Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ২৯ : অবুদ্ধিমত্তাপূর্ণ ডিজাইন – চার্লস ডারউইন

    ‘আপনি কি আপনার দাদা, নাকি দাদির দিক থেকে বানরদের আত্মীয়?’ ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে অক্সফোর্ডের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে অনুষ্ঠিত টমাস হেনরি হাক্সলির সাথে বিখ্যাত বিতর্কে এটাই ছিল বিশপ স্যামুয়েল উইলবারফোর্সের দৃষ্টতাপূর্ণ প্রশ্ন। হাক্সলিসেই বিতর্কে চার্লস ডারউইনের (১৮০৯-১৮৮২) দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থনে তার প্রস্তাবনা উপস্থাপন করছিলেন। উইলবারফোর্সের প্রশ্নটির উদ্দেশ্য একই সাথে অপমান ও ঠাট্টার। কিন্তু এর ফলাফল উল্টো হয়েছিল। হাক্সলি মনে মনে বলেছিলেন, ‘ধন্যবাদ ঈশ্বর, এভাবে আমার হাতে পরিস্থিতি তুলে দেবার জন্য’ এবং তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, তিনি বরং নরবানরদেরই আত্মীয় হওয়া শ্রেয়তর . মনে করেন সেইসব মানুষদের আত্মীয় হবার চেয়ে, যারা কিনা বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলো নিয়ে ঠাট্টা করে বিতর্ক এড়ানোর চেষ্টা করে। তিনি হয়তো এমনভাবে ব্যাখ্যা দিতে পারতেন যে, তিনি দুইদিক থেকেই বানর-জাতীয় পূর্বসূরি থেকে বিবর্তিত হয়েছেন, তবে খুব সাম্প্রতিক কোনো সময়ে না, বরং বেশ দূর অতীতের কোনো একসময়। আর সেটাই ডারউইন দাবি করেছিলেন তার অসাধারণ ধারণাটিতে। আমাদের প্রত্যেকের পারিবারিক বৃক্ষে তারা আছে।

    এই দৃষ্টিভঙ্গিটি বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল ঠিক সেই মুহূর্ত থেকে, যখন ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘অন দি অরিজিন অব স্পিসিস’ বইটি প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর আসলেই কখনোই ভাবা সম্ভব ছিল না যে বাকি জীবজগৎ থেকে মানুষ পুরোপুরি আলাদা। মানুষ আর তার বিশেষ অবস্থান দাবি করতে পারেনি: তারাও প্রকৃতির অংশ আর যে-কোনো জীবের মতোই। আপনার কাছে হয়তো বিষয়টি বিস্ময়কর মনে হচ্ছে না ঠিকই, কিন্তু ডারউইনের সেই সময়, ভিক্টোরীয় যুগে বেশিরভাগ মানুষের কাছে বিষয়টি ছিল আসলেই বিস্ময়কর।

    আপনি হয়তো ভাবতে পারেন এইপ বা নরবানরদের সাথে আমাদের আত্মীয়তা বোঝার জন্য কোনো একটি শিম্পাঞ্জি বা গরিলার সাথে খানিকটা সময় কাটানো অথবা হয়তো আয়নায় মনোযোগ দিয়ে তাকানোই যথেষ্ট হতে পারে। কিন্তু ডারউইনের সেই দিনগুলোয় সবাই কমবেশি মনে করতেন যে অন্য যে- কোনো প্রাণী থেকে মানুষ খুবই ভিন্ন এবং আমরা যে অন্য কোনো প্রাণীর সাথে সাধারণ পূর্বসূরি ভাগ করতে পারি সেটি অকল্পনীয় ও রীতিমতো হাস্যকর একটি প্রস্তাবনা ছিল। বহু মানুষই ভেবেছিলেন যে ডারউইনের এই ধারণাটি পুরোপুরি পাগলামি, নিশ্চয়ই কোনো শয়তানের কাজ। বাইবেলের ‘বুক অব জেনেসিসে বর্ণিত ব্যস্ত ছয়দিনে ঈশ্বরের সব জীব সৃষ্টি করার কাহিনিটি একমাত্র সত্যি কাহিনি দাবি করে কিছু খ্রিস্টধর্মাবলম্বী এখনও তাদের বিশ্বাস অপরিবর্তিত রেখেছেন। ঈশ্বরই এই পৃথিবী ও এই পৃথিবীর মধ্যে সবকিছুকে পরিকল্পনা করেছেন, সৃষ্টি করেছেন তাদের যথাযথ জায়গায় চিরকালের জন্য। এই ধর্মবিশ্বাসীরা বিশ্বাস করতেন প্রতিটি প্রাণী আর উদ্ভিদ সৃষ্টির সেই শুরু থেকেই অপরিবর্তিত আছে। এখনও কিছু মানুষ বিশ্বাস করতে অস্বীকার করেন যে আমরা আমাদের এই বর্তমান অবস্থানে এসেছি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

    ডারউইন ছিলেন জীববিজ্ঞানী এবং ভূতত্ত্ববিদ, দার্শনিক ছিলেন না তিনি। সুতরাং আপনি হয়তো ভাবছেন কেন এই বইয়ে তাকে নিয়ে একটি অধ্যায় লেখা হলো। এর কারণ হচ্ছে তার প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তনের ধারণাটি ও এর সব আধুনিক সংস্করণগুলো গভীরভাবে দার্শনিকদের প্রভাবিত করেছে, যেমন করেছে বিজ্ঞানীদের, বিশেষ করে যখন তারা মানবতার কথা ভেবেছেন। সর্বকালে সবচেয়ে প্রভাবশালী বৈজ্ঞানিক ধারণা এটি। আধুনিক দার্শনিক ড্যানিয়েল ডেনেট বলেছেন, ‘এককভাবে এটি শ্রেষ্ঠতম একটি ধারণা যা কেউ ভাবতে পারেন।’ এই ধারণাই ব্যাখ্যা করে কীভাবে মানুষ ও তাদের আশেপাশের সব জীবের উদ্ভব হয়েছে এবং কীভাবে তারা এখনও পরিবর্তনশীল। এই বৈজ্ঞানিক ধারণাটির একটি ফলাফল হচ্ছে, আগের চেয়ে অনেক বিশ্বাস করা সহজতর হয়েছে যে, কোনো ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই। প্রাণিবিজ্ঞানী রিচার্ড ডকিন্স লিখেছিলেন, ‘১৮৫৯-র আগে কোনো সময় আমি নিরীশ্বরবাদী হবার কথা কল্পনা করতে পারিনা, যখন ডারউনের ‘অন দি অরিজিন অব স্পিসিস’ প্রকাশ হয়েছিল।’ ১৮৫৯-এর আগে অবশ্যই নিরীশ্বরবাদীরা ছিলেন, ডেভিড হিউম, সম্ভবত একজন। কিন্তু এর পরে আমরা অনেককেই দেখি। বিবর্তন সত্যি, এটা বিশ্বাস করার জন্য আপনাকে অবশ্যই নিরীশ্বরবাদী হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। বহু ধর্মবিশ্বাসী আছেন যারা ডারউইনবাদীও, কিন্তু তারা ডারউইনবাদী হতে পারবেন না এমন কিছু বিশ্বাস করে যে, ঈশ্বর ঠিক বর্তমানরূপে সব প্রজাতিকে সৃষ্টি করেছেন।

    তাঁর তারুণ্যে ডারউইন এইচ.এম.এস. বিগল জাহাজে চড়ে পাঁচ বছরের সমুদ্রযাত্রায় দক্ষিণ-আমেরিকা, আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন তিনি। তার জীবনের এটাই ছিল একমাত্র এবং সবচেয়ে শ্রেষ্ঠতম অভিযান। এমন কোনো অভিযান যে-কারো জীবনেরই শ্রেষ্ঠতম অভিযান হবার কথা। তার আগের জীবন দেখলে আমরা দেখব, তিনি খুব বেশি প্রতিশ্রুতিশীল ছাত্র ছিলেন না, কারো পক্ষে ভাবা সম্ভব ছিল না বা কেউ প্রত্যাশা করতে পারেনি যে এই মানুষটি মানবচিন্তায় এমন একটি অসাধারণ অবদান রেখে যাবেন। স্কুলেও তার প্রতিভার কোনো চিহ্ন লক্ষ্য করেনি কেউ। তার বাবাও সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে এই ছেলেটি কিছুই করতে পারেনা, ইঁদুর শিকার করার পিছনে যে এত সময় ব্যয় করে, সে পরিবারের কলঙ্ক। প্রথমে তিনি এডিনবরায় তার ভাইয়ের মতোই ডাক্তারি পড়তে শুরু করেছিলেন, কিন্তু সেটি তার পোষায়নি, এরপর আমরা কেমব্রিজে তাকে ডিভিনিটি পড়তে দেখি, ভাইকার বা ধর্মযাজক হবার লক্ষ্যে। তাঁর অবসর সময়ে তিনি ছিলেন অতিউৎসাহী প্রকৃতিবিদ, নানাধরনের কীটপতঙ্গ আর উদ্ভিদ সংগ্রহ করতেন, কিন্তু তেমন কোনো সুনির্দিষ্ট ইঙ্গিত ছিল না এই মানুষটি ইতিহাসের অন্যতম সেরা একজন জীববিজ্ঞানী হিসাবে পরিচিতি পাবেন। অনেকভাবেই তাকে মনে হতো তিনি আসলেই জানেন না কী করতে চাইছেন জীবনে। কিন্তু বিগল জাহাজে এই পৃথিবী ভ্রমণ তাকে আমূল বদলে দিয়েছিল। এই অভিযানটি ছিল বৈজ্ঞানিক অভিযান, মূলত জাহাজটি যেসব দেশে যাবে সেখানকার উপকূল সীমারেখার মানচিত্র তৈরি করাই উদ্দেশ্য ছিল এর। উপযুক্ত যোগ্যতা না-থাকা সত্ত্বেও ডারউইন সেই অভিযানে যোগ দেন উদ্ভিদবিদ হিসাবে, কিন্তু তার নোটবুকে পাথর, জীবাশ্ম এবং নানা জীবের বিস্তারিত বিবরণ লিখেছিলেন, যেখানেই অভিযান তাকে নিয়ে গিয়েছিল সেখানেই। ছোট বিগল জাহাজটি খুব দ্রুত তাঁর সংগ্রহ-করা নমুনা দিয়ে পূর্ণ হয়ে উঠেছিল। সৌভাগ্যক্রমে তিনি তার সব নমুনাগুলো ইংল্যান্ডে ফেরত পাঠাতে পেরেছিলেন, যেগুলো পরীক্ষানিরীক্ষার জন্য সেখানে সংরক্ষিত হয়েছিল।

    গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে তার যাত্রাবিরতি ডারউইনের সেই সমুদ্র-অভিযানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে প্রমাণিত হয়ে হয়েছিল পরবর্তীতে। এই আগ্নেয় দ্বীপগুলোর অবস্থান দক্ষিণ-আমেরিকা উপকূল থেকে প্রায় ৫০০ কিমি দূরে। বিগল গালাপাগোসে পৌছেছিল ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে। সেখানে বহু বিস্ময়কর প্রাণী ছিল পরীক্ষা করার জন্য, যেমন জায়ান্ট টরটয়েস, সামুদ্রিক ইগুয়ানা। যদিও তার কাছে বিষয়টি তখনও স্পষ্ট হয়নি, ডারউইনের বিবর্তনের ধারণার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সাদামাটা দেখতে ফিঞ্চ পাখিগুলো। বেশকিছু পাখি তিনি সংগ্ৰহ করে ইংল্যান্ডে পাঠিয়েছিলেন গবেষণা করার জন্য। নিবিড় পরীক্ষায় পরে প্রমাণিত হয় সেখানে আসলে ১৩টি স্বতন্ত্র প্রজাতি আছে। তাদের মধ্যে পার্থক্য মূলত তাদের ঠোঁটে। ইংল্যান্ডে ফেরার পর, ডারউইন তার যাজক হবার ইচ্ছা চিরতরে পরিত্যাগ করেন, যখন তিনি সমুদ্রে ছিলেন, তার পাঠানো নানা নমুনা ইতিমধ্যে তাকে বিজ্ঞানীদের মহলে সুপরিচিত করে তুলেছিল, অপরিচিত সেই ছাত্রটি তখন বিজ্ঞানী-মহলে সুপরিচিত। তিনি সার্বক্ষণিক প্রকৃতিবিদে রূপান্তরিত হয়েছিলেন এবং বহুদিন ধরেই কাজ করেছিলেন তার বিবর্তনতত্ত্বটিকে নিয়ে। এছাড়াও তিনি বিশ্বসেরা গবেষক ছিলেন বার্নাকল বিষয়ে, বার্নাকলরা হচ্ছে ছোট লিম্পেট-এর মতো দেখতে ছোট প্রাণী, যারা পাথর কিংবা জাহাজের গায়ে আটকে থাকে। ইংল্যান্ডে ফেরার পর ডারউইন যতই ভাবছিলেন ততই তিনি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছিলেন যে, প্রজাতিরা বিবর্তিত হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায়, এবং চিরকালের জন্যে অপরিবর্তনীয় নয় বরং সারাক্ষণই তারা পরিবর্তিত হচ্ছে। এবং অবশেষে তিনি প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি প্রস্তাবনায় পৌছান, প্রাণী ও উদ্ভিদরা যারা তাদের পরিবেশের সাথে সুঅভিযোজিত, তাদের যথেষ্ট দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে তাদের বৈশিষ্ট্যগুলো পরের প্রজন্মে হস্তান্তর করার জন্যে। দীর্ঘ সময় পরে এই বিষয়টি এমন উদ্ভিদ ও প্রাণীদের তৈরি করবে যাদের দেখলে মনে হবে, যে পরিবেশে তাদের পাওয়া গেছে, তাদের ঠিক সেই পরিবেশে বসবাস করার মতো করেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিবর্তন কাজ করছে, তার সবচেয়ে ভালো প্রমাণ দিয়েছিল গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ। যেমন, ইতিহাসের কোনো একটি পর্যায়ে, তিনি ভেবেছিলেন, ফিঞ্চরা মূল মহাদেশ থেকে এই দ্বীপে এসেছিল, হয়তো শক্তিশালী কোনো বাতাসে ভেসে, এবং বহু হাজার প্রজন্মের ব্যবধানে, প্রতিটি দ্বীপে পাখিরা ধীরে ধীরে অভিযোজিত হয়েছে যেখানে তাদের বসবাস সেই পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে।

    একই প্রজাতির সব পাখি একই রকম নয়। সাধারণত অনেক বৈচিত্র্য বা প্রকরণ আছে, যেমন, কোনো একটি সদস্যের ঠোঁট হয়তো অন্যদের চেয়ে খানিকটা বেশি সুচাল। যদি এই ধরনের ঠোঁট থাকাটা পাখিটিকে দীর্ঘদিন বাঁচতে সাহায্য করে, তাহলে বেশ ভালো সম্ভাবনা থাকবে সে প্রজননও করবে। যেমন, কোনো একটি পাখি সদস্য যার কিনা শক্তিশালী ঠোঁট আছে বীজ খাবার জন্য, সে এমন কোনো দ্বীপে খুব ভালো করবে যেখানে অনেক বীজ আছে খাবার জন্য। কিন্তু সে সম্ভবত বেশি ভালো করত না যদি এমন কোনো দ্বীপে সে থাকত যেখানে খাদ্য মূলত বাদাম, যার শক্ত খোলস ভাঙতে হবে। সে পাখিটির সংগ্রাম করতে হবে খাদ্য-অনুসন্ধানের জন্য কারণ এর ঠোঁটের আকার খানিকটা ভিন্ন, তার জন্যে কঠিন হবে সেখানে প্রজনন ও সন্তান তৈরির জন্যে যথেষ্ট দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকা। এটাই এই ধরনের ঠোঁট পরবর্তী প্রজন্মে হস্তান্তরিত হবার বিষয়টি কম সম্ভাব্য করে তুলবে। সুতরাং বীজসমৃদ্ধ দ্বীপে, বীজ খাওয়ার উপযুক্ত ঠোঁট ক্রমেই প্রাধান্য বিস্তার করবে। বহু সময় অতিক্রান্ত হবার এটি নতুন প্রজাতির বিবর্তিত হবার কারণ হবে, যা সেই দ্বীপে প্রথম আসা মূল প্রজাতি থেকে হবে ভিন্ন। ভুল ধরনের ঠোঁটসহ পাখি প্রজাতি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হবে। কোনো একটি দ্বীপের ভিন্ন পরিস্থিতিতে খানিকটা ভিন্ন ধরনের ফিঞ্চ পাখি বিবর্তিত হবে। অনেক দীর্ঘ সময় পর, পাখিদের ঠোঁট ক্রমশ সেই পরিবেশে খাপ খাওয়ার জন্য আরো বেশি উপযুক্ত হয়ে উঠতে থাকবে। ভিন্ন ভিন্ন দ্বীপগুলোয় ভিন্ন পরিবেশ মানে, যে-পাখিরা সেখানে বাস করছে সেখানে তারা বসবাস করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

    ডারউইনের আগে, তাঁর পিতামহ ইরাসমাস ডারউইনসহ অনেকেই প্রস্তাব করেছিলেন প্রাণী আর উদ্ভিদরা বিবর্তিত হয়েছে। চার্লস ডারউইন এর সাথে যুক্ত করেছিলেন প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে অভিযোজনের তত্ত্বটি, যে-প্রক্রিয়াটি সুঅভিযোজিতদের সুযোগ করে দেয় তাদের বৈশিষ্ট্য নতুন প্রজন্মের মধ্যে হাতবদল করার জন্যে প্রয়োজনীয় সময় অবধি বেঁচে থাকার জন্যে। এই টিকে থাকার সংগ্রাম সবকিছুই ব্যাখ্যা করে। এই সংগ্রাম শুধু ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির সদস্যদের মধ্যেই নয়, একই প্রজাতির সদস্যরাও নিজেদের মধ্যে সংগ্রাম করে। পরবর্তী প্রজন্মে তাদের নিজেদের বৈশিষ্ট্য হস্তান্তরে প্রচেষ্টায় তারা প্রত্যেকেই দ্বন্দ্ব্বরত। এ কারণেই জীবদের নানা বৈশিষ্ট্য আছে যা দেখলে যেন মনে হয় তাদের কোনো বুদ্ধিমান সত্তা পরিকল্পনা করে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু বিবর্তন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা কোনো সচেতন বুদ্ধিমত্তা দ্বারা পরিচালিত হয়না। কোনো সচেতন সত্তা বা ঈশ্বর এটি পরিচালিত করে না। এটি নৈর্ব্যক্তিক। এটি যন্ত্রের মতো যা-কিনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। এটি অন্ধ সেই অর্থে এটি জানেনা কোথায় এটি যাচ্ছে, চিন্তা করেনা এটি কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদদের সৃষ্টি করছে। এটি তাদের জন্য কোনোকিছু বোধও করেনা। আমরা যখন এর তৈরি করা জীবদের দেখি, খুব কঠিন সেই ভাবনা থেকে বিরত থাকা, যে তাদের কেউ খুব বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু সেটি ভুল হবে ভাবা। ডারউইনের তত্ত্ব অনেক সহজতর আর যৌক্তিক প্রাকৃতিক ব্যাখ্যা দিয়েছে আমাদের। এটি ব্যাখ্যা করে কেন জীবরা এত বৈচিত্র্যময়, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি তারা যে-পরিবেশে বাস করে তারা এর কোনো অংশের সাথে সুঅভিযোজিত।

    ১৮৫৮ সালে ডারউইন তখনও তাঁর আবিষ্কার প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি মূলত তার বইটি নিয়ে কাজ করছিলেন, তিনি চেয়েছিলেন যতটা সম্ভব ত্রুটিমুক্ত করে সঠিকভাবে তিনি তাঁর ধারণাটিকে প্রকাশ করবেন। কিন্তু আরেকজন প্রকৃতিবিদ আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস (১৮২৩-১৯১৩) মালয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে তাকে চিঠি লিখেছিলেন বিবর্তনের একই ধরনের তত্ত্বের একটি রূপরেখাসহ। ঘটনাচক্রে এই চিঠিটি তার ধারণাগুলো নিয়ে ডারউইনকে প্রকাশ্যে আসার জন্যে প্ররোচিত করেছিল। প্রথমে লন্ডনের লিনিয়াল সোসাইটিতে একটি যৌথ উপস্থাপনা এবং পরের বছর ১৮৫৯ সালে তাঁর বই ‘অন দি অরিজিন অব স্পিসিস’ প্রকাশের মাধ্যমে। ডারউইন চাননি তার দীর্ঘদিনের গবেষণা প্রকাশের আগেই ওয়ালেস কিছু প্রকাশ করুক। বইটি তাকে সাথে সাথে বিখ্যাত করে তুলেছিল।

    প্রকাশকের সম্পাদকরা মূল পাণ্ডুলিপি পরিবর্তন করতে বলেছিলেন ডারউইনকে। তিনি রাজি হননি। প্রকাশক জন মারেও ডারউইনের মূল পাণ্ডুলিপি অপরিবর্তিতরূপেই প্রকাশের উদ্যোগ নেন। On the Origin of Species by Means of Natural Selection, or the Preservation of Favoured Races In the Struggle for Life শিরোনামে বইটি ১৮৫৯ সালে ২৪ নভেম্বর লন্ডন থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে অবশ্য বইটি পরিচিতি পায় এর শিরোনামের সংক্ষিপ্ত রূপ On the Origin of Species নামে। সে বছর লন্ডনের খানিকটা অস্বাভাবিক শীত বিজ্ঞানীদের জন্য উষ্ণ করে তুলেছিল এই বইটি। ১৫ শিলিং দামের এই বইটি প্রকাশের প্রথম দুই দিনেই ১২৫০ কপির প্রত্যেকটি বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। পরের মাসে দ্বিতীয় সংস্করণটির পুরো ৩০০০ কপিও বিক্রি হয়েছিল। পরবর্তীতে বইটির আরো অনেক সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। বলাবাহুল্য বইটি মূল প্রস্তাবনা তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। অবশ্য ডারউইন নিজেকে এই বিতর্ক থেকে দূরে রেখেছিলেন এবং তাঁর গবেষণা আর লেখা চালিয়ে গিয়েছিলেন। পরবর্তী ছয়টি সংস্করণে ডারউইন তার বইটি পুনঃসম্পাদনা করেছিলেন। এরপর আরো অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বই লেখেন ডারউউন, এর মধ্যে ১৮৭১ সালে The Descent of Man তার বিবর্তনের ধারণাকে আরো বিস্তৃত করে। কিছু মানুষ যারা এটি পড়েছিলেন তারা বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি। বিগলের ক্যাপ্টেন রবার্ট ফিৎসরয়, যেমন, নিজেও বিজ্ঞানী, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেবার একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন যিনি, তিনি বাইবেল-এর সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনীর একনিষ্ঠ বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি হতাশ হয়েছিলেন যে ধর্মীয় বিশ্বাসের অবমূল্যায়নে তিনিও কিছু ভূমিকা রেখেছিলেন বলে, এবং প্রকাশ্যেই বলেছেন, এমনটি হবে জানলে তিনি কখনো ডারউইনকে তার জাহাজে জায়গা দিতেন না। অবশ্য ফিৎসরয় মারা গেলে ডারউইন তার পরিবারের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় সাহায্য অব্যাহত রেখেছিলেন।

    এমনকি আজো সৃষ্টিতত্ত্ববাদীরা যারা জেনেসিসের গল্প বিশ্বাস করেন এবং জীবনের উৎপত্তি সম্বন্ধে একটি আক্ষরিক ব্যাখ্যা হিসাবে, কিন্তু বিজ্ঞানীদের মধ্যে বিবর্তনের মূল প্রক্রিয়াটি কীভাবে চালিত হচ্ছে ডারউইনের সেই ব্যাখ্যাটি নিয়ে কেউ দ্বিমত পোষণ করেননা আর। আংশিকভাবে এর কারণ ডারউইনের সময় থেকে বহু প্রমাণই জড়ো হয়েছে তার তত্ত্বটি ও এর পরবর্তী সংস্করণগুলোর স্বপক্ষে। জিনতত্ত্ব, যেমন, বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে কীভাবে বংশগতি কাজ করে। আমরা এখন জিন ও ক্রোমোজোম সম্বন্ধে জানি, আমরা জানি তাদের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে, যারা কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রজন্মান্তরে হস্তান্তরের জন্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আমাদের বিশ্বাস করানোর জন্যে জীবাশ্ম-প্রমাণ আজ আরো বেশি শক্তিশালী। ডারউইনের সেই সময় থেকে, এইসব কারণেই প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে বিবর্তনের তত্ত্ব শুধুমাত্র কোনো হাইপোথিসিসের চেয়েও বেশি, এটি একটি হাইপোথিসিস যার যথেষ্ট পরিমাণ প্রমাণ আছে স্বপক্ষে, এটি বাস্তব প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত একটি বৈজ্ঞানিক সত্য। ডারউইনবাদ কমবেশি ধ্বংস করেছে প্রচলিত ডিজাইন বা কোনো বুদ্ধিমান সত্তা দ্বারা জীবনসৃষ্টির যুক্তিটাকে, এবং যা বহু মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিতকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। ডারউইন তার সময়সীমানায় নিজে অবশ্য ভেবেছিলেন ঈশ্বরের অস্তিত্বের ব্যপারে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কাজটি মানুষের বুদ্ধিমত্তার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। সহকর্মী একজন বিজ্ঞানীকে লেখা তার একটি চিঠিতে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, এই বিষয়ে কোনো উপসংহারের কাছে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি: ‘পুরো বিষয়টি মানুষের বুদ্ধিমত্তার জন্যে অনেক বেশি জটিল’, তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন, ‘একটি কুকুর যেমন নিউটনের মন নিয়ে ভাবতে পারে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }