Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ২৮ : বেড়ে ওঠার জন্যে পরিসর – জন স্টুয়ার্ট মিল

    কল্পনা করুন শৈশবে আপনাকে অন্য সব শিশু থেকে আলাদা করে রাখা হয়েছে, সবার সাথে খেলার পরিবর্তে কোনো গৃহশিক্ষকের কাছে আপনি গ্রিক আর বীজগণিত শিখছেন, অথবা খুবই বুদ্ধিমান প্রাপ্তবয়স্ক কোনো ব্যক্তির সাথে কথোপকথনে ব্যস্ত আপনি। সেক্ষেত্রে কেমনভাবে বেড়ে উঠতে পারেন আপনি? মোটামুটি এমনটাই ঘটেছিল জন স্টুয়ার্ট মিলের (১৮০৬-১৮৭৩) সাথে। তিনি মূলত ছিলেন শিক্ষা-সংক্রান্ত একটি গবেষণা। তাঁর বাবা জেমস মিল, দার্শনিক জেরেমি বেনথামের একজন বন্ধু, জন লকের সেই দৃষ্টিভঙ্গিটি নিজেও ধারণ করতেন, একটি শিশুর মন হচ্ছে শূন্য, খালি স্লেটের মতো। জেমস মিল বিশ্বাস করতেন, যদি আপনি সঠিকভাবে কোনো শিশুকে বড় করতে পারেন, একজন প্রতিভাবান মানুষ হিসাবে সেই শিশুটির বেড়ে ওঠার খুব ভালো একটি সম্ভাবনা থাকবে। সুতরাং জেমস মিল তার ছেলে জনকে ঘরে রেখেই শিক্ষা দেবার ব্যবস্থা করেন, নিশ্চিত করেন তার ছেলে যেন সমবয়সী অন্য শিশুদের সাথে খেলাধুলা করে কোনো সময় নষ্ট বা খারাপ কোনো অভ্যাস রপ্ত না করে। তবে এটি শুধুমাত্র তাকে জোর করে কিছু শেখানো, বা মুখস্থ করানো বা তেমন কোনোকিছু ছিল না। জেমস তাকে সক্রেটিসের মতো পাল্টা প্রশ্ন করার পদ্ধতি ব্যবহার করে শিখিয়েছিলেন, তার ছেলেকে উৎসাহ দিয়েছিলেন কোনো ধারণা গিলে খাবার চেয়ে বরং যা শিখছে তা যেন সে ভালো করে যাচাই করে দেখে।

    বিস্ময়কর ফলাফল যা হয়েছিল তাহলো, মাত্র তিন বছর বয়সেই জন স্টুয়ার্ট মিল প্রাচীন গ্রিক পড়তে শুরু করেছিলেন, ছয় বছর বয়সে তিনি রোমের একটি ইতিহাস লিখেছিলেন, সাত বছর বয়সে তিনি প্লেটোর ডায়ালগ বুঝতে পারতেন এর মূল ভাষায়। আট বছর বয়সে তিনি ল্যাটিন শিখতে শুরু করেন। বারো বছর বয়সেই ইতিহাস, অর্থনীতি এবং রাজনীতি সম্বন্ধে তার বেশ স্পষ্ট ধারণা গড়ে উঠেছিল, এবং বেশ জটিল গাণিতিক সমস্যা তিনি সমাধান করতে পারতেন এবং বিজ্ঞানের প্রতি তার তীব্র আর বুদ্ধিদীপ্ত একটি আগ্রহ ছিল। তিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভাবান, তার বয়স যখন বিশের দশকে, তার সময়ে তিনি অন্যতম মেধাবী চিন্তাবিদ হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যদিও কখনোই সত্যিকারভাবে তার অদ্ভুত শৈশবের মানসিক চাপটি তিনি এড়াতে পারেননি, তাঁর নিঃসঙ্গতা আর জীবনের অন্যসব সম্পর্কের সাথে বিচ্ছিন্নতা হয়তো সেটারই সাক্ষ্য বহন করে।

    তবে যাই হোক, তিনি একধরনের প্রতিভায় রূপান্তরিত হয়েছিলেন, সুতরাং বলা যেতে পারে তাঁর বাবার পরীক্ষা কাজ করেছিল। তিনি সকল অবিচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন, তিনি ছিলেন সূচনাপর্বের একজন নারীবাদী (জন্মনিয়ন্ত্রণের সপক্ষে প্রচারণার জন্যে তাকে গ্রেফতার হতে হয়েছিল), রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং মহান এক দার্শনিক, হয়তো ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা দার্শনিক ছিলেন তিনি। তিনি প্রতিপালিত হয়েছিলেন ইউটিলিটারিয়ান বা উপযোগবাদের মতাদর্শে এবং তাঁর উপর জেরেমি বেনথামের প্রভাব ছিল অনেক বেশি। মিল প্রতি গ্রীষ্মকালই সারের গ্রামে বেনথামের বাসাতেই কাটাতেন। কিন্তু যদিও মিল বেনথামের সাথে একমত হয়েছিলেন যে সঠিক কাজ হচ্ছে সবসময় সেটি, যা সবচেয়ে বেশি সুখের কারণ হয়, কিন্তু তিনি তাঁর শিক্ষকের সুখের ব্যাখ্যা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছিলেন। বেনথামের সংজ্ঞাটিকে তাঁর কাছে মনে হয়েছিল স্থুল, সুতরাং তরুণ মিল বেনথামের তত্ত্বটির নিজের একটি সংস্করণ প্রস্তাব করেছিলেন। উচ্চমানের ও নিম্নমানের সুখের মধ্যে পার্থক্য করেছিল তাঁর তত্ত্বটি। যদি বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে কর্দমাক্ত খোঁয়াড়ে গড়াগড়ি করে খাওয়া চিবানো পরিতুষ্ট শূকর হবার চেয়ে কি একজন দুঃখী বিষণ্ন মানুষ হওয়া উত্তম হবে? মিল ভাবতেন খুব স্পষ্ট কারণে সুখী শূকর হবার চেয়ে আমরা বরং একজন দুঃখী মানুষ হতে চাইব। কিন্তু সেটি স্পষ্টতই বেনথামের প্রস্তাবনা-বিরোধী। বেনথাম, যদি আপনি মনে করতে পারতেন, বলেছিলেন, যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো সুখপূর্ণ অভিজ্ঞতা; কীভাবে সেটি সৃষ্টি হলো সেটি ভাবার কোনো দরকার নেই। মিল একমত ছিলেন না, তিনি ভাবতেন আপনি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সুখ পেতে পারেন, এবং তাদের কোনো-কোনোটি অন্যগুলোর চেয়ে অনেক ভালো। আর এতবেশি ভালো যে নিম্নমানের কোনো পরিমাণ সুখই উচ্চমানের সুখের ক্ষুদ্রতম পরিমাণের কখনোই সমতুল্য হতে পারবে না। নিম্নমানের সুখগুলো, যেমন প্রাণীদের মধ্যে যে সুখের অভিজ্ঞতাগুলো আমরা দেখি, সেগুলো কখনোই উচ্চতর, বুদ্ধি বৃত্তিক সুখগুলো, যেমন বই পড়ার কিংবা সংগীত শোনার সুখগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না। মিল আরো যোগ করেছিলেন, কোনো সন্তুষ্ট নির্বোধ হবার চেয়ে অসন্তুষ্ট সক্রেটিস হওয়া উত্তম। তার কারণ দার্শনিক সক্রেটিস তার চিন্তা থেকে এতবেশি সূক্ষ্ম সুখ সংগ্ৰহ করতেন, কোনোদিনও কোনো নির্বোধ যা অনুভব করার সুযোগ পাবেনা।

    মিলকে কেন বিশ্বাস করব? তাঁর উত্তর ছিল, যে-কোনো মানুষ, যারা উচ্চ ও নিম্ন উভয় ধরনের সুখই অনুভব করে তারা উচ্চমানের সুখকে শ্রেয়তর মনে করে। শূকর পড়তে পারে না, কিংবা সংগীতও শুনতে পারেনা, সুতরাং এই বিষয়ে তার কোনো মতামত আমাদের আলোচনায় পড়বে না। যদি কোনো শূকর পড়তে পারত, তাহলে সে পড়াটাই শ্রেয়তর মনে করত কাদায় গড়াগড়ি করার চেয়ে।

    মিল এমনটাই ভাবতেন, কিন্তু কিছু মানুষ বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন যে মিল ধরে নিয়েছেন যে সবাই কাদায় গড়াগড়ি করার চেয়ে পড়তে আনন্দ পাবেন। আরো জটিলতা হচ্ছে, যখনই মিল সুখের নানা গুণাবলি (যেমন উচ্চমান এবং নিম্নমান) ও তাদের পরিমাণ নিয়ে আলোচনা করেছেন, বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে গেছে কারো পক্ষে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য, কীভাবে আপনি হিসাব-নিকাশ করবেন কোটি চাইছেন। বেনথামের দৃষ্টিভঙ্গির একটি ভালো গুণ ছিল এর সরলতা; সব আনন্দ আর কষ্টকে যেখানে মাপা হয়েছে একই বিনিময়মূল্য দিয়ে। মিল কোনো উপায় রাখেননি, যার মাধ্যমে উচ্চ আর নিম্নমানের সুখের মূল্যের মধ্যে বিনিময় হারটি আমরা বের করতে পারি।

    মিল তার উপযোগবাদী চিন্তা করেছিলেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে। তিনি ভাবতেন যে, মানুষ খানিকটা গাছের মতো। আপনি যদি বেড়ে ওঠার জন্য গাছকে যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা না দেন, এটি দুর্বল ও বাঁকা হয়েই বেড়ে উঠবে, কিন্তু সঠিক জায়গা পেলে এটি এর পুরো সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অনেক বড়, ঋজু আর শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে বেড়ে উঠবে। একইভাবে, সঠিক পরিস্থিতিতে, মানুষও ভালো করে, এবং সেই মানুষটির জন্যেই ফলাফল শুধু ভালো হয় না, কল্যাণ হয় সমগ্র সমাজেরও, এটি সুখকে যতটা সম্ভব ততটা বৃদ্ধি করে। ১৮৫৯ সালে তিনি একটি সংক্ষিপ্ত, অনুপ্রেরণাদায়ক বই লেখেন তার দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থনে। যদি আমরা প্রতিটি মানুষকে যথেষ্ট পরিমাণ সুযোগ ও পরিসর দিতে পারি, যা তারা প্রয়োজনীয় মনে করে, সেটি হবে সমাজসংগঠনের জন্য সবচেয়ে উত্তম উপায়। সেই বইটির নাম On Liberty এবং বইটি এখনও ব্যাপকভাবেই পড়া হয়। Paternalism (ল্যাটিন প্যাটের বা পিতা) হচ্ছে কাউকে তার নিজের মঙ্গলের কিছু করার জন্য বাধ্য করা (যদিও এটি একইভাবে Maternalism হতে পারে, ল্যাটিন ম্যাটের যার অর্থ মা)। যদি শৈশবে আপনাকে জোর করে সব্জি খাওয়ানো হয় তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন এই ধারণাটি আসলে কী। আপনি সবুজ সব্জি খেলে অন্য কারো লাভ নেই, কিন্তু তারপরও আপনার মা-বাবা সেটি আপনাকে দিয়ে জোর করে করানোর চেষ্টা করেন, কারণ সেটি আপনার জন্য মঙ্গলজনক। মিল ভাবতেন Paternalism ঠিক আছে যখন সেটি নির্দেশিত শিশুদের প্রতি : শিশুদের দরকার আছে সুরক্ষিত করে রাখার, তাদের নিজেদের কাছ থেকে ও তাদের আচরণকে নানাভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে। কিন্তু সভ্যসমাজে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি Paternalism অগ্রহণযোগ্য। একটিমাত্র ক্ষেত্রে তা যথার্থ হতে পারে যখন কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির কাজ দ্বারা অন্য কারো ক্ষতি হবার ঝুঁকি থাকে অথবা তাদের খুব গুরুতর মানসিক সমস্যা থাকে।

    মিলের বার্তাটি ছিল খুব সাধারণ, যা পরিচিত Harm Principle হিসাবে। প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার থাকা উচিত, তার যেমন ইচ্ছা, যতক্ষণ না তার সেইভাবে বাঁচার প্রক্রিয়ায় অন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ভিক্টোরীয় ইংল্যান্ডে এটি বেশ বৈপ্লবিক একটি ধারণা, যখন বহু মানুষই ভাবতেন যে সরকারের দায়িত্বের একটি অংশ হচ্ছে মানুষের উপর ভালো নৈতিক মূল্যবোধ আরোপ করা। মিল তা মনে করতেন না। তিনি ভাবতেন যে অপেক্ষাকৃত বড় মাত্রার সুখ আসবে যদি মানুষকে তার আচরণের ক্ষেত্রে আমরা বেশি স্বাধীনতা দেই। এবং মানুষ কী করবে সেটি সরকারই তা নির্দেশনা দেবে, শুধুমাত্র এই বিষয়টিই মিলকে চিন্তিত করেনি, তিনি ঘৃণা করতেন আরেকটি বিষয়, যাকে তিনি বলতেন tyranny of the majority বা সংখ্যাগরিষ্ঠের নিপীড়ন, যেভাবে সামাজিক চাপগুলো কাজ করে বহু মানুষের উপর, তারা যা হতে চায় বা করতে চায়, সেইসব ক্ষেত্রগুলোয় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে। অন্যরা হয়তো ভাবছেন তারা জানেন কোটি আপনাকে সুখী করবে। কিন্তু তারা সাধারণত ভুল করেন। আপনি অনেক ভালো জানেন তাদের চেয়ে আপনি আপনার জীবন নিয়ে আসলেই কী করতে চান। এবং এমনকি যদি আপনি সেটি নাও জানেন, মিল যুক্তি দেন, প্রত্যেকটি মানুষকে একইভাবে জীবন কাটাতে বাধ্য না করে বরং আমাদের সবাইকে নিজের মতো করে ভুল করার সুযোগ দেয়া উচিত। উপযোগবাদের ধারণার সাথে এটি মানানসই, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব করার চেয়ে বরং বৃদ্ধি করলে এটি সামগ্রিক সুখের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে।

    মিল মনে করতেন, বাকি সবার চেয়ে বিশেষ করে প্রতিভাবানদের (তিনি নিজেও তাদের একজন ছিলেন) বিকশিত হবার জন্যে প্রয়োজন আরো বেশি স্বাধীনতা। তারা কদাচিৎ সমাজের ধরাবাঁধা নিয়মের আওতায় পড়েন বা কীভাবে তাদের আচরণ করা উচিত সে-বিষয়ে সমাজের প্রত্যাশার সাথে প্রায়শই তাদের আচরণ সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এবং প্রায়শই তাদের মনে হতে পারে খ্যাপাটে। যদি আপনি তাদের বিকশিত হবার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, তাহলে আমরা সবাই সুফল পেতে ব্যর্থ হব, কারণ তারা সেই পরিস্থিতিতে তাদের সম্ভাবনা অনুযায়ী সমাজের কোনো অবদান রাখতে পারবেনা। সুতরাং যদি আপনি সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সুখ অর্জন করতে চান, মানুষকে তাদের নিজেদের মতো জীবন কাটাতে দিন, কোনো ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ ছাড়াই, যদি না,অবশ্যই, তাদের কাজের মাধ্যমে অন্য কারো ক্ষতি হবার ঝুঁকি থাকে। যদি আপনি মনে করেন যে তারা যা করছে তা আপত্তিকর, সেটি কিন্তু কোনো ভালো কারণ না তাদের সেভাবে জীবন কাটাতে বাধা দেবার জন্য। মিল খুব স্পষ্ট ছিলেন এই বিষয়ে কারো ক্ষতি করা আর কারো মনে আপত্তির অনুভূতি সৃষ্টি করা খুবই ভিন্ন ব্যাপার, দুটো বিষয়কে কখনোই এক করে দেখা উচিত না। মিলের এই অবস্থানের বেশকিছু অস্বস্তিকর পরিণতি আছে। একটি মানুষকে কল্পনা করুন, যার কোনো পরিবার নেই, যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতি রাতে সে দুই বোতল ভদকা পান করবে, খুব সহজ যে কারোর জন্যে বোঝা যে, লোকটি মদ্য পান করে তার জীবনের ইতি টানতে চাইছে। এখানে আইনের কি উচিত হবে হস্তক্ষেপ করে তাকে থামানো? মিল মনে করতেন, না, যদি না অন্য কারোর জন্যে লোকটির কাজ ঝুঁকিপূর্ণ প্রমাণিত হয়। আপনি তাকে বোঝাতে পারেন, বলতে পারেন সে তার জীবন নষ্ট করছে, কিন্তু কারোরই উচিত হবে না তার জীবনযাত্রা বদলাতে তার উপর জোর খাটানোর প্রচেষ্টা করা। সরকারের উচিত হবে না তাকে মদ্যপান করে মারা যাওয়া থেকে ঠেকাতে। এটি তার স্বাধীন ইচ্ছা। কিন্তু এটি তার স্বাধীন ইচ্ছা হবে না যদি তার উপর কোনো শিশুর প্রতিপালনের দায়িত্ব থাকে। কিন্তু যেহেতু তার উপর কেউ নির্ভর করে নেই, সে তার ইচ্ছামতো যা-কিছু করতে পারে। কীভাবে কেউ বাঁচবে সেই স্বাধীনতা ছাড়াও, মিলের মতে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ হচ্ছে সবার জন্যে তাদের পছন্দমতো চিন্তা আর কথাবলার স্বাধীনতার বিষয়টি নিশ্চিত করা। সমাজের জন্যে সব বিষয়ে উন্মুক্ত আলোচনা খুবই কার্যকরী একটি বিষয় বলে তিনি মনে করতেন, কারণ এটি মানুষদের কঠোরভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করে কী তারা বিশ্বাস করে, যদি ভিন্নমত-পোষণকারী কেউ আপনার দৃষ্টিভঙ্গি চ্যালেঞ্জ না করে, তাহলে সম্ভাবনা আছে সেইসব ধারণাগুলো ‘মৃত মতবাদ’ বা সংস্কার হিসাবে ধারণ করার, যাকে আপনি আসলেই সুরক্ষা করতে পারবেন না। তিনি বাকস্বাধীনতার পক্ষে কথা বলেছেন সেই পর্যায় অবধি যতক্ষণ কিনা এটি হিংস্রতার জন্ম দেয়। একজন সাংবাদিক, তিনি বিশ্বাস করতেন, অবশ্যই স্বাধীন হবে তার মুক্তচিন্তা ও মতামত প্রকাশে, কোনো সম্পাদকীয়তে যেমন তিনি বলতে পারেন, শস্য মজুতদার ব্যবসায়ীরা গরিবদের অভুক্ত থাকার কারণ, কিন্তু যদি তিনি হাতে প্ল্যাকার্ড ও উত্তেজিত জনতা নিয়ে কোনো শস্যব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে জমায়েত হন, তাহলে তিনি হিংস্রতা উসকে দিচ্ছেন, যা মিলের Harm Principle বিরোধী।

    মিলের সাথে অনেকেই একমত হননি, কেউ ভেবেছেন স্বাধীনতার ব্যাপারে তার দৃষ্টিভঙ্গি মূলত সেই ধারণাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যেখানে এককভাবে কোনো মানুষ তার জীবন সম্বন্ধে কী ভাবে সেটাই শুধু গুরুত্বপূর্ণ (মানে অনেক বেশি ব্যক্তিতান্ত্রিক, অবশ্যই রুশোর স্বাধীনতার ধারণা থেকে এটি ব্যতিক্রম); অন্যরা মিলকে দেখছেন অতিসহনশীল একটি সমাজের দরজা-উন্মুক্তকারী হিসাবে, যা চিরকালের জন্য সবার নৈতিকতাকে ধ্বংস করবে। তার সমসাময়িক জেমস ফিৎসজেরাল্ড স্টিফেন, যুক্তি দিয়েছিলেন যে বেশিরভাগ মানুষকে বাধ্য করা দরকার একটি সংকীর্ণ পথে চালনা করার জন্য, খুব বেশি স্বাধীনতা তাদের দেয়া যাবে না, কীভাবে তারা তাদের জীবন কাটাবেসেই বিষয়ে খুব বেশি বাছাই করার স্বাধীনতা তাদের দেয়া যাবে না, কারণ কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়া অনেকেই ভুল আর আত্মবিনাশী সিদ্ধান্ত নেবেন তাদের নিজেদের জন্য। একটি বিশেষ ক্ষেত্রে মিল বিশেষভাবে বৈপ্লবিক ধারণা পোষণ করতেন, সেটি হচ্ছে নারীবাদ, তিনি হচ্ছেন সূচনাপর্বের একজন নারীর অধিকার আদায় সংগ্রামের কর্মী। ঊনবিংশ শতকের ইংল্যান্ডে বিবাহিত রমণীদের কোনো অধিকার ছিল না সম্পত্তির মালিক হবার, এবং তাদের স্বামীদের নির্যাতন থেকে মুক্তি পাবার জন্য কোনো আইনী আশ্রয়ও ছিল না। ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে মিল তার The Subjection of Women-এ যুক্তি দেন, দুটি লিঙ্গকে সমান মর্যাদায় সমাজে ও আইনের চোখে দেখা উচিত। তাঁর সময়ে অনেকেই দাবি করছেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রাকৃতিকভাবেই নিম্নপর্যায়ের। তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন, কীভাবে এই মানুষগুলো তাদের সেই সিদ্ধান্তে এসেছেন, যখন তাদেরকে তাদের সম্ভাবনার পূর্ণ ব্যবহার করে বিকশিত হবার সুযোগই দেয়া হচ্ছে না? তাদেরকে উচ্চতর শিক্ষা এবং বহু পেশা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। সর্বোপরি, তিনি দুটি লিঙ্গের মধ্যে আরো বেশি সাম্য চেয়েছিলেন। বিয়ে হওয়া উচিত সমমানের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব, তিনি প্রস্তাব করেছিলেন। বিধবা হ্যারিয়েট টেলরের সাথে তার নিজের বৈবাহিক জীবন তেমনই ছিল, যদিও তারা সেই সম্পর্কে প্রবেশ করেছিলেন অনেক বেশি বয়সে, তবে দুজনেই অনেক সুখী হয়েছিলেন। তারা পরস্পরে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন (এমনকি হয়তো প্রেমও ছিল তাদের) যখন হ্যারিয়েটের প্রথম স্বামী জীবিত ছিলেন। ১৮৫১ অবধি মিলকে অপেক্ষা করতে হয়েছে হ্যারিয়েটের দ্বিতীয় স্বামী হবার জন্য। তিনি মিলকে সাহায্য করেছিলেন On Liberty আর The Subjection of Women দুটি বই লেখার জন্য, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বইদুটি প্রকাশের আগেই তিনি মৃত্যুবরণ করেছিলেন। ১৮৫৯ সালে তাঁর বিখ্যাত On Libertyপ্রকাশিত হয়। সেই বছর আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বই প্রকাশিত হয়েছিল, সেটি ছিল চার্লস ডারউইনের ‘অন দি অরিজিন অব স্পিসিস’।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }