Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৪৭ : ভুল থেকে শেখা – কার্ল পপার ও থমাস কুন

    ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে এক তরুণ বিজ্ঞানী বাগানে বসেছিলেন যখন একটি আপেল গাছ থেকে মাটিতে ঝরে পড়েছিল। বিষয়টি তাঁকে ভাবায়, কেন আপেল সরাসরি নিচের দিকে পড়ে, কেন উপরে না, বাঁকা হয়েই বা অন্যদিকে কেন নয় (এই আপেল পড়ার গল্পটি প্রচলিত হয়েছে ভলতেয়ারের কল্যাণে, তিনি এই গল্পটি শুনেছিলেন নিউটনের ভাইঝির কাছে)। বিজ্ঞানীটির নাম আইজাক নিউটন এবং এই ঘটনাই তাকে অনুপ্রাণিত করেছিল তাঁর মাধ্যাকর্ষণ-তত্ত্বটি প্রস্তাবনার জন্যে, যে তত্ত্বটি যেমন গ্রহদের গতিপথ ব্যাখ্যা করেছিল, তেমনি ব্যাখ্যা করেছিল কেন আপেল সরাসরি নিচের দিকে পড়বে। কিন্তু এরপরে কী ঘটেছিল? আপনি কি মনে করেন এরপর নিউটন সব সাক্ষ্যপ্রমাণ জড়ো করেছিলেন যা কিনা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করেছিল তাঁর তত্ত্বটি সত্য? দার্শনিক কার্ল পপার (১৯০২-১৯৯৪) অবশ্যই তা মনে করতেন না। বিজ্ঞানীরা, আমাদের সবার মতোই, তাদের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নেন। বিজ্ঞান অগ্রসর হয় যখন আমরা অনুধাবন করি, বাস্তবতাসংক্রান্ত কোনোকিছু নিয়ে একটি বিশেষ উপায়ে করা চিন্তাটি হচ্ছে ভুল বা মিথ্যা। দুটি বাক্যে, এটাই ছিল কার্ল পপারের দৃষ্টিভঙ্গিতে কীভাবে পৃথিবী সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করার মানবতার শ্রেষ্ঠতম প্রত্যাশাটি কাজ করে। পপার তাঁর ধারণাগুলো প্রস্তাব করার আগে অধিকাংশ মানুষই বিশ্বাস করতেন বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কোনোকিছু সম্বন্ধে একটি ধারণা নিয়ে শুরু করেন, তারপর তারা প্রমাণ জোগাড় করার চেষ্টা করেন, যা প্রমাণ করে তাদের মনে করা ধারণাটি সঠিক। কিন্তু বিজ্ঞানী যা করেন, পপারের মতে, সেটি হচ্ছে তারা তাদের তত্ত্বগুলোকে ভুল বা মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। কোনো একটি তত্ত্বকে পরীক্ষা করে দেখার প্রক্রিয়ায় আবশ্যিক একটি অংশ হচ্ছে তত্ত্বটিকে অপ্রমাণিত বা মিথ্যা প্রতিপন্ন করা (বা দেখানো যে, তত্ত্বটি আসলে ভুল) যায় কিনা সেটি দেখা। একজন বিজ্ঞানী শুরু করেন একটি সাহসী অনুমান দিয়ে, তারপর সেটাকেই তিনি ধারাবাহিক পরীক্ষা কিংবা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অপ্রমাণিত বা ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। বিজ্ঞান সৃজনশীল আর রোমাঞ্চকর একটি উদ্যোগ, কিন্তু এটি কোনোকিছুকে সত্য প্রমাণিত করেনা, এটি যা করে তাহলো ভ্রান্ত আর মিথ্যা দৃষ্টিভঙ্গিগুলোকে বাতিল করে, আর এভাবে আশাবাদী হওয়া যেতে পারে এ প্রক্রিয়ায় এটি ক্রমশ সত্যের দিকে অগ্রসর হয়।

    কার্ল পপার ১৯০২ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যদিও তার পরিবার খ্রিস্টানধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল বেশ আগেই, তবে তিনি ইহুদি পূর্বসূরিদের উত্তরসূরি ছিলেন, এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে হিটলারের অস্ট্রিয়ায় সম্প্রসারণ কর্মসূচি গ্রহণ করার আগেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রিয়া ত্যাগ করার, যখন ত্রিশের দশকে হিটলার জার্মানির ক্ষমতায় এসেছিল। প্রথমে তিনি যান নিউজিল্যান্ডে, এরপর আসেন ইংল্যান্ডে, যেখানে তিনি স্থায়ী হয়েছিলেন লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিক্স-এর অধ্যাপনার পদ নিয়ে। তারুণ্যে তাঁর আগ্রহের ক্ষেত্র ছিল বিশাল: বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, রাজনীতি, ও সংগীত, কিন্তু দর্শন ছিল তাঁর সত্যিকারের ভালোবাসা। বিজ্ঞানের দর্শন আর রাজনৈতিক দর্শনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নিয়ে পপার লেখা শুরু করার আগ অবধি, বহু বিজ্ঞানী আর দার্শনিকরা বিশ্বাস করতেন যে বিজ্ঞানচর্চা করার উপায় হচ্ছে সেইসব প্রমাণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করা, যা আপনার হাইপোথিসিসটিকে সমর্থন করে। যদি আপনি প্রমাণ করতে চান যে, সব সোয়ান বা রাজহাঁস হচ্ছে সাদা, তাহলে আপনাকে বহু রাজহাঁস পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে, আপনি যদি দেখেন সব রাজহাঁস যাদের আপনি পর্যবেক্ষণ করেছেন সেগুলো সাদা, তাহলে যুক্তিসঙ্গত মনে হতে পারে যে আপনার হাইপোথিসিস, ‘সব রাজহাঁস সাদা’ সত্য। এই যুক্তি প্রক্রিয়ায়, ‘আমার দেখা সব রাজহাঁস সাদা’ প্রস্তাবনাটি ‘সব রাজহাঁসই সাদা’ এমন উপসংহারের দিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু স্পষ্টতই আপনি এখনও কোনো রাজহাঁস দেখেননি যার রঙ কালো। অস্ট্রেলিয়ায় যেমন কালো রাজহাঁস আছে, এছাড়া সারা পৃথিবী জুড়ে বহু চিড়িয়াখানাতেও আছে। সুতরাং ‘সব রাজহাঁস সাদা’ আপনার এই প্রস্তাবনাটি এইসব প্রমাণের সামনে যুক্তিসঙ্গত কোনো প্রস্তাবনা হতে পারেনা। এমনকি আপনি যখন হাজার হাজার রাজহাঁস দেখেছেন যেগুলো সবই সাদা, এটি তারপরও মিথ্যা প্রমাণিত হতে পারে। সব রাজহাঁস সাদা এটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করার একটিমাত্র উপায় হচ্ছে পৃথিবীর প্রতিটি রাজহাঁসকে দেখা। যদি একটিমাত্র কালো রাজহাঁসের অস্তিত্ব থাকে, তাহলে আপনার উপসংহার ‘সব রাজহাঁস সাদা’ মিথ্যা প্রমাণিত হবে।

    এটি আরোহ বা ইনডাকশন প্রক্রিয়ার একটি সংস্করণের ভুল যা ডেভিড হিউম লিখেছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীতে। ইনডাকশন (আরোহ) খুবই ভিন্ন ডিডাকশন (অবরোহ) থেকে। আর সমস্যার উৎস সেখানে। ডিডাকশন হচ্ছে একধরনের যুক্তিপ্রক্রিয়া প্রস্তাবনা, যেখানে যদি কোনো প্রেমিস (বা শুরুতে ধরে নেয়া কোনো প্রস্তাবনা) সত্যি হয়, তাহলে উপসংহারকেও অবশ্যই সত্য হতে হবে। সুতরাং যদি আমরা সেই বিখ্যাত উদাহরণটি নিই, ‘সব মানুষ মরণশীল’ আর ‘সক্রেটিস একজন মানুষ’ হচ্ছে দুটি প্রেমিস, যেখান থেকে যৌক্তিক উপসংহার ‘সক্রেটিস মরণশীল’ প্রস্তাবনায় পৌঁছানো যায়। কিন্তু সক্রেটিস মরণশীল, এই প্রস্তাবনাটির সত্যকে যদি অস্বীকার করা হয়, সেটা অনেকটা এমনকিছু বলার মতো হবে যে, সক্রেটিস মরণশীল আর মরণশীল নয়, একই সাথে। এই বিষয়টি একটি উপায়ে যেভাবে ভাবা যায় সেটি হচ্ছে অবরোহ প্রক্রিয়া, যেখানে উপসংহারের সত্যতা কোনো-না-কোনো ভাবে প্রাথমিক প্রস্তাবনা বা প্রেমিসের মধ্যে থাকে, এবং যুক্তি শুধুমাত্র সেটিকে বের করে আনে বাইরে। ডিডাকশন প্রক্রিয়ার আরো একটি উদাহরণ, যেমন:

    প্রেমিস এক : সব মাছের ফুলকা আছে।

    প্রেমিস দুই : জন হচ্ছে একটা মাছ।

    উপসংহার : সে কারণে জনেরও ফুলকা আছে।

    খুবই অস্বাভাবিক হবে যদি বলা হয় যে প্রেমিস এক ও প্রেমিস দুই দুটোই সত্য, কিন্তু উপসংহারটি হচ্ছে মিথ্যা। সেটি পুরোপুরিভাবে অযৌক্তিক হবে।

    ইনডাকশন প্রক্রিয়াটি খুবই ভিন্ন এর থেকে। ইনডাকশন বা আরোহ প্রক্রিয়া মূলত একগুচ্ছ নির্বাচিত পর্যবেক্ষণ থেকে একটি সাধারণ উপসংহারে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া। আপনি যদি লক্ষ করেন যে, গত চার সপ্তাহ ধরে প্রতি মঙ্গলবার সবসময়ই বৃষ্টি হচ্ছে, আপনি হয়তো সেখান থেকে একটি সাধারণীকরণ করতে পারেন যে, ‘প্রতি মঙ্গলবারেই বৃষ্টি হয়’। সেটাই আরোহ বা ইনডাকশনের একটি উদাহরণ হবে। শুধুমাত্র একটি বৃষ্টিহীন মঙ্গলবারই যথেষ্ট ‘প্রতি মঙ্গলবার বৃষ্টি হয়’এমন দাবিকে মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্যে। চারটি পর পর মঙ্গলবার সম্ভাব্য সব মঙ্গলবারের তুলনায় খুব অল্প একটি স্যাম্পল বা নমুনা। কিন্তু এমনকি যদি আপনি আরো অসংখ্য মঙ্গলবার পর্যবেক্ষণ করেন, যেমন সাদা রাজহাঁসের ক্ষেত্রে হয়েছিল, আপনি তারপরও ভুল প্রমাণিত হতে পারেন একটি উদাহরণ দ্বারা, যা এই সাধারণীকরণের সূত্র মানছে না: একটি শুষ্ক মঙ্গলবার বা সাদা নয় এমন রাজহাঁস, যেমন। আর আরোহ প্রক্রিয়ায় এটাই সমস্যা (ইনডাকশন), যুক্তিযুক্ত করার সমস্যা ইনডাকশন পদ্ধতির উপর নির্ভর করে, যখন এটি স্পষ্টতই নির্ভরযোগ্য নয়। কীভাবে আপনি জানবেন পরের যে এক গ্লাস পানি আপনি পান করবেন সেটি আপনার শরীরে কোনো বিষক্রিয়া করবেনা? উত্তর: অতীতে আপনি যত গ্লাস পানি পান করেছেন সেগুলো সবই ভালো বা বিষমুক্ত ছিল। সুতরাং আপনিও ধরে নিচ্ছেন এটাও ভালো হবে। আমরা সবসময় এই ধরনের যুক্তিপ্রক্রিয়া ব্যবহার করি। কিন্তু স্পষ্টতই আমরা পুরোপুরি যুক্তিযুক্ত নই যখন আমরা এর উপর ভিত্তি স্থাপন করি। আমরা প্যাটার্নটি ধারণা করে নিই, যখন আসলেই সেটি থাকতে পারে আবার নাও পারে।

    আপনি যদি মনে করেন বিজ্ঞান অগ্রসর হয় ইনডাকশন প্রক্রিয়ায়, যেমন বহু দার্শনিক ভেবেছিলেন, তাহলে আপনাকে ইনডাকশন প্রক্রিয়ার সমস্যার মুখে পড়তে হবে। এই অনির্ভরযোগ্য উপায়ের যুক্তিপ্রক্রিয়া কীভাবে বিজ্ঞানের ভিত্তি হতে পারে? পপারের দৃষ্টিভঙ্গিতে যেভাবে বিজ্ঞানের বিকাশ হয় সেটি পরিষ্কারভাবে এই সমস্যাটিকে এড়িয়ে যেতে পারে। এর কারণ তার মতে, বিজ্ঞান ইনডাকশনের উপর নির্ভর করেনা। বিজ্ঞানীরা একটি হাইপোথিসিস, বাস্তবতার কোনো প্রকৃতি নিয়ে তথ্যপুষ্ট একটি ধারণা দিয়ে শুরু করেন। একটি উদাহরণ হতে পারে, যেমন, ‘সব গ্যাসই সম্প্রসারিত হয় যখন উত্তপ্ত করা হয়’। এটি খুব সাধারণ একটি হাইপোথিসিস, কিন্তু এই পর্বে বাস্তব জীবনে বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্ট অনেক পরিমাণসৃজনশীলতা আর কল্পনার সাথে। বিজ্ঞানীরা তাদের ধারণা খুঁজে পান নানা জায়গায়: রসায়নবিদ অগুস্ত কেকুলে, যেমন স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি সাপ তার নিজের লেজে কামড় দিচ্ছে, যা তাঁকে ধারণা দিয়েছিল সেই হাইপোথিসিসটির যে, বেনজিনের অণু হচ্ছে হেক্সাগোনাল (ষড়ভুজ) রিঙের মতো, যে হাইপোথিসিসটি এখনও তার সত্যতা বজায় রেখেছে বিজ্ঞানীদের এটিকে ভুল প্রমাণ করার প্রচেষ্টার মুখে। এরপর বিজ্ঞানীরা একটি উপায় খুঁজে বের করেন সেই হাইপোথিসিসটি পরীক্ষা করে দেখার জন্যে এই ক্ষেত্রে, যেমন, বিভিন্ন ধরনের গ্যাস সংগ্রহ করে তাদের উত্তপ্ত করে দেখা। কিন্তু টেস্টিং বা পরীক্ষা করে দেখা মানে কিন্তু এই হাইপোথিসিসের সমর্থনে প্রমাণ খোঁজা নয়, এর মানে হচ্ছে প্রমাণ করা যে, প্রস্তাবনাটি মিথ্যা বা ভুল প্রতিপন্ন করার প্রচেষ্টার চ্যালেঞ্জের মুখেও এই হাইপোথিসিস টিকে থাকতে পারে। আদর্শ পরিস্থিতিতে বিজ্ঞানীরা সেই গ্যাস খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন যা এই হাইপোথিসিসের সাথে খাপ খায় না। মনে করে দেখুন রাজহাঁসের ক্ষেত্রে একটিমাত্র কালো রাজহাঁসই যথেষ্ট সেই সাধারণীকরণকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্যে, সব রাজহাঁসই সাদা। একইভাবে এখানে একটিমাত্র গ্যাস লাগবে যা তাপ দিলে প্রসারিত হবে না, যা ‘সব গ্যাসই সম্প্রসারিত হয় যখন তাপ দেয়া হয়’ এই হাইপোথিসিসকে ভ্রান্ত প্রতিপন্ন করবে।

    যদি কোনো বিজ্ঞানী একটি হাইপোথিসিসকে ভুল প্রমাণ করেন, মানে তিনি যদি দেখান যে এটি মিথ্যা, তাহলে সেই ফলাফলটি হচ্ছে নতুন একটুকরো জ্ঞান, সেই জ্ঞান যে হাইপোথিসিসটি ভুল। মানবতা অগ্রসর হয়, কারণ আমরা এখান থেকে নতুন কিছুশিখি। বহু গ্যাস লক্ষ্য করে, যাদের তাপ দিলে সম্প্রসারিত হয়, আমাদের কোনো জ্ঞান দেয় না, শুধুমাত্র হয়তোবা আমাদের হাইপোথিসিসের প্রতি খানিকটা আত্মবিশ্বাসের যোগান দেয়। কিন্তু একটি বিপরীত উদাহরণ আসলেই আমাদের কিছু-না-কিছু শেখায়। পপারের মতো কোনো একটি হাইপোথিসিসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এটি অবশ্যই falsifiable, বা যাকে মিথ্যা বা ভুল প্রমাণ করা যেতে পারে। তিনি এই ধারণাটি ব্যবহার করেছিলেন বিজ্ঞান ও যাকে তিনি বলতেন ছদ্মবিজ্ঞান, দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে। একটি বৈজ্ঞানিক হাইপোথিসিস হচ্ছে এমনকিছু যা ভুল প্রমাণ করা যেতে পারে: এটি এমন ভবিষ্যদ্বাণী করে, যা দেখানো যেতে পারে ভুল। যদি আমি বলি, অদৃশ্য, অশনাক্তযোগ্য কোনো পরীরা আমাকে দিয়ে এই বাক্যটি টাইপ করাচ্ছে’, তাহলে এমন কোনো পর্যবেক্ষণ নেই যা আপনি করতে পারেন, যা আমার এই প্রস্তাবটিতে ভুল প্রমাণ করতে পারে। যদি পরীরা অদৃশ্য হয়, তারা কোনো চিহ্ন না রাখে, তাহলে কোনো উপায় নেই দেখানো যে তাদের অস্তিত্বের দাবিটি মিথ্যা। এটি মিথ্যা প্রমাণযোগ্য নয়, আর সেকারণে এটি কোনো বৈজ্ঞানিক প্রস্তাবনা হতে পারে পপার ভেবেছিলেন যে বহু প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়েছে সাইকোঅ্যানালাইসিস (মনোবিশ্লেষণ) সম্বন্ধে, যা অপ্রমাণযোগ্য এই প্রক্রিয়ায়। তিনি ভাবতেন এগুলো অপরীক্ষাযোগ্য। যেমন, কেউ যদি বলে যে সবাই প্ররোচিত হয় তাদের অবচেতন ইচ্ছাগুলো দ্বারা। তাহলে কোনো পরীক্ষা নেই সেটি যাচাই করে দেখার জন্যে। প্রতিটি টুকরো প্রমাণ, সেই মানুষগুলোসহ যারা অস্বীকার করছে যে তারা কোনো অবচেতন ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত নয়, সেটিও, পপারের মতে, ধরে নেয়া হয়েছে সাইকোঅ্যানালাইসিসের সত্যতার বাড়তি প্রমাণ হিসাবে। মনোবিশ্লেষকরা বলবেন,আপনি অবচেতনকে অস্বীকার করছেন সেই বাস্তব তথ্যটাই প্রমাণ করে যে আপনার একটি শক্তিশালী অবচেতন ইচ্ছা আছে আপনার বাবাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য। কিন্তু এই প্রস্তাবনাটি পরীক্ষা করা যাবে না, কারণ কোনো কল্পনাযোগ্য প্রমাণ নেই, যা দেখাতে পারে এটি মিথ্যা। পরিণতিতে, পপার দাবি করেন, সাইকোঅ্যানালাইসিস বিজ্ঞান নয়। বিজ্ঞান আমাদের যেভাবে জ্ঞান দেয় এটি সেভাবে কোনো জ্ঞান আমাদের দিতে পারেনা। পপার এভাবে মার্ক্সবাদী ইতিহাসকে আক্রমণ করেছিলেন, যুক্তি দিয়ে যে প্রতিটি সম্ভাব্য পরিণতিকে বিবেচনা করা হবে সেই দৃষ্টিভঙ্গির সমর্থনে, যে মানবতার ইতিহাস হচ্ছে শ্রেণিসংগ্রামের ইতিহাস। সুতরাং আবারো এটির ভিত্তি ভুল প্রমাণ করা সম্ভব নয় এমন একটি হাইপোথিসিস। এর ব্যতিক্রম, আলবার্ট আইনস্টাইনের তত্ত্ব যে সূর্য আলোকে আকর্ষণ করবে ভুল প্রমাণযোগ্য বা এটি ভুল প্রমাণ করা সম্ভব এমন একটি প্রস্তাবনা। ১৯১৯ সালে সূর্যগ্রহণের সময় তাদের আপাত অবস্থান লক্ষ্য করার প্রক্রিয়া এটি ভুল প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু সেটি তা করতে পারত। নক্ষত্র থেকে আসা আলো সাধারণভাবে দৃশ্যমান নয়, কিন্তু সূর্যগ্রহণের কিছু কিছু দুর্লভ পরিস্থিতিতে বিজ্ঞানীরা তাদের অবস্থানগুলো দেখতে পেয়েছিলেন ঠিক সেখানে আইনস্টাইনের তত্ত্ব তাদের অবস্থান যেখানে পূর্বধারণা করেছিল। যদি তারা অন্য কোনো অবস্থানে আছে বলে মনে হতো তাহলে সেটি আইনস্টাইনের তত্ত্ব কীভাবে আলো খুব বেশি ভারী বস্তু দ্বারা আকৃষ্ট হয় সেটিকে ভুল প্রমাণ করত। পপার কিন্তু মনে করেননি যে এই পর্যবেক্ষণগুলো প্রমাণ করেছে আইনস্টাইনের তত্ত্বটি সত্য। কিন্তু তত্ত্বটির প্রমাণযোগ্যতা এবং বিজ্ঞানীরা যে তত্ত্ব ভুল সেটি প্রমাণ করতে পারেননি, এই বাস্তব তথ্যই এর পক্ষেই প্রমাণ জোগায়। আইনস্টাইন এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যা ভুল হতে পারত, কিন্তু সেগুলো ভুল প্রমাণিত হয়নি।

    বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রকৃতি সম্বন্ধে পপারের বিবরণটি বহু বিজ্ঞানী ও দার্শনিককে প্রভাবিত করেছিল। পিটার মেদাওয়ার, যিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি কার্ল পপার বিজ্ঞানের ইতিহাসে অতুলনীয়ভাবেই শ্রেষ্ঠতম দার্শনিক।’ বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তার সেই বিবরণটি পছন্দ করেছিলেন, যে তাদের কর্মকাণ্ড সৃজনশীল ও কল্পনাপ্রসূত। এছাড়াও তারা অনুভব করেছিলেন যে, পপার বুঝতে পেরেছিলেন কীভাবে তারা তাদের কাজ করেন। দার্শনিকরা খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন যে যেভাবে আরোহ বা ইনডাকশনের কঠিন সমস্যাটিকে তিনি পাশ কাটাতে পেরেছিলেন। ১৯৬২ সালে, যদিও, আমেরিকার বিজ্ঞান ইতিহাসবিদ ও পদার্থবিদ থমাস কুন একটি বই প্রকাশ করেন The Structureof Scientific Revolutions, সেটি বিজ্ঞান কীভাবে অগ্রসর হয় সেই বিষয়ে অন্য একটি ধারণা প্রস্তাব করেছিল এবং এটি প্রস্তাব করেছিল যে পপার বিষয়টি ভুল বুঝেছেন। কুন বিশ্বাস করতেন যে পপার যথেষ্ট পরিমাণ নিবিড়ভাবে বিজ্ঞানের ইতিহাসকে লক্ষ্য করেননি। যদি তিনি সেটি সেভাবে দেখতেন তাহলে একটি বিশেষ প্যাটার্ন তিনি অবশ্যই লক্ষ করতেন। বেশিরভাগ সময় যাকে আমরা বলি normal science বা সাধারণ বিজ্ঞান, সেটি চলমান। বিজ্ঞানীরা একটি প্যারাডাইম বা স্বীকৃত কাঠামোর মধ্যেই তাদের কাজ করেন, যা সেই সময়ের বিজ্ঞানীরা সবাই অনুসরণ করেন। সুতরাং, যেমন, সূর্যের চারপাশে পৃথিবী আবর্তিত হচ্ছে সেটি মানুষ অনুধাবন করার আগেই, সেই সময়ে প্যারাডাইম ছিল, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে আবর্তিত হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণা করেছেন এই কাঠামোর মধ্যে এবং তাদের কাছে ব্যাখ্যা থাকত, যদি কোনো প্রমাণ সেই কাঠামোতে ঠিকমতো খাপ না খেত। এই প্যারাডাইমের মধ্যে কাজ করেই, কোপার্নিকাসের মতো বিজ্ঞানী সেই ধারণায় উপনীত হয়েছিলেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে, তার এমন ধারণাকে ভাবা হবে তিনি তার গণনায় কোথাও-না-কোথাও ভুল করেছেন। কুনের মতে, এমন কোনো ফ্যাক্ট বা বাস্তব তথ্য নেই যা অপেক্ষা করছে আবিষ্কৃত হবার জন্য, বরং, ফ্রেমওয়ার্ক বা প্যারাডাইম অনেকাংশেই ঠিক করে যে আপনি কী নিয়ে ভাবতে পারেন।

    পরিস্থিতি অন্যরকম হতে শুরু করে যখন, কুনের ভাষায় একটি paradigm shiftএর মতো পরিস্থিতি ঘটে। কোনো প্যারাডাইম শিফট হচ্ছে বোঝার একটি সম্পূর্ণ উপায় যখন পুরোপুরিভাবে উল্টে যায়বা আমূল পরিবর্তন হয়। এটি হতে পারে যখন বিজ্ঞানীরা এমন কিছু পান যা বিদ্যমান প্যারাডাইমের সাথে খাপ খায় না। যেমন, পর্যবেক্ষণগুলো সেই প্যারাডাইমের মধ্যে, যেমন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য আবর্তিত হচ্ছে এমন ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়না। কিন্তু এমনকি তারপরও বহু সময় লাগে পুরোপুরিভাবে সেই চিন্তা করার পদ্ধতিটি পরিত্যাগ করার জন্য। বিজ্ঞানীরা, যারা তাদের সারাজীবন কাজ করেছেন কোনো একটি প্যারাডাইমের মধ্যে, কাজ করার জন্য তারা সাধারণত ভিন্ন কোনো দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানায় না। যখন তারা একসময় নতুন প্যারাডাইমে তাদের ভাবনা পরিবর্তন করেন, আবারো সাধারণ বিজ্ঞানের একটি পর্ব শুরু হতে পারে, এবার সেটি কাজ করে নতুন কাঠামোয়। আর এভাবে এটি চলতে থাকে। আর এটাই ঘটেছিল যখন মহাবিশ্বের কেন্দ্রে পৃথিবীর উপস্থিত সেই ধারণাটি উল্টে গিয়েছিল। একবার যখন মানুষ সৌরজগৎকে সেভাবে ভাবতে শুরু করেছে, সাধারণ বিজ্ঞান অনেককিছু করার পেয়েছে সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর প্রদক্ষিণরত গ্রহগুলোর গতিপথ বোঝার জন্য।

    পপার, বিস্ময়কর নয়, বিজ্ঞানের ইতিহাসের এই বিবরণের সাথে একমত হননি, যদিও তিনি স্বীকার করেছেন সাধারণ বিজ্ঞানের ধারণাটি বেশ উপযোগী। তিনি কি সেই বিজ্ঞানীর মতো যার কাছে পুরোনো হয়ে যাওয়া একটি প্যারাডাইম ছিল অথবা তিনি কুনের চেয়েও বাস্তবতা সংক্রান্ত কোনো সত্যের আরো কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছিলেন, এটি বেশ কৌতূহলী প্রশ্ন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }