Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৪৮ : লাগামহীন রেলগাড়ি আর অনাকাঙ্ক্ষিত ভায়োলিনবাদক – ফিলিপ্পা রুথ ফুট আর জুডিথ জার্ভিস থমসন

    মনে করুন আপনি একদিন হাঁটতে বের হয়েছেন এবং দেখলেন একটি নিয়ন্ত্রণহীন ট্রেন দ্রুতবেগে ছুটে আসছে পাঁচজন শ্রমিকের দিকে, ট্রেনটির ড্রাইভার তার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে হয়তো তার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হবার ফলাফলে, ফলে ট্রেনটি আর তার নিয়ন্ত্রণে নেই। যদি কিছু না করা হয় অর্থাৎ ট্রেনটির গতিপথ যদি পরিবর্তন না করে, তাহলে ট্রেনটি তাদের সবাইকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলবে, কারণ এটি এত দ্রুত চলছে যে তাদের কেউ এর পথ থেকে সময়মতো সরেও যেতে পারবে না। তবে, একটি আশা আছে। রেললাইনের উপর একটি ফর্ক বা লাইনটিকে দুটি ভাগে বিভক্ত হবার ব্যবস্থা আছে, সেই পাঁচজন শ্রমিক যে লাইনে দাঁড়িয়ে কাজ করছেঠিক তার আগে, তবে অন্য লাইনটিতে দাঁড়িয়ে কাজ করছে শুধুমাত্র একজন শ্রমিক। আপনি যথেষ্ট কাছে আছেন একটি সুইচের কাছে, যেটি নাড়িয়ে দিলে আপনি ট্রেনটিকে পাঁচজন শ্রমিকের লাইন থেকে অন্য লাইনে ঘুরিয়ে দিতে পারেন একজন শ্রমিককে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে। এই নিরপরাধ মানুষটিকে হত্যা করা নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য? সংখ্যাবিচারে অবশ্যই, আপনি একজনকে হত্যা করে পাঁচজনের জীবন বাঁচাবেন। এটি অবশ্যই সুখকে ম্যাক্সিমাইজ বা সর্ব্বোচ্চ করে। বেশিরভাগ মানুষের কাছে এটাই স্পষ্টত করার জন্যে সঠিক কাজ মনে হবে। বাস্তব জীবনে খুব কঠিন হবে সুইচ নাড়ানো এবং তার পরিণতিতে কারো মৃত্যু দেখা, কিন্তু আরো বেশি খারাপ মনে হবে কিছুই না করে তার চেয়ে পাঁচ গুণ মানুষের মৃত্যু দেখা। বিখ্যাত একটি চিন্তার পরীক্ষার (বা থট এক্সপেরিমেন্ট) এটি একটি সংস্করণ, যা মূলত সৃষ্টি করেছিলেন ব্রিটিশ দার্শনিক ফিলিপ্পা ফুট (১৯২০-২০১০)। তিনি আগ্রহী ছিলেন জানতে কেন লাইনের উপর দাঁড়ানো পাঁচজন মানুষের জীবন বাঁচানো নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হয় এবং কেন কিছু ক্ষেত্রে অনেককে বাঁচানোর জন্য একজনকে বিসর্জন দেয়াও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কল্পনা করুন সুস্থ একজন মানুষ একটি হাসপাতালের ওয়ার্ডে প্রবেশ করছে। সেই ওয়ার্ডে আরো পাঁচজন লোক আছেন যাদের নানাধরনের অঙ্গ প্রতিস্থাপন করা দরকার। তাদের একজন যদি একটি হৃৎপিণ্ড না পান তিনি অবশ্যই মারা যাবেন। অন্যজনের দরকার একটি যকৃত, অন্যজনের একটি কিডনি ইত্যাদি। নৈতিকভাবে বিষয়টি কি গ্রহণযোগ্য হবে যদি একজন সুস্থ রোগীকে হত্যা করে তার শরীর থেকে সেইসব অঙ্গগুলোকে সংগ্রহ করে অসুস্থ মানুষগুলোকে দেয়া হয়? স্পষ্টতই কোনো একটি সুস্থ মানুষকে হত্যা করে, তার হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, যকৃত, কিডনি সরিয়ে নিয়ে বাকি পাঁচজনের শরীরে প্রতিস্থাপন করার বিষয়টি কারো কাছেই গ্রহনযোগ্য হবেনা। কিন্তু এটাও পাঁচজনকে বাঁচানোর জন্য একজনকে বিসর্জন দেয়া। এটার সাথে সেই লাগামহীনভাবে ছুটে আসা ট্রেনের দৃশ্যটির পার্থক্য কী?

    থট এক্সপেরিমেন্ট বা চিন্তার পরীক্ষা হচ্ছে কাল্পনিক সেই পরিস্থিতি যার উদ্দেশ্য আমাদের অনুভূতিগুলো বের করে আনা অথবা দার্শনিকরা যাকে বলেন ‘ইনটুইশন’ বা সজ্ঞা বা স্বতঃলব্ধ জ্ঞান। কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে সেই ইনটুইশনকে বের করে আনার জন্যে দার্শনিকরা প্রায়শই এগুলো ব্যবহার করে থাকেন। চিন্তার পরীক্ষাগুলো আমাদের সুযোগ করে দেয় যে-বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোর উপর মনোযোগ স্থির করতে। এখানে দার্শনিক প্রশ্নটি হচ্ছে : বেশিসংখ্যক জীবনকে বাঁচাতে একটি জীবনকে বিসর্জন দেয়া কখন গ্রহণযোগ্য হতে পারে? লাগামহীনভাবে ছুটে আসা ট্রেন আমাদের এই বিষয়ে চিন্তা করতে সাহায্য করে। এটি মূল নিয়ামকগুলোকে আলাদা করে আর আমাদের প্রদর্শন করে এই ধরনের কোনো কাজের ব্যাপারে আমরা কী মনে করি, কাজটি কি সঠিক নাকি ভুল। কিছু মানুষ বলবেন যে আমাদের কখনোই উচিত না এখানে সুইচটি নামানো, কারণ সেটি হবে ঈশ্বরের ভূমিকা পালন করা: বাকে মারা যাবে আর কে বাঁচবে তার সিদ্ধান্ত নেয়া।বেশিরভাগ মানুষ, যদিও মনে করেন, আপনার সেটি করা উচিত। কিন্তু এর সাথে সম্পর্কযুক্ত আরো উদহারণের কথা ভাবুন। মার্কিন দার্শনিক জুডিথ জার্ভিস থমসন মূল সমস্যার এই সংস্করণটির কথা ভেবেছিলেন। লাগামহীন ট্রেন এবার সেই সোজা রেললাইনের উপর, যা ছুটে যাচ্ছে সেই হতভাগ্য পাঁচ শ্রমিকের দিকে, তারা অবশ্যই মারা যাবে যদি-না আপনি কিছু করেন। আপনি একটি ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে আছেন, আপনার পাশে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল বপু একজন মানুষ। আপনি যদি তাকে ব্রিজের উপর থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেন, সেই লোকটি যথেষ্ট ভারী সেই ট্রেনটির বগির গতি কমিয়ে এমনকি থামাতে, সেই পাঁচ শ্রমিককে আঘাত করার আগে। অবশ্য তার আগে আমাদের মনে করে নিতে হবে যে আপনার সেই শক্তি আছে সেই মানুষটিকে ব্রিজের উপর থেকে নিচে ট্রেনের সামনে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবার জন্য। আপনার কি সেটি করা উচিত? বহু মানুষের মনে হয়েছে এটি আরো বেশি কঠিন কাজ, এবং তাদের মধ্যে বেশি প্রবণতা দেখা দিয়েছে ‘না’ বলার জন্যে, যদিও এই কেসটিতে ও দুইভাগ হয়ে যাওয়া লাইনের কেসেও আপনি আপনার কাজের পরিণতি পরিবর্তন করতে পারবেন পাঁচজনের মৃত্যু থেকে মাত্র একজনের মৃত্যু। আসলেই, ব্রিজের উপর থেকে ভারী মানুষটাকে ফেলে দেয়া হত্যার মতোই মনে হয়। যদিও দুটি ক্ষেত্রেই পরিণতি একই থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা হবার কথা না। যদি কাজটি সঠিক হয় সুইচ-পরিবর্তন করার সেই প্রথম উদাহরণে, নিশ্চয়ই দ্বিতীয় ক্ষেত্রে একটি মানুষকে ট্রেনের সামনে ফেলে দিয়ে ট্রেন থামানোও একই হবে। এটাই বেশ ধাঁধার মতো।

    যদি কাউকে ব্রিজ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার কাল্পনিক পরিস্থিতি শারীরিক সমস্যার প্রস্তাব করে, অথবা হত্যা করার জন্য কারো সাথে হিংস্রভাবে কুস্তি করতে হবে এমন ভাবনা যদি আপনাকে বিকর্ষণ করে, এই কেসটি আমরা নতুন করে ভাবতে পারি। যেমন ব্রিজের উপর লুকানো একটি দরজা বা ট্র্যাপ ডোর থাকবে। সুইচ পয়েন্টের মতো একই ধরনের লিভার ব্যবহার করে, যেমন আপনি প্রথম কেসে করেছিলেন, তেমনি এই বিশাল মানুষটিকে খুব অল্প চেষ্টায় ট্রেনের রাস্তায় ফেলে দিতে পারবেন। আপনার শুধু লিভারটা টেনে ধরতে হবে। প্রথম উদাহরণটির তুলনায় এটি বহু মানুষই নৈতিকভাবে খুবই ভিন্ন চোখে দেখে। কিন্তু কেন এমন হবে? তথাকথিত Law of Double Effect হচ্ছে একটি ব্যাখ্যা কেন আমরা আগের দুইভাগ হয়ে যাওয়া রেললাইনের কেসটি আর ব্রিজের উপরে দাঁড়ানো মোটা মানুষের কেসটিকে ভিন্নভাবে দেখি। এটি হচ্ছে সেই বিশ্বাস, কাউকে এত জোরে আঘাত করা যেন সে মারা যায় এবং কাজটি সঠিক হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র যদি নিজেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্য থাকে আপনার, কারণ আরো হালকাভাবে মারলে আপনি নিজেকে রক্ষা হয়তো করতে পারতেন না। কোনো একটি কাজের আগেথেকে ভাবা সম্ভব এমন খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, যে কাজটির পূর্ব-উদ্দেশ্য ছিল ভালো (এই ক্ষেত্রে আপনার নিজেকে বাঁচানো) নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে কারো ক্ষতি করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এমন কাউকে আগেই বিষ খাওয়ানো ঠিক নয়, যে- কিনা আপনাকে খুন করার পরিকল্পনা করছে। প্রথম ক্ষেত্রটিতে, যেখানে আপনার একটি গ্রহণযোগ্য উদ্দেশ্য আছে, শুধুমাত্র সেটি পালন করার প্রক্রিয়াটি কারো মৃত্যুর কারণ হয়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, আপনি সেই মানুষটিকে খুন করতে চাইছেন এবং সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। কিছু মানুষের জন্যে, এটি সমস্যার সমাধান করে। অন্য অনেকে মনে করেন Double Effect-এর এই মূলনীতি ভুল।

    এই কেসগুলোকে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে এবং প্রাত্যহিক জীবনের সাথে যাদের কোনো যোগসূত্রতা নেই। একটি অর্থে তা সত্য। এগুলো আসলে সত্যিকারের কোনো কেস হিসাবে বোঝানো হয়নি। এইসব হচ্ছে চিন্তার পরীক্ষা যা পরিকল্পনা করা হয় আমাদের বিশ্বাসকে সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু মাঝে মাঝে বাস্তব জীবনের কিছু পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যা একই ধরনের সিদ্ধান্তের কারণ হয়। যেমন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিরা লন্ডনের বিভিন্ন অংশের উপর যখন বোমা ফেলছিল, একজন জার্মান গুপ্তচর তখন ডাবল এজেন্ট হয়েছিল, বৃটিশদের সুযোগ ছিল জার্মানদের ভুল তথ্য পাঠানো, যেমন তাদের বলা যে তাদের মূল লক্ষ্যের আরো অনেক উত্তরে বোমাগুলো পড়ছে। এর প্রভাব পড়ত যখন জার্মানরা বোমার লক্ষ্য পরিবর্তন করত সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করে। সুতরাং জনবহুল লন্ডনে বোমা না পড়ে সেটি পড়ত আরো দক্ষিণে কেন্ট বা সারেতে। অন্যার্থে একটি সম্ভাবনা ছিল এমন কোনো তথ্য পাচার করার জন্য যা অল্পসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারত। কিন্তু এই ক্ষেত্রে বৃটিশরা নিজেরা ঈশ্বরের ভূমিকা নিতে চাননি।আরেকটি ভিন্নধরনের বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে, অংশগ্রহণকারীরা আসলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কিছু করার জন্যে। ১৯৮৭ সালে জিবুগী দুর্ঘটনায় একটি গাড়ির ফেরি ডুবে যায় এবং বহু আরোহী তুষারহিম সমুদ্রে তাদের জীবন বাঁচানোর জন্য সংগ্রামকরেছিলেন। একটি তরুণ দড়ির মই বেয়ে উপরে ওঠার সময় ভয়ে অসাড় হয়ে গিয়েছিল, এবং সে নড়তে পারছিল না। সেই অবস্থানে সে ছিল প্রায় দশ মিনিট, যা অন্য সবাইকে বাধা দিয়েছিল ভীষণ ঠাণ্ডা সমুদ্রের পানি থেকে বের হয়ে আসার জন্য। যদি তারা পানি থেকে তাড়াতাড়ি বের না হয়ে আসতে পারত, তাহলে তাদের ঠাণ্ডায় ও ডুবে মরা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিলনা। একসময় যারা পানিতে ছিল তারা তাকে টেনে পানিতে ফেলে দিয়ে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল। সেই তরুণটি সমুদ্রে পড়ে যায় এবং ডুবে মারা যায়। সেই তরুণটিকে মই থেকে টেনে ছুড়ে ফেলে দেয়ার সিদ্ধান্ত টি অবশ্যই খুব যন্ত্রণাদায়ক একটি সিদ্ধান্ত। কিন্তু এইসব চরমতম পরিস্থিতিতে, যেমন লাগামহীন হয়ে ছুটে আসা ট্রেনের ক্ষেত্রে যা হয়, একজন মানুষকে বিসর্জন দেয়া বহুজনকে বাঁচানোর জন্য সম্ভবত সঠিক কাজ ছিল করার জন্য।

    দার্শনিকরা এখনও তর্ক করে যাচ্ছেন ট্রেনের উদাহরণটির ব্যাপারে এবং কীভাবে এটি সমাধান করা উচিত সে-বিষয়ে। তারা অন্য একটি চিন্তার পরীক্ষা নিয়েও তর্ক করে যাচ্ছেন যা জুডিথ জার্ভিস থমসন (জন্ম ১৯২৯) প্রস্তাব করেছিলেন। এই চিন্তার পরীক্ষাটি দেখাচ্ছে একজন মহিলা যিনি জন্মনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার করেন, কিন্তু তিনি তারপরও গর্ভবতী হন, সেই শিশুটির জন্ম দেয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তার কোনো নৈতিক দায়িত্ব নেই। তিনি একটি গর্ভপাত করিয়ে নিতে পারেন নৈতিকভাবে কোনো অন্যায় না করে। এই পরিস্থিতিতে শিশুর জন্ম দেয়া হবে দয়া বা করুণার একটি কাজ, কিন্তু অবশ্যই কর্তব্য নয়। প্রথাগতভাবে, গর্ভপাতের নৈতিকতা সংক্রান্ত বিতর্কটিকে দেখা হয় ফিটাস বা ভ্রূণের দৃষ্টিকোণ থেকে। তার প্রস্তাবনাগুলো ছিল গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ কারণে যে এটি মহিলাটির দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টিকে দেখার উপর অনেক গুরুত্ব দিয়েছিল। আরো একটি উদাহরণ যেমন, একজন বিখ্যাত বেহালাবাদক যার কিডনিতে সমস্যা আছে। তার বেঁচে থাকার একটিমাত্র সুযোগ হচ্ছে এমন কোনো মানুষের সাথে যুক্ত থাকা যে তার মতো খুব দুর্লভ রক্তের গ্রুপবহন করে। আপনার সেই একই রক্তের গ্রুপ আছে। একদিন সকালে আপনি ঘুম থেকে উঠে দেখলেন যে, যখন আপনি ঘুমাচ্ছিলেন তখন ডাক্তাররা তাকে আপনার কিডনির সাথে যুক্ত করে দিয়েছে। থমসন প্রস্তাব করেন এই ধরনের পরিস্থিতিতে আপনার কোনো নৈতিক দায়িত্ব কিংবা কর্তব্য নেই তার সাথে আপনার নিজেকে যুক্ত করে রাখা। এমনকি যখন কিনা আপনি জানেন সে মারা যাবে যদি আপনি টিউবটি টেনে বের করে নেন। একইভাবে তিনি প্রস্তাব করেন যদি কোনো মহিলা গর্ভবতী হয় যখন কিনা সে জন্মনিরোধক খাচ্ছে, বিকাশমান ভ্রূণ তার মধ্যে যে আছে তার কোনো স্বয়ংক্রিয় অধিকার নেই তার শরীর ব্যবহার করার জন্য। এই ভ্রূণটি সেই ভায়োলিনবাদকের মতো। থমসনের এই উদাহরণটি প্রস্তাবের আগে, বহু মানুষ ভাবতেন যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হচ্ছে : ভ্রূণ কোনো ব্যক্তি বা পার্সন কিনা? তারা বিশ্বাস করতেন যে যদি তারা দেখাতে পারেন যে একটি ভ্রূণ আসলে একজন পার্সন বা ব্যক্তি, তাহলে গর্ভপাত অবশ্যই প্রতিটি ক্ষেত্রে অনৈতিক হবে। থমসনের চিন্তার পরীক্ষা প্রস্তাব করেছিল যে এমনকি যখন ভ্রূণ একটি পার্সনও, সেটি অবশ্যই প্রশ্নটিকে সমাধান করেনা। অবশ্যই সবাই তার এই উত্তরের সাথে একমত হননি। কিছু মানুষ এখনও ভাবেন যে আপনার ঈশ্বরের ভূমিকা নেয়া উচিত না, এমনকি যদি আপনি জেগে ওঠেন ও দেখেন বেহালাবাদক আপনার কিডনির সাথে যুক্ত হয়ে আছে। খুবই কঠিন একটি জীবন হবে, যদি-না অবশ্যই আপনি বেহালার সুর ভালোবাসেন। কিন্তু তারপরেও এটি ভুল হবে বেহালাবাদককে হত্যা করা, এমনকি যদিও আপনি তাকে সাহায্য করার বিষয়টি নির্বাচন করেননি। একইভাবে বহু মানুষ বিশ্বাস করেন যে, আপনার কখনোই উচিত না একটি স্বাস্থ্যকর গর্ভাবস্থাকে শেষ করা, এমনকি যদিও আপনার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না গর্ভবতী হবার এবং সব ব্যবস্থাই নিয়েছিলেন তার বিরুদ্ধে। খুব বুদ্ধিমত্তার সাথে সাজানো চিন্তা পরীক্ষা যা করে, তাহলো এইসব মতানৈক্যের ভিত্তিতে থাকা মূলনীতিগুলোকে বের করে আনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }