Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৩৫ : ফ্রান্সের বর্তমান রাজার মাথায় কি টাক আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    এগারো বছর বয়সে রাসেলকে তাঁর বড়ভাই ফ্র্যাঙ্ক ইউক্লিডের জ্যামিতি দিয়ে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন গণিতের সাথে। তাঁকে যে-বিষয়টি অবাক করেছিল সেটি হলো গণিত বুঝতে হলে তাকে আগে থেকে কিছু অ্যাক্সিয়ম বা স্বতঃসিদ্ধ সূত্র মানতে হয়, যেগুলোর কোনো প্রমাণ লাগেনা। তিনি তাঁর ভাইয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলেন কেন আমরা এর মূল ভিত্তিগুলোকে প্রমাণ করতে পারিনা যা আমরা ব্যবহার করছি প্রমাণের জন্য। তাঁর ভাই বলেছিলেন, না আমরা এগুলো যেমন আছে সেভাবেই ধরে নেব, তা না হলে প্রমাণের দিকে আগাতে পারব না। এই যুক্তি তাঁকে শান্তি দিতে পারেনি। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বইটা দেবার সময় তিনি তার ছোটভাইকে বলেছিলেন, ইউক্লিডের ফিফথ প্রোপোজিশনটা সবার জন্য বোঝা কঠিন, কিন্তু রাসেলের কাছে সেটি আদৌ কঠিন মনে হয়নি, তিনি পরে লিখেছিলেন, ‘আমার জন্যে এটাই প্রথম ইঙ্গিত ছিল, আমার হয়তো কিছুটা মেধা আছে।’ তিনি মৌলিক যে অ্যাক্সিয়মগুলো ছিল সেগুলো নিয়ে ভেবেছিলেন, তিনি মনে করেছিলেন, বেশ আমি মানছি যে তাদের আগে মানতে হবে, কিন্তু আমরা কীভাবে জানতে পারি এইসব অ্যাক্সিয়মগুলো সত্য। পরে ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের শেষদিনে আত্মতৃপ্ত রাসেল তার বন্ধুকে লিখেছিলেন, ‘আমি একটি নতুন বিষয় আবিষ্কার করেছি, যা পুরো গণিতকে এর মূল বিষয়টি দিয়ে ব্যাখ্যা করেছে’। তিনি তাঁর বই দ্য প্রিন্সিপাল অবম্যাথমেটিকস-এর পাণ্ডুলিপি নিয়ে কথা বলছিলেন, যা তিনি কেবলই শেষ করেছেন। তিনি গণিতকে শুধুমাত্র লজিক বা যুক্তির ভাষায় রুপান্তর করেছিলেন, তাঁর আত্মজীবনীতে ব্যাখ্যা করেছিলেন এটি তার জীবনের শ্রেষ্ঠতম অর্জন, ইন্টেলেকচুয়াল হানিমুন। দর্শনে তাঁর অবদান সুবিশাল, অ্যানালিটিক দর্শনের তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, দর্শনের যে-শাখাটি এখন পশ্চিমে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। তাঁর ‘থিওরি অব ডেসক্রিপশন’ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি ধারণা। এছাড়াও তিনি নানা সামাজিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন, প্রথমবারের মতো একজন দার্শনিক হিসাবে যিনি গণমাধ্যমকে ব্যবহার করেছিলেন সাবলীলভাবে।

    তারুণ্যে তাঁর মূল আগ্রহ ছিল যৌনতা, ধর্ম আর গণিতে, কিন্তু সবই তাত্ত্বিক স্তরে। তাঁর সুদীর্ঘ জীবনে (তিনি মারা গিয়েছিলেন ১৯৭০ সালে ৯৭ বছর বয়সে) তিনি প্রথম ক্ষেত্রে বিতর্কিত, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আক্রমণাত্মক এবং তৃতীয় ক্ষেত্রে কালজয়ী অবদান রেখে গেছেন। যৌনতা নিয়ে রাসেলের দৃষ্টিভঙ্গি তাকে বেশ সমস্যায় ফেলেছিল। ১৯২৯ সালে তিনি প্রকাশ করেছিলেন Marriage and Morals, এই বইটিতে তিনি সঙ্গী/সঙ্গিনীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকার গুরুত্ব সংক্রান্ত খ্রিস্টীয় দৃষ্টিভঙ্গিটিকে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি মনে করতেন না যে আপনাকে অবশ্যই বিশ্বস্ত হতে হবে। সেই সময়ে বেশকিছু মানুষের দুশ্চিন্তার কারণ হয়েছিলেন তিনি, কিন্তু রাসেলের জন্য বিষয়টি কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেনি। কারণ ইতিমধ্যে তিনি ১৯১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলে (তিনি সবধরনের যুদ্ধবিরোধী ছিলেন) ব্রিক্সটন জেলে ছয় মাস কাটিয়ে এসেছেন। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন Campaign for Nuclear Disarmament, যা পারমাণবিক বোমার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মতামত প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছিল। এই প্রাণচঞ্চল বৃদ্ধ মানুষটিকে এমনকি ষাটের দশকেও নানা আন্দোলনের মিছিলে প্রথম সারিতে দেখা গেছে, তখনও তিনি তীব্রভাবেই সবধরনের যুদ্ধবিরোধী, ঠিক যেমন ছিলেন পঞ্চাশ বছর আগে তার তারুণ্যে। তিনি যেমন করে বলেছিলেন, Either man will abolish war, or war will abolish man, হয় মানুষ যুদ্ধকে বিলোপ করবে নতুবা যুদ্ধ মানুষকে বিলোপ করবে, আপতত এই দুটির কোনোটাই বাস্তব হয়নি।

    ধর্মের ব্যাপারে তিনি যেমন ছিলেন স্পষ্টবাদী তেমনি প্ররোচনাদায়ী। কারণ রাসেল বিশ্বাস করতেন মানবতাকে রক্ষা করতে ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ করার কোনোই সম্ভাবনা নেই। মানবতাকে রক্ষা করার একটিমাত্র সুযোগ আছে, আমাদের যুক্তির শক্তি ব্যবহার করতে হবে। তিনি বিশ্বাস করতেন মানুষ ধর্মে আকৃষ্ট হয়, কারণ তারা মৃত্যুকে ভয় পায়। ধর্ম তাদের সান্ত্বনা দেয়। ঈশ্বর আছেন যিনি খারাপ লোকগুলোকে শাস্তি দিবেন এমন বিশ্বাস খুবই আশ্বাসদায়ক, এমনকি যদি পৃথিবীতে তারা তাদের খুন কিংবা আরো জঘন্য পাপের শাস্তি থেকে রেহাই পায়। কিন্তু এটি সত্যি নয়। ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই। এবং ধর্ম সুখের চেয়ে আরো বেশি দুঃখের কারণ হয় প্রায় সবসময়ই। বৌদ্ধধর্ম অন্যসব ধর্ম থেকে আলাদা হতে পারে, এটি তিনি তাঁর চিন্তায় ছাড় দিয়েছিলেন। কিন্তু খ্রিস্টধর্ম, ইসলাম, ইহুদিবাদ আর হিন্দুধর্মকে বহু অভিযোগের জবাবদিহি করতে হবে বলেই বিশ্বাস করতেন। এই ধর্মগুলো তাদের ইতিহাসের পুরো সময় ধরে বহু যুদ্ধের কারণ, ব্যক্তিগত দুঃখ আর ঘৃণারও কারণ ছিল, বহু মিলিয়ন মানুষ তাদের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।

    এই সবকিছু থেকে একটি জিনিস খুব স্পষ্ট হওয়া উচিত যে, তিনি যদিও প্যাসিফিস্ট বা শান্তিবাদী ছিলেন, তবে তিনি যা-কিছু সঠিক এবং ন্যায় বলে বিশ্বাস করতেন তার সমর্থনে তিনি সংগ্রাম করতে সদাপ্রস্তুত ছিলেন (বিশেষ করে ধারণার ক্ষেত্রে)। এমনকি চূড়ান্ত প্যাসিফিস্ট হয়েও তিনি ভাবতেন যে কিছু দুর্লভ ক্ষেত্রে, যেমন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যুদ্ধ করাই একমাত্র বিকল্প হতে পারে। জন্মগতভাবে তিনি ইংরেজ অভিজাতশ্রেণির সদস্য ছিলেন। তিনি এসেছিলেন খুবই সুপরিচিত একটি পরিবার থেকে। তার আনুষ্ঠানিক উপাধি ছিল 3rd Earl Russell। আপনি হয়তো তাঁকে দেখলে বা তাঁর কথা শুনলেই বুঝতে পারবেন তিনি অভিজাতশ্রেণির কেউ। তাঁর একটি সুপরিচিত লক্ষ্য করার মতো গর্বিত দৃষ্টি ছিল, উজ্জ্বল চোখ আর দুষ্টুমির একটি হাসিসহ। তাঁর গলার স্বরই বলে দেয় তিনি সমাজের উপরের তলার মানুষ। রেকর্ডিঙে তাঁর গলার আওয়াজ শুনলে মনে হবে যেন অন্য কোনো শতাব্দীর, সেটি তিনি ছিলেন যদিও, তার জন্ম ১৮৭২ সালে। সুতরাং তিনি আসলেই ভিক্টোরিয়ান। তাঁর দাদা, লর্ড জন রাসেল ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন (যার হাত ধরে ১৮৩২ সালে আংশিক সংসদীয় গণতন্ত্ৰ সূচনা হয়েছিল)। বার্ট্রান্ড-এর ‘ধর্মীয় নন’ এমন গডফাদার ছিলেন দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিল। দুঃখজনকভাবে তিনি তার সাথে পরিচিত হতে পারেননি, কারণ তার খুব শৈশবে মিল মারা যান। তবে তার মানসিক বিকাশে মিলের প্রভাব ছিল লক্ষণীয়। মিলের আত্মজীবনী পড়েই তিনি ঈশ্বরবিশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। তিনি আগে First Cause Argument বিশ্বাস করতেন। এই যুক্তিটি টমাস অ্যাকোয়াইনাস বিশেষ সফলতার সাথে ব্যবহার করেছিলেন। যুক্তিটি দাবি করে সবকিছুরই অবশ্যই একটি কারণ থাকে, এবং সবকিছুর,কারণ ও ফলাফলের সুদীর্ঘ শৃঙ্খলে সেই প্রথমতম কারণটি অবশ্যই হবেন ঈশ্বর। কিন্তু মিল প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন, বেশ তাহলে ঈশ্বরের কারণ কী, তাকে সৃষ্টি করেছেন কে? রাসেল এই First Cause Argument-এর যুক্তির সমস্যাটিকে দেখেছিলেন। যদি এমন কোনো একটি জিনিস থাকে যার কোনো কারণ নেই তাহলে সবকিছুর কারণ আছে এমন প্রস্তাবনা সত্যি হতে পারেনা। রাসেলের কাছে বরং যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে ঈশ্বরের অস্তি ত্বেরও পূর্বকারণ আছে, বরং এমন কিছু বিশ্বাস করা যে কোনোকিছুর অস্তিত্ব থাকতে পারে কোনো পূর্বকারণ দ্বারা সৃষ্টি না হয়ে। মিলের মতোই রাসেলের শৈশব ছিল অদ্ভুত, অবশ্যই খুব সুখকর নয়। রাসেলের বাবা-মা দুজনেই মারা গিয়েছিলেন শৈশবে, তার দাদি, যিনি তার দেখাশুনা করেছিলেন তিনি ছিলেন খুব কঠোর আর শীতল প্রকৃতির মানুষ। বিষয়টি তাকে প্রভাবিত করেছিল তার জীবনের প্রথমপর্বে। বাসায় গৃহশিক্ষক রেখে তার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল, এবং তিনি নিজেকে পুরোপুরি উৎসর্গ করেছিলেন লেখাপড়ায় এবং দারুণ মেধাবী একজন গণিতজ্ঞে রূপান্তরিত হয়েছিলেন, পরে কেমব্রিজে অধ্যাপনাও করেছিলেন কিন্তু তাকে যা মোহাবিষ্ট করে রেখেছিল তা হলো গণিতকে সত্য করে কোন্ বিষয়টি? কেন ২ + ২ = ৪ সত্য? আমরা জানি এটা সত্যি, কিন্তু কেন এটি সত্যি, এটাই তাকে গণিত থেকে দর্শনের দিকে নিয়ে গিয়েছিল।

    দার্শনিক হিসাবে তার সত্যিকার ভালোবাসা ছিল যুক্তিবিদ্যা, লজিক, দর্শন আর গণিতের সীমানার মধ্যে যে-বিষয়টির অবস্থান। লজিসিয়ানরা যুক্তি-প্রক্রিয়ার বা রিজনিং-এর কাঠামো অধ্যয়ন করেন, সাধারণত তারা প্রতীক ব্যবহার করেন তাদের ধারণা প্রকাশ করার জন্যে। তিনি গণিত ও লজিকের একটি শাখা নিয়ে নানাধরনের বিশ্লেষণ করেছিলেন, সেট থিওরি। সেট থিওরি বেশ প্রতিশ্রুতিশীল মনে হয়েছিল যুক্তি-প্রক্রিয়ার কাঠামোটি ব্যাখ্যা করার জন্য। কিন্তু রাসেল এই থিওরির একটি বড় সমস্যা শনাক্ত করেছিলেন, যা স্ববিরোধী। তিনি এটি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন কতগুলো উদাহরণের মাধ্যমে, যা বিখ্যাত ‘রাসেলস প্যারাডক্স’ (Russell’s paradox) হিসাবে। রাসেল প্যারাডক্সের একটি উদাহরণ, যেমন: কল্পনা করুন একটি গ্রাম যেখানে মাত্র একজন নাপিত আছেন, যার কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র যারা নিজেরা দাড়ি কামান না তাদের সবার দাড়ি কামিয়ে দেয়া। ধরুন আপনি সেখানে বাস করেন, আপনি সম্ভবত নিজের দাড়ি নিজেই কামাবেন, যদি সেটি না করেন তাহলে সেখানে নাপিত সেই কাজটি করার জন্য একমাত্র ব্যক্তি। কিন্তু তাহলে নাপিত কী করবে? তাঁর অনুমতি আছে শুধুমাত্র সেই মানুষগুলোকে শেভ করানো যারা নিজেরা শেভ করেন না। এই নিয়ম অনুযায়ী, তিনি নিজের শেভ নিজে করতে পারবেন না, কারণ সে শুধুমাত্র সেইসব মানুষদের দাড়ি কামাতে পারবে যারা নিজেরা দাড়ি কামায় না। এটি তাঁর জন্য বেশ কঠিন হয়ে যাবে। সেই গ্রামে যদি কেউ নিজে দাড়ি কামাতে না পারে, তাহলে নাপিত সেই কাজটি করে দেবে, কিন্তু নাপিতের নিজের বেলায় সেটি করতে দেয় না এই নিয়মটি, কারণ সেটি তাহলে তাকে রূপান্তর করবে এমন একজন হিসাবে যে নিজে দাড়ি কামায়, কিন্তু নাপিত শুধুমাত্র দাড়ি কামিয়ে দেয় তাদেরকেই যারা নিজেরা দাড়ি কামায় না।

    এটি একটি পরিস্থিতি যা সরাসরি স্ববিরোধিতার সূচনা করে, যা এমন কিছু বলে যার একই সাথে সত্য এবং মিথ্যা, আর সেকারণে এগুলোকে প্যারাডক্স বলে। বেশ ধাঁধায় ফেলে দেবার মতো। রাসেল যা আবিষ্কার করেছিলেন, সেটি হচ্ছে যখন কোনো একটি সেট তার নিজের প্রতি তথ্য নির্দেশ করে, তখন এই ধরনের প্যারাডক্সের জন্ম হয়। আরেকটি বিখ্যাত উদাহরণ নেয়া যাক এই ধরনের। This sentence is false বা এই বাক্যটি মিথ্যা, এটিও প্যারাডক্স। যদি ‘এই বাক্যটি মিথ্যা’ বাক্যটির শব্দগুলো বোঝায় যা তারা বোঝাতে চাইছে (এবং যা সত্য) তাহলে এই বাক্যটি মিথ্যা, তাহলে এটি বোঝাবে এটি যা বলছে তা সত্য। বিষয়টি আমাদের ধারণা দেয় যে এই বাক্যটি একই সাথে সত্য ও মিথ্যা। কিন্তু কোনো একটি বাক্য সত্য আর মিথ্যা হতে পারে না একই সাথে। এটাই লজিকের মূল একটি অংশ, সুতরাং এখানে একটি প্যারাডক্স আছে।

    বেশ মজার ধাঁধা এগুলো, খুব সহজ কোনো সমাধান নেই এর, একারণে অদ্ভুত মনে হতে পারে। কিন্তু রাসেলের জন্য এগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এগুলো যা উন্মোচন করে তাহলো সারা বিশ্বজুড়ে লজিশিয়ানরা তাদের সেট থিওরি সম্বন্ধে কিছু মূল প্রাকধারণা ধারণ করেন, সেগুলো ভুল। তাদের আবার শুরু করার দরকার হয়েছিল। রাসেলের আরেকটি আগ্রহের বিষয় ছিল আমরা যা- কিছু বলি কীভাবে সেগুলো পৃথিবীর সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। যদি তিনি সমাধান করতে পারেন কোন্ বিষয়টি একটি বাক্যকে সত্য বা মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে মানব জ্ঞানের সম্ভারে অবদান রাখার জন্য। আবার তিনি আগ্রহী ছিলেন খুববেশি বিমূর্ত প্রশ্নগুলো নিয়ে যারা আমাদের সব চিন্তার পিছনে থাকে। বেশিরভাগ কাজই তারা চেষ্টা করছে আমাদের স্টেটমেন্টগুলোর যুক্তিগত কাঠামোটি ব্যাখ্যা করার জন্য। তিনি অনুভব করেছিলেন আমাদের ভাষা যুক্তির চেয়ে অনেক কম নির্ভুল। সাধারণ ভাষার প্রয়োজন আছে বিশ্লেষণ করার, ভাঙার, যেন আমরা এর ভিত্তির যুক্তিগত কাঠামোটি বের করে আনতে পারি। তিনি বিশ্বাস করতেন দর্শনের সব ক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য ভাষার এই ধরনের যুক্তিগত বিশ্লেষণ চালিকাশক্তি হতে পারে, যার সাথে সংশ্লিষ্ট এটি সুনির্দিষ্ট শব্দে অনূদিত করা।

    যেমন, এই বাক্যটি নিন, The golden mountain does not exist বা সোনা দিয়ে তৈরি পর্বতের অস্তিত্ব নেই। সবাই খুব সম্ভবত একমত হবেন যে, বাক্যটি সত্য। এর কারণ পৃথিবীর কোথাও এমন কোনো পর্বত নেই যা-কিনা সোনা দিয়ে নির্মিত। তার মানে বাক্যটি মনে হচ্ছে এমন কিছু সম্বন্ধে বলছে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। গোল্ডেন মাউন্টেন বাক্যটি মনে হয় এমনকিছুর প্রতি তথ্য নির্দেশ করছে যা বাস্তব, কিন্তু আমরা জানি তা বাস্তব নয়। লজিশিয়ানদের জন্য এটি একটি ধাঁধা। অস্তিত্বহীন কোনোকিছু নিয়ে আমরা কীভাবে অর্থবহভাবে কথা বলতে পারি? কেন এই বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থহীন নয়? একটি উত্তর, যা দিয়েছিলেন অস্ট্রীয় লজিশিয়ান আলেক্সিয়াস মেইনং, তিনি বলেছিলেন, সবকিছুই, যা নিয়ে আমরা চিন্তা করতে ও কথা বলতে পারি অর্থপূর্ণভাবে তাদের অস্তিত্ব আছে। তার দৃষ্টিভঙ্গিতে, সোনালি পর্বতের অবশ্যই অস্তিত্ব আছে, কিন্তু বিশেষভাবে, যে অস্তিত্বকে তিনি নাম দিয়েছিলেন subsistence; তিনি এমনও ভেবেছিলেন যে ইউনিকর্ন আর ২৭ সংখ্যাটি এভাবেই subsist বা বিশেষভাবে অস্তিত্বশীল।

    মেইনং-এর লজিক নিয়ে এমন ভাবনা রাসেলের কাছে সঠিক মনে হয়নি। তার কাছে বিষয়টি মনে হয়েছিল অদ্ভুত। এর মানে হচ্ছে পৃথিবী পূর্ণ এমন জিনিস দিয়ে যার এক অর্থে অস্তিত্ব আছে আর আরেক অর্থে নেই। রাসেল একটি সহজতর উপায় উদ্ভাবন করেন, কীভাবে আমরা যা বলি সেগুলো যার অস্তিত্ব আছে তার সাথে সংশ্লিষ্ট হতে পারে। এটাই পরিচিত তার Theory of Descriptions হিসাবে। আরেকটি অদ্ভুত বাক্য নেয়া যাক (এটি রাসেলের সবচেয়ে প্রিয়), The present king of France is bald বা ফ্রান্সের বর্তমান রাজার মাথায় টাক আছে। এমনকি বিংশ শতাব্দীর শুরুতে যখন রাসেল লিখছিলেন, তখন ফ্রান্সে কোনো রাজা ছিল না। ফ্রান্স তাদের সব রাজা রানীকে বর্জন করেছিল ফরাসি বিপ্লবের সময়। তাহলে এই বাক্য দিয়ে কী বোঝাতে চাইছিলেন তিনি? রাসেলের উত্তরও ছিল সেটাই, সাধারণ ভাষায় ব্যবহৃত বহু বাক্যের মতো এটি যা বোঝাচ্ছে বলে মনে হয় তা নয়। সমস্যা হচ্ছে এখানে। যদি আমরা বলতে চাই সেই বাক্যটি, The present king of France is bald মিথ্যা, এটি মনে হবে আমাদের বাধ্য করছে স্বীকার করে নিতে এমন কিছু বলার জন্য যে, বর্তমানে ফ্রান্সের একজন রাজা আছেন যার মাথায় টাক নেই, there is a present king of France who isn’t bald; কিন্তু নিশ্চয়ই আমরা সেটি বোঝাতে চাইছি না আদৌ। আমরা বিশ্বাস করিনা যে ফ্রান্সে বর্তমানে একজন রাজা আছেন। রাসেলের বিশ্লেষণ ছিল, এমন কোনো বাক্য The present king of France is bald আসলে একধরনের গোপন বিবরণ। আমরা যখন the present king of France নিয়ে কথা বলি আমাদের ধারণাটির যৌক্তিক ভিত্তি হচ্ছে এটা:

    (ক) এমনকিছুর অস্তিত্ব আছে যা ফ্রান্সের বর্তমান রাজা বা present king of France;

    (খ) শুধুমাত্র একটি জিনিসই আছে যে-কিনা ফ্রান্সের বর্তমান রাজা;

    (গ) যে-কোনো কিছু যাকে বলা যেতে পারে ফ্রান্সের বর্তমান রাজা, তার মাথায় টাক আছে।

    এই জটিলভাবে সবকিছু ব্যাখ্যা করার উপায় রাসেলকে সুযোগ করে দিয়েছিল প্রদর্শন করতে যে, ‘ফ্রান্সের বর্তমান রাজার মাথায় টাক আছে’ অর্থবোধক হতে পারে এমনকি যখন বর্তমানে ফ্রান্সে কোনো রাজা নেই। এটি অর্থবোধক হবে, তবে মিথ্যা। মেইনং এর ব্যতিক্রম, তার প্রয়োজন ছিল না কল্পনা করা যে ফ্রান্সের বর্তমান রাজার কোনো-না-কোনোভাবে একটি অস্তিত্ব আছে (অথবা subsist করে) যেন আমরা তাকে কথা বলতে ও ভাবতে পারি। রাসেলের জন্য The present king of France is baldএই বাক্যটি মিথ্যা, কারণ ফ্রান্সের বর্তমান রাজার মাথায় কোনো টাক নেই, কারণ ফ্রান্সের বর্তমানে রাজার অস্তিত্ব নেই। কিন্তু এই বাক্যটি প্রস্তব করছে তার অস্তিত্ব আছে, সুতরাং সত্য হবার বদলে এই বাক্যটি মিথ্যা। The present king of France is not bald সেই একই কারণে মিথ্যা। রাসেল যা শুরু করেছিলেন তাকে বলা হয় দর্শনের linguistic turn, যে আন্দোলনে দার্শনিকরা ভাষা ও তার ভিত্তির যৌক্তিক কাঠামো নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু করেছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }