Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৩৩ : ঈশ্বরের মৃত্যু – ফ্রিয়েডরিখ নিচাহ

    ‘ঈশ্বর মৃত’, জার্মান দার্শনিক ফ্রিয়েডরিখ নিচাহ’র (১৮৪৪–১৯০০) লেখা বিখ্যাত একটি বাক্য। কিন্তু কীভাবে ঈশ্বরের মৃত্যু হতে পারে? ঈশ্বরকে তো মনে করা হয় অমর, আর অমর কোনো সত্তার তো মৃত্যু নেই। যে সত্তা চিরন্তনভাবেই বেঁচে থাকেন। একটি অর্থে যদিও সেটাই মূল বিষয় ছিল এই ঘোষণার। সে-কারণে ঈশ্বরের মৃত্যুর কথা শুনলে এত অদ্ভুত মনে হয়: এর উদ্দেশ্যও তাই। নিচাহ খুব সুপরিকল্পিতভাবেই সেই ধারণাটি নিয়ে খেলেছিলেন যে, যে-ধারণা দাবি করে ঈশ্বরের মৃত্যু হতে পারেনা। তিনি আক্ষরিকভাবে এমন কিছু বলেননি যে, ঈশ্বর এতদিন বেঁচে ছিলেন কিন্তু এখন আর তিনি বেঁচে নেই। বরং তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস করার বিষয়টি তার যৌক্তিকতা হারিয়েছে। ১৮৮২ সালে তার Joyful Wisdom বইয়ে নিচাহ এই বাক্যটি একটি চরিত্রের মুখ দিয়ে বলিয়েছিলেন, যিনি একটি লণ্ঠন হাতে ধরে সব জায়গায় ঈশ্বরকে খুঁজছিলেন, কিন্তু তাকে খুঁজে পাননি। গ্রামের মানুষরা ভেবেছিল লোকটি পাগল।

    নিচাহ সম্বন্ধে কোনোকিছু জানা শুরু করার আগে প্রথম চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে তাঁর নামের উচ্চারণ কীভাবে হবে। Nietzsche প্রথম অংশটির উচ্চারণ, নি (Knee), পরের অংশটি চাহ (Cha); সুতরাং জার্মান Nietzsche-র উচ্চারণ হচ্ছে নিচাহ। ১৮৪৪ সালে জার্মানির পূর্বাঞ্চলের একটি ছোট শান্ত গ্রামে ফ্রিয়েডরিখ নিচাহ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যেখানে বহু প্রজন্ম ধরে তাঁর পূর্বসূরিরা ধর্মযাজক ছিলেন। স্কুল কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিচাহ তাঁর অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন, প্রাচীন গ্রিক বিষয়ে তাঁর দক্ষতা ছিল বিস্ময়কর (সেই সময়ে যা খুবই কাঙ্ক্ষিত একটি বিষয় ছিল)। ধারাবাহিকভাবে তাকে বেশকয়েকজন রমণী প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, বিষয়টি তাকে বেশ দুঃখ দিয়েছিল (তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার সুবিশাল পরিমাণে আত্মবিশ্বাসের অভাব’)। তাঁর পরিবারের কারো সাথেই তিনি মানিয়ে চলতে পারেননি (‘আমি আমার মাকে পছন্দ করিনা আর আমার বোনের কণ্ঠস্বর শোনা আমার জন্য রীতিমতো যন্ত্রণাদায়ক।’) এবং তাঁর এই একাকিত্ব ও বিচ্ছিন্নতার প্রত্যুত্তরে তিনি তাঁর বিখ্যাত গোঁফটি রেখেছিলেন এবং প্রায়শই পাহাড়ি গ্রামের পথে তিনি দীর্ঘসময় ধরে হাঁটতে বের হতেন। বহুবছর ধরেই তাঁর বইগুলো আদৌ বিক্রি হয়নি। যখন তার বয়স ৪৪, মানসিকভাবে তিনি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিলেন, এর থেকে তিনি আর নিজেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে পারেননি, এর ১১ বছর পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    কোনো সন্দেহ নেই নিচাহ অসাধারণ একজন মানুষ ছিলেন। যখন মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে তিনি সুইজারল্যান্ডে বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসাবে নিয়োগ পান, শিক্ষাজগতে চমৎকার একটি পেশায় তিনি সফল হবেন এমন সম্ভাবনার কোনো কমতি ছিলনা তখন। কিন্তু খ্যাপাটে এবং খুবই মৌলিক একজন দার্শনিক হিসাবে প্রথাগত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার জগতে তিনি নিজেকে বেমানান হিসাবে আবিষ্কার করেছিলেন খুব শীঘ্রই, কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম মেনে চিন্তা করা তাঁর পক্ষে কখনোই সম্ভব ছিলনা, সুতরাং মনে হতেই পারে নিজের জীবনকে যতটা কঠিন করা সম্ভব এমন একটা নেশা তাঁর মধ্যে ছিল। ১৮৭৯ সালে তিনি অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার পেশা ত্যাগ করেন, আংশিকভাবে এর কারণ অবশ্য ছিল তার ক্রমশ দূর্বল হতে থাকা স্বাস্থ্য। এরপর তিনি প্রথমে ইতালি, এরপর ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়েন, এই ভ্রমণের সময় তিনি বেশকিছু বই লিখেছিলেন, যে বইগুলো সেই সময় খুব কম মানুষই পড়েছিল, অথচ এখন তার প্রতিটি বই শুধুমাত্র দর্শন নয়, সাহিত্যেরও অনন্য নিদর্শন এবং সুবিখ্যাত। তার মানসিক অবস্থার অবনতি হলে জীবনের শেষ সময়টুকু তাকে আশ্রয়কেন্দ্রেই কাটাতে হয়।

    ইমানুয়েল কান্টের ধারণাগুলোর সুশৃঙ্খল উপস্থাপনার পুরো বিপরীত, নিচাহর দর্শন আপনাকে সবদিক থেকেই আক্রমণ করবে। বেশিরভাগ লেখাই তার সংক্ষিপ্ত, খণ্ড খণ্ড অনুচ্ছেদ আর খুবই গোছানো এক বাক্যের মন্তব্য, যাদের কোনোটি তির্যক, শ্লেষাত্মক, কিছু আন্তরিক,বেশিরভাগই উদ্ধত এবং প্ররোচিত করার ক্ষমতায় দক্ষ। কখনো মনে হতে পারে যেন নিচাহ আপনার উদ্দেশ্যে চিৎকার করছেন, কখনো ফিসফিস করে আপনার কানে গভীর কোনো জ্ঞানের কথা উচ্চারণ করছেন। প্রায়শই তিনি চেয়েছেন যে তাঁর পাঠকরা তাঁর সাথে ষড়যন্ত্রে অংশ নিক, যেমন তিনি বলছেন, তিনি ও আপনি একমাত্র জানেন পরিস্থিতিটা আসলে কেমন, কিন্তু ঐযে সব নির্বোধ মানুষরা ওখানে দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই বিভ্রান্তিতে আক্রান্ত। একটি বিষয় তিনি বারবার আলোচনা করেছিলেন সেটি হচ্ছে নৈতিকতার ভবিষ্যৎ। যদি ঈশ্বর মৃত হয়ে থাকেন, তাহলে এর পরের পদক্ষেপ কী? এই প্রশ্নটি নিচাহ নিজেকেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর উত্তর হচ্ছে, ঈশ্বরের মৃত্যুর কারণে নৈতিকতার কোনো ভিত্তি ছাড়া আমরা এখন পরিত্যক্ত। ভালো আর মন্দ বা শুভ আর অশুভ সংক্রান্ত আমাদের ধারণাগুলো অর্থবহ হয় এমন কোনো পৃথিবীতে যেখানে ঈশ্বর আছেন। ঈশ্বরহীন কোনো পৃথিবীতে এর কোনো মূল্য নেই। ঈশ্বরকে আপনি সরিয়ে ফেলেন, কীভাবে আমাদের বাঁচা উচিত, কোন্ জিনিসগুলোকে আমরা মূল্য দেব ইত্যাদি বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালাও আপনি সরিয়ে ফেলবেন। বেশ শক্তিশালী একটি বার্তা এটি, কিন্তু তার সমসাময়িকরা এমন কিছু শুনতে চাননি। তিনি নিজেকে বর্ণনা করেছিলেন immoralist হিসাবে, নৈতিকতা বর্জিত, তবে এমন কেউ নয় যিনি ইচ্ছা করে অশুভ কর্মে লিপ্ত, বরং এমন কেউ যিনি বিশ্বাস করতেন আমাদের সব নৈতিকতাকে অতিক্রম করে যেতে হবে, তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের শিরোনাম, beyond good and evil; নিচাহ মনে করতেন, ঈশ্বরের মৃত্যু মানবতার জন্যে নতুন সম্ভাবনার দরজা উন্মুক্ত করেছে, একই সাথে যা উত্তেজনাপূর্ণ ও ভীতিকর। এর নেতিবাচক দিকটি হচ্ছে কোনো ধরনের নিরাপত্তা চাদর আর নেই, কোনো নিয়ম নেই কীভাবে মানুষ বাঁচবে অথবা থাকবে। একসময় নৈতিক আচরণের অর্থ, উদ্দেশ্য আর সীমা বেঁধে দিয়েছিল ধর্ম, ঈশ্বরের অনুপস্থিতি সবকিছুই সম্ভাব্য করে তুলেছে এবং সব সীমারেখা সরিয়ে দিয়েছে। আর ভালো দিকটি হচ্ছে, অন্তত নিচাহর দৃষ্টিভঙ্গিতে,প্রতিটি মানুষই এখন তার নিজের জন্যে মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে পারবে, তারা তাদের জীবনকে রূপান্তর করতে পারবে শিল্পকর্মের সমতুল্য বেঁচে থাকার নিজস্ব কোনো শৈলী উদ্ভাবন করে।

    নিচাহ দেখেছিলেন একবার যখন আপনি মেনে নেবেন ঈশ্বর নেই, আপনি যেখানে-সেখানে আর ভালো-মন্দের সঠিক সংজ্ঞা খুঁজতে খ্রিস্টীয় চিন্তায় আর আবদ্ধ থাকবেন না, কারণ সেটি হবে আত্মপ্রবঞ্চনা। যে মূল্যবোধগুলো আমরা সংস্কৃতির উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছি, যেমন সহমর্মিতা, দয়া, অন্য মানুষের প্রতি বিবেচনা, সবকিছুকেই চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে। আর সেটি করার জন্য তার উপায় হচ্ছে অনুসন্ধান করা কীভাবে এইসব মূল্যবোধগুলো প্রথম সৃষ্টি হয়েছিল। নিচাহ মনে করতেন. দুর্বল আর অসহায়দের সেবা করার খ্রিস্টীয় মূল্যবোধটির বিস্ময়কর একটি উৎস আছে। আপনি হয়তো ভাববেন সহমর্মিতা আর দয়া অবশ্যই ভালো, আপনি সম্ভবত প্রতিপালিত হয়েছেন দয়াকে প্রশংসা আর স্বার্থপরতাকে ঘৃণা করার শিক্ষা পেয়ে। নিচাহ যা দাবি করেছিলেন তাহচ্ছে চিন্তার রূপ আর অনুভূতি যা আমরা ঘটনাচক্রে ধারণ করি তার ইতিহাস আছে। একবার যখন আপনি এর ইতিহাস অথবা উৎপত্তি বা ‘জিনিয়ালজি’ জানতে পারবেন কীভাবে যে ধারণাগুলো আমরা পেয়েছি, তাহলে খুব কঠিন হবে চিন্তা করা যে তারা সবসময়ই অপরিবর্তনশীল ছিল এবং কোনো-না-কোনোভাবে কীভাবে আমাদের আচরণ করা উচিত তারা সেই নৈর্ব্যক্তিক বাস্তব সত্যের সংশ্লিষ্ট।

    নিচাহ তাঁর Genealogy of Morality বইটিতে প্রাচীন গ্রিসের একটি পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছিলেন, যখন ক্ষমতাবান অভিজাতশ্রেণির বীরোচিত চরিত্ররা তাদের জীবন গড়ে তুলতেন সম্মান, মর্যাদা, লজ্জা ও যুদ্ধে বীরত্বের ধারণার উপর ভিত্তি করে; দয়াশীলতা, উদারতা এবং খারাপ কাজ করার অপরাধবোধ দিয়ে নয়। এটাই সেই জগৎ যা ব্যাখ্যা করেছিলেন হোমার, তার ইলিয়াড ও ওডিসি মহাকাব্যে। বীরদের এই জগতে যাদের ক্ষমতা নেই, ক্রীতদাস ও দুর্বলরা হিংসা করত শক্তিশালীদের। ক্রীতদাসরা শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ আর হিংসা পরিচালিত করত। এইসব নেতিবাচক অনুভূতিগুলোর মধ্যে থেকে তারা সুষ্টি করেছিল নতুন একগুচ্ছ মূল্যবোধ। তারা অভিজাতশ্রেণির বীরোচিত মূল্যবোধকে পুরোপুরি উল্টে দিয়েছিল। অভিজাতশ্রেণির মতো শক্তি আর ক্ষমতার গুণগান করার বদলে, ক্রীতদাসরা উদারতা আর দুর্বলদের সাহায্য করাটিকে রূপান্তর করে সদগুণ হিসাবে। এই ক্রীতদাসের নৈতিকতা, যেমন নিচাহ এটিকে বলতেন, ক্ষমতাবানদের কাজকে অশুভ আর তাদের নিজেদের সৌহার্দ্যপূর্ণ অনুভূতিকে ভালো হিসাবে চিহ্নিত করে। দয়াশীলতার নৈতিকতার জন্ম যে ঈর্ষার অনুভূতি থেকে, নিচাহর এমন ধারণাটি অবশ্যই গতানুগতিক নয়। নিচাহ নিজেই অভিজাতদের নৈতিকতার, দুর্বলদের প্রতি সহমর্মিতার চেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধপ্ৰিয় বীরদের খ্রিস্টীয় নৈতিকতার প্রতি নিজের পক্ষপাতিত্ব দেখিয়েছেন, খ্রিস্টীয় ধর্ম ও নৈতিকতা যার উৎস, এটি যা দাবি করে তাহলো প্রতিটি মানুষের মূল্য একই। নিচাহ মনে করতেন এটা খুব গুরুতর ভ্রান্তি। তাঁর শৈল্পিক বীর, যেমন বিটহোভেন ও শেক্সপিয়ার সাধারণ মানুষের চেয়ে বহু অগ্রসরবর্তী। আপাতদৃষ্টিতে তাঁর বার্তাটিকে এখানে মনে হয় যে খ্রিস্টীয় মূল্যবোধ, যা প্রথমত ঈর্ষা থেকে উদ্ভূত, সেটি মানবতাকে পেছনের দিকে টেনে ধরেছে। এর মূল্য হয়তো হতে পারে যে দুর্বলরা নিষ্পেষিত হবে, কিন্তু এই মূল্য পরিশোধ করা নিচাহ মনে করতেন যুক্তিযুক্ত কারণ, শক্তিশালীদের জন্য এটি গৌরব আর অর্জনের পথ উন্মুক্ত করে দেবে। Thus Spake Zaruthustra বইটিতে তিনি Übermensch বা সুপারম্যান সম্বন্ধে লিখেছিলেন। এটি বর্ণনা করেছিল ভবিষ্যতের কাল্পনিক মানুষদের, যারা প্রথাগত কোনো নৈতিকতার নিয়মে আবদ্ধ নয় বরং তারা সেটি অতিক্রম করে, নতুন মূল্যবোধ সৃষ্টি করে। হয়তো চার্লস ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব সম্বন্ধে তার বোধ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দেখেছিলেন Übermensch হচ্ছে মানবজাতির উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ। এটি বেশ চিন্তার বিষয়, আংশিকভাবে এর কারণ আপাতদৃষ্টিতে এটি তাদের সহায়তা করেছিল যারা তাদের নিজেদের দেখেছে বীরোচিত হিসাবে এবং তারা তাদের ইচ্ছামতোই যা-কিছু করতে পারে অন্যদের কথা না-ভেবেই। আরো খারাপ পরিস্থিতিকে, এই ধারণাটি নাৎসিরা নিয়েছিল নিচাহর কাজ থেকে, এবং এটাকে ব্যবহার করেছিল একটি মাস্টার বা শ্রেষ্ঠ রেস বা বর্ণের সমর্থনে তাদের বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গিটির সমর্থনে, যদিও বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞই মনে করেন তারা বিকৃত করেছিল নিচাহ আসলে যা লিখেছিল সেটিকে নিচাহর দুর্ভাগ্য ছিল যখন তিনি তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন মূলত তাঁর বোন এলিজাবেথপরবর্তী সময়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন, যেমন তাঁর সব কাজগুলো নিয়ে কী হবে এবং তার মৃত্যুর পরে আরো পঁয়ত্রিশটি বছর সব লেখাই ছিল তাঁর বোনের দখলে। এলিজাবেথ ছিলেন জার্মান জাতীয়তাবাদী, খুবই বাজে ধরনের ইহুদিবিদ্বেষীও। তিনি তাঁর ভাইয়ের নোটবুক ঘেঁটে, সেই লাইনগুলো বের করেছিলেন যার সাথে তিনি একমত ছিলেন, বাদ দিয়েছিলেন বাকি সবকিছু যা জার্মানিকে সমালোচনা করেছে অথবা তার বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করেনি। নিচাহ-এর ধারণাগুলো নিয়ে তার এই কাট অ্যান্ড পেস্ট সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল The Will to Power নামে, যা তার লেখাকে রূপান্তরিত করেছিল নাৎসিদের প্রচারণার মুখপাত্র হিসাবে আর নিচাহ হিটলারের তৃতীয় রাইখে একজন স্বীকৃত লেখকের জায়গা পান। অবশ্যই এমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম ছিল, যদি তিনি আরো কিছুটা সময় বেঁচে থাকতেন। এ সবকিছুর সাথে তাঁর কখনোই সংশ্লিষ্টতা থাকত না। তারপরও অস্বীকার করার উপায় নেই তার লেখা বহু পক্তি শক্তিশালীদের দুর্বলদের ধ্বংস করার অধিকারকে সমর্থন করেছে। বিষয়টি নিয়ে অবাক হবার কারণ নেই, কারণ তিনি আমাদের বলেন যে,’বাচ্চা ভেড়া বাজপাখিকে ঘৃণা করে, কিন্তু এর মানে এইনা যে আমরাও বাজপাখিদের ঘৃণা করব ছোট ভেড়ার বাচ্চাদের ছোঁ মেরে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে তাদের খাবার জন্য।’ নিচাহ সবসময়েই জোর দিয়েছেন কীভাবে আবেগ আর অযৌক্তিক শক্তি তাদের প্রভাব আরোপ করে মানবমূল্যবোধকে রূপ দেবার জন্য। তার এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাবিত করেছিল বহু মানুষকে, যাদের একজন সিগমন্ড ফ্রয়েড, যিনি অবচেতন মনে শক্তি আর কামনার অনুসন্ধান করেছিলেন।

    নিচাহ বিশ্বাস করতেন যে দর্শনের কেন্দ্রীয় যে দায়িত্ব সেটি হচ্ছে আমাদেরকে শেখানো কীভাবে, আমরা সত্যিকারভাবে যা, তা হয়ে উঠতে পারব (বা become we we are), অন্যার্থে, কীভাবে আমরা আমাদের সর্ব্বোচ্চ সম্ভাবনাকে আবিষ্কার ও তার প্রতি অনুগত থাকতে পারি। এই উদ্দেশ্যে তিনি চারটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা আমাদের উপহার দিয়েছিলেন :

    এক. নিজের ঈর্ষাকে স্বীকার করুন: ঈর্ষা, নিচাহ যাকে শনাক্ত করেছিলেন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে। কিন্তু আমাদের সাধারণত শেখানো হয় ঈর্ষার অনুভূতিগুলো নিয়ে লজ্জা পাওয়ার জন্য। ভাবা হয় এটি অশুভ কোনোকিছুর ইঙ্গিতবাহী। সুতরাং আমরা এটি নিজেদের ও অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখি, এবং সেটি মাত্রায় এতই বেশি যে আসলেই বহু মানুষ আছেন যারা মাঝে মাঝে পূর্ণ আন্তরিকতাসহ বলতে পারেন যে আসলেই কারো প্রতি তারা ঈর্ষা বোধ করেন না। যৌক্তিকভাবে বিষয়টি অসম্ভব, নিচাহ দাবি করেছিলেন, বিশেষ করে যদি আমরা আধুনিক বিশ্বে বসবাস করি (আধুনিক বিশ্ব বলতে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন ফরাসি বিপ্লবের পরবর্তী সময়)। গণতন্ত্র, প্রাচীন সামন্ততান্ত্রিক- অভিজাতশ্রেণীর পরিসমাপ্তি, নিচাহর দৃষ্টিতে, সৃষ্টি করেছিল পরশ্রীকাতরতা আর ঈর্ষার অনুভূতির অত্যন্ত উর্বর প্রজনন ক্ষেত্রটির, কারণ এখন যে-কেউই প্ররোচিত হতে পারেন অনুভব করার জন্য যে তারা অন্য সবারই মতো, প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সমান। সামন্তপ্রথার যুগে, কোনো একজন প্রজার কখনোই রাজপুত্রকে ঈর্ষা করার কথা মনে পড়ত না, কিন্তু এখন প্রত্যেকেই তাদের নিজেদের বাকি সবার সাথে তুলনা করেন এবং ফলাফলে তারা উন্মুক্ত হন উচ্চাকাঙ্ক্ষা আর নিজস্ব অপ্রতুলতার একটি বিস্ফোরক মিশ্রণের সম্মুখে। তবে, ঈর্ষার অনুভূতি নিয়ে কোনো অপরাধবোধ থাকার দরকার নেই, এর কোনোটাই অস্বাভাবিক নয়, নিচাহ প্রস্তাব করেছিলেন। তবে যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি হচ্ছে, কীভাবে আমরা সেই ঈর্ষা নিয়ন্ত্রণ করব। আমাদের ঈর্ষার কারণে সৃষ্ট সমস্যা থেকে, সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে আমরা কতটুকু শিখতে পেরেছি,তার উপর নির্ভর করেই মহত্ত্ব আসে। নিচাহ ঈর্ষাকে ভাবতেন সংশয়পূর্ণ, তবে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসাবে, যা আসে আমাদের নিজেদের গভীরতম সত্তা থেকে, যা আমাদের জানায় আসলেই আমরা কী চাইছি। যা-কিছু আমাদের ঈর্ষাকাতর করে তোলে তা আমাদের সত্যিকারের সম্ভাবনার খণ্ডিত অংশ, যাকে অস্বীকার করলে আমাদের নিজেদেরই ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে। আমাদের শেখা উচিত কীভাবে নিজেদের ঈর্ষার ময়নাতদন্ত করতে হয়, ঈর্ষাকাতর মুহূর্তগুলোর একটি ডায়রি রেখে এবং এরপর এইসব পর্বগুলো যাচাই করে দেখার মাধ্যমে ভবিষ্যতের আমাদের উত্তম সত্তার রূপটি নির্ণয় করে। যে ঈর্ষা আমরা নিজেদের বলে স্বীকার করব না, নিচাহ মনে করতেন যে সেগুলো বেরিয়ে আসবে দুর্গন্ধ হিসাবে, নিচাহর ভাষায় গন্ধকের দুর্গন্ধ (sulfurous odours), ‘তিক্ততা হচ্ছে ঈর্ষা, যা নিজেকে বুঝতে পারেনা। এমন নয় যে নিচাহ বিশ্বাস করতেন, আমরা যা চাই তা আমরা সবসময়ই পাই (তাঁর নিজের জীবনেই এই শিক্ষাটি তিনি যথেষ্ট পরিমানে পেয়েছিলেন)। তিনি শুধুমাত্র দাবি করেছিলেন যে, আমাদের সত্যিকারের সম্ভাবনার ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হয়ে উঠতে হবে, এবং আমাদের আসলেই বীরের মতো যুদ্ধ করতে সেটিকে সম্মান করার জন্য, এবং শুধুমাত্র তারপরই আমাদের অধিকার আছে ব্যর্থতার জন্য শোক করার, ভাবগম্ভীর অকপটতা আর মর্যাদাপূর্ণ সততার সাথে।

    দুই. খ্রিস্টান হবেন না: নিচাহ খ্রিস্টধর্ম নিয়ে বেশকিছু কঠোর মন্তব্য করেছিলেন, যেমন, ‘আমি খ্রিস্টধর্মকে বলব একটি বিশাল অভিশাপ, অন্ত নিহিতভাবে নৈতিক বিকৃতি ছড়িয়ে আছে পুরো নিউ টেস্টামেন্টে, একটিমাত্র মানুষ সেখানে শ্রদ্ধা পাবার যোগ্য তিনি হচ্ছেন, পিলাটে, রোমান তৎকালীন গভর্নর।’ বেশ শক্তিশালী বক্তব্য ছিল এটি, তবে তার সত্যিকারের নিশানা ছিল আরো সূক্ষ্ম এবং আরো বেশি কৌতূহলোদ্দীপক: তিনি খ্রিস্টধর্মকে অপছন্দ করতেন মানুষকে তাদের ঈর্ষা থেকে রক্ষা করার কারণে। নিচাহর বর্ণনায় খ্রিস্টধর্ম আবির্ভূত হয়েছিল রোম সাম্রাজ্যের শেষাংশে ভীরু ক্রীতদাসদের মনে, তাদের সেই সাহস ছিল না তারা যা সত্যিকারভাবে চাইছে সেটি অর্জন করার জন্যে (অথবা তারা ব্যর্থ হয়ে সেটিও স্বীকার করত না), সুতরাং তারা আঁকড়ে ধরে ছিল একটি দর্শনের যা তাদের ভীরুতা আর কাপুরুষতাকে রূপান্তর করেছিল একটি ভার্চু বা সদ্‌গুণে। এই ধর্মাবলম্বীরা চাইতেন পরিপূর্ণতার সত্যিকার স্বাদ পাবার জন্য (এই পৃথিবীতে সম্মানজনক একটি অবস্থান, যৌনতা, বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা, সৃজনশীলতা)। কিন্তু তারা সেটি অর্জন করার জন্য অদক্ষ ছিল। সেকারণেই তারা সৃষ্টি করেছে একটি ভণ্ডামিপূর্ণ মতবাদ যা নিন্দা করেছিল সেই সবকিছু যা তারা চাইতেন, তবে তারা সেটি অর্জন করতে যুদ্ধ করার জন্য ছিল খুবই দুর্বল, অন্যদিকে প্রশংসা করেছে সেই সবকিছুর তারা যা কিছু চায়না কিন্তু ঘটনাচক্রে তাদের আছে। সুতরাং, খ্রিস্টান মূলবোধের এই সিস্টেমে, যৌনতাহীনতা রূপান্তরিত হয়েছে বিশুদ্ধতায় বা purity-তে, দুর্বলতা রূপান্তরিত হয়েছে ভালোত্ব বা গুডনেসে, ঘৃণ্য কারো কাছে নতি স্বীকার করা হয়েছে আনুগত্য, নিচাহ’র ভাষায় not-being-able-to-take- revenge (প্রতিশোধ নিতে না পারার অক্ষমতায়) রূপান্তরিত হয়েছে ক্ষমাশীলতায়। খ্রিস্টধর্ম রূপান্তরিত হয়েছে নিষ্ক্রিয়তার একটি সুবিশাল যুক্তিযুক্ততা এবং জীবন থেকে এর সম্ভাবনা শুষে নেবার একটি পদ্ধতিতে।

    তিন. কখনোই মদ্যপান করবেন নাঃ নিচাহ পানি ছাড়া আর কিছু পান করতেন না, শুধুমাত্র বিশেষ উপলক্ষে দুধ ছাড়া। এবং তিনি ভাবতেন আমাদেরও সেটাই করা উচিত। এখানে তিনি কিন্তু তুচ্ছ, খ্যাপাটে কোনো খাদ্যসংক্রান্ত উপদেশ দেবার চেষ্টা করেননি। এই ধারণাটি তার দর্শনের কেন্দ্র থেকেই এসেছে, যেমন আমরা তার ঘোষণায় দেখতে পাই : ইউরোপীয় সভ্যতায় দুটি প্রধান মাদক হচ্ছে : খ্রিস্টধর্ম ও অ্যালকোহল। তিনি অ্যালকোহল ঘৃণা করতেন ঠিক যে-কারণে খ্রিস্টধর্মকেও ঘৃণা করতেন। কারণ দুটোই কষ্টকে অবশ করে এবং দুটোই আমাদের আশ্বস্ত করে যে সবকিছু যেমন আছে ঠিকই আছে, আর এভাবেই আমাদের জীবনকে আরো উন্নত করার ইচ্ছাটি এটি শুষে নেয়। মদ্যপান সন্তুষ্টির একটি সাময়িক অনুভূতির সৃষ্টি করে, সেটি ভয়ানকভাবে ব্যাহত করে আমাদের জীবনকে পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবার প্রচেষ্টাকে। এমন নয় যে নিচাহ দুঃখকষ্টকে তাদের খাতিরেই শুধু প্রশংসা করছেন। বরং তিনি শনাক্ত করেছিলেন দুর্ভাগ্যজনক, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সত্য, জীবনের উন্নতি আর অর্জনের জন্য দরকার অনিবার্যভাবে যন্ত্রণাময় বিষয়: ‘কী হতে পারে যদি আনন্দ আর দুঃখ এত নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত থাকে, যে-কেউই এর একটি যতবেশি চাইবে তাকে অবশ্যই অন্যটাও যতটা সম্ভব বেশি গ্রহণ করতে হবে। জীবনে আপনার বেছে নেবার একটি সুযোগ আছে: হয় যতটা সম্ভব ততটা কম দুঃখ, সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কষ্টহীনতা অথবা যতটা সম্ভব দুঃখ অনেক পরিমাণ সূক্ষ্ম সুখ আর আনন্দের মূল্য হিসাবে।’ নিচাহর চিন্তা কষ্টবোধকে নতুনভাবে পরিমাপ করেছিল। আমাদের জন্যে কিছু কঠিন অনুভূত হয়, অবশ্যই সেটি পরাজয় বা ব্যর্থতার চিহ্ন নয়, হতে পারে যে, কাজটি করার আমরা চেষ্টা করছি এটি শুধুমাত্র সেটির মহত্ত্ব আর কষ্টসাধ্যতার প্রমাণ।

    চার. ঈশ্বর মৃত : ঈশ্বরের মৃত্যু সম্বন্ধে নিচাহর নাটকীয় এই দাবি, সাধারণত যেভাবে ভাবা হয়, আদৌ কোনো উচ্ছ্বাসময় মন্তব্য নয়। খ্রিস্টধর্ম সম্বন্ধে তার বিরূপদৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও নিচাহ কিন্তু মনে করেননি এই ধর্মবিশ্বাসের পরিণতি নিয়ে উচ্ছ্বাস করা যেতে পারে। তিনি জানতেন যে ধর্মবিশ্বাস হচ্ছে মিথ্যা, কিন্তু তিনি লক্ষ্য করেছিলেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই বিশ্বাস খুব উপকারী একটি সমাজের স্বাভাবিক কর্মপ্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য। ধর্মকে বাদ দেয়া মানে মানুষের নতুন উপায় খুঁজে বের করতে হবে যা তাদের দিকনির্দেশনা, সান্ত্বনা, নৈতিকতার ধারণা আর আধ্যাত্মিক লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করবে। বিষয়টি সহজ কোনো কাজ হবে না বলেই তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। নিচাহ প্রস্তাব করেছিলেন যে ধর্মের রেখে যাওয়া শূন্যস্থান পূরণ করা উচিত সংস্কৃতি দিয়ে (দর্শন, শিল্পকলা, সংগীত ও সাহিত্য); ধর্মগ্রন্থকে প্রতিস্থাপিত করা উচিত সংস্কৃতির। তবে নিচাহ তাঁর সেই সময়ে সংস্কৃতি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করছিল সেই বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মানবিক বিষয়গুলোকে হত্যা করছে, তাদেরকে রূপান্তরিত করছে শুষ্ক অ্যাকাডেমিক ও তাত্ত্বিক অনুশীলনে, আমরা ব্যর্থ হচ্ছি তাদের যেভাবে ব্যবহার করা উচিত সেভাবে ব্যবহার করতে: জীবনের পথনির্দেশক হিসাবে। তিনি বিশেষভাবে প্রশংসা করেছিলেন কীভাবে গ্রিকরা তাদের ট্রাজেডিগুলোকে ব্যবহার করেছে বাস্তবমুখী, প্রয়োগযোগ্য, চিকিৎসার একটি উপায় হিসাবে, বিশেষ করে ক্যাথারসিস কিংবা নৈতিক শিক্ষার বাহন হিসাবে। এবং তিনি তাঁর সময়কে চেয়েছিলেন তুলনামূলকভাবে আরো বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে ওঠার জন্যে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় আর মিউজিয়াম-নির্ভর শিক্ষা সংস্কৃতিকে অভিযুক্ত করেছেন জীবন-নির্দেশনাকারী, নৈতিকতার শিক্ষাদানকারী সংস্কৃতি থেকে সরে যাবার জন্য, বিশেষ করে ঠিক সেই সময় যখন ঈশ্বরের মৃত্যু এই বিষয়গুলোকে আরো বেশি আবশ্যক করে তুলেছে। তিনি সংস্কারের জন্য ডাক দিয়েছিলেন, যেখানে মানুষ তার বিশ্বাসের অবসানে সৃষ্ট সংকটে নতুন সচেতনতা সহ, ধর্মের অপসৃয়মানতা সৃষ্ট শূন্যস্থানগুলো পূরণ করবে প্রজ্ঞা আর সংস্কৃতির নিরাময়ী সৌন্দর্য। প্রতিটি যুগই মুখোমুখি হয়েছে বিশেষ ধরনের মনোজাগতিক চ্যালেঞ্জের, নিচাহ ভাবতেন দার্শনিকদের কাজ হলো সেটি শনাক্ত করা এবং এর সমাধানে সাহায্য করা। ঊনবিংশ শতকের দুটি বিশেষ ঘটনা নিচাহকে বেশ দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল, ব্যাপক গণতন্ত্রায়ন এবং নিরীশ্বরবাদিতা। প্রথমটি শঙ্কা জাগিয়েছিল অজীর্ণ ঈর্ষার এবং বিষাক্ত ক্ষোভের প্লাবন, দ্বিতীয়টি মানুষকে দাঁড় করিয়েছিল দিকনির্দেশনা অথবা নৈতিকতাবিহীন একটি শূন্যস্থানে। এই দুটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিচাহ বেশকিছু সমাধানও প্রস্তাব করেছিলেন, যেগুলো থেকে আমাদের সময়েও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রায়োগিক বিষয় শেখার সুযোগ আছে, যেমনটি তিনি সুস্পষ্টভাবে চেয়েছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }