Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৪৫ : যেমন মানুষটি কোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি – হানা আরেন্ট

    নাৎসি কর্মকর্তা অ্যাডলফ আইখমান খুবই কর্মঠ এবং দক্ষ একজন প্রশাসক ছিলেন। ১৯৪২ সাল থেকে তার উপর দায়িত্ব ছিল ইউরোপের সব ইহুদিকে পোল্যান্ডে অবস্থিত কনসেনট্রেশন ক্যাম্পগুলোয় পরিবহন করে আনা, যাদের একটি ছিল অসউইচ। এটাই ছিল হিটলারের সেই ‘ফাইনাল সল্যুশনের’ একটি অংশ : জার্মান সেনাবাহিনী দ্বারা অধিকৃত এলাকায় সব ইহুদিকে হত্যা করার মহাপরিকল্পনা। আইখমান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী ছিলেন না এই ধরনের পদ্ধতিগত ভাবে ইহুদি-হত্যার নীতিমালা প্রণয়ন করার জন্যে, এটা তার নিজস্ব ধারণও ছিল না। কিন্তু তিনি গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন পরিবহনের জন্যে ব্যবহৃত রেলওয়ে সিস্টেমটির সাথে যা এমন একটি নীতি বাস্তবায়ন করার কাজটি সম্ভব করেছিল।

    ১৯৩০-এর দশক থেকেই জার্মানিতে নাৎসিরা নানা ধরনের আইন প্রণয়ন করতে শুরু করেছিল, যেগুলো কার্যত ইহুদি জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সব অধিকারই হরণ করেছিল। জার্মানির সাথে খারাপ যা-কিছু হয়েছে সবকিছুর জন্য হিটলার ইহুদিদের দায়ী করেছিলেন, এবং তার উন্মত্ত একটি ইচ্ছা ছিল তিনি তাদের উপর চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেবেন। এই আইনগুলো সরকারি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইহুদিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল, সব সম্পদ হস্তান্তর করতে ও সবসময় ইহুদি হিসাবে শনাক্তকারী চিহ্ন ‘হলুদ তারা’ পরার জন্য তাদের বাধ্য করা হয়েছিল। গেটো বা শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তাদের একসাথে বসবাস করতেও বাধ্য করা হয়েছিল, যা মূলত ছিল একধরনের কারাগার, যেখানে খাদ্য ছিল দুষ্প্রাপ্য, জীবন ছিল কঠোর। কিন্তু হিটলারের ফাইনাল সল্যুশন এই দুর্দশায় আরো নতুন একটি অশুভ মাত্রা যোগ করেছিল। জাতিগত বিশোধনের লক্ষ্যে মিলিয়ন সংখ্যক ইহুদি হত্যা করার জন্য হিটলারের সিদ্ধান্তটির অর্থ ছিল যে, নাৎসিদের কোনো- না-কোনো একটি উপায়ে তাদের অধিকৃত সব শহর থেকে ইহুদিদের এমন জায়গায় নিয়ে আসতে হবে, যেখানে তাদের গণহত্যা করা যায়। বিদ্যমান সব কনসেনট্রেশন ক্যাম্পগুলোকে রূপান্তরিত করা হয়েছিল গ্যাস ব্যবহার করে গণহত্যা আর শবদেহ পোড়ানোর কারখানা হিসাবে, যেন সেগুলো প্রতিদিন শত শত মানুষকে হত্যা ও দাহ করতে পারে। আর যেহেতু এইসব ক্যাম্পগুলো ছিল পোল্যান্ডে, কারো উপর দায়িত্ব দেবার দরকার ছিল ইহুদিদের তাদের মৃত্যু অভিমুখে ট্রেনে বহন করে আনার জন্যে। যখন আইখমান তার অফিসে বসে কাগজপত্র নাড়াচাড়া করেছেন আর গুরুত্বপূর্ণ ফোন করেছেন, মিলিয়ন সংখ্যক মানুষ তখন মারা গেছে তার সেই কাজের জন্য। কেউ মারা গেছে না-খেয়ে, কেউ টাইফয়েডে, অন্যদের কাজ করিয়ে মারা হয়েছে, তবে বেশিরভাগকে হত্যা করা হয়েছিল গ্যাস দিয়ে। নাৎসি জার্মানিতে ট্রেন সবসময়ই সময়মতো চলেছে। আইখমান ও তার অধীনস্থরা সেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল। তাদের দক্ষতার কারণে সবসময় ট্রেন ভর্তি ছিল, নারী পুরুষ আর শিশুদের দিয়ে মৃত্যু-অভিমুখে যন্ত্রণাময় তাদের সেই যাত্রায়, তাদের সাধারণত কোনো খাওয়া ও পানি দেয়া হতো না, কখনো তীব্র গরম বা তীব্র শীতে। যাত্রাপথেই মারা গিয়েছিলেন বহু মানুষ, বিশেষ করে বৃদ্ধ আর অসুস্থরা।

    যারা বেঁচে থাকতেন তারা দুর্বল ও ক্লান্ত শরীরে আতঙ্ক নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতেন, শাওয়ারের ছদ্মবেশে বানানো গ্যাসচেম্বারগুলোয় তাদের জোর করে ঢুকিয়ে দিত জার্মান সৈন্যরা, যেখানে তাদের সব কাপড় খুলে ফেলতে বলা হতো। দরজা বন্ধ করে দেয়া হতো, আর এখানেই নাৎসিরা জিকলন গ্যাস ব্যবহার করে গণহত্যার কাজটি সম্পন্ন করত। এরপর তাদের মৃতদেহগুলোকে পোড়ানো হতো ও তাদের সাথে বহন করে আনা জিনিসগুলো লুট করা হতো। যদি তাদের সাথে সাথে এভাবে হত্যা না করা হতো, তাদের মধ্যে অপেক্ষাকৃত সুস্থদের হয়তো কাজ করতে বাধ্য করা হতো সামান্য খাদ্যের বিনিময়ে। নাৎসি প্রহরীরা মজা করার জন্যেও তাদের নির্যাতন কিংবা কখনো গুলি করে হত্যা করত। আইখমান এইসব অপরাধ ঘটানোর প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করেছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তিনি মিত্রবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া এড়াতে পেরেছিলেন, একপর্যায়ে তিনি আর্জেন্টিনায় পালিয়ে আসেন, যেখানে ১৯৬০ সাল অবধি বাস করেছিলেন কোনো সমস্যা ছাড়াই। তবে ১৯৬০ সালে ইসরায়েলি সিক্রেট পুলিশ, মোসাদ, বুয়েনোস আয়ার্সে তাকে খুঁজে বের করে এবং গ্রেফতার করে। এরপর তাকে বিচারের জন্য ইসরায়েলে নিয়ে আসা হয়।

    আইখমান কি কোনো ধরনের অশুভ দানব ছিলেন, ধর্ষকামী কেউ, যে-কিনা অন্যদের দুর্দশা আর কষ্টে সুখ অনুভব করত? এটাই বেশিরভাগ মানুষ বিশ্বাস করতেন এই বিচার শুরু হবার আগে। নতুবা কীভাবে তিনি এই হলোকস্টে বা গণহত্যায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছিলেন? বেশকয়েক বছর ধরে তার কাজ ছিল সারা ইউরোপ থেকে কীভাবে ইহুদিদের মৃত্যুশিবিরে পাঠানো যেতে পারে তার কার্যকরী উপায় খুঁজে বের করা। নিশ্চয়ই এমন কাজ শুধু কোনো অশুভ দানবের পক্ষেই সম্ভব, যে-কিনা এই কাজ করে রাতে ঘুমাতে পারে। দার্শনিক হানা আরেন্ট (১৯০৬-৭৫), একজন জার্মান ইহুদি, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে এসেছিলেন ইউরোপে যুদ্ধচলাকালে। তিনি নিউ ইয়র্কার ম্যাগাজিনের জন্য আইখমানের বিচারটি রিপোর্ট করতে ইসরায়েলের জেরুজালেমে এসেছিলেন, তিনি আগ্রহী ছিলেন নাৎসি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রকাঠামোর দ্বারা উৎপাদিত এই চরিত্রটির মুখোমুখি হবেন, যে রাষ্ট্রের সমাজে স্বাধীনভাবে চিন্তা করা খুবই দুরূহ একটি কাজ ছিল। তিনি এই মানুষটিকে বুঝতে চেষ্টা করেছিলেন, একটা ধারণা পেতে চেয়েছিলেন, তিনি আসলে কেমন দেখতে, এবং কীভাবে তিনি এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড করতে পেরেছিলেন। আরেন্টের দেখা প্রথম নাৎসি আইখমান নয়, তিনি নিজেও নাৎসির হাত থেকে পালিয়ে বেঁচেছিলেন, জার্মানি থেকে ফ্রান্স হয়ে, পরে একসময় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেন। মারবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী আরেন্টের শিক্ষক ছিলেন বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক মার্টিন হেইডেগার। খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কও ছিল, যখন তার বয়স মাত্র ১৮ আর হেইডেগার ছিলেন বিবাহিত। হেইডেগার তখন ব্যস্ত ছিলেন তাঁর Being and Time লেখা নিয়ে (১৯৬২ সালে যেটি প্রকাশিত হয়), ভয়ংকর কঠিন একটি বই, যা কেউ কেউ মনে করেন এটি দর্শনে একটি বিশাল অবদান, আবার অনেকেই এটিকে অস্পষ্ট ভাবনাপ্রসূত একটি লেখা মনে করেছিলেন। পরবর্তীতে হেইডেগার নিজেই নাৎসি পার্টির একজন একনিষ্ঠ সদস্য হবার মতো ভুল কাজটি করেছিলেন, যখন তিনি ইহুদিবিরোধী নীতিকে সমর্থন ও তার বন্ধু দার্শনিক এডমন্ড হুসেরল- এর নাম Being and Time-এর উৎসর্গ পৃষ্ঠা থেকে বাদ দিয়েছিলেন, কারণ তিনি ছিলেন ইহুদি।

    কিন্তু জেরুজালেমে বিচারপ্রক্রিয়া দেখতে এসে আরেন্ট খুব ভিন্ন ধরনের এক নাৎসির দেখা পেয়েছিলেন, যে কিনা খুবই সাধারণ মানুষ, যে কিনা সে কী কাজ করছে, তা নিয়ে খুব গভীর ভাবে না-ভাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আর নিজের কাজ সম্বন্ধে তার চিন্তা করার অক্ষমতাটির পরিণতি ছিল ভয়াবহ। কিন্তু অবশ্যই তিনি অশুভ ধর্ষকামী কেউ ছিলেন না, যা আরেন্ট হয়তো আশা করেছিলেন তার মধ্যে দেখবেন বলে। বরং আইখমান ছিলেন এমন কেউ যে অন্য যে-কোনো সাধারণ মানুষের মতোই, কিন্তু সমানভাবেই বিপজ্জনক: আরেন্ট যাকে বলেছিলেন একজন unthinking man, যে মানুষ চিন্তা করে না। জার্মানিতে যেখানে বর্ণবাদের সব কুৎসিতরূপগুলো আইন হিসাবে সূত্রবদ্ধ করা হয়েছিল, তার জন্যে খুব সহজ ছিল নিজেকে রাজি করানো যে তিনি যা করছেন ঠিক কাজই করছেন। পরিস্থিতি তাকে সুযোগ করে দিয়েছিল তার পেশায় সফল হবার জন্যে এবং সেই সুযোগটি তিনি নিয়েছিলেন। হিটলারের ইহুদিগণহত্যার নীলনকশার ফাইনাল সল্যুশন ছিল আইখমানের জন্য একটি সুযোগ, তার কাজে যোগ্যতা দেখানো এবং তিনি কাজটি কত ভালোভাবে করতে পারেন সেই দক্ষতার প্রমাণ দেবার জন্যে। বিষয়টি কল্পনা করা খুব কঠিন, কিন্তু আরেন্ট-এর বহু সমালোচকই মনে করতেন তিনি ঠিক বলছেন না, কিন্তু তিনি অনুভব করেছিলেন যে, আইখমান আন্তরিক ও সত্যকথাই বলছে যখন সে দাবি করেছিল সে শুধুমাত্র তার কর্তব্য পালন করেছিল। কিছু নাৎসির ব্যতিক্রম, আইখানকে দেখে তার মনে হয়নি যে ইহুদিদের প্রতি তীব্র কোনো ঘৃণা তাকে পরিচালিত করেছিল। তার মধ্যে হিটলারের কোনো বিষই ছিল না। কারণ বহু নাৎসি ছিল তখন জার্মানিতে যারা আনন্দের সাথে কোনো ইহুদিকে পিটিয়ে হত্যা করতে পারত রাস্তায়, যদি তারা হাইল হিটলার বলে সম্ভাষণ না করত, কিন্তু তিনি তাদের মধ্যেও একজন ছিলেন না। কিন্তু তারপরও নাৎসিদের আনুষ্ঠানিক অবস্থানটি অনুসরণ ও গ্রহণ করে নিয়েছিলেন, কিন্তু তার পরিণতি ছিল আরো অনেক ভয়ানক, তিনি বহু মিলিয়ন ইহুদিকে তাদের মৃত্যু অভিমুখে প্রেরণ করেছিলেন। এমনকি যখন তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সাক্ষ্যপ্রমাণগুলো দেখছিলেন বা শুনছিলেন, তার অপরাধটি কী ছিল সেটি বোঝা তার জন্যে বেশ কষ্টকর প্রমাণিত হয়েছিল। তিনি যতটুকু জানেন, যেহেতু তিনি কোনো আইন ভঙ্গ করেননি, বা নিজে কাউকে সরাসরি হত্যা করেননি বা অন্য কাউকে সেটি করতেও বলেননি তার হয়ে, তিনি যুক্তিসঙ্গতভাবে কাজ করেছিলেন। তাকে প্রতিপালন করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলতে এবং প্রশিক্ষিত করা হয়েছে নির্দেশ অনুসরণ করার জন্য, আর তার চারপাশে সব মানুষই যখন একই কাজ করেছে তার মতোই। অন্যদের নির্দেশ গ্রহণ করার মাধ্যমে তিনি তার দৈনন্দিন কাজের ভয়াবহ সেই পরিণতির জন্যে দায়বদ্ধ হবার অনুভূতি এড়াতে পেরেছিলেন।

    গবাদিপশু বহনকারী ট্রাক আর ট্রেনবগিতে মানুষকে গাদাগাদি করে ওঠানো বা মৃত্যুক্যাম্পে ভ্রমণ করার কোনো প্রয়োজন ছিল না আইখমানের, সুতরাং তেমন কিছু তিনি করেননি। আইখমান আদালতে বলেছিলেন তিনি ডাক্তার হতে পারেননি কারণ তিনি রক্ত ভয় পান। কিন্তু তার হাতেই রক্তের দাগ এখনও। তিনি এমন একটি পদ্ধতির উৎপাদন বা সমাজের সৃষ্টি, যা কোনো-না-কোনোভাবে তাকে তার নিজের কাজ ও সত্যিকার মানুষের উপর সেই কাজের পরিণতিগুলো সমালোচনামূলক বা ক্রিটিকাল উপায়ে কোনো চিন্তা করা থেকে প্রতিহত করেছিল। যেন তিনি অন্য কোনো মানুষের অনুভূতি আদৌ অনুভব করতে পারেন না। তার বিচারের পুরো সময় জুড়েই আইখমান তার নিজের নিরপরাধতা-সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর ধারণাটি থেকে সরে আসেননি একবারো। আর এটা যদি না হয়ে থাকে, তাহলে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এমন কিছু বলতে যে তিনি শুধু নির্দেশ মান্য করছেন, এটাই তার নিজেকে বাঁচানোর শ্রেষ্ঠ উপায় হতে পারে; আর যদি তাই হয়, তিনি আরেন্টকে বোকা বানিয়েছিলেন। আরেন্ট এখানে তার বিখ্যাত শব্দ, banality of evil ব্যবহার করেছিলেন ব্যাখ্যা করতে, তিনি যা আইখমানের মধ্যে দেখেছিলেন। যদি কিছু banal হয়, সেটি খুব সাধারণ, বিরক্তিকর, আর মৌলিকতাশূন্য। আইখমানের অশুভ রূপটি ছিল, তিনি দাবি করেছিলেন, খুব সাধারণ, সেই অর্থে যে এটি একটি আমলার অশুভ কর্ম, একজন অফিস ম্যানেজারের কাজ, এটি কোনো দানবীয় ধর্ষকামী শয়তানের কাজ নয়। তিনি হচ্ছেন খুব সাধারণ একধরনের মানুষ, যিনি নাৎসিদের দৃষ্টিভঙ্গিকে সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি যা-কিছু করবেন সেটি প্রভাবিত করার জন্যে। আরেন্ট-এর দর্শনকে অনুপ্রাণিত করেছিল তাঁর চারপাশে ঘটা নানা ঘটনা। তিনি সেই ধরনের দার্শনিক ছিলেন না যিনি কিনা তার জীবন আর্মচেয়ারে বসে কাটাতে পারেন বিশুদ্ধ বিমূর্ত ভাবনা অথবা কোনো একটি শব্দের নিখুঁত অর্থ কী হতে পারে সেটি নিয়ে অশেষ বিতর্কে সময় কাটানোর মাধ্যমে। তাঁর দর্শনের সংযোগ ছিল বর্তমান ইতিহাস আর যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতার সাথে।

    তিনি যা লিখেছিলেন তাঁর বই Eichmann in Jerusalem-এ, তার ভিত্তি ছিল একটি মানুষকে নিয়ে তার পর্যবেক্ষণ, এবং তার কাজের যথার্থতা দাবি করে প্রস্ত াবিত আইখম্যানের ভাষা আর যুক্তিগুলো বিশ্লেষণ। সেখান থেকে তিনি যা দেখেছিলেন, তিনি আরো বেশি সাধারণ প্রত্যাশা করেছিলেন, যা আমরা কোনো একদলীয় নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রকাঠামোয় দেখতে পারি, এবং সেইসব মানুষের উপর এর ভয়ংকর প্রভাব কী হতে পারে, যারা এর আরোপিত চিন্তার প্রক্রিয়া ও কাঠামোকে প্রতিহত করতে পারেননা। আইখমান সেই সময়ের বহু নাৎসির মতো, ব্যর্থ হয়েছিলেন বিষয়গুলো অন্য কারোর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখতে। তিনি যথেষ্ট সাহসী ছিলেন না যে আইনগুলো তাকে দেয়া হয়েছে সেগুলোকে প্রশ্ন করার মতো সাহস দেখাতে পারতেন: তিনি শুধু সেরা উপায়গুলোর অনুসন্ধান করেছিলেন কীভাবে সেটি অনুসরণ করা যায়। তার কল্পনাশক্তির ঘাটতি ছিল। আরেন্ট তাকে ব্যাখ্যা করেছেন ‘অগভীর আর মেধাশূন্য’ হিসাবে, যদিও সেটি তার একটি নাটকও হতে পারে। সে যদি সত্যি একটি দানব হতো, তাকে দেখে আতঙ্কিত হতে হতো আমাদের।

    কিন্তু দানবরা অন্তত সংখ্যায় বেশি নয় এবং সাধারণত খুব সহজেই তাদের চিহ্নিত করা যায়। কিন্তু যা আরো বেশি আতঙ্কের সেটি হচ্ছে সেই বাস্তবতা যে তারা দেখতে আসলেই আর যে-কোনো একটি সাধারণ মানুষের মতোই। আইখমান খুব সাধারণ এক মানুষ যে-কিনা তিনি কী করছেন সেই বিষয়ে প্রশ্ন না- করার মাধ্যমে, মানবতার ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য অশুভ কাজটিতে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি যদি নাৎসি জার্মানিতে বাস না করতেন, তাহলে সম্ভাবনা খুব কম ছিল আদৌ কোনো অশুভ মানুষ হয়ে ওঠার। পরিস্থিতি তার বিপক্ষে ছিল। কিন্তু সেটি তার অপরাধ আর দায়বদ্ধতাকে মুছে দেয় না। তিনি অনৈতিক নির্দেশের প্রতি অনুগত ছিল। আর নাৎসি আদেশ মানা, যতটুকু আরেন্ট মনে করেন তাহলো ফাইনাল সল্যুশনকে সমর্থন করার সমতুল্য। তাকে যা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, সেটি সম্বন্ধে প্রশ্ন না করে, আর সেই আদেশ মান্য করার মাধ্যমে, তিনি গণহত্যায় অংশ নিয়েছিলেন, এমনকি যখন তার নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও, যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন তিনি শুধুমাত্র ট্রেনের সময়সূচী তৈরি করেছেন। বিচারের একটি পর্যায়ে তিনি এমনকি দাবি করেছিলেন যে তিনি ইমানুয়েল কান্টের theory of moral duty অনুযায়ী কাজ করেছেন, যেন আদেশ মান্য করে সঠিক কাজ করেছিলেন। তিনি পুরোপুরি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিলেন যে কান্ট বিশ্বাস করতেন, মানুষের সাথে শ্রদ্ধা আর সম্মানের সাথে আচরণ করাটাই নৈতিকতার মৌলিক ভিত্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }