Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৩২ : তাতে কী এসে যায়? – সি. এস. পার্স ও উইলিয়াম জেমস

    একটি বড় গাছের কাণ্ড ধরে শক্ত করে ঝুলে আছে একটি কাঠবিড়ালি। গাছটির অন্যদিকে কাণ্ডের খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছে এক শিকারি। যখনই শিকারিটি তার বামদিকে সরে আসছে, কাঠবিড়ালিও দ্রুত তার বামদিকে সরে যাচ্ছে, কাণ্ড আঁকড়ে ধরে সে সরে যাচ্ছে শিকারির দৃষ্টিসীমার বাইরে। শিকারিও চেষ্টা করছেন কাঠবিড়ালিটিকে খুঁজে পেতে, কিন্তু কাঠবিড়ালিটি দ্রুত সরে যাবার মাধ্যমে শিকারির দৃষ্টিসীমার বাইরে অবস্থান করতে সক্ষম হচ্ছে। বহুক্ষণ ধরেই এটি চলতে থাকে, এবং শিকারির পক্ষে একবারও কাঠবিড়ালিটিকে দেখার সুযোগ হয়না। এখন, কেউ যদি বলেন কাঠবিড়ালিটির চারদিকে প্রদক্ষিণ করছে শিকারি, সেটা কি সত্য হবে? চিন্তা করে দেখুন, আসলেই কি শিকারি তার শিকারের চারপাশে ঘুরছে? সম্ভাবনা আছে যে আপনার উত্তর হবে, ‘কেন এটি জানতে চাইছেন আপনি?’ আমেরিকার দার্শনিক ও মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস (১৮৪২- ১৯১০) একবার তাঁর বন্ধুদের আড্ডায় এরকম একটি ঘটনা নিয়ে আলোচনার সময় উপস্থিত ছিলেন। আপনি যে-উত্তরটি দিতে পারেন, সেটি সেই আসরে একমাত্র উইলিয়াম জেমসই সমবেদনার সাথে অনুভব করতে পারতেন। তাঁর বন্ধুরা এর উত্তর কী হবে সে-বিষয়ে একমত হতে পারেননি কিন্তু তারা এমনভাবে এটি আলোচনা করছিলেন যেন তারা এখানে কোনো চরম সত্য কিছু উদ্‌ঘাটন করতে পারবেন। কেউ এর উত্তরে বলছেন, হ্যাঁ, কাঠবিড়ালিটির চারপাশে ঘুরছে শিকারি; অন্যরা বলেছেন না, অবশ্যই সে ঘুরছেনা। তারা ভেবেছিলেন কোনো- না-কোনোভাবে জেমস হয়তো তাদের সাহায্য করতে পারবেন এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে। তবে তার উত্তরটি ছিল তার প্র্যাগম্যাটিস্ট বা প্রয়োগবাদী দর্শনের আলোয়। তিনি যা বলেছিলেন সেটি হচ্ছে এরকম : যদি চারপাশে ঘোরা বা চক্কর দেয়া মানে আপনারা বোঝাতে চান মানুষটি কাঠবিড়ালি সাপেক্ষে প্রথমে উত্তরে, তারপর পূর্বে, তারপর দক্ষিণে, তারপর এর পশ্চিমে অবস্থান নেয়, কোনোকিছুর চারিদিকে ঘোরার একটি অর্থ যা হতে পারে, তাহলে উত্তরটি হচ্ছে, হ্যাঁ, সত্যি শিকারিটি কাঠবিড়ালিটিকে প্রদক্ষিণ করছেন। সেই অর্থে হ্যাঁ, তিনি কাঠবিড়ালির চারপাশে ঘুরছেন। কিন্তু যদি আপনি বোঝাতে চান যে, শিকারিটি প্রথমে কাঠবিড়ালির সামনে, এরপর কাঠবিড়ালির ডানে, এরপর এর পেছনে যায় এবং তারপর এর বামদিকে, চক্কর দেবার আরেকটি অর্থ যেটি হতে পারে, তাহলে উত্তরটি হবে, না, কারণ কাঠবিড়ালির পেটটি সবসময়ই শিকারির দিকে মুখ করে আছে। সেই অর্থে শিকারি কাঠবিড়ালির চারপাশে ঘুরছেন না। তারা সবসময়ই মুখোমুখি পরস্পরের, শুধু মাঝখানে আছে গাছটি, তারা পরস্পরের দৃষ্টি এড়িয়ে শুধু এর চারপাশে ঘুরছিল।

    এই উদাহরণের মূল বিষয়টি হচ্ছে প্রদর্শন করা যে প্রয়োগবাদ বা প্রাগম্যাটিজম মূলত সম্ভাব্য প্রায়োগিক পরিণতিগুলো নিয়ে ভাবে, যাকে বলা হয় চিন্তার ‘ক্যাশ ভ্যালু’, cash value; কোনো প্রশ্নের উত্তরের উপর যদি কোনোকিছুই নির্ভর না করে, তাহলে আপনি কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তার উপর কিছুই নির্ভর করছে না। এটি শুধুমাত্র নির্ভর করে, কেন আপনি জানতে চাইছেন আর এটা জানলে আসলেই কী পরিবর্তন সেটি ঘটাতে পারে। এখানে, এই প্রশ্নটি সংশ্লিষ্ট মানবীয় চিন্তা ছাড়া আর কোনো বিশেষ সত্য নেই উদ্ঘাটন করার জন্যে, কীভাবে আমরা চারিদিকে ঘোরা বা চক্কর দেওয়া ক্রিয়াপদটি সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করছি, ভিন্ন ভিন্ন প্রাসঙ্গিকতায়। যদি কোনো কার্যত বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে পার্থক্য না থাকে, তাহলে এখানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সত্য নেই। এমন কিছু নয় যে কোথাও সেখানে সত্য আছে, আমরা খুঁজে পাব বলে সেখানে অপেক্ষা করছে। জেমসের জন্যে সত্য হচ্ছে শুধুমাত্র সেটি যা কাজ করে, আমাদের জীবনের উপর যার ইতিবাচক একটি প্রভাব আছে।

    প্রাগম্যাটিজম বা প্রয়োগবাদ নামের এই দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিটি ঊনবিংশ শতকের শেষাংশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এটি সূচনা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দার্শনিক ও বিজ্ঞানী চার্লস স্যান্ডারস পার্স (C.S. Peirce)। তিনি দর্শনকে এটি যতটা নয় তারচেয়ে বেশি বৈজ্ঞানিক করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। পার্স (১৮৩৯-১৯১৪) বিশ্বাস করতেন যে কোনো একটি প্রস্তাবনাকে সত্যি হতে হলে এটিকে অবশ্যই কোনো সম্ভাব্য পরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণ দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। যদি আপনি বলেন যে ‘কাচ ভঙ্গুর’, এর মানে হচ্ছে যদি আপনি কোনো হাতুড়ি দিয়ে কাচের উপর আঘাত করেন, এটি ছোট ছোট বহু টুকরো হয়ে ভেঙে পড়বে। সেটাই এই ‘কাচ ভঙ্গুর’ বাক্যটিকে সত্য প্রমাণ করে। ভঙ্গুরতা বলে কোনো অদৃশ্য বৈশিষ্ট্য কাচের মধ্যে নেই, শুধুমাত্র সেই বাস্তব সত্যটি ছাড়া, যা ঘটে যদি আপনি এটিকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন। কাচ ভঙ্গুর একটি সত্য প্রস্তাবনা, তার কারণ হচ্ছে এইসব প্রায়োগিক পরিণতিগুলো। ‘কাচ স্বচ্ছ’ সত্যি, কারণ আপনি কাচের ভিতর দিয়ে কোনোকিছু দেখতে পান, এর কারণ কাচের কোনো রহস্যময় বৈশিষ্ট্য নয়। পার্স নৈর্ব্যক্তিক বিমূর্ত কোনো তত্ত্ব পছন্দ করতেন না, যা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে যদি কোনো পার্থক্য সৃষ্টি করতে না পারে, তিনি ভাবতেন এগুলো অর্থহীন। তাঁর জন্য সত্য হচ্ছে, আমরা কী পাব যদি আমরা সব পরীক্ষা আর অনুসন্ধান চালাতে পারি, যা আমরা আদর্শ পরিস্থিতিতে করতে চাই। বৃটিশ দার্শনিক এ. জে. আইয়ারের লজিকাল পজিটিভিজমের সাথে তার বেশ মিল আছে। প্র্যাগম্যাটিজমের মূল বিষয় ছিল: চিন্তার কাজ কোনো বাস্তবতাকে বর্ণনা, প্রতিনিধিত্ব কিংবা প্রতিফলন করা নয়, বরং প্রয়োগবাদীরা মনে করতেন চিন্তা হচ্ছে একটি টুল বা উপকরণ যা দিয়ে কোনোকিছু ভবিষ্যদ্বাণী, সমস্যা সমাধান বা কোনো কাজ করা যায়।

    পার্স তেমন সুপরিচিত ছিলেন না এবং তাঁর লেখাও ব্যাপকভাবে পড়া হয়নি। কিন্তু উইলিয়াম জেমস সুপরিচিত ছিলেন। তিনি খুবই চমৎকার লেখক ছিলেন, তাঁর বিখ্যাত লেখক ভাইয়ের চেয়েও উত্তম অথবা তার মতোই ছিলেন, যে ভাইয়ের কথা বলা হচ্ছে তিনি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোট গল্পকার হেনরি জেমস। প্রাগম্যাটিজম নিয়ে পার্সের সাথে বহু সময় ধরে আলোচনা করেছিলেন উইলিয়াম, যখন দুজনেই হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন। জেমস নিজস্ব একটি সংস্করণ সৃষ্টি করেছিলেন যা তিনি জনপ্রিয় করেছিলেন তার লেখায় ও বক্তৃতায়। তাঁর জন্যে প্রাগম্যাটিজমের মূলসারটি হচ্ছে : সত্য হচ্ছে সেটি যা কাজ করে। অবশ্য তিনি খানিকটা অস্পষ্ট ছিলেন, ‘যা কাজ করে’ বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছিলেন। যদিও তিনি শুরুর দিকের মনোবিজ্ঞানী ছিলেন, তিনি শুধুমাত্র বিজ্ঞানেই আগ্রহ সীমাবদ্ধ করতে চাননি, তিনি কোটি ঠিক এবং কোটি ভুল, ন্যায় অন্যায় এবং ধর্ম নিয়েও আগ্রহী ছিলেন। আসলেই তার বিতর্কিত সব লেখাগুলো ছিল ধর্ম নিয়ে। প্রথাগত দৃষ্টিভঙ্গিতে যেভাবে সত্যকে দেখা হয় জেমসের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল বেশ ভিন্ন। তার মনে সত্য হচ্ছে বাস্তব বা প্রকৃত ঘটনাগুলো বা ফ্যাক্টের অনুরূপ কিছু। কোনো একটি বাক্যকে যা সত্য করে, correspondence theory of truth অনুযায়ী সেটি হচ্ছে এটি সঠিকভাবেই পৃথিবী কেমন সেটি বর্ণনা করে। ‘মাদুরের উপর বিড়ালটি বসে আছে’ সত্য, যখন বিড়ালটি আসলেই মাদুরের উপর বসে আছে, এবং মিথ্যা যখন সেটি সেখানে বসে থাকেনা। যেমন, যখন এটি হয়তো বাগানে ইঁদুরের সন্ধান করছে। জেমসের প্রস্তাবিত সত্যের প্রাগম্যাটিক তত্ত্ব অনুযায়ী, মাদুরের উপর বিড়ালটি বসে আছে সত্যি, কারণ এটি বিশ্বাস করলে আমাদের জন্যে উপযোগী কোনো বাস্তবসম্মত ফলাফল সৃষ্টি করবে প্রায়োগিক ক্ষেত্রে বা আমাদের জন্য এটি কাজে লাগে। যেমন মাদুরের উপর বিড়ালটি বসে আছে তথ্যটি আমাদের এমন ফলাফল দেয় যে আমরা আমাদের পোষা হ্যামস্টারটি নিয়ে সেই মাদুরের উপর খেলব না যতক্ষণ-না বিড়ালটি অন্য কোথায় চলে যায়।

    বেশ, তার ব্যবহৃত ‘বিড়ালটি মাদুরের উপর বসে আছে’ এমন উদাহরণটি ব্যবহার করার সময় সত্যের প্র্যাগম্যাটিক তত্ত্বের ফলাফলগুলো মনে হতে পারে বিশেষভাবে সতর্ক হবার মতো বা গুরুত্বপূর্ণ কিছু না। কিন্তু এই একই পরীক্ষা করে দেখুন ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’ এমন বাক্যটি দিয়ে। উইলিয়াম জেমস এই বিষয়ে কী বলতে পারেন বলে আপনি প্রত্যাশা করছেন? এটা কি সত্যি যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে? আপনি কী মনে করেন? এই প্রশ্নটির প্রধান কিছু উত্তর হতে পারে: ‘হ্যাঁ, এটি সত্যি যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’, ‘না, এটি সত্যি না যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’, এবং ‘আমি জানিনা’। ধরে নিচ্ছি যদি কষ্ট করে না পড়ে আপনি উত্তর দেন, তাহলে এই তিনটি উত্তরের কোনো একটি আপনি দিয়েছেন। এই অবস্থানগুলোর নাম, ঈশ্বরবাদ, নিরীশ্বরবাদ, অজ্ঞেয়বাদ (যথাক্রমে theism, atheism আর agnosticism)। যারা বলবেন, “হ্যাঁ, এটি সত্য যে ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’, তারা সাধারণত বোঝান যে কোথাও-না-কোথাও একজন সর্বশক্তিমান সত্তা আছেন, এবং ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে এমন প্রস্তাবনা সত্যি হবে এমনকি যখন কোনো মানুষ বেঁচে থাকবে না, এমনকি সেই পরিস্থিতিতেও যখন মানুষের কখনোই কোনো অস্তিত্ব ছিলনা। ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’ আর ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই’ হচ্ছে এমন প্রস্তাবনা যা হয় সত্য অথবা মিথ্যা। কিন্তু আমরা এই বাক্যগুলো নিয়ে যা চিন্তা করছি তা এদের সত্য বা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে না।, আমরা সে-সম্বন্ধে যা- কিছুই ভাবিনা কেন, তারা হয় সত্য কিংবা মিথ্যা। আমরা শুধুমাত্র আশা করি যে আমরা সঠিকভাবে উত্তরে পৌঁছাতে পারব, যখন আমরা প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে ভাবি।

    ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’, এই প্রস্তাবনার একটি ভিন্ন বিশ্লেষণ দিয়েছিলেন উইলিয়াম জেমস। তিনি ভাবতেন এই প্রস্তাবনাটি সত্যি। আর যা একে সত্য করছে তা হলো এটি তার মতে উপযোগী একটি বিশ্বাস, যা ‘কাজে লাগে’। এই উপসংহারে পৌঁছাতে তিনি নজর দেন ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে এমন বিশ্বাসের উপকারিতার উপর। বিষয়টি তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তিনি এমনকি একটি বইও লিখেছিলেন, The Varieties ofReligious Experience (১৯০২) নামে, যেখানে ব্যাপকভাবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছিল ধর্মীয় বিশ্বাসের কী কী প্রভাব থাকতে পারে। জেমস এর মতে, ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’ এমন কিছু বলা একটি সত্যিকারের প্রস্তাবনা, শুধুমাত্রই বলা যে কোনো-না-কোনোভাবে এটি বিশ্বাস করা বিশ্বাসীদের জন্য উত্তম। এই অবস্থানটি নেয়া খুবই বিস্ময়কর। এটি অনেকটাই পাসকালের যুক্তির মতো, অজ্ঞেয়বাদীরা সুবিধা পাবার মতো একটি অবস্থানে থাকবেন যদি তারা বিশ্বাস করেন ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে। পাসকাল যদিও, বিশ্বাস করতেন যে ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’, আর এটি সত্য করে ঈশ্বরের সত্যিকারের অস্তিত্ব, মানুষ তাকে বিশ্বাস করে ভালো বোধ করে তার মাধ্যমে নয় বা এটি তাদের ভালো মানুষ হতে সাহায্য করবে যদি তারা এমন কিছু বিশ্বাস করেন তার মাধ্যমেও নয়। তার সেই বাজি হচ্ছে অজ্ঞেয়বাদীদের বিশ্বাস করানোর প্রচেষ্টা যে, যা তিনি ভাবছেন সেটি সত্য। জেমস-এর জন্য, এটি হচ্ছে সেই অনুমিত বিষয়টি, যে ঈশ্বরে বিশ্বাস ‘সন্তোষজনকভাবে কাজ করে’ যা ‘ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে’ এমন প্রস্ত বিনাকে সত্যি করে। বিষয়টি আরো স্পষ্ট হওয়ার জন্যে, আরেকটি বাক্যের কথা মনে করুন, ‘সান্তা ক্লজের অস্তিত্ব আছে’, এটি কি সত্য? বিশাল বপু, হাসিমাখা লালচে মুখের একটি মানুষ প্রতি ক্রিসমাসের দিন রাতে আপনার চিমনি দিয়ে ঘরে ঢোকে থলে ভরা উপহার নিয়ে? এই অনুচ্ছেদটির বাকি অংশটি পড়ার দরকার নেই, যদি আপনি আসলেই বিশ্বাস করেন এমন কোনো ঘটনা সত্যি ঘটে।

    যদিও, আমি অনুমান করছি, আপনি নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন না যে সান্তা ক্লজের অস্তিত্ব আছে, এমনকি যদি আপনি মনে করেন ভালোই হতো যদি তার অস্তিত্ব থাকত। উইলিয়াম জেমস-এর সত্যের প্র্যাগম্যাটিক তত্ত্বটিকে সমালোচনা করেছিলেন বৃটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল। তিনি বলেছিলেন, এর মানে জেমসকে সান্তা ক্লজের অস্তিত্ব আছে এটি সত্য হিসাবে বিশ্বাস করতে হবে। তাঁর এই কথা বলার কারণ যে জেমস মনে করতেন যা এই বাক্যটিকে সত্য বানায় তা হলো এটি বিশ্বাস করার কারণে বিশ্বাসীদের উপর এর প্রভাব। এবং বেশিরভাগ শিশুদের জন্য, অন্তত, সান্তা ক্লজকে বিশ্বাস করার মধ্যে আনন্দ আছে। এটি ক্রিসমাসকে তাদের জন্য একটি বিশেষ দিনে পরিণত করে, এটি তাদের ভালো ব্যবহার করতে প্ররোচিত করে, ক্রিসমাসের আগের দিনগুলোয় এটি তাদের অনুসরণ করার মতো একটি লক্ষ্য দেয়। আর সেটাই এটিকে সত্যি করে তোলে জেমসের প্রস্তাবনায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এটি সত্যি হলে কী ভালো হতো আর কোটি আসলেই সত্যি তার মধ্যে পার্থক্য আছে। জেমস হয়তো দেখাতে পারেন যে সান্তা ক্লজের অস্তিত্বে বিশ্বাস করাটা শিশুদের জন্য উপকারী হতে পারে, তবে এটি সবার জন্যে কাজ করেনা। যদি বাবা-মা বিশ্বাস করতেন যে সান্তা ক্লজ ক্রিসমাসের দিন এসে উপহার দিয়ে যাবে, তারা তাদের সন্তানদের জন্যে কোনো উপহার কেনার চেষ্টা করতেন না। শুধুমাত্র ক্রিসমাসের সকাল অবধি অপেক্ষা করলে দেখা যাবে, ‘সান্তা ক্লজের অস্তিত্ব আছে এমন বিশ্বাসে সমস্যা আছে। কিন্তু তার মানে কি শিশুদের জন্য এটি সত্য যে সান্তা ক্লজের অস্তিত্ব আছে, কিন্তু তা মিথ্যা বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য? তাহলে কি সত্য একটি আত্মগত বা সাবজেকটিভ ধারণা হয়ে যায় না, কোনোকিছু সম্বন্ধে আমরা কি অনুভব করি বরং, আসলেই বাস্তব পৃথিবীতে কোনো কিছু কেমন তার বদলে?

    আরেকটি উদাহরণের কথা ভাবুন। আমরা কীভাবে বুঝি অন্য মানুষদের আদৌ কোনো মন আছে কিনা? আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতায় বুঝি আমি কোনো জম্বি না, যার কিনা কোনো অন্তর্জগৎ নেই। আমার নিজের চিন্তা, উদ্দেশ্য ইত্যাদি সবকিছুই আছে। কিন্তু আমি কীভাবে বলতে পারব আমার চারপাশে মানুষদের আদৌ কোনো চিন্তা আছে? হয়তো তারা সচেতন নয়। তারা কি জম্বি হতে পারে না যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে নিজেদের কোনো মনোজগৎ ছাড়াই? এটাই অন্য মানুষদের মন বা Other Minds-এর সেই দার্শনিক সমস্যা, যা বহুদিন ধরে দার্শনিকদের ভাবিয়েছে। সমাধান করার জন্য কঠিন একটি ধাঁধা। জেমস-এর উত্তর ছিল, অন্য মানুষদের মন আছে এটি অবশ্যই সত্য হতে হবে, অন্যথায় আমরা তাদের শনাক্ত হওয়া ও প্রশংসা পাবার সেই বাসনাকে পরিতুষ্ট করতে পারব না। এটি খুব অদ্ভুত একটি যুক্তি। এটাই কারণ, কেন প্রাগম্যাটিজমকে একধরনের আত্ম-অভিলাষ মনে হয়, বিশ্বাস করা যা আপনি সত্য হবে বলে কামনা করছেন, এটি আসলেই সত্য হোক কিংবা না-হোক কিছুই যায় আসে না, সেটি আসলেই সত্য। কিন্তু শুধুমাত্র বিশ্বাস করতে ভালো লাগে যে যখন কেউ আপনাকে প্ৰশংসা করে তারা সচেতন সত্তা এবং কোনো রোবোট নয়, এমন বিশ্বাস তাদেরকে সচেতন কোনো সত্তায় পরিণত করেনা, তারপরও তাদের অন্তর্জগত নাও থাকতে পারে।

    বিংশ শতাব্দীর আমেরিকার দার্শনিক রিচার্ড রর্টি (১৯৩১-২০০৭) প্র্যাগম্যাটিক ভাবনার এই শৈলীটিকে আরো খানিকটা অগ্রসর করেছিলেন। জেমসের মতোই তিনি ভেবেছিলেন শব্দগুলো হচ্ছে উপকরণ যার মাধ্যমে আমরা নানা কিছু করি, এরা কোনো প্রতীক নয়, যারা কোনো-না-কোনোভাবে সত্যিকারের পৃথিবীর প্রতিফলন। শব্দ আমাদের সুযোগ করে দেয় পৃথিবীর সাথে খাপ খাইয়ে নিতে, এটিকে অনুকরণ করার জন্য নয়। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে truth is what your contemporaries let you get away with, সত্য হচ্ছে সেটি যা আপনার সমসাময়িকরা আপনাকে সত্য বলে দাবি করার সুযোগ দেবে, এবং ইতিহাসের কোনো পর্বই বাস্তবতাকে সঠিকভাবে ধরতে পারেনি। যখন মানুষ পৃথিবীকে ব্যাখ্যা করে, রটি বিশ্বাস করেন, যেন তারা সাহিত্যসমালোচক, শেক্সপিয়ারের কোনো একটি নাটকের ব্যাখ্যা করছেন: কোনো একটি একক ‘সঠিক’ উপায় নেই এটি পড়ার জন্য, যে উপায়ের ব্যাপারে সবাই একমত হবেন। বিভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তার লেখা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। রটি সেই ধারণাটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন যা দাবি করে কোনো একটি দৃষ্টিভঙ্গি সবসময়ে সঠিক। অথবা নিদেনপক্ষে তার কাজ সম্বন্ধে এটাই আমার ব্যাখ্যা। রটি সম্ভবত বিশ্বাস করতেন কোনো সঠিক ব্যাখ্যা নেই, ঠিক সেইভাবে যেমন কোনো সঠিক উত্তর নেই সেই শিকারিটি কাঠবিড়ালির চারপাশে চক্কর দিচ্ছিল কিনা যখন সে গাছের চারপাশে প্রাণ বাঁচাতে ঘুরছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }