপূর্ণ কিছু পার্থক্য আছে। কান্ট noumena নিয়ে লিখেছিলেন, যা noumenon- এর বহুবচন। তিনি ভেবেছিলেন বাস্তবতার একাধিক অংশ থাকতে পারে। অবশ্য কীভাবে কান্ট সেটি জেনেছিলেন সেটি স্পষ্ট নয়, বিশেষ করে যখন তিনি ঘোষণা করেছিলেন noumena জগৎটি আমাদের ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর ব্যতিক্রম শোপেনহাউয়ার মনে করতেন আমাদের পক্ষে এমন কিছু ধারণা করা সম্ভব না যে noumena-র বাস্তবতা আদৌ বিভাজিত করে কিনা, কারণ এই ধরনের বিজ্ঞানের জন্যে দরকার স্থান ও কাল, বাস্তবতায় এর নিজের অস্তিত্ব থাকার পরিবর্তে কান্ট বিশ্বাস করতেন সেটি প্রদান করে কোনো একক মন। এর পরিবর্তে শোপেনহাউয়ার World as Will-কে ব্যাখ্যা করেন একক, ঐক্যবদ্ধ, লক্ষ্যহীন শক্তি, যার অস্তিত্ব আছে এমন সবকিছুর পেছনে থাকে। আমরা এই জগৎটাকে দেখতে পারি আমাদের নিজেদের কাজের মাধ্যমে এবং শিল্পকলায়, আমাদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমেও। আপাতত এটা পড়া বন্ধ করুন, আপনার মাথায় হাত দিন, কী ঘটল? আপনাকে দেখছে এমন কেউ দেখবে যে আপনার হাত উপরে উঠল, এবং আপনি মাথায় হাত রাখলেন। যদি কোনো আয়নায় দেখেন আপনিও একই জিনিস দেখবেন। এটাই phenomenal world-এর একটি বিবরণ, World as Representation; যদিও ‘শোপেনহাউয়ার-এর মতে, আমাদের শরীর নাড়াবার অভিজ্ঞতার একটি অভ্যন্তরীণ দিক আছে, সাধারণভাবে ফেনোমেনাল জগতটাকে আমরা যেভাবে অনুভব করি (ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভূত জগৎটার চেয়ে) তার চেয়ে ভিন্নভাবে অনুভব করতে পারি। আমরা World as Will-এর সরাসরি অভিজ্ঞতা নিতে পারিনা, কিন্তু আমরা সেটার খুব কাছাকাছি আসি যখন আমরা পরিকল্পিতভাবে কোনো কাজ করি, যখন আমরা শরীরের কোনো কাজ করার জন্য ইচ্ছা পোষণ করি সেটি ঘটানোর জন্যে। আর সেকারণে তিনি Will বা ইচ্ছা শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন বাস্তবতার বিবরণ দিতে, এমনকি যদিও এটি শুধুমাত্র মানবিক পরিস্থিতিতে যখন এই শক্তির কোনো যোগসূত্রতা থাকে কোনোকিছু ইচ্ছাকৃতভাবে করার সাথে, উদ্ভিদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে বাড়ে না, রাসায়নিক ক্রিয়াও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ঘটেনা। একারণে অনুধাবন করা গুরুত্বপূর্ণ যে Will শব্দটি সাধারণ অর্থে যেভাবে ব্যবহার করা হয় এটি তার থেকে আলাদা।

    যখন কেউ কোনোকিছু ইচ্ছা পোষণ করে তাদের মনের ভিতর একটি লক্ষ্য থাকে, তারা কিছু করার চেষ্টা করছে। কিন্তু শোপেনহাউয়ার যখন World as Will শব্দটি ব্যবহার করছেন বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করতে সেটি এর থেকে ভিন্ন। Will (বড় হাতের W সহ) লক্ষ্যহীন, অথবা তিনি যেমনভাবে বলেন ‘অন্ধ’; এটি কোনো সুনির্দিষ্ট ফলাফল সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে না। এটি শুধুমাত্র সেই শক্তির বিশাল প্রবাহ যা প্রতিটি প্রাকৃতিক ঘটনায় আছে এবং কোনোকিছু ঘটানোর জন্যে আমাদের সচেতন ইচ্ছার মধ্যেও আছে। শোপেনহাউয়ার মনে করতেন কোনো ঈশ্বর নেই এটি নির্দেশনা দেবার জন্য এবং Will নিজেও ঈশ্বর নয়। মানবিক পরিস্থিতি হচ্ছে যে আমরা, সব বাস্তবতার মতোই এই অর্থহীন শক্তির অংশ। কিন্তু তারপরও কিছু অভিজ্ঞতা জীবনকে সহনীয় করে তুলতে পারে। এগুলো মূলত আসে শিল্পকলা থেকে। শিল্পকলা একটি স্থির সেই সময়ের সন্ধান দেয়, এবং কিছুটা সময়ের জন্য আমরা সংগ্রাম আর কামনার নিরন্তর চক্র থেকে পালাতে পারি। তিনি মনে করতেন শিল্পকলার সেরা রূপটি হচ্ছে সংগীত আর সেকারণে সংগীত নিজেই সেই Will-এর অনুলিপি। তিনি মনে করতেন, এটাই ব্যাখ্যা করে আমাদের গভীরভাবে নাড়া দেবার জন্য সংগীতের ক্ষমতাটিকে। আপনি যদি বীটহোভেন-এর সিম্ফোনি শোনেন মনের সঠিক ভাবনা নিয়ে, আপনি শুধু আবেগীয়ভাবে উদ্দীপ্ত হবেন না, আপনি বাস্তবতা কী সেটিও সত্যিকারভাবে দেখতে পারবেন। শিল্পকলাকে এতটা গুরুত্ব আর কোনো দার্শনিক দেননি, সুতরাং বিস্ময়কর নয় কেন সৃজনশীল মানুষদের কাছে তিনি জনপ্রিয়। সংগীতজ্ঞ আর সংগীতশিল্পীরা তাকে ভালোবাসেন, কারণ তিনি সংগীতকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্বাস করতেন। তার আবেদন ছিল ঔপন্যাসিকদের মধ্যে, যেমন টলস্টয়, মার্সেল প্রস্ত, টমাস মান এবং টমাস হার্ডি। ডিলান টমাসের কবিতা The force that through the green fuse drives the flower অনুপ্রেরণা ছিল শোপেনহাউয়ারের World as Will-এর ব্যাখ্যা।

    শোপেনহাউয়ার শুধুমাত্র বাস্তবতাকে এবং এর সাথে আমাদের সম্পর্কটাকেই ব্যাখ্যা করেননি, আমরা কীভাবে বাঁচব সেই বিষয়েও তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। যখন একবার আপনি অনুধাবন করবেন যে আমরা সব একটি শক্তির অংশ এবং প্রতিটি একক মানুষ বাস করে শুধুমাত্র World as Representation স্তরে, এটি আপনার কী করা উচিত সেই বিষয়টিকে প্রভাবিত করতে পারে। শোপেনহাউয়ারের জন্যে, অন্য মানুষকে আঘাত মানে নিজের ক্ষতি। এটাই সব নৈতিকতার ভিত্তি। আমি যদি আপনাকে হত্যা করি, আমি জীবনশক্তির একটি অংশকে ধ্বংস করব যা আমাদের দুজনকে যুক্ত করে। যখন কেউ অন্য একজনকে আঘাত করে, এটি অনেকটা কোনো সাপের নিজের লেজে কামড় দেবার মতো, যখন সে-কিনা জানছেই না সে তার বিষদাঁত প্রবেশ করাচ্ছে নিজের মাংসে। সুতরাং শোপেনহাউয়ারের শেখানো মৌলিক নৈতিকতা হচ্ছে সহমর্মিতা, ভালোভাবে বিষয়টি বুঝলে, অন্য মানুষরা আসলে আমাদের বাইরের অংশ না। আমি অবশ্যই ভাবব আপনার সাথে কী হবে কারণ একটি উপায়ে আপনিও সেই জিনিসটির অংশ, যার অংশ আমরা সবাই: World as Will; এটাই তাঁর আনুষ্ঠানিক নৈতিক অবস্থান। এটি অবশ্যই প্রশ্ন জাগায়, তিনি নিজে কি আদৌ সেই মাত্রায় অন্য কোনো মানুষের জন্য চিন্তিত হয়েছিলেন। একটি ঘটনা বলছে, একজন বৃদ্ধ মহিলা তার দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল, এবং এটি তাকে এত ক্ষিপ্ত করেছিল যে তিনি তাকে ধাক্কা দিয়ে সিঁড়ি দিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন। মহিলা আহত হয়েছিল এবং আদালত শোপেনহাউয়ারকে নির্দেশ দিয়েছিল আজীবন তাকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে যাবার জন্য। কয়েক বছর পর বৃদ্ধা মারা গেলে তিনি কোনো সহমর্মিতা দেখাননি, বরং একটি ঠাট্টার ছড়া লিখেছিলেন তাঁর ডেথ সার্টিফিকেটে, obit anus, abit onus, যার অর্থ বৃদ্ধ মহিলা মারা গেলেন, বোঝাও চলে গেল।

    আরো একটি চূড়ান্ত উপায় আছে বাসনার চক্রটির সাথে সমঝোতা করার, এর মধ্যে বন্দি হতে না চাইলে পুরোপুরিভাবে আমাদের পৃথিবী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে হবে, এবং সন্নাসী হতে হবে, দরিদ্রতায় আর যৌনতা পরিহার করে জীবন কাটাতে হবে। এটি, তিনি মনে করতেন, আদর্শ উপায় আমাদের অস্তিত্বের সাথে খাপ খাইয়ে নেবার জন্য। এই সমাধানও একটি বিকল্প পথ হিসাবে চিহ্নিত করেছে প্রাচ্যের ধর্মগুলো। তবে তিনি কখনোই সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেননি, যদিও বয়স বাড়ার সাথে সাথে সমাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। জীবনের বেশিরভাগ সময়ই তিনি মানুষের সঙ্গ উপভোগ করেছেন, প্রেম করেছেন, ভালো খেয়েছেন। তার পাঠকরা তাকে ভণ্ড হিসাবে চিহ্নিত করার জন্য খুবই প্ররোচনা বোধ করতে পারেন। আসলে, হতাশাবাদের মূল সুর যা তার লেখার মধ্যে আমরা দেখি তা এতবেশি তীব্র কোনো-কোনো জায়গায়, অনেক পাঠকই ভেবেছেন যদি তিনি সত্যি সৎ হতেন তাহলে আত্মহত্যা করতেন। ‘আমার ১৭তম জন্মদিনে’, শোপেনহাউয়ার তার আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন, ‘তীব্র হতাশা আমাকে আক্রান্ত করেছিল, ঠিক যেমন বুদ্ধকে তার তারুণ্যে আক্রান্ত করেছিল, যখন তিনি অসুখ, বার্ধক্য, দুঃখ আর মৃত্যু দেখেছিলেন প্রথমবারের মতো। সত্যিটা হচ্ছে এই পৃথিবী কোনোভাবেই সবচেয়ে দয়ালু কোনো সত্তার কাজ হতে পারেনা, বরং এটি কোনো শয়তানের সৃষ্টি, যিনি জীব সৃষ্টি করেছেন তাদের যন্ত্রণায় ভুগতে দেখে তৃপ্তি পাবার বাসনায়।’ এবং বুদ্ধের মতো, এটাই তার লক্ষ্য ছিল এই দুঃখ আর যন্ত্রণার ব্যবচ্ছেদ করা, এই কষ্ট থেকে মুক্তি পাবার জন্য কোনো সমাধান খুঁজে বের করা।

    বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে শোপেনহাউয়ারকে যেভাবে পড়ানো উচিত সেভাবে পড়ানো হয়নি বরং বেশ অ্যাকাডেমিকভাবে তাকে উপস্থাপন করা হয়েছে জটিলতর ব্যাখ্যায়। অনেকেই মনে করেন এটি তার পরিচিতি বেশ সীমিত করেছিল, কিন্তু তিনি আসলে বুদ্ধের মতোই আরো বেশি অনুসারী পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। খুব সহজভাবে তার দর্শন শুরু হয়েছিল সেই প্রাথমিক বা মৌলিক শক্তিকে নাম দেবার মাধ্যমে, যা আমাদের সবার মধ্যেই আছে, তার মতে যা অন্য যে-কোনোকিছুর চেয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী, আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা, যুক্তি, নৈতিকতাবোধ : যাকে তিনি নাম দিয়েছিলেন Will-to-Life, এটি সেই নিরন্তর শক্তি যা আমাদের সামনের দিকে চালিত করে, আমাদের অস্তিত্বে আঁকড়ে থাকে, আমাদের সুবিধাগুলোর দিকে নজর করে। এটি অন্ধ, খুব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তার মনে এই Will- to-Life আমাদের মনকে যেদিকে বেশি মনোযোগ দিতে বাধ্য করে সেটি হচ্ছে যৌনতা। কৈশোর থেকেই, এই Will আমাদের ভিতরে একটানা তাড়না সৃষ্টি করে, আমাদের ভাবনাকে যৌনতার দিকে পরিচালিত করে, বাধ্য করে আমাদের অদ্ভুত সব কাজ করাতে, শোপেনহাউয়ারের মতে সবচেয়ে অদ্ভুততম কাজটি হচ্ছে প্রেমে পড়া। শোপেনহাউয়ার ভালোবাসাকে বেশ শ্রদ্ধা করতেন, যেমন শ্রদ্ধা আমাদের দেখানো উচিত ঘূর্ণিঝড় অথবা কোনো বাঘকে। তিনি খুবই অপছন্দ করতেন বুদ্ধিমান মানুষের জীবনে যখন এই ধরনের প্রেমান্ধতা ব্যাঘাত সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি এগুলো দুর্ঘটনা বা আসামঞ্জস্যপূর্ণ কিছু ভাবতে অস্বীকার করেছেন, তাঁর দৃষ্টিতে ভালোবাসা যুক্ত Will-to-Life-এর সাথে, তথা আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (এবং দুর্বিষহ) মূল প্রকল্পটির সাথে, সন্তানের জন্ম দেয়া।

    ভালোবাসা নিয়ে এত হট্টগোল কেন? কেন এত অত্যাবশ্যকীয়তা, শোরগোল, পরিশ্রম আর উদ্বেগ? তিনি জানতে চেয়েছিলেন, কারণ সকল প্রেমের চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে আরো গুরুত্বপূর্ণ কারো জীবনের অন্য সব লক্ষ্যের চেয়ে, এবং সেকারণে এটি অনুসরণ করার কাজটি করতে হবে গভীর ভাবনাসহ। রোমান্টিকরা জীবনে আধিপত্য বজায় রাখে, কারণ তিনি মনে করেন এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম কেমন হবে সেটি অন্তত নির্ধারিত হয়, অর্থাৎ অনাগত সময়ের মানবজাতির বিশেষ গঠন আর অস্তিত্ব। অবশ্যই, আমরা ভবিষ্যৎ শিশুদের নিয়ে কদাচিৎ ভাবি, যখন কারো প্রতি আমরা আকর্ষণ অনুভব করি। কিন্তু শোপেনহাউয়ার ভাবতেন এর কারণ, আমাদের বুদ্ধিবৃত্তি বিচ্ছিন্ন থাকে এর নিজের Will-এর সত্যিকার প্রতিজ্ঞা আর গোপন সিদ্ধান্তগুলো থেকে। কিন্তু কেন এই প্রতারণার আদৌ দরকার পড়ে? কারণ, তার মতে, আমরা কখনোই নির্ভরযোগ্যভাবে প্রজনন করি না, যদি-না প্রথমে এবং আসলেই আক্ষরিকভাবে, আমাদের কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এটাই হচ্ছে সেই মানুষটি যিনি কিনা কোনো ধরনের একঘেয়েমি, আটপৌরতা, খরচ, সন্তান প্রতিপালন করার মতো তীব্রতম আত্মবিসর্জনের তীব্র বিরোধী ছিলেন। উপরন্তু তিনি বেশিরভাগ সময় যুক্তি দিতেন, যদি আমরা আমাদের বুদ্ধিমত্তাকে ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারতাম ভালোবাসার পাত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে, তাহলে আমরা সাধারণত যে-মানুষগুলোকে বেছে নিই তার চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়তো কাউকে বেছে নিতাম। কিন্তু পরিশেষে আমরা এমন মানুষের প্রেমে পড়ি না, যাদের সাথে কিনা আমরা সঙ্গতিপূর্ণ, বরং সেইসব মানুষদের সাথে যাদের Will- to-Life শনাক্ত করে আদর্শ সঙ্গী হিসাবে, যেমন শোপেনহাউয়ার স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, আমরা যাদের সাথে ভারসাম্যময় সন্তান উৎপাদন করতে পারব। আমরা সবাই কমবেশি একটু ভারসাম্যহীন, তিনি ভাবতেন, আমরা হয় বেশি পুরুষালী অথবা বেশি রমণীয়, বেশি লম্বা অথবা বেশি খাটো, বেশি যুক্তিবাদী অথবা বেশি আবেগপ্রবণ। যদি এইসব ভারসাম্যহীনতাকে টিকে থাকতে অনুমতি দেয়া হয় বা বাড়িয়ে তোলা হয়, পরের প্রজন্মে, মানবজাতি, খুব দ্রুততম সময়ে অদ্ভুত হয়ে যাবে। Will-to-life- কে অবশ্যই তাই আমাদের সেইসব মানুষের দিকে ঠেলে দেবে, যারা পারে, তাদের ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করার কারণে আমাদের নিজেদের ভারসাম্যহীনতাগুলোকে সঠিক করতে। এ বড় নাক, ছোট নাকের সাথে মিলে ত্রুটিহীন একটি নাকের প্রতিশ্রুতি দেয়। তিনি যুক্তি দেন যে ছোট আকারের মানুষগুলো অনেক সময় লম্বা মানুষের প্রেমে পড়ে, বেশি রমণীয় পুরুষরা আরো বেশি পুরুষালী রমণীর প্রেমে পড়ে

    দুর্ভাগ্যজনকভাবে তার এই আকর্ষণতত্ত্বের পরিণতিতে শোপেনহাউয়ার খুব হতাশাময় একটি উপসংহারে আসেন, যেটি হচ্ছে, কোনো একটি ব্যক্তি যে-কিনা ভারসাম্যময় সন্তান উৎপাদনে খুবই যোগ্য, প্রায় কখনোই (যদিও আমরা সেই সময় বিষয়টি অনুধাবন করিনি কারণ Will-to-life আমাদের অন্ধ করে রাখে) আমাদের জন্য খুব বেশি যোগ্য নয়: ‘আমাদের খুব অবাক হলে চলবে না যে বন্ধু নয় এমন মানুষের মধ্যে বিবাহে’, তার মনে ভালোবাসা সেইসব মানুষদের উপর এর প্রভাব ফেলে, যৌনতা ছাড়া, যারা ঘৃণাপূর্ণ এবং আমরা এমনকি পছন্দও করব না, কিন্তুপ্রজাতির Will এতবেশি শক্তিশালী সেই একক ব্যক্তির চেয়ে যে, প্রেমিকযুগল সবকিছুই উপেক্ষা করে, ভুল বিচার করে, দুর্বিষহ একটি বিষয়ের প্রতি চিরকালই তারা অন্ধ হয়ে থাকেন।’ আমাদের সুখ না, Will-to-life-এর নিজের উদ্দেশ্য সফল করার ক্ষমতা, শোপেনহাউয়ারের তত্ত্ব ইঙ্গিত দেয় আমরা বিশেষ সুস্পষ্টতার সাথে অনুভব করতে পারি অর্গাজম বা চরম সুখের পরবর্তী ভীতিকর আর নির্জন মুহূর্তে, তার ভাষায়, ‘সঙ্গমের ঠিক পরে শয়তানের হাসি শোনা যায়।’

    মানবজীবনের নানা দৃশ্য শোপেনহাউয়ারকে ব্যথিত করেছিল। ‘আমরা পশুর মতো, শুধুমাত্র, আমাদের বৃহত্তর আত্মসচেতনতার কারণে; আরো বেশি দুঃখী।’ তিনি বিভিন্ন প্রাণীদের নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, বিশেষ করে মোল, মাটির নিচে অন্ধকার সুড়ঙ্গে যাদের বসবাস, যারা কদাচিৎ দিনের আলো দেখে, যাদের সন্তানরা আঠালো কেঁচোর মতো দেখতে। কিন্তু সে তার ক্ষমতায় সবকিছু করে টিকে থাকা ও বংশবৃদ্ধির জন্য। আমরাও তাদের মতোই আরো বেশি করুণ, আমরা উন্মত্তের মতো নিজেদের উন্নতির দিকে নিয়ে যাই, ভালো বেতনের কাজ খুঁজি, যা সবাইকে বিশেষ করে সঙ্গিনীকে মুগ্ধ করার জন্য, সারাক্ষণই ভাবি, সেই একটি মানুষকে খুঁজতে (কল্পনা করি তারা আমাদের সুখি করবে), এবং অবশেষে একসময় কারো দ্বারা প্ররোচিত হই যথেষ্ট দীর্ঘ সময় কোনো সন্তান-উৎপাদন করার জন্য এবং পরবর্তী ৪০ বছর দুর্বিষহ জীবন কাটাই একটা ভুলের মাশুল গুনতে গুনতে। শোপেনহাউয়ার খুব সুন্দরভাবে ও রসিকতার সাথে মানবপ্রকৃতি নিয়ে নেতিবাচক ধারণাগুলো লিখেছিলেন। যেমন, ‘একটি মাত্র জন্মগত ত্রুটি আছে, সেটি হচ্ছে সেই ধারণা পোষণ করা, আমাদের অস্তিত্ব আছে কারণ আমরা সুখী হব তাই। যতক্ষণ এই জন্মগত ত্রুটি নিয়ে আমরা টিকে থাকব, এই পৃথিবী আমাদের কাছে সবসময়েই স্ববিরোধিতাপূর্ণ মনে হবে। কারণ প্রতিটি পদক্ষেপের জন্যে, ছোট কিংবা বড়, আমরা সেই অভিজ্ঞতায় বন্দি যেখানে এই পৃথিবী ও জীবন অবশ্যই আমাদের সন্তুষ্ট করার জন্য সজ্জিত নয়। সেকারণে আমরা এতবেশি বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ দেখি যাদের মুখে হতাশার ছাপ সুস্পষ্ট।’

    শোপেনহাউয়ার দুটি সমাধান প্রস্তাব করেছিলেন অস্তিত্বের এই সমস্যাগুলোর সমাধানে। প্রথমটি বরং সেইসব দুষ্প্রাপ্য মানুষদের জন্য, যাদের তিনি বলছেন sage বা প্রাজ্ঞ। এই প্রজ্ঞাবানরা পারেন, তাদের বীরোচিত প্রচেষ্টায় Will-to-life- এর দাবির উপরে উঠতে, তারা সেই প্রাকৃতিক তাড়নাটি তাদের ভিতরে দেখতে পান স্বার্থপরতা, যৌনতা, অহংকারের প্রতি, এবং তারা সেটি অতিক্রম করেন, তারা তাদের কামনাগুলোকে জয় করেন, একা থাকেন (প্রায়শই বড় শহর থেকে দূরে), কখনো বিয়ে করেন না, তাদের খ্যাতি আর সামাজিক মর্যাদার বাসনাকে তারা দমন করেন। বৌদ্ধ দর্শনে, শোপেনহাউয়ার দেখিয়েছিলেন, এই মানুষটি পরিচিত মঙ্ক বা সাধু হিসাবে, কিন্তু তিনি চিহ্নিত করতে পেরেছিলেন, আমাদের মধ্যে খুব মানুষই এভাবে জীবন কাটাতে পারে। তবে তার দ্বিতীয় এবং আরো সহজেই পালনযোগ্য এবং বাস্তবসম্মত বিকল্প হচ্ছে যতটা দীর্ঘতম সময় সম্ভব, শিল্পকলা ও দর্শন নিয়ে কাটানো, যার কাজ হচ্ছে আমাদের সব উন্মত্ত প্রচেষ্টা আর অসুখী সময় যা আমাদের ভিতর সৃষ্টি করেছে Will-to-Life, তার সামনে আয়না মেলে ধরা। আমরা হয়তো প্রায়শই তাকে জয় করতে পারব না, কিন্তু সন্ধ্যায় মঞ্চে অথবা কবিতার বই নিয়ে হাঁটতে বের হলে, আমরা দৈনন্দিন জীবন থেকে বের হতে পারে এবং কোনো বিভ্রম ছাড়াই জীবনের দিকে তাকাতে পারি। যে শিল্পকলা তিনি মনে করতেন ভাবালুতা সবচেয়ে বিপরীত, সেটি হচ্ছে গ্রিক ট্র্যাজেডি, ল্যা রোশফুকোর অ্যাফোরিজম ও হবস আর মাকিয়াভেলির রাজনীতিতত্ত্ব। এই কাজগুলো আমাদের আত্মম্ভরিতা নিয়ে কষ্ট, স্বার্থপরতা আর বৈবাহিক জীবনের ভীতি সরাসরি কথা বলে, এবং মানবজাতির প্রতি একটি ট্র্যাজিক, সম্মানসূচক, বিষণ্ণ সমবেদনার হাত সম্প্রসারণ করে। শোপেনহাউয়ার-এর নিজের কাজগুলোই শিল্পকলা ও দর্শনের কী করা উচিত সেই সংক্রান্ত নিজের বিবরণের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ভয়ংকর তিক্ত হতাশাবাদে এটি গভীরভাবে আমাদের সান্ত্বনা দেয়। যেমন তিনি বলেন: “বিয়ে করা মানে পরস্পরের কাছে ঘৃণ্য হবার জন্য সবকিছু করার প্রচেষ্টা’ বা ‘প্রতিটি জীবনকাহিনি দুঃখের’, ‘জীবনের নিজস্ব কোনো মূল্য নেই, শুধুমাত্র চাহিদা আর মায়া এটিকে চলমান রাখে।’

    বহু সময় চেষ্টা করে কাটানোর পর, তারপরও বিখ্যাত হতে ব্যর্থ হবার পর, এবং চেষ্টা করেও ভালো সম্পর্ক পেতে ব্যর্থ হবার পর, তার জীবনের শেষে, শোপেনহাউয়ার ধীরে ধীরে পাঠক পেয়েছিলেন যারা তাঁর লেখা ভালোবেসেছিল। ফ্রাঙ্কফুর্টে একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে ছোট একটা কুকুরকে নিয়ে তাঁর জীবন কেটেছে, যার নাম দিয়েছিলেন আত্মা, বৌদ্ধদর্শনের বিশ্বআত্মা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। কুকুরটি তার প্রতিবেশীদের ছেলেমেয়েরা ডাকত মিসেস শোপেনহাউয়ার নামে। ৭২ বছর বয়সে, নীরবে তিনি মারা যান। তিনি আমাদের সময়ের প্রাজ্ঞ ছিলেন, এমন কেউ যার আবক্ষ মূর্তি তার প্রিয় বুদ্ধের মূর্তির মতোই সর্বব্যাপী ও শ্রদ্ধেয় হবার দাবি রাখে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }