Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৪৪ : ইতিহাসের ময়নাতদন্ত – মিশেল ফুকো

    মিশেল ফুকো (১৯২৬-১৯৮৪) বিংশ শতাব্দীর একজন ফরাসি দার্শনিক ও ইতিহাসবিদ যিনি তার পেশাগত জীবন কাটিয়েছিলেন আধুনিক বুর্জোয়া পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ব্যবচ্ছেদ ও সমালোচনা করে (সঠিক শব্দটি হবে ফরেনসিকালি ব্যবচ্ছেদ বা ময়নাতদন্ত করে) যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত এর আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যেমন পুলিশ, বিচারব্যবস্থা, আদালত, জেলখানা, এছাড়া ছিল ডাক্তার এবং মনোচিকিৎসক ইত্যাদি। তাঁর কাজের উদ্দেশ্য ছিল মূলত কীভাবে power বা ক্ষমতা কাজ করে সেটি খুজে বের করা এবং তারপর মার্ক্সবাদী-নৈরাজ্যবাদী ইউটোপিয়ার দিক বরাবর সেটিকে পরিবর্তন করা। যদিও তিনি তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছিলেন লাইব্রেরি আর সেমিনার রুমে, তবে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নিবেদিতপ্রাণ বিপ্লবী এক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ফরাসি বুদ্ধিজীবী বলয়ে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন (জ্যাঁ-পল সার্ত্র তাকে বিশেষভাবে পছন্দ করতেন) এবং এখনও উন্নত বিশ্বসহ সারা পৃথিবীতেই বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাঁর অনেক অনুসারী আছেন। তাঁর অতীত জীবনের ব্যাপারে তিনি খুব একটা মুখ খোলেননি, খুবই অনিচ্ছুক ছিলেন এ বিষয়ে কিছু বলতে। এমনকি চেষ্টা করেছেন সেই বিষয়ে কোনো ধরনের অনুসন্ধানে সাংবাদিকদের যে-কোনো মূল্যে বাধা দিতে। তাসত্ত্বেও যতটুকু জানা যায়, তিনি এসেছিলেন খুবই সচ্ছল একটি পরিবার থেকে। তাঁর বাবা-মা দুজনেই খুবই বিত্তবান পরিবারের উত্তরাধিকারী ছিলেন, তাদের পূর্বপুরুষরা পশ্চিম মধ্য ফ্রান্সের পোয়াটিয়েরে অত্যন্ত সফল শল্যচিকিৎসকদের একটি পরিবার ছিল। তাঁর বাবা, ডাক্তার পল ফুকো, সেই বুর্জোয়া ফ্রান্সেরই প্রতিনিধিত্ব করতেন যা মিশেল ফুকো চূড়ান্তভাবে ঘৃণা করতেন। প্রথাগত নিয়মে মানসম্পন্ন উচ্চবিত্তশ্রেণির শিক্ষা তিনি পেয়েছিলেন। খুব বিখ্যাত জেস্যুইট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি পড়াশুনা করতে যান, একজন অল্টার বয়ও ছিলেন, এবং ভবিষ্যতে একজন ডাক্তার হবেন এমনই আশা ছিল তার। কিন্তু মিশেল স্পষ্টতই অন্য ছেলেদের মতো ছিলেন না। তিনি নিজের শরীরের উপর জখম আর ক্ষতি করা শুরু করেন এবং সারাক্ষণ‍ই তিনি আত্মহত্যার কথা ভাবতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তাঁর শোবার ঘরের দেয়াল সাজিয়েছিলেন গয়ার নির্যাতন আর নিপীড়নের চিত্রকর্মের নানা ছবি দিয়ে। তাঁর বয়স যখন ২২, তিনি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন এবং নিজের মতের বিরুদ্ধে তাঁর বাবার দ্বারা বাধ্য হন প্যারিসের সাঁ-অ্যান হাসপাতালে সেই সময়ে সেরা মনোচিকিৎসক জ্যাঁ দোলের কাছে পরামর্শ নিতে যাবার জন্যে। ডাক্তার জ্যাঁ বুদ্ধিমানের মতোই শনাক্ত করেছিলেন যে ফুকোর সমস্যাগুলোর বড় কারণ হচ্ছে সমালোচনামূখর সমাজে তাঁর সমকামিতা, বিশেষ করে তীব্র ধর্ষকামিতার প্রতি তাঁর আগ্রহকে জোর করে চেপে রাখার জন্যে।

    ধীরে ধীরে ফুকো ফ্রান্সের গোপন সমকামিতার জগতে প্রবেশ করেন, প্রেমে পড়েন এক মাদকদ্রব্য বিক্রেতার সাথে, এরপর একজন ট্রান্সভেস্টাইটের (যারা বিপরীত লিঙ্গের মতো কাপড় পরেন ও আচরণ করেন) সাথে। বিশের দশকে দীর্ঘ একটি সময় তিনি দেশের বাইরে বসবাস করেছিলেন, সুইডেন, পোল্যান্ড আর জার্মানিতে, যেখানে যৌনতা অনেক কম সীমাবদ্ধ হবে এমন অনুভব করেছিলেন তিনি। এই সময় ধরেই ফুকো ক্রমশ ফরাসি শিক্ষাজগতে সিঁড়ি বেয়েও উপরে উঠছিলেন। তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে ১৯৫৩ সালের গ্রীষ্মে, যখন তাঁর বয়স ২৭, ইতালিতে তখন তিনি তার প্রেমিকের সাথে। সেখানে তিনি প্রথম দার্শনিক নিচাহর Untimely Meditations বইটি পড়েন, যার মধ্যে একটি প্রবন্ধ ছিল On the Uses and Abuses of History for Life; এই প্রবন্ধটিতে নিচাহ যুক্তি দিয়েছিলেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গবেষকরা কীভাবে ইতিহাস পড়তে হবে আর পড়াতে হবে আমাদের সেই বোধটিকে বিষাক্ত করে ফেলেছেন। তারা বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করেন যেন, যদি কেউ অতীতে সবকিছু কেমন ছিল সেটি শিখতে চায় তবে তাকে নিরপেক্ষ আর নির্লিপ্ত উপায়ে ইতিহাস পাঠ করতে হবে। কিন্তু নিচাহ বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তাঁর শ্লেষাত্মক ক্ষুব্ধতায়। অতীত শুধুমাত্র অতীতের জন্য, এমন ভেবে কিছু শেখার কোনো অর্থ হয়না। ইতিহাস পড়া আর গবেষণা করার একমাত্র কারণ হচ্ছে অতীতের ধারণাগুলোকে খনন করে বের করে আনা, সেই ধারণা আর উদাহরণগুলো, যা আমাদের নিজেদের সময়ে একটি উত্তম জীবন কাটাতে সাহায্য করবে। বিষয়টি বৌদ্ধিকভাবে ফুকোকে স্বাধীন করেছিল, এর আগে আর কোনোকিছু যেভাবে পারেনি। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তার কাজের দিক পরিবর্তন করেন, এবং সিদ্ধান্ত নেন তিনি একটি বিশেষ ধরনের দার্শনিক ইতিহাসবিদ হবেন, এমন কেউ, যিনি অতীতের দিকে তাকিয়ে সেইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখতে পারেন যা তার নিজের সময়েও প্রাসঙ্গিক। এর আট বছর পর তিনি প্রস্তুত হয়েছিলেন তাঁর ধারণাগুলো প্রকাশ করার জন্য, যে সৃষ্টিগুলোকে শনাক্ত করা হয় তার মাস্টারপিস হিসাবে :

    Madness and Civilisation (১৯৬১) : প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে বর্তমানে মানসিক রোগীদের সাথে আমরা অনেক বেশি মানবিকতার সাথে আচরণ করি অতীতের যে-কোনো সময়ের তুলনায়। তাদের আমরা বিশেষ হাস্পাতালে থাকার সুযোগ করে দিয়েছি, তাদের ঔষধ দেয়া হয় এবং তাদের দেখার জন্য বিশেষ শ্রেণিরপ্রশিক্ষিত পেশাজীবীরাও আছেন। কিন্তু ঠিক সেই দৃষ্টিভঙ্গিটাই তিনি ভাঙতে চেষ্টা করেছেন তার Madness and Civilisation বইটিতে, যেখানে তিনি যুক্তি দেন রেনেসাঁ পর্বের সময় আসলে বিষয়টি আরো অনেক ভালো ছিল মানসিক রোগীদের জন্য, পরবর্তীতে শুধু অবনতি হয়েছে। রেনেসাঁর সময় মানসিক রোগীদের পাগল না-ভেবে তাদের ভিন্ন ভাবা হতো, ভিন্ন হিসাবে অনুভব করা হতো। মনে করা হতো তাদের বিশেষ ধরনের কিছু জ্ঞান আছে, কারণ তারা যুক্তির সীমানা কী হতে পারে সেটি প্রদর্শন করতে পারতেন। বেশকিছু বলয়ে তাদের শ্রদ্ধাও করা হতো, এবং স্বাধীনভাবে তাদের চলাফেরা করার সুযোগ দেয়া হতো। কিন্তু তারপর, ফুকোর ঐতিহাসিক গবেষণাগুলো দেখিয়েছিল যে মধ্য- সপ্তদশ শতকে, একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা হয়, যা অবিরাম মানসিক রোগীদের দেখেছে চিকিৎসাবিদ্যার দৃষ্টিভঙ্গিতে, এবং মানসিক রোগীদের স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানে পৃথক করে রাখার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। তথাকথিত সুস্থ মানুষদের পাশে তাদের আর থাকার অনুমতি মেলেনি, পরিবার থেকে তাদের সরিয়ে ফেলা হয়েছে, এবং অ্যাসাইলামে তাদের বন্দী করা হয়েছে, এবং তাদের দেখা হয় অসুস্থ হিসাবে যাদের ভিন্ন হিসাবে সহ্য না করে চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় করা উচিত এমনভাবে দেখা হয়। ফুকোর এর পরের অসাধারণ বইটিতেও একই ধরনের দর্শন দেখতে পাওয়া যায়।

    The Birth of the Clinic (১৯৬৩): এখানেও তাঁর নিশানা মূলত চিকিৎসাবিজ্ঞান তবে আরো বড় পরিসরে। তিনি পদ্ধতিগতভাবে সেই দৃষ্টিভঙ্গিকে আক্রমণ করেন যা দাবি করে চিকিৎসাবিজ্ঞান সময়ের সাথে আরো বেশি মানবিক হয়েছে। তিনি মেনে নিয়েছেন এখন অবশ্যই আমাদের অনেক ভালো চিকিৎসা আর ঔষধ আছে, কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন যে অষ্টাদশ শতকে, তথাকথিত সেই পেশাগত চিকিৎসকদের আবির্ভাব ঘটেছে, এবং তিনি মনে করেন তারা ভয়ংকর এক চরিত্র, যিনি রোগীর দিকে সবসময়ই তাকান ভিন্নভাবে, ফুকো যার নাম দিয়েছিলেন, medical gaze, চিকিৎসার দৃষ্টি, যা প্রকাশ করে সেই অমানবিকীকরণের প্রক্রিয়াটিকে, কোনো রোগীকে ব্যক্তি হিসাবে না দেখে, বরং কতগুলো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমষ্টি হিসাবে দেখে। এই মেডিকেল দৃষ্টির নিচে কেউ শুধুমাত্র অকেজো কিডনি বা লিভার, সামগ্রিক সত্তা হিসাবে বিবেচ্য কোনো ব্যক্তি নয়। ফুকোর এর পরের কাজ ছিল রাষ্ট্রীয় শাস্তিব্যবস্থা নিয়ে।

    Discipline and Punish: The Birth of the Prison (১৯৭৫): এই অসাধারণ বইটিতে ফুকো নজর দেন রাষ্ট্রীয় শাস্তিব্যবস্থার উপর। আবারো প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি বলছে যে জেলখানা ও দণ্ডব্যবস্থা আধুনিক বিশ্বে অনেক বেশি পরিমাণে মানবিক অতীতের সেইসব দিনগুলো থেকে যখন কিনা খোলা বাজারেই মানুষকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হতো। না, ফুকো দাবি করেছিলেন; তাঁর মতে সমস্যাটি হচ্ছে ক্ষমতাকে যদিও দেখতে দয়ালু মনে হয় কিন্তু সেটি দয়ালু নয়। অন্যদিকে অতীতে, এটি অবশ্যই যেমন দয়ালু ছিল না, আর সেকারণে প্রত্যক্ষ প্রতিবাদ আর উন্মুক্ত বিদ্রোহ প্ররোচনা করতে পারত। ফুকো লক্ষ করেন যে অতীতে, কোনো মৃত্যুদণ্ডের পর, দণ্ডিত ব্যক্তির শরীর হতে পারত সহমর্মিতা আর প্রশংসার কেন্দ্রবিন্দু, এবং যে শাস্তি পেল সে নয়, বরং শাস্তিদাতাই লজ্জার কেন্দ্র হতে পারত। এছাড়া জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড প্রায়শই দাঙ্গার কারণ হতো বন্দির সমর্থনে। কিন্তু আধুনিক জেলখানার আবিষ্কার, যেখানে সবকিছুই ঘটে বদ্ধ দরজার পেছনে, যা কেউ দেখতে পায়না, আর সেকারণে রাষ্ট্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনা। আর সেকারণে দণ্ড দেবার আধুনিক পদ্ধতি ফুকোর দৃষ্টিভঙ্গিতে সত্যিকারভাবে আদিম ও বর্বর। ফুকোর শেষ বিশাল কাজটি ছিল যৌনতার ইতিহাস নিয়ে।

    The History of Sexuality (১৯৭৬-১৯৬৪): ফুকোর এই বইটি বেশ কয়েকটি খণ্ডে লেখা। যৌনতা নিয়ে তিনি যে-প্রস্তাবনাগুলো দিয়েছিলেন সেটিও পরিচিত মনে হবে। ফুকো বিদ্রোহ করেছিলেন সেই দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে যা দাবি করে আমরা এখন যৌনতার ব্যাপারে গভীরভাবে স্বাধীন ও বিষয়টি সহজ। তিনি যুক্তি দেন অষ্টাদশ শতকের পর, আমরা অবিরাম যৌনতাকে চিকিৎসাবিদ্যার বিষয়ে পরিণত করেছি। আমরা বিষয়টি হস্তান্তর করেছি পেশাগত যৌনতা নিয়ে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের হাতে। আমরা এমন একটি যুগে বাস করি যাকে ফুকো বলেছিলেন scientia sexualis, science of sexuality বা যৌনতার বিজ্ঞানের যুগ। ফুকো নস্টালজিয়ার সাথে রোম, চিন ও জাপানের দিকে তাকিয়েছিলেন, যেখানে তিনি শনাক্ত করেছিলেন সেই বিষয়টির প্রভাব, যাকে তিনি বলেন ars erotica (erotic art), যেখানে পুরো মনোযোগ ছিল কীভাবে যৌনতার সুখ বৃদ্ধি করা যায়, এটিকে বৈজ্ঞানিকভাবে বোঝা কিংবা এর নানা বিষয়কে নামকরণ করা নয়। আবারো, তিনি আধুনিকতাকে অভিযুক্ত করেছেন ভান করার জন্য যে, আসলেই প্রগতি অর্জন হয়েছে বলে, যখন আসলেই হারিয়ে গেছে স্বতঃস্ফূর্ততা আর কল্পনাশক্তি। এই বইটির শেষ খণ্ড লেখার সময় ফুকো ছিলেন অসুস্থ।১৯৮৪ সালে ৫৮ বছর বয়সে এইডস-এর কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    ফুকো যে দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখে গেছেন আমাদের জন্যে সেটি হচ্ছে যেভাবে আমরা ইতিহাসের দিকে তাকাই। আধুনিক পৃথিবীর অনেককিছু সম্বন্ধে প্রায়শ‍ই আমাদের বলা হয় সেগুলো অসাধারণ, আর অতীতে স্পষ্টতই পরিস্থিতি খারাপ ছিল। যেমন, শিক্ষা, গণমাধ্যম, আমাদের যোগাযোগের মাধ্যমগুলো। কিন্তু ফুকো আমাদের উৎসাহিত করেছিলেন বর্তমান সম্বন্ধে অতিমাত্রায় আশাবাদী আত্মতৃপ্তি থেকে বের হয়ে আসার জন্যে এবং দেখতে যে, বহু উপায়ে, অতীতে অনেক ভালো কিছু লুকিয়ে আছে। ফুকো আমাদের স্মৃতিবেদনায় আক্রান্ত করতে চেষ্টা করেননি, তিনি চেয়েছিলেন অতীত থেকে শিক্ষাগুলো নিয়ে যেন আমরা এখন যেভাবে বসবাস করছি সেটি আরো উন্নত করতে পারি। ফুকোর কাজ ঘৃণা করার প্রবণতা আছে অ্যাকাডেমিক ইতিহাসবিদদের। তারা মনে করেন তার তথ্যগুলো নির্ভুল নয় এবং বারবারই কোনো-না-কোনো রেকর্ডে তথ্য বুঝতে ফুকো ভুল করেছেন, তারা এই বিষয়টি ইঙ্গিত করেন। কিন্তু ফুকো ঐতিহাসিক নির্ভুলতা নিয়ে আদৌ মাথা ঘামাননি। তাঁর জন্য ইতিহাস ছিল ভালো ধারণার একটি গুদামঘর, আর সেই গুদামঘরটিকে অস্পৃশ্য আর আদি-অকৃত্রিম রাখার বদলে তিনি সেখানে আক্রমণ করতে চেয়েছিলেন সেইসব ভালো ধারণাগুলো খুঁজে বের করার জন্যে। ফুকোর কাছ থেকে আমরা অনুপ্রেরণা নিতে পারি আমাদের সময়ের প্রভাবশালী ধারণা আর প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভালো করে দেখার সময়, এবং সেগুলোকে প্রশ্ন করার জন্যে, তাদের ইতিহাস আর বিবর্তনের দিকে নজর দিয়ে। ফুকো যে-কাজটি করেছিলেন সেটি অসাধারণ, তিনি ইতিহাসকে পরিণত করেছিলেন জীবন-বর্ধিতকারী এবং দার্শনিকভাবে সমৃদ্ধ একটি বিষয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }