Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৩০ : জীবনের বিসর্জন – সোরেন কিয়ের্কেগার্ড

    ঈশ্বরের কাছ থেকে আব্রাহাম একটি বার্তা পেয়েছিলেন। সত্যিকারভাবেই ভয়ংকর ছিল সেই বার্তাটি: একমাত্র পুত্র আইজাককে তার অবশ্যই বিসর্জন দিতে হবে। স্বাভাবিক কারণেই বার্তাটি তার তীব্র মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়েছিল। তিনি তার ছেলেকে ভালোবাসতেন, কিন্তু আবার তিনি খুবই ঈশ্বর-অনুগত মানুষও ছিলেন এবং জানতেন অবশ্যই ঈশ্বরকে মান্য করতে হবে। ওল্ড টেস্টামেন্টে জেনেসিস থেকে এই কাহিনীটিতে আমরা দেখি যে আব্রাহাম তার ছেলেকে একটি পাহাড়ের চূড়ায় নিয়ে যান, মাউন্ট মরিয়াহ, তাকে একটি পাথরের বেদির সাথে শক্ত করে বাঁধেন, এবং যখনই তার গলায় ছুরি বসিয়ে জবাই করতে যাবেন ঈশ্বরের সেই নির্দেশ অনুসরণ করে, ঠিক তখনই, একেবারে শেষমুহূর্তে এক ফেরেস্তা এসে হাজির, জবাই বন্ধ করার জন্য যাকে ঈশ্বর পাঠিয়েছেন। অতএব এর পরিবর্তে তিনি একটি বড় ভেড়া কোরবানি করেন, যাকে আশেপাশের কোনো ঝোপ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। ঈশ্বর অবশেষে আব্রাহামের আনুগত্যকে পুরস্কৃত করেন তার ছেলেকে বাঁচার সুযোগ দিয়ে। এই গল্পটিতে একটি বার্তা আছে, এর নৈতিক বাণীটি সাধারণভাবে মনে করা হয় এমন কিছু, “বিশ্বাস হারিও না, ঈশ্বর তোমাকে যা করতে বলছেন, সেটি করো, যা হবে ভালোই হবে।’ মূল বক্তব্যটি হচ্ছে ঈশ্বরের নির্দেশে কোনো সন্দেহ প্রকাশ না-করা। কিন্তু ডেনমার্কে জন্মগ্রহণকারী একজন দার্শনিক, সোরেন কিয়ের্কেগার্ড (১৮১৩-১৮৫৫) প্রস্তাব করেছিলেন: না, বার্তাটি আসলে এত সহজ-সরল না। তাঁর বিখ্যাত Fear and Trembling (১৮৪২) বইয়ে তিনি আব্রাহামের মানসিক অবস্থাটি কল্পনা করার চেষ্টা করেছিলেন, আব্রাহামের মনে সেই সময় কী চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল সেটি কল্পনা করেছিলেন। সেই প্রশ্নগুলো, ভয়, উদ্বেগ, যন্ত্রণা নিয়ে তিনি বাড়ি থেকে তিনদিনের যাত্রা শেষে উপস্থিত হয়েছিলেন সেই পর্বতচূড়ায়, যেখানে তিনি আসলেই বিশ্বাস করেছিলেন তার প্রিয় পুত্র আইজাককে বিসর্জন দিতে যাচ্ছেন।

    কিয়ের্কেগার্ড বেশ বিষণ্ন, গভীর নৈরাশ্যবাদী চিন্তায় আচ্ছন্ন, তবে অসাধারণ একজন দার্শনিক ছিলেন ঊনবিংশ শতকের ডেনমার্কে। প্রায় ২২টি বই লিখেছিলেন, তার মধ্যে তিনটি এখনও তাঁকে প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে চিন্তার জগতে: Fear and Trembling (১৮৪২), Either / Or (১৮৪৩) এবং The Sickness unto death (১৮৪৯)। কোপেনহেগেনের একটি সচ্ছল পরিবারে তার জন্ম, তিনি ছিলেন এই পরিবারের সাতটি সন্তানের মধ্যে একজন। ছোটবেলা থেকে তিনি মৃত্যুকে দেখেছেন, এবং মৃত্যু বিষয় হিসাবে তার চিন্তা জুড়ে ছিল সারাজীবন। শারীরিকভাবে তিনি বেশ দুর্বল ছিলেন, তাঁর বয়স যখন ২২, তিনি ও তাঁর একজন ভাই ছাড়া বাকি সব ভাইবোনই তখন মৃত। এই বিষয়টি তাকে প্ররোচিত করেছিল পরবর্তী ১৫ বছরে অনেকগুলো বই লিখে শেষ করার উন্মত্ততায়। যেমন ১৮৪৩ সালে একদিনেই তিনি তিনটি বই প্রকাশ করেছিলেন। তিনি কখনোই টাকার জন্য লেখেননি, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল নিজেকে রক্ষা করা, এবং ভাবতেন এর মাধ্যমে মানবতাকেও তিনি রক্ষা করবেন। ৪২ বছর অবধি বেঁচে ছিলেন তিনি। খুব ছোটবেলায় গাছ থেকে পড়ে গিয়ে তিনি তার মেরুদণ্ডে বেশ ব্যাথ্যা পেয়েছিলেন, তারই জটিলতায় তীব্র যন্ত্রণায় তাঁর মৃত্যু হয় (এছাড়াও সাধারণত মনে করা হয় তাঁর যক্ষ্মাও হয়েছিল)। কিয়ের্কেগার্ড অবশ্যই বেশ অদ্ভুত একজন মানুষ ছিলেন, যেখানে তিনি বাস করতেন, সেই কোপেনহেগেনের সমাজে খুব একটা মানানসই ছিলেন না তিনি। প্রতিদিন সকালে এই ক্ষীণকায় ছোটখাটো গড়নের মানুষটিকে দেখা যেত শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটছেন এবং তাঁর কোনো সঙ্গীর সাথে তিনি গভীর কথোপকথনে নিমগ্ন। তিনি নিজেকে ডেনিশ সক্রেটিস হিসাবে ভাবতে পছন্দ করতেন। সন্ধ্যাবেলায় তিনি লিখতেন, মোমবাতি দিয়ে ঘেরা একটি টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে। তাঁর একটি স্বভাব ছিল নাটক কিংবা অপেরার মধ্যবিরতিতে গিয়ে হাজির হওয়া, যেন সবাই মনে করেন তিনি বেশ উপভোগ করছেন নাটকটি, অথচ তিনি তখন তার বাসায় ব্যস্ত ছিলেন লেখালেখিতে। লেখক হিসাবে তাঁকে বেশ পরিশ্রমও করতে হয়েছে, কিন্তু ব্যক্তিজীবনে তাঁকে একটি কষ্টকর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল।

    তিনি এক তরুণীকে ভালোবেসেছিলেন, রেজিন ওলসেন, এবং তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন এবং রেজিন রাজিও হয়েছিল। কিন্তু পরে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন, কারণ তিনি খুবই বিষণ্নতায় ভোগা একজন মানুষ, এবং খুব বেশিমাত্রায় ধর্মপরায়ণ, তাঁর পক্ষে কাউকে বিয়ে করে মানিয়ে চলা কি সম্ভব হতে পারে? এছাড়াও আরো একটি কারণ ছিল, তিনি মনে করেছিলেন এভাবে তিনি তার ভালোবাসাকে রক্ষা করতে পারবেন আমৃত্যু। হয়তোবা তিনি চেয়েছিলেন তাঁর পারিবারিক নামের মর্যাদা তিনি রাখবেন, কিয়ের্কেগার্ড, তাঁর মাতৃভাষায় (ডেনিশ বা dansk) যার অর্থ সমাধিক্ষেত্র। তিনি রেজিনকে চিঠি লিখেছিলেন যে তিনি তাকে বিয়ে করতে পারবেন না, এবং তার বাগদানের আঙটিও ফেরত পাঠান কিন্তু এমন সিদ্ধান্ত তাকে আদৌ কোনো সুখ দেয়নি, বিষণ্ন সোরেনের বাকি জীবনের বহু রাতই বিনিদ্র কেটেছে, এবং তাঁর নানা লেখালেখি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মারফত আমরা জানি বহু রাত তিনি কেঁদেছেন রেজিনের জন্য। রেজিন, যেহেতু সোরেনকে ইতিমধ্যে কিছুটা চিনতে পেরেছিলেন, ভেঙে পড়লেও তাঁকে ফিরে আসার জন্যে অনেক অনুরোধও করেছিলেন। কিন্তু কিয়ের্কেগার্ড সেই আহ্বানও প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। সুতরাং আদৌ কিন্তু ঘটনাচক্রে ঘটেনি যে তাঁর সব লেখার মূল বিষয় ছিল কীভাবে বাঁচবেন সেটি নির্বাচন করা এবং আপনার সেই সিদ্ধান্তটি সঠিক কিনা সেটি জানার দুঃসাধ্যতা।

    সিদ্ধান্ত নেবার কঠিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনা আমরা তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বইয়ের শিরোনামেই দেখতে পাই: Either/Or; এই বইটি পাঠকদের দুটি বিকল্পের মধ্যে কেবল একটি জীবন বাছাই করার সুযোগ দেয়, হয় আনন্দসন্ধানী এবং সৌন্দর্যপিপাসু জীবন, অথবা প্রথাগত নৈতিকতায় নিয়মসিদ্ধ কোনো জীবন, নান্দনিক আর নৈতিকতার মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার সুযোগ। কিন্তু যে মূল বিষয়টিতে তিনি বারবার ফিরে এসেছেন তার লেখায় তাহলো ঈশ্বরে বিশ্বাস। আব্রাহামের গল্পটি ছিল যার কেন্দ্রে। কিয়ের্কেগার্ডের জন্য ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস করা কখনোই খুব সহজ-সরল সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি এমন একটি সিদ্ধান্তযা অনেকটাই অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়ার মতো, অন্ধবিশ্বাসের মাধ্যমে নেয়া কোনো সিদ্ধান্ত অনেক সময়ই আপনার কী করা উচিত সেই সংক্রান্ত প্রথাগত নৈতিক ধারণা বিরোধী হতে পারে। যদি আব্রাহাম সত্যি তার পুত্রকে হত্যা করতেন, তিনি অবশ্যই নৈতিকভাবে ভুল কাজটি করতেন। প্রতিটি পিতার মৌলিক দায়িত্ব তার নাবালক সন্তানদের সুরক্ষা করা। এবং অবশ্যই সেই সুরক্ষা করার মধ্যে এমন কিছু পড়ে না যে তাকে পাথরের বেদিতে বেঁধে জবাই করতে হবে ধর্মীয় আচার রক্ষায়। ঈশ্বর আব্রাহামকে যা বলেছিলেন তা হলো সেই নৈতিকতাটিকে উপেক্ষা করতে এবং বিশ্বাসের সাথে কাজটি চোখ বন্ধ করে অনুসরণ করতে। বাইবেলে আব্রাহামকে উপস্থাপন করা হয়েছে প্রশংসনীয় অনুকরণযোগ্য একটি চরিত্র হিসাবে, ভালোমন্দের এই সাধারণ বোধটিকে উপেক্ষা করে আইজাককে ঈশ্বরের নির্দেশে বিনা প্রশ্নে হত্যা করতে উদ্যত হবার জন্যে। কিন্তু তিনি কি ভয়ংকর একটি ভুল করতে যাচ্ছিলেন না? কী হতো যদি সেই বার্তাটি আসলে ঈশ্বরের কাছ থেকে না আসত? এটি তার একটি বিভ্রমও হতে পারত, হ্যালুসিনেশন, হয়তো আব্রাহাম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং তিনি গায়েবি কথা শুনতে পেতেন। কীভাবে তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন বার্তাটির প্রেরক সম্বন্ধে? যদি তিনি আগে থেকেই জানতেন যে ঈশ্বর শেষমুহূর্তে নিশ্চয়ই তার মত বদলাবেন, তার জন্য কাজটি বেশ সহজ হতো। কিন্তু যখন তিনি ছুরি তুলেছেন এবং প্রস্তুত তার সন্তানের রক্তপাত করার জন্য, তিনি তখন আসলেই বিশ্বাস করছিলেন যে তিনি তার সন্তানকে হত্যা করতে যাচ্ছেন। আর সেটাই, ঠিক যেমন করে বাইবেল এই দৃশ্যটি বর্ণনা করেছে, এর মূল বক্তব্য। তার ধর্মবিশ্বাস এত দৃঢ়, কারণ তিনি ঈশ্বরের উপর তার পুরো বিশ্বাস সমর্পণ করেছেন, প্রথাগত কিংবা প্রচলিত নৈতিকতানির্ভর কোনো নীতিমালার তোয়াক্কা না করে, যে সমর্পণ ছাড়া এটি ফেইথ বা ধর্মবিশ্বাসও হতো না। ফেইথ-এর সাথে ঝুঁকি সংশ্লিষ্ট। কিন্তু এছাড়াও এটি অযৌক্তিক, কোনো যুক্তি এর ভিত্তিতে নেই। আব্রাহামের কাহিনীটি দিয়ে কিয়ের্কেগার্ড বোঝাতে চেয়েছিলেন যে কখনো সাধারণ সামাজিক দায়িত্বগুলো, যেমন কোনো বাবার উচিত সবসময় তার সন্তানের সুরক্ষা করা, সবচেয়ে সেরা মূল্যবোধ নয়, ঈশ্বরের আজ্ঞানুবর্তী হবার কর্তব্যটি একজন ভালো পিতা হবার কর্তব্য থেকে বড়, এবং যে-কোনো কর্তব্যের চেয়ে এটি সবচেয়ে বড় কর্তব্য। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে শুধুমাত্র তার পুত্রকে বিসর্জন দেবার কথা বিবেচনা করার জন্যে আমাদের কাছে আব্রাহামকে মনে হতে পারে কঠোর হৃদয় আর অনৈতিক কিন্তু ঈশ্বরের নির্দেশ যেন তাসের টেক্কা, যা সবকিছুকেই হারিয়ে দেয়, ঈশ্বর যা নির্দেশ করে তার অগ্রাধিকার সবচেয়ে বেশি। এরচেয়ে বড় কোনো তাসের দান নেই প্যাকেটে, সুতরাং সেখানে মানবিক নৈতিকতাবোধ আর প্রাসঙ্গিক নয়। কিন্তু তারপরও যে, মানুষটি নৈতিকতাকে পরিত্যাগ করে তার ধর্মবিশ্বাসের জন্য, সে একটি যন্ত্রণাদায়ক সিদ্ধান্ত নেয়, সবকিছু হারাবার ঝুঁকি নেয়, তার সেই কাজ করার মাধ্যমে তার কী উপকার পাবার সম্ভাবনা আছে বা কী ঘটতে পারে সেটি না-জেনেই, বার্তাটি সত্যি ঈশ্বরের কাছ থেকে আসছে কিনা সেটি না-জেনেই তিনি দাবি করেন যে এই পথটি যারা বেছে নেয় তারা পুরোপুরি একা।

    কিয়ের্কেগার্ড ধার্মিক খ্রিস্টান ছিলেন, যদিও ডেনিশ চার্চকে তিনি ঘৃণা করতেন এবং তাঁর চারপাশে সব আত্মতুষ্ট খ্রিস্টানদের আচরণ তিনি মেনে নিতে পারেননি। তাঁর মতে, ধর্ম হবে হৃদয়-নিংড়ানো একটি আত্মত্যাগের পথ, চার্চে গান গাওয়ার মতো কোনো সুবিধাবাদী অজুহাত নয়। তিনি মনে করতেন ডেনিশ চার্চ খ্রিস্টধর্মকে বিকৃত করেছে, এবং তারা পুরোপুরিভাবে খ্রিস্টান না। এবং অবাক হবার কারণ নেই, তাঁর এই অবস্থান তাকে বেশি জনপ্রিয় করেনি। সক্রেটিসের মতোই তিনিও বহু মানুষকে রাগিয়ে দিয়েছিলেন যারা তার সমালোচনা কিংবা তির্যক মন্তব্য সহ্য করতে পারেননি। এই অধ্যায়ে যদিও বেশ আত্মবিশ্বাসের সাথে দাবি করা হয়েছে কিয়ের্কেগার্ড কী বিশ্বাস করতেন, কিন্তু তাঁর যে-কোনো একটি বইয়ে তিনি কী বলতে চেয়েছিলেন সেটি ব্যাখ্যা করা খুব সহজ নয়। আর এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। কারণ তিনি সেই ধরনের লেখক ছিলেন, যিনি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবেন একান্ত নিজস্বভাবে চিন্তা করার জন্যে। কদাচিৎ তিনি তাঁর নিজের নামে লিখেছিলেন, বরং বেশকিছু ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন, যেমন তিনি Fear and Trembling লিখেছিলেন Johannes de Silentio বা John of Silence নামে। এর কারণ কিন্তু শুধুমাত্র সেই সত্যটা আড়াল করা না যে কিয়ের্কেগার্ড এই বইগুলো লিখেছিলেন, কারণ বহু মানুষই খুব সহজেই অনুমান করতে পেরেছিলেন এর লেখক কে, সেটি সম্ভবত তিনি চেয়েছিলেন। তাঁর বইয়ের উদ্ভাবিত লেখকরা, বরং, চরিত্রের মতো যারা তাদের নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পৃথিবীটাকে দেখেছেন। এটি তাঁর কৌশলগুলোর মধ্যে একটি ছিল, যা তিনি ব্যবহার করেছিলেন তাঁর আলোচনার বিষয়গুলো পাঠকদের বোঝাতে এবং পাঠকদের তিনি উৎসাহ দিয়েছিলেন পড়ার সময় সেই লেখার সাথে গভীরভাবে সংশ্লিষ্ট হবার জন্যে। আপনি পৃথিবীটাকে দেখবেন সেই চরিত্রটির চোখে, এবং আপনাকে একা ছেড়ে দেয়া হবে মনস্থির করার জন্য জীবনের নানা দৃষ্টিভঙ্গিগুলোর মূল্য কী তা যাচাই করার জন্যে।

    কিয়ের্কেগার্ডের লেখাপড়া অনেকটাই কোনো উপন্যাস পড়ার মতো, কারণ প্রায়শই তিনি কাল্পনিক কাহিনি ব্যবহার করেছেন তাঁর ধারণাগুলোকে একটি রূপ দেবার জন্য। তাঁর Either/Or (১৮৪৩) বইটিতে একজন কাল্পনিক পুস্তকসম্পাদক, ভিক্টর এরেমিতা, পুরোনো ডেস্কের ড্রয়ারে একটি পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাবার ঘটনা বর্ণনা করেছিলেন। সেই পাণ্ডুলিপিটি ছিল বইয়ের মূল বিষয়। যেন পাঠকের মনে হয় এটি লিখেছেন দুজন ভিন্ন মানুষ, তিনি তাদের বর্ণনা দিয়েছেন A এবং B হিসাবে। প্রথমজন হচ্ছেন সুখসন্ধানী, যার জীবন আবর্তিত হচ্ছে কীভাবে একঘেয়েমিকে এড়ানো যায় নতুন উত্তেজনাপূর্ণ অভিযান খোঁজার মাধ্যমে। তিনি একটি তরুণীকে প্রেমের ভান করে জয় করার কাহিনি বর্ণনা করেন একটি ডায়রি হিসাবে, যা ছোটগল্পের মতোই পড়তে, এবং কিছুটা অংশে এটি রেজিনের সাথে কিয়ের্কেগার্ডের নিজের কাহিনীর সাথেও মিল আছে। আনন্দসন্ধানী সেই ব্যক্তি যদিও তার ব্যতিক্রম, কেবল নিজের অনুভূতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। Either/Or-এর দ্বিতীয় পর্বে লেখা হয়েছে যেন একজন বিচারক সেটি লিখেছেন, যিনি জীবনে নৈতিকভাবে বাঁচার উপায়কে সমর্থন করেছেন। প্রথমপর্বের শৈলীতে আমরা A-এর পছন্দ আর আগ্রহের প্রতিফলন দেখতে পাই। শিল্পকলা, অপেরা আর কোনো নারীকে জয় করা নিয়ে ছোট একটি অংশ। মনে হতে পারে যেন লেখক কোনো একটি বিষয়ের উপর তার মনোযোগ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি। দ্বিতীয় অংশে লেখা হয়েছে আরো গম্ভীর আর খানিকটা জটিল ভাব প্রকাশের শৈলীতে যেখানে বিচারকের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন আমরা দেখি।

    প্রত্যাখ্যাত রেজিন ওলসেনের জন্য যদি আপনার মন খারাপ হয় তাহলে প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখি, কিয়ের্কেগার্ডের সাথে তার কঠিন সম্পর্কটি শেষ হবার পর তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তাকে বিয়ে করেছিলেন, বাকি জীবন তিনি বেশ সুখেই ছিলেন। তবে, কিয়ের্কেগার্ড, কখনোই বিয়ে করেননি, এই সম্পর্ক ভাঙার পর তাকে কোনো রমণীর সান্নিধ্যেও দেখা যায়নি। রেজিন আসলেই তার সত্যিকার ভালোবাসা ছিল, এবং তাদের ব্যর্থ সম্পর্কই ছিল তার সংক্ষিপ্ত আর যন্ত্রণাময় জীবনে যা-কিছু তিনি লিখেছিলেন তার প্রায় সবকিছুর মূল। বহু দার্শনিকের মতো কিয়ের্কেগার্ডও তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে পুরোপুরিভাবে স্বীকৃতি পাননি। মাত্র ৪২ বছর বয়সে তিনি মারা যান। বিংশ শতাব্দীতে তাঁর বই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল অস্তি ত্ববাদী দার্শনিকদের কাছে, যেমন জ্যাঁ-পল সার্ত্র, তিনি বিশেষ করে পূর্বে নির্ধারিত কোনো নীতিমালার অনুপস্থিতিতে কোনোকিছু বাছাই করার উদ্বেগ আর মানসিক যন্ত্রণার বিষয়টিকে নিয়ে ভেবেছিলেন। কিয়ের্কেগার্ডের জন্যে, আত্মগত কোনো দৃষ্টিভঙ্গি, কোনো নির্বাচন করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    কিয়ের্কেগার্ড তাঁর Either / Or আর Fear and Trembling বইদুটিতে আমাদের যা করতে বলেছিলেন তা হলো সবার আগে আমাদের ঘুম থেকে জেগে উঠতে হবে, সব সান্ত্বনাদায়ক ভাবালুতা ঝেড়ে ফেলে। তিনি পদ্ধতিগতভাবে আধুনিক জীবনের মূল ভিত্তিগুলোকে আক্রমণ করেছিলেন, পরিবারের প্রতি আমাদের বিশ্বাস, আমাদের কাজের উপর আমাদের ভরসা, ভালোবাসার প্রতি আমাদের দুর্বলতা, জীবনের অর্থ আর উদ্দেশ্য আছে আমাদের সেই সাধারণ বোধটি। তার শত্রু ছিল নানারূপের দৃষ্টিকটুভাবে আত্মতৃপ্ত মানুষগুলো, বিশেষ করে ডেনমার্কের নব্য বুর্জোয়া আর প্রতিষ্ঠিত চার্চের সদস্যরা। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যখনই বড় হয়ে উঠেছি, আমি আমার চোখও খুলেছি, সত্যিকারের এই পৃথিবীটাকে দেখেছি, আমি হাসতে শুরু করেছি, আর এখনও সেই হাসি থামেনি। আমি দেখেছি, জীবনের অর্থ মানে কোনো জীবিকা খুঁজে পাওয়া, জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে হাইকোর্টের বিচারপতি হওয়া, ভালোবাসার সবচেয়ে আনন্দ হচ্ছে সচ্ছল কোনো পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করা, আর জ্ঞান হচ্ছে সেটাই যা সংখ্যাগরিষ্ঠরা বলে জ্ঞান, আর তীব্র তাড়না হচ্ছে উঁচুগলায় ভাষণ দেয়া, আর সাহস হচ্ছে দশ ডলারের জরিমানা হবার মতো কোনো কাজ করার জন্য ঝুঁকি নেয়া, আর আন্তরিকতা হচ্ছে রাতের খাবারের পর ‘আপনি স্বাগতম’ বলা। আর ঈশ্বরকে ভয় মানে বছরে একবার কমিনিউন করা। সেটাই আমি দেখেছি আর হেসেছি।’

    কিয়ের্কেগার্ড বিশেষভাবে সমালোচনা করেছিলেন ভালোবাসা সম্বন্ধে ঊনবিংশ শতাব্দীর ধারণাটিকে, আবেগময় ভালোবাসার বিয়ের সেই নতুন ধারণাটি, যা কামনার সাথে দূরদর্শিতাকেও যোগ করেছিল, প্রস্তাব করেছিল প্রেমের সব আনন্দই যে-কেউ উপভোগ করতে পারবে এবং একই সাথে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের স্থিতিশীলতাও থাকবে। কিন্তু কিয়ের্কেগার্ড ঠাট্টা করেছিলেন বিয়ের সাথে রোমান্টিক ভালোবাসাকে মিশ্রণ করার ধারণাটি নিয়ে, তিনি মনে করতেন কারো পক্ষেই, আবেগময় ভালোবাসা ও যৌনতাও থাকবে, আবার সন্তান ও স্থিতিশীলতা এবং আটপৌরতাও থাকবে, এমন সম্পর্ক অর্জন করা আসলে সম্ভব নয়। যদিও তিনি দুটোকেই সমীহ করতেন কিন্তু বিশ্বাস করতে পারেননি কেউ একই সাথে দুটোই পেতে পারে কোনো সুবিধাজনক বিয়েতে যা নির্দিষ্ট করে দেয় কোনো রাষ্ট্র ও সমাজ। তাঁর এই বিশ্বাসটির উৎস তার নিজের যন্ত্রণাময় প্রেমকাহিনি। তিনি নিজেই রেজিন ওলসেনের সাথে সম্পর্ক ভেঙে দেন যখন তিনি অনুধাবন করেছিলেন রেজিনের সাথে চিরকাল বসবাস করা বা তার চেষ্টা করার আরেকটি অর্থ হচ্ছে নিজের ভালোবাসাকে হত্যা করা, যে ভালোবাসাই তাকে একদিন রেজিনের কাছে নিয়ে এসেছিল।

    কিয়ের্কেগার্ড যেদিকে তাকিয়েছেন তিনি শুধু অসহনীয় অসঙ্গতি আর অসম্ভব সব সিদ্ধান্ত দেখেছেন। এটাই ছিল তার অসাধারণ বই Either/Or বই-এর মূল বিষয়। তিনি লিখেছিলেন, ‘বিয়ে করুন, আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে, বিয়ে না করুন তাও আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে। বিয়ে করুন বা না করুন, যে- কোনো সিদ্ধান্তেই আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে। পৃথিবীর নির্বুদ্ধিতার প্রতি হাসুন, আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে;আপনি যদি সেই নির্বুদ্ধিতা নিয়ে বিলাপ করুন, তাও আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে। গলায় দড়ি দেন, আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে; যদি গলায় দড়ি না দেন তাও আপনাকে অনুশোচনা করতে হবে। আর এটাই, ভদ্রমহোদয়গণ, হলো সব দর্শনের সারকথা।’ হাসবার বিষয়টির উল্লেখ কিন্তু কাকতলীয় কোনো ঘটনা নয়, কিয়ের্কেগার্ড-এর দর্শনের মূল বক্তব্য জীবনের ভয়াবহতার বিরুদ্ধে একমাত্র বুদ্ধিমান প্রতিরোধ কৌশল হচ্ছে, স্পর্ধার সাথে এর দিকে তাকিয়ে হাসা। খুব কম দার্শনিকই হাস্যরসকে এতটা গুরুত্ব দিয়েছেন।

    কিয়ের্কেগার্ডকে প্রায়শই বলা হয় দর্শনের একটি বিশেষ আন্দোলনের জনক, Existentialism বা অস্তিত্ববাদ। কারণ তাঁর মধ্যে আমরা সেই ধারণাগুলোকে খুঁজে পাই যা পরবর্তী সময়ের দার্শনিকদের, যেমন সার্ত্র, কামু কিংবা হাইডেগারকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাঁর যে-বইটি অস্তিত্ববাদী দার্শনিকদের মুগ্ধ করেছিল, সেটি হচ্ছে The Concept of Anxiety, ১৮৪৪ সালে এটি প্রকাশিত হয়েছিল, এখানেই তিনি প্রথমবারের মতো Angest শব্দটি ব্যবহার করেন, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Angest-এর সাথে আমরা এখন পরিচিত। শব্দটি দিয়ে তিনি এমন একটি পরিস্থিতি বোঝাতে চেয়েছিলেন: কোনো একটি সিদ্ধান্ত নেবার জন্যে যখন আমরা বুঝতে পারি আমাদের বেশকিছু বিকল্প আছে আর যেগুলোর মধ্য থেকে যে-কোনো একটি আমরা বাছাই করতে পারি, কিন্তু সেই বাছাই করা স্বাধীনতাটি প্রজ্ঞার সাথে প্রয়োগ করার জন্যে যখন আমাদের বিচারক্ষমতা বা জ্ঞান সবসময়ই অপ্রতুল। যেমন কিয়ের্কেগার্ড বলেছিলেন ‘জীবনকে আমরা বুঝতে পারি পিছন দিক বরাবর তাকিয়ে, সবকিছু ঘটে যাবার পর, অথচ অবশ্যই আমাদের জীবনযাপন করতে হবে সামনের দিকে তাকিয়ে।’ আমাদের অস্তিত্বের এই চিরন্তন টানাপড়েন, মানেদুঃখ সবার জীবনের চিত্রনাট্যেই কমবেশি লেখা আছে। যেমন তিনি লিখেছেন, ‘যে কেউই, যে কিনা বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছেন, তারা বুঝতে পারবেন, আমি সঠিক কথাই বলছি, যখন আমি বলছি, কারো পক্ষেই কখনো সম্ভব নয় চূড়ান্তভাবে, কোনো বোধগম্য উপায়ে পুরোপুরিভাবে সন্তুষ্ট হওয়া, এমনকি তার জীবনে মাত্র আধাঘণ্টার জন্যেও। এই পৃথিবীতে না-কেঁদে কেউই প্রবেশ করেনি, কেউই জিজ্ঞাসা করেনি, কখন আপনি পৃথিবীতে প্রবেশ করতে চান, কেউই জিজ্ঞাসা করবে না কখন আপনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে চান, কতটা শূন্য আর অর্থহীন এই জীবন, কাউকে সমাহিত করে, তার উপর তিন কোদাল ভর্তি মাটি ফেলে দিন, এরপর যে ঘোড়াগাড়ি করে এসেছিলেন আবার সেই ঘোড়াগাড়ি করে ফিরে যান, এবং আমরা নিজেদের সান্ত্বনাদিই, এখনও বেঁচে থাকার মতো অনেকটা জীবন বাকি আছে। কিন্তু আসলেই এই সত্তর বছর কতটা দীর্ঘ সময়, কেন আমরা এখনই সেটি শেষ করেদিই না?’

    কিন্তু কিয়ের্কেগার্ডের অবশ্য একটি উত্তর ছিল, যা তিনি তার জীবনের শেষদিকের লেখায় বিশেষভাবে উল্লেখ করেছিলেন, যিশুখ্রিস্ট। যদিও তিনি প্রতিষ্ঠিত ডেনিশ চার্চের খ্রিস্টধর্মকে অপছন্দ করতেন, কিন্তু তিনি গসপেলের সরল সত্যগুলোকে ভালোবাসতেন, যার গল্প শৈশবে তার বাবা তাকে শিখিয়েছিলেন। তার কাছে খ্রিস্টধর্ম হচ্ছে ধর্মের কাছে চূড়ান্ত আত্মসমর্পণ, কৃষকসুলভ সরলতায়। খ্রিস্টের জন্যে এর অনুসারীদের সবসময় মৃত্যুকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত থাকতে হবে, পার্থিব সবকিছুর প্রতি মোহ ত্যাগ করতে হবে, পৃথিবীর সব মানুষকে ভালোবাসতে হবে আপন ভাই-বোনদের জন্য। কোনো যুক্তি দিয়ে কিয়ের্কেগার্ড ধর্মের প্রতি তার এই আত্মনিবেদন ব্যাখ্যা করেননি। বরং তিনি প্রস্তাবনা করেছিলেন, একটি নাটকীয় এবং এখন বিখ্যাত, leap of faith (বিশ্বাসের সাথে চোখ বুজে ঝাঁপিয়ে পড়া) পদ্ধতি, যেখানে কোনো অপ্রতুল মনের উচিত হবে না ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করার কোনো চেষ্টা করা। যেখানে উচিত হবে ত্রুটিযুক্ত যৌক্তিক চিন্তা করার ক্ষমতাকে নিশ্চুপ করে একটি সম্পূর্ণ সমাধান হিসাবে ঈশ্বরের ধারণাটিকে মেনে নেয়া। তিনি যেমন বলেছিলেন, ‘ধর্মবিশ্বাস মানে নিজেকে হারিয়ে ফেলা আর ঈশ্বরকে খুঁজে পাওয়া।’ মার্ক্সবাদী কমিউনিজমের মতো, মানবজীবনের সমস্যাগুলোর জন্যে কিয়ের্কেগার্ডের সমাধান অনেক কম নির্ভরযোগ্য, যা আমাদের সামগ্রিক অসুস্থতাকে শনাক্ত করা ছাড়া তেমন কৌতূহল বা ভরসার উদ্রেক করেনা। কিন্তু কিয়ের্কেগার্ড আমাদের মনোযোগ দাবি করার যোগ্যতা রাখেন মানবিক পরিস্থিতিটিকে তার সৌন্দর্যময় তিক্ততা আর বিদ্রূপাত্মক দৃষ্টি দিয়ে উপস্থাপন করার কারণে। তিনি হচ্ছেন সেই অল্পকিছু দার্শনিকদের মধ্যে একজন, আমরা যার কাজে বন্ধুর মতো সান্ত্বনা খুঁজে পেতে পারি যদি জীবন আমাদের হতাশ করে। যিনি পুরোপুরিভাবে বুঝতে পেরেছিলেন, ঠিক কোন্ অন্ধকার জায়গায় আমাদের বসবাস, একবার যখন ভাবালুতার বিভ্রমগুলো ঝরে পড়ে, যা এতদিন আমাদের পরিচালিত করেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }