Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প641 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৫ : তাৎক্ষণিক সুখ – আরিস্টিপপাস ও সাইরেনাইক দর্শন

    খ্রিস্টজন্মের প্রায় ২০০ বছর আগে, হিপপোবোটাস নামে একজন ইতিহাসবিদ তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় এমন নয়টি দার্শনিক চিন্তাধারা বা স্কুলের একটি তালিকা করেছিলেন। সেখানে পরিচিত দার্শনিক চিন্তার ধারাগুলো, যেমন প্লেটোনিস্ট, অ্যারিস্টোটেলিয়ান, স্টয়িক, এপিকিউরিয়ান ছাড়াও খানিকটা অপরিচিত, সাইরেনাইকস, আনিসেরিয়ানস এবং থিওডোরান নামের তিনটি দর্শনের স্কুলের নামও ছিল। তবে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই, কোনো অপরিচিত গ্রুপ নিয়ে তিনটি অধ্যায় আমি যুক্ত করছি না। কারণ, দেখা গেছে আনিসেরিয়ান, থিওডোরান ধারাটি মূলত গড়ে উঠেছিল সাইরেনাইক নামের বড় দার্শনিক ধারণাটির মধ্যে। এমন নয় যে সাইরেনায়িক দর্শনের স্কুলটি খুব বড় ছিল; হিপপোবোটাস যখন লিখেছিলেন, ততদিনে সাইরেনাইকরা হারিয়ে গেছেন। কোনো বড় প্রভাবশালী দর্শনের স্কুলের তালিকায় তারা আর ছিলেন না। দর্শনের কেন্দ্রীয় বিতর্কের প্রশ্নটিতে সিনিকদের মতো তারাও একটি চূড়ান্ত অবস্থান বেছে নিয়েছিলেন। তবে খুব সহজ নয় তাদের ধারণাগুলো ব্যাখ্যা করা। সিনিকদের মতোই তাদের সম্বন্ধে আমাদের ধারণাগুলো পরোক্ষ, লিখিত তেমন কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আসলেই সিনিকদের সাথে তাদের তুলনা বেশ যুক্তিযুক্ত মনে হতে পারে। সাইরেনাইকরা ছিলেন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ভোগবাদী, যখন সিনিকরা পরিকল্পিতভাবে কঠোর একটি জীবন বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য ছিল অভিন্ন, পূর্ণ স্বাধীনতা, এবং সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্যে তারা একই রাস্তা ব্যবহার করেছিল, আর সেটি হচ্ছে প্রকৃতিকে অনুসরণ। ঐতিহাসিকভাবেও তাদের আরো একটি সাধারণ মিল ছিল। প্রাচীন উৎসগুলো বলছে যে সাইরেনাইক এবং সিনিকরা তাদের দর্শনের ধারাটির সূচনাপর্বটি চিহ্নিত করতে পারবেন সক্রেটিসের দুজন সহযোগীদের ধারণায়। সিনিকরা তাদের শুরু খুঁজে পাবেন অ্যান্টিসথেনিসের ধারণায়, আর সাইরেনিয়াকরা সেই দাবি করবেন সক্রেটিসের আরেক অনুসারী আরিস্টিপপাসকে নিয়ে। সাইরেনাইক দর্শনের সেরা সময়টি যার হাত ধরে এসেছিল তারও নাম ছিল আরিস্টিপপাস (মূল সেই আরিস্টিপপাসের নাতি)। বয়স্ক আরিস্টিপপাসের জন্ম হয়েছিল বর্তমান লিবিয়ার একটি জায়গা সাইরেনেতে। জেনোফোনেরসক্রেটিসকে নিয়ে লেখা তাঁর স্মৃতিকথায় তিনি বয়স্ক আরিস্টিপপাসের ভোগবাদী জীবনাচরণের বিবরণ দিয়েছিলেন, যাকে সক্রেটিস অনুরোধ করেছিলেন আরো সংযমী জীবন যাপন করতে।

    একটি সময় ভোগবাদী দর্শনের জন্যে খ্যাতি (মূলত কুখ্যাতি) অর্জন করেছিলেন বয়স্ক আরিস্টিপপাস। ডায়োজেনিস দ্য সিনিক যেমন সুপরিচিত তার দরিদ্রতা আর বুদ্ধিমত্তার নানা গল্পের জন্যে, বৃদ্ধ আরিস্টিপপাসও একবাক্যে সমাপ্ত এমন নানা গল্পের নায়ক ছিলেন, যার প্রত্যেকটির শিরোনাম হতে পারে: আনন্দই একমাত্র উদ্দেশ্য। এই গল্পগুলোতে সাধারণত আমরা বৃদ্ধ আরিস্টিপপাসকে দেখি কোনো ভোজসভায় অথবা বেশ্যালয়ে। যেমন এক ছাত্রকে তিনি বলেছিলেন, ‘বেশ্যালয়ে যাওয়া নয়, সমস্যা হচ্ছে বের হয়ে আসাটা।’ আরেকটি গল্পে সন্দেহজনক এক মহিলা যখন তাকে অভিযুক্ত করেছিল তাকে গর্ভবতী করার জন্যে, তিনি তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি হচ্ছ সেই লোকটার মতো, যে কাঁটার ঝোপের মধ্যে হেঁটে এসে একটি মাত্র কাঁটাকে দায়ী করে তার গায়ে আঁচড় দেবার জন্যে।’ আরেকটি গল্পে আমরা তাঁকে তার ছাত্রদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করতে দেখি, যা পুরোপুরিভাবে তাঁর গুরু সক্রেটিসের আচরণবিরোধী, যিনি বন্ধুত্ব ছাড়া আর কিছুই প্রত্যাশা করতেন না তাঁর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। যেমন একবার এক পিতা তার ছেলেকে আরিস্টিপপাসের কাছে নিয়ে এসেছিলেন তাকে শিক্ষা দেবার জন্যে, তিনি বলেছিলেন, তার ছেলেকে শিক্ষা দেবার জন্যে তাকে ৫০০ ড্রাকমা পারিশ্রমিক দিতে হবে। সেই পিতা বলেছিলেন, ‘এত বেশি টাকায় আমি তো একটি ক্রীতদাসই কিনতে পারি।’ এবং তিনি উত্তর দেন, ‘বেশ তাই করুন, তাহলে আপনার দুটি ক্রীতদাস হবে।’

    প্রথমে শুনলে মনে হতে পারে বৃদ্ধ আরিস্টিপপাস দার্শনিক নয় বরং চরিত্রহীন লম্পট কেউ, যিনি আরো পরিচিত ডায়োজেনিসের নানা কাহিনিগুলো নিজের প্রয়োজনে পুনর্ব্যবহার করতেন, আর অবশ্যই প্রাচীন উৎসগুলো আমাদের তেমনই একটি ধারণা দেয়। কিন্তু খুব ভালো করে লক্ষ করলে দেখব বৃদ্ধ আরিস্টিপপাস তাঁর ভোগবাদী দর্শনে বেশ চিন্তাও যুক্ত করেছিলেন। তিনি আত্মসংযমের অনুশীলনও করতেন। তিনি যে-কোনো আনন্দ পাবার অনুভূতি হাতছাড়া হতে দিতেন না, কিন্তু সেই একই কারণে যে-কোনো পরিস্থিতিতে তিনি আনন্দ খুঁজে পেতে সক্ষম ছিলেন। বেশ্যালয় নিয়ে তার সেই গল্পটি যেখানে তিনি ছাত্রকে বলছেন, সেখান থেকে বের হয়ে আসার জন্যে সক্ষম হবার প্রয়োজন আছে, এটি খানিকটা সীমিত আকারের সংযমের ইঙ্গিত দেয়। কারো পক্ষে সম্ভব এমন, ঠিক এখনই, এই মুহূর্তে সুখানুভূতির আনন্দ উপভোগ করার প্রয়োজনীয়তার উপর তিনি জোর দিয়েছিলেন, এবং দাবি করেন যে এর মাধ্যমে জীবন সহজতর, আনন্দময় হবে এবং অবশ্যই সেটি হবে স্বাধীন। এখানেই বৃদ্ধ আরিস্টিপপাসের বেশকিছু মিল আছে সিনিক ডায়োজেনিসের সাথে। স্পষ্টতই তিনি সিনিকদের ব্যতিক্রম বিলাসিতা, আনন্দ আর সম্পদ চেয়েছিলেন; তিনি আনন্দ পাওয়াটাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন একটি ভালো জীবনের ভিত্তি হিসাবে; কিন্তু তাদের মতোই তিনি স্বাধীনভাবে সামাজিক কোনো বিধিনিষেধের গণ্ডীর বাইরে বাঁচতে চেয়েছিলেন। তবে বৃদ্ধ আরিস্টিপপাসকে নিয়ে এই অধ্যায়ে আর বেশিকিছু বলার নেই। তবে তাঁর নাতি তরুণ আরিস্টিপপাস সাইরেনাইসিজম (Cyrenaicism)-এর মূল দার্শনিক ভিত্তিটি রচনা করেছিলেন, এবং তার দর্শনের কেন্দ্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি তখনও ছিল হেডোনিজম বা ভোগবাদ: সেই দাবিটি হচ্ছে, আনন্দ সবচেয়ে ভালো। তিনি তার পিতামহের কাছে উত্তরাধিকারসূত্রে সেই ধারণাটাও পেয়েছিলেন যে, আমাদের শুধু বর্তমানের সুখগুলো নিয়ে ভাবা উচিত। এখানে তিনি ভিন্ন ছিলেন এপিকিউরাসের অনুসারীদের চেয়ে, তারা ভোগবাদী তবে তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছিল। তাদের জন্যে আনন্দ-খোঁজা স্বতঃস্ফূর্ত, অপরিকল্পিত মুহূর্তের কোনো ভাবনা নয়, বরং জীবন যাপনের একটি কৌশল, যার সাথে যুক্ত সতর্ক পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ, বর্তমান সুখকে বর্জন করা ভবিষ্যতের সুখ পাওয়া এবং ভবিষ্যতের দুঃখ এড়ানো নিশ্চিত করতে। তরুণ আরিস্টিপপাসের কাছে আপনার জীবন বর্তমান মুহূর্তে আপনি যেমন উপভোগ করছেন ঠিক ততটুকুই ভালো। বিষয়টি তরুণ আরিস্টিপপাসের দর্শনের অনন্যতা আর বিস্ময়কর একটি দিক প্রকাশ করে। প্রায় সব প্রাচীন দার্শনিকই প্লেটো আর অ্যারিস্টোটলের উদাহরণ অনুসরণ করে চেষ্টা করেছিলেন শ্রেষ্ঠ জীবনকে সুখী জীবন হিসাবে শনাক্ত করতে। আমরা দেখেছি তাদের দর্শনের কেন্দ্রে ছিল ইউডাইমোনিয়া; তারা মোটামুটি একমত ছিলেন যে, যখন আমরা নৈতিকতা অনুসরণ করি, আমরা চেষ্টা করি খুঁজে বের করতে কোন্ বিষয়টি আমাদের সুখী করে। অবশ্যই, একজন ভোগবাদীও সেটি করতে পারে। সাইরেনাইকরা এর ব্যতিক্রম ছিলেন, তারা বিশেষভাবে কোনো সুখী জীবন নিয়ে চিন্তিত ছিলেন না। তারা তাৎক্ষণিক সুখের কথা ভাবতেন, ভবিষ্যতে কী ভালো হবে সেটি নয়। কিন্তু তরুণ আরিস্টিপপাস কেন এমন ভাবতেন, সম্ভবত তিনি অনুভব করেছিলেন কোনো ভোগবাদীকে কী পরিমাণ চাপের মুখে পড়তে হয় যদি তাকে ভবিষ্যতের জন্যে পরিকল্পনা আর হিসাব-নিকাশ করতে হয়। প্লেটো তার একটি সংলাপে, সক্রেটিসকে দিয়ে বলিয়েছেন যে, একজন সফল ভোগবাদীর দরকার আছে একটি art of measurement বা মাত্রা মাপার শিল্প, কারণ তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোটি তাকে সবচেয়ে বেশি সুখ দেবে। স্পষ্টতই এটি পিচ্ছিল ঢালে পা দেবার মতো যেখানে ভালোকে শনাক্ত করার জন্যে দরকার প্রজ্ঞা, যুক্তি, এবং পরিশেষে যা যুক্তি আমাদের করতে নির্দেশ দেয়, ভার্চু বা সদ্গুণ। তরুণ আরিস্টিপপাসের কাছে ভালো হচ্ছে সেইসব কিছু যা ভালো লাগে অনুভব করতে।

    বিকল্পভাবে হয়তো তরুণ আরিস্টিপপাস চিন্তা করেছিলেন যে সারাজীবন ধরে সর্ব্বোচ্চ সুখ অর্জন করা অসম্ভব। এর কারণ হতে পারে জীবনের উদ্দেশ্য খুবই অনির্দিষ্ট, অথবা মানবজীবনের প্রকৃতিটাই এমন যে আনন্দের চেয়ে সারাজীবন ধরে তারা বেশি দুঃখই ভোগ করেন (এই জোরালো দাবিটি করেছিলেন আরেকজন সাইরেনাইক দার্শনিক হেজেসিয়াস)। সুতরাং আমাদের মনোযোগ দিতে হবে যা আমরা আসলেই অর্জন করতে পারব, সেটি হচ্ছে এখন এবং এই মুহূর্তে পাওয়া সম্ভব এমন সুখ। অতীত সুখের স্মৃতি আর ভবিষ্যৎ সুখের কামনা তার দর্শনের উদ্দেশ্য নয় বোঝাতে তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, এগুলো এমন সুখ যা কিনা ঠিক এই মুহূর্তে আমাদের জন্যে অস্তিত্বশীল নয়। আমাদের জন্যে যা অস্তিত্বশীল সেটি হচ্ছে যা-কিছু আমাদের বর্তমান মুহূর্তটিকে প্রভাবিত করছে। তিনি বিষয়টিকে একধরনের গতির সাথে তুলনা করেছিলেন: আনন্দকে তিনি সংজ্ঞায়িত করেছেন ‘মসৃণ’ গতি এবং কষ্টকে ‘অমসৃণ’ গতি হিসাবে; তিনি কষ্টকে সমুদ্রের ঝড়ের সাথে, আনন্দকে সুবাতাস হিসাবে, এবং দুটির অনুপস্থিতিকে শান্ত সমুদ্রের সাথে তুলনা করেছিলেন।

    কিন্তু কেন তিনি আনন্দকে ‘ভালোর’ সাথে সংশ্লিষ্ট করেছিলেন? যেন তিনি প্রথম থেকেই দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ ছিলেন বর্তমান মুহূর্তের সুখের ভোগবাদিতাকে তিনি সমর্থন করবেনই, এবং যা-কিছু তার এই প্রস্তাবনায় বাধা সৃষ্টি করবে তা তিনি দূরে সরিয়ে দেবেন, প্রজ্ঞা, স্মৃতি, আশা। আর দর্শনে কোনো একটি অবস্থান যে- কোনো মূল্যে আঁকড়ে ধরে থাকাটাকে খুব একটা সুনজরে দেখা হয়না। তাহলে কি এটি শুধু তার পিতামহের প্রতি ভালোবাসার ছদ্মপ্রকাশ? অথবা তরুণ আরিস্টিপপাসের কাছে কী যুক্তি ছিল তার বৃদ্ধ পিতামহের দর্শনের স্বপক্ষে? আসলেই ছিল, এই যুক্তিটি অনেকেই ব্যবহার করেছেন, এটিকে cradle argument বলা হয়। যুক্তিটা মূলত শুরু হয় এমন একটি দাবি করে যে একেবারে শৈশব থেকে সব মানুষই আনন্দ বা সুখ খুঁজে। ইউডোক্সাস, বিখ্যাত গণিতজ্ঞ জ্যোতির্বিদ এবং প্লেটোর অ্যাকাডেমির সদস্য, ভোগবাদী দর্শনকে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন। তিনি এই যুক্তির একটি সংস্করণ প্রস্তাব করেছিলেন সেই সত্যটাকে প্রস্তবানা করার মাধ্যমে যে সব প্রাণী সারাক্ষণই সুখের সন্ধানে ব্যস্ত। সুখের সমর্থনে আমরা যুক্তিটি এপিকিউরাসের দর্শনেও পাই, আর স্টয়িকরা দাবি করেছিলেন শিশুদের সহজাত প্রবৃত্তিগত আর প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়ায় ভিত্তি হতে পারে তাদের নৈতিকতার।

    আপনি হয়তো ভাবতে পারেন এই ক্রেডল আর্গুমেন্ট এমনকি কোনো শিশুও খণ্ডন করতে পারবে। শুধুমাত্র প্রাণী এবং মানবশিশুরা যে-কোনো মূল্যে আনন্দ খুঁজে, তার মানে এইনা যে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদেরও সেটি করা উচিত হবে। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে, আরো কোনো মহত্তর উদ্দেশ্যে সুখ বিসর্জন দেওয়া হয়তো প্রাপ্তবয়স্কতার চিহ্ন হতে পারে। কিন্তু এই যুক্তিটির আরো শক্তি আছে, যদি আপনি স্বীকার করেন, যেমন করে বহু প্রাচীন দার্শনিক স্বীকার করেছিলেন যে প্রকৃতিই মানুষের জন্যে সবচেয়ে ভালোটি নির্ধারণ করতে পারে। অ্যারিস্টোটলের সেই ফাংশন-যুক্তিটির কথা ভাবুন, এমনকি আজও বহু মানুষই মনে করেন যে যদি কোনোকিছু অপ্রাকৃতিক হয়, তাহলে সেটি অবশ্যই গ্রহণযোগ্য নয়। প্ৰকৃতি আর নৈতিকতার মধ্যে যোগসূত্রটি স্পষ্টতই সহজাত এবং মনের গভীরে প্রোথিত। এছাড়াও সাইরেনাইকদের বর্তমান মুহূর্তের সুখ অর্জন করার উপর গুরুত্বটি তাদের একটি লক্ষ্য অর্জন করতে সহায়তা করে, যা শুধু সিনিক নয়, গ্রিক দর্শনের আরো একটি চিন্তার সাথে যার সংযোগ আছে: ataraxia, যে-কোনো ধরনের উদ্বেগের অনুপস্থিতি, যা দাবি করে, সবচেয়ে সহজতম জীবন শুধুমাত্র বর্তমান মুহূর্তের সুখ অনুসন্ধান করে এবং এর দ্বারা সন্তুষ্টি লাভ করে, ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো চিন্তা যেমন এর থাকেনা, তেমনি অতীত নিয়ে কোনো আক্ষেপও থাকেনা।

    তরুণ আরিস্টিপপাস বর্তমান মুহূর্তে অর্জন করা সুখের সর্ব্বোচ্চ গুরুত্ব দাবি করা বৈপ্লবিক প্রস্তাবটি সমর্থন করেছিলেন, মানবজ্ঞান নিয়ে আরো একটি বৈপ্লবিক প্রস্তাবনা করার মাধ্যমে। তিনি শুরু করেছিলেন আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ পর্যবেক্ষণ দিয়ে, আমরা শুধু সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারি চারপাশের সবকিছু যেমনভাবে আমাদের প্রভাবিত করছে। সুতরাং, যেমন, আমি যদি কোনোকিছু সাদা দেখি, সেই জিনিসটা আমাকে প্রভাবিত করছে আমাদের অনুভব করিয়ে যে আমি সাদা দেখছি, আমি সাদায় আবিষ্ট হচ্ছি। আমাদের অভিজ্ঞতার আধেয় হচ্ছে নানা উপায়ে যেভাবে আমরা প্রভাবিত হচ্ছি, এবং অবশ্যই কোনোকিছু আমাকে যেভাবে প্রভাবিত করতে পারে, আপনাকে হয়তো অন্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। যেমন যদি আপনি অসুস্থ হন, হয়তো সবকিছু আপনার তিক্ত অনুভব হতে পারে, যেক্ষেত্রে মধুও আপনার কাছে তিক্ত স্বাদের মনে হবে; কিন্তু যেহেতু আমি সুস্থ, আমার কাছে সেটি মিষ্টি অনুভূত হবে। অবশ্যই সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান দাবি করবে যে, যদি মধু আমার কাছে মিষ্টি মনে হয় আর আপনার কাছে তিক্ত তার কারণ নিশ্চয়ই আমার স্বাদ নেবার ক্ষমতা সঠিকভাবে কাজ করছে, আপনারটা করছে না। আর যাইহোক না কেন, মধু তো আসলেই মিষ্টি, যদি আপনি ভাবেন এটি তিতা, সেটি আপনার দোষ, মধুর দোষ নয়। কিন্তু সাইরেনাইকরা মনে করতেন, সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানের বেশকিছু সংশোধন প্রয়োজন। তরুণ আরিস্টিপপাস আমাদের মনে করিয়ে দেন যে আমরা মধুকে ভিন্ন ভিন্নভাবে অনুভব করছি, কারণ এভাবে মধু আমাদের প্রত্যেককে প্রভাবিত করছে। সেই অভিজ্ঞতাগুলো এমন কিছু নয় যা আমরা ভাগাভাগি করে নিতে পারি। আমি কখনোই মধু নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতায় অংশ নিতে পারব না, ঠিক একইভাবে আমি সেই ব্যথাও একইভাবে অনুভব করব না যখন কেউ আপনার মুখে একটি ঘুসি মারবে।

    এই সবকিছু আমাদের প্লেটো সেই বক্তব্যটিকে মনে করিয়ে দিতে বাধ্য, যা তিনি দাবি করেছিলেন সোফিস্ট প্রোটাগোরাসের বলে; প্রোটাগোরাস বলেছিলেন, কোনো চরম বা চূড়ান্ত সত্য নেই, যেমন কোনো বাতাস ঠাণ্ডা না গরম সেই সম্বন্ধে যদি ভাবেন। যদি আপনার কাছে এটি ঠাণ্ডা লাগে, এটি আপনার জন্যে ঠাণ্ডা, যদি আমার কাছে গরম অনুভূত হয়, তাহলে আমার কাছে গরম। সাধারণভাবে সব সত্যই সত্য শুধুমাত্র আপেক্ষিকভাবে, বিষয়গুলো যার কাছে যেমন মনে হয়। হয়তো সাইরেনাইকদের দর্শন আর প্রোটাগোরাসের আপেক্ষিকতাবাদের মিলটি উপরিপৃষ্ঠে শুধু। সাইরেনাইকরা বিশেষভাবে নজর দিয়েছিলেন মৌলিক ইন্দ্রিয়ানুভূতিতে, যেমন কোনোকিছু সাদা নাকি মিষ্টি। এটাই, অবশ্যই, ভোগবাদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদি জীবন সম্বন্ধে সচেতনতা, মহাবিশ্ব এবং সবকিছুই নির্ভর করে ঠিক এখনই সবকিছু কেমন আছে তার উপরে, তাহলে যুক্তিসঙ্গত হতে পারে বর্তমান সুখ আর কষ্ট অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হবে কারো জীবনে। এখন হয়তো আপনি তর্ক করতে পারেন যে, ঠিক এই বর্তমানটা মনে হতে পারে অন্যায্য, পক্ষপাতদুষ্ট অথবা আমাদের জন্যে সুন্দরও হতে পারে, আর সেই বিষয়টি তাৎক্ষণিক আনন্দ ছাড়াও আরো অনেক কিছু বিষয়ে ভাবারও অবকাশ দেয়। কিন্তু আরিস্টিপপাস এই ধাঁধায় আরো একটি অংশ যোগ করেছিলেন, তিনি বলেছিলেন আমাদের সব অভিজ্ঞতাই বাস্তবিকভাবে আনন্দ অথবা দুঃখের। সুতরাং যদি কোনোকিছু মিষ্টি হয়, সেটি সুখ, আর তিতা হয় তাহলে একধরনের কষ্ট। যদি সেটি সামান্য খানিকটা সুখকর বা খানিকটা কষ্টকর না হয়, আমাদের কোনো অভিজ্ঞতাই থাকবে না, এটি হবে এমন কিছু যা স্বাদহীন। এটাই ব্যাখ্যা করে যেখানে না-সুখ না-দুঃখ এমন কোনো পরিস্থিতিগুলোকে সাইরেনাইকরা তুলনা করেছিলেন শান্ত সমুদ্রের সাথে, যেখানে কোনো বাতাস নেই।

    আমরা এতক্ষণ তরুণ আরিস্টিপপাসের দৃষ্টিভঙ্গিটি পড়লাম। আমরা দেখেছি, তিনি ভাবতেন যে আমার জন্যে যা-কিছুর অস্তিত্ব আছে সেটি আমি এখন অভিজ্ঞতালব্ধ হচ্ছি, যা নানা ধরনের সুখ আর কষ্ট ছাড়া আর কিছুই না। সে- কারণে জীবনের শুধুমাত্র ভালো যা-কিছু আমি পেতে পারি সেটি হচ্ছে এই মুহূর্তের আনন্দ, অন্যদিকে সবচেয়ে খারাপ জিনিসটি হচ্ছে যে কষ্ট আমি এখন পাচ্ছি। এই দৃশ্যটি অপরিবর্তিত এবং অনমনীয়। তবে তাদের দর্শন তেমন সফল হয়নি। এপিকিউরাসের দর্শন সাইরেনাইকদের ভোগবাদীদের প্রভাবশালী দর্শনের তালিকায় বেশখানিকটা নিচে নামিয়ে দিয়েছিল। তবে তারপরও তার অনুসারীরা ছিল। পরে তার ধারণাগুলো তিনটি ভিন্নদিকে বিকশিত হয়। স্পষ্টতই সাইরেনাইকদের তত্ত্বকে সমর্থন করতে হলে খুব সীমিত আকারের ছাড় দিতে হয়, যেন বিষয়টিকে ব্যাখ্যাযোগ্য করে। এটাই সম্ভবত কৌশল ছিল আনিসেরিসের, যিনি দাবি করেছিলেন সুখ ভালো, কিন্তু আরো বিস্তৃত একটি দৃষ্টিভঙ্গি তিনি ধারণ করেছিলেন সুখ নিয়ে।যখন দুই আরিস্টিপপাসই মনোযোগ দিয়েছিলেন মৌলিক শারীরিক সুখের উপর, আনিসেরিসরা ইঙ্গিত করেন যে সম্মান আর বন্ধুত্বও সুখকর। এই আরো বেশি ব্যবহার-উপযোগী সংস্করণটি খুবই ভিন্ন এই ধারার আরেক দার্শনিক থিওডোরাসের দর্শন থেকে। আরিস্টিপপাসের দৃষ্টিভঙ্গির গৃহপালিত সংস্করণ যা আনিসেরিস প্রস্তাব করেছিলেন তার সাথে তিনি পুরোপুরি একমত ছিলেন না, তবে তিনি শারীরিক সুখের উপর কম মূল্য দিয়েছেন। বিস্ময়কর এটি, বিশেষ করে এমন কেউ যারা কিনা সাইরেনাইক স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট, কিন্তু তিনি আরো একটি কেন্দ্রীয় মূলনীতির সমর্থন করেছিলেন, সেটি হচ্ছে আত্মনির্ভরশীলতা এবং স্বয়ংসম্পূর্ণতা। আর এভাবে তিনি বন্ধুত্ব আর সামাজিক বন্ধনের ধারণাটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। স্পষ্টতই হতাশাপূর্ণ দিকে দর্শনটি মোড় নিয়েছিল, দর্শনটির তৃতীয় শাখাও তার প্রমাণ। হেজেসিয়াস নামের এক দার্শনিক তরুণ আরিস্টিপপাসের ভোগবাদিতা আর সংশয়বাদী জ্ঞানতত্ত্বকে গ্রহণ করে নিয়েছিলেন। কিন্তু শোপেনহাউয়ারের অচেনা এক গ্রিক সংস্করণের মতো, হেজেসিয়াস শিখিয়েছিলেন যে আমরা জীবনকে খুব একটা সুখকর কোনো বিষয় হিসাবে আশা করতে পারিনা। আমাদের জন্যে সবচেয়ে ভালো হবে যতটা সম্ভব ততটা দুঃখ এড়িয়ে চলা। এই চূড়ান্ত হতাশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির জন্যে হেজেসিয়াসের একটি স্মরণীয় খেতাব জুটেছিল, মৃত্যুর অনুপ্রেরণাদানকারী। তিনি ছিলেন সেই দার্শনিক যিনি কিনা আক্ষরিকার্থে আপনাকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করতে পারতেন। এর সাথে সাইরেনাইক দর্শন ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়, যে তত্ত্বটি সুখকে ভালো জীবনের কেন্দ্রে রেখেছে, সেটি এত বেশি অপ্রিয় হবার কথা নয়। কিন্তু তারপরও সাইরেনাইকরা দর্শনের ইতিহাসে বেশ কৌতূহলোদ্দীপক একটি পাদটীকা হিসাবে রয়ে গেছেন, বিশেষ করে মানব-অভিজ্ঞতা নিয়ে তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলো, এবং তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী এপিকিউরানদের ব্যতিক্রম তারা যা-কিছু আমাদের নিবেদন করেছিলেন তার জন্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স
    Next Article ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }