Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৩৮ : সিসিফাসের সুখ – আলবেয়ার্ট কামু

    আলবেয়ার্ট কামু ছিলেন অত্যন্ত সুদর্শন মধ্য-বিংশ শতাব্দীর ফরাসি-আলজেরীয় একজন দার্শনিক এবং লেখক। আমাদের মনোযোগ পাবার উপর তাঁর দাবির ভিত্তি মূলত তার লেখা তিনটি কালজয়ী উপন্যাস : The Outsider (১৯৪২), The Plague(১৯৪৭), TheFall(১৯৫৬) এবং দুটি দার্শনিক প্রবন্ধ :The Myth of Sisyphus (১৯৪২), The Rebel (১৯৫১)। ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন মাত্র ৪৬ বছর বয়সে, তাঁর প্রকাশক মিশেল গালিমর্দ ঘটনাচক্রে তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়েছিলেন, যখন তিনি তাঁর গাড়ি নিয়ে একটি দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন। মৃত্যুর সময় কামুর পকেটে একটি ট্রেনের টিকিট ছিল, যেটা তিনি ব্যবহার না-করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন একেবারে শেষমুহূর্তে, গালিমর্দের গাড়িতে একসাথে গন্তব্যে ফিরবেন বলে।

    কামুর খ্যাতির সূচনা এবং এখনও মূলত তার উপরই ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকার কারণ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস দি আউটসাইডার। উপন্যাসটির পটভূমি তাঁর জন্মস্থান আলজিয়ার্স। এটি মূলত মারসোল্ট নামের স্বল্পভাষী, বিচ্ছিন্ন, শ্লেষপটু আর নৈরাশ্যবাদী একটি চরিত্রের জীবনকে ঘিরে আবর্তিত, যিনি ভালোবাসা, কাজ অথবা বন্ধুত্ব, সবকিছুই অর্থহীন বলে মনে করতেন, এবং ঘটনাচক্রে একদিন তিনি, খানিকটা ভুলবশত, একজন আরব ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন। তিনি জানতেন না, তার এরকম একটি কাজের উদ্দেশ্যই বা কী ছিল এবং পরিণতিতে তাকে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে হয়, আংশিকভাবে এর কারণ বিচারের সময় তিনি কোনো ধরনের অনুশোচনা প্রকাশ করেননি, এমনকি নিজের নিয়তি নিয়েও কোনো ধরনের উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেননি। উপন্যাসটি সেই মানসিক অবস্থাটির একটি চিরন্তন রূপ দিয়েছিল, যা সংজ্ঞায়িত করেছিলেন সমাজবিজ্ঞানী এমিল ডুর্কহাইম, anomie নামে, হতদ্যোম, অবসাদগ্রস্ত, আবেগহীন, উদাসীন, বিচ্ছিন্নতার সেই পরিস্থিতি, যখন কেউ নিজেকে অন্য সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন অনুভব করে এবং তারা কোনো উপায় খুঁজে পায় না তাদের সহমর্মিতা কিংবা মূল্যবোধগুলো ভাগ করে নেবার জন্যে।

    দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর ‘দি আউটসাইডার’ বইটি পড়া ফরাসি এবং অন্য বহু দেশের তরুণদের বয়ঃসন্ধিকাল থেকে উত্তরণের একটি আচার হিসাবে গণ্য হয়ে এসেছে, এবং অবশ্যই ব্যাপারটা সহজ নয়, কারণ এই বইটি বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, যা সতেরো বছর বয়সে প্রথমবারের মতো আত্মস্থ করা বেশ জটিল একটি কাজ। দি আউটসাইডার-এর নায়ক মারসোল্ট সবকিছু যেভাবে বিদ্যমান সেই সংক্রান্ত সব প্রচলিত উত্তরগুলোকে কখনোই মেনে নিতে পারেননি। তিনি সবকিছুকেই ভণ্ডামি আর ভাবপ্রবণতায় আক্রান্ত হিসাবে দেখতেন, এবং তিনি বিষয়গুলোকে এড়িয়ে যেতেও অক্ষম ছিলেন। তিনি এমন একজন মানুষ যিনি কোনোকিছুকে ব্যাখ্যা করার জন্যে প্রদত্ত বা উপস্থাপিত সর্বজনস্বীকৃত ব্যাখ্যাগুলোকে গ্রহণ করতে পারতেন না, যেমন শিক্ষাব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্র, সম্পর্ক, সরকারপদ্ধতি। তিনি সাধারণ বুর্জোয়া জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তীব্রভাবে সমালোচনার দৃষ্টিতে দেখেছেন সেই সমাজের নিঃশেষিত নৈতিকতা আর পরিবার আর অর্থ-উপার্জনের প্রতি সংকীর্ণ উৎকণ্ঠাগুলোকে।

    বইটির যুক্তরাষ্ট্রের সংস্করণের পরিশেষে কামু লিখেছিলেন, ‘মারসোল্ট সবার মতো একই খেলায় অংশগ্রহণ করেনি। সে মিথ্যা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, সে নিজে আসলে কী, সেটাই সে বলেছিল, সে তার অনুভূতি গোপন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, আর সেকারণে সমাজও তাৎক্ষণিকভাবে হুমকি অনুভব করেছিল।’ বইটির অস্বাভাবিক মন্ত্রমুগ্ধ করার ক্ষমতার বেশিরভাগ এসেছে শীতল আর বিচ্ছিন্নতার যে কণ্ঠস্বর নিয়ে মারসোল্ট আমাদের সাথে, তার পাঠকরা, কথা বলেন। বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যে যত কিংবদন্তির সূচনাবাক্য আছে, কামুর দি আউটসাইডার-এর সূচনাবাক্যটি তাদের মধ্যে অন্যতম। একটি বাক্যই পুরো উপন্যাসটির সুর নির্ধারণ করে দিয়েছে : Today mother died. Or maybe yesterday, I don’t know.’আজ মা মারা গেলেন। অথবা, গতকাল, আমি জানি না’। উপন্যাসটির শেষও তীব্রভাবে উদ্ধত। মারসোল্ট, বন্দুকের ঘোড়ায় চাপ দেবার অনুভূতি কৌতূহলোদ্দীপক হতে পারে, শুধুমাত্র সেকারণে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া আর উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘটানো হত্যাকাণ্ডটির জন্যে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত, সে সবধরনের সান্ত্বনা পরিত্যাগ করেন, এবং সাহসের সাথে মেনে নেন মানবজাতির প্রতি মহাবিশ্বের চূড়ান্ত নির্বিকার নিস্পৃহতাকে : ‘আমার শেষ ইচ্ছা হচ্ছে, আমার রায় কার্যকর হবার দিন দর্শকদের একটি জমায়েত হবে, আর তারা আমাকে শুভকামনা জানাবে ঘৃণা আর বিদ্বেষপূর্ণ চিৎকারে।’ এমনকি যখন আমরা নিজেরা হত্যাকারী নই এবং আমরা আসলেই বিষণ্ন হতে পারি যখন আমাদের মায়ের মৃত্যু হয়, তারপরও দি আউটসাইডার-এর মেজাজে কিছু আছে যার কিছু- না-কিছু অভিজ্ঞতা আমাদের সবার কমবেশি আছে, যখন আমরা ভাবি আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ স্বাধীনতা আছে অনুধাবন করার যে আমরা একটি খাঁচায় বাস করি, কিন্তু আমাদের সেই খাঁচা থেকে বের হবার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাধীনতা নেই, কিংবা কেউই যখন আমাদের বুঝতে পারে না, সবকিছু অনেক বেশি হতাশাপূর্ণ মনে হয়, মনে পড়ছে এমন কোনো অভিজ্ঞতা?

    এই উপন্যাসটি ছাড়াও কামুর দার্শনিক খ্যাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি একটি বড় প্রবন্ধ The Myth of Sisyphus, এই বইটির সূচনাবাক্যটিও যুগান্তকারী There is but one truly serious philosophical problem and that is suicide. Judging whether life is or is not worth living, that is the fundamental question of philosophy বাসত্যিকারভাবে একটিমাত্র দার্শনিক সমস্যা আছে এবং সেটি হচ্ছে আত্মহত্যা, বেঁচে থাকার আদৌকি কোনো মূল্য আছে কিংবা নেই, এই বিষয়টি বিচার করা, আর এটাই দর্শনের মৌলিক প্রশ্ন।’ এই ধরনের একটি প্রস্তাবনার কারণ, কামুর মতে, যখনই আমরা গভীরভাবে ভাবতে শুরু করি, যেমন দার্শনিকরা করে থাকেন, দেখতে পাই জীবনের আসলে কোনো অর্থ নেই এবং সেকারণেই আমরা বাধ্য হই ভাবতে আমরা এটি শেষ করে ফেলব কিনা, বা এর সাথে সব হিসাবনিকাশ চুকিয়ে ফেলব কিনা।

    বরং এই চরম দাবি বা প্রস্তাবনাটির অর্থ বোঝার চেষ্টা করতে আমাদের উচিত হবে কামুকে দর্শনের ইতিহাসের তার অবস্থানে বসাতে। তাঁর নাটকীয় ঘোষণা যে, আমাদের আত্মহত্যার কথা বিবেচনা করতে হবে, কারণ জীবন অর্থহীন মনে হতে পারে, এমন প্রস্তাবনাটি নির্ভর করে আছে সেই ধারণায় যে- জীবন আসলেই সমৃদ্ধ হতে পারে ঈশ্বরপ্রদত্ত অর্থময়তায়, যে ধারণাটি আজ আমাদের অনেকের কাছেই মনে হতে পারে বহুদূরবর্তী কোনো ধারণা। তারপরও যদি খুব ভালো করে লক্ষ্য করা যায় দেখা যাবে অন্তত পশ্চিমে গত দুই হাজার বছর ধরে, জীবনের অর্থময়তার ধারণাটির উৎস অন্য সবকিছুর চেয়ে একটি প্রতিষ্ঠান, খ্রিস্টীয় চার্চ। কামু বহু দার্শনিকদের সেই ধারাবাহিকতায় অবস্থান করছেন, কিয়ের্কেগার্ড থেকে নিচাহ থেকে হাইডেগার এবং সার্ত্রে, যারা প্রত্যেকেই মল্লযুদ্ধ করেছেন সেই অস্বস্তিকর উপলব্ধির সাথে যে, বাস্তবিকভাবেই জীবনের কোনো পূর্বনির্ধারিত অর্থ নেই। আমরা শুধুমাত্র জৈববৈজ্ঞানিক অণুসমষ্টি যারা অচেতনভাবেই ঘূর্ণায়মান নির্বিকার কোনো একটি মহাবিশ্বে ছোট একটি পাথরের টুকরোর উপর। আমাদের এখানে কোনো কল্যাণময় স্বর্গীয় সত্তা প্ৰতিস্থাপন করেননি এবং এমন কোনো নির্দেশও দেননি ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে আমাদের মুক্তির জন্যে, যেমন, টেন কমান্ডমেন্ট, গসপেল কিংবা কোনো ধর্মগ্রন্থ। কোনো পথনির্দেশনা নেই এবং কোনো সুবিশাল উদ্দেশ্য নেই। আর এই উপলব্ধিটাই সেইসব দার্শনিকের বহুপ্রস্তাবিত সংকটের কেন্দ্রে অবস্থিত, যাদের আমরা এখন জানি অস্তিত্ববাদী বা Existentialists হিসাবে। নৈরাশ্যবাদী আধুনিকতার শিশু, কামু মেনে নিয়ে নিয়েছিলেন, এই সুবিশাল মহাবিশ্বের বৃহত্তর কাঠামোয় আমাদের সবার জীবনই অর্থহীন, তবে অন্য দার্শনিকদের ব্যতিক্রম, তিনি চূড়ান্ত আশাহীনতা অথবা নৈরাশ্যবাদকে সরাসরি প্রতিরোধ করেছিলেন তার লেখায়। তিনি যুক্তি দেন যে আমাদের সেই জ্ঞান নিয়েই বাঁচতে হবে যে আমাদের সব প্রচেষ্টাই নিষ্ফল, আমাদের জীবন খুব দ্রুত সবাই ভুলে যাবে এবং আমাদের প্রজাতি অংশোধনীয়ভাবে নীতিভ্রষ্ট, সহিংস এবং তাসত্ত্বেও তাদের সব সহ্য করে টিকে থাকতে হবে। কামু লিখেছিলেন, আমরা সিসিফাসের মতো, যে গ্রিক পুরাণের চরিত্রটিকে দেবতারা শাস্তি দিয়েছিলেন বড় একটি পাথরের টুকরো পাহাড়ের ঢাল বেয়ে প্রতিদিন ঠেলে উপরে তোলার জন্য, কিন্তু পাথরটি উপরের তোলার পর সেটি আবার গড়িয়ে নিচে পড়ত, সিসিফাসকে আবার সেটা ঠেলে উপরে ওঠাতে হতো, এভাবেই অনন্তকাল ধরে সে এই অর্থহীন পরিশ্রমের শাস্তি তে বন্দী। কিন্তু পরিশেষে, কামু প্রস্তাব করেন, আমরা যাই করি না কেন, আমাদের খাপ খাইয়ে নিতে হবে যতটুকু আমরা পারি। আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে অস্তিত্বের এই অর্থহীনতার প্রেক্ষাপটটিকে, এবং তারপর এই চিরন্তন আশাহীনতার সম্ভাবনাকে জয় করতে হবে। তাঁর সেই বিখ্যাত প্রস্তাবনা One must imagine Sisyphus happy বা আমাদের অবশ্যই কল্পনা করতে হবে যে সিসিফাস সুখী।

    এখানেই আমরা কামুর মুগ্ধ করার ও প্ররোচনা দেবার অসাধারণ দিকটি অনুভব করতে পারি: কামু তাঁর নিজেকে এবং আমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চান সেইসব কারণগুলো, কেন জীবনকে সহ্য করা অর্থহীনতা নয়। এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি অসাধারণ তীব্রতা আর পাণ্ডিত্যের সাথে নানা বিষয় নিয়ে লিখেছিলেন, সম্পর্ক, প্রকৃতি, খাদ্য এবং বন্ধুত্ব। জীবনে বেঁচে থাকার কারণ দেখানো পথপ্ৰদৰ্শক হিসাবে কামু চমৎকার। বহু দার্শনিক থেকেই কামু ভিন্ন ছিলেন এক্ষেত্রে। কামু ছিলেন সুদর্শন, খুব সফল ছিলেন নারীদের সাথে, তার জীবনের ১০ বছরে, বহু সম্পর্ক তার প্রমাণ। চমৎকার ফ্যাশনজ্ঞান ছিল তার, জেমস ডিন আর হামফ্রে বোগার্টের স্টাইলের একটি চমৎকার মিশ্রণ ছিলেন তিনি, সন্দেহ নেই কেন’ভোগ’ ম্যাগাজিন তাদের প্রচ্ছদে তাঁকে চেয়েছিল। কিন্তু কামুর জন্যে এইসব শুধুমাত্র খামখেয়ালিশখ ছিল না, কারণ তিনি সত্যিকারভাবে জীবনের অদ্ভুত দিকটি অনুধাবন করেছিলেন, হয়তো সেটি যে-কাউকে আশাহীনতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়, কিন্তু একই সাথে জীবনকে আরো বেশি তীব্রভাবে বাঁচতে বাধ্য করে। সেভাবে কামু প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিলেন নিজের কাছে, এবং গভীরভাবে ভাবতে শুরু করেছিলেন সাধারণ জীবনের আনন্দগুলোর কথা। তিনি বলেছিলেন তিনি তার দর্শনকে দেখেন a lucid invitation to live and to create, in the very midst of the desert বা এই মরুভূমির মধ্যে বেঁচে থাকা আর সৃষ্টি করার জন্য একটি সুস্পষ্ট আহ্বান হিসাবে।

    তিনি সাধারণত্বের পক্ষে কথা বলেছিলেন, দর্শনে সাধারণত্বের সমর্থক সহজে খুঁজে পাওয়া যায় না। তার গভীর দর্শনের পাতার-পর-পাতা পড়ার পর, পাঠকরা সেইসব মুহূর্তে স্বস্তির শ্বাস ফেলেন যখন কামু সূর্যালোক, চুমু কিংবা নাচের প্রশংসা করেছেন। নাটক কিংবা থিয়েটারের সাথে জড়িত থাকা কামুকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তার পছন্দ আসলে কী, ফুটবল নাকি থিয়েটার, কামু উত্তর দিয়েছিলেন, কোনো ইতস্ততা ছাড়া, ফুটবল। কামু স্থানীয় আলজিয়ার্স টিমে গোলকিপার হয়ে খেলেছেন, এছাড়া ইউনিভার্সিটির অ্যাথেলেটিক্স টিমেও ছিলেন। টিম স্পিরিট, ভ্রাতৃত্ববোধ ও একটি সাধারণ উদ্দেশ্য, সবকিছু কামুকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল, ১৯৫০ এর দশকে যখন একটি ক্রীড়া ম্যাগাজিন সাক্ষাৎকার নিয়েছিল ইউনিভার্সিটি ফুটবল টিমে তাঁর কাটানোর সময় নিয়ে, তিনি বলেছিলেন, ‘বহু বছর পর, যখন আমার অনেক কিছুই দেখা হয়ে গেছে, আর মানুষের নৈতিকতা ও কর্তব্য সম্বন্ধে আমি যা নিশ্চিতভাবে জানি, সেই সবকিছুর জন্য আমি ক্রীড়ার কাছে ঋণী।’ কামু সেইসব নৈতিকতার কথা বলেছিলেন যা তিনি তার প্রবন্ধগুলোয় সমর্থন করেছেন: বন্ধুর পাশে থাকা, খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব আর সাহসিকতাকে মূল্য দেয়া। কামু সূর্য ভালোবাসতেন, তার চমৎকার Summer in Algiers প্রবন্ধে তিনি লিখেছিলেন পানি উষ্ণতা আর রমণীদের বাদামি শরীরের দৃশ্য তিনি উপভোগ করতেন, লিখেছিলেন, ‘২০০০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো, বেলাভূমিতে নগ্নশরীরের আবির্ভাব হয়েছে, ২০ শতাব্দী ধরে মানুষ ঔদ্ধত্য আর অকপটতাকে ভদ্রতা দেবার চেষ্টা করেছে, চামড়া আর মাংসর পরিমাণ কমিয়ে, পরিচ্ছদকে জটিল করে। আজ তরুণরা ভূমধ্যসাগরীয় বেলাভূমিতে দৌড়ে বেড়াচ্ছে পুনরাবৃত্তি করছে ডেলোসে সেই ক্রীড়াবিদদের ভঙ্গিমাগুলো।’ একধরনের নতুন পাগানিজমের সপক্ষেও তিনি কথা বলেছিলেন, তার ভিত্তি ছিল শরীরের তাৎক্ষণিক সুখ খোঁজা: ‘আমি চমৎকার দীর্ঘদেহী এক তরুণীর কথা মনে করতে পারি, যে সারা বিকেল জুড়েই নেচেছিল। তার আঁটোসাঁটো নীল জামার উপর পরা ছিল জেসমিনের মালা, সারা শরীর যার ঘামে সিক্ত। নাচের সময় মাথা পেছনে হেলিয়ে প্রাণখুলে সে হাসছিল, যখনই টেবিলের পাশ দিয়ে সে অতিক্রম করছিল, ফুল আর শরীরের একটি মিশ্র গন্ধ সে রেখে যাচ্ছিল।’ কামু প্ৰতিবাদ করেছিলেন তাদের বিরুদ্ধে যারা এইসব তুচ্ছ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেন না বরং তাদের কামনা আরো মহতী কিছু, আরো বিশুদ্ধ: ‘যদি জীবনের বিরুদ্ধে কোনো পাপ থেকে থাকে, এটি হয়তো জীবনের হতাশার বিষয়টি নয়, বরং অন্য কোনো জীবনের আশা করা আর এই জীবনের মাহাত্ম্য থেকে পালিয়ে বেড়ানো।’ একটি চিঠিতে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘মানুষ আমাকে আকৃষ্ট করে যতক্ষণ অবধি তারা জীবনের ব্যাপারে আগ্রহী, সুখের জন্য উদগ্রীব। বহু কারণ আছে যার জন্যে মৃত্যুবরণ করা যুক্তিযুক্ত কিন্তু কোনোকিছু যুক্তিযুক্ত নয় যার জন্যে হত্যা করা যেতে পারে।’

    তার জীবদ্দশায় কামু প্রচুর খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, কিন্তু প্যারিসে বুদ্ধিজীবী সমাজ তাকে গভীরভাবে সন্দেহ করতেন। কারণ তিনি কখনোই প্যারিসের সেই অভিজাতদের দলে ছিলেন না। তিনি ছিলেন কর্মজীবী pied-noir (শব্দটি বোঝায় এমন কেউ যার জন্ম আলজেরিয়ায়, তবে ইউরোপীয় তার বংশঐতিহ্যে), যিনি শৈশবেই যুদ্ধাহত বাবাকে হারিয়েছিলেন, মা জীবিকা নির্বাহ করেছিলেন উচ্চবিত্তদের বাড়ি পরিষ্কার করে। সুতরাং ব্যাপারটা কাকতলীয় নয় যে, কামুর প্রিয় দার্শনিক ছিলেন মনতাইন, আরেকজন মাটির কাছাকাছি বাস করা নিরহংকার ফরাসি এবং এমন একজন যাকে আমরা ভালোবাসতে পারি তিনি যা লিখেছেন এবং তিনি যেমন ছিলেন উভয় কারণেই

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }