Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৪১ : মনের দর্শন – এডমন্ড হুসেরেল

    যদিও নামটি তিনি দেননি, তবে কোনো বিতর্ক ছাড়াই দার্শনিক এডমন্ড হুসেরেলকে (১৮৫৯-১৯৩৮) দর্শনের সেই বিশেষ আন্দোলন, ফেনোমেনোলজির জনক বলা যেতে পারে। ফেনোমেনোলজিকে মোটাদাগে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে কোনো অধিবিদ্যাগত এবং তাত্ত্বিক অনুমান ছাড়া অভিজ্ঞতাকে ব্যাখ্যা করার প্রচেষ্টা হিসাবে। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে শুধুমাত্র প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে বাদ দিয়েই দর্শন আরো বেশি সুস্পষ্ট আর প্রকৃতভাবে কঠোর বিজ্ঞান হয়ে উঠতে পারে এবং তিনি দাবি করেছিলেন যে ফেনোমেনোলজি হচ্ছে এমপিরিকাল বা পর্যবেক্ষণ নির্ভর কিছু না বরং এটি সচেতনতার বিজ্ঞান (science of consciousness)। মোরাভিয়ায় জন্ম নেয়া গণিতজ্ঞ ও দার্শনিক হুসেরেল তার সারাজীবনই ব্যয় করেছিলেন ফেনোমেনোলজি সংক্রান্ত অনুসন্ধানে, এবং এমন একটি পদ্ধতি তিনি ব্যবহার করেছিলেন যা তিনি নিজেই আবিষ্কার করেছিলেন, যা philosophy of mind-এর কিছু কেন্দ্রীয় বিষয় নিয়ে বৈপ্লবিক কিছু ধারণার প্রস্তাব করেছিল। সচেতনতা বা consciousness নিয়ে এখন খুব সতর্কভাবেই গবেষণা করা হচ্ছে বিশেষভাবে যারা আগ্রহী কগনিটিভ সায়েন্স নিয়ে। ফেনোমেনোলজি, যে শব্দটি দিয়ে বোঝা যেতে পারে অভিজ্ঞতাগুলোর একটি সতর্ক বিবরণ যেভাবে সেই অভিজ্ঞতাটির দ্বারা অভিজ্ঞতালব্ধ হন কোনো ব্যক্তি। হুসেরেল এর নিজের ভাষায় এটি আমাদের life of consciousness-এর পুরোটাই গবেষণা করার প্রস্ত বি দেয়। এর সাথে শুধুমাত্র সুস্পষ্ট কগনিটিভ অবস্থা বা কর্ম নয়, যেমন জাজমেন্ট বা বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি, বরং এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত সচেতনতার অসংখ্য কাজ ও অবস্থা, যেমন সংবেদনশীলতায় সতর্কতা, বোধশক্তি, স্মৃতি, কল্পনা, আবেগ, মেজাজ, ইচ্ছাশক্তি, সময়সচেতনতা, বিচারিক ক্ষমতা, যুক্তিপ্রক্রিয়া, প্রতীকী চিন্তা, আত্মসচেতনতা, এবং এছাড়াও অবচেতন মনের তাড়না আর কামনাগুলো ইত্যাদি। অবশ্যই এই তালিকাটি সম্পূর্ণ নয়। হুসেরেল এছাড়াও ভাবতেন যে মনোবিজ্ঞান (এর অন্তর্গত প্রকৃতিবাদী দৃষ্টিভঙ্গির জন্যে) আত্মমাত্রিকতা বা subjectivity-র সত্যিকার বিজ্ঞান হতে পারেনা। আত্মমাত্রিকতার নতুন বিজ্ঞানকে অবশ্যই সাইকি-সংক্রান্ত সব প্রাকৃতিক, বৈজ্ঞানিক এবং লোকধারণাগুলোকে পরিহার করতে হবে এবং সত্যিকারের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে। যেমন তিনি লিখেছিলেন : প্রথমেই যা আমাদের অবশ্যই করতে হবে, কোনো তাৎক্ষণিক চিন্তাশীল আত্ম-অভিজ্ঞতায়, সেটি হচ্ছে সচেতন জীবনকে কোনো ধরনের পূর্বসংষ্কার ছাড়াই গ্রহণ করতে হবে, ঠিক যেভাবে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিজেকে উন্মোচন করে। হুসেরল একক আত্ম-অভিজ্ঞতার কাঠামোকেই শুধু বিশ্লেষণ করেননি (Selbsterfahrung), নিজের সচেতন অবস্থা-সংক্রান্ত নিজস্ব অভিজ্ঞতা, বরং তিনি অন্যদের নিয়ে বা সম্বন্ধে কারো অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন, যা সমসাময়িক মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, তিনি নাম দিয়েছিলেন empathy (Einf ti hlung), সহমর্মিতা। তিনি একক ইগোর (das Ich) প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করেছেন, কীভাবে ইগোনির্ভর অভিজ্ঞতাগুলো একসাথে মিশ্রিত হয়ে একটি একক ব্যক্তিগত জীবনের পুরোটা তৈরি করে। তার Ideas II বইটিতে তিনি আরো আলোচনা করেছিলেন কীভাবে মানুষ পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন intersubjectivity, এছাড়াও একটি সমাজ ও সাধারণ পৃথিবীতে একসাথে বাস করার অভিজ্ঞতাও যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। তাঁর প্রধান বইগুলোয়, LogicalInvestigations, Ideas I, Cartesian Meditations. তিনি মূলত বিষয়গুলোকে ব্যক্তিতান্ত্রিক বা ইগোলজিকাল অহংবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে সচেতন জীবনকে ব্যাখ্যা করেছে একক ব্যক্তি সত্তার উপর ভিত্তি করে, কিন্তু তিনি এই অহংবাদী অংশটি যে পারস্পরিক, সামাজিক সচেতনা থেকেই উদ্ভূত সেটাও দাবি করেছিলেন। মনের দর্শন নিয়ে কাজ করা একমাত্র দার্শনিক হিসাবে তিনি বিশেষভাবে সামাজিক কর্ম, সম্মিলিত উদ্দেশ্য নিয়ে সাধারণভাবে কথা বলেছিলেন। কোনো সার্বিক ফেনোমেনোলজির অবশ্যই লক্ষ্য থাকবে আত্মগত ও আন্ত-আত্মগত জীবনকে এর পূর্ণতা দিয়েই ব্যাখ্যা করা, বৃহত্তর সামাজিক আর আধ্যাত্মিক রূপে যাকে তিনি বলেছিলেন সম্পূর্ণ eidetics of the spirit; হুসেরেল শুরু করেছিলেন একক, আত্মমাত্রিক, ব্যক্তিগত সচেতনতা নিয়ে, অর্থাৎ সচেতনতা, পুরোপুরিভাবে পূর্ণ জীবন্ত, সুস্পষ্ট, গতিময় সমৃদ্ধতায়, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন Heraclitean flux বা সচেতন জীবনের প্রবাহ। সাধারণত আমরা শুধুমাত্র বাঁচি, হরি বার্গনস ও উইলিয়াম জেমস হয়তো যাকে বলবেন, সচেতন অভিজ্ঞতার প্রবাহে। এর মানে একক ব্যক্তির মানসিক কর্মকাণ্ড অথবা প্রক্রিয়াগুলোয়।

    হুসেরেল নিজে অবশ্য প্রবাহ রূপকটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, এই অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের সচেতনতার নিরবিচ্ছিন্ন সামগ্রিক রূপটি প্রকাশ করে, জেগে থাকা অবস্থা, কিন্তু আসলেই আমাদের সচেতনতার ধারণাটি আরো সম্প্রসারণ করতে হবে সেখানে নিদ্রা, স্বপ্ন, নেশাগ্রস্থ অবস্থা, অ্যানাসথেসিয়া (ঔষধের মাধ্যমে অচতেনতা), ধ্যানের পরিস্থিতি ইত্যাদি যুক্ত করতে হবে। হুসেরেল বলেছিলেন বাঁচা মানে অভিজ্ঞতা অনুভব করা (leben ist erleben)। অন্তত শুরুর দিকে তাঁর আগ্রহ মূলত ছিল, যদিও শুধুমাত্র নয়, সমসাময়িক দর্শনযাকে চিহ্নিত করেছিল সচেতনতার occurrent ক্রিয়া হিসাবে (dispositional নয়), অর্থাৎ যা সচেতনভাবে ঘটছে তার উপর। পরে তার Passive Synthesis লেকচারে dispositional বিষয়টির দিকে তিনি নজর দিয়েছিলেন, সেই জটিল নানা স্তরগুলো, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন আমাদের pre-predicative জীবন, আমাদের অভ্যাস,বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি এবং নানা সংস্কার যা আমাদের প্রভাবিত করে। তিনি পরে depth psychology-র ধারণা প্রস্তাব করেছিলেন, মূলত ফ্রয়েড, ইউং, অ্যাডলারের মনোবিশ্লেষণের নানা রূপগুলো বর্ণনা করতে। হিউম যেমন প্রস্তাব করেছিলেন সচেতন অনুভূত অভিজ্ঞতাগুলো মূলত সময়ের ধারবাহিকতায় ঘটে, কিন্তু হুসেরেল বুঝতে পেরেছিলেন রূপায়িত অভিজ্ঞতাগুলোই সময়ের ধারাবাহিকতা না-মেনেই একত্র হয়ে তৈরি করে আমাদের সচেতনতা, যেখানে প্রতিটি সচেতন অভিজ্ঞতা পরিবর্ধন, পরিবর্তন বা পরস্পরকে বিকৃত করতে পারে যেমন, তেমনি পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে সৃষ্টি করে যা আমরা জীবন হিসাবে অভিজ্ঞ হই। ফেনোমেনোলজির দৃষ্টিভঙ্গি শুধুমাত্র বিষয়টিকে স্পষ্ট করতে, গুরুত্বপূর্ণভাবে শনাক্ত করতে হবে কোনো সচেতন কগনিটিভ বা জ্ঞানীয় সত্তা মানবজীবনের প্রাকৃতিক কিংবা কার্যকারণনির্ভর কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেবার চেষ্টা করেননি। বা কীভাবে আমাদের বাস্তবে রূপায়িত এই মনটি কাজ করতে সক্ষম হয়। আমাদের মস্তিষ্ক হচ্ছে এমন একটি অঙ্গ যা আমরা সরাসরি অনুভব করতে পারিনা (বিজ্ঞান বলছে যে আমাদের মস্তিষ্ক আছে), হুসেরেল শুরু করতে চেয়েছিলেন সচেতন অভিজ্ঞতার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো, তাদের আধেয় এবং উদ্দেশ্যগুলো ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে। তিনি মৌলিক কাঠামোটি খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন যে, পূর্বনির্ধারিত নিয়মগুলো সচেতনাকে পরিচালনা করে (এর ক্রিয়া, উদ্দেশ্য, আধেয়, সত্যায়ন করার প্রক্রিয়া, সুতরাং এটি আইডেটিক বিজ্ঞান, আইডেটিক উপসংহারে পৌঁছানো মানে কোনো একটি ঘটনা বা ফেনোমেনাকে এর মৌলিক ফেনোমেনা অংশে বিভাজিত করার প্রচেষ্টা)। হুসেরেল নানা ধরনের কগনিটিভ অথবা এপিসটেমিক দৃষ্টিভঙ্গি (যে-কোনোকিছু উপলদ্ধি করা, মনে করা, কল্পনা, বিচার বা আন্দাজ করা ইত্যাদি) যা আমাদের কোনো কর্ম-সম্পাদনকারী আর কোনোকিছু সম্বন্ধে জ্ঞাত (বা এজেন্ট) হিসাবে যৌক্তিক জীবনের কাঠামো গড়ে তোলে। তিনি পরিবর্তনের সূত্রগুলো খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন, যার মাধ্যমে কোনো একটি পরিস্থিতি বা দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয় অন্য একটি অবস্থা বা দৃষ্টিভঙ্গিতে (অনিশ্চয়তা রূপান্তরিত হয় বিশ্বাসে, কোনো উপলব্ধি স্মৃতিতে ইত্যাদি) এবং এইসব কগনিটিভ দৃষ্টিভঙ্গিগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে। কোনো একটি সচেতন অভিজ্ঞতার স্বরূপ বোঝার মূল চাবি হচ্ছে intentionality বা উদ্দেশ্য বোঝা। হুসেরেলও মনে করতেন মানসিক অবস্থা মূলত ইনটেনশনাল অবস্থা, মানে এর পেছনে মনে কোনো উদ্দেশ্য আছে। প্রতিটি উপলব্ধি, স্মৃতি, চিন্তা, অনুভূতি অথবা আবেগ কোনোকিছু সম্বন্ধে, কোনোকিছুর প্রতি তা নির্দেশিত এবং এটি কোনোকিছু নিয়ে, তিনি এই ইনটেনশনালিটিকে সব সচেতনতার মৌলিক বৈশিষ্ট্য মনে করতেন।

    তিনি দেকার্তের ভাষায় বলেছিলেন প্রতিটি cogitatio একটি cogitatum-এর উদ্দেশ্য ধারণ করে। তিনি দুটি গ্রিক শব্দও ব্যবহার করেছিলেন, noesis আর noema। কোনো একটি অভীষ্ট বস্তুর কাঠামোগত বৈশিষ্ট্যগুলো আমরা গবেষণা করতে পারি এর অস্তিত্ব থাকুক বা না-থাকুক বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে। যেমন আমি কোনো আদর্শ সঙ্গী খুঁজতে পারি (যাকে আমি হয়তো কখনোই না-খুঁজে পেতে পারি) কিন্তু আমি বেশ নিশ্চিত হতে পারি সেই মানুষটির সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে। সাংস্কৃতিক কোনো বস্তু, শিল্পকলার কোনো উপাদান বা ধর্মীয় কোনো স্মারক সবকিছুই উদ্দেশ্যনির্ভর বৈশিষ্ট্য। নোয়েটিক বা আমাদের বুদ্ধিমত্তার বা মনের দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা এই জিনিসগুলোর উপর আমাদের আরোপিত অর্থ সুস্পষ্ট হয়। তারা কী উপস্থাপন করছে বা গোপন করছে সেটি গবেষণা করা মানে তাদেরnoematically (এটি সম্বন্ধে আমাদের বোঝাপড়া) গবেষণা করা। কোনো একটি ক্রিয়া ও বস্তুর মধ্যে উদ্দেশ্যসংশ্লিষ্টতা গবেষণা করার মানসিক কোনো অবস্থার মূল বিষয়টিকে বোঝার চেষ্টা করা। সেকারণে ইনটেশনাল জীবনের স্ত রগুলো চিহ্নিত করলেই হবে না, তিনি পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন তার আন্ত :সম্পর্কগুলো কীভাবে একটি একক কাঠামো গড়ে তোলে যা শুধু একক সচেতনতাকেই চিহ্নিত করতে সাহায্য করেনা, সম্মিলিত একটি কগনিটিভ জীবনের অংশ (Erkenntnisleben)।

    হুসেরেল হলিস্ট ছিলেন, ইনটেশনাল জীবন একটি সম্পর্কযুক্ত সম্পূর্ণ, একটি বোধগম্য সম্মিলিত কমপ্লেক্স বা নেক্সাস (Zusammenhang)। দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বাস, পরিবর্তন, সেডিমেন্টেশন ( যে বিশ্বাসগুলো আমাদের মনে সুস্থির বিশ্বাস হিসাবে স্থিতিশীল হয় বা অভ্যাসে রূপান্তরিত হয়) সবই সংশ্লেষিত হয় একটি অবিরামভাবে চলমান জীবনে। তিনি এই সচেতন জীবনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো উদ্ধার করতে চেয়েছিলেন। তিনি সচেতন কর্মের নানা স্তরের কথা বলেছিলেন, কিন্তু তাঁর মতে সেই স্তরগুলো একটির উপর একটি সাজানো নয় বরং তারা পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ করে, অধিক্রমণ করে। তিনি বাইরের ও ভিতরের পারসেপশনের কথা বলেছিলেন, বাইরের পারসেপশনে আমরা আমাদের বাইরের কোনোকিছুকে বুঝতে পারি, আর ভিতরের পারসেপশনে আমরা আমাদের নিজেদের সচেতন চিন্তা ও অনুভূতিগুলোকে অনুভব করি। তিনি ফেনোমেনোলজির আরো বিস্তারিত বিবরণে বলেন, যা আমাদের সচেতন স্তরে ঘটছে আমাদের বাইরে, সেটি সুনির্দিষ্ট চিন্তার মাধ্যমে আমরা পুনরুদ্ধারও করতে পারি শুধুমাত্র আমাদের অবস্থান বা দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে। এভাবে কোনো একটি গাছ দেখা থেকে আমরা যে গাছ দেখছি সেটি দেখি, যার সাথে সংযুক্ত সাময়িকভাবে কিছু ভিন্ন অনুভূতির পরিবর্তন। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে পারার ক্ষমতা অমাাদের মৌলিক স্বাধীনতা যুক্তিশীল কোনো প্রাণী হিসাবে। ঠিক যেভাবে কোনো সিনেমা দেখার সময় আমি কাহিনীর মধ্যে ডুবে গিয়েও, চিন্তার মাধ্যমে নিরীক্ষা করতে পারি কীভাবে ক্যামেরার শটগুলো সেটআপ করা হয়েছে বা অন্যান্য কোনো কারিগরি বিষয়। আমি আমার ক্রিয়া থেকে আমার সচেতন মনোযোগ পরিবর্তন করতে পারি, আমি নিজস্ব মনোযোগ দেবার প্রক্রিয়ায়। হুসেরেল যেমন বলতেন বাইরের পারসেপশনগুলো সবসময়ই আংশিক, এবং অভ্যন্তরীণভাবে এটি চিহ্নিত করে কখনোই এটি সম্পূর্ণ নয়, কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন আভ্যন্তরীণ পারসেপশন থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো সম্পূর্ণ ও সত্য। কিন্তু পরে তিনি মতপরিবর্তন করেছিলেন এটি পুরোপুরিভাবে সত্য নাও হতে পারে। আমি আমার নিজের কষ্ট বা রাগ সম্বন্ধে হয়তো নিশ্চিত হতে পারি, এমনকি আমার চেহারায় সেটি বাইরের কোনো বস্তুর মতোই স্পষ্ট হতে পারে এবং আমি হয়তো চিন্তার মাধ্যমে সেই উপসংহারে আসতে পারি যে এটি আসলে আঘাত বা মনোকষ্ট পাবার অনুভূতি। আমাদের এই পারসেপশনগুলোর নিশ্চয়তা আর সার্বিক বিশ্বাসের কাঠামো, যাকে তিনি বলেছিলেন প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি। তার ফেনোমেনোলজির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার হচ্ছে, সাধারণ, নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা, পৃথিবীর নানা কিছু, উদ্ভিদ, প্রাণী, মানুষ এবং জায়গা, প্ৰাক-তাত্ত্বিক, প্রাক-বৈজ্ঞানিক জগৎ এ সবকিছুই খুব সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সংশ্লিষ্ট, যাকে বলা হয় natural attitude. ফেনোমেনোলজি দেখিয়েছে প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যেটি নিজে যে একটি দৃষ্টিভঙ্গি সেটি সম্বন্ধে সচেতন নয়, একটি transcendental দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে যা নানা সহযোগিতাপূর্ণ সত্তার অর্জনকে দেখে নৈর্ব্যক্তিক রূপে। এভাবে যেমন, কোনো একটি নাটক তখনই নাটক হবে যদি সব অংশগ্রহণকারী (অভিনেতা, পরিচালক, লেখক, দর্শক, মঞ্চের কুশলীরা বিশ্বাস করে তারা যা করছে তাহলো একটি নাটক মঞ্চস্থ করছে)। একই বিষয় প্রযোজ্য সব সাংস্কৃতিক দ্রব্যের ক্ষেত্রে (ধর্মীয় আচরণ, শিল্পকলার কোনো অনুষ্ঠান, বিচারের জন্যে জমায়েত যেমন আদালত ইত্যাদি)।

    হুসেরেল এমনকি আরো দাবি করেন যে প্রকৃতি নিজেই (বিশেষ করে আধুনিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে যেমন বোঝা হয়ে থাকে) এই প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি উৎপন্ন। প্রাকৃতিক বিজ্ঞান কাজ করে প্রাকৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর এবং কোনো প্রশ্ন করেনা। কিন্তু হুসেরেল মনে করতেন দর্শন এই অজ্ঞতায় বাস করতে পারেনা। তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল কগনিশনের প্রকৃতি সম্বন্ধে জানা, বিশেষ করে বিচারিক প্রক্রিয়া, এবং যুক্তির জীবন সম্বন্ধে জানা। তিনি কগনিশনকে ব্যাখ্যা করতে শুরু করেছিলেন সরাসরি ও তাৎক্ষণিক পারসেপচুয়াল অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়ে, তাঁর মতে এটাই সব সচেতনতার ভিত্তি তৈরি করে। মানসিক কোনো ক্রিয়ার ভিত্তি হচ্ছে পারসেপশন এবং সেকারণে জ্ঞান এবং সচেতনতার কোনো গবেষণা অবশ্যই শুরু করতে হবে পারসেপশন থেকে, যদিও স্পষ্টতই এটি এখানেই শেষ হয়না। এটাই আমাদের প্রথম নৈর্ব্যক্তিকতা দেয়, পৃথিবীর বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অনুভব করতে দেয়, আমাদের ও পৃথিবীর। এইসব পারসেপশনকে বাতিল করা মানে এসব কিছুকে প্রত্যাখ্যান করা। যে বাস্তবতাকে আমরা গ্রহণ করেছি সেটিকে অস্বীকার করা। শুধুমাত্র দৃষ্টিশক্তির পারসেপশন নয়, অবশ্যই তিনি স্পর্শ আর দৃষ্টি নিয়ে অনেক কথা বলেছেন (যদিও শ্রবণ, গন্ধ, আর স্বাদ নেবার বিষয়ে বেশিকিছু বলেননি)। তিনি বলেছিলেন যে যা আমরা দেখি এবং যেভাবে দেখি, যার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুভব করার প্রক্রিয়া, যা অনুভব করা হচ্ছে তার প্রকৃতি, অনুভব করার বোধসহ নানা বিষয়। আধুনিক দার্শনিকদের কাছে হুসেরেলের আবেদন আছে প্রত্যক্ষ বাস্তবতার প্রতি তার দায়বদ্ধতার কারণে, representationalism (কোনো দৃষ্টিভঙ্গি যা দাবি করে কোনো প্রতীক বা ছবি, আসল অনুভূত বস্তুটিকে প্রতিস্থাপিত করতে পারে) এবং conceptualism (যার মানে সব অনুভূত সচেতনতা মূলত কোনো একটি ধারণার অনুশীলন)-কে প্ৰত্যাখান করার কারণে। এবং তিনি জাজমেন্ট থেকে পারসেপশনের মূল বিষয়টিকে আলাদা করেছিলেন। ধারণা আর অনুভূতির উপাত্ত-সংক্রান্ত এমপিরিকাল ধারণা তীব্র সমালোচক ছিলেন। আমরা রঙের টুকরো দেখিনা বা বিশৃঙ্খল শব্দ শুনিনা বরং বহু বর্ণিল ভূদৃশ্য এবং ট্রাফিক, পাখি আর ফ্রিজের শব্দ শুনি। পারসেপশনের কার্যকারণকে তিনি অস্বীকার করেছিলেন। দরজার ঘণ্টি বাজা শোনা মানে ঘণ্টির বোতাম চাপা হচ্ছে সেটি শোনা নয়। যদিও বোতাম চাপার কারণে ঘটনাগুলো ঘটছে যার কারণে আমরা ঘণ্টির শব্দ শুনছি। যে কারণে আমরা ঘণ্টি শুনি, বোতাম দাবানো শুনিনা, কারণ যদিও আমাদের শ্রবণ-অভিজ্ঞতায় দুটি বিষয় ধরা পড়ে: ঘণ্টি (এটি বাজছে) এবং বোতাম (এটি চাপা হয়েছে), কিন্তু ঘণ্টি বাজাটা প্রাথমিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করছে, বোতাম চাপাটি নয়। আমরা শুধু জানি বোতাম চাপা হয়েছে, কারণ কার্যকারণ সংক্রান্ত কিছু বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি আমরা ইতিমধ্যে জানি। আমরা কারণগুলোকে আমাদের অনুভূত দৃশ্যে পাঠ করি যেন সেটি সেখানে আছে। হুসেরেল বলতেন আমরা যা উপলব্ধি করি সেটি কোনোকিছুকে সরাসরি আর তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের কাছে উপস্থাপন করে, এবং এই অনুভব করার প্রক্রিয়া আছে প্রশ্নাতীতভাবে কোনোকিছু মেনে নেয়ার বিষয়। পারসেপশনের আরেকটি উপাদান হচ্ছে এর সাথে বিশ্বাস আর নিশ্চয়তা জড়িত, যাকে তিনি বলেছিলেন protodoxa, তাঁর মতে প্রতিটি সাধারণ অনুভূতি বা উপলব্ধি বোধ আসলে সত্যতার সচেতনতা, Urdoxa। হুসেরেলের তৃতীয় দাবিটি হচ্ছে পারসেপশনে যখন কোনো একটি বস্তুকে আমরা অনুভব করি, পুরো জিনিসটাকে আমরা অনুভব করি, যদিও বস্তুটিকে আমরা হয়তো একদিক থেকে দেখছি। হুসেরেলের দাবি ছিল পারসেপশনই সচেতনতার মূল ভিত্তি।

    অন্য সবধরনের সচেতন অভিজ্ঞতা কোনো-না-কোনো উপায়ে পারসেপচুয়াল আর সংবেদী সচেতনতার অংশ। মনে করার প্রক্রিয়ায় যে-অভিজ্ঞতাটি মনে করা হয় সেটি মূলত যে মনে করছে তার অভিজ্ঞতার অংশ। শুধুমাত্র সময়ের ব্যবধান সেটিকে বর্তমান থেকে ভিন্ন করছে। মনে করাটি সেই পারসেপশনকে পুনরায় মনে করিয়ে দেয়। অন্যদের সচেতন অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতাও একধরনের presentiation, সেই সময়ের মনোবিজ্ঞানের ধারা অনুযায়ী হুসেরেল এটিকে এমপ্যাথি বলেছিলেন। তিনি originary অথবা প্রিমোর্ডিয়াল বা আত্ম- অভিজ্ঞতার সাথে অন্য অভিজ্ঞতার পার্থক্য করেছিলেন, যাকে তিনি বলেছেন non- originary, তিনি দাবি করেন কেউ অন্য কারো সরাসরি অভিজ্ঞতা একইভাবে অনুভব করতে পারেনা। অবশ্যই অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি হতে পারে, দুই ভাই তাদের বাবার মৃত্যুশোক ভাগ করে নিতে পারে, কিন্তু দুজনের দুঃখ ব্যক্তিগত। এবং তাদের দুঃখের ইনটেনশন বা উদ্দেশ্যের কাঠামোও ভিন্ন, এমনকি যখন ইনটেনশনের অবজেক্ট মূলত একই। উপরন্তু দুজনেই পরস্পরের দুঃখের ব্যপারে সচেতন স্বতন্ত্র বিষয় হিসাবে। একজন বোন হয়তো তার ভাইয়ের দুঃখের সমব্যথী হতে পারে, তারপরও বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ভাবতে পারে ইত্যাদি। হুসেরেল নানা উপায়ে চেষ্টা করছিলেন অনুসন্ধান করতে যে কীভাবে সহমর্মিতার বোঝাপড়াটি অর্জন করা যায়। একটি উপায় হচ্ছে আমাদের শরীর দিয়ে অন্য শরীরের সাথে সমরূপী বন্ধন, কোনো করমর্দনের সময়, দুজনেই অনুভব করতে পারে অন্যজন সংস্পর্শ করতে চাইছে। অবশ্যই এটা নানাভাবে সম্ভব, আমি হয়তো অন্যজনের অনিচ্ছা টের পেতে পারি, কিন্তু যাই অনুভব করিনা কেন, আমার শরীর ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য একটি শরীর স্পর্শ করেছে। স্বকীয় অভিজ্ঞতা নিয়ে হুসেরেলের বেশকিছু দাবি আছে। কোনো ব্যক্তি একটি ব্যক্তি হিসাবে দেখা হয় সুনির্দিষ্ট একটি দিক থেকে, যাকে তিনি বলেছিলেন personalistic attitude, এখানে কোনো ব্যক্তির অন্যান্য অস্তিত্বকে অস্বীকার করা হয়নি। শুধুমাত্র সেটি উন্মোচিত হয় যখন আমরা তাদের দেখি একটি নির্দিষ্ট মাত্রা থেকে। বিশেষভাবে personalistic attitude হচ্ছে যে-দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা থাকি যখন আমরা অন্যদের সাথে বসবাস করি, কথা বলি, করমর্দন করি, অথবা ভালোবাসা ঘৃণার কোনো সম্পর্কে থাকি, মেজাজে ও কাজে, আলোচনায়। হুসেরেল মনে করতেন কোনো ব্যক্তি বা পার্সন হচ্ছে প্রাথমিকভাবে একজন ব্যক্তি যার পরিচিতি পরিবর্তনশীল নানা অবস্থায় (শৈশব, প্রাপ্তবয়স্কতা), যার স্বাধীনতা অনুশীলন করার ক্ষমতা আছে, যৌক্তিক কাজ ও দায়িত্ব নেবার যোগ্যতা আছে। হুসেরেল ব্যক্তির কেন্দ্রে যুক্তির চালিকাশক্তিটিকে রেখেছেন, আমরা নানা স্তরের উন্মুক্ত একটি সংযোগময় সামাজিকতায় বাস করি। আর সংযোগ ঐক্য সৃষ্টি করে। একটি সচেতনতা আরেকটি সচেতনতার সাথে যুগপৎ ঘটে; বোঝাপড়া, উদ্দেশ্য, ভাগ করে নেয়া পছন্দ ইত্যাদি নানা বিষয়ে ঐক্য গড়ে তোলে। মনের দর্শনের নানাক্ষেত্রে হুসেরেল-এর দর্শন অসাধারণভাবে সমৃদ্ধ। অ্যানালাইটিক দর্শনও প্রভাবিত হয়েছে তার দ্বারা; নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে ব্যক্তিপর্যায়ে দৃষ্টিভঙ্গি, একক ও সমষ্টিগত উদ্দেশ্যময়তা। আবেগ ও সহমর্মিতার প্রকৃতি, স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি সম্বন্ধে ধারণা, কল্পনার প্রকৃতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জগতের সামগ্রিক গঠনের বিষয়গুলো আবার আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }